somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সিনেমা যখন নেশা (তিন)

০৬ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আগের দুই পর্বের সাথে এই পর্বের কোন সম্পর্ক নেই। তবুও আগ্রহী পাঠক আগের পর্বগুলো পড়তে চাইলে নীচের লিঙ্কের সাহায্য নিতে পারেন:
১ম পর্ব
২য় পর্ব

দেখতে দেখতে কিভাবে সময় কেটে যায়! গুনতে বসেছিলাম গতবছর কী কী মুভি দেখেছি। পারিনি। আসলে সম্ভব নয়। অনেকটা অগুনিত ছবি দেখা হয়েছে। অথচ আমার মনে হচ্ছে সেদিন সিনেওয়ার্ল্ডের আনলিমিটেড টিকেটটা কেটে ছিলাম। সৈকত ভাইদের সাথে ওয়াল-ই দেখার পরই ভূতটা মাথায় চাপলো। তারপর সময় কেটে যাওয়া। একের পর এক সেলুলয়েডের পাতায় দেখলাম কাহিনীর বর্নালী। আমার আবার রিলিজের প্রথমদিন মুভি দেখার খুব বাতিক। কোন ভাবে যদি সেটা মিস হয়, তাহলেই হয়েছে। পড়ালেখায় আর মন বসে না। খালি মনে হয় - ইশ, ঐ ছবিটা এখন ১৭ নাম্বার স্ক্রিনের বিশাল পর্দায় হচ্ছে। আর আমি কিনা বসে বসে ছাইপাশ পড়াশোনা করছি! আমার অবস্থা দেখে সেদিন ধ্রুব বলছিল, আমাকে নিয়ে নাকি একটা মুভি বানানো যাবে - কনফেশন অফ এ মুভিহলিক! অনেকেই হয়তো জানেন একটা নুতন মুভি এসেছে - কনফেশন অফ এ শপহলিক। সেটারই সূত্র ধরে বলা এই কথা।

প্রথম প্রথম মুভি দেখতাম একা। এখন দিন বদলেছে। ধীরেধীরে ট্রিনিটিতে বাংলাদেশীর সংখ্যা বাড়ছে। ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রই আছি আমরা তিনজন। আমি এসেছি ২০০৭ সনে। গত সেশনে আসলো ধ্রুব এবং নাফিস। মাঝে মাঝে আমার কাছে মনে হয় আমরা যেন থ্রি মাস্কেটিয়ারস। এখন আর অগের মত নিঃসঙ্গ লাগে না। এক সাথে আড্ডা মারা থেকে শুরু করে সিনেমা হলে ফিসফিস করে হাসাহাসি; সবই চলে এখন। নাফিস অবশ্য সবাইকে টেক্কা দিয়েছে। ওর হোমি ছিল এক ফ্রেন্চ মেয়ে। তাকে নিয়ে একাধিকবার ছবি দেখে এসেছে। গত মাসের শেষে বাসা বদল করে চলে আসার পরও সেটা হয়তো চলবে। সেই ফ্রেন্চ তরুনী নাফিসকে উষ্ণ অলিঙ্গনে বিদায় দেয়ার আগে এটাও জানিয়ে দিয়েছে যে যদি নাফিস চায় তবে উইকএন্ডে ওরা আবার এক সাথে ছবি দেখতে যেতে পারে। মাঝেমাঝে নাফিসের মধ্যে আমি আমার প্রথম দিকের আয়ারল্যান্ডের দিনগুলো দেখতে পাই। এক সিনেওয়ার্ল্ডেই কত কান্ড ঘটিয়েছিলাম!

অনেক বকবক করলাম ছবি বহির্ভূত বিষয় নিয়ে। এবার মুভি নিয়ে দুকথা বলা যাক। ক্রিটিসিজমে যাবো না। আমি চলচিত্র সমালোচক নয়। ওটা করার যোগ্যতাও আমার নেই। তবে একজন সাধারন দর্শক হিসেবে আমি চলচিত্রকে যেভাবে দেখি, তাতে আমার মনে হয়েছে সেরা ছবিগুলোকে প্রধানত দুটো প্রকারে ভাগ করা যায়। একটা ধরন হলো এন্টারটেইনিং মুভি। এধরনের মুভিতে এ্যাকশন, থ্রিল এবং সাসপেন্স থাকে ব্যাপক। এ মুভিগুলোর নির্মান ব্যায়ও অনেক বেশি। তবে গল্পের ধরনের দিক দিয়ে এরা একটু পিছিয়ে থাকে। সাধারনত এদের হালকা চালের চলচিত্র হিসেবে গন্য করা হয়। তবে আজ এন্টারটেইনিং মুভি নিয়ে কথা বলবো না বরং আলোচনার বিষয়বস্তু হবে দ্বিতীয় ধরনটি। এই ধরনটি অনেকটা যেন বোদ্ধা শ্রেনীর জন্য তৈরী। উচ্চমার্গের গল্প, সিনেমাটোগ্রাফিতে নিত্যনুতন বৈচিত্র এবং সর্বপরি যেন কিছু একটা বলতে চাওয়ার আকাঙ্খা। স্বভাবতই চলচিত্র সমালোচকদের প্রিয় এই মুভিগুলো। কাঁটাছেড়ার অনেক উপাদান থাকে এই চলচিত্রগুলোতে। এ্যাওয়ার্ড ফাংশনগুলোতেও বিজয়ের বন্যা বয়ে যায় এদের নিয়ে। অথচ সিনেমা হলের খালি সিটগুলোই কেন যেন বিদ্রোহী হয়ে থাকে। দর্শক টানার ক্ষমতা এই ছবিগুলোর তুলনামূলক কম।

