If you donot see bangla, download: http://www.omicronlab.com/avro-keyboard-download.html

আমেরিকায় পড়ি
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৫
সেই তিন বছর বয়সে কাঁধে স্কুলব্যাগ নিয়েছি, এরপর প্রায় দুই যুগ পেরিয়ে গেছে, অথচ এখনও সেটা নামাতে পারিনি। ক্লাস রুমের সেমি রিভলবিং চেয়ারে বসে এক দৃষ্টিতে বোর্ডের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে একে একে পেরিয়ে যেতে দেখলাম পল্লীমা সংসদ, গভঃল্যাব, ঢাকা কলেজ, বুয়েটকে। হঠাৎ খেয়াল হলো কেমন যেন একটু শীত শীত করছে, নিস্তব্ধ পরিবেশ, সামনে হাসিমুখে এক শ্বেতাংগ ভদ্রলোক প্রবল আগ্রহে বক বক করছে আর জাত-বিজাতের নানান মানুষ তার কথা খুব মন দিয়ে শুনছে- 'নট অল ইনফিনিটি ইস দ্য সেইম! দেয়ার আর মোর রিয়াল নাম্বারস দ্যান র্যাশনালস, বাট দেয়ার আর এজ মেনি ইন্টেজারস এজ র্যাশনাল নাম্বারস। নাম্বারস দ্যাট আর ইভেন, হ্যাভ দ্য সেইম কার্ডিনালিটি এজ অড ওয়ানস-- ইন্টরেস্টিংলি, ইচ অফ হুইচ ইকুয়ালস দ্য টোটাল নাম্বার অফ ইন্টেজারস!- এনি কোয়েসশেন এবাউট দ্যাট?' ভদ্রলোক এই বলে একটু থামলেন। তাকে জিজ্ঞাসা করতে ইচ্ছে করল, 'আমি এখন কোথায়?'
ইউনিভার্সিটি অফ ভার্জিনিয়া-- দু-চোখ শীতল করে দেবার মত সুন্দর এক ইউনিভার্সিটি। শারলোটসভিল শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত, আমেরিকান প্রেসিডেন্ট জেফারসনের নিজ হাতে গড়া স্বপ্নের ইউনিভার্সিটি হচ্ছে আমাদের ইউভিএ। আমেরিকার রাজধানী ওয়াশিংটনের কাছাকাছি হওয়াতে এতে যেমন এক দিকে রয়েছে আধুনিকতার স্পর্শ, অন্যদিকে রয়েছে পাহাড়ি প্রকৃতি ও বর্ণিল গাছগাছালির মোহনীয় স্নিগ্ধতা। এর সৌন্দর্য্য নিখুঁতভাবে ব্যাখ্যা করা আমার পক্ষে দুঃসাধ্য, তবে একটা সহজ উদাহরণ দিয়ে বলা যেতে পারে- কেউ যদি শারলোটসভিল শহরের যে কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে দু থেকে তিন মেগাপিক্সেলের মাঝারি মানের একটি ক্যামেরা দিয়ে র্যান্ডম এক ডজন ছবি তোলে, তবে সেই ছবি গুলো দিয়েই নতুন সালের জন্য অসাধারণ একটি ক্যালেন্ডার তৈরি করা যাবে। আমি অবশ্য একশ চব্বিশ ডলার খরচ করে ইতিমধ্যে একটি ক্যামেরা কিনে ফেলেছি-- এই মুহূর্তে ছবি তোলার কাজ পূর্ণদ্যমে চলছে।
একটু আগে যার কথা বলছিলাম তিনি প্রফেসর গ্যাব্রিয়াল রবিনস। আমরা তাকে ডাকি 'গেইব'। এখানে আমেরিকায় এ ব্যাপারটি খুবই অদ্ভুত যে, প্রফেসরদেরকে ছাত্ররা সবাই নাম ধরে ডাকে। যারা উপমহাদেশ থেকে এখানে আসে, প্রথম প্রথম তাদের সবারই এটাতে অভ্যস্ত হতে বেশ সময় লাগে। অবশ্য কিছুদিন পর এটাকেই স্বাভাবিক বলে মনে হয়। গেইব আমাদের অ্যাডভান্সড থিওরী অফ কম্প্যুটেশন ক্লাস নেয়। তার বৈশিষ্ট্য- সে সব সময় একটা কালো হাফ হাতা টী-শার্ট, কালো প্যান্ট আর কালো স্পঞ্জের স্যান্ডেল পড়ে ক্লাসে আসে। আমি তার এই ড্রেসের কোন ব্যাতিক্রম দেখিনি। শুধুমাত্র একদিন বোধহয় তার গায়ে একটা কালো চাদর ছিল। তার স্বভাব হলো ক্লাসে এসেই সে সবাইকে কার্টুন আঁকা একটা করে পেইজ দেবে। এরপর ট্রান্সপারেন্ট শিটে প্রিন্ট করা স্লাইডগুলো প্রজেক্টরে ঢুকিয়ে অতি উচ্চমার্গের থিওরেটিকাল কথাবার্তা শুরু করবে। লোকটা থিওরীতে এত বেশি স্ট্রং যে আমরা যারা বাংলাদেশের ছাত্র তাদেরও মাঝে মাঝে ভ্রু কুচকে তাকাতে হয় সে কি বলল সেটা বোঝার জন্য। এখানে প্রসংগত উল্লেখ্য যে, এখানকার চায়নীজ, ইন্ডিয়ান এমনকি আমেরিকান ছাত্রদের