আমার প্রিয় পোস্ট

বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা, আমরা তোমাদের ভুলবো না...

আমার ফড়িংছানার কান্ডকারখানা...

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৭

শেয়ারঃ
0 0 0



ওকে ফড়িং কি আর সাধেই বলি, সারাদিন নাচানাচি তো আছেই সেইসাথে রাতেও ঘুমের মধ্যে শুয়ে ঘুরতে ঘুরতে একবার খাট থেকে নীচে আবার নীচ থেকে খাটে। ওর বয়স তখন সবে তিন কি চার মাস হবে, উপুর হতেও শিখেনি...শুধু দুইপায়ে মেঝেতে ধাক্কা দিয়ে পিছন দিকে যেতে পারে। তেমনই এক দুপুরে পুচকি আর আমি শুধু বাড়িতে, ও শুয়ে শুয়ে খেলছে, আমি একটু তন্দ্রাচ্ছন্ন...কিছুক্ষন পরে উঠে দেখি সে নেই!!! এই ঘর খুঁজি ঐ ঘর খুঁজি, কোথাও নেই...কোনো সারাশব্দও পাওয়া যাচ্ছে না..মনে মনে ভাবছি হাটাও তো শিখেনি যে বাইরে চলে যাবে!!! বড়ই চিন্তায় পরে গেলাম...এঘর-ওঘর করতে করতে বেডরুমের কোনায় নীচু একটা টেবিলের নীচে ছোট ছোট পা...নীচু হয়ে তাকিয়ে দেখি, তিনি দিব্যি টেবিলের নীচে হাত-পা নেড়ে খেলছেন...পা ধরে কাছে টেনে নিয়ে আসতেই আমার দিকে তাকিয়ে দিলো একটা মুচকি হাসি...তখন থেকেই শুরু তার, আমার সাথে লুকোচুরি খেলা...


ছয় মাসে যখন বসতে শিখলো, তখন হামাগুড়ি দিয়ে এদিক থেকে সেদিকে ঘুরাঘুরি করে...একদিন দোকান থেকে বেশ কিছু বড় বড় দেখে সবুজ, লাল কাচামরিচ কিনে এনেছি এবং সেটা ঝাকায় করে রান্নাঘরের মেঝেতে রেখে দিয়েছি। আমি রান্নার কাজে ব্যস্ত, ফড়িংটাও হামাগুড়ি দিয়ে খেলছে...খেলতে খেলতে কখন এসে যেনো হাতে করে একটা কাচামরিচ নিয়ে গেছে, আমি টেরও পাইনি...রান্না শেষ করে গিয়ে দেখি সে বসে বসে মরিচ চিবুচ্ছে...আমি নিজেও তখনও খেয়ে দেখিনি ঝাল কিনা, সে আমার আগেই টেস্ট করা শুরু করে দিয়েছে...বড় বাঁচা বেচে গিয়েছি, ভাগ্যিস মরিচগুলোতে তেমন ঝাল ছিলো না...

আর ল্যাপি দেখলে তো যেখানেই থাকুক ধুমধাম করে ছুটে এসে, পারলে ওর উপরেই চড়ে বসে...কিছুতেই ধরে রাখা যেতো না। সবসময় ও ঘুমোলে ল্যাপি বের করা হতো। এক ছুটির দুপুরে ও ঘুমিয়েছে, পাশে ওর বাবা ল্যাপিতে কাজ করছে...আমি দোকানে গিয়েছি কেনাকাটা করতে। কাজ করতে করতে ওর বাবা ল্যাপিটা পাশে রেখে ওর সাথেই ঘুমিয়ে পড়েছে...কিছুক্ষন পরে পুচকিটার ঘুম ভেঙ্গে উঠে দেখে যে তার এতদিনের অধরা জিনিস, একদম হাতের নাগালের ভিতরে...আর যাবে কোথায়...একেবারে ঝাপিয়ে পরে ছোট ছোট আঙ্গুল দিয়ে ল্যাপির "কি" দুই-চারটা তুলে মুখে পুরে দিয়েছে...আমি ফিরে এসে দেখি, ল্যাপির উপরে বসে একটা একটা করে কি তুলছে আর খাচ্ছে...আমাকে দেখেই সেকি দুস্টুমি মাখা হাসি:D সাথে সাথে মুখ থেকে ওগুলো বের করে ফেলে দিলাম..
এদিকে আমার হয়ে গেলো মহাসমস্যা, আমি টাইপিং দক্ষ না...এখনো দেখে টাইপ করতে হয়...অক্ষরগুলো না থাকাতে আমাকে বেশ ঝামেলাই পোহাতে হয়/:)

