If you donot see bangla, download: http://www.omicronlab.com/avro-keyboard-download.html

পঁচিশ ঘন্টা পঞ্চাশ মিনিট

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫০

শেয়ারঃ
0 11 0

ডিপার্টমেন্টের করিডোর ধরে হাঁটতে বেশ ভালোই লাগে। বিভিন্ন জিনিসপত্র দিয়ে করিডোরটাকে ছোটখাট একটা মিউজিয়ামের মত করে সাজিয়ে রাখা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য জিনিসপত্রের মাঝে আছে- ছাত্রছাত্রীদের সম্প্রতি প্রকাশিত গবেষণাপত্রের প্রিন্টআউট, প্রফেসরদের লেখা বই-পুস্তকের কপি, ডিপার্টমেন্টের বিভিন্ন সালে বিভিন্ন অবদানের জন্য প্রাপ্ত ক্রেস্ট আর মেডেল, বহু পুরাতন কিছু কম্পিউটারের যন্ত্রপাতি ইত্যাদি ইত্যাদি। এছাড়াও দু’পাশের দেয়ালে টাঙ্গানো রয়েছে রঙ-বেরঙের পোস্টার। কোনটায় দেখা যাচ্ছে প্রফেসরদের নানান কীর্তির বিবরণ, কোনটায় আছে ছাত্রদের গবেষণামূলক প্রজেক্টের গুনকীর্তন, কোনটায় মজার কোন সংবাদ, কোনটায় ঝুলছে গ্রাজুয়েট ছাত্রদের ছবিসহ বর্ণনা। প্রতিদিন এসব দেখতে দেখতে প্রায় মুখস্থের মত হয়ে গেছে, তারপরও দেখতে ভালোই লাগে। বিভিন্ন দেশ থেকে আগত গ্রাজুয়েটদের পোস্টারগুলো সবচেয়ে মজার। ব্যাচ অনুসারে একেকটি পোস্টারে রয়েছে সেই বছর আগত গ্রাজুয়েট ছাত্রছাত্রীদের একটি করে ফটোজেনিক ছবি আর তার নিচে প্রত্যেকের নিজের সম্বন্ধে ছোট্ট একটি বর্ণনা। এধরনের বর্ণনাগুলোকে বলা হয় ‘ব্লার্ব’। ব্লার্বে কেউ লিখেছে সিরিয়াস কথাবার্তা, কেউ লিখেছে মজার কিছু, আর কারো কারোটা একেবারেই সাদামাটা। যেমন- পঁয়ত্রিশ বছর বয়েসী ও তিন সন্তানের জনক ড্যারেক তার ব্লার্বে লিখেছে- বড় হয়ে সে দেশ সেবা করতে চায়। দ্বিতীয় বর্ষের অন্যতম সিরিয়াস ছাত্র জোয়েল লিখেছে- অবসরে তার পছন্দ কেক-বিস্কিট বানানো। চান্দিছিলা চাইনিজ, চ্যাং লিখেছে- সে নাকি বলরুম ড্যান্স পছন্দ করে! ব্লার্বগুলো পড়ে আর ছবি দেখে দেখেই ডিপার্টমেন্টের সবার সাথে পরিচিত হয়ে যাওয়া যায় বলে এটাকে আমার কাছে বেশ ভালো সিস্টেম মনে হয়েছে। যাদেরকে চিনি, তাদেরকে তো চিনিই- আর যাদের চিনিনা, তাদের কথাও এখান থেকে জানা যায়। মাঝে মাঝেই আমি এসব ছবির মাঝে গুনে দেখি ডিপার্টমেন্টের কতজন ছাত্রের সাথে আমার পরিচয় হয়েছে এ পর্যন্ত। যেমন, ২০০৮ সালের সবার সাথেই পরিচয় আছে কারণ এটা আমার নিজের ব্যাচ। ২০০৭ সালের পঁচিশ জনের মাঝে আঠারো জনকে কখনও না কখনও ডিপার্টমেন্টে দেখেছি। ২০০৬ সালের মোটামুটি অর্ধেককে চিনি। ২০০৫ সালের ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে চেনামুখ সর্বসাকুল্যে ৬ জন! প্রায় একবছর হতে চলেছে, অথচ আমি আমার ডিপার্টমেন্টের এতগুলো গ্রাজুয়েট স্টুডেন্টকে একটি বারের জন্যও দেখিনি, ব্যাপারটা আমার জন্য পীড়াদায়ক। কিন্তু এটা কী করে সম্ভব? পোস্টারে এতগুলো হাস্যজ্জ্বল মুখ, অথচ বাস্তবে এদের কখনও ডিপার্টমেন্টে দেখা যায়না। শুধুই ছবি হয়ে ঝুলতে থাকা এসব মেধাবী মুখ তাহলে গেল কোথায়?

