somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানকে বাঁচাতে ঢাবি'র গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ৬ শতাধিক ছাত্রছাত্রীর মানববন্ধন লাউয়াছড়ায় মার্কিন তেল গ্যাস কোম্পানী শেভরনের ত্রিমাত্রিক ভূতাত্বিক জরিপ বন্ধের দাবীতে শুক্রবার দুপুরে মানববন্ধন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ৬’শতাধিক ছাত্রছাত্রী। এসময় মানববন্ধন কর্মসুচীতে যোগ দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শেখ আব্দুস সালাম, অধ্যাপক আ·স·ম·আরেফিন সিদ্দিকী, সাবেক সাংসদ আখতারুজ্জামান ও বিরোধী দলীয় সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্য আব্দুস শহিদ প্রমূখ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ৬’শতাধিক ছাত্রছাত্রী মূলত তাদের বার্ষিক বসন্ত উৎসবে আসে। প্রথমে লাউয়াছড়া ন্যাশনাল পার্কে দুপুর সাড়ে বারোটায় এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে। সেখানে সংপ্তি সমাবেশে বক্তারা বলেন, শেভরনের ত্রিমাত্রিক ভূতাত্বিক জরিপ হলে লাউয়াছড়ায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রভাব পড়বে এছাড়া দেশের একমাত্র রেইন ফরেষ্ট লাউয়াছড়ার জীব বৈচিত্র মারাত্বক হুমকির সম্মূখীন হবে।
লাউয়াছড়া আমাদের জাতীয় সম্পদের একটি অংশ। এই সম্পদ রক্ষায় সবাইকে এক যোগে কাজ করতে হবে।
মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশ চা গবেষনা কেন্দ্র মাঠে বসন্ত উৎসবে মিলিত হন। সেখানে ঢাবি‘র গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের নবীন ও প্রবীন ছাত্রছাত্রীরা একে অপরকে কাছে পেয়ে আনন্দে মেতে উঠেন। এসময় তাদের বসন্ত উৎসবে যোগ দেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মুহা· আলকামা সিদ্দিকী,শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো· সাইফুল ইসলাম,কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাজেরা খাতুন, শ্রীমঙ্গলস্থ বাংলাদেশ চা গবেষনা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড·মইনুল হক, বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিটের পরিচালক মো·আজহারুল ইসলামসহ মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধিরা।

ছবির লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে ঢাবি‘র ছাত্রছাত্রীদের মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন ঢাবি‘র শিক্ষকরা
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28781449 http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28781449 2008-03-22 11:42:36
রক্তঝরার গান সেই থেকে শুরু হলো রক্তঝরার গান।
৫২- সালে শুরু হলো ভাষা আন্দোলন
এইজন্য শহীদ হলো ছালাম, রফিক, বরকত।
তাদের রক্তে লাল হলো বাংলার রাজপথ।

৭০- সালে হলো সাধারণ নির্বাচন
সেই থেকে শুরু হলো স্বাধীনতার আন্দোলন।
৭১- এ স্বাধীন হলো সোনার বাংলাদেশ
সেই থেকে শুরু হলো অনেক রকম বেশ।

৭৫- এ নিহত হন শেখ মুজিবুর রহমান
সেই থেকে বদলে গেল রাজনীতির ময়দান।
৮১ সালে নিহত হলেন জিয়াউর রহমান
তারপর থেকে শুরু হলো স্বৈরাচারী সরকার।
৯০- এ শুরু হলো গণতন্ত্রের আন্দোলন
এইজন্য রক্ত দিল রাজপথে অনেকজন।

বছর পরিক্রমায় দাঁড়িয়ে
বর্তমান দেশে চলছে দূর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, খুন, রাহাজানি
তাই তো প্রতিদিন দেখা যায় খবরের কাগজে অনেক লাশের ছবি।
এভাবে আর চলবে কতদিন
এজন্য কি রক্ত দিল ত্রিশ লক্ষ মানুষ
এজন্য কি স্বাধীন হলো আমার বাংলাদেশ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28778020 http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28778020 2008-03-10 16:55:50
দাসত্বের শিকল আফ্রিকান দস্যুরা বিভিন্ন গ্রামে হামলা করে শত শত মানুষকে ধরে নিয়ে এসে বন্দি করে রাখত। আর ইউরোপিয়ান ব্যবসায়ীরা তাদের কিনে এনে ইউরোপের বাজারে বেচত। তাছাড়া ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকেও তারা দাস কেনা-বেচা করত।