ছোট বাচ্চাদের খাবার তালিকায় কত কিছুই না আছে, স্যান্ডেল, জুতা থেকে শুরু করে আরো কত কি!!! তার সাথে আরেকটা যুক্ত হলো ল্যাপির "কি"। মার মুখে শুনেছি ছোট ভাইটা নাকি সাবান খেয়ে ফেলেছিলো, আর আমি ঠিক খাইনি তবে হাতে নিয়েছিলাম একটা কিছু কিন্তু সেটা বলা যাবে না :P


পেট ভরা থাকলে আর ঠিকঠাক মতো ঘুমালে, কান্নাকাটি খুব একটা করতো না...তারপরেও হয়তো আমি হাতের কাজে ব্যস্ত, ওকে কোলে নিতে পারছি না...তখন একটু কান্না করতো, সেই সময় ওর কান্না থামানোর মজার একটা জিনিস ছিলো...টুথব্রাশ, পেলে আর কিছুই লাগতো না। ওটা নিয়েই অনেকক্ষন ধরে দাত দিয়ে কুটকাট করতো...এই ফাঁকে আমি কাজ সেরে ফেলতাম। নতুন দুটো ব্রাশ কেনা ছিলো ওর জন্য...তখন সবেমাত্র চারটে দাত উঠেছে...দেখুন না কিভাবে বড়দের ব্রাশ দিয়ে দাত মাজছে....

যখন সবে মুখের আধো আধো বোল ফুটেছে....তার প্রথম ডাক ছিলো মা নয়"অ্যাম"। কোথা থেকে যে শিখেছিলো আমি নিজেও জানি না...হয়তো নিজে থেকেই ডাকটা উদ্ভাবন করেছে...বাবাকে ঠিকই "বাবা" বলেই ডাকে...আর সব কথাও ঠিকই আছে, শুধু আমাকেই ওভাবে ডাকে...দেশে যাবার পরে ব্যাপক সমস্যায় পড়েছিলাম এই ডাক নিয়ে....সবার প্রশ্ন তোমার ছেলে তোমাকে আম, আম বলে ডাকে কেনো? যতই বলি এটা আমি ওকে শিখিয়ে দেই নি, ও নিজে থেকেই বলতে শুরু করেছে...তারপরেও সবার একই প্রশ্ন...আমার নিজেরও কথা, আমি মা থেকে আম হয়ে গেলাম কি করেB-)

 

সর্বশেষ এডিট : ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৫
পথে-প্রান্তরে বলেছেন: ব্যাপকস্ বিনোদন পেলাম । :p ধন্যবাদ ।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন: আপনাকে ব্যাপকস্ বিনোদন দিতে পেরে, আমিও ব্যাপকস আনন্দিত...

২. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৭
রুদমী বলেছেন: আপনার বাবুটা খুবববব cute. আমার তো কোলে নিতে ইচ্ছা করছে। ওর দুষ্টামির কথা গুলো পড়ে অনেক মজা পেয়েছি।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রুদমী। মজা পেয়েছেন জেনে খুশি হলাম।
শুভেচ্ছা আপনাকে..

৩. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৮
ইউনুস খান বলেছেন: পিচ্চিমনিটাকে অনেক অনেক আদর রইলো।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ইউনুস খান..

৪. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫০
রথে চেপে এলাম বলেছেন: বাচ্চারা সবসময়ই মজার। খুব ভাল লাগল পড়ে। প্লাস।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: হুমম ঠিকই বলেছেন...সব সময় ব্যাপক বিনোদনের মধ্যেই আছি...

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে রথে চেপে এসে পড়ার জন্য..

৫. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৪
মানবী বলেছেন: মাশআল্লাহ্, খুব সুন্দর ফড়িংছানা!
টুথব্রাশ তো ওর চেয়েও বড় মনে হচ্ছে!!

