If you donot see bangla, download: http://www.omicronlab.com/avro-keyboard-download.html

আর মাত্র পঞ্চাশ মিনিট বাকি

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৬

শেয়ারঃ
0 6 0

ওলসন হল থেকে বেরিয়ে দেখি ঝিরঝির বৃষ্টি। ওয়েদার ফোরকাস্ট দেখে হিসেব করে ছাতা নিয়ে বেরোবার মত দূরদর্শিতা এখনো অর্জন করতে পারিনি; তাই এখন এই বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতেই বাড়ি ফিরতে হবে। বাসের জন্য মিনিট খানেক অপেক্ষা করা যায়, তবুও আজকে হাঁটতেই বেশি ইচ্ছে করছে। খালিপায়ে ঘাসের ওপর হাঁটার একটা অন্যরকম মজা আছে। প্যাঁকপ্যাঁকে কাদা থাকলে ব্যাপারটা আরো অনেক চমৎকার হয়। আমেরিকার ঝকঝকে তকতকে কনক্রিটের ফুটপাথে সে মজাটা পাওয়া যাবার কথা না। তবুও জিনিসটা ট্রাই করে দেখা যেতে পারে। আজকের বিকেলটা সংগত কারণে একটু ভিন্ন। প্রায় মাসখানেক হলো নতুন কোন পাগলামি করা হয়নি। গর্ধভের মত শুধু শুধু পড়ার টেবিলে বসে কম্পিউটার বিজ্ঞানের খুঁটিনাটি বিষয়বস্তু বোঝার ব্যর্থ চেষ্টা করেছি। মাত্র মিনিট দশেক আগে তার সাময়িক পরিসমাপ্তি ঘটেছে। এখন আমি আবারও স্বাধীন। কোন একটা পাগলামি দিয়ে পুণরায় স্বাভাবিক জীবন শুরু করতে হবে। খালি পায়ে হাঁটার প্ল্যানটা এ মূহুর্তে সেটারই একটা পূর্বাভাস দিচ্ছে।


ডিপার্টমেন্ট থেকে বাড়ি ফেরার পথটা বেশ নির্জন। ধীরে হাঁটলেও মিনিট পনেরর মত লাগে বাড়ি পৌঁছাতে। হাঁটতে হাঁটতে নিবিষ্ট মনে জীবনঘনিষ্ঠ অনেক কিছু চিন্তা করা যায় এসময়। যেমনঃ ‘বাড়ি গিয়ে কী খাব?’, ‘বাসন মাজার ডেট কি আমার?’ ‘কতদিন ধরে না ধুয়েই একি কাপড়ে চলছে?’ এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থেকে শুরু করে ‘সামনে ক’টা পরীক্ষা?’, ‘কত বড় সিলেবাস?’, ‘পিএইচডি করে আদৌ কী লাভ?’ এধরণের তুচ্ছ বিষয়াদি নিয়ে নিজের সাথে গভীর আলোচনার সুযোগ পাওয়া যায় এসময়। আজকে কেন যেন এসবের কোন কিছুই মাথায় আসছেনা। বার বার বরং মনে হচ্ছে আমি এখনো কনফারেন্স রুমের হোয়াইট বোর্ডের সামনে কালো মার্কার পেন নিয়ে অসহায়ের মত দাঁড়িয়ে আছি আর আমার সামনের টেবিলে প্রফেসর ম্যারিলুসোফা, প্রফেসর উইমার, প্রফেসর গ্রিমশ আর প্রফেসর গুরুমূর্তি রুক্ষমূর্তি হয়ে বসে আছেন। সদ্য বিগত পঞ্চাশ মিনিটের পিএইচডি কোয়ালিফায়ার ভাইভায় এরা চারজন মিলে আমাকে যার পর নাই ধুয়ে ফেলেছে। তাদের জ্ঞানগর্ভ প্রশ্নের উত্তরে আধাভাঙ্গা ইংরেজি আর হাত-পায়ের বিচিত্র অংগভঙ্গি দিয়ে নানা কৌশলে যা পারি তা বোঝানোর চেষ্টা করেছি। তবুও মনে হচ্ছে, ওরালটা কি আদৌ পাশ হবে?

রাস্তা এখন ডানে বাঁক নেবে। এরপর মিনিট পাঁচেকের মত পাহাড়ের ঢাল বেয়ে সোজা নামতে হবে। পথ থেকে মন সরিয়ে নিয়ে নিরপেক্ষভাবে আজকের পুরো ঘটনাটা এখনই বিশ্লেষণ করা দরকার। যত দেরি করব ততই দ্রুত সবকিছু ভুলে যাব আর এবার যদি সত্যিই ফেইল করি তবে এই মূহুর্তের পর্যালোচনা পরবর্তিতে বেশ কাজে আসবে। চিন্তা শুরু করলাম প্রিপারেশনে কি কি কমতি ছিল সেটা থেকে।

প্রথম কমতি হলো ‘সময়’। রিটেনে ফেল করব ধরে নিয়ে ওরালের জন্য আগে থেকে কোন প্রিপারেশন নিইনি। আবার যখন জানতে পারলাম রিটেনে পাশ করেছি তখন আর ওরালের প্রিপারেশন নেবার কোন সময় ছিলনা। তারপরও আমার অ্যাডভাইজার শ্রদ্ধেয় প্রফেসর স্ট্যানকোভিকের উৎসাহে ভাইভা দিতে রাজি হয়ে গেলাম। তার উপদেশ ছিল, ভাইভা দিতে তো কোন দোষ নেই, এক্সপেরিয়েন্স কাউন্টস। সে বলেছিল, আমি বিশ্বাস করি তুমি পাশ করবে। আমি মনে মনে বলেছিলাম, মামা, তুমি বিশ্বাস করলে তো হবেনা, কোন জনমে কি কি সব বুঝে-না বুঝে পড়েছিলাম এসব জিনিস এখন কি করে মনে করব? সে অবশ্য আমাকে পার্সোনাল ইউকলি মিটিংয়ে ভাইভা দেয়ার বেশ কিছু টেকনিক শিখিয়ে দিয়েছিল। দু-একটা টেকনিক পয়েন্ট আকারে এখনো মনে আছেঃ (১) ভাইভায় কিছু না পারলে সরাসরি ‘পারিনা’ বলা যাবেনা। দরকার পড়লে মার্কার পেন দিয়ে বোর্ডে প্রশ্নটাই ছবি এঁকে এক্সপ্লেইন করতে হবে। তারপর ছবিটা দেখিয়ে এ বিষয়ে যদি অন্য কোন কিছুও জানা থাকে তবে সেটা বলা শুরু করতে হবে। এরপর এক সময় স্বীকার করে নিতে হবে যে, আমি পারছি না। (২) ভুল কোন কিছু বলা যাবেনা। যদি নিজের অজান্তে কোন প্রশ্নের উত্তরে ভুল কিছু বলে ফেলার পর পরবর্তিতে বুঝতে পারি যে আমি ভুল বলেছি, তবে সাথে সাথে সেটা স্বীকার করে নিতে হবে। এটাতে নাকি ভাইভা বোর্ড বুঝতে পারে যে ছেলেটা চিন্তা করতে সক্ষম। (৩) সবসময় উদাহরণ দিয়ে এক্সপ্লেইন করতে হবে। উদাহরণ হতে হবে সহজ এবং যেটা আমার নাগালের মধ্যে। ভাইভা বোর্ড সবসময় সম্পূরক প্রশ্নের জন্য প্রস্তুত থাকে। তাই আগাগোড়া জানা আছে এধরণের সহজ উদাহরণ না হলে নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনার সম্ভাবনা আছে। এসবের সাথে সাথে সে বইপুস্তক পড়ার পাশাপাশি প্রাকটিস ভাইভার (মক ভাইভা) কথা বলল। ডিপার্টমেন্টে নাকি সিনিয়র ছাত্রদের উদ্যোগে মক ভাইভার সেশন হয়। সে আমাকে তার অন্যতম প্রিয় ছাত্র ও বেশ কয়েকবার ভাইভায় ফেল করা ‘হ্যাংচ্যাং’ এর সাথে কথা বলার পরামর্শ দিল। হ্যাংচ্যাং চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। তার জন্য এবারই ভাইভায় পাস করার শেষ সুযোগ। এবার ফেল করলে তাকে ইউনিভার্সিটি থেকে বের করে দেয়া হবে। জানলাম, সে নাকি এ সেমিস্টারে কোন কোর্সওয়ার্ক বা রিসার্চওয়ার্ক নেয়নি ওরালের প্রিপারেশন নেবার জন্য।