সমালোচকদের মন জয় করতে পেরেছে এরকম বেশ কিছু চলচিত্র গতবছর রিলিজ হয়েছে। তার মাঝে কিছু কিছু ছবি ব্যবসাও করেছে খুব ভালো। তবে একটা বিশেষ লক্ষনীয় দিক ছিল ছবিগুলোতে। কেন জানি এধরনের ছবির অধিকাংশই ১৮ বা তার কাছাকাছি রেটিংপ্রাপ্ত ছিল। ফলে অপ্রাপ্তবয়স্ক দর্শকদের জন্য অন্তত সিনেমা হলে গিয়ে দেখার সুযোগ ছিলনা। বেশির ভাগ ছবির মূল উপাদান ছিল ভালোবাসা এবং শেষ পর্যন্ত তা মন থেকে শরীরের প্রবাহিত হয়েছে। সম্ভবত সেজন্য রেটিংটাও উপরের দিকে উঠে গিয়েছে বেশ খানিকটা। তবে তাতে কোন ছবির মান ক্ষুন্ন হয়নি এতটুকু। অন্তত নুডিজম এবং পর্নোগ্রাফি যে এক নয়, সেটা বোঝার জন্য হলেও ছবিগুলো দেখা উচিত।

এই ছবিগুলোর মধ্যে আমার অন্যতম প্রিয় রেসলার। এককথায় অসাধারন একটা গল্প। মুভিটা তৈরীও করা হয়েছে অনেক যত্ন করে। সাথে মাইকি রুরক্ এর অভিনয় সিম্পলি ফিনোমেনাল। ছবির মূল থিম একজন রেসলারের জীবন। অন্য আর দশটা খেলার মত রেসলিংটা নয়। একজন রেসলার, যাকে দেখে আমরা চিৎকার করি, সমর্থন দেই; সে মানুষটা একটা সময় পর আমাদের পছন্দের তালিকা থেকে সরে যায়। নুতন একজন আসে তার জায়গায়। আমরা আবার চিৎকার করি আর ধীরেধীরে ভুলে যাই অতীতের সেই পারফর্মারকে। তারপর সেই মানুষটা কোথায় যায়? তার জীবনের ঘাত-প্রতিঘাতগুলো কিভাবে মোকাবেলা করে? আমরা আর কিছুই জানি না। কেবল রিং এর মাঝের মানুষটাকেই আমরা চিনি। কিন্তু তার রিং-এর বাহিরেও যে একটা জগৎ আছে, সে জগৎটাকে আমরা কতটুকু উপলব্ধি করি? রেসলার মুভিটা সেই জগতের গল্প নিয়ে গড়া। যদিও ছবিটায় নায়িকার ভূমিকা তুলনামূলকভাবে কম, কিন্তু মারিসা টমেই এর উপস্থিতি সত্যিই অসাধারন ছিল। মারিসাকে এতটা সুন্দর লাগছিল যে তাকে দেখে এটা অনুমান করার উপায় ছিল না যে সে চল্লিশ ছোঁয়া এক নারী। আমি প্রথমে ভেবেছিলাম হয়তো আমারই তাকে বেশি ভালো লেগেছিল; কিন্তু পরে যখন দেখলাম অস্কারের অনুষ্ঠানে স্কাই চ্যানেলের পাঁচ উপস্থাপক/উপস্থাপিকা বারবার বলছিল তার কথা, তখন বুঝলাম আসলেই সে সুন্দরী। যারা ছবিটা দেখেননি, তাদের প্রতি অনুরোধ রইলো দেখার। তবে বাচ্চাদের নিয়ে দেখা একদমই বারন! বেশ কিছু বিভৎস দৃশ্যের পাশাপাশি ছবিতে মারিসা অর্ধেকেরও বেশি সময় টপলেস ছিল!