পিএইচডি কথাটি ‘ডক্টর অফ ফিলোসোফির’ সংক্ষিপ্ত রূপ। এটাকে সংক্ষেপ করার পর কেন উল্টো করা হল তা আমার জানা নেই। যতটুকু জানি পড়াশোনা করে অর্জন করা যেতে পারে এধরনের ডিগ্রির মাঝে এটাই সবার শেষ ডিগ্রি। এরপর আর কোন পড়ালেখা করতে হবেনা, আপাতত এটাই আমার কাছে পিএইচডি করার নেপথ্যে মূল মোটিভেশন। আমেরিকা আসার আগে আমার ধারণা ছিল দিন-রাত ল্যাবে শুয়ে-বসে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করে যুগান্তকারী কোনকিছু আবিষ্কার করাটাই বোধহয় পিএইচডি। এখানে আসার পর প্রতিদিনই ধারণা একটু একটু করে পাল্টাচ্ছে। শুরুর দিকের দু-তিন সেমিস্টারেরে সাথে বুয়েটের রেগুলার সেমিস্টারগুলোর তেমন কোন পার্থক্য পাইনি। ক্লাস, প্রজেক্ট, প্রেজেন্টেশন, হোমওয়ার্ক, ফাইনাল সবই চলেছে রুটিনমত। এরসাথে শুধুমাত্র যোগ হয়েছে নিজের প্রফেসরের সাথে কিছু রিসার্চ মিটিং আর বিয়োগ হয়েছে পিএল, চোথা সংগ্রহ, পরীক্ষা পেছানোর আন্দোলন ইত্যাদি। ভেবেছিলাম এভাবেই চার-পাঁচ বছর চলবে, অতঃপর একসময় একটা ডক্টরেট ডিগ্রি বগলদাবা করে ঢাকার প্লেনে বাড়ি ফিরে আসব। কিন্তু সাদামাটা এই কাহিনীতে টুইস্ট এসে গেল যখন জানতে পারলাম ‘কোয়াল’ নামধারী এক বিভিষিকার কথা।