দেখে আমার মনে হয়েছে- থিওরেটিক্যাল কম্পিউটার সায়েন্সে আমরা বাংলাদেশের ছাত্ররা অন্যান্য দেশের ছাত্রদের তুলনায় বেশ স্ট্রং। আমাদের দেশের আন্ডারগ্রাজুয়েট লেভেলের পড়াশোনার মান যে আসলেই অন্যান্য দেশের চেয়ে ভালো এটা এখানে এসে আমরা প্রতিনিয়ত বুঝতে পারছি এবং মনে মনে নিজেদেরকে ধন্য মনে করছি। গেইব অবশ্য কিছু কিছু জিনিস আলোচনা করতে করতে মাঝে মাঝে এত গভীরে চলে যায় যে, কি নিয়ে যে কথা হচ্ছিল সেটা সেও ভুলে গেছে, আমরাও ভুলে গেছি। সবাই বলে গেইব একটা পাগল, এর মাথা পুরো খারাপ হয়ে গেছে। আমার কাছে কিন্তু তাকে বেশ ভালো লাগে। শুনেছি সে নাকি একটা মেয়েকে খুব ভালোবাসত, তারপর কিছু একটা হয়েছে- গেইব আর শেষ পর্যন্ত বিয়েই করেনি। আমার ধারণা সেই ব্যথা ভুলে থাকার জন্যই সে জটিল জটিল থিওরী প্রব্লেম নিয়ে সারাক্ষণ চিন্তায় ডুবে থাকে। ভীষণ জানতে ইচ্ছে করে, গেইবকে এভাবে রেখে মেয়েটা কি এখন খুব সুখে আছে?
প্রফেসরদের নাম ধরে ডাকার মতই আরেকটি অদ্ভূত ব্যাপার হচ্ছে যে,এখানে ক্লাসে ছাত্ররা অনেকটা যা খুশি তাই করতে পারে। যেমন, কেউ ট্রে ভর্তি করে বার্গার, স্যান্ডুইচ, কফি নিয়ে এসে খাচ্ছে, কেউ বেঞ্চের ওপর পা তুলে বসে আছে, কেউ মনযোগ সহকারে তার ল্যাপটপ নিয়ে চ্যাটিংয়ে ব্যস্ত- অথচ প্রফেসররা তাদের কাউকে একটা কিছুও বলবেনা। এখানে লজিক হচ্ছে, কেউ ক্লাস ফলো না করলে সেটা তার নিজের ব্যাপার, প্রফেসরের সেটাতে কোন কিছু যায় আসে না। আমি কল্পনা করার চেষ্টা করছি, বুয়েটের একটা ক্লাসরুমে কোন এক ছাত্র ঠোঙ্গাভর্তি সিঙ্গারা খেতে খেতে সাইদূর রহমান স্যারের ক্লাস করছে, স্যারকে দেখে নাম ধরে ডেকে বলছে- 'হেই, হোয়াটস আপ?'- তাহলে কি ঘটনা ঘটতে পারে? এটা কল্পনাতে আনতে কষ্ট হলেও আমেরিকায় এটা খুবই স্বাভাবিক। এমনকি এটা যে অস্বাভাবিক কিছু হতে পারে সেটাই এখানকার কাউকে রাতদিন চেষ্টা করেও বোঝানো যাবেনা।
এখানকার পড়াশোনায় যে বিষয়টি আমার কাছে চোখে পড়েছে তা হচ্ছে - 'ফ্লেক্সিবিলিটি'। যেমন, আন্ডারগ্রাজুয়েট লেভেলে এখানে ছাত্রদের কোন নির্দিষ্ট ডিপার্টমেন্ট নেই। যার যে কোর্স নিতে ইচ্ছে করে সে সেটাই নিতে পারে। কোন একজন ছাত্রের কোর্স লিস্টে একই সাথে সাহিত্য, ইলেকট্রনিক্স, নৃত্য-সংগীত, জাভা প্রোগ্রামিং, বাণিজ্য সবকিছুই থাকতে পারে। অবশ্য পড়াশোনার একটা পর্যায়ে গিয়ে তাকে কোন একটা 'মেজর' বেছে নিতে হয়। মূল ব্যাপারটা হচ্ছে, এখানে একজন ছাত্র দেখে-শুনে-বুঝে নিজের বুদ্ধিতে নিজের ভবিষ্যতকে গড়তে পারে। আমাদের দেশের মত ভাবগম্ভীর পরিবেশে এ্যাডমিশন টেস্ট নিয়ে, ছাত্রের ইচ্ছা-অনিচ্ছার তোয়াক্কা না করে, জোর করে তাকে কোন এক ডিপার্টমেন্টে বসিয়ে দেয়া হয়না। শিক্ষকতা করতে গিয়ে আমি বুয়েটে এমনটা অনেক শুনেছি- 'স্যার, ইলেক্ট্রিক্যাল পড়ছি, কিন্তু আমার তো প্রোগ্রামিং করতেই বেশী ভালো লাগে।' আবার আমার ডিপার্টমেন্টের খুব মেধাবী স্টুডেন্টকেও অভিযোগ করতে শুনেছি- 'আমি কম্পিউটার পড়তেই চাইনি, আর্কিটেকচারের মেরিট লিস্টে অষ্টম ছিলাম, আমাকে জোর করে বাসা থেকে কম্পিউটার পড়তে দিয়েছে।' এই ছোট্ট একটা জিনিস যদি আমাদের দেশের ইউনিভার্সিটিগুলো অনুকরণ করে, তাহলেই কিন্তু আমাদের ছাত্রদের মাঝের হতাশা একদম কেটে যাবে। চার-পাঁচ বছর আগে না বুঝে নেয়া একটা দুর্বল সিদ্ধান্তের জন্য আজীবন আর কাউকে আফসোস করতে হবেনা। এই পরিবর্তন যারা করতে সক্ষম, তাদের কেউ কি আমার কথা শুনতে পারছে?
