আমার প্রিয় পোস্ট

ডুবোজ্বর

গল্প: রঙটানা

২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২১

শেয়ারঃ
0 7 0

ধানক্ষেতের আইল ধরে গেলে গ্রাম মেলে এমন কথা বলা যায় না ইদানীং। তারপরও ছায়া ছায়া গ্রাম আছে রোদের ছায়ায়। মক্তবে আমপারা ছেড়ে আম পাড়ায় ব্যস্ত বালক দেখে বাপের কবর ঢেকে গেছে কুমারীঘাসে, ঘাসের ঠোঁটে এখনও শিশির আবেশে থরথর সূর্যের চুম্বনে। তাদের দুইটি ছাগল; একটা কালো, অন্যটা বাদামি। মা বলেছে, ঘাস কেটে আনবি...
ঘোড়া কিংবা গাধার জন্যে নয়Ñ বাপের কবর নিড়িয়ে বালক ঘাস কেটে ঘরে ফেরে ছাগলের জন্যে।


ধানক্ষেতের আইল ধরে গেলে তারপরে গ্রাম। গ্রামের নাম নাই। মক্তব আছে একটা। আছে বিধবার খড়ের চালা একফালি ঘর। ঘরের পেছনে একটু দূরে জঙলার ঝাড়, ঝাড়ের ছায়ায় শুয়ে আছে নীরবে ঘাসে ঢাকা তরুণ কবর। আর একটি বালক ঘাস কাটে আরও নীরবে। মাতৃভাষা সে শিখেছে ঢের। তাই আমপারা ছেড়েছে সে সেই বৈশাখেÑ একটি ফলবতীগাছের তলে দাঁড়িয়ে একা।


আবারও বৈশাখ। ঝড়ের প্রতীক্ষায় অস্থির বিধবার খড়ের চাল। আর বালক আমপারা ভুলেÑ ঘাস কাটা সেরে দাঁড়িয়েছে এসে আমগাছটির তলে। কাঁচা-পাকা আম দেখে ভাবে রামধনু, ভাবে লালপাড়-সবুজশাড়ি, ভাবে মা, ভাবে বিধবার শাদা-থান, ভাবে রামধনু, ভাবে ভোরের আযান, ভাবে শঙ্খনাদ, ভাবে গান, ভাবে গান...


ঘাস কাটা ছেড়েছে বালক সেই বৈশাখে। আষাঢ়ের প্রথম দিবস। মেঘেরা রামগিরি থেমে চলেছে অলকা অভিমুখে। বালক দাওয়ায় শুয়ে দেখে দুপুর আকাশ, মেঘে মেঘ লেগে আরক্তিম খেচর। সে উঠে বসে, আবার শোয়, উঠে, হাঁটে, পুকুর ঘাটে দেখে মা, পুকুরের জলে দেখে মায়ের চাল ধোয়া শাদা হাত উঠা নামা করে...

রাতে সে মায়ের কান্না শুনে। রাতে সে মায়ের ব্যাকুলতা দেখে। রাতে সে মায়ের শূন্যসিঁথি দেখে। আর শেষরাতে দেখে ব্যাপ্তশূন্য উঠানে আষাঢ়ের গাভীনবৃষ্টিতে ভেসে যাচ্ছে রজঃস্বলা মায়ের অশ্রু, শূন্যতা, স্রাব, সমস্ত জন্মদাগ...


শ্রাবণ, ভাদ্র, আশ্বিন, কার্তিক...
ধানের গ›েধ রাতদিন জেগে থাকে বালক, জেগে জেগে সে বুঝেÑ জেগে আছে প্রিয়তম ভুল, শাদাশাড়ি গ›েধর জোনাক বকুল...

গোধূলি এসে পুকুরে নেমে শুয়ে আছে ধীরে। বালক উঠানে এসে ডাকেÑ
মা-আ... মা-আ...
কী গো বাজান?
হাটে যাই
যাও বাজান, তয় তাড়াতাড়ি আয়া পড়বা, আমার ডর করে...
আইচ্ছা মা...


ধূলিধূলিপথ হেঁটে বালক হাটে এসে দাঁড়ায়। এদিক-ওদিক তাকায়, তারপর কোমর থেকে একটানে ছিঁড়ে নেয় কালো ঘুনসি, ছিঁড়ে ফেলে পনেরোবছরের সুতোসখিকে; ঘুনসি থেকে খুলে নেয় রূপার মাদুলিখানি। তারপর স্যাকরার দোকানে ঢুকে টাকা কটা গুনে নিয়ে বেরিয়ে আসে। তারপরে ঢুকে কাপড়ের দোকানে, কাপড়ের দোকানে রামধনু আর রামধনু পরস্পর সহবাসে তখন হয়ে আছে আনন্দ গান...