আমেরিকায় পিএইচডি স্টুডেন্টদের এ্যাডমিশন হয় আন্ডারগ্র্যাডের রেজাল্ট, টোফেল-জিআরই, শিক্ষকদের রেকমেন্ডেশন লেটার এসবের ভিত্তিতে। একবার অ্যাডমিশন হয়ে গেলেই কেল্লাফতে- অনেকের মত আমারও এই একই ধারণা ছিল শুরুতে। কিন্তু আসার পর থেকেই শুনতে পাচ্ছিলাম ইউভিএ’র সর্বনিকৃষ্ট কোয়ালিফায়ার (সংক্ষেপে ‘কোয়াল’) এক্সামের কথা। নানান ভুক্তভোগী নানান ভাষায় এটার যত দূর্ণাম করা শুরু করল তাতে একদিন অতিষ্ট হয়ে ঠিক করলাম আমার তখনকার টেম্পরারি একাডেমিক এ্যাডভাইজার, প্রফেসর হোয়াইটহাউসের সাথে দেখা করে বিষয়টা পরিষ্কার হওয়া দরকার। এ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে তার সাথে দেখা করতে গেলাম কোন এক বিকেল বেলা। চ্যাংড়া মত এই আধা-চায়নীজ, আধা-আমেরিকান প্রফেসরকে দেখে যে কেউ আন্ডারগ্র্যাডের কোন ছাত্র ভাববে। আমি অবশ্য আমার কল্পনাশক্তির সদ্ব্যবহার করে আবিষ্কার করলাম, একে একটা লাল হাওয়াই শার্ট আর একটা প্রিন্টের লুঙ্গি পরিয়ে দিলে ঠিক ঠিক একটা রঙ-মিস্ত্রির মত মনে হবে। কুশল বিনিময় শেষে নানান কথাবার্তা বলতে বলতে এক পর্যায়ে জানতে চাইলাম, কোয়ালিফায়ারের ঘটনাটা আসলে কী? রঙমিস্ত্রি যা বলল, তার সারমর্ম এই যে, এটি এমন এক মহাপরীক্ষা, যা সকল পিএইচডি স্টুডেন্টকেই নিজ যোগ্যতা প্রমাণ করতে বাধ্যতামূলকভাবে পাস করতে হবে। যে পারবেনা তাকে যথাযোগ্য সম্মান দেখিয়ে চিরতরে বিদেয় করে দেয়া হবে। পরীক্ষায় কম্পিউটার সায়েন্সের পাঁচটি মূল বিষয়ের ওপর পাঁচ ঘন্টার পাঁচটি রিটেন এক্সাম নেয়া হবে। কোত্থেকে কোয়েশ্চেন করা হবে সেটা একমাত্র আল্লাহ মালুম। একটা রিডিং লিস্ট অবশ্য আছে, যেটা দেখে মনে হলো, যে রেটে আমি পড়াশোনা করি তাতে পুরোটা একবার রিডিং পড়ে শেষ করতেও আমার পাঁচ বছরের ভিসা শেষ হয়ে যাবে। মৃদু টেনশন নিয়ে তাকে প্রশ্ন করলাম, এসব পরীক্ষার জন্য সর্বোচ্চ কয়বার চান্স পাওয়া যায়? হোয়াইটহাউস তার সাদা দুইপাটি দাঁত বের করে বলল, থার্ডইয়ার হচ্ছে অফিসিয়াল লিমিট, কিন্তু এক-দুইবার দিয়ে যদি কেউ পাস না করতে পারে, তাহলে তাকে আজীবন সুযোগ দিলেও সে আসলে পাস করতে পারবেনা। বছরে মাত্র দুবার এই পরীক্ষা নেয়া হয়। কেউ যদি বাইচান্স পাঁচটি রিটেনেই পাস করে যায়, তবে তাকে পাঁচজন প্রফেসরের সামনে পঞ্চাশ মিনিটের একটি ভাইভায় অংশ নিতে দেয়া হবে। সেটাতে যদি সব প্রফেসর আলাদা আলাদা ভাবে মত দেন যে, ছাত্রটি পিএইচডি করার যোগ্য, তখনই কেবলমাত্র তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে পিএইচডি ছাত্র হিসেবে নথিভুক্ত করা হবে, অন্যথায় সসম্মানে বিদায়। নিশ্বাস বন্ধ করে তার কথা শুনছিলাম। কথাগুলো শোনা শেষে বুঝতে পারছিলাম না এখন কি আমার নিশ্বাস ছাড়ার কথা, নাকি নিশ্বাস নেবার কথা? কোনটা রেখে কোনটা করা উচিত কিছুই ঠাওর করতে পারছি না। পাঁচ ঘন্টার পাঁচটা রিটেন পরীক্ষা, তাতে হয় পঁচিশ ঘন্টা, আর এর সাথে পঞ্চাশ মিনিটের ভাইভা, সবমিলিয়ে পঁচিশ ঘন্টা পঞ্চাশ মিনিট। বুঝতে পারলাম, এই পঁচিশ ঘন্টা পঞ্চাশ মিনিট পার না করা পর্যন্ত যতবার নিশ্বাসই নিই না কেন, একবারও প্রাণ ভরবেনা।

