.... তবুও আমি স্বপ্ন দেখি ... (স্বপ্ন, বাস্তব এবং ব্লগের সর্বস্বত্ব ব্লগার কতৃক সংরক্ষিত)

মিনি স্কার্ট, হিজাব এবং এক অর্বাচিনের ব্যক্তিগত ভাবনা

০৯ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

ট্রিনিটিতে আমি মুগ্ধ হয়েছিলাম প্রথমত ক্যাম্পাস দেখে, সম্ভবত সবাই হয় তা না হলে বছরে দশ লক্ষের উপরে পর্যটক একটা বিশ্ববিদ্যালয় দেখতে আসতো না এবং দ্বিতীয়ত ট্রিনিটির মেয়েদের দেখে। এরকম বেহায়ার মত একটা স্বীকারোক্তি কিছুটা চরিত্রহীনের মত শোনায় বটে, তবে সততার সাথে বলছি, আমি সত্যই তাদের দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম। নজরুলের লেখা জীবনের প্রথম প্রবন্ধ ছিল "তুর্কি মেয়ের ঘোমটা খোলা" যেখানে নজরুল তুরষ্কের মেয়েদের রুপের অগুনের তিব্রতা বর্ননা করেছিল। সেটা যেহেতু চরিত্রহীনতার দায়ে অক্রান্ত হয়নি, অতএব আমার এই ছেলেমানুষী ব্লগটাও সেই দোষে দোষী হবে না আশা করছি।

মূল প্রসঙ্গ থেকে সরে গিয়েছি অনেকটা। ফিরে আসার চেষ্টা করা যাক। ট্রিনিটির মেয়েদের কথা বলছিলাম। আসলে ট্রিনিটির মেয়ে বললে ভুল বলা হবে বরং আইরিশ মেয়ে বলাই ভালো, আরও ভালো যাদি বলা হয় ব্ল্যাক আইরিশ। ইউরোপের মেয়েদের দেখলে প্রথম আমার যে অনুভুতিটা কাজ করে সেটা হলো - লিলিপুটের দেশে গালিভার যাবার পরিবর্তে, গালিভারের দেশে লিলিপুট চলে এসেছে। এমনিতেই আমি যথেষ্ট খাটো তার উপর ছয় ফুটের উপরে যাদের উচ্চতা তাদের দেখলে এরকম অনুভুতি না আসাটাই সম্ভবত অস্বাভাবিক। কিন্তু আয়ারল্যান্ড যেন এর ব্যতিক্রম। আইরিশ মেয়েরা বাঙালী মেয়েদের মতই খাটো এবং বেশ স্লিম। তার উপর তাদের কালো চুল আর কালো ভ্রু যেন ফর্সা মুখে অপূর্ব এক কালো - সাদার কম্পোজিশন। বলাইবাহুল্য তাদের এই ব্যতিক্রমী কালো চুলের জন্য তারা পৃথিবী বিখ্যাত এবং ব্ল্যাক আইরিশ শব্দের উৎপত্তিও এ কারনেই। আয়ারল্যান্ড দ্বীপ ছেড়ে ৪৫ মিনিটের একটা ছোট্ট ফেরী ভ্রমন শেষে যদি পাশের গ্রেট ব্রিটেন দ্বীপে যাওয়া হয় তাহলেই সব যেন আকাশ পাতাল মনে হবে। ছয় ফুট লম্বা এবং ক্ষেত্রবিশেষে সেরকমই চওড়া ব্রিটিশ মেয়েদের দেখলে দ্বিতীয়বার আর তাকাতে ইচ্ছে করবে না। যেহেতু আমি ট্রিনিটির ছাত্র, তাই আইরিশ মেয়ে দেখার যেটুকু সুযোগ হয় তার প্রায় সবই ট্রিনিটির মেয়ে, তাই তাদের সে নামেই ডাকছি এই ব্লগে।