বাচ্চাদের খাদ্যতালিকায় ল্যাপটোপের কী মনে হয় যুগের চাহিদা :-) আমার বান্ধবীর ছেলেও ৭/৮ মাস বয়স থেকে এটাকে প্রিয় খাদ্য হিসেবে ঘোষনা করেছে :-)
এতো ছোট বাচ্চা কিভাবে কী গুলো খুল আমার বোধগম্য হয়না!! :-*


বাচ্চাটার জন্য অনেক অনেক দোয়া।


*আমি প্রথম পাতায় এই পোস্ট দেখিনি, আপনার ব্লগে একটি লেখা পড়তে এসে দেখি নতুন পোস্ট!!* : )
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: অজস্র ধন্যবাদ মানবী আপু!!

যাক বাঁচা গেলো, আরও বাচ্চার প্রিয় খাদ্য তালিকায় আছে দেখি এই জিনিস:)
ছোট ছোট আঙ্গুল দিয়ে কী গুলো তোলা আরও সোজা...

আপু আপনি যে আমার ব্লগে আসেন লেখা পড়তে জেনে অনেক খুশি হলাম...
কিন্তু অনেকদিন হলো আপনার নতুন লেখা পাচ্ছিনা, তাড়াতাড়ি নতুন লেখা চাই..

৬. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৪
আশাবাদী মানুষ বলেছেন: খুব সন্দর আপনার ফড়িংটা । কাচা মরিচ মুখের ছবি দেখে আমিও ভড়কে গিয়েছিলাম !
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আশাবাদী ভাই...আর বইলেন না, আমি নিজেও ভয় পেয়েছিলাম....

ভালো থাকবেন।

৭. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০০
মে ঘ দূ ত বলেছেন: আপনার ল্যাপির ছবিটা দেখে মজা পেলাম। প্রথম ছবিটা অনেক কিউট। লেখাটা যখন পড়ছিলাম আমার বোন তখন আমার পেছনে ভাগ্নেকে নিয়ে খেলছিল। বোন আপনার ফড়িংছানার ছবিটা দেখে ভাগ্নেকে বলে, "দেখো দেখো কি সুন্দর একটা পিচ্ছি"। :=)

শুভ কামনা রইলো অ্যাম আর তার ফড়িংছানার জন্য।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৪

লেখক বলেছেন: আপনি মজা পেলেন ল্যাপির ছবি দেখে, আর আমাকে ঝারি খেতে হয়..
নিজেই ঘুমায় পরছে, উল্টা আমাকেই ঝারি দেয় তার শখের কম্পুর এই দশা দেখে...

আপনার ভাগ্নেকেও অনেক অনেক আদর..
অনেক অনেক ধন্যবাদ মে ঘ দূ ত আপনাকে..

৮. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৯
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: আমি নিজেও সাবান সহ যাবতীয় সুগন্ধি জিনিস খাওয়ার এটেম্পট নিসিলাম পিচ্চিকালে/:)
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩০

লেখক বলেছেন: মন খারাপ কইরেন না ভাঙ্গা পেন্সিল, এটাতো সবার পিচ্চিকালের কমন কাহিনী...শুধু খাবার তালিকাটা একটু এদিক-ওদিক:)

দেখি সামুর ব্লগারদের ছোটকালের খাদ্যলিস্ট বানাইতে হবে..

৯. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৪
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: উরে উরে কি কিউট বাবুটা । :)
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বাবুনি সুপ্তি :)

১০. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৪
সেতূ বলেছেন: আপনার লিখার সাথে প্রমান সরূপ ছবি গুলো সুন্দর হয়েছে.....
শুভ কামনা রইলো আপনার আর আপনার ফড়িংছানার জন্য।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪২

লেখক বলেছেন: শুভকামনার জন্য ধন্যবাদ সেতু।

আপনিও ভালো থাকুন।

১১. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৫
ফেরারী পাখি বলেছেন: আপনার ছানা তো ব্যাপক জ্ঞানী দেখা যাইতেছে। ল্যাপটপ এখনি খেয়ে ফেলেছে।

ভবিষ্যতে ওর আর ল্যাপটপ নিয়ে গুতোগুতি করতে হবে না। মুখে যেটা বলবে সেটাই সাধারণ কথা না হয়ে বাণী হয়ে যাবে।

সেই দোওয়াই করি ক্ষুদে বিচ্ছুটার জন্য।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫২

লেখক বলেছেন: আপনার দোয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা পাখি আপু...

এখন একটু বড় হয়েছে, কম্পুর কাছে তেমন একটা আসে না...

আপনার সোনামনি দুটোর জন্যও অনেক আদর থাকলো...