মহাচিন্তায় পড়ে গেলাম ‘কোয়াল’ নিয়ে। বাংলাদেশ থেকে আমি কোন বই-পুস্তক আনিনি। তেইশ কেজি ওজনের দুটো লাগেজ ব্যাগই আমার মা হাড়ি-পাতিল, মসলা-আঁচার, কম্বল-কোলবালিশ এসব দিয়ে ভরিয়ে দিয়েছিলেন। বই নেবার কোন উপায় ছিলনা। আমেরিকায় নীলক্ষেতও নেই। অ্যামাজন থেকে অর্ডার করলে বইপিছু প্রায় পঞ্চাশ ডলার (সাড়ে তিনহাজার টাকা) খরচ পড়বে। এত টাকা খরচ করে বই কিনে পরীক্ষায় ফেল করলে পুরোটাই লস। রিডিংলিস্টের প্রতিটি বই তাই বিভিন্নভাবে জোগাড় করতে হলো। কোনটা লাইব্রেরি থেকে, কোনটা সিনিয়র কারো থেকে, কোনটা নেট থেকে সফটকপি নামিয়ে প্রিন্ট, এভাবে নানান পন্থায় কিছু দিনের মাঝেই পড়ার টেবিল বই দিয়ে বোঝাই করে ফেললাম। সবগুলো বই মিলিয়ে সর্বমোট কত পৃষ্ঠা পড়তে হবে তার একটা হিসেব করে দেখলাম সংখ্যাটি আট-হাজারের সামান্য কিছু কম-বেশি হবে। আমি খুব ধীর গতির পাঠক। পড়াশোনার বই একপৃষ্ঠা পড়তে আমার প্রায় মিনিট দশেকের মত লাগে। এছাড়া একনাগাড়ে একঘন্টা পড়াশোনা করা আমার পক্ষে প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। সুবিশাল এই সিলেবাস সুন্দরমত পড়া শেষ করে আমি একদিন পরীক্ষার হলে গিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছি- এই দৃশ্য খুব একটা বাস্তব সম্মত বলে মনে হলনা। ভেবেচিন্তে দুটো সমাধান বের করলাম। এক, মানসম্মান নিয়ে বাংলাদেশ পলায়ন। কিন্তু এটার ফলাফল শুভ বলে মনে হলনা। দেশে ফিরে কী করব সেটা একটা দুশ্চিন্তার বিষয়। ভাবতে বসলেই ঘুরে ফিরে কেন যেন বার বার মনে হতে লাগল, লাল একটা হাওয়াই শার্ট আর একটা প্রিন্টের লুঙ্গি পড়ে আমি ঢাকার হাইরাইজ বিল্ডিংগুলো মনের সুখে রঙ করছি। দ্বিতীয় সমাধান হলো, অনেকের মত আমেরিকাতেই কোন একটা চাকরি-বাকরি যোগাড় করে দিনতিপাত করা। আর কেউ যদি জিজ্ঞাসা করে তবে বলল, ‘পিএইচডি করে আসলে ভাই কোন লাভ নেই। পিএইচডিদের চাইতে আজকাল মাস্টার্সেরই জব মার্কেটে ডিমান্ড বেশি। পাঁচবছর সময় নষ্ট করে কি লাভ বলেন? এরচেয়ে পাঁচ বছরে আমি অনেক টাকা ইনকাম করে ফেলতে পারব।‘ এই সমাধানটা খারাপ না। লোকজন এটাকে অনায়াসে মেনে নেবে। কিন্তু সমস্যা হলো নিজেকে নিয়ে। নিজের কাছে ছোট হয়ে, বড় হবার স্বপ্ন দেখাটা সত্যিই হাস্যকর। ‘বিনা যুদ্ধে নাহি দেব সূচ্যগ্র মেদিনী’- কথাটা বারবার মনের মধ্যে খোঁচাতে লাগলো। অনেক খোঁচা খেয়েও ‘সূচ্যগ্র মেদিনী’ জিনিসটা কী ছিল সেটা কিছুতেই মনে করতে পারলাম না। এই মেমরি নিয়ে কী করে পরীক্ষা দেব কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলাম না।