শুধু ইউরোপে নয়, সারাবিশ্বের সমাজপতি, প্রভাবশালী ও দস্যুরা দুর্বলদের ধরে নিয়ে গিয়ে দাস বানাত এবং বিক্রি করত। ১০৬৬ সালের আগে অর্থাৎ রোমানদের সময়ে এবং তারও আগে ইংল্যান্ডে দাস প্রথার প্রচলন ছিল। অ্যাংলো-স্যাঙ্নরা এ প্রথার স্রসারণ করে। কিন্তু ১০৬৬ সালে নরমান্ডি রাজা উইলিয়ামের ইংল্যান্ড বিজয়ের পর ইংরেজ খ্রিষ্টান দাস প্রথা বন্দ হয়ে যায়। তাই বলে দাস প্রথার বিলুপ্তি ঘটেনি। এ বর্বরতা নিয়ে রক্তাক্ত হয়ে আছে ইউরোপের ইতিহাস। সে ইতিহাসের পাতায় পাতায় দাসদের করুণ আর্তনাদ গুমরে গুমরে কাঁদে।
ক্রমওয়েলিয়ানরা আয়ারল্যান্ড দখল করে নেওয়ার পর থেকে লাখ লাখ নারী, পুরুষ এবং শিশুকে জোর করে দাস বানানো হয়। তাদের নিয়ে যাওয়া হয় ব্রিটিশ ওয়েষ্ট ইন্ডিজ ও ব্রিটিশ নর্থ আমেরিকায়। ১৬৫৯ থেকে ১৬৬৩ সাল পর্যন্ত ক্রমওয়েলিয়ানের সেনাবাহিনী হাজার হাজার আইরিশ ক্যাথলিককে দাস বানায়। কারণ তিনি ক্যাথলিক ধর্মাবলম্বীদের পছন্দ করতেন না।

১৬৩১ সালের ২০ জুন আয়ারল্যান্ডের কানটি কর্ক এলাকার আত্রক্রমণ চালায় আলজেরিয়ান দস্যুরা। তারা সেদিন দু’জন গ্রামবাসীকে হত্যা করে শতাধিক লোককে ধরে নিয়ে গিয়ে শিকলবন্দি করে। পরে তাদের দাস হিসেবে প্রেরণ করে উত্তর আফ্রিকায়। গ্রামবাসী রাজার কাছে এ ঘটনা জানালে দশ বছর পর তাদের ফিরিয়ে আনা হয়। ১৫৫৪-৫৫ সালে ‘দ্য পাইওনিয়ার অব ইংলিশ হিসেবে পরিচিত হকিন্স ধনী ব্যবসায়ীদের নিয়ে দাস ব্যবসার একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলে। তিনটি জাহাজ নিয়ে যাত্রা শুরু করে আফ্রিকার উদ্দেশে। মাঝপথে তারা পর্তুগিজদের একটি জাহাজ ছিনতাই করে ছিনিয়ে নেয় ৩০০ দাস। আর ১৫৬৪ সালে দ্বিতীয় যাত্রায় তারা প্রায় ৪০০ আফিদ্ধকানকে অপহরণ করে বিক্রি করে।
১৮ শতকে এসে দাস প্রথা ত্রিমাত্রিক রূপ নেয়। লিভারপুল শহরের জন্য এটি অনেক লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয় । ১৭ থেকে ১৯ শতক পর্যন্ত ছিল গৃহদাস প্রথাও।

যেসব মানুষ হতদরিদ্র, যাদের বেঁচে থাকার বিক্লপ্প কোনো রাস্থা নেই, তারা অন্যের বাড়িতে দাস হয়ে থাকত। বেওয়ারিশ শিশুদের ধনীরা লালন-পালন করে গৃহস্থলির কাজে ব্যবহার করত। তবে দাস প্রথার বিরুদ্ধে যে আন্দোলন সংগ্রাম হয়নি তা কিন্তু নয়। ইউরোপে এই অমানবিক প্রথার বিরুদ্ধে সর্বশেষ যে মানুষটি সংগ্রাম করে তিনি হলেন গ্রানভিলি সার্প। বাবা থমাস সার্পের ৩১ সম্মানের মধ্যে তিনি ছিলেন ২০তম। থমাস ছিলেন মানবতাবাদী, সমালোচক। দাসপ্রথার বিরুদ্ধে আইনি লড়াই করে আঠারো শতকের মাঝামাঝি সময়ে তিনি এ প্রথাকে ইউরোপ থেকে বিদায় করতে বিশেষ ভূমিকা রাখেন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28744750 http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28744750 2007-11-11 21:54:57
একটাই দাবি আমি হব ভ্রমর,
তুমি যদি বিছা হও
আমি হব কোমর।
তুমি যদি আকাশ হও
আমি হব চাঁদ,
তুমি যদি তারা হও
আমি হব রাত।
তুমি যদি চোখ হও
আমি হব জল...
অবশেষে তোমার কাছে
একটাই আমার দাবি,
আপন করে কবে পাব তোমায়
দিন রাত তাই শুধু ভাবি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28743631 http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28743631 2007-11-08 11:45:18
নিপার শারদীয় শুভেচ্ছা... তাই সকল বন্ধুকে জানাই বিজয়া দশমীর শুরভচ্ছা!!!!]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28738683 http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28738683 2007-10-20 21:21:26 তোমাকে শাশ্বতকালের জন্য ভালোবেসেছি
আমাকে নিয়ে যাচ্ছেতাই করার অধিকার তোমার আছে। জীবনটাক পাপোশ বানিয়ে দিয়ে ছিলাম একবিন্দু ভালোবাসার আশায়। তোমাকে বাধ্য করিনি ভালোবাসতে। শুধু চেয়েছি তোমার হৃদয়ে আমার জন্য ভালোবাসার উৎপত্তি। আমাকে নিরাশ করোনি তুমি। ভালোবাসার কাঁটাজালে বন্দি করে ছুঁড়ে দিলে যন্ত্রণার অতল অন্ধকারে। সাদরে গ্রহণ করলাম তোমার প্রদত্ত প্রথম উপহার হিসেবে।
আমি তোমাকে শাশ্বতকালের জন্য ভালোবেসেছি। কোনো প্রতারণা আশ্র্রয় নেইনি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে তোমার দিকে ছুটেছি। হয় ভালোবাসা না হয় মৃতু্। আমাকে তুমি মৃতু্ দাওনি। দিয়েছো মৃতু্র চেয়েও যন্ত্রণাময় জীবন। সব টুকু সুখ শুষে নিয়ে কষ্টের কন্টকে ক্ষত-বিক্ষত করে ফেলে দিলে ঝঞ্ঝাটের মত। তবুও তো, হাসিমুখে বলতে চাই, তুমি আমার প্রথম ভালোবাসা।


শুধু একটাই দাবি, ভালোবাসা। ভালোবাসার আড়ালে আমাকে নিয়ে তুমি কি নির্মম খেলাটাই খেললে। ফিরে যাওয়ার পথ বন্ধ করেই আমি নেমেছিলাম মোম সময়ে কার্যকরী চালটাই চাললে। এক নিমেষেই লন্ডভন্ড করে দিলে আমার ভালোবাসার সাজানো বাগান। তোমাকে 'অপরাধী' বলার সাহসও আমর ছিলনা। আমার তপস্যা ছিল একটি মুহূর্তের জন্য হলেও যেন তোমাকে কাছে পাই। আমার ভালোবাসা আর্তনাদে মহাশূন্য অনুকম্পিত হয়। শুধু প্রতিধ্বণিত হয়না তোমার অন্তরে। আমাকে নিযে ভাবনার যদি অবকাশ হয় তবে জেনে নিও আমি ভালো নেই।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28735016 http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28735016 2007-10-02 12:26:09
দুঃখ তার ঠিকানা তার ইসটিশন
এমনি করে কষ্ট শোকে
দেয় কাটিয়ে বিশটি সন।
ছেলেবেলার মেঘনা নদী
শিস দিয়ে যায় ইস্টিমার
চোখের কোণে শোকের ছায়া
উদাস করা দৃষ্টি তার।
চিরচেনা মেঘনা নদী
এই নদীটাই দুঃখ তার
ভাসিয়ে নিয়ে স্বজন ভিটে
ছাপ রেখে যায় রুক্ষতার
ঘর বাড়ি দোর সব হারিয়ে
লোকটা এখন ভাসমান
তার জীবনে নেই কোনো সুখ
দুঃখ মাথা পা সমান।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28734151 http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28734151 2007-09-28 11:53:40
কী জাদু ঐ অধরে...
সেই প্রাচীন আমল অর্থাৎ সভ্য জগতের শুরুর দিন থেকেই নিজেকে সুন্দর করে উপস্থাপন করার লক্ষে ঠোঁট রাঙিয়ে আসছে মেয়েরা। আদিযুগে মেয়েরা পান-সুপারি খেয়ে সে রসেই টুকটুকে লাল করে রাখত ঠোঁট। এরপর ধীরে ধীরে সেই রংকে মডেল করে এলো বিভিন্ন ধরনের লিপষ্টিক। কিছুদিন আগেও নারীরা গাঢ় রঙের লিপষ্টিকে ঠোঁট রাঙাতে বেশি পছন্দ করত। তবে বর্তমানে লিপষ্টিকের হালকা ন্যাচারাল কালারটিকেই বেশি পছন্দ করছে মেয়েরা। এ কারণে তৈরি হয়েছে বিভিন্ন ধরনের লিপষ্টিকস।