আমেরিকানদের কাছে সবকিছুর মত পড়াশোনাটাও একটা আনন্দের বিষয়, ওদের ভাষায়- 'ফান'। এই ফানি ছাত্রদের 'ফান' আমাকে প্রতিদিনই খুব কাছে থেকে দেখতে হচ্ছে। আমার পিএইচডির পুরো খরচ ইউনিভার্সিট বহন করলেও বিনিময়ে আমাকে কোন একজন প্রফেসরকে আন্ডারগ্রাজুয়েট কোর্সে কিছুটা সাহায্য করতে হয়। এই সেমিস্টারে আমার দায়িত্বের মাঝে পড়েছে আন্ডারগ্রাজুয়েট ছাত্রদের জাভা এবং কম্পিউটার আর্কিটেকচার ল্যাব গুলো নেয়া। 'বুয়েটের শত শত ছাত্রের কত কোর্স নিয়েছি, এসব ল্যাব তো ডাল-ভাত'- প্রথমে এটা মনে করলেও পরে বুঝতে পেরেছি এখানকার ডাল এবং ভাত দুটোই ভিন্ন। প্রথমদিন ক্লাসে ঢুকে ছাত্র-ছাত্রীদের দেখেই আমার বিচিত্র এক অনুভূতি হলো। পোশাক-আশাক দেখে দু-একজনকে মনে হলো বাথরুম থেকে বের হয়ে প্যান্ট-শার্ট না পড়েই ক্লাসে চলে এসেছে। দুএকটা ছেলে জিন্সের প্যান্ট এত নিঁচু করে পরা, মনে হলো একটু অসাবধান হলেই বোধহয় সেটা খুলে পড়ে যাবে। কানে দুল দেয়া ছাত্র আমি বাংলাদেশেও দেখেছি, কিন্তু ঠোঁট ফুটা করে সেখানে দুল পরতে আমি সেদিন প্রথম কাউকে দেখলাম। পরবর্তি ধাক্কাটা খেলাম যখন একজন ছাত্র আমাকে দেখে বলল- 'হেই, হাউ ইউ ডুইং'। আমি বিস্ময় চেপে, অমায়িক ভাবে একটু হেসে, স্পষ্ট বাংলায় তাকে বললাম- 'কেমন ডুইং এটা তোরে আমি গ্রেড দেয়ার সময় বুঝায় দিব'। ছেলেটা কিছু না বুঝেই খুব শব্দ করে হাসতে লাগল। ক্লাসের মাঝে এদের হাসি, আনন্দ, একে অন্যের সাথে লাফিয়ে উঠে হাই-ফাইভ করা- এসব দেখে মাঝে মাঝে কি করা উচিত বুঝে উঠতে পারিনা। বুয়েটের মত ভাবগম্ভীর পরিবেশ থেকে এমন খুব বেশী খোলামেলা পরিবেশে এসে নিজেকে মাঝে মাঝে বোকা মনে হয়। কম্পিউটার আর্কিটেকচার ল্যাবে আমার সাথে আরেকজন টিএ হচ্ছে- এনামুল। ব্যাপারটা কাকতালীয় যে, এরা আমাদের মত আনকোরা দুজন বাংলাদেশি গ্রাজুয়েটকে আশি জন আমেরিকান ছাত্র-ছাত্রীকে পড়ানোর দায়িত্ব দিয়েছে এবং ঘটনাক্রমে আমরা দুজনই বুয়েটে শিক্ষকতা করেছি একসাথে। একবার আমি আর এনামুল এই ল্যাব ক্লাসে বসে বসে আলাপ করছি। সেদিন একটা ছাত্র মাথার চুল সম্পূর্ণ কমলা রঙ করে ক্লাসে এসেছে। অনেকদিন হয়ে যাওয়াতে এসব এখন আমরা দেখেও না দেখার ভান করি। হঠাৎ দেখলাম ছেলেটা আমাদের বেশ কাছাকাছি (আনুমানিক তিন ফিট দূরে) এসে দাঁড়াল। এরপর আমাদের সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে নাচতে শুরু করল। ছেলেটা কোন একটা নাচের স্টেপ প্রাক্টিস করছে যেটাতে কিছুক্ষণ বাতাসে দুই পা ছোঁড়াছুঁড়ি করে, জায়গায় দাঁড়িয়ে ভার্টিকাল এক্সিস বরাবর কয়েক চক্কর ঘুরতে হয়। পুরো ব্যাপারটা প্রায় মিনিট দুয়েকের বেশি সময় ধরে নিঁখুত না হওয়া পর্যন্ত সে করতে লাগল, এবং আমরা দু'জন হতবাক হয়ে পুরো সময়টা তাকে দেখলাম। ছেলেটা আবার তার সিটে চলে গেলে আমি আর এনামুল একে অন্যের দিকে বেশ কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলাম। এনামুল শেষ পর্যন্ত নীরবতা ভেঙ্গে বলল,- 'কি করবেন ভাইয়া?'