মাথা-ঠান্ডা করে প্ল্যান মত কাজ করতে হবে। ‘জো জিতা ওহি সিকান্দার’ মুভিতে আমির খান যেভাবে গানের তালে তালে ব্যায়াম-ট্যায়াম করে সাইকেল রেসের জন্য প্রস্তুত হয়েছিল, সে রকম একটা প্ল্যান করতে হবে। ঠিক করলাম প্রতিদিন ভোর ছটায় উঠে পড়াশোনা শুরু করবো। এর জন্য প্রথমে রাত তিনটায় ঘুমোতে যাবার অভ্যাসটা বদলানো শুরু করলাম। ফলশ্রূতিতে যা হল, সপ্তাহ খানেক পর আবিষ্কার করলাম, প্রতিদিন রাত ন’টায় ঘুমোতে যাচ্ছি আর উঠছি সেই দুপুর বারোটায়। এরপর আবার খাওয়াদাওয়া ও দুপুরের ঘুম শেষে সন্ধ্যায় মাত্র এক ঘন্টা পড়াশোনার জন্য অবশিষ্ট রইল। সেই এক ঘন্টা সময়ে কোন সাবজেক্ট পড়ব, মিনিটে কত পৃষ্ঠা পড়ব, এসব হিসেব করতে করতে আর বইয়ের পৃষ্ঠা উল্টোতে উল্টোতেই চলে যেতে লাগল। বোঝা গেল, এই প্ল্যানে কাজ হবেনা। নতুন করে প্ল্যান করা হলো। এবারে ঠিক করলাম বইয়ের চ্যাপ্টারগুলো পুরোটা না পড়ে প্রত্যেক চ্যাপ্টারের প্রথম দু-তিনটি সেকশন পড়ব। এ পদ্ধতি কিছুদিন ভালোমত চলল। মোটামুটি একটা কনফিডেন্স এসে গেল যে, আর্কিটেকচার আর থিওরি এই দুটো সাবজেক্টে পাস হচ্ছেই। কনফিডেন্স দৃঢ় করতে বিগত বছরের কোয়ালের প্রশ্নপত্র যোগাড় করলাম। ডিপার্টমেন্টে বিগত বছরগুলোর প্রশ্নের সফটপকপি আর্কাইভ করা আছে, একথা শুনেছিলাম। একটা ইমেইল করে আমার প্রয়োজন জানাতেই, দশ মিনিটের মাঝে আমাকে শত শত প্রশ্নপত্র পাঠিয়ে দিল ইউনিভার্সিটি অফিস থেকে। ভ্রু-কুচকে, সময় নিয়ে বিগত বছরের প্রশ্নপত্রগুলো দেখলাম। কোচকানো ভ্রু আর সোজা করতে পারলাম না। কোন বছরেরই কোন প্রশ্নের উত্তর আমার জানা আছে বলে মনে হলনা। প্রশ্নগুলো এমন যে, এগুলো কেউ বই পড়ে, শিখে, প্র্যাকটিস করে এসে উত্তর করতে পারবেনা। সবগুলোই চিন্তামূলক ও কঠিন প্যাঁচ-মারা প্রশ্ন। কিছু কিছু প্রশ্নের আদৌ সমাধান আছে কিনা সেটাও আমার সন্দেহ হতে লাগলো। সত্যি বলতে কী, প্রশ্ন গুলো দেখে ভয় পাবার বদলে আমি আনন্দ পেতে শুরু করলাম। কারণ, আমি বুঝে ফেলেছি, বই পড়ে এখানে এক বিন্দুও লাভ নেই। কারো ভেতর যদি ‘কম্পিউটার সায়েন্স’ বিষয়টি সত্যি সত্যি থাকে, তবেই একমাত্র সে এই পরীক্ষায় পাস করবে। বুয়েটের চার বছরের কোর্স প্রায় ছয় বছর সময় নিয়ে, ধীরে ধীরে, মন দিয়ে পড়েছি। এত দীর্ঘ সময়ে যদি অল্প-একটু কম্পুটার সায়েন্স, কোন এক অসাবধানতার মূহুর্তেও মাথার ভেতর ঢুকে থাকে, তবেই এখন রক্ষে। (বাকিটা নেক্সট উইক)

 

সর্বশেষ এডিট : ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৫
সাজিদ. বলেছেন: শাহরিয়ার ভাই, সুন্দর লিখেছেন। কোরিয়ার KAIST এ আমি ছিলাম,দেখেছি কি অবস্থা হয় PhDতে, পুরা ছেড়ে দে মা কেদে বাচি। শুভকামনা রইল।
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: কাইস্ট খুবই উঁচুমানের ইউনিভার্সিটি। এটাতে "ছেড়ে দে মা কেদে বাচি" হওয়াই উচিত। শুভকামনার জন্য ধন্যবাদ।

২. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৯
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: উপভোগ্য।