আরেকটা ছবির কথা না বললেই নয়। রেভুলেশনারী রোড। টাইটানিক জুটি ডি ক্যাপ্রিও এবং কেট উইন্সলেটের অভিনয় আমার কাছে অন্য যেকোন ছবির থেকে জুটিগত ভাবে অসাধারন লেগেছে। যদিও ছবিটা প্রচন্ড স্লো। কিন্তু তারপরও একটা অন্যরকম ভালোলাগা আছে। এক তরুন দম্পতি তাদের জীবনে আরো একটু সাফল্যের জন্য উদগ্রিব। সেই অদেখা সাফল্য এবং সুখের আশায় জীবন তাদের কোথায় কোথায় নিয়ে যায়, তারই যেন এক অসাধরন প্রতিবিম্ব এই মুভিটা। তুলনামূলক ভাবে পরিছন্ন ছবি। পাশ্ব অভিনেত্রীর একটা টপলেস দৃশ্য এবং একটা এ্যাবরশনের দৃশ্যই সম্ভবত ছবিটাকে আমাদের দেশী শিশুদের জন্য আরেকটি 'না' হিসেবে চিহ্নিত করে দেয়।

তবে গল্পের দিক দিয়ে সবাইকে ছাড়িয়ে গিয়েছে রিডার। কেট উইন্সলেটের আরেকটা অসাধরন পারফর্মেন্স। যতক্ষন ছবিটা চলে, ততক্ষন পাঠককে মুগ্ধ করে আটকে রাখে। এক বয়স্ক মহিলার সাথে পনেরো বছরের বালকের শারীরিক সম্পর্কের গল্প রিডার। কিন্তু অন্য গল্পগুলোতে ভালোবাসা যেমন মন থেকে শরীরে প্রবাহিত হয়; এখানে ঠিক উল্টাটা। শারীরিকি সম্পর্কের থেকেই ধীরেধীরে অসম বয়সের দুটো মানুষের মধ্যে এক অন্যরকম সম্পর্কের সৃষ্টি হয়। লাভমেকিং-এর পর ক্লান্ত শরীরে বিছানায় শুয়েশুয়ে বালক ছেলেটি বয়স্ক মহিলাকে গল্প পড়ে শোনাতো। ধীরেধীরে বিষয়টা এমন পর্যায়ে গেলো যে মহিলা ছেলেটাকে বলতে শুরু করলো, আগে গল্প শোনাও; তারপর অন্যকাজ! এভাবেই তৈরী হয় একজন পাঠকের এবং একজন শ্রোতার। তবে গল্পে বৈচিত্র রয়েছে আরো অনেক অনেক। সেগুলো শুনিয়ে ছবি দেখার মজা নষ্ট করবো না। তবে এখানেও একটু সাবধান করে দিয়ে যাচ্ছি, এটাও ১৮ রেটিং-এর ছবি। প্রথম ত্রিশ মিনিট মারাত্মক এ্যাডাল্ট কিছু দৃশ্য রয়েছে; তবে সময়ের সাথে ধীরেধীরে সেগুলো কমে আসে এবং ছবিটা শেষ হয় অসাধারন সমাপ্তির মধ্য দিয়ে।

বলতে থাকলে বলা যাবে আরো অনেক ছবির কথা। যেমন মিল্ক। যুক্তরাষ্ট্রে গে অধিকার প্রতিষ্ঠায় হার্ভে মিল্কের ভুমিকা ব্যাপক ছিল। তারই জীবনের গল্প নিয়ে তৈরী এই মুভি। মিল্কে অভিনয়ের জন্য শন পেন এবার অস্কারও জিতেছে। ছবিতে কিছু গে সেক্স দৃশ্য হয়তো আমাদের মত সাধারন দর্শকদের কাছে দৃষ্টিকটু দেখাবে, তবে সেটা ছবির প্রয়োজনেই সংযুক্ত করা হয়েছে। কিউরিয়াস কেস অব বেঞ্জামিন বাটনও আরেকটা চমৎকার মুভি। এটা প্রায় পরিচ্ছন্ন এবং বেশ এন্টারটেইনিংও।

পেনিলোপি ক্রুজের এবার দুটো মুভি এসেছিল। প্রথমটি ছিল এলিজি। বয়স্ক প্রফেসারের সাথে তরুনী ছাত্রীর শারীরিক সম্পর্কের গল্প। শুনতে যতটা হালকা শোনায় আসলে গল্পটা ততটা হালকা নয়; বরং চমৎকার একটা অনুভুতিপ্রবন বিষয়ের মধ্য দিয়ে ঘটনাগুলোকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বয়স্ক প্রফেসার তার ছাত্রীকে পছন্দ করার অন্যতম প্রধান কারন ছিল তার ব্রেস্ট। কিন্তু ছাত্রীর যখন ব্রেস্ট ক্যানসার ধরা পড়ে তখনই গল্প মোড় নিতে শুরু করে অন্য প্রবাহে। সময় পেলে দেখার জন্য অনুরোধ রইলো। আরেকটা মুভি ছিল ভিকি ক্রিস্টিনা বার্সিলোনা। খুব সাদামাটা গল্প দিয়েও যে চমৎকার একটা থিম ফুটিয়ে তোলা যায়; সেটারই এক অসাধারন প্রদর্শনী।

একেবারে পরিছন্ন মুভির কথা বললে বলতে হবে ডাউট। যুক্তরাষ্ট্রের এক ক্রান্তিকালে, যখন কালোদের অধিকার আরো জোরালো ভাবে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছিল, তখন এক মিশনারী স্কুলে প্রথমবারের মত এক কালো ছাত্রকে ভর্তি করা হয়েছিল। স্কুলের ফাদারের সেই ছাত্রের প্রতি বিশেষ সহানুভুতি প্রিন্সