somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

০০০এপিটাফ০০০

১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

খুব বড় ধরনের ক্ষুদ্র একটা অপচেষ্টা নাকি অন্যকিছু জানিনা, তবুও সাহস করে হাতে নিয়েছিলাম ।হয়নি ,বাংলাদেশে যে অনেক কিছু সম্ভব না তার বড় প্রমান আমার এই র্ব্যথ প্রয়াস ।একটা ছবি বানানোর কথা ছিল ।কি জন্য মুখ ফিরিয়ে নিয়েছি, তা আর না বলে ছবির মূল কাহিনী ও স্ক্রিপ্ট এখানে ছাড়লাম ।

কাহিনী সংক্ষেপ:

নয়ন বিদ্রোহী একটা ছেলে । বাংলাদেশকে সে দেখতে চেয়েছিল অন্যভাবে ।একটা দেশকে গড়তে কত সময় লাগে? এটা নিয়ে তার মধ্যে বিতর্ক আছে ।স্বাধীনতার কতগুলো বছর পেরিয়ে গেল কিন্তু দেশটা আজও ভালো একটা যায়গায় পেীছাতে পারলো না ,মাথা উঁচু করেতো নয়ই । অথছ কোথায় যেত পারতো বাংলাদেশ ।

বাংলাদেশের কতগুলো সম্ভাবনাময় জায়গা বা সেক্টর আছে , যেগুলোর সৎ ব্যবহারে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারতো বিশ্বের মানচিত্রে । কিন্তু সেই সম্ভাবনাময় যায়গাগুলোকে কখনোই বের করে নিয়ে আসা হয় নাই বরং সেই জায়গাগুলো ব্লক করে বা আটকে রাখা হয়েছে ।

ছোট্ট একটা দেশে কত বড় বড় গডফাদার । মাত্র হাতে গোনা কয়েকজন ।যাদের বিরুদ্ধচারন করেছিল নয়ন । এমনকি হত্যার পরিকল্পনা করেছিল ।কারণ সে মনে করত, এই মানুষগুলো বেচে থাকলে পরবর্তী প্রজন্ম ক্ষতির সম্মুক্ষিন হবে ।

কিন্তু গডফাদার দের কালো তালিকায় টিকতে পারেনা নয়ন ।খুন হয়ে যায় এক সকালে । পড়ে থাকে পেছনের মানুষগুলো , কিছুই হয়না তাদের ।কষ্টে থাকে নয়নের পরিবার, প্রেমিকা,শুভাকাঙ্খী ।
নয়নের মৃত্যু পরবর্তী স্বগোতক্তি নিয়েই -
“০০০এপিটাফ০০০”


দৃশ্য - ১ (সকাল/ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা)

নয়ন দেীড়াচ্ছে, তাকে ধাওয়া করছে ৪-৫ জন সন্ত্রাসী । সন্ত্রাসীদের সম্মিলিত কণ্ঠ :
ধর..ধর...ধর... ..

দৃশ্য - ১এ (সকাল/ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা)

একটা মোটর সাইকেলে তিনজন সন্ত্রাসি ।একজন মোবাইলে কথা বলে:
কোথায়?কোনদিকে বললি?
ওকে - ওকে
মোটর সাইকেলে দ্রুত বের হয়ে যায় ।

দৃশ্য - ২ (সকাল/ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা,শহীদ মিনার)

নয়ন দেীড়াচ্ছে । পেছনে সন্ত্রাসীরা,সামনে দিয়ে মোটর সাইকেলে ।নয়ন দাঁড়িয়ে যায় ,বাম দিকে দেীড় দিতেই প্রাইভেট কার সহ সবাই এসে ঘিরে নেয় । নয়ন শহীদ মিনারের সিড়ির উপর পড়ে যায় । প্রাইভেট কার থেকে একজন সন্ত্রাসী বের হয়ে এসে নয়ন কে গুলি করে । সন্ত্রাসীরা দ্রুত চলে যায় ।

দৃশ্য - ৩ (সকাল/ শহীদ মিনার)

নয়নের লাশ পড়ে আছে ।আকাশে বিদ্যুৎ চমকায় । বৃষ্টি নামে, রক্ত বৃষ্টির সাথে মিশে যেতে থাকে ।

দৃশ্য - ৪ (দিন/ গ্রামের খোলা রা¯তা)

নয়নের প্রেমিকা খবর পেয়ে দিশেহারা হয়ে দেীড়াচ্ছে ।দেীড়ে এসে দেয়ালে মাথা ঠেকিয়ে র্দীঘশ্বাস ছাড়ে । কাঁদতে কাঁদতে বলে,
এখন আমার কি হবে ।

দৃশ্য - ৫ (দিন/ গ্রামের বাড়ি)

নয়নের বাবা নিথর হয়ে বসে আছে ।মা ও বোন পাগলের মত কান্নাকাটি করছে ।
মা: ওরে আমার বাবারে,একি হয়ে গেলরে
বোন : ভাইয়া, ভাইয়া


দৃশ্য - ৬ (দিন/ গ্রামের বাড়ির সামনে)

গাড়ী এসে বাড়ির সামনে থামে । সেখানে নয়নের লাশ । নয়নের বন্ধুরা লাশ নিয়ে নেমে আসে । লাশের সামনে মা,বাবা,বোন এসে কান্নাকাটি করতে থাকে । আশেপাশে আরো অনেক লোক জমতে থাকে ।

দৃশ্য - ৭ (দিন/ বাড়ির ভেতরের কোন এক যায়গা)

মশারির ভেতরে নয়নের লাশ গোসল করানো হচ্ছে ।পাশে কান্নার অওয়াজ ।

দৃশ্য - ৮ (দিন/ বাড়ির ভেতর)

কাফনে মোড়ানো লাশ খাটিয়াতে রাখা ।লোকজন লাশ দেখে যাচ্ছে ।

দৃশ্য - ৯ (দিন/ বাড়ির সামনের রাস্তা)

নয়নের বন্ধুদের কাধে খাটি য়া । লাশ খাঠিয়াতে করে নিয়ে যাচ্ছে ।নয়নের মা ,বোন ডুকরে ডুকরে কাঁদছে ।সবাই পাগলের মত হয়ে যায় ।
বোন: ভাইয়া ,ফিরে এসো, ভাইয়া,, ভাইয়া । জয়া আপু ,আপু.. ভাইয়া, ভাইয়া.....


দৃশ্য - ১০ (দিন/ মসজিদ প্রাঙ্গন)

জানাযা ।সবাই লাইনে দাড়ায় । ঈমাম সাহেব,
আসসালামুআলাইকুম বলে সালাম ফেরায় ।
নয়নের লাশ কাঁধে নেয়া হয় ।কবরের দিকে যাওয়া হয় ।নয়নকে কবর দেয়া হয় ।

দৃশ্য - ১১ (দিন/কবরস্থান )

সবাই চলে গেলে নয়নের বাবা বিমূর্ত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে ।নয়নের বন্ধুরা তাকে নিয়ে যেতে চায় ।বলে,
:আঙ্কেল চলেন ।
সবাই চলে যায় ।


দৃশ্য - ১২ (সন্ধ্যা/কবরস্থান )

সবকিছু ঝাপসা হয়ে আসে ।শুধু কবরস্থান দেখা যায় । নীরব শব্দ ।নয়নের কবর ।ও কাফনের কাপড় পরা অবস্থায় কবরের উপর বসে আছে । হাত দিয়ে আশেপাশের মাটি সরাচ্ছে ।তারপর উঠে দাঁড়ায় ।আস্তে আস্তে হাটতে থাকে ।হাটার গতি বাড়তে থাকে ।

দৃশ্য - ১৩ (সন্ধ্যা/বিভিন্ন অলিগলি )

নয়ন কাফনের কাপড় পরেই দেীড়াচ্ছে ।


দৃশ্য - ১৪ (সন্ধ্যা/ শহীদ মিনার)

নয়ন হাপাতে হাপাতে এসে শহীদ মিনারের সামনে বসে ।তারপর ফুপিয়ে কাঁদতে থাকে ।কিছুক্ষন পর কান্না থামায়,হাত দিয়ে চোখ মোছে এবং বলতে থাকে যা বেঁচে থাকতে বলত -

:একটা দেশকে গড়তে কত সময় প্রয়োজন ?
স্বাধীনতার কতগুলো বছর পেরিয়ে গেল , দেশটা আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারলো না । অথছ কত সম্ভাবনাময় সেক্টর আছে এই ছোট্ট দেশটিতে ।যারা উন্নয়নের জোয়ারের কথা বলে দেশটাকে ভাসিয়ে দিতে চায়,সে শুধু মুখে ।আসল চরিত্রটি হীতে বিপরীত ।অথছ কত টালেন্টের দৈনন্দিন মৃত্যু হয় রাস্তাঘাটে ।সে হিসাব কোন খাতায় লিখা হয়না ।

এই দেশে মানুষ ঠিকমত খেতে পায়না,কাপড়ের অভাবে শরীর উঁকি দেয় শকুনের চোখে ।এইযে শিক্ষা ব্যবস্থা তার কোন উন্নতি নাই ।দূরাবস্থা ।আরেবাবা -এই ছোট বাচ্চারাই তো এক একটি গাছ । এদের সঠিক পরিচর্যা না করলে বেড়ে উটবে কি করে ।শিক্ষকের বেতন নাই ।সুস্থ মানুষ গুলো ঠিকমত নি:স্বাশ নিতে পারে না ।হাসপাতাল গুলি জবাই করছে মানুষদের ।

অথছ কত কিছু হতে পারতো; এত সময় কিংবা এতগুলো বছর লাগত না ।শুধু কিছু মানুষের চিরতরে থেমে যাওয়া প্রয়োজন ।

কৃষিতে কৃষকরা যে কি পরিমান কষ্ট ,মেধা,শ্রম, সময় দিয়ে
সন্তানের মত একটা ফসল ঘরে নিয়ে আসে ,তারপরেও কী তার সঠিক মূল্য পায়? রাগে ,ক্ষোভে ,দু:খে তারা এখন তা থেকে বিমূখ প্রায় । কিন্তু কেন?সেটাই প্রশ্ন ।একদিন এসব কিছু হয়তো ইতিহাস হয়ে থাকবে ।

র্গামেন্টসগুলোর কি অবস্থা ।শ্রমিকরা কুকুরের মত জীবনযাপন করছে ।বিভিন্ন ভাবে নির্যাতিত হয়ে একরকম দাসত্ব করেই চলেছে দিনের পর দিন । অনেকে হাজার হাজার টাকা ঋৃনখেলাপি হয়েও পার পেয়ে যাচ্ছে আবার কেউ টাকার জন্যে ব্যবসা করতে পারছে না ।

ঢাকা শহরের ঢেড় কোটি মানুষ । প্রতিদিন কত কোটি ঘন্টা জ্যামে পড়ে নষ্ট হচ্ছে ।তার অর্থ মূল্য কত ?জটিল সমীকরণ ।অথছ সঠিক সিদ্ধান্তে এই জ্যাম ৬মাসেই নিরূপন করা সম্ভব ।

ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অসংখ্য ট্যুরিস্ট প্লেস ।সেগুলোর সঠিক পরিচর্যার অভাবে প্রতিবছর কত কত বৈদাশিক মুদ্রা হারাচ্ছে দেশ ।
খুব অবাক লাগে দেশটা হতে ভাষা হারিয়ে যাচ্ছে । কারো কোন মাথাব্যথা নেই ।৫২- র সেই ভাষা আন্দোলন আজ শুধুই অতীত ।

র্বতমান মিডিয়াতে বিকৃত উপস্থাপনায় লিপ্ত সবাই ।দেশটার সংস্কৃতির উপর কারো কোন সৎ ভাবনা নাই ।চলচ্চিত্র শিল্পে প্রতিবছর প্রায় ১০০ কোটি ব্যবসা হয় কিন্তু একটা সিনেমাও আন্তর্জাতিক ভাবে খ্যাতি অর্জন করতে পারছে না ।কেন?

এমনকি থিয়েটার,নাচ ,গান, প্রত্যেকটি সম্ভাবনাময় যায়গা হতে সঠিক পৃষ্টপোষকতার অভাবে ঝরে যাচ্ছে কত মেধা । সেটিও হিসেবের বাইরে ।

নারীমুক্তি নিয়ে আমাদের কোন চিন্তা নেই ,তারা চার দেয়ালের মধ্যে বন্দিই হয়ে থাকল সারাটা জীবন ।কোথায় মুক্তি ।

এছাড়াও অনেকের জানা অনেক কিছু ,কত সম্ভাবনাময় সেক্টর ।সে ব্যপারে কি করতে হবে? কি করা উচিৎ? সবাই জানে ! সবাই মুখ বন্ধ করে আছে ।কেন? এই সম্ভাবনাময় যায়গাগুলিতে আমরা ক্রমশই পিছিয়ে আছি । অথছ র্দূনীতিতে... ... প্রথম সারিতে ।

আমি কিছু মানুষের ফাঁসির দাবি তুলেছিলাম । কি হলো, কিছুই না । িনজেই ফেঁসে গেলাম । এভাবেই ফেসে যাচ্ছে দিনের পর দিন ,মাসের পর মাস,বছরের পর বছর,প্রজন্মের পর প্রজন্ম ।

নয়নের কথা বলা শেষ হয় ,উঠে দাঁড়ায় ।হাটতে থাকে ।হাটার গতি বাড়তে থাকে ।দেীড়াতে শুরু করে কবরের দিকে ।

সগোতোক্তি: বাবা,মা আমাকে মা করে দিও । প্রিয় বোনটি আমার -তুমি তোমার নাচটা বন্ধ করোনা ।জয়া- তুমি আর কি করবে, তোমাকে বাঁচতে হবে মৃত্যু পর্যন্ত এই সমস্ত মানুষদের সাথেই,যারা সপ্ন দেখাবে কিন্তু কোনদিনও তুমি তার বাস্তব রূপ দেখবে না ।আমি সহ্য করে বেঁচে ছিলাম, এদেশের সাধারণ মানুষরাই এরকম ।সহ্য করে বেঁচে থাকে,তুমিও এর বাইরে নও ।তারপর একদিন ধুলো হয়ে যাবে ।

নয়ন কবরের সামনে এসে দাঁড়ায় ।বসে ।কবরের মাটি সরাতে থাকে আর শেষ কথা বলে ,
“কিন্তু জেনারেশন তাদের জন্য আমার কষ্ট হয় । আর কতদিন ।”

কবরের মাটি সরে গেলে নয়ন সেখানে ঢুকে যায় ।কবরের মাটি আবার ঠিক হয়ে আসে ।





সর্বশেষ এডিট : ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:১০
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×