"ভেবেছিলাম এভাবেই চার-পাঁচ বছর চলবে, অতঃপর একসময় একটা ডক্টরেট ডিগ্রি বগলদাবা করে ঢাকার প্লেনে বাড়ি ফিরে আসব।"
দেশে যদি ফিরতে হয়, একটা ডক্টরেট ডিগ্রী দরকার পড়ে তাহলে অস্ট্রেলিয়া, ইউকে, জাপান থেকেই করা ভাল। কোন কোয়াল নেই, কোর্স নেই, ৩ বছর ল্যাব করে ডক্টরেট ডিগ্রী বগল দাবা করে ফিরেন বাংলাদেশি শিক্ষকগণ। মার্কিন মুল্লুক থেকে ডক্টরেট নিয়ে বুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্সে ফেরত এসেছেন এর এটা নজিরবিহীন।সিভিল, ইলেক্ট্রিক্যালে তাও ক'জন আছেন। কাজেই ফিরব বললেই অনেকে অনেক কিছুর টানে, অনেক কিছুর দেনায় আর ফিরতে পারেন না।

বাকিটার অপেক্ষায় থাকলাম।
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০৪

লেখক বলেছেন: আমেরিকা দেখার একটা শখ ছিল, পিএইচডি করারও একটা শখ ছিল। দুটো একসাথে পূরণ করতেই গিয়েই এই পরিস্থিতি। দেখাযাক কি হয়। আপডেট তো দিতে থাকবোই। অনেক ধন্যবাদ।

৩. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪২
মানবী বলেছেন: এই পোস্টটিও পঁচিশ ঘন্টা পন্চাশ মিনিট সময় নিয়ে লেখা কিনা জানিনা তবে লেখকের চমৎকার সেন্স অফ হিউমার দীর্ঘ বর্ণনাকে উপভোগ্য করেছে।


লেখকের ক্ষমতা থাকলে তিনি "লাল একটা হাওয়াই শার্ট আর একটা প্রিন্টের লুঙ্গি"কে বাংলাদেশের জাতীয় পোশাক সম্ভব না হলেও রঙ মিস্ত্রীদের বাধ্যতামূলক ইউনিফর্ম বানাতেন- পোস্ট পড়ে
তেমন মনে হলো B-)


পিএইচডি'র প্রচন্ড পরিশ্রম নিয়ে মজার বর্ণনার জন্য ধন্যবাদ শাহরিয়ার নির্জন।
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০৯

লেখক বলেছেন: এটা আসলে এরকম যে, কোনকিছু চিন্তা করতে গেলে সবার মনেই যেমন একটা ছবি ভেসে উঠে, আমার কেন যেন রঙমিস্ত্রি শুনলেই এই পোশাক মাথায় আসে। আর যা মাথায় আসে তাই লিখি। পড়া ও কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ। পরেরটার আমন্ত্রণ রইল।

৪. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৭
টোনা বলেছেন: আগে একটা কমেন্ট দেই ... তারপর পড়ি B-)B-)B-)
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১০

লেখক বলেছেন: বাহ! কিন্তু লেখা পড়ে দেখি আর কোন কমেন্ট নেই মনে হচ্ছে ??

৫. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৮
সাহোশি৬ বলেছেন: ড. শাহরিয়ার নির্জন,

Qualifying এ পাশ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ, নো চিন্তা ডু ফুর্তি। আরে মিয়া, বুয়েটের পোলাপানেরে পাশ করাইব না তো কারে করাইব? মাগার, একটা কথা, qualifying পাশ করার পর সুপারভাইজারের পিছে আঠার মতো লাইগ্যা থাকবা। মনে রাইখ, পিএইচডিতে বাপের পরেই হলো সুপারভাইজারের স্থান।

***তুমি করে বললাম বলে কিছু মনে করো না। তুমি বয়সে মার চেয়ে অনেক ছোট হবে।

*** আমেরিকায় কিন্তু প্রচুর ভালো ভালো ইউনি আছে। UVAও ভালো ইউনি। যদি এই ইউনিতে কোন রকম সমস্যা feel কর, তাহলে ইউণি চেন্জের আইডিয়া কিন্তু খুব একটা মন্দ না। Moral loose করো না। Best of luck. কিছুদিনের ভেতরেই বাংলাদেশ আেরেকটা পিএইচডি হোল্ডার পাচ্ছে।
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৩

লেখক বলেছেন: উৎসাহের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। দোয়া রাখবেন।