পড়াশোনার মত এদেশে গ্রেডিং পদ্ধতিও বেশ ফ্লেক্সিবল। আমাদের মতো ছক বাঁধা নিয়মে গ্রেডিং করা হয়না। পরীক্ষার খাতা দেখার পর, সবার পরীক্ষার নম্বরকে সর্ট করে, সেই নম্বর গুলোর কার্ভ এঁকে দেখা হয় কত পারসেন্টকে এ+, কত পারসেন্টকে বি+ ইত্যাদি ধরা হবে। পুরো সেমিস্টারে পরীক্ষাও মাত্র দুটো- একটা মিডটার্ম ও একটা ফাইনাল, এবং দুটোর সিলেবাসও আলাদা। এছাড়া মিডটার্মে কেউ খারাপ করলে সে ইচ্ছে করলে সেই কোর্স ড্রপ করতে পারে, এবং এতে তাকে কোন পেনাল্টিও দিতে হবেনা। এখানে ক্লাসটেস্টেরও কোন বালাই নেই, তবে এর বদলে বেশ কঠিন কঠিন কিছু হোমওয়ার্ক করতে হয়। এছাড়া প্রায় প্রতিটি কোর্সের সাথেই একটি করে ল্যাবক্লাস থাকে এবং এই ল্যাবগুলোতে সচরাচর আলাদা করে গ্রেডিং করা হয়না। ল্যাবে ছাত্ররা আসে থিওরীতে যা শেখে সেটাকেই একবার হাতে কলমে করে দেখার জন্য। কিছু কিছু কোর্সে ছাত্রদের প্রজেক্টও করতে হয়। কিন্তু সেটার জন্যও তারা ল্যাবে আসে এবং টিচারের উপস্থিতিতেই পুরো কাজটা করে। মোটকথা, স্কুলের পড়াশোনা স্কুলে শিখে, স্কুলেই হাতে কলমে প্রাকটিস করে বাড়িতে গিয়ে হৈচৈ করো- এটাই হচ্ছে এখানকার পড়াশোনার মূলনীতি। এখানকার পড়াশোনার পদ্ধতি, সুযোগ-সুবিধা, অবকাঠামো- সবকিছু কাছে থেকে দেখে আমার মনে হয়েছে, আমাদের দেশের যেসকল মেধাবী শিক্ষার্থীরা চরম বৈরী পরিবেশেও শুধু মনের জোরে টিকে আছে (এবং এমনকি ভালোও করছে), তাদেরকে যদি এর সিকি অংশ সুযোগ-সুবিধাও দেয়া হতো তবে আমাদের ছেলে-মেয়েরা আরও অনেক বেশি ভালো করত।
এখানকার পড়াশোনার কথা, ছাত্র-ছাত্রীদের কথা, প্রফেসরদের কথা, ইউনিভার্সিটির কথা কোনটাই একবারে বলে বা লিখে শেষ করা যাবেনা। 'আমেরিকায় পড়ি' এই শিরোনামে সত্যিকার অর্থে কয়েক ডজন লেখা লেখা সম্ভব। সময় পেলে ভবিষ্যতে আবার লিখব, তবে আজকের লেখাটা এখানেই শেষ করতে চাই। লেখাটা শুরু করেছিলাম আমার প্রিয় প্রফেসর গেইবকে দিয়ে, তাই শেষটাও করতে চাই তাকে দিয়ে। গেইব আমাদেরকে ক্লাসে একবার একটা মজার প্রশ্ন করেছিল। আমি সেই প্রশ্নটাই বাংলায় লিখছি- 'ধরাযাক, কোন এক হোটেলে অসীম সংখ্যক রুম আছে, অথচ সবগুলো রুমই গেস্ট দিয়ে ভর্তি। এখন একজন নতুন গেস্ট আসলে তাকে এই হোটেলে আমরা কি করে একটা রুম দেব?' ব্যাপারটা কি আসলেই সম্ভব, নাকি অসম্ভব? সমস্যাটির একটি ম্যাথমেটিকাল অথচ সহজ সমাধান আছে। কিন্তু, সেটা কি?