একদিন বালক মায়ের সমুখে গিয়ে দাঁড়ায়। দেখে মায়ের একটা চুলও শাদা নয়, কেবল শাড়িটাই শাদা। সে বিধবার চোখের ভিতর তাকায়। মা চমকে উঠেÑ
কী দ্যাখো, বাজান?
বালক তার পেছনের হাতখানি সমুখে আনে, তার হাতভর্তি একটা শাড়ি, শাড়িটার রঙ লাল।


 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্প ;
প্রকাশ করা হয়েছে: গল্প  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০২ রা অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ১২:১৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৩
লাবণ্য প্রভা গল্পকার বলেছেন: রাতে সে মায়ের কান্না শুনে। রাতে সে মায়ের ব্যাকুলতা দেখে। রাতে সে মায়ের শূন্যসিঁথি দেখে। আর শেষরাতে দেখে ব্যাপ্তশূন্য উঠানে আষাঢ়ের গাভীনবৃষ্টিতে ভেসে যাচ্ছে মায়ের অশ্রু, শূন্যতা, সমস্ত জন্মদাগ...

.........................................................................................
কবি আমি মুগ্ধ হয়ে পড়লাম


মঙ্গলে থাকুন
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩৮

লেখক বলেছেন:


শেষরাতে দেখে ব্যাপ্তশূন্য উঠানে আষাঢ়ের গাভীনবৃষ্টিতে ভেসে যাচ্ছে রজঃস্বলা-মায়ের অশ্রু, শূন্যতা, স্রাব, সমস্ত জন্মদাগ...

২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০০

লেখক বলেছেন:

নাভীমূলে জেগে থাকে ভস্মের রাত
রাতের কাঁকাল ভেঙে আসে না প্রভাত
নদীদের মুখ ঢেকে কুয়াশা নিবিড়
দেহহীন পড়ে রয় দেহনদী নীড়

২. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪১
শত রুপা বলেছেন: রাতে সে মায়ের কান্না শুনে। রাতে সে মায়ের ব্যাকুলতা দেখে। রাতে সে মায়ের শূন্যসিঁথি দেখে। আর শেষরাতে দেখে ব্যাপ্তশূন্য উঠানে আষাঢ়ের গাভীনবৃষ্টিতে ভেসে যাচ্ছে মায়ের অশ্রু, শূন্যতা, সমস্ত জন্মদাগ...
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩৮

লেখক বলেছেন:


শেষরাতে দেখে ব্যাপ্তশূন্য উঠানে আষাঢ়ের গাভীনবৃষ্টিতে ভেসে যাচ্ছে রজঃস্বলা-মায়ের অশ্রু, শূন্যতা, স্রাব, সমস্ত জন্মদাগ...

৩. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩০
আমি-ই গণিতের শূন্য বলেছেন: দাদা,শেষ ২ এর ব্যাপারটা ধোঁয়াশা......জানি কবিতায় বুঝে ফেলা বলে কিছু নেই।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪২

লেখক বলেছেন:
প্রিয় শূন্য,
এটা গল্প লেখার চেষ্টা করেছি। আর গল্প হোক, কবিতা হোক এটা লেখার পর আমি মৃত। এখন এটা টেকস্ট। সুতরাং আপনার মতো করে পাঠ করবেন এবং অবিনির্মাণ করবেন।
---------------------------------------------------------------------------------

অনেক ভালো থাকুন, শুভরাত্রি

৪. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৭
কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি বলেছেন: একদিন বালক মায়ের সমুখে গিয়ে দাঁড়ায়। দেখে মায়ের একটা চুলও শাদা নয়, কেবল শাড়িটাই শাদা। সে বিধবার চোখের ভিতর তাকায়। মা চমকে উঠে--
কী দ্যাখো, বাজান?
বালক তার পেছনের হাতখানি সমুখে আনে, তার হাতভর্তি একটি শাড়ি, শাড়িরঙ লাল। বলে,
মা! এই তোমার লালশাড়ি...