৬. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৮
ফারহান দাউদ বলেছেন: পুরো পোস্ট পড়ে এই জিনিসটাই বুঝলাম, পড়াশোনা জিনিসটা আমাকে দিয়ে হবেনা। পিএইচডি যারা করে তারা সম্ভবত অতিমানব জাতীয় কিছু।:|
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৮

লেখক বলেছেন: আরে.. পরের পর্বটা পড়, ডিসিশন বদলাতেও পারে।

৭. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৫৮
অপরিচিত_আবির বলেছেন: অনেক দিন পরে লেখা দিলেন তাও আদ্দেক! বাকিটার অপেক্ষায় রইলাম।
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৯

লেখক বলেছেন: পুরোটাই লিখেছি, কিন্তু বড় হওয়াতে দুই খন্ডে প্রকাশ। নেক্সট ইউক ইনশাল্লাহ বাকিটা।

৮. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২৫
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: মানুষ যে কেমতে এতো পড়ে...আমি তো চাকরি পাইলে মাস্টার্সও করমু না /:)
৯. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৩৩
সিউল রায়হান বলেছেন: @ নির্জন স্যার:

বরাবরের মতই ফাটাফাটি :)

আর কোয়াল কে তো আমার ভিএলএসআই বা ডিএলডি বা ওএস টাইপের সেশনাল কুইজ মনে হইল.....সম সিমটম একই...... :( ???



@ সাঈদ শেরিফ:

না জেনে প্যাক প্যাক করা ঠিক না /:) "মার্কিন মুল্লুক থেকে ডক্টরেট নিয়ে বুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্সে ফেরত এসেছেন এর এটা নজিরবিহীন।" এই মিথ্যা কথাটা বলার আগে আমাদের ডিপার্টমেন্টের ফ্যাকাল্টি লিস্টটা দেখা দরকার ছিল আপনার.......

http://www.buet.ac.bd/cse/faculty/fac_list.php

১০. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:০৭
লংকার রাজা বলেছেন: ধন্যবাদ সিউল মিয়া :)
১১. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০৪
কানা-বাবা বলেছেন: আমি নিজেও PhD এর ছাত্র। তবে আপনার ওখানে নয়। এই সেমেস্টারেই Qual দিবো। নিজের এবং আপনার জন্য শুভকামনা রইল।

আমার একমাত্র ছোট বোন এই ফল সেমেস্টার থেকেই UVa পড়া শুরু করেছে ( ছাত্রত্বের বয়স মাত্র ২ সপ্তাহ হলো )।
১৩. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০৪
কলাবাগান বলেছেন: আপনাকে অগ্রিম শুভেচছা QUAL পাশ করার জন্য।
১৪. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১৮
জনৈক আরাফাত বলেছেন: আর ও জানতে বাকি আমাদের!
১৫. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৪
অন্যসময় বলেছেন: আমি মাস্টার্স এ আসলাম এই Fall এ - প্রফেসর ক্লাস শুরুর আগেই পেপার ধরিয়ে দিয়েছেন একগাদা - এই দেশে শান্তি নাই ভাই.।:(
১৬. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৮
উদ্ভ্রান্ত পথিক বলেছেন: হেহেহ আমার পি এইচ ডি করা হচ্ছে না কি মজা মজা!!
১৭. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১২
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: নির্জন ভাই ,
আমরা যারা আপনাকে চিনি , কারও সন্দেহ নেই আপনি ইনশাল্লাহ শেষ করেই ফিরবেন , এবং সেটা খুব ভালভাবেই করবেন । শুভকামনা থাকল মন থেকে

কিন্তু ভীষণ ভয় পেলাম , আমাদের মত ঢাল তলোয়ারহীনদের কথা ভেবে । আপনিই যেখানে আতঙ্কিত , আমার তো বিন্দুমাত্র আশাও নেই
১৮. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৫
সাগরসিএসই_০৬ বলেছেন: আমি বাকরুদ্ধ..
১৯. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৫
ক্লান্ত পথিকের গল্প বলেছেন: হুমম্‌ স্যার শুধু মাস্টার্স করা যায়? ফান্ড সহ? আমি সি এস ই -০৪
২০. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৯
ছেড়া_আকাশ বলেছেন: স্যার, আপনার লেখা পড়ে আমার কিন্তু অনেক উপকার হয়েছে - আমি আর যা-ই করি না কেন পি-এইচ-ডি করছি না বলেই মনস্থির করে ফেলেছি। অত্যন্ত প্রাঞ্জল এই লেখার পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম...
২১. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৮
রোবোট বলেছেন: সিউল
সাঈফ শেরিফের কথাটা জেনারেলি সত্যি। আরেকটু ভদ্রভাবেও বলা যেত। তুমিতো ভালো ছেলে। :)