আপু আপনার হাসাহাসির পোস্টের কথা মনে হয়ে আমার এমনিতেই সবসময় হাসি চলে আসে, আপনি কিন্তু দারুন রম্য লেখেন....
শুভকামনা রইলো, ভালো থাকবেন।

১২. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৭
সাইফুর বলেছেন: কিউট বাবুটা

ল্যাপটপের কিইর তেরটা :)
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাইফুর।

আর বইলেন না, ঐটা নিয়ে মহাযন্ত্রনায় আছি :(

১৩. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৮
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: এত্ত কিউট ফড়িংটার জন্য অনেক অনেক অনেক আদর ....


ল্যাপ্পির কি বোর্ড দেখে হা হা চে থে প গে :)
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১৩

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ অনন্ত।

সবাই দেখি মানুষের দুর্দশা দেখলে খুশি হয় :(

১৪. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২০
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
খুব মজা লাগলো ফড়িং ছানার কীর্তি শুনে।
আমার ছোট ছেলে খেতো মাটি আর বালি......
লিখবো সময় করে...সেইসব গল্প।
এখন ছবি দেখলে বলে ইয়াকি!:).... কি যে কঠিন সময় গেছে....।

নিজের বাসার গাছ না হয় সব নাগালের বাইরে রাখতাম।মানুষের বাসায় গেলে কি যে চোখে চোখে রাখতে হতো।
নাহলে সুযোগ পেলেই একমুঠো মাটি চলে যেতো মুখে...

শুভকামনা রইলো।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২২

লেখক বলেছেন: সাজি আপু আপনার ছোট ছেলের মাটি খাবার কথা শুনে মজা পেলাম...
ছোট বেলায় মাটি খাবার স্বভাব অনেকেরই দেখেছি...
আমার খালার ছোট মেয়েটাকে দেখতাম বসে বসে টবের মাটি খেতে...

আর বড় হয়ে এসব শুনলেতো বিশ্বাসই করতে চায় না।

আমার ছেলেটার বয়স এখন চার..এখন যতবার ঐ কিবোর্ড দেখে ততবার প্রশ্ন কেন আমি কী গুলো তুলেছি? এখন খালি প্রশ্ন আর প্রশ্ন!!!

আপনাকেও শুভেচ্ছা আপু, ভালো থাকবেন।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!!

১৬. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৩৪
নতুন রাজা বলেছেন: আপু, ফড়িংটা খুবই সুইটা মাশ্শাল্লাহ্। ফড়িংটাকে দেখার ইচ্ছাটা প্রবল থেকে প্রবলতর হচ্ছে...। আপনি খাওয়ার জন্য হাতে কি নিয়েছিলেন তা জাতির মনের প্রশ্ন...

পোষ্টে +++

ভালো থাকবেন...
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নতুন রাজা...

তাই নাকি!!! তবে সময় করে চলে আসেন...

কিছু কিছু প্রশ্ন জাতির মনের মধ্যেই রাখতে হয়, জানতে হয় না....

কেমন যাচ্ছে আপনার দিনকাল?

১৭. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৫৭
অপ্‌সরা বলেছেন: হাহাহাহাহাহাহাহাহা


আপুনীীীীীীীীীীীীীীীীীীী
হাসতে হাসতে আমি শেষ!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
প্রিয়তে!
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩১

লেখক বলেছেন: তুমি হাসছো অপসরা!!!
আর আমার সারাদিন নানান ঘটন-অঘটনের মধ্যে কাটাতে হয়...

প্রিয়তে রেখেছো জেনে খুশি হলাম.. অসংখ্য ধন্যবাদ তোমাকে...

১৮. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:১১
কুয়াশায় ডাকা বলেছেন: আশাবাদী মানুষ বলেছেন: খুব সন্দর আপনার ফড়িংটা । কাচা মরিচ মুখের ছবি দেখে আমিও ভড়কে গিয়েছিলাম !


০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ কুয়াশায় ডাকা...

১৯. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬
ঘাসফুল বলেছেন: ছোট বেলায় ফড়িং ধরে লেজের দিকে সুতো দিয়ে আটকে রাখতাম যাতে পালাতে না পারে... আপনার ফড়িংটাকেও এরম একটা ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে :)

ফড়িং টার জন্য ব্যপক আদর রইলো...
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০০

লেখক বলেছেন: হুমম ভালো বলেছেন ঘাসফুল...ওরকম ব্যবস্থা নিতে পারলে ভালোই হতো...