লিপপ্লস হচ্ছে হালকা কালারের ভেজা লিপষ্টিক। কোনো কোনো লিপপ্লসে আবার হালকা গ্গ্নিটার মেশানো থাকে, যা ব্যবহার করলে ঠোঁট দেখতে অনেক বেশি আকর্ষণীয় লাগে। বিভিন্ন কালারের লিপগ্গ্নস বাজারে থাকলেও পিংক, ব্রাউন আর ন্যাচারাল কালারের লিপগ্গ্নসের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। একটি লিপগ্গ্নসের দাম ৪০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্স্ন হতে পারে। দামের সঙ্গে এসবের কোয়ালিটিও অনেকখানি নির্ভর করে। লিপগ্গ্নস ব্যবহার করতে পারে সবাই। একদম কমবয়সী মেয়ে থেকে শুরু করে বয়স্করাও। লিপগ্গ্নস ব্যবহারে ব্যক্তির ব্যক্তিত্ম্ব খর্ব হওয়ার আশগ্ধকা একেবারেই নেই; বরং বৃব্দি পাবে বহুগুণ। এসব কারণেই হয়তো সারাবিশ্বে লিপগ্গ্নসের কদর এখন তুঙ্গে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28730537 http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28730537 2007-09-11 11:27:58
দগ্ধ বালুচর জেগেছে বালুর ঢেউ
চৈত্রের প্রখর রৌদ্রে যেন
দগ্ধ হয়েছে বালুচর।

অথচ
শোকে বাতুল আমি-
দেয়ালে বায়সের ক্ষুধার্ত চিত্র
কা-কা শব্দে বিশ্বাঙ্গন আলোড়িত।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28729405 http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28729405 2007-09-04 17:05:25
মোবাইল ফোন যন্ত্রনা!!! এখন কি করি আমি?]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28729267 http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28729267 2007-09-03 21:00:55 ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে জমিদার হিরালাল সাহার বাড়ি
সন্ধ্যার পর মুখরিত হয়ে উঠতো বিভিন্ন লোকের সমাগমে। বাজতো বাধ্য বাজনা। চৈত্র সংক্রান্তিতে মেলা বসতো জমিদার হিরালাল বাড়িতে। দুল পূর্ণিমাতে অনুষ্ঠান হতো। ঘোড়া চড়ে তারা এলাকার বিভিন্ন স্থানে আসা-যাওয়া করতো। জমিদারি প্রথা বিলুপ্তি হওয়ার পর তাদের জুলুস ভাটা পড়তে থাকে। এক পর্যায়ে জমিদার হিরালাল সাহার তিন ছেলে, এক মেয়ে অভাবের তাড়নায় ভারতে চলে যান। সংস্কার ও সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বর্তমানে জমিদার হিরালাল সাহার বিল্ডিং এর ছাদের পস্নাস্টার খসে যাচ্ছে। দরজা-জানালা ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে শিয়াল-কুকুর রাত্রি যাপন করছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28729070 http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28729070 2007-09-02 20:58:37
আমি... http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28729050 http://www.somewhereinblog.net/blog/nipablog/28729050 2007-09-02 18:03:14