নির্জন
চিন্তার কিছু নাই। বুয়েটের ভয়াভ বাজে ছাত্র হয়েও মোটামুটি একটা ইউনিভারসিটি থেকে মাস্টার্স শেষ করেছি। টিচার হয়ে তোমার কেন সমস্যা হবে? আমার ধারণা এদেশে যারা নিজের পড়াশোনায় আনন্দ পায়, তাদের জন্য পড়াশোনার কষ্টটা কম হয়।

ইউভিএর কোন ক্যাম্পাস?
২৩. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৫
শিট সুজি বলেছেন: বিরাট ভয় খাইলাম । :(

বেস্ট অফ লাক স্যার।
২৪. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৫৫
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন: ছবিটা তো খুব সুন্দর। পার্কের পরিবেশ মনে হচ্ছে। এটাই কি আপনার ইউনিভার্সিটি? তাইলে তো আসলেই সমস্যা।
২৫. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৯
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: নেক্সট উইকে বাকিটা বইলা দেখি আর পোস্ট করলেন না!!!!
২৬. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪২
কানা বাবা বলেছেন:
হ, বোহামিয়ান।
কয় দিনে যে হপ্তা পুরাইবো...
২৭. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১৯
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন: পয়ত্রিশ বছর বয়েসী ও তিন সন্তানের জনক ড্যারেকের হিউমার টা ভাল্লাগছে... কারণ ও আছে... অনার্সে থাকতে আমি নিজেও এইরকমের একটা কথা কইছিলাম:)... কইছিলাম ... বুঝলা দোস্ত বড় হয়া সালমা হায়েকরে নিয়া বানানো সব ওয়েবসাইট ব্রাউঝ করুম :)

আপনের লেখার হিউমার টা এখনো বজায় আছে... এত বড় বড় লেখা গুলা পড়তে কোন কষ্ট হয়না

@সিউল- আমার মুখে মানায় না তারপরো কই... শব্দটা ''মিথ্যা'' না কয়া ''ভুল'' কইলে আরো ভালো হইতো না :)??

২৮. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩৩
অচেনা সৈকত বলেছেন: সিউল@ বুয়েটের অধিকাংশ বিভাগের শিক্ষকরাই আমেরিকান পিএইচডি নিয়ে দেশে ফেরে না। এটাতো আসলেই সত্যি। সিএসই-তেও আমেরিকান পিএইচডিধারী শিক্ষক বেশি হবার কথা না। আমি দেশ ছাড়ার আগে দেখেছিলাম কানাডা থেকে ৪/৫ জন একসাথে ফিরেছিলেন। দেখে ভাল লেগেছিল। কাজেই সাইফ ভাই খুব একটা ভুল বলেন নি। নির্জন যদি ফিরে যায় তাহলে বুয়েট অবশ্যই উপকৃত হবে।
২৯. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৫৬
অচেনা সৈকত বলেছেন: সিউল@ বুয়েটের বেশীর ভাগ শিক্ষকই তো আমরিকান পিএইচডি নিয়ে আর ফিরে আসে না। সাইফ ভাই তাই খুব একটা ভুল বলেন নি। অবশ্য আমি দেশ ছাড়ার ঠিক আগ দিয়ে সিএসই-তে ৫/৬ জন একসাথে ফিরে এসেছিলেন কানাডা থেকে। নির্জন যদি সেভাবেই বুয়েটে ফেরে সেটা অবশ্যই বুয়েটের সৌভাগ্য বলে গণ্য করতে হবে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৪২৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি নির্জন। বুয়েট থেকে কোনমতে কম্পিউটার ইঞ্জিঃ পাস করে এখন ইউনিভার্সিটি অফ ভার্জিনিয়াতে পি.এইচ.ডি করার চেষ্টা করছি। আমি সকলের দোয়াপ্রার্থী।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই