আমার প্রিয় পোস্ট
- রাজাকার সহজ চেনার উপায়: শিবির কাহিনী - নোমান মীর
- একদিন বুঝবে (উৎসর্গ মহাকবি মাইকেল মেহেদী) - হাসান বিপুল
- মাছের কাটলেট - জরিণা
- সব ব্লগারের ইমেল এড্রেস সংকলন , আপডেটেড - তারকে
- কাঙাল, আলেয়ার সন্ধানে - নীল নিঃসঙ্গতা
- বাবা (বাবা'র স্মরণে) - কালপুরুষ
- আরও একটি ভদ্রগোছের এ্যাডাল্ট জোক ১৮+ - বহুরূপী মহাজন
- হে কবরবাসীরা,তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক - ফারহান দাউদ
- মানুষের মহারাজা,তোমাকে অভিবাদন - ফারহান দাউদ
- ইসলাম শান্তির/অশান্তির ধর্ম নিয়ে ব্লগার আরিফুর রহমানের সাথে আলোচনা। - হ্যারি সেলডন
- একজন মুমূর্ষ রোগীকে বাচাতে এগিয়ে আসুন। - মাহিরাহি
.... তবুও আমি স্বপ্ন দেখি ... (স্বপ্ন, বাস্তব এবং ব্লগের সর্বস্বত্ব ব্লগার কতৃক সংরক্ষিত)

রোবটিক চড় (কৌতুক)
০৯ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:২১
আজ আমার এক মাস পূর্ন হলো সা. ইন-এ। ভাবলাম আপনাদের সাথে এই বিশেষ দিনটি অন্য ভাবে শুরু করি। একটা কৌতুক হয়ে গেলে মন্দ হয় না। যারা আগেই শুনেছেন, তারাও খানিকটা হেসে নেবেন প্লিজ!
**রোবটিক চড়**
একদিন জর্জের বাবা বাজার থেকে একটা রোবট কিনে নিয়ে আসলেন। বিশেষ ক্ষমতা সম্পন্ন এই রোবট কেউ মিথ্যে কথা বললেই তার গালে চড় কষে দেয়।
সেদিনই স্কুল থেকে বেশ দেরী করে বাড়ি ফিরলো জর্জ। জর্জের বাবা জর্জকে জিজ্ঞেস করলেন, "এত দেরী হলো কেন?"
"বাবা, আজ একটা অতিরিক্ত ক্লাস ছিল।" কাচুমাচু স্বরে জবাব দিল জর্জ।
কথাটা শেষ হতে পারলো না। তার আগেই একটা চড় এসে জর্জের গালে পড়লো। ফ্যাল ফ্যাল করে রোবটটার দিকে তাকিয়ে ডান হাতে গাল ঘষতে শুরু করলো জর্জ। জর্জের বাবা তখন বললেন, "শোন জর্জ, এই রোবটটি মিথ্যে কথা বললে বুঝতে পারে, আর শাস্তি হিসেবে কি দেয় সেটাতো দেখলেই। এখন বলো কেন দেরী হলো বাসায় ফিরতে?"
বিস্মিত জর্জ নীচু স্বরে জবাব দিল, "আমি সিনেমা দেখতে গিয়েছিলাম।"
"কি সিনেমা?" বাবা জানতে চাইলেন।
"টারমিনেটর টু।"
সাথে সাথে আরেকটা চড়, প্রায় দ্বিগুন জোরে এসে পড়লো জর্জের গালে। জর্জের বাবা বিদ্রুপাত্বক হাসি দিয়ে বললেন, "কী? এখনও মিথ্যে বলবে?"
আবারও কাচুমাচু স্বরে জর্জ বললো, "ইয়ে মানে ছবিটার নাম... নাইট কুইন।"
জর্জের বাবা এবার রেগে গেলেন। বললেন, "তোমার লজ্জা হওয়া উচিত। তোমার বয়সে আমি কখনও স্কুল ফাকি দিয়ে সিনেকা দেখতে যাইনি, তাও আবার এধরনের ছবি...।"
ঠাস্, ঠাস্! জর্জ দেখলো ওর বাবার গালে পর পর দুইটা চড় কষে দিল রোবটটা।
ওরা দুজনেই যখন গালে হাত বোলাচ্ছে তখন রান্না ঘর থেকে ছুটে বের হয়ে এলেন জর্জের মা। "এ সব কি হচ্ছে?" জর্জের বাবার দিকে তাকিয়ে চেচিয়ে বললেন তিনি। "একদিন সিনেমার দেখার জন্য এতগুলো চড় মারতে হবে? একটুও দয়া-মায়া নেই? শতহোক তোমারইতো ছেলে...." বাক্যটা শেষ হবার আগেই ঠাস্ করে চারগুন জোরে একটা শব্দ হলো। জর্জ এবং ওর বাবা অবাক হয়ে দেখলো জর্জের মা নিজের ডান গালে হাত বোলাচ্ছেন।
৯ জুলাই ২০০৮
ডাবলিন, আয়ারল্যান্ড।
==========================================
সবচেয়ে মজার কমেন্ট:
আখসানুল বলেছেন:
ভালো হইছে ...পড়ে অনেক মজা পাইছি... + দিলাম।
[ঠাস ]
বিশ্বাস করেন আমি চড় খাই নাই। দাতে ব্যাথা তাই গালে হাত দিছি।
যীশূ বলেছেন:
দারুন! বিরাট মজা পাইছি।
রাজ্ বলেছেন:
হা গা গা হা াহা / ভাল লেগেছে ।
শফিকুল বলেছেন:
অসাধারন মজা । তবে আমাদের দেশের জন্য প্রজোয্য না।
বেরসিক বলেছেন:
গুড..ভাল্লাগছে
দুষ্টু রোমান্টিক বলেছেন:
উপসসস..........খুব মজা পাইলাম ++++
আশাবাদী!! বলেছেন:
হুমম আগে শুনলেও আবারও ভালো লেগেছে।
কৌশিক বলেছেন:
সব মিথ্যুকের দল!
আখসানুল বলেছেন:
ভালো হইছে ...পড়ে অনেক মজা পাইছি... + দিলাম।[ঠাস ]
বিশ্বাস করেন আমি চড় খাই নাই। দাতে ব্যাথা তাই গালে হাত দিছি।
লেখক বলেছেন: হাহাহা..... আপনার জোকটা আরো মজার। আমি মূল পেস্টে সংযুক্ত করছি।

