এই ট্রিনিটির মেয়েদের আরেক বিশেষত্ব হচ্ছে তাদের মিনি স্কার্টগুলো, যেগুলোকে মিনি কেন বলা হয় এবং মাইক্রো কেন বলা হয় না, এটা আইরিশ পার্লামেন্টে যদি সাধারন প্রশ্ন হিসেবে উত্থাপিত হয়, তবে আমার মতে সেটা যৌক্তিকই হবে। একটা ছোট্ট উদাহরন দিচ্ছি। স্টুডেন্ট ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ইলেকশনের সময় এক প্রার্থী তার সমর্থকদের জন্য বিশেষ টি-শার্ট বানিয়ে ছিল যেটা পড়ে ছেলে-মেয়েরা রাস্তায় প্রচারনা করছিল। তাদের মাঝে একটা মেয়ে ছিল যে মিনি স্কার্ট (আপাতত, একটু পরে একে মাইক্রো বলে আপনিও স্বীকার করবেন) পরে ছিল। মেয়েটা তার টপস্ এর উপরে টি-শার্টটা পড়লো এবং সাথে সাথে তার মিনি স্কার্টটা গায়েব হয়ে গেল। যাদু দেখাতে যে সব সময় ডেভিড কপারফিল্ড হতে হয় না, তারই যেন এক প্রমান! বুদ্ধিমান পাঠকের সেই মেয়ের মিনি স্কার্টের দৈঘ্য কল্পনা করে নিতে আর অসুবিধা হবার কথা নয়। এতো শুধু এটা বিচ্ছিন্ন উদাহরন। এরকম শতশত উদাহরন প্রতিদিন চোখের সামনে ঘোরাঘোরি করছে। তার উপর সামার আগত। পরওয়ারদিগারই ভালো বলতে পারবেন আদৌ এই বস্তু তাদের শরীরে থাকবে কিনা মে মাসে।

মুদ্রার উল্টা পিঠের মত সব কিছুরই একটা দ্বিতীয় রুপ থাকে এবং ট্রিনিটিও এর ব্যতিক্রম নয়। যেহেতু আয়ারল্যান্ড এখন একটা কসমোপলিটন রাষ্ট্রে পরিনত হয়েছে, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষের অপূর্ব মিলন মেলা দেখতে পাওয়া যায় এখানে। ট্রিনিটি এদের প্রধান বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ায়, বিভিন্ন সমাজের ছেলে-মেয়েরা পড়তে আসে; মুসলিম মেয়েরাও। মিনি স্কার্ট দেখার পর যখন মুসলিম মেয়েদের দেখি তখন কেমন যেন একটু অদ্ভুত লাগে। এক দিকে শরীরের ক্ষুদ্র দুটি অংশকে ঢেকে রেখে (তাও না ঢাকার মতই) অন্য অংশগুলো কত ভাবে উন্মুক্ত করা যায় তার প্রতিযোগিতা, অন্য দিকে এই মুসলিম মেয়েদের ভদ্র এবং শালিন পোশাক যেন চুম্বকের দুই মেরুর কথা মনে করিয়ে দেয়।

গতকাল এক মেয়েকে দেখলাম জিন্স এবং একটা বড় টপস পড়েছে। বুঝতে অসুবিধা হয় না টপস-এর দৈঘ্য ইচ্ছে করেই একটু বড় রাখা হয়েছে এবং সেটা কেন। উপরে সুন্দর করে হিজাব পড়ায় দেখতে বেশ ভালোই লাগছিল। সাথে সাথে মনে হলো, আচ্ছা, ফ্যাশন সচেতন হওয়া মানে কি কেবল কাপড় কমানো? তাতো নয়। এই মেয়েকে দেখেতো বেশ ভালোই লাগলো। কিন্তু সেতো সেই মিনি স্কার্ট আর সি-থ্রু টপস পড়েনি। আজ একটু আগে কোন এক রিসার্চগ্রুপ থেকে বের হয়ে সিড়ি দিয়ে নামতে দেখলাম আরেকটা মুসলিম মেয়েকে। জিন্স আর বেশ লম্বা, হাটুর নীচ পর্যন্ত নেমে যাওয়া, একটা চমৎকার গাউন পড়া মেয়ে। সত্য কথা বলতে, মিনি স্কার্টের থেকেতো আমার একেই বেশি ভালো লাগলো।

অর্বাচিনের ভাবনার শেষ থাকে না। আমারও নেই। মাঝেমাঝে ভাবি যদি একবার আইরিশ মেয়েদের সুন্দর ভাবে, হিজাব পড়ানোর দরকার নেই, অন্তত ভদ্র এবং মার্জিত ভাবে সাজানো যেত, তবে কি নজরুল আরেকবার লিখতো না - "আইরিশ মেয়ের ঘোমটা খোলা"? সম্ভবত লিখতো।

৩ এপ্রিল ২০০৮

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ট্রিনিটিআয়ারল্যান্ডব্ল্যাক আইরিশ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ভাবনা  বিভাগে ।

 

  • ৭৩ টি মন্তব্য
  • ৬৩২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২৬ জনের ভাল লেগেছে, ৬ জনের ভাল লাগেনি
১. ১০ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৬
comment by: ~টক্স~ বলেছেন: খুব মজার লেখা।
ভাল লেগেছে পড়ে।
প্লাস দিলাম।
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫৬

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

২. ১০ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৫
comment by: কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: সুন্দর লেখার জন্য +
সুন্দর শালীন পোষাকে সবাইকে সুন্দর দেখায় - আর মাথার স্কার্ফ সেই সৌন্দর্যে একটা শুভ্রতা যোগ করে। শুধুমাত্র ইসলাম বিদ্বেষীরাই হিজাবের বিরুদ্ধে কথা বলে।
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫৬

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩. ১০ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৫
comment by: লংকার রাজা বলেছেন: সরি,প্লাস দিতে গিয়ে মাইনাস দিয়ে ফেললাম।/:)
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫৭

লেখক বলেছেন: ব্যাপার না। প্লাস-মাইনাসে কিছু যায় আসে না। আপনার ভালো লাগলেই আমার লেখার কষ্ট সার্থক। শুভেচ্ছা রইলো।

৪. ১০ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৪
comment by: নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী বলেছেন: এই লেখাটায় আমি প্রকৃতপক্ষে কোন ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে না তাকিয়ে একজন নিরপেক্ষ দর্শক হিসেবে দেখার চেষ্টা করেছি এবং আমি দেখেছি সুন্দর এবং মার্জিত পোশাক সবসময় সৌন্দর্যকে আরও বিকশিত করে।

সবাইকে সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
৫. ১০ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৭
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

আপনার লেখার হাত খুবই ভালো । ঝরঝরে ।
১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:১০

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ। আশা করছি আমার পরবর্তি ব্লগপোস্টগুলোও আপনার ভালো লাগবে।

৬. ১০ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৭
comment by: করবো জয় বলেছেন: পিলাস দিলাম ভাই
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫৮

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৭. ১০ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১২
comment by: রেটিং বলেছেন: অনেক ভাল লেগেছে লেখাটা। প্লাস
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ।

৮. ১০ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৩
comment by: ফিরোজ আহমেড বলেছেন: এ মানবজীবনযাত্রা বোধহয় 'ট্রায়াল এন্ড এরর প্রসেস' দিয়েই শুধু চলে না বরং 'ফরোয়ার্ড এন্ড ব্যাক' বিষয়টিও সেখানে এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। পোস্ট পড়ে খুবই ভাল লাগল। চকিতে আমার ভাবনার জগতে এক আলোর ঝলকানি ছড়িয়ে গেল। জঙ্গলবাসী মানুষ সভ্যতা নির্মাণের জন্য 'ট্রায়াল এন্ড এরর' প্রসেস চালিয়ে যাচ্ছে। তাপ আর বৃস্টি থেকে গায়ের চামড়া বাঁচাতে কাপড় পরেছে। তাছাড়া ন্যাংটা থাকাটা সভ্যতা নয় মনে করেই সে গায়ের কাপড়কে আরও আপন করে নিয়েছে। এরই মাঝে সে আবার ক্লান্ত হয়েই হোক আর পুরাতন অভ্যাসের কথা মনে করেই হোক যখন জঙ্গলবাসী হওয়ার ফ্যাশানে আনন্দ পায় তখন মনে হয় সত্যিই এ এক লীলার জগত। অথবা হতে পারে এ আরও শিল্পসম্মত হয়ে উঠার এক প্রয়াস। মানবীরা ঠিক যেন কোনো শিল্পির অাঁকা ছবির মত হয়ে উঠতে গিয়ে তুলির এক পোঁচ রং য়ের সমান কাপড় পরে বেড়াতে পছন্দ করে। মনে হয় এ কারণেই মানুষ অন্য পশুপ্রাণীদের থেকে আলাদা। মানুষ হচ্ছে মানুষ কারণ তারা পোষাক পরে প্রথমে 'প্রয়োজনে' তারপর 'লজ্জায়' তারপর 'শিল্পের মূল্য' দিতে। জয় মানুষের। জয় সভ্যতার।
১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:১১

লেখক বলেছেন: চমৎকার বলেছেন।

৯. ১০ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৯
comment by: রুখসানা তাজীন বলেছেন:
ভালো লাগলো।

শরীর প্রদর্শনের মধ্যে যে চরম হীনমন্যতা কাজ করে, এ ব্যাপারটা মেয়েরা বুঝবে কবে? +
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:০১

লেখক বলেছেন: হয়তো কোন একদিন! হয়তো কখনই না!!! অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১০. ১০ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪
comment by: এক্স ফাইলস্‌ বলেছেন: চমৎকার পোস্টের জন্য প্লাস।
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:০২

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ।

১১. ১০ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৫
comment by: মদন বলেছেন: লেখার নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গিটি পছন্দ হয়েছে
+
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫৮

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ।

১২. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ৮:০২
comment by: সাঈফ শেরিফ বলেছেন: আইরিশদের নাকি সবুজ চোখ হয়?

আমার আবার নীল চোখ দেখলে ক্ষণিকের জন্য মতিভ্রম ঘটে, নিজেকে খুব রক্ত মাংসের মানুষ মনে হয়।:(
১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:১৫

লেখক বলেছেন: সবুজ চোখ হয় কিনা বলতে পারছি না, অন্তত আমি তেমন ভাবে দেখিনি। তবে ব্ল্যাক আইরিশ শব্দের প্রচলন তাদের চুলের রঙের জন্য প্রধানত।

১৩. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:১৭
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: ট্রিনিটি কলেজের মেয়েদের পোষাক বিষয়ে আঁকা শব্দচিত্রের কনফার্মেশনের জন্য রন্টি'র দৃষ্টি আকর্ষন করা হচ্ছে!
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:০০

লেখক বলেছেন: ভূল বোঝাবোঝির জন্য এখানেও ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। ভালো থাকুন। শুভেচ্ছা রইলো।

১৪. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:২১
comment by: অবকাশ বলেছেন: ভাল লেখছেন।
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৫. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:৩৭
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আইরিশ মেয়েদের একটা ছোট্ট ভাগ্যবতী অংশই ব্ল্যাক বা ডার্ক গ্রে চুলের অধিকারী। ঢালাও ভাবে এরা কালোচুলের এমনটাতো দেখিনি।
আর ভাই, আইরিশ মেয়েদের পোষাকে এত অপবাদ কেন দিচ্ছেন। জিন্স আর টপস কি শুধু মুসলমানেরাই পড়ে আয়ারল্যান্ডে? আমার চোখে আইরিশ মেয়েদের পোষাক অতটা অভদ্র টাইপ তো না। এরা তো বেশীর ভাগ সময় জিন্সই পড়ে। ছোট্ট একটা সামার পায় তখন স্কার্ট। কিন্ত তাদের মিনিস্কার্টের দৈর্ঘ্য ঢালাও ভাবে এতটা ছোট হয় এমনটা আমার চোখে অন্তত পড়েনি। কেউ কেউ তো পড়েই। আর স্যাটারডে নাইটের কথা ধরলে তো আর হয় না।

লেখকের একটা কথা''আইরিশ মেয়েদের সুন্দর ভাবে, হিজাব পড়ানোর দরকার নেই, অন্তত ভদ্র এবং মার্জিত ভাবে সাজানো যেত, তবে কি নজরুল আরেকবার লিখতো না - "আইরিশ মেয়ের ঘোমটা খোলা"? সম্ভবত লিখতো।''
এখানে আইরিশ মেয়েদের প্রতি অবিচার হয়ে গেছে।
১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:৪৯

লেখক বলেছেন: না ভাই অবিচার নয়। ভালো লাগা থেকে কথাটি বলেছি। তাছাড়া কারো প্রতি আঘাত করার জন্য এই লেখাটা লিখিনি। তবে কিছু মানুষ আছেন যারা নিজে থেকে অপমান হতে চান (যিনি আপনাকে এখানে এনেছেন), তাদের জন্য -ব্লক করুন- অপশনটা বেশ কার্যকর।

আর আইরিশ মেয়েদের কালো চুলের ব্যাপারটা একবার এখানে এসে দেখে গেলেই পরেন। একটা পরিসখ্যানে দেখা গিয়েছে -

The hair color of the Irish is predominantly brown. Less than 3% have black or ashen hair; 40% have dark brown hair. Medium brown hues make up another 35%. Persons with blond and light brown hair account for close to 15%, while approximately 10% have red hair.

ডার্ক ব্রাউন ব্যাপারটা অনেকটাই কালোর মত। না দেখলে অনেকই বুঝতে পারবেন না।

১৬. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:৩৯
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: সাম হোয়ার ইন এ স্বাগতম! :)
১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। তবে কতদিন থাকতে পারবো চিন্তার বিষয়।

১৭. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:৫৬
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: ওই নিবন্ধে তো ওটাও আছে data shows that 'Ireland competes successfully with the blondest regions of Scandinavia,

যা হোক, আরিফ ভাই এর কোন কথাটি আপনার খারাপ লাগল, যে এমন একটা মন্তব্য করে বসলেন। মতের মিল নাও হতে পারে তার জন্য মন্তব্য কেটে ফেলতে হবে? ব্লক করে দিতে হবে? আর তার কোন বাজে মন্তব্য তো দেখলাম না ভাই। আমার তো এখন ভয় হচ্ছে আপনার ব্লগে কথা বলার, কোন সময় না ব্যান খাই!!! /:)
১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:০৯

লেখক বলেছেন: আসলে আরিফ ভাইকে আমার ভালো লাগেনি। অন্তত মনে হয়নি তিনি মুক্তমনের মানুষ। ফুটবল মাঠের যে দিকেই আপনি খেলেন না কেন, সেটা গোল দেয়া হোক অথবা গোল ঠেকানো, দিন শেষে সবচেয়ে বড় সত্য আপনি ফুটবল খেলেছেন। আমি ধর্ম নিয়ে যারা বাড়াবাড়ি করে তাদের খুব একটা পছন্দ করি না, সেটা ধর্মের পক্ষের লোক হোক, আর বিপক্ষের। দু পক্ষই আমার কাছে সমান। সাধারনত এসব মানুষ থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করি আমি।

আরেকটি কথা হলো, আমার কোন লেখা ধর্মীয় নয়। আমি নিরপেক্ষ থেকে দেখার চেষ্টা করি জীবনকে, ধর্ম সেখানে একটা উপাদান মাত্র।

১৮. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:১২
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: আপনার লেখার ধরন ভাল। ব্লগে স্বাগতম। কিপ ইট আপ...
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:০১

