somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আওয়ামীলীগ থেকেই প্রথম শুরু হয় বাকশালী প্রতিবাদ। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৪ সালের চেপে যাওয়া ইতিহাস।

০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ২:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছিঃ আপনাদের।

কিসের ব্লগার আপনারা? কেন বুজছেন না এই ফ্যাসিষ্ট সরকার তার ক্ষমতায় থাকার জন্য মানুষ হত্যার রাজনীতি বেঁচে নিয়েছে।

আপনাদের বিবেক কেঁদে ওঠে রাসেলের ছবি দেখে আর ত্বকির ছিবি দেখলে আপ্নারা বলেন এক দূঃশ্চরিত্র। ছিঃ! যদিও ত্বকির বাবা আওয়ামীলীগের কর্মী

কিভাবে আপনাদের বুজাবো আর এই সরকার ক্ষমতার লোভে অন্ধ হয়ে গেছে। পাখির মত হাজার হাজার মানুষ মারবে। রাজশাহী উজার করে দেবার হুকুম হয়ে গেছে। আপনারা কি দেখেন না।

ক্লিক লিঙ্ক

বাকশালী গনতন্ত্রের আওয়াজ এসে গেছে আপনারা কি অন্ধ।

ক্লিক লিঙ্ক।

স্বার্থের কারনে লোকমান হত্যার বিচার হয়না কিভাবে আপনি আশা করেন এরা ’৭১ এর গনহত্যার বিচার করবে?

কোথায় আপনাদের বিবেক সাগর রুনি হত্যার? মেঘের কান্না কি এতটুকু আপনাদের স্পর্শ করেনা?

আর কত হত্যা জায়েজ হবে এই যুদ্ধাপরাধী বিচারের নাম করে।

মনে রাখবেন আজ হয়ত আপনি বা আপনার ভাই নিরাপদ কিন্তু কালকে কি হবে আপনি জানেন?

কেন এদের ক্ষমতায় তায় রাখার জন্য আপনাদের এত কি বোর্ড টেপাটেপি?

কেন তত্ত্বাবধায়ক নিয়ে আপনাদের এত অভিযোগ? তত্বাবধায়কে যদি আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসে আমি খুশী মনে মেনে নিব। তারপরো কেন আপনি এটার বিরোধিতা করেন?

প্রিয় প্রধানমন্ত্রী আবারো অনুরোধ করছি সংসদ ডেকে আইন করে জামাত নিষিদ্ধ করুন যুদ্ধাপরাধী বিচার করুন। সাথে আছি কিন্তু অহেতুক জীবন নাশ করবেন না। আপনার পায়ে পড়ি।

বিবেক কে মুক্ত করুন।

চলুন মূল পোষ্টে

আজকে যারা ৫০-৫৫ বছর বয়স তাদের একবার জিজ্ঞাস করুন তো তাদের জীবনের সব চেয়ে দূঃসময় কোনটা নির্দিধায় উত্তর পাবেন ১৯৭৪ সালের গ্রীস্ম থেকে শরৎ কালটা।

কেন আবার ওই সময় আওয়ামী দূঃশাষনের কারনে দেশে নেমে আসে ভয়াবহ দূর্ভিক্ষ। আমদানী আর বিতরন প্রক্রিয়ার প্রত্যেকটি স্তরে দূর্নিতী, কালোবাজারী, স্বজনপ্রিতী, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ভারতে চোরাচালানীর কারনে মানূষখেকো বাঘের মত সারা দেশে দূঃর্ভিক্ষ দাপিয়ে বেড়াতে শুরু করল। মানূষ মারা যেতে লাগল মশা মাছির মত।

সরকারী দূর্নিতীর মাধ্যমে দেশের খাদ্যদ্রব্য আর পাট ভারতে পাচার করন ভয়াবহ আকার ধারন করে। সেই সময়ের এক সরকারী হিসাবে দেখা যায় দেশ স্বাধীন হবার প্রায় সাড়ে তিন বছরে দেশের সীমান্ত দিয়ে কমপক্ষে ছয় হাজার কোটি মূল্যের পন্য সামগ্রী ভারতে পাচার হয়েছিল।

চোরাচালানীকৃত ছয় হাজার কোটি টাকার সাথে অবশ্যই বৈদেশিক মুদ্রায় কালোবাজারের মাধ্যমে দেশের বাইরে চলে যাওয়া বিরাট অংকের টাকা এবং চাল, চিনি, সিমেন্ট অন্যান্য দ্রব্যর বড় বড় কেনাকাটার কমিশনের টাকাও যোগ দিতে হবে। সে হিসাবে সংখ্যাটা দ্বিগুন হওয়াই স্বাভাবিক।

শেখ মুজিবের ব্যাক্তিত্বহীন চাটুকারের অভাব ছিল না। এর মধ্যে প্রধান ছিল তোফায়েল আহাম্মেদ আর শেখ মনি। তথ্য মন্ত্রনালয়ে ছিল তাহের উদ্দীন ঠাকুর। ইতিহাস সাক্ষী এই ঠাকুর কি করেছিল।

তারিখ ১৭ ই সেপ্টেম্বর ১৯৭২ সাল। স্থান ঢাকার পল্টন ময়দান

শেখ মুজিব প্রধানমন্ত্রী হবার মাত্র ৮ মাস। লক্ষাধিক লোকের সমাবেশ।

অভিযোগঃ স্বাধীনতার পূর্বে প্রদত্ত প্রতিশ্রিতি পালনে ব্যার্থতা।

অভিযোগ কারীদের নেতাঃ ছাত্রনেতা, প্রাক্তন মুক্তিসেনা, শেখ মুজিবের সবচেয়ে বিশ্বস্ত একজন আ স ম আব্দুর রব।

জনতার উদ্দশ্যে রব বলেন,

দেশের স্বাধীনতার পর একটি লোক ও না খেয়ে মারা যাবে না ব লে শেখ মুজিব আশা দিয়েছিলেন। আজ না খেতে পেয়ে প্রচুর লোক মারা যাচ্ছে।

ঐ অভিযোগ গুলোর প্রধান প্রধান বিষয় বস্তু ছিল খাদ্যদ্রব্য সহ অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের দাম জনগনের ধরা ছোয়ার বাইরে, চারদিকে কেবল ঘাটতি, বাজার সুবিধাবাদীদের হাতে, স্বজন প্রীতি, সরকারী কর্মচারীদের দূর্নীতি, বেকারত্বের পাহাড়, গুম ধরপাকড়, পুলিশের অত্যাচার, দায়িত্বহীন সরকার, সংবাদ পত্রের মুখবন্ধ ইত্যাদি।

রব আরো বলেন,

আওয়ামীলীগরা পাকিস্তানীদের থেকে অনেক বেশী জঘন্য আর দূর্নিতীগ্রস্থ

মুজিবের উদ্দেশ্যে রব বলেন, আপনি আমাদের বেপরোয়া ধরপাকড় করছেন আর উৎপীড়নের সমস্ত যন্ত্রপাতি আমাদের বিরুদ্ধে ব্যাবহার করছেন। আপনি আপনার বক্তৃতায় অস্ত্রের কথা বলেছেন। আপনি কি কোন দিন বন্ধুক চালিয়ে দেখেছেন? আমরা জানি সত্যিকার অস্ত্র কি ভাবে চালাতে হয়’। (এন্থনী মাসকারেনহাসঃ এ লিগ্যাসী অভ ব্লাড)

লক্ষ্যকন্ঠের সমর্থনে রব আরো বলেন, ‘সেনাবাহিনী জনগনের ওপর গুলি চালাবে না। কিন্তু আপনি যদি তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন, তাহলে তারা আপনার আর আপানার শাষক গোষ্ঠির বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহন করবে।

বাস্তবতার চাকা ঘুরে গেল। যে মুজিব আঠারো মাস আগে পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে যে হুশিয়ারী দিয়েছিল তা তার দিকে বুমেরাং হয়ে আসল।

নিজের ওপর থেকে সকল দোষ সহচরদের ওপর ঠেলে দিলেন মুজিব। প্রথমবারের মত পার্টির ওপর চড়াও হলেন নিজের দোষ ঢাকতে। চোরাকারবার, স্বজনপ্রীতি আর দূর্নিতীর অভিযোগে ১৯ জন বরখাস্ত হল।

লোকজন হল আশান্বিত। কিন্তু এযে লোক দেখানো। মুজিব তলে তলে আরো ভয়ংকর হয়ে উঠছিলো।

তিনি একের পর এক এক জনগনের মৌলিক অধিকার সমূহ খর্ব করতে শুরু করলেন। সাংবিধানিক নিয়ম কানুন, আইনের শাষন, বাকস্বাধীনতা্ মতামতের অধিকার, সুযোগের সমতা, ইত্যাদি সব বিলুপ্ত হল। কায়েম হল দূঃশাষনেরর পরাকাষ্ঠা।

শেখ মুজিব যুদ্ধের ফলশ্রুতি বলে পরিস্থিতি ধামাচাপা দিতে চাইলেন। কিন্তু ব্যাবসায়ীদের কারসাজিতে তেল, নু্ন, সাবান থেকে শুরু করে সকল নিত্য ব্যাবহার্য জিনিসপত্রের দাম কেন সাধারনের নাগালের বাইরে? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে মানব দেবতা অপারাগ ছিলেন।

সাথে থাকুন। পরের পর্বে আরো চমক

সর্বশেষ এডিট : ০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:০৯
১৫টি মন্তব্য ১৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×