রমজান হচ্ছে সংযমের মাস। আর এ মাসে এক হাফেজের কাণ্ড দেখে হতবাক মাদারীপুরের মাদ্রা হোগলপাতিয়া গ্রামের সর্বস্তরের মানুষ। হোগলপাতিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার হাফেজ মাওলানা আব্বাস আলী জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে ওই মাদ্রাসার ১১ বছরের এক ছাত্রীকে। ওই মাদ্রাসার একটি কক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
ধর্ষিতা ও তার পিতা রবিউল ইসলাম শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেন, ছুটি শেষে বৃহস্পতিবার মাদ্রাসার একমাত্র হাফেজ মো. আব্বাস আলী তাকে ছুটির পর কথা আছে বলে অবস্থান করতে বলেন। হাফেজ সাহেবের কথামতো সহপাঠিরা চলে গেলেও ওই মেয়েটি মাদ্রাসায় থেকে যায়। পরে একটি রুমে নিয়ে হাফেজ আব্বাস আলী তার মুখ গামছায় বেধে ধর্ষণ করে। পরে সে মেয়েটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিষয়টি কারো কাছে প্রকাশ না করার জন্য সাবধান করে দেন। ধর্ষিতা এ ঘটনার পর বাড়ি গিয়ে অসুস্থ হয়ে পরলেও সে তার মা-বাবার কাছে বিষয়টি প্রকাশ না করে চেপে যেতে চেষ্টা করে।
কিন্তু এক সময় সে আরো বেশি অসুস্থ হয়ে পরলে বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে তাকে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বলে সে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। পরে সে হাফেজ হুজুরের অপকর্মের কথা স্বীকার করে ঘটনার উল্লেখিত বর্ণনা দেয়। পরবর্তীতে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সেখানকার চিকিৎসক জানায়, বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ কারণে তার ক্ষতস্থানে ৫/৬টি স্টিজ (সেলাই) দিতে হয়েছে। ঝাউদি ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হেসেন হাওলাদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনার পরপরই হাফেজ আব্বাস আলী পালিয়ে গেছে। ওই হাফেজের বাড়ি বরিশালের মেহেদীগঞ্জে বলে তার ফেলে যাওয়া জাতীয় পরিচয়পত্রে উল্লেখ রয়েছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