লেখক বলেছেন: অনুপ্রেরনার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১৯. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:১৫
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: হতে পারে আপনার ঠিক। কিন্তু ব্লগের পরিবেশ বলে এই যে আপনি এসে একদিনেই বুঝে গেলেন আরিফভাই মুক্তমন না।
এবং যেকোন কারনেই হোক আপনাকে নিয়ে একটা বিতর্ক এসেই গেল, এখন আপনার আগামী লেখা গুলোই প্রমান করবে আপনার নিরপেক্ষতা। কেননা আপনি আপনার প্রোফাইল নোটে লিখেছেন, যা বিশ্বাস করেন তাই লিখেন ব্লগে।
আমি ব্যক্তিগত ভাবে দারুন খুশি হয়েছি আপনাকে ব্লগে দেখে, যেহেতু আপনি ডাবলিন থেকে। এবং জানবেন আমি নিজে ধর্মের পক্ষে। এমনকি আরিফভাইয়ের সাথেও এ ব্যাপারে আমার অনেকবার মত পার্থক্য হয়েছে।
তাই আমার পরামর্শ, আরেকটু ইজি হোন। ব্লগ একটি মুক্তচিন্তার জায়গা। এখানে আপনার মতের সাথে মিলবে না এমন মানুষ থাকবেন। তাই বলে আপনি কি তাকে ব্লক করে দিবেন? এটা ভাল লক্ষন না মোটেও। এটি যারা করে, তাদের রেপুটেশন কিন্তু একটু খারাপ(!)
আশা করছি আরিফভাইকে আনব্লক করবেন।
যা হোক, ব্লগে আপনার সাবলীল উপস্থিতি কামনা করছি।
১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:১৭

লেখক বলেছেন: গত পনের মিনিট ধরে চেষ্টা করছি অনব্লক করার। অপশন পাচ্ছি না। সাহায্য করলে বাধিত হব। :-)

২০. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:১৯
comment by: মাইনুল বলেছেন: আপনার এই অসাধারন লেখাটি খুব ই ভাল লাগলো।
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:০৩

লেখক বলেছেন: অনুপ্রেনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা রইলো।

২১. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:২১
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: স্ক্রীনের বা পাশে কমেন্ট মডারেশন বাটন ধরে যান। নিষিদ্ধ লিষ্টে গিয়ে নিরাপদ এ ক্লিক করে দিন।
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:০৩

লেখক বলেছেন: :)

২২. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:২২
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আরেকটা কথা, কালো চুল বাদ দিলেও মিনি স্কার্ট বিষয়েও আপনার লেখার সাথে একমত হতে পারিনি আমি। ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় পোষাক পরিচ্ছদে আইরিশ মেয়েরা ভদ্র, এটা আমি বলবই। না বললে তাদের প্রতি অন্যায় করা হয়।
১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: সবার আলাদা মতামত থাকতেই পারে। তাছাড়া আমি ভুলও হতে পারি। সবই সম্ভব।

আন-ব্লক অপশন খুঁজে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। প্রথম দিনের টুকটাক বিতর্ক ভালই লাগলো। আশা করছি ভালো বন্ধু হতে পারবো। বাকিটা সময়ের হাতে ছেড়ে দিলাম।

আরিফ ভাইকে আন-ব্লক কেন করলাম জানেন? ওনার লেখার একটা বড় অংশ মুক্তিযুদ্ধের প্রক্ষাপট নিয়ে, যেটা আমার বড় দুর্বলতা। হয়তো আমার প্রথম বিচারে আমি ভুল ছিলাম। ক্ষমা চেয়ে নিব পরে।

২৩. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:৫৯
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: হুমম...ধন্যবাদ।
আপনার সরব উপস্থিতি কামনা করছি।
আপনি ট্রিনিটি কলেজে কবে এসেছেন পড়তে?
আশা করি ব্লগে নিয়মিত থাকবেন।
শুভেচ্ছা।
১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: আমি গত নভেম্বরে জয়েন করেছি। এম. এস. সি. বাই রিসার্চ করছি। ... শুধু ব্লগে নয়, বাস্তবেও দেখা করতে আগ্রহী। ফেইসবুক অথবা মেসেঞ্জার আই-ডি পেলে খুশি হবো।

২৪. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:২৬
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আচ্ছা। দিবনে।
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:০২

লেখক বলেছেন: এখনও দেন নাই :(

২৫. ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:৫৪
comment by: ঘাসফুল বলেছেন: টক-মিষ্টি মিলায়ে সুস্বাদুই হইছে---+
১৭ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:০৪

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

২৬. ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:৪৪
comment by: ইন্টেল বলেছেন: +
১৭ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:০৪

লেখক বলেছেন: আবারও অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২৭. ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:৪৯
comment by: আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: মজা পেলাম। কিছু ভাববার বিষয়ও।
১৭ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:০৫

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার ভালো লেগেছে জেনে আমারও ভালো লাগলো।

২৮. ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:২২
comment by: ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
অনেকদিন পর কোনো লেখা একটানে পড়ে গেলাম। আপনাকে আগে দেখিনিতো! ... ধর্মীয় দৃষ্টিকোন ছাড়া, আশ পাশ থেকে কোনো কিছুই টানাটানি ছাড়া একদম সাদা মাটা প্লেইন লেখা ভীষন ভালো লেগে গেলো। প্রিয়তে নিয়ে যাই।
আর হ্যা, আরো লিখতে ভুলবেন না।
১৭ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:০৮

লেখক বলেছেন: প্রিয়তে নেয়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। প্রতিদিনই কিছু না কিছু লেখার চেষ্টা করছি। আশা করছি ভবিষ্যতেও আরো লেখা দিতে পারবো।

শুভেচ্ছা রইলো।

২৯. ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:১২
comment by: মুনিয়া বলেছেন: বেশ লাগলো!
১৭ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:১৭

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা।

৩০. ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:২০
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ্+্
১৭ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ।

৩১. ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:২৯
comment by: অন্তিম বলেছেন: বেশ ভাল লেগেছে।+
১৭ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৪

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩২. ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৪৬
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন: আপনি বাংলাদেশে বড় না হয়ে ডাবলিনে বড় হলে আপনার মনে হত, বাহ ঐ মধ্যযুগের আলখেল্লার চেয়ে এই মিনি(বা মাইক্রো) স্কার্টইতো ভালো লাগছে!

ভালো লাগা মন্দ লাগা এসব কিছুই চিরায়ত কিংবা স্থির নয়, স্থান-কাল ভেদে ভিন্ন হয় - এটাই স্বাভাবিক। কালচারের ডাইভার্সিটি ভিত্তিই হলো এই ভিন্নতা এবং একারণেই তা গুরুত্বপূর্ণ।


আপনার ছেলেমানুষী সরলীকরনের কারণে মাইনাস দিলাম, যদিও লেখার মধ্যে সাবলীলতা আছে।

ধন্যবাদ।
১৭ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৩১

লেখক বলেছেন: আপনার কথাটা কাল ডায়েরীতে লিখতে চেয়েছিলাম। ঠিক আপনি যেভাবে বললেন সেভাবেই এখন ফিল করি। পরে কোন দিন শেয়ার করবো।

মাইনাসের জন্য ধন্যবাদ। :)

৩৩. ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৪৭
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অনেক ভালো লেগেছে , আপনার লেখার ভক্ত হয়ে যাচ্ছি
১৭ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৪

লেখক বলেছেন: আমার লেখা ভালো লাগছে শুনে বেশ ভালো লাগলো। আবারও অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩৪. ১৮ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫১
comment by: কোলাহল বলেছেন: সহজ সরল লেখাটা মনে থাকার মত। আমাদের দৃস্টিভঙ্গি এমনই স্বচ্ছ উদার হওয়া উচিত।

আপনার লেখা বেশ ভাল লেগেছে। লিখে যান। +
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫৫

লেখক বলেছেন: অনুপ্রেরনার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩৫. ১৮ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৪
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: ভালো লাগল।
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ।

৩৬. ১৮ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪২
comment by: মানুষ বলেছেন: সাথে একটা ছবি দিলে আরও ভাল হইতো।
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৬

লেখক বলেছেন:

:)

৩৭. ২৫ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:২৮
comment by: অজানা অচেনা বলেছেন: ব্লগে অনিয়মিত, তাই লেখাটি আগে চোখে পড়েনি।

খুব ভাল বলেছেন। আপনার লেখায় আর ফিরোজ আহমেডের কমেন্টে +!
২৫ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৩০

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা।

 



 


আমি নিয়াজ, একজন খুব সাধারন মানুষ যার রয়েছে অসাধারন কিছু রঙ্গিন স্বপ্ন। আমি গর্ববোধ করি আমার বাঙালী এবং বাংলাদেশী পরিচয়ে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৩০৮২২