স্যান্ডেল খুলে হাতে নিয়েছি। খালিপায়ে হাঁটা শুরু হয়েছে। বৃষ্টিটাও মনে হলো কমে এসেছে। পেছন থেকে একটা মেয়ে খুব দ্রুত জগিং করতে করতে আমাকে পাশ কাটিয়ে চলে গেল। এ্যাথলেটিক পোষাক পরে ঢালু ফুটপাতে মেয়েটার দ্রুত ও ছন্দময় জগিং দেখে মনে হলো যেন ম্যারাথন দিচ্ছে। আমেরিকার পথে ঘাটে এই দৃশ্য খুবই কমন। দিন-রাত চব্বিশ ঘন্টাই এরা মর্নিংওয়াক করে। একে দেখে থিওরীর প্রফেসর গেইব রবিন্সের একটা কথা মনে পড়ল। গেইব একবার ক্লাসে বলেছিল, হুট করে কেউ ম্যারাথন রেস জিততে পারেনা, এর জন্য দিনের পর দিন প্রাকটিস করতে হয়। ভাইভাটাও নাকি সেরকম বিষয়। এনসাইক্লোপিডিয়া পুরোটা মুখস্থ থাকলেও ভাইভার সময় হাত-পাঁ কাঁপাকাঁপি করবেনা এরকম মানুষ নেই। সেই তুলনায় আমার প্রিপারেশন ছিল আজকে শূন্যের কোঠায়। খুব বেশি হলে পাঁচদিন সময় হাতে পেয়েছিলাম। ভাইভা দেব কি দেবনা এটা ঠিক করতেই প্রথম দুদিন চলে যায়। বই-পুস্তক দেখেই মাথা ঘোরা শুরু করে। হতাশ হয়ে একপর্যায়ে ঠিক করি যে, কিচ্ছু পড়াশোনা করব না। প্রথমবার ভাইভায় ফেইল করতে আপত্তি নাই। আরো দুবছর তো চান্স আছেই। এসব ভাবতে ভাবতে একদিন বিকেলে কফি হাতে এ্যাপার্টমেন্টের লিভিং রুমের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছি। কোত্থেকে এনামুল এসে অ্যাপার্টমেন্টে ঢুকেই বলল, ‘ভাইয়া, এটা জানেন নাকি- কোয়াল পাস করলে যে বেতন বাড়ে?’ আমি এরকম একটা কথা আগে কোথায় যেন শুনেছিলাম। ওর কথা শুনে তাৎক্ষণিক ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইট ঘেটে আবিষ্কার করলাম কথা সত্য। কোয়ালিফায়ার পাস করতে না পারলে কি হবে এটা নিয়ে ছাত্ররা এত শঙ্কিত থাকে যে এটা পাস করলে যে কোন প্রাপ্তি থাকতে পারে কেউ অতটা তলিয়ে দেখেনা। ওয়েবসাইট ঘেটে জানলাম, পাস করতে পারলে প্রতি মাসে ১০০ ডলার বেতন বাড়বে। আল্লাহর দয়ায় থাকা খাওয়ার খরচের তুলনায় ভার্জিনিয়ার স্কলারশিপের পরিমাণ কম নয়। তারপরও আমার মত গ্রাজুয়েট স্টুডেন্টের কাছে শ’ডলার বেতন বাড়ার হাতছানিটা বেশ লোভনীয়। প্রথমবারের মত মনে হলো, কঠিন একটা ট্রাই দিতে হবে মনে হচ্ছে।

সিলেবাস বলতে গেলে সম্পূর্ণ ওপেন। পাঁচ সাবজেক্ট থেকে প্রশ্ন করবে বলা হলেও এসবের কোন গ্যারান্টি নেই। ক্যান্ডিডেটকে কম্পিউটার বিজ্ঞানের সবকিছুই জানতে হবে। তিনদিন এত্ত এত্ত সাবজেক্টের বইয়ের পাতা উল্টাতে উল্টাতেই চলে যাবে, তাই কী পদ্ধতিতে রিভিশান দেয়া যায় বুদ্ধি বের করা শুরু করলাম। অনুমান করে বের করলাম ‘আটলান্টার কোক পদ্ধতি’ এক্ষেত্রে কাজে দিতে পারে। কম সময়ে অনেক কাজ করার জন্য এটা আমার আবিষ্কৃত এক পদ্ধতি। পদ্ধতির উৎপত্তিস্থল হচ্ছে জর্জিয়ার আটলান্টা শহর, সেজন্যই এই নামকরণ। আমেরিকার শত শত বড় বড় শহরের মাঝে যেসব শহর একটু বেশি বড়, আটলান্টা তাদের একটি। রিসার্চের প্রয়োজনে আমাকে একবার আটলান্টার জর্জিয়াটেক ইউনিভার্সিটিতে যেতে হয়। গ্রাম থেকে ঢাকায় আসলে সবাই যেমন মিরপুরের চিড়িয়াখানাটা দেখেই যায়, আটলান্টায় আসলেও তেমনি বিশ্ববিখ্যাত কোকাকোলা কম্পানির বিল্ডিংটায় একবার সবাই ঢু-মারেই। আমিও তিরিশ ডলারের টিকিট কেটে বোকার মত ঢুকে পড়লাম। কোকাকোলা বিল্ডিংটি সত্যিকার অর্থেই এক আজব জায়গা। পুরো বিল্ডিংটাকে এরা মিউজিয়াম বানিয়ে রেখেছে। ভেতরে ঢুকলে চোখে পড়ে সাদা পোলার বেয়ারের নাচানাচি, শত বছর আগের কোকাকোলার ইতিহাস, কোকাকোলার বোতলের বিবর্তনের কাহিনী, মিনি কোকাকোলা ফ্যাক্টরি, বিশ্বের সব দেশের কোকাকোলার অ্যাড ও মডেলদের ছবি ও ভিডিও, কোক নিয়ে ফোর-ডি এ্যানিমেশন মুভি ইত্যাদি। এসবের মধ্যে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হচ্ছে ৮৮টি ভিন্ন স্বাদের কোকাকোলা ফ্রী-তে চেখে দেখার সুযোগ। কোক-স্প্রাইটের যে এত ভার্সন আছে এটায় আমি বেশ অবাক হলাম। পণ করলাম আজকে এই সবগুলো স্বাদের কোক আমি খেয়েই তারপর যাব। তিরিশ ডলার দিয়ে টিকিট কেটেছি, কম পক্ষে তিরিশ বোতল কোক তো খেতেই হবে আমাকে। বিভিন্ন মহাদেশের জন্য আলাদা আলাদা সেকশানে আলাদা আলাদা কোকের ট্যাঙ্কি রাখা আছে। আমি ইউরোপের দিকে গেলাম। খোদ ইউরোপেই কোক-স্প্রাইট মিলিয়ে এক ডজনের মত ফ্লেভার। দুটি ফ্লেভারের দু-গ্লাস কোক খাবার পর তৃতীয় গ্লাসে চুমুক দিতে গিয়ে বুঝলাম আর তো পারছিনা। এখনও আশির ওপর ফ্লেভার বাকি। ঠিক তখনই মাথায় বুদ্ধিটা আসলো। একটা গ্লাস নিয়ে সেটাতেই সব ফ্লেভারের কোক অল্প অল্প করে নিতে থাকলাম। এভাবে করে সব গুলো ফ্লেভার মিলে এক গ্লাসের মত হলো। তারপর এক ঢোকে পুরোটা খেয়ে নিলাম। ব্যস, এখন শান্তি। খেতে খুব একটা ভালো না লাগলেও, দুনিয়ার সবরকম কোক এখন আমার পেটে আছে, এটা ভেবেই শান্তি। কোয়ালের ভাইভার প্রিপারেশানও এই একই ভাবে নিতে হবে। সবগুলো বইয়ের সবগুলো চ্যাপ্টারের ভেতরে বোল্ড অক্ষরে যত সংজ্ঞা আছে আর যত ডায়াগ্রাম টাইপ জিনিস আছে সেগুলো পড়া শুরু করলাম। টানা তিনদিন একাজ করার পর যখন নিজেকে একটু জ্ঞানী জ্ঞানী লাগতে শুরু করলো, তখন বুঝলাম ভাইভার আর মাত্র এক ঘন্টা বাকি।