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:৫৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নরাধম বলেছেন:
পিলাস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রাঙা মীয়া বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো আপনার কথাগুলো শুনে।ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকবেন।
আতিকুল হক বলেছেন:
খুব ভালো লেখসো।তোমার শেষ প্রবলেমটা পইরা মজা পাইলাম। কারন, কালকে রাত্রে আমি এর থিওরিটা পড়ছি। ডিসেম্বরে কি দেশে যাইবা, নাইলে বেড়াইতে আসুম ক্যামেরা নিয়া।
লেখক বলেছেন: এই ডিসেম্বরে দেশে যেতে পারছিনা। (ভোটটা দিতে পারলাম না)। এসে পড়।
মুনিয়া বলেছেন:
খুব ভাল লাগল। আসলেই আমাদের দেশে স্টুডেন্টদের অনিচ্ছায় একটা বিষয় চাপানো যে কি ভয়াবহ...কয়েকদিন আগে০৪ ব্যাচের একটা ভাইয়া গোটা ৩ বছর পড়ার পর আর্কিটেকচার গিভ আপ করল। উনার ইচ্ছা ছিল সিএসই পড়বে। কিন্তু বুয়েটে চান্স পেয়েছে- যেই সাবজেক্টই পাক, না পড়ে তো উপায় নাই।
খুব কষ্ট লাগে এইসব দেখলে।
লেখক বলেছেন: কি উত্তর দেব জানিনা, তবে পরিবর্তন দরকার এটা বোধহয় সবাই বুঝতে পারছে। আশাকরি এটা হবে।
লিপিকার বলেছেন:
চমৎকার বর্ণনা.......ভালো লেগেছে.....
লেখক বলেছেন: খুশি হলাম, আরো পড়ার আমন্ত্রণ রইল।
নিলা বলেছেন:
পুরা মনের কথা বলেছেন। প্রথম যখন এখানে এসে ১১ গ্রেডে ভর্তি হয়, তখন স্টুডেন্ট-টিচারের সম্পর্ক আর স্কুলের রোলস দেখে পুরা অবাক হয়েছিলাম।
আমি যতটুকু বিশ্বাস করি সেটা হলো বাংলাদেশের ছাত্রছাত্রীরা অনেক বেশি সম্মান করে টিচারদের।
তবে, আমেরিকায় আসার পর আমি অনেক ভালো ভালো টিচার পেয়েছি, অনেক ধরনের সাহায্য আমি পেয়েছি। আমি যেহেতু ভালো ইংলিশ পারতাম না, অনেক টিচাররা আমাকে ক্লাসের ফাঁকে এমনকি ক্লাসের পরেও ওদের খাবার সময়েও আমাকে পড়া বুঝিয়ে দিতো।
সবাই অনেক অনেক বেশি ভালো।
***
ভার্জিনিয়ায় যাওয়া হয়নি আমার। যাওয়ার ইচ্ছা আছে।
এক কাজ করেন, সুন্দর সুন্দর ছবি তোলে এখানে পোষ্ট করে দিন।
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: আমি একমত। এখানকার টিচাররা অনেক বেশি হেল্পফুল। ভার্জিনিয়া ছাড়া আমি যদিও আমেরিকার আর কোথাও যাইনি, তবে এরচেয়ে সুন্দর জায়গা থাকার প্রবাবিলিটি বেশ কম হবার কথা। এখানকার শ্যানোনডোয়াহ ন্যাশনাল পার্কটা দেখার আমন্ত্রণ রইল (সবাইকে)। অদ্ভুত সুন্দর।
লেখক বলেছেন: চমৎকার মন্তব্য।
রূপক বলেছেন:
দারুন লাগলো পড়ে.......................+
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু।
লেখক বলেছেন: খুশি হলাম।
লংকার রাজা বলেছেন:
এখানে প্রসংগত উল্লেখ্য যে, এখানকার চায়নীজ, ইন্ডিয়ান এমনকি আমেরিকান ছাত্রদের দেখে আমার মনে হয়েছে- থিওরেটিক্যাল কম্পিউটার সায়েন্সে আমরা বাংলাদেশের ছাত্ররা অন্যান্য দেশের ছাত্রদের তুলনায় বেশ স্ট্রং। আমাদের দেশের আন্ডারগ্রাজুয়েট লেভেলের পড়াশোনার মান যে আসলেই অন্যান্য দেশের চেয়ে ভালো এটা এখানে এসে আমরা প্রতিনিয়ত বুঝতে পারছি এবং মনে মনে নিজেদেরকে ধন্য মনে করছি।@শাহরিয়ার নির্জনকি যে কমু
লেখক বলেছেন: এখানে অনেকেই আন্ডারগ্রাড লেভেলে কম্পিউটার সায়েন্সের সব কোর্স করে আসেনা। যেমন, আমার পরিচিত বেশ কয়েকজন চায়নীজ/ ইন্ডিয়ান ছাত্র অ্যালগোরিদম, কম্পাইলার, থিওরী অফ কম্পুটেশন কোর্স না করেই এখানে পিএইচডি করতে এসেছে। আমাদের বুয়েটে সাবজেক্ট চয়েসের স্বাধীনতা না থাকাটা এক্ষেত্রে শাপে-বর হয়ে কাজ করছে।
লংকার রাজা বলেছেন:
ভাইয়া আমি মাত্র 4/1 এর ক্লাস শেষ করলাম কালকে।গতকাল ফোর বিটের ইমপ্লিমেন্টেশনের সাবমিশন ছিল।ফোর বিট ডিজানের কাজটা নিঃসন্দেহে একটা অসাধারণ কাজ,কিন্তু ঐটা তার দিয়া সার্কিটে লাগানোটার আসলে কোন গুরুত্ব আছে কি?প্লিজ আপনার মতামত জানাবেন।
লেখক বলেছেন: এটা নিয়ে আমরা যারা টিচার তারা অনেক তর্ক করেছি। কাজটা পুরোটা করতে পারলে কম্পিউটারের লো-লেভেল অনেক ব্যাপার পরিষ্কার হয়ে যায়- শুধু সিমুলেশনে হয়ত যেটা নাও হতে পারে। তবে তার দিয়ে সার্কিট লাগানোর মাঝে কোন গুরুত্ব আমি দেখিনা, যদি আসল ডিজাইনটাই কেউ না বুঝে থাকে। একেবারে বেসিক লেভেল লজিক গেটের বদলে যদি প্রতিটি কম্পনেন্ট পিসিবি লেআউট ডিজাইন করে, কোন হার্ডওয়্যার দোকান থেকে পিসিবি বানিয়ে আনা যেত তবে হয়ত সুন্দর হত।
অদ্ভুত কাজী বলেছেন:
ভাল লাগল
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আকাশনীল বলেছেন:
অনেএএএক দিন পর নির্জন ভাই এর লেখা পাইলাম.।।।আপ্নের লেখা পড়লে কস্ট ভাই। আবার মন ও ভাল হয়ে জায়।
দুঃখ লাগে আবার হাসতে হাসতেও শেষ
ভাইয়া আমরা যে কি কস্টে আছি তা তো ভালই জানেন
লংকার রাজার উত্তর দিয়েন, আমারো সেম কেস, জমাই দিতে পারলাম না শেষ পর্যন্ত
ভাল থাকবেন
আমাদের জন্য দোয়া রাইখেন
লেখক বলেছেন: কষ্ট কর, আর মাত্র কয়েকদিন। দোয়া রইল।
রায়হান(তন্ময়) বলেছেন:
আপনার লেখা চমৎকার। আপনি বুয়েটে পড়ে এই কথা বলতেছেন। আর আমরা যারা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডার এ পড়ছি তারা যে কেমনে কি করতেছি আল্লাহই জানেন।
লেখক বলেছেন: আল্লাহ তো সবই জানেন, কিন্তু পরিবর্তনের উদ্যোগ আমাদেরকেই নিতে হবে। আমি আশাবাদী।
রাগিব বলেছেন:
রুম এর সমস্যাটা মনে হয় পুরা আমেরিকাতে কমন। ইউআইইউসির কোর্সেও এটা দেখেছি, সমাধানটা বলবোনা ... দেখি আর কেউ বলে কি না।থিওরি কোর্স থেকে ১০০ হাত দূরে থাকি
তোমাদের বা তার পরের ব্যাচের সেশনাল ক্লাসে ল্যাবে পড়াচ্ছিলাম, হেড স্যার এসে পেছন থেকে দুই একজনকে ব্রাউজিং করতে দেখে বিশাল ঝাড়ি দিয়েছিলো, -- তোমার কথা শুনে সেটাই মনে হলো।
লেখক বলেছেন: সমাধান করতে কাউকে আগ্রহী মনে হচ্ছেনা। হয়ত সবাই নিজেদের শত শত সমস্যা নিয়েই হিমশিম খাচ্ছে। দেখা যাক কেউ সমাধান দিতে পারে কিনা।
আমাদের এখানে থিওরী কোর্স (মাস্টার্সের জন্য) ম্যান্ডেটরী। কেটে পড়ার উপায় নেই।
আমাদের পরের ব্যাচ ওটা। তবে এ ঘটনা আমার ধারণা প্রতি দিনই বুয়েটের কোথাও না কোথাও ঘটে।
রাগিব বলেছেন:
তবে এখানে নীতিগত দিকগুলো বেশ সুদৃঢ়। যেমন, ল্যাবের কথা বলছো, সেখানে প্রোগ্রামিং হোমওয়ার্কে কেউ কপি করলে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই বের করে দেয়, সেটা দেখেছি। এদিক থেকে আমাদের দেশে অনেক শিথিলতা দেখানো হয়। এখানকার নৈতিকতার দৃঢ়তাটুকু আমাদের দেশে থাকলে ভালো হতো।
