তারা বললো আমাকে পাওয়া গিয়েছিলো হরিণের চোখের ভিতর, ভয়ার্ত। জ্যোতিশ্চক্র শুদ্ধতায় উপড়ে আসে শীত। খুব দ্রুত এবং খামারের পাশের খড়ের গাদায় কাঁপন। সৌকর্যের অবিদ্য পানশালা। তারা এসেছিলো। তারা এসেছিলো জ্বরের ঘনক। আর আমি দণ্ডায়মান ভূমির সরোজ, কখনো পদ্মপাতায় টলোমল।
কেউ গোর ভাঙছে, ঘুম ছিঁড়ছে কিংবা অন্ধকারে চুষে খাচ্ছে আপন ঠোঁটের ক্ষয়। আর বিকলাঙ্গ বাসনা ঝরে পড়ছে ঝড়ের ফাঁক গলে, ঘনায়মান জ্বর। এই ডুবোজ্বর বানালো আমার গল্পের শরীর। তারা বাইশটি করাত দাঁতহীন করে একটি অরণ্যের কাছে পুজো দিলে আমি নিশ্চুপারতি। তারাবাতি ধীরে মুঠোর ভিতর ভস্মহিমালয়। আঁখিঠার কাঙাল কুহু, শার্টের পকেটে শুকিয়ে যাওয়া তিনটি দোয়েল, ঘ্রাণবহ। নির্জন স্বরমণ্ডলে ডুবে যাওয়া আঙুল ভুলিয়ে দিলে নারী ও মদ-- কাউকে খুঁজি না গীতবিতানে। কেউ ঘুরছে। খুলে দিচ্ছে সর্বোচ্চ গীতবিতান, রবিনাথের ললিত বৈকল্য।
তারা বললো আমাকে পাওয়া গিয়েছিলো বুড়ি পিথিয়ার ভাঁজপড়া চোখের কোলে, নিষ্পলক। আমি আনন্দিত-- অ্যাপোলোর অহম ও অবিমৃষ্য খেলা। আমি কাজল নই, তারপরও কেউ আকাশ ঘেটে তছনছ করে আষাঢ়ের তৃতীয় দিবস। তারা রক্তের রঙ পাল্টে ধুয়ে দিচ্ছে স্বপ্নের বর্জ্য এবং লালা।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মে, ২০১৪ দুপুর ১২:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