শুধু বলবো, অসাধারন
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪২

লেখক বলেছেন: অনেক ভালো থাকুন, শুভরাত্রি

৫. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৫
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: অদ্ভূত। সুন্দর।

আমার কাছে খুব ভাল লাগলো। মুগ্ধ হলাম।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪৩

লেখক বলেছেন:
আপনার মুগ্ধতাও অদ্ভুত সুন্দর।
অনেক ভালো থাকুন, শুভরাত্রি।

৬. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৫
নাজনীন খলিল বলেছেন:
কি বলবো------------------খুব ভাল লাগল।

ভাল থেকো।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪৪

লেখক বলেছেন:
অনেক ভালো থাকুন, শুভরাত্রি, দিদি

৭. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০২
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন: নি.নৈ,
আপনার কবিতায় একটা সহজাত ধোঁয়াশা থাকে।কখনোই ঝেড়ে কাশবার লোক নন আপনি।ফলত: অধিকাংশ কবিতাই নিজের মতো করে কিছু একটা বুঝে নিই।অবশ্য আমি নিজেও অংক এবং কবিতার মধ্যে পার্থক্যটা জানি।যেখানে উত্তর না মিললেও নম্বর পাওয়া যায়।কিন্তু তারপরও কবি কিংবা লেখকের চিন্তার সাথে একাত্ম হওয়ার একটা আলাদা আনন্দ থাকে।

এই প্রথম আপনার কোন লেখা পড়ে মনে হলো আপনার উত্তরের সাথে আমার উত্তর মিললেও মিলতে পারে।
পাঠক হিসেবে আমি খুবই আনন্দিত বোধ করছি।

অসাধারন !
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪৬

লেখক বলেছেন:
সুদীপ!
পাঠক হিশেবে আমিও আনন্দিত।
অনেক ভালো থাকুন, শুভরাত্রি

৮. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩০
নীল চাঁদ বলেছেন:

এক কথায় ইহা একটি ভাল এবং প্রথম শ্রেণীর ভাবনা।
মহৎ হোক সকল শুদ্ধ চিন্তা।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: অনেক ভালো থাকুন, শুভরাত্রি

২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: অনেক ভালো থাকুন, শুভরাত্রি

১০. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪২
হৈমন্তী বলেছেন: গল্পে অনেক কিছুই সম্ভব হয় । তবে বাস্তবে.....
বিধবা..........লাল শাড়ী!
অনেক কথা মনে আসছে, নাই বা বলি.....
গল্পটি খুব সুন্দর হয়েছে.....
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৫০

লেখক বলেছেন:
হৈম!
আপনার কথা অবশ্যই ঠিক।
বাস্তবে সম্ভব নয় বলেই এতো স্বপ্ন আর কল্পনা। সবই অস্তিত্বের যন্ত্রণাকে ভুলে থাকার জন্যে।


অনেক ভালো থাকুন, শুভরাত্রি।

১১. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:২৩
সুমন রহমান বলেছেন: নির্ঝর, আমি এই লেখাটিকে গল্প বলছি না, এটা আসলে কবিতাই। পড়তে আহ্বান করার জন্য শুকরিয়া।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৩

লেখক বলেছেন:
দাদা, তাহলে কবিতাই হলো। এবং আমি কবিতার মতো করেই লিখতে চেষ্টা করেছি। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১২. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১৮
ক-খ-গ বলেছেন: দারুন লাগলো :)
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা

২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:০২

লেখক বলেছেন: দেহহীন পড়ে রয় দেহনদী নীড়

১৩. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯
নম্রতা বলেছেন: কবিতা , গল্প নয় নির্ঝর ! বারবার পড়ে তাই মনে হয়েছে।
------
মাকে লাল টিপে খুব মানায় , লালশাড়িও !
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৩

লেখক বলেছেন:
মাকে সবকিছুতেই মানায়।

শুভেচ্ছা।

১৪. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০৫
অদৃশ্য বলেছেন: নির্ঝর দা..............................সুমন রহমানের সাতেহ আমিও একমত। আমার কাছেও এটাকে গল্প গল্প লাগেনি........কবিতা মনে হয়েছে।

অত্যন্ত চমৎকার একটি লিখা.............খুব স্পর্শ করেছে আমাকে।


সবসময় ভালো থাকুন।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: অদৃশ্যসুন্দর

১৫. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৯
লাবণ্য প্রভা গল্পকার বলেছেন: রাতে সে মায়ের শূন্যসিঁথি দেখে। মক্তবে পরা ছেলের দৃশ্যকল্পে শূন্য সিঁথি ঠিক যায় না।
ভাল থাকুন
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন:
বালক মক্তব শুরুতেই ছেড়ে দিয়েছে। এবং প্রকৃতির বিদ্যালয়ে নিজে নিজেই ভর্তি হয়েছে। তাই সে মায়ের শুধু শূন্যিসিঁথি নয় স্রাবও দেখতে পায়।

---------------------------------------------------------------------------------
শুভেচ্ছা, নাভালো থাকুন