তবে এখন কিছুটা বড় হয়েছে, আগের সেই ফড়িং ছুটোছুটি এখন কথার ফুলঝুরিতে রুপান্তরিত হয়েছে...

আদরের জন্য আপনাকেও ব্যাপক ধন্যবাদ..

২০. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৫
কাব্য বলেছেন: আপনার গুলুবুলু ফড়িং ছানাকে অনেক অনেক আদর :)
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০১

লেখক বলেছেন: কাব্য আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ...

২১. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ফড়িং ছানা উড়ে উড়ে চলুক.................
পৃথিবীর সব আনন্দ বাসা বাঁধুক ওকে ঘিরে।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০২

লেখক বলেছেন: শুভকামনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ তায়েফ আহমাদ।

আপনাকেও শুভেচ্ছা, ভালো থাকবেন।

২২. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৩
নতুন রাজা বলেছেন: আপু, অনেক ব্যাস্ততা... আর ভালো লাগে না। দেশেই চলে যাবো কিনা.....
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০৬

লেখক বলেছেন: হুমম..ব্যাস্ত দেশে তো ব্যাস্ততা থাকবেই...তার মাঝেই সময়টাকে উভোগ করুন...পড়াশুনা কি শেষ!!!!!

ঘুরে আসতে পারেন দেশ থেকে, ভালো লাগবে..

২৩. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৯
বৃত্তবন্দী বলেছেন: কুটু কুটু পুচকু...
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০৬

লেখক বলেছেন: :)

২৪. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০২
ভাঙ্গন বলেছেন: বৃত্তবন্দী বলেছেন: কুটু কুটু পুচকু...
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০৭

লেখক বলেছেন: :)

২৫. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০৬
সৌম্য বলেছেন: জটটিলস। দারুন মজা পাইলাম।
পিচ্চির জন্যে অনেক আদর আর শুভকামনা।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: আদর আর শুভকামনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ সৌম্য...

সবসময়ই এমন আজব কিছু কান্ডকীর্তি ঘটেই যাচ্ছে পিচ্চিকে নিয়ে...

২৬. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২১
নতুন রাজা বলেছেন: আরে না পড়াশুনা মাত্র শুরু... মাত্র ডি-ইচি। দেশে যাওয়ার উপায় নাই। সিনসি না করেছে... আগামী বছর যেতে পারবো মনে হয়...
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: তাহলে এখনোতো অনেকটা সময় কাটাতে হবে...প্রথমে এসে এদের এই রোবোটিক লাইফে অভ্যস্ত হতে বেশ কস্ট পোহাতে হয়..

কাজের সময় তো একটা কথাও বলবেনা, রোবোটের মতো কাজ করবে..আর ওদের তো বেশিরভাগেরই ফ্যামিলি লাইফ নেই...

ভালো করে পড়াশুনা করেন, আর যতটুকু পারা যায় ভালো থাকেন..

২৭. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৩
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: আপনার পিচ্চিটাকে অনেক অনেক আদর।

কি কিউট বাবুটা। খুব মজা পেলাম পড়ে।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ জাহান আপু...

বাসায় ছোট বাচ্চা থাকলে, প্রতিদিনই নানারকম মজার কান্ডে দিন কাটে।
ভালো থাকবেন..

২৮. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৮
দূর্ভাষী বলেছেন: ফড়িং ছানাটার জন্য অনেক অনেক আদর আর শুভেচ্ছা
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ দূর্ভাষী...এখন কেমন আছেন?
আপনার জন্য শুভকামনা রইলো, ভালো থাকবেন।

২৯. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১১
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: হা হা হা।
খুব মজার বাবু একটা। দুষ্টু বাবুরা খুব বুদ্ধিমান হয়।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ শ্রবনসন্ধ্যা...আমার ধারনা সব বাবুরাই খুব মজার হয়..

আপনার বাবুটার জন্য অনেক আদর রইলো...

৩০. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৮
বড় বিলাই বলেছেন: আপনার ফড়িং তো বিরাট কম্পিউটার বিজ্ঞানী হবে। অনেক আদর রইল ওর জন্য।

আমার ভাগ্নেটাও মাকে শুরুতে অ্যাম ডাকত, পরে নিজেই পাল্টে মাম করে নিয়েছে।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৭

লেখক বলেছেন: আর বইলেন না ঐ কীগুলোর জন্য দ্রুত টাইপ করতে পারি না, কি যে সমস্যা...
ধন্যবাদ বড় বিলাই।
আপনার ভাগ্নেও অ্যাম ডাকতো!!!! শুনে কিছুটা আস্বস্ত হলাম..আমারও ধারনা পরে ঠিক হয়ে যাবে।
আপনার ভাগ্নেকে আদর দিবেন।
শুভেচ্ছা আপনাকে, ভালো থাকবেন।

৩১. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৪
পুরাতন বলেছেন: হা হা াহ াহা.......হাসতে হাসতে শেষ.......


পিচ্চিটার জন্য অনেক অনেক আদর রইল.........মাশা আল্লাহ অনেক সুন্দর হইছে......
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ পুরাতন...

আপনার জন্যও শুভকামনা থাকলো...

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নির্ঝর..
হায় হায়!! আপনার প্রোফাইলের ছবিটা এমন কালো কেন?

৩৩. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০১
দূর্ভাষী বলেছেন: আপু আমি এখন বেশ ভালো আছি, ঈদের ছুটিতে ইন্ডিয়া যাচ্ছি, বেড়ানো যতটা না ইচ্ছা তার থেকে বেশী চিকিৎসা।
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: এখন ভালো আছেন জেনে ভালো লাগলো।

যান ইন্ডিয়া, দোয়া থাকলো সবকিছু ঠিকঠাক মতো শেষ করে সুস্থ্যভাবে দেশে ফিরে আসেন।

৩৪. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৫
আবু সালেহ বলেছেন: অনেক পছন্দ হইছে তাই প্রিয়তে নিয়ে নিলাম....

পিচ্চিটার জন্য অনেক অনেক আদর................
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩০

লেখক বলেছেন: অকুন্ঠ ধন্যবাদ আবু সালেহ।

আপনার জন্য শুভকামনা থাকলো...
ভালো থাকবেন।

৩৫. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩১
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

পিচ্চি বাবুটাকে অনেক অনেক আদর।
বাবুটাকে নিয়ে লেখাটি দারুন হয়েছে।


ভালো থাকুন।
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৭

লেখক বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ ভাস্কর চৌধুরী।

আপনিও ভালো থাকবেন।

৩৬. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:২২
নুশেরা বলেছেন: daroooooon mojar tomar foring! onek moja pelam.

Bangla asche na :(
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৩

লেখক বলেছেন: মাঝে মাঝে আমারও এই সমস্যা হয়...বাংলা ফন্ট আসে না।

আর বলো না, প্রতিদিনই তার নতুন নতুন কান্ড কারখানা চলছেই...
কেমন আছো? কিছুদিন হলো ইফতারী করার পরে এমন ঘুম পায়, কম্পুর সামনে বসেই থাকতে পারি না।

ভালো থাকো সবাই মিলে..

৩৭. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৪৭
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: বাবুটা কিউট। ব্যাপক মজা করে :)

কেমন আছেন? শুভকামনা থাকলো
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ চিটি আপু....

ভালো আছি,
দেখি এর মধ্যে একদিন সময় করে রসমালাই বানিয়ে ফেলবো...

আপনাকেও শুভেচ্ছা আপু, ভালো থাকবেন।

৩৮. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫০
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: রসমালাই বানালে আওয়াজ দিয়েন।


আমিও দেখি সন্দেশ বানাতে পারি। বানালে বলোবো


আপনার জন্যও শুভকামনা থাকলো।
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০৬

লেখক বলেছেন: অবশ্যই আওয়াজ দিবো আপু...দেখি শীঘ্রই বানিয়ে ফেলবো রসমালাই...রোজার জন্য বানাইতে পারতেছিনা...

বানায়েন আপু সন্দেশ, আর বইলেন কেমন হইলো...

ভালো থাকবেন।



৩৯. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৭
দীপান্বিতা বলেছেন: হাঃ...হাঃ...হাঃ! কি কান্ড কারখানা! মস্ত বড় মানুষ হবে এ ছেলে!... :D

খুব সুন্দর দেখতে হবে, কিন্তু! ;)
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ দীপান্বিতা...দোয়া করবেন ওর জন্য...

শুভেচ্ছা, ভালো থাকবেন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩৫৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ইচ্ছামতী নদী...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই