আমার প্রিয় পোস্ট

আমি ভাঙ্গার জন্যই গড়ি, গড়ার জন্য ভাঙ্গি.।.। নিয়ম আমার জন্যে না, আমি নিয়মের জন্যও না।

উবুন্টু আর কুবুন্টু :D

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৯

শেয়ার করুন:                   Facebook


উবুন্টুর সর্বশেষ ভার্সন হার্ডি হেরনের দুইটা ভার্সন আজ অনলাইনে দেখতে পেলাম। ২টারি সিডি ফ্রিতে অর্ডার দিয়ে মোটামুটি দ্বিধায় পড়ে গেলাম।
শুরুতেই বলে রাখা ভালো লিনাক্সের ব্যাপারে আমার জ্ঞান খুবি অল্প। লিনাক্সের জয় জয়াকার, বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় পড়ে না বুঝেই ;) লিনাক্সের ভক্ত। পরে, বিভিন্ন বই প্ত্র ঘেঁটে লিনাক্স ইন্সটল করা (মনে পড়ে, কলেজে থাকতে দিনে ৪ বারোও লিনাক্স ইন্সটল করেছি), এবং হাতড়ে খুঁজে লিনাক্স শেখার প্রয়াস অল্পতেই বন্ধ হয়ে যায়।
ইদানিং আবার সেই ভূত মাথা চাড়া দিয়ে উঠে এবং ব্লগার ভাইদের উবুন্টু বিষয়ক পোস্ট পড়ে আবার লিনাক্স তথা উবুন্টু ব্যবহারের চিন্তা।
তার আগে যেই জিনিষগুলো জানার জন্য মাথায় মুটামুটি সাইক্লোন চলছে সেগুলো হলো -
১. উবুন্টু এবং লিনাক্সের অন্যান্য ডিস্ট্রিবিউশন, যেমন - রেডহ্যাট এবং ম্যান্ড্রেক এর মদ্ধে বেসিক তফাতগুলো কি?
২. উবুন্টুর বিভিন্ন ভার্সন যেমন - kubuntu, gobuntu, edubuntu এই ভার্সনগুলোর মদ্ধে মূল উবুন্টুর সাথে তফাতটা কি?
৩. বিগিনার হিসেবে আমার কোনটা ব্যবহার করা উচিত? কুবুন্টু নাকি উবুন্টু?
৪. যদি কুবুন্টুতেই যাই তাহলে মূল উবুন্টুর সব ফিচার ব্যবহার করা থেকে বঞ্চিত হবো কিনা?
টেকি ভাইরা কষ্ট করে একটু আওয়াজ দিয়েন।:|

 

 

  • ৪৪ টি মন্তব্য
  • ৩২৬ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৬ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২৫
comment by: মদন বলেছেন: উবুন্টু সিডি চাইয়া ফরম ফিলাম করছিলাম। তারা সিডি পাঠাইছে, আমি চালাইতে পারি, কিন্তু সেটাপ করতে পারি না :(
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২৮

লেখক বলেছেন: কয়দিনে সিডি পাইসেন? আমি আইজকা রেজিস্ট্রেশন কইরা চাইলাম। সেটাপ ছাড়া চালাইলেন ক্যাম্নে?? ;)

২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৪
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: ১. বেসিক এক । পার্থক্যটা মূলত পেকেজ ম্যানেজমেন্ট । কিছু ফিচারে ।
২. গুগল.কম । পার্থক্য হলো ডেস্কটপ এনভায়োরনমেন্টে । এর মধ্যে কুবুন্টু গ্রাফিকাল এনভায়রনমেন্টটা সবচেয়ে আনস্টেবল ।
৩. উবুন্টু
৪. কুবুন্টু ইনস্টল করলে কোন সমস্যা দেখি না । আমি এরকম দেখি নাই যে উবুন্টুর জিনিস কুবুন্টুতে ব্যবহার করা যায় না ।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: পয়েন্টগুলা একটু ডিটেইলস বললে ভালো হয়। মাথার উপ্র দিয়ে হাল্কা পাতলা যাচ্ছে।
"কুবুন্টু গ্রাফিকাল এনভায়রনমেন্টটা সবচেয়ে আনস্টেবল" - একটু ডিটেইলস দরকার। আমি যা দেখলাম তাতে কুবুন্টু অনেক আকর্ষণীয় মনে হয়েছে।

৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৬
comment by: রোকন বলেছেন: ১. উবুন্টু'র ইউজার ইন্টারফেস সবচেয়ে ইউজার ফ্রেন্ডলি। অন্যান্য ডিস্ট্রিবিউশনের তুলনায় একারনে উবুন্টু বেশি জনপ্রিয়। উবুন্টুর মাল্টিমিডিয়া সাপোর্ট অসাধারন।
২. আপনি যদি লিনাক্স নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করে দেখেন, তাহলে দেখবেন লিনাক্সের দু'টা জনপ্রিয় ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্ট আছে। একটা হলো GNOME আর অন্যটা KDE। উবুন্টু'র মুল ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্ট হলো GNOME (যদি এপল ম্যাক সিস্টেমের সাথে পরিচয় থাকে তাহলে মিলিয়ে দেখবেন অনেকটা একই রকম দেখতে)। অনেক ব্যবহারকারী যারা উইন্ডোজ থেকে লিনাক্সে মাইগ্রেট করে, তাদের অনেকেই KDE (বা কুবুন্টু) ব্যবহার করে কারন এখানে স্টার্ট মেন্যুর মতোন একটা মেন্যু আছে। KDE দেখতে যদিও অনেকটা উইন্ডোজ ইন্টারফেসের মতো, তবে ক্র্যাশ করে প্রচুর (হতেই হবে!উইন্ডোজ ইন্টারফেস বলে কথা!)। তবে আপনি GNOME কেও অনেক আকর্ষনীয় করে সাজাতে পারবেন। আমার একটা পোস্টের লিংক দিয়ে দিলাম। দেখুন কেমন লাগে।
৩. বিগিনার হিসেবে একটা দিয়ে শুরু করলেই হলো। আমার পরামর্শ থাকবে উবুন্টু। উইন্ডোজ তো ব্যবহার করেছেনই। কুবুন্টুও ওইরকমই দেখতে। নতুন কিছুর অভিজ্ঞতা নেয়া ভালো না?
৪. যতোদুর জানি, সব ফিচারই বলবৎ থাকবে। তবে কম্পিজ বলে একটা ডেস্কটপ এনহ্যান্সমেন্ট আছে। সেটা কুবুন্টু তে কাজ করবে কিনা জানিনা। ট্রাই করে দেখতে পারেন।

পোস্টের লিংক: Click This Link
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩১

লেখক বলেছেন: অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেবার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ!! :)

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: আপনার লিঙ্কটি দেখলাম। রীতিমতো উবুন্টুর বাইবেল বানিয়ে ফেলেছেন। উবুন্টু বিষয়ক আপনার আর কোন লেখা থাকলে লিঙ্কগুলো দেয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

৪. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩২
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: জিনোম ম্যাকের মতো দেখতে না । @রোকন

কুবুন্টুতেও কম্পিয চলে ।

আর পাপী ভাই, কুবুন্টুতে যাইয়েন না । ভালো মনে এক্টা উপদেশ দিলাম। জিনিসটা বাগি । আর ক্লালযি ।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৬

লেখক বলেছেন: উপদেশ মনে থাকবে ভাই! যা কইবেন তা ই সই। উবুন্টুরে গ্রাফিক্যালি ঝাকানাকা বানানির কোন টিপস থাকলে দিয়েন ভাই।

৫. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩৭
comment by: ড্রিমক্যাচার বলেছেন:

kde 3.5.x সিরিজ বেশ ভালো 4.x সিরিজটা একনও স্টেবল না তেমন

লিনাক্সে শুরু করার জন্য উবনু্টু বেস্ট তয় kde ইউজ কর্তে চাইলে সুসি বা পিসিলিনাক্সওএস ট্রাই কর্তে পারেন
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: জয় বাবা উবুন্টু!!!
"kde 3.5.x সিরিজ বেশ ভালো 4.x সিরিজটা একনও স্টেবল না "
মাথার উপর দিয়া গেল। হার্ডি হেরন কোন কার্নেলের?

৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৫
comment by: রোকন বলেছেন: জিনোম ম্যাকের মতো দেখতে না।......... আমি এক বলিনি। বলেছি ইন্টারফেসটা দেখতে অনেকটা ম্যাক সিস্টেমের মতোন। আমি উপরের পেনেলের কথা বলছি যেটা কুবুন্টু বা KDEতে নেই। ইনফ্যাক্ট ম্যাক সিস্টেমের কার্নেল (অপর নাম ডারউইন) জিনোমের উপর তৈরি করা। @হাসিব মাহমুদ।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪০

লেখক বলেছেন: হুমম!!

৭. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১২
comment by: ড্রিমক্যাচার বলেছেন:
রোকন বলেছেন: ইনফ্যাক্ট ম্যাক সিস্টেমের কার্নেল (অপর নাম ডারউইন) জিনোমের উপর তৈরি করা। @হাসিব মাহমুদ।


হাসতে হাসতে চিয়ার থাইকা পইড়া গেলাম । ভাইরে বেহুদা গিয়ান ফলাইতে চাইলেও আগে নুন্যতম একতু জানা লাগে , জিনোম জিনিসটা কি বা কার্নেল কাকে বলে আগে একতু জানুন পরে গিয়ান ফলায়েন

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: জিনিষটা আমার জানা দরকার। ড্রিমক্যাচার একটু খোলাসা করবেন আশা করি।

৮. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৬
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: জানিয়া বলা ভালো ও নিরাপদ @ রোকন ।

গন্ডু ঠিকই কইছো । কেডিই সুযেতে স্টেবল । কুবুন্টুতে এইটা পাতে দেবার যোগ্য না । খুব বেসিক কিছু সমস্যা আছে যেইটা আসলেই বিরক্তিকর । ডেক্সটপ ফ্রিজ করানো ১০ সেকেন্ডের মামলা । সেইটা ৩.৫ বা ৪+ যাই হোক না কেন ।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: হুমম!!

৯. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩১
comment by: রোকন বলেছেন: নারে ভাই। জ্ঞান ফলাবার যায়গা এইটা না। তবে ভদ্র এবং সুন্দর ভাষায়ও জ্ঞান দেয়া যায় এইটুকু অন্তত জানি। ভুল মানুষেরই হয়। সেটা শুধরে দেয়ার অনেক সুন্দর সুন্দর রাস্তা আছে। কেউ যদি ভুল করে সেটা দেখে টিটকারী মারাটা জ্ঞানীর লক্ষন না। আপনি মনে হচ্ছে অনেক বড় লিনাক্স গুরু। আমি সবে মাত্র শুরু করেছি। এটা আমার ফিল্ড না। আমি যা পড়ি এবং দেখি সেটা দিয়েই নিজেকে এবং অন্যকে সাহায্য করার চেষ্টা করি। আমার কোন দরকার পড়েনি কে একজন লিনাক্স নিয়ে সমস্যায় পড়েছে তার প্রশ্নের উত্তর দেয়ার। জ্ঞান জিনিসটা একজন থেকে আরেকজনের কাছে পাস করতে হয়। এর মধ্যে ভুল ত্রুটি অবশ্যই থাকবে। যারা এব্যাপারে অগ্রজ এবং জানেন, তাদের দায়িত্ব হলো তারা সেসব শুধরে দেবে। আমার পোস্টে গেলেই দেখবেন কতোজন আমাকে সাহায্য করেছে। ওপেনসোর্স মুভমেন্টের মুল ভিত্তিটাই এখানে।

আপনি যদি প্রফেশনাল হয়ে থাকেন অবশ্যই বুঝেছেন আমি কি বুঝাতে চেয়েছি। টার্মিনোলজিতে হয়তো ভুল হয়েছে। কিন্তু যদি জানেন কি বুঝাতে চেয়েছি এবং কি ভুল করেছি, সেটার শুদ্ধ টার্মিনোলজিটা কি হবে সেটা আন্তরিকভাবে আপনার কাছ থেকে জানতে চাই। শিখতে আমার কখনোই আপত্তি নেই-সেটা যার কাছ থেকেই হোকনা কেনো!
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৫৩

লেখক বলেছেন: হুমম!

১০. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৮
comment by: ড্রিমক্যাচার বলেছেন: @ রোকন
ঠিকাছে, ব্যাপারনা

gnome হইলো একতা graphical user interface , কার্নেল সম্পুর্ন আলাদ ভিন্ন একটা জিনিস

১১. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪২
comment by: ড্রিমক্যাচার বলেছেন: লেখক বলেছেন: জয় বাবা উবুন্টু!!!
"kde 3.5.x সিরিজ বেশ ভালো 4.x সিরিজটা একনও স্টেবল না "
মাথার উপর দিয়া গেল। হার্ডি হেরন কোন কার্নেলের?


kde আর gnome হল graphical user interface আর কার্নেল সম্পুর্ন আলাদ ভিন্ন একটা জিনিস , kde বা gnome কার্নেল এর উপর বা সাথে কাজ করে

হার্ডি হেরনে kde 3.5.x ইউজ করা হয়েছে আর কার্নেল নামবার হইল ২.২৬.৪
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৫৪

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে!

১২. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৫
comment by: আশাবাদী!! বলেছেন: @নরকের পাপী সহজ ভাবে ডেস্কটপ এনভায়ারমেন্টকে ধরে নিন থিমের মতো (উইন্ডোজে থিম যেরকম পরিবর্তন করা যায়)। তবে লিনাক্সে ডেস্কটপ এনভায়ার্মেন্ট পরিবর্তনের সাথে সাথে কিছু কিছু এপ্লিকেশন ও কাজের ধরন পরিবেশ পরিবর্তন হয়।

আমার স্বল্প জ্ঞানে যা বুঝেছি, তা হচ্ছে একদম মূলে কার্ণেল, এরপর এক্সসার্ভার এরপর ডেস্কটপ এনভায়ারমেন্ট (নোম-জিটিকে, কেডিই-কিউটি ইত্যাদি) এরউপর অন্যান্য এপ্লিকেশন কাজ করে।

কার্ণেল অনেকটা মাটির মতো, মাটির উপর বাড়ি সেটা কাঁচা না পাকা (ডেস্কটপ এনভায়ার্মেন্ট) বাড়িটা সুন্দর না বাজে
এপ্লিকেশন আপনার জিনিসপত্র
(হাসিব/ড্রিমক্যাচার ভাই ভুল হলে ঠিক করুন।)

আর কেডিই ৩.৫ ক্র্যাশ করে কিছুক্ষণ পরপর এটার সাথে আমি একমত হতে পারলাম না। আমি অনেকদিন ধরে কেডিই ব্যবহার করে আসছি কোন সমস্যা ছাড়া। (তবে কেডিই ৪ অনেক বাগি, ক্র্যাশ করে মারাত্বক, কেডিই ৪.১ তাও কিছুটা জাতে এসেছে)

২)
উবুন্টুর বিভিন্ন ভার্সন যেমন - kubuntu, gobuntu, edubuntu এই ভার্সনগুলোর মদ্ধে মূল উবুন্টুর সাথে তফাতটা কি?

এই প্রশ্নের উত্তর কেবল ডেস্কটপ এনভায়ারমেন্ট নয়। জুবুন্টু, কুবুন্টু ও উবুন্টু কেবল ডেস্কটপ এনভায়ারমেন্টের উপর ভিত্তি করে পার্থক্য নির্নয় করা হলেও, বাকিগুলোর ক্ষেত্রে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।

স্টুডিওবুন্টু হচ্ছে স্টুডিও ভার্সন যাতে মাল্টিমিডিয়ার এপ্লিকেশন দেয়া বাই ডিফল্ট।

এডুবুন্টু তৈরি করা হয়েছে বাচ্চাদের স্কুলে ব্যবহার করার জন্য।

গোবুন্টু আসলে ডেড প্রজেক্ট (আক্ষরিক অর্থেই) এটা তৈরি করা হচ্ছিলো ক্লোস্ড সোর্স ও প্রোপ্রাইটরি এপ্লিকেশন ছাড়া ডিস্ট্রো যাতে সবাই ব্যবহার করতে পারে।

কুবুন্টু ব্যবহার করতে মানা করার কোন কারন নেই আমি নিজে কুবুন্টু ব্যবহার করছি বেশ কিছুদিন ধরে।

উবুন্টু ব্যবহার করবেন না কুবুন্টু ব্যবহার করবেন তা পছন্দের উপর।

উবুন্টুর (প্রকারান্তরে নোমের) এনভায়ার্মেন্ট, অনেক সুন্দর লাগে আমার কাছে কিন্তু ডিফল্ট এপ্লিকেশনগুলো আমার কাছে বাজে লেগেছে।

অন্যদিকে কুবুন্টুর এনভায়ার্মেন্ট দুইচক্ষে দেখতে না পারলেও (উইন্ডোজের মতো বলে) কেডিই এপ্লিকেশনগুলো মারাত্মক ভালো বলে কুবুন্টু ব্যবহার করছি।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৫৭

লেখক বলেছেন: অনেক তথ্য! দ্বিধায় পড়ে গেলাম। আবারও।

১৩. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৩১
comment by: রোকন বলেছেন: ইনফ্যাক্ট ম্যাক সিস্টেমের কার্নেল (অপর নাম ডারউইন) জিনোমের উপর তৈরি করা।........... "উপর" শব্দটা ব্যাবহার না করে যদি "আদলে" করতাম তাহলে বোধহয় শুদ্ধ হতো!
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:২৯

লেখক বলেছেন: হুমম!

১৪. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:০২
comment by: নরকের পাপী বলেছেন: উবুন্টুর জন্য EXT2 পার্টিশন সাইজ কতো হলে ভালো হয়? ইনস্টল করার পর খালি জায়গা পড়ে থাকলে মনে খচখচানি শুরু হবে। আপনারাতো ইনস্টল করেছেন। আশা করি সাহায্য করবেন।
১৫. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:১৬
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: এক্সটি৩ করি আমি । কোনটা করলে ভালো সেইটা চিন্তা করি নাই কখনো । ১০গিগা জায়গা নিয়ে কৈরেন । আর রেমের সাইজ বুইজ্জা সোয়াপ ।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৪২

লেখক বলেছেন: ১০ গিগা জায়গা?? ইন্নালিল্লাহ!! আমার মতো কিপ্টার লাইগা ১০ গিগাতো বিশাল ব্যাপার! (আসলে হার্ডডিস্ক এ খালি স্পেস খুব একটা নাই)

১৬. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৯
comment by: শয়তান বলেছেন: উবুন্তুর সিডিগুলা তো লাইভ সিডি । ইন্সটলের দর্কার কি ?
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১০

লেখক বলেছেন: আরেকটু ক্লিয়ার করেন ভাই। সিডি থেকে চালানোর পদ্ধতিটা বলে দিলে ভালো হয়।

১৭. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৮
comment by: আশাবাদী!! বলেছেন: হুমম উবুন্টুর জন্য নূন্যতম জায়গা লাগবে ২ গিগা (থিওরিটিকালি) কিন্তু অন্য সকল এপ্লিকেশন আপডেট সবমিলায় রয়ে সয়ে ৮ গিগা রাখাই ভালো

এক্সটি৩ করা ভালো আবার জেএফএস করলেও সমস্যা নেই (অনেকেই বলে থাকেন জেএফএস তুলনামূলকভাবে দ্রুত কাজ করে, যদিও বিতর্ক ও প্রমাণের বিষয়)

@শয়তান লাইভ সিডি হলে কখনও ইনস্টলের প্রয়োজন পরবে না এমন কথার মানে তো বুঝলাম না। লাইভ সিডির লিমিটেশন অনেক আছে সেটা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন।

@নরকের পাপী লাইভ সিডি মানে হচ্ছে আপনি উবুন্টু সিডি থেকে বুট করে আপনার কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারবেন ভার্চুয়াল মেশিনের মতো। কোন সেটিংস আপনার কম্পিউটারে থাকবে না সিডি বের করার সাথে সাথে আগের মতো সব থাকবে।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪২

লেখক বলেছেন: আশবাদী আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ! অনেক আশাবাদী করে তুললেন লিনাক্সের ব্যপারে। লাইভ সিডির ব্যপারটা নেট ঘেঁটে জেনে নিয়েছি। আর জ়েএফএস এর ব্যপারে নিচে কিছু কনক্লুশন (বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল, সূত্র সমেত) তুলে ধরলামঃ
Conclusion : To use the maximum of your partition capacity, choose ReiserFS, JFS or XFS

Conclusion : For quick FS creation and mounting/unmounting, choose JFS or XFS

Conclusion : For quick operations on large files, choose JFS or XFS. If you need to minimize CPU usage, prefer JFS.

Conclusion : For quick operations on large file tree, choose Ext3 or XFS. Benchmarks from other authors have supported the use of ReiserFS for operations on large number of small files. However, the present results on a tree comprising thousands of files of various size (10KB to 5MB) suggest than Ext3 or XFS may be more appropriate for real-world file server operations. Even if JFS minimize CPU usage, it should be noted that this FS comes with significantly higher latency for large file tree operations.

Conclusion : Results suggest that, for these tasks, filesystems can be regrouped as (a) quick and more CPU-intensive (ReiserFS and XFS) or (b) slower but less CPU-intensive (ext3 and JFS). XFS appears as a good compromise, with relatively quick results, moderate usage of CPU and acceptable rate of page faults.
OVERALL CONCLUSION
* It uses the maximum capacity of your server hard disk(s)
* It is the quickest FS to create, mount and unmount
* It is the quickest FS for operations on large files (>500MB)
* This FS gets a good second place for operations on a large number of small to moderate-size files and directories
* It constitutes a good CPU vs time compromise for large directory listing or file search
* It is not the least CPU demanding FS but its use of system ressources is quite acceptable for older generation hardware

সূত্রঃ Click This Link

নেট থেকে যা জানলাম, তাতে বুঝতে পারলাম যে পার্টিশন সাইজ কম হলে JFS File system ভালো কাজ করে / সাপোর্ট করতে পারে। আমার পার্টিশন সাইজ যদি ৭ গিগা হয় (তার মধ্যে ১ গিগা থাকবে সোয়াপ, আমার র‌্যাম সাইজও ১ গিগা), তাহলে কি JFS File system সাপোর্ট করবে কিনা?

১৮. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩২
comment by: আশাবাদী!! বলেছেন: ওহহ ভালো কথা। হোম ডাইরেক্টরি (মানে ডকুমেন্টস ডাইরেক্টরি) আলাদা করে নেয়াই ভালো। অনেক নিশ্চিন্তে থাকা যায়।

উবুন্টুর উপর আরো কিছু লেখা পাবেন উবুন্টু বাংলাদেশ সাইটে। http://ubuntu-bd.org/
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৪

লেখক বলেছেন: অনেক তথ্য পেলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ!! সবার কাছ থেকে এতটা সাপোর্ট পাবো ভাবিনি!

১৯. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০০
comment by: নরকের পাপী বলেছেন: সরি একটা প্রশ্ন করতে ভুলে গেছি, হোম ডিরেক্টরির জন্য কি আলাদা পার্টিশন করতে হবে? পার্টিশন সাইজ কত হলে ভাল?
২০. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০৭
comment by: আশাবাদী!! বলেছেন: হোম ডাইরেক্টরি করা ঐচ্ছিক, রুট (সিস্টেম) পার্টিশন থেকে হোম ডাইরেক্টরি আলাদা রাখা সবসময়ই শ্রেয়। কোন কারনে সিস্টেম নতুন করে কনফিগার করতে হলে বা রিইনস্টল করতে হলে তথ্য সুরক্ষিত থাকে।
হোম ডাইরেক্টরির জন্য আলাদা পার্টিশন করতে চাইলে মাউন্ট অপশনের জায়গায় /home নির্বাচন করে দিলেই হবে। হোম ডাইরেক্টরি হচ্ছে আপনার ব্যক্তিগত ফাইলের আধার, অর্থাৎ আপনিই ভালো জানবেন কতো বড় হলে আপনার সুবিধা হবে। আমার সব ডকুমেন্টস ১ গিগা নেয় (আমি ছোট ১ গিগার একটি পেনড্রাইভে ব্যাকআপ রাখি) অনেকের তো দেখি ১০ গিগাতেও ডকুমেন্টস শেষ হয় না (যেমন আমার বোন ছবি আর গানের কালেকশনে ভরা)
০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:২৯

লেখক বলেছেন: হুম!! অনেক তথ্য ধন্যবাদ! আমি হোম ডিরেক্টরি ৫০০ মেগাবাইট করবো ভাবছি। কারন আমার সব ফাইল উইন্ডোজের পার্টিশনে থাকবে।

২১. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫১
comment by: পুসকি বলেছেন: আমি প্রথম ভাবলাম... উবুল্টু কুবুল্টু দুই ভাই........তার কাহিনী:|

বিশেষ জ্ঞান সমৃদ্ধ পোস্ট.........:)
০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:০৯

লেখক বলেছেন: হা হা হা...! হা হা চে প গে!! পুসকিরে...!

২২. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:১০
comment by: আশাবাদী!! বলেছেন: দুই ভাই বলার বদলে বলা দরকার দুই সতীন :P দুইজনেই নিজেদের দিকে ব্যবহারকারী টানার চেষ্টা করে

হা হা হা
০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: হাচা কতা।

২৩. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৫৬
comment by: রবিন৭৫৭ বলেছেন: অনেক কিছু শিখলাম
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৫২

লেখক বলেছেন: আহা!!

 



 


"In this arid wilderness of steel and stone I raise up my voice that you may hear. To the East...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৬৮৯০