ঘরে ফেরার ডায়েরী। পর্ব-২।
২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৫৭
স্থানঃ ভ্যাংকুভার এয়ারপোর্ট।
এখন এখানে দুপুর বেলা। আকাশ বেজায় মেঘলা, তাই ঘড়ি না দেখে সময় বোঝা মুশকিল। কিছুক্ষণ আগেই এখানে এসে পৌছেছি, এবারে বড় অংশটুকু উড়তে হবে। এখানে থেকে সোজা হংকং। তেরঘন্টার মামলা।
দুশ্চিন্তা হচ্ছে। প্লেনের সবগুলো সিট ভর্তি। হাত-পা ছড়িয়ে বসার গুড়ে বালি। কি আর করা? কপালে যা আছে, তাই মেনে নেওয়া ছাড়া আর উপায় কি?
চাইনিজ (মানে হংকং আর কি) কোম্পানীর বিমান। তাই সংগত কারণেই বোঁচা পাবলিকের আনাগোনা বেশী। আমি সে সব নিয়ে মাথা ঘামাইনে।প্লেনের খাওয়াটা বেশী বাজে না হলেই আমি খুশী।
হাতের কাছে একগাদা পরীক্ষার খাতা। সেগুলো দেখতে দেখতে যাবো। তেত্রিশ হাজার ফিট উপরে গিয়েও মাস্টারের মাপ নেই।
গতরাতে মাত্র দুঘন্টা ঘুমিয়েছি। কাজের চাপে না, ইচ্ছে করেই। কেননা একজন বুদ্ধি দিয়েছে যে এতে করে নাকি প্লেনে ঘুমটা ভালই হয়। দেখা যাক, এই টোটকা পদ্ধতিতে কোন কাজ হয় কিনা। কতরকম ফন্দি যে আছে এই দুনিয়ায়। হিসেব করে দেখেছি যে ৬-৭ ঘন্টা যদি কোনভাবে ঘুমানো যায়, তাহলেই আমার দুশ্চিন্তা কমে।
যাকগে- থাকুক এটুকুই। প্লেনের লোকেরা ডাকাডাকি শুরু করবে একটু পরেই। খামাখা ওদের চটিয়ে লাভ কি?
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৫৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
কেমিকেল আলী বলেছেন:
ভাল লাগল না, তার একটা কারণ হতে পারে অনেক ছোট বলে।
নুশেরা বলেছেন:
উৎকণ্ঠিত আগ্রহ... পৌঁছে গেলেই তো শেষ! এভাবেই চলুক না আরো কিছূক্ষণ...
মাহবুব সুমন বলেছেন:
পড়ছি ..............
আকাশচুরি বলেছেন:
কেমন আছেন?
নির্বাসিত বলেছেন:
দেশে পৌছেছি ২৭ তারিখ গভীর রাতে। গতকাল বিভাগের রিইউনিয়ন অনুষ্ঠানে খুব ভাল লেগেছে। একজন বন্ধুর সাথে দেখা প্রায় পঁচিশ বছর পর।কনফারেন্স শুরু হবে ২ তারিখে।
শায়েরী বলেছেন:
Ekdom choto
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