লেখক বলেছেন: ইউভিএ তেও তাই। আমাদের 'অনার সিস্টেমের' কারণেই কিনা জানিনা, এখানকার ছেলেমেয়েরা হোমওয়ার্ক কেউ কপি করেনা বলেই বুঝি। তবে এটাও ঠিক, প্রতি বছর ইউভিএ থেকে গড়ে ৩০ জন ছাত্রকে এই অপরাধে বের করে দেয়া হয় শুনেছি।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
আপনার লেখাটা পড়ে ভালো লাগল। কানাডার সাথে আবছা মিল আছে। তবে শিক্ষক-ছাত্র সম্পর্কে যা বললেন তা মিল, আমি নিজেও খানিকটা এরকম পছন্দ করি।।আপনার ধাঁধাটার সমাধান আমি জানি।
সে একজনকে রুম দেয়া যাবে। কারণ, ধরুন, ম্যানেজার বেয়ারাকে বলল, 'এই যাও তো প্রথম রুমের অতিথিটাকে দ্বিতীয় রুমে যেতে; দ্বিতীয়টাকে তৃতীয় রুমে.....এরকম করে চলতে থাকবে। যেহেতু অসীম সংখ্যক রুম আছে, তাই সমস্যা হবে না।
আপনি ইচ্ছে করলে শুধু একজন না, আরো অসীম সংখ্যক অতিথিকে জায়গা দিতে পারবেন।
কারণ, অসীম * অসীম = অসীম।
ধন্যবাদ।
শাহরিয়ার নির্জন বলেছেন:
ধন্যবাদ। আরও উত্তরের অ্পেক্ষায় আছি।
নীলদ্বীপের স্বপ্নকন্যা বলেছেন:
**"আমি কল্পনা করার চেষ্টা করছি, বুয়েটের একটা ক্লাসরুমে কোন এক ছাত্র ঠোঙ্গাভর্তি সিঙ্গারা খেতে খেতে সাইদূর রহমান স্যারের ক্লাস করছে, স্যারকে দেখে নাম ধরে ডেকে বলছে- 'হেই, হোয়াটস আপ?'- তাহলে কি ঘটনা ঘটতে পারে?"স্যার! এই part টা best হইসে।
লেখক বলেছেন: ইম্পলিমেন্ট করে দেখলে কেমন হয়?
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন:
আরে কোন ফাকে এই লেখা দিলেন , খেয়াল ই করি নাই...।প্রথম প্রথম আমাদের টিচাররে মিস্টার ফ্রান্সিস, মিস্টার মার্টিন ডাকতাম.। পরে দেখি সবাই মার্টিন ডাকে, রবার্ট রে রবি/ রব ডাকে.। বাধ্য হয়া উপমাহাদেশের ঐতিহ্য বাদ দিয়া টিচারদের নাম ধইরা ডাকা শুরু করলাম। আমিও ভাবি আমাদের স্কুলের স্যারদের এই রকম নাম ধইরা ডাকলে স্যার তো পিটায়া চামড়া তুলতোই, সাথে বাড়ীতে গেলে আমার পিতাজী ও থাবড়ায়া দাত খুইলা ফেলত.। খিক খিক খিক।
অংকে ভালোনা, লজিক ও দুরবল, তাইউত্তর ভুল হইলে ব্লক কইর্বেন না। অসীম সংখ্যক রুমের হোটেলে অসীম সংখ্যক মানুষ জায়গা হইব, বিধায় আরেকজনরে জায়গা দিলে কি পব্লেম..।
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন:
তারপর?? গেলেন কই??
লেখক বলেছেন: একটু ব্যস্ততায় ছিলাম বলে উত্তর দেয়া হয়নি।হোটেলের সমস্যাটার যে উত্তর আশরাফ মাহমুদ দিয়েছেন, সেটার বিপক্ষে কেউ কিছু বলবে কিনা তার জন্যেও অপেক্ষাতে ছিলাম।নতুন লেখাও প্রায় শুরু করে ফেলেছি ! এই তো-
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
ফাইনাল ইয়ার আন্ডার গ্রান্ডদের সাথে একটা অডিট কোর্স করেছি এবার। ছেলে-মেয়ে পাশাপাশি বসেছে দুজন। মেয়ে টা ব্যাগ থেকে খাবার বের করে ছেলেটা কে মুখে তুলে খাওয়ালো, তারপর দুজন দুজনা জড়াজড়ি করে..... আর বাড়ালাম না। ক্লাস কিন্তু চলছে থেমে নেই।গ্রাজুয়েট কোর্সে এক আধা পাগল ছাত্র প্রফের সাথে তার গার্ল ফেন্ড বিষয়ক গল্প জুড়ে দিল। আর দেশে তাবলীগের প্রফদের দেখেছি মেয়েদের পাশে বসার অপরাধে ছাত্রকে রণ হুঙ্কার দিয়ে পিছনে পাঠিয়ে দেয়া হল।
গ্রেডিং এর ব্যাপারে গাউসিয়ান কার্ভ শিফটের কাজ বাংলাদেশ ছাড়া সারা দুনিয়াতে হয়।
লেখক বলেছেন: ঠিক।
পাপী বলেছেন:
অনেক মজা পেলাম!
লেখক বলেছেন: থ্যঙ্কস।
টুশকি বলেছেন:
নির্জন ভাই !!!!!!!! আপনি এখানে !!!!!!!!! জানেন আপনার লেখার আমি অনেক বড় ভক্ত। আপনার বুয়েটের প্রথম ক্লাস করার একটা লেখা একবার এক ভাইয়া ফাইল হিসাবে পাঠিয়েছিলো। পড়ে তো হাসতে হাসতে শেষ, "স্যার হাচ্চি দিলেন" !!!!!! আপনি যে এখানেই আছেন তাতো জানতামই না। আন্তন ভাইয়ার পেজ ফলো করে আসলাম।
ভালো আছেন? আমার নাম টুশকি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ টুশকি। আরো ধন্যবাদ ওই লেখাটার কথা মনে করিয়ে দেবার জন্যে। ওটার দ্বিতীয় পর্বটাও আপলোড করব আমার নিজের সাইটে খুব শিগগিরি।
অচেনা সৈকত বলেছেন:
আমেরিকার ইউনিভার্সিটির পরিবেশ সবচেয়ে চমৎকার। এরকম ক্লাসের পরিবেশ যদি বুয়েটে পেতাম তাহলে অনেক ভাল লাগত। বুয়েটের পরিবেশকে এখানকার সাথে তুলনা করলে জেলখানা মনে হয়। ক্লাসটেস্ট আর মিডটার্ম তো অনেকটা একই রকম, ঠিক না? বুয়েটে কেন এরকম একটা সিস্টেম ফলো করা হয় না? সিস্টেম নিয়ে গবেষণার তো কিছু নেই, জাস্ট কপি-পেস্ট করলেই হয়।
লেখক বলেছেন: আমি একমত। ক্লাসের পরিবেশ হয়ত বদল হবেনা। ওটা আমি রাতারাতি চাচ্ছিওনা। কিন্তু পড়াশোনার সিস্টেম পাল্টানো সহজ হবার কথা। অল্প কিছু সাহসী লোক দরকার যারা পরিবর্তনকে ভয় পায়না।
পাপারাৎজ্জি বলেছেন:
'আমি কম্পিউটার পড়তেই চাইনি, ................., আমাকে জোর করে বাসা থেকে কম্পিউটার পড়তে দিয়েছে।"
আমাকেও।
লেখক বলেছেন: মন দিয়ে পড় এবং খুব ভালো রেজাল্ট কর।
পারভেজ বলেছেন:
তোমার লেখাটা খুব ঝরঝরে! পড়ে খুব ভালো লাগলো।বুয়েটের ছেলে মেয়েরা লেখালেখিতেও ভালই দেখা যায়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। পরীক্ষার খাতা ছাড়া আর সবখানে লিখতে আমাদের আগ্রহের কোন কমতি নেই। কি, ঠিক বলেছি কিনা?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। পড়ার আমন্ত্রণ রইল।
বাংলাদেশ-ফয়সাল বলেছেন:
শাহরিয়ার ভাই মেইল এড্রেসটা দিয়েন।
লেখক বলেছেন: কেমনে?
বাংলাদেশ-ফয়সাল বলেছেন:
আমার ইমেল এড্রেস
মুহিব বলেছেন:
ভালই লাগে প্রবাসের গল্প শুনতে।
তালকানা বলেছেন:
"বুয়েটের একটা ক্লাসরুমে কোন এক ছাত্র ঠোঙ্গাভর্তি সিঙ্গারা খেতে খেতে সাইদূর রহমান স্যারের ক্লাস করছে, স্যারকে দেখে নাম ধরে ডেকে বলছে- 'হেই, হোয়াটস আপ?"এইটা তো স্যার অনেক বেশি আশা করে ফেলেছেন।কথা বললেই যা হয় নাই বা বললাম।
চমৎকার হইসে
পিলাস
সিউল রায়হান বলেছেন:
স্যার দারুন লাগলো পড়ে........ ++++++++++++++++
শিবলী ভাইয়াকে তো হাজার ধাক্কা দিয়েও কথা বের করা যায়না......তাই এতটা ডিটেইলস এই প্রথম পড়লাম......
আপনারা বুয়েটকে মিস করেন কেমন /??? শিবলী ভাইয়া বলছিল অনেক মিস করে ...
সুবিদ্ বলেছেন:
অনন্য একটা লেখা পড়লাম........
ভ্রমনবিলাসী বালক বলেছেন:
মেডিকেলের কথা আর নাই বললাম।এখনও কলেজে পড়। ভার্সিটিতে উঠতে পারি নাই। অনেক+++++++++++++++++++++++++++++++++++
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