(বাকি রইলঃ ভাইভা রুমের ঘটনাবলী আর কিছু ব্লুপারস)


 

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৪
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: খুবই ভয় সঞ্চারক কাহিণী... এমনিতেই পড়ালেখাতে গাড্ডু... তার উপর ভাইভা হলেতো সেরেছে B:-/
৩. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০১
েদশী িহেরা বলেছেন: ভাইরে, অরধেক কইয়া কই গেলেন, লটকাইয়া গেলেন দেহি।
ভীষন ভাল লিখেছেন, পরের টার অপেক্ষায় থাকলাম।
৪. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০২
ঘাস ফুল বলেছেন: বাকিটুকু পড়ার অপেক্ষায়..................
৫. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০২
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: বেতন বাড়ার কথা শুনে পড়া শুরু? :P
ব্যাপক মজা পাইলাম । :D :D

হ্যাং চ্যং এর একটা ছবি দেয়া যায়?
ফেইসবুকে আছে নাকি? :D
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৪

লেখক বলেছেন: হ্যাংচ্যাংয়ের পাবলিক প্রোফাইলঃ
Click This Link

৬. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৬
স্পর্শক বলেছেন: অসাধারন সুন্দর হইছে স্যার ... সিম্পলি অসাধারন ... পরেরটার অপেক্ষায় ......
৮. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৫
ক্লান্ত পথিকের গল্প বলেছেন: স্যার বাকিটা পড়তে মঞ্চায়...:)
৯. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৭
দ্রোহ বলেছেন: খুবই ভাল লাগল।চরম উপকারী পোস্ট ও বটে :|

বস,এই ভাইভা টা কখন হয় ?কোর্স ওয়ার্কের পরে থিসিস নেবার আগে?

ভয়াবহ ভীতিপ্রদ :(।এতদিন শুনসি পিএইচডি ডিফেন্স নিয়ে বহুত ভয়ের কাহিনী।আপনার কথা শুইনা আরো ভয় খাইয়া গেলাম :((

এইটার সিলেবাস এত ভাস্ট হয় কেন?আপনি যে কোর্স গুলা নিলেন সেইটা থেকে হওয়া উচিত না?কেননা পিএইচডির কোর্সগুলা তো আপনি সেইভাবেই নিছেন।
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৩

লেখক বলেছেন: এটা পিএইচডি কোয়ালিফায়ারের ভাইভা। এটার সাথে কোর্স ওয়ার্কের কোন সম্পর্ক নেই। তবে প্রয়োজন অনুভব করলে আপনি ভাইভার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের কোর্স নিতে পারেন জিনিসগুলো ঝালাই করার জন্য। যে কোন গ্র্যাড স্টুডেন্টকে (প্রথম কয়েক সেমিস্টারের মধ্যেই) এটা দিতে হয় নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করার জন্য যে, তার পিএইচডি করার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা আছে। পাশ করতে পারলে সে থিসিস শুরু করতে পারে।

১০. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৩
একরামুল হক শামীম বলেছেন: কাজের পোস্ট :)

প্রিয়তে রাখলাম।
১১. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২২
নিভৃতচারী বলেছেন: স্যার, আপনার প্রতিটা লেখাই এক কথায় অসাধারণ । খুব ভালো লাগলো । বাকিটুকু পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম .......
১২. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৪
চতুষ্কোণ বলেছেন: খুবই ভাল লিখেছেন। অসাধারণ।

++++++
১৩. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১৭
পুরাতন বলেছেন: ভালো লাগলো +++
১৪. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০০
রাগ ইমন বলেছেন: হাসতে হাসতে গড়াগড়ি! দারুন মজার লেখা । নির্জন কি রম্য লেখক?

বাকি অংশ পড়ার জন্য এখন মন তো আন চান করছে । দ্রুত আশা করা কি ঠিক হবে?
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৩২

লেখক বলেছেন: বাকি লেখাটা ম্যাক্সিমাম আর দুসপ্তাহ দেরি হবে। সামনে মেলা পরীক্ষা, সেগুলো একটু সামলে নিই।

১৫. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৮
ইমির বলেছেন: ভাল লাগল। পরের পর্বের অপেক্ষায় আছি......
১৬. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৩
মুহম্মদ ওয়াসিম বলেছেন: স্যার অনেকদিন পর আপনার লেখা পেলাম। আপনি যে এতো ব্যস্ততার মাঝেও আমাদের জন্য লেখেন সেজন্য আমরা খুব কৃতজ্ঞ ।
১৭. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৯
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন: +

আগাম যেইটা বুজলাম পাস কর্লেই এমুন সুন্দর লেখা বাইরায়। তো পাস করচেন ভালো ভাবেই।
১৮. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৯
ফারহান দাউদ বলেছেন: এইটা ঠিক হলো না, কোকের বোতলের অর্ধেক দিয়ে সরে পড়লেন। :(
তবে বিপদে পড়লে "আটলান্টার কোক" একটা ভাল সান্ত্বনাদায়ক পদ্ধতি, যদি ঘাড়ের উপর আপনার মত একটা মগজ থাকে। আপনার লেখা পড়ার পরে আমার উচ্চশিক্ষার আগ্রহ চলে গেছে, অশিক্ষিত হয়েই বেশ আছি।
১৯. ০২ রা এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৪৪
বিলুপ্ত বৃশ্চিক বলেছেন: স্যার....নতুন লেখা আসে না কেন ????
২১. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:১০
মুহিব বলেছেন: আপনি বই লিখছেন না কেন? জাফর ইকবালের মত ভাল লেখা আপনার সম্ভব। অন্যের সাথে তুলনা করলাম না। একটু উদাহরন দিলাম। সরি। আপনি উপন্যাস বা স্মৃতিকথা লিখতে পারেন। আর ইতিমধ্যে যদি লিখে থাকেন এই কথগুলো ইগনোর করে বইয়ের নাম দিয়ে দিন।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭৩১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি নির্জন। বুয়েট থেকে কোনমতে কম্পিউটার ইঞ্জিঃ পাস করে এখন ইউনিভার্সিটি অফ ভার্জিনিয়াতে পি.এইচ.ডি করার চেষ্টা করছি। আমি সকলের দোয়াপ্রার্থী।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই