somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ডাবলিনের ডায়েরী - সাত (১২ জুলাই ২০০৮)

১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি এখন চরম হোম-সিক। ইচ্ছে করছে যে দিকে দু'চোখ যায় বের হয়ে পড়ি, কিন্তু আর এক মুহুর্তও আয়ারল্যান্ডে নয়। বিষয়টা এমন নয় যে আয়ারল্যান্ড-এর উপর আমার কোন কারনে রাগ সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু গত আট মাস একই রুটিন মেনে চলতে চলতে আমি তিব্র বিরক্ত। খানিকটা হতাশও।

সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে বসি কম্পিউটারের সামনে। মেইল চেক, ফেসবুকিং এবং নুতন বাতিক সা. ইনে ঘোরাঘোরির পর মাঝে মাঝে কিছু ফোন কল। তারপর শাওয়ার নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়। সকালে কোন নাস্তা নেই, আফটার অল ডায়েটিং বলে কথা। দুপুরে স্ম্যাশ পটাটোর সাথে সেদ্ধ সব্জি দিয়ে লাঞ্চ। সারা দিন সিমুলেটরে C++ কোডিং, বিকেল আটটায় (যে দেশে দশটায় সূর্য ডোবে সেখানে আটটা বিকেল বৈ কি!) বাসায় ফেরত, টুকটাক কিছু দিয়ে ডিনার, তারপর মাঝে মাঝে মুভি দেখা আর এখন গল্প লেখা এবং সব শেষে ডুভেটের নিচে শান্তির ঘুম। জীবনটা বেশ কাটছে। কিন্তু সমস্যা হলো সারাদিনে একজনও নিজের দেশের মানুষের দেখা পাই না। একটাও বাংলা শব্দ বলা হয় না। এবং সব চেয়ে বড় যে সমস্যা - একই কাজ করতে করতে রীতিমত বিরক্ত। মাঝে মাঝে চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে - "আই নিড আ ব্রেক....!"

তবে এটাও ঠিক এই বিরক্ত ভরা জীবনে একটা অদ্ভুত আনন্দময় অনুভুতি হলো সা. ইন। এখানে এসে এমন কিছু মানুষের সাথে পরিচয়, এমন কিছু ভালোলাগার অনুভুতির সৃষ্টি যা কখনই আমি কল্পনা করিনি। রাগিব ভাইয়ার লেখা একটা পোস্ট পড়তে এখানে এসেছিলাম। আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের অতিচালকের মত (অথবা গাধার মত, দুটা আসলে সমার্থক। মানুষ যখন বেশি চালাক হয়ে যায় তখন সাইকেল সম্পন্ন হয়ে আবার সে গাধায় পরিনত হয়!) করা একটা কর্মকান্ডের ব্যপারে ভাইয়া চমৎকার একটা পোস্ট দিয়েছিলেন। সেটা পড়তে পড়তে ঘোরা শুরু করলাম। আর সাথে সাথেই মনে হলো এখানে আমি কেন লিখছি না। ব্লগিং করি আরো বেশ কিছুদিন আগে থেকেই, তবে অন্য সাইটে। সা. ইনে এত চমৎকার পরিবেশ দেখে মুগ্ধ হয়ে লেখা শুরু করলাম। তার পরের গল্প রুপকথার মত। বন্ধু পেয়েছি অনেক। ব্লগ লিখতে লিখতে শুরু করলাম গল্প লেখা। লিখেই চললাম। এখন কেমন যেন নেশার মত হয়ে গিয়েছে। না লিখলে অন্যরকম লাগে। মনে হয় কি যেন করা হয়নি আজ!