২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০১

লেখক বলেছেন: এখনো পড়ছি। ধন্যবাদ দাদা

৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:২১

লেখক বলেছেন:
পড়লাম। একমত। আশা রাখছি, এইবিষয়ে সবলেখা গুছিয়ে পুনর্বাব আলাদা একটা পোস্ট দিবেন। এবং আরো প্রলম্বিত এবং পরিণত।

-------------------------------------------------------------------------------
কবিতাই আমার ঈশ্বর।
তাকে আমি ছুঁতে পারি, ধারণ করতে পারি। আমাকেও সে পারে।
কবিতা আমার লৌকিক ঈশ্বর। আমি তার ধ্যানই করি।

-----------------------------------------------------------------------------

শূন্যতা পরিব্যাপ্ত হোক।

১৭. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৪
অনন্ত রেয়হান বলেছেন: কবিতার জগৎ পরিশুদ্ধ হোক কল্যাণময় হোক।
শুভেচ্ছা আপনাকে
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৬

লেখক বলেছেন: শূন্যতা পরিব্যাপ্ত হোক।

১৮. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫০
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: বস, আপনি জানেন এটা কি লিখছেন? সরাসরি প্রিয়তে।

আমার আবদার ভুলে যাবেন না, নিয়মিত গল্পকথা চাই।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০২

লেখক বলেছেন:
আপনাকে আশা করছিলাম।
ভালো আছেন?

১৯. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০৫
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: কয়েকদিনের জন্য একটু ডুব দিয়েছিলাম। কিন্তু মাছ শিকার হয় নাই। :)

খারাপ নেই। আপনার কি অবস্থা?
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:১১

লেখক বলেছেন:
আমি ভালো নেই। কারণ আর কিছুদিন পর আমার একাডেমিক-লাইফ শেষ হয়ে যাবে।

২০. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:১৫
মমমম১২ বলেছেন: গল্প নাকি কবিতা জানিনা,অসম্ভব ভাল লাগলো লেখাটা।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪১

লেখক বলেছেন: মম

২১. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৯
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: একাডেমিক-লাইফ বলতে কি বোঝাচ্ছেন তা সুনির্দিষ্ট নয়। লেখাপড়া?
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪১

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, লেখাপড়া।

২২. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪৭
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: এটাতো খুশির খবর। :) আমার হলে বাঁচি!
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৫৪

লেখক বলেছেন:
বিশ্ববিদ্যালয়(চট্টগ্রাম) ক্যাম্পাসটাকে অনেক ভালোবাসি। নয়বছর (সেশানজটের কারণে) ধরে পড়ছি, নয়বছর সংসার করার মতোই।
কেমন করে ছেড়ে যাবো?:|

২৩. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:১৩
মিলটনরহমান বলেছেন: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস আমারও প্রিয়।

কত দিন দেখি না----------------

অথচ আজো যাপন করি , পান করি মামুর চা------------

এখন শূন্যতা

ঠিক বলেছেন শূন্যতা পরিব্যাপ্ত হোক
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:২৯

লেখক বলেছেন: এখন শূন্যতা

২৪. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৫
শত রুপা বলেছেন: “i want to sleep! sleep rather than live!


“i want to sleep! sleep rather than live!
“i want to sleep! sleep rather than live!


“i want to sleep! sleep rather than live!
“i want to sleep! sleep rather than live!


“i want to sleep! sleep rather than live!
“i want to sleep! sleep rather than live!


“i want to sleep! sleep rather than live!
২৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪২

লেখক বলেছেন: and in a slumber, dubious as the tomb’s

২৫. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩২
বিষাক্ত আলো বলেছেন: চমৎকার গল্প...আসাধারণ বর্ণ্নাভঙ্গি...
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: শুভকামনা, আলো

২৬. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:০৬
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

চমৎকার ।

কেমন আছেন, নির্ঝর ?
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:০৯

লেখক বলেছেন: আপনি ভালো আছেন?
আপনার নতুন গল্প কবে পড়বো?

১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:৩০

লেখক বলেছেন: কেমন আছো দাদা

২৮. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:৪৫
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: নতুন গল্প শিঘ্রই পাবেন , আশা করছি ।

১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:৪৯

লেখক বলেছেন: শুভকামনা

২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:১৮

লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা। এটা তো গল্প

৩০. ১৫ ই আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:৫১
আব্দুল্লাহ আল মুক্তািদর বলেছেন: আপনার লেখার আমি মুগ্ধ পাঠক। আমার ব্লগে আমন্ত্রন রইল।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৪

লেখক বলেছেন: আচ্ছা। শুভসন্ধ্যা

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫৬৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
_________________
সমস্ত প্রকাশিত এবং
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
© নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
nirzharnoishabdya@gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