এতো গেল গত একমাসের সা. ইন লাইফের গল্প। রিয়েল লাইফেও মজার মজার ঘটনা ঘটেছে বেশ কিছু। এই বেলা ডায়েরীতে তুলে রাখি, না হলে হয়তো ভুলে যাবো।

গত মাসে আমার গ্রুপমেট গগজিয়ান এসে বলল সে যাচ্ছে একটা চাইনিজে, সাথে আরো কিছু বন্ধু থাকবে, আমাদের কম্পিউটার সায়েন্স ডিপার্টমেন্টেরই। সে চায় আমি যেন যাই। এর পর সবাই মিলে নাইটক্লাবে যাবে। চিন্তা করে দেখলাম মন্দ নয়। দেখা যাক কি হয়। গগজিয়ান হাসছিল। কারন আমি ড্রিংক করি না। তাই ওরা চেপে ধরেছে আমাকে ড্রিংক করিয়েই ছাড়বে। সেদিন আবার একজন এর পি.এইচ.ডি শেষ হয়েছে। সে জন্য আমাদের গ্রুপ রুমে চলছে তুমুল ড্রিংক করার ঢল। আইরিশরা ফ্রিতে ড্রিংক করতে পারলে জীবন উৎসর্গ করে সেটা করবে। চীনারাও সেদিকে হাটছে। গগজিয়ান ততক্ষনে অর্ধেক কাবু। বাকিটা নাইটক্লাবে হবে, এই তার পরিকল্পনা।

চাইনিজ রেস্টুরেন্ট বলতে আমরা যে ধরনের রেস্টুরেন্ট বোঝাই, এটা সেরকম নয়। এটা ছিল প্রকৃত চাইনিজ রেস্টুরেন্ট। পরিবেশ, পরিবেশন, খাবার ধরন এবং উপকরন - সবই চাইনিজ। মজার ব্যপার হলো এরা প্লেটে খায় না। সব কিছু বাটিতে খায়। বিষয়টা সম্ভবত জাপানীজদের ক্ষেত্রেও একই। দ্যা লাস্ট সামুরাইতে টমক্রুজের বন্দি কালের অংশে তেমনটাই দেখানো হয়েছিল। যাইহোক, প্রসঙ্গে ফিরে আসি। খাবার পরিবেশন করা হলো বড় বড় ডিশে করে। সাথে ছোট ছোট বাটিতে ভাত। খাবার নিয়ম হলো ডিশ থেকে সরাসরি তুলে নিয়ে খেতে হবে। আর একটু একটু করে ভাত খেতে হবে ছোট বাটি থেকে। তাও আবার চপেস্টিক দিয়ে।

প্রথমেই আমি বললাম এভাবে সম্ভব না। আমার চামচ লাগবে। এসব লাঠি-কাঠি দিয়ে আমি খেতে পারবো না। এবং অবশ্যই সাথে একটা অতিরিক্ত প্লেট। গগজিয়ান তখন হাসছে। সাথে ছিল আরেক চাইনিজ ছেলে এবং এক ম্যাক্সিকান। বেচারা ম্যাক্সিকান ছেলেটা খেতেও পারছিল না আবার লজ্জায় বলতেও পারছিল যে তারও অতিরিক্ত প্লেট এবং চামচ লাগবে। আমি বলার পর বিনয়ের সাথে সেও যোগ করলো তার প্রয়োজনগুলো। কিছুক্ষনের মধ্যে চামচ এবং প্লেট আসলো। সেই প্লেটের আকার দেখে আমি না হেসে পারলাম না। দেশে আমরা কাপের নিচে যে পিরিচ ব্যবহার করি তার থেকেও ছোট প্লেট। সেটায় ভাত নিয়ে খেতে হবে ভাবলেও আমার অস্বস্তি লাগছিল। অতঃপর কি আর করা। সুপের বাটির মত যে বাটিতে ভাত দিয়েছিল সেটা থেকেই খাওয়া শুরু করলাম। মাঝে একবার ম্যাক্সিকান ছেলেটা একটা স্কুইড ফেলে দিয়েছিল টেবিলে। সে সেটা তুলে যেই খেতে যাবে গগজিয়ান বাধা দিল। চাইনিজদের নীতি হচ্ছে টেবিলে কিছু পড়লে সেটা অপবিত্র হয়ে যায়। সেটা আর কখনই তারা খায় না। যাইহোক, এভাবেই চলতে লাগলো আমাদের খাওয়া। সবাই মিলে একই ডিশ থেকে তুলে তুলে খাচ্ছি। আহ... কী ভাতৃত্ববোধ!

হঠাৎ কথা প্রসঙ্গে ম্যাক্সিকান বন্ধু জিজ্ঞেস করলো আমি উর্দু বলতে পারি কি না। বললাম বুঝি এবং খানিকটা পারিও তবে আমি বলি না। সে একটু অবাক হয়ে জানতে চাইলো কেন। আমি হেসে বললাম সমস্যাটা ভাষায় না, সমস্যাটা আদর্শে। আমাদের সাথে পকিস্থানীদের আদর্শগত দ্বন্দ রয়েছে সে কারনে আমি উর্দু বলি না। সে হেসে ফেললো সাথে সাথে। বলল, "এ জন্যই তুমি পাকিস্থানীদের সাথে কথা বলো না।" বুঝলাম ব্যপারটা ডিপর্টিমেন্টে মোটামোটি ছড়িয়েছে যে আমি ভদ্রভাবে পাকিস্তানীদের এভোয়েড করি। ব্যাখ্যা করার দরকার ছিল না তবুও বললাম কারো সাথে আমার ব্যাক্তিগত সমস্যা নেই। তবে জাতিগত ভাবে ওরা একটু গোয়াড় এবং কোন কারনে যদি আমার দেশের ইতিহাস নিয়ে খোঁচা দিয়ে বসে, একটা ঝগড়া অবধারিত লাগবে। অতএব আমি ওদের সাথে মেশারই চেষ্টা করি না। গগজিয়ান আবার মজা করে ইশারায় বোঝাতে শুরু করলো আমি কট্টর জাতীয়তাবাদি। ওদের সবাইকে গত কিছুদিনে বাংলাদেশের ইতিহাস মুখস্থ করিয়ে ফেলেছি। আসলে সুযোগ পেলেই আমি এটা করি। যেমন, একদিন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস নিয়ে লেকচার দেয়া শুরু করলাম, দেখা গেলো ঘুরে ফিরে পাকিস্তানে গিয়ে থেমেছি। ১৬ই ডিসেম্বরতো পাকিস্থানীদের ইজ্জত নিয়ে টান দিয়েছিলাম। সবার সামনে বললাম এত বড় রেজিমেন্ট নির্লজ্জের মত আত্মসমর্পন করার নজির খুব কম আছে ইতিহাসে। যাইহোক, গগজিয়ান সহ যারা আমরা একই রুমে বসি তাদের জন্য ব্যাপারগুলো স্বাভাবিক।

কথা শুরু হলো বাংলাদেশ-পাকিস্থান দিয়ে। শেষ হলো পুরো পৃথিবী ঘুরে। সেখানে কাশ্মির, পেলেস্টাইন, ইরাক, আফগানিস্তান, চীন-তাইওয়ান, চীন-তিব্বত, ইরান ও আরব বিশ্ব, আয়ারল্যান্ডের লিসবন ট্রিটি এবং ইউ এর নুতন রুপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পাশে ম্যাক্সিকোর অবস্থান। সবই আলোচনা হলো। কখনও কখনও আলোচনা উত্তেজনায় রুপ নিচ্ছিল। তবে ঘড়ির কাটায় যখন দশটা বাজে তখন আর চাইনিজে নয়, বরং নাইটক্লাবেই যাওয়া সমীচিন মনে করলো সবাই। আজকের এই আসরের মূল কারনও তখন জানতে পারলাম। অন্য চীনা ছেলেটার সাথে একটা মেয়ের ইন্টারনেটে পরিচয় হয়েছে। ওরা আজকে ব্লাইন্ড ডেটে আসতো। কিন্তু ছেলেটা সেটা চায়নি। তাই আমাদেরও সাথে করে নিয়ে এসেছে। কিন্তু সেই মেয়ের কি যেন কাজ থাকায় সে আসতে পারেনি। কি আর করা, আমরা বের হয়ে আসলাম।

বের হবার পর সেই মেয়েকে একটা কল দেয়া হলো। কারন সে কি নাইট ক্লাবে যাবে কি না সেটা জানা দরকার। মেয়ে জানালো সে যাবে। আমাদের অপেক্ষা করতে। রাস্তার উপর আরো আধ ঘন্টা অপেক্ষা করার পর যে মেয়েটা কার নিয়ে এসে হাই দিল তাকে দেখে মনে মনে হাসলাম। পুরো অফিসিয়াল স্যুটে সে। অফিস থেকে রাতদশটায় বের হয়ে সরাসরি এখানে এসেছে। তার পাশে চীনা বন্ধুটাকে বাচ্চা বাচ্চা লাগছিল, আর খানিকটা অসহায়ও। সবাই মিলে টেম্পেল বারের দিকে ছুটলাম আমরা।

আমার আসলে তখন আর বারে যেতে ইচ্ছে করছিল না। খুব টায়ার্ড লাগছিল। তাই গগজিয়ানকে বললাম আমাকে এই দফা মাফ করতে। সে হাসলো। বললো, "ঠিক আছে যাও। তবে এবারও ড্রিংক করাতে পারলাম না।" আমি হেসে জানালাম আয়ারল্যান্ড ছাড়ার আগে অন্তত একদিন ওর সাথে সারারাত নাইটক্লাবে থাকবো। গগজিয়ান হেসে বললো, "তবুও তুমি বললে না যে ড্রিংক করবা।" অমি শুধু হাসলাম। অর্থবহ হাসি।

ডাবলিন বাসের ৭৪ নম্বর রুটের বাসটা যখন আমাকে বাসার কাছের বাসস্টপে নামিয়ে দিয়ে গেলো তখন রাত প্রায় সাড়ে এগারোটা। চারদিক নিরব। আমি হাটছিলাম। সম্পূর্ন একা। অদ্ভুত লাগে এ সময়টা।

ডায়েরীটা এখানেই শেষ করতে পারতাম, কিন্তু কেন যেন থামতে ইচ্ছে করছে না। হয়তো অনেকদিন পর লিখছি, তাই লিখেই যেতে ইচ্ছে করছে। গতমাসে দেখা হলো সৈকত ভাইয়ের সাথে। এ. আই. ইউ. বি-এর নামকরা গ্রাজুয়েটদের একজন। এখানে বেশ ভালো সফ্টঅয়ার ফার্মে আছেন। ভাইয়ার ওয়াইফ নদীকে আবার চিনি বিতর্ক অঙ্গনের মাধ্যমে। এ. আই. ইউ. বি-এর মূল দলের হয়ে জাতীয় পর্যায়ে বিতর্ক করেছে সে। ওদের সাথে দেখা হবার পর মনে হলো আসলেই পৃথিবীটা গোল!

মাথার মগজ পানি হয়ে যাচ্ছে মার্থার গানের শব্দে। যতটা যন্ত্রনা গান থেকে সৃষ্ট, তার থেকে বেশি গানের সাথে মার্থার গান গাওয়ার চেষ্টা থেকে। পিটার নেই এখন, হাঙ্গেরী গিয়েছে বেড়াতে। বাসায় কেবল আমি আর মার্থা। এই মেয়ের আবার অদ্ভুত সব বাতিক আছে। মাঝে মাঝে দেখি কাঁদছে। চোখ ফুলিয়ে বসে থাকে। আমি গিয়ে স্বান্তনা দেই। আসলে কেন যে মেয়েটা কাঁদে সেটাই বুঝি না। তাই স্বান্তনা দেয়ার পদ্ধতিগুলো থাকে অন্ধের মত। কখনও কাজ হয়, কখনও কান্না বেড়ে যায়।

আসলে এভাবেই মনে হয় জীবনটা চলতে থাকে, এটাই মনে হয় জীবনের নিয়ম। সবার কিছু কিছু গোপন কষ্ট থাকে, নিজের গভীরে ধারন করে আমরা জীবনের পথে বয়ে চলি। মাঝে মাঝে কষ্টগুলোকে বের করে আনি, দেখি, তার পর খানিকটা কাঁদি। আবার স্বযতনে রেখে দেই বুকের গভীরে। চলতেতো হবে, জীবন বলে কথা!

১২ জুলাই ২০০৮
ডাবলিন, আয়ারল্যান্ড।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:১২
৮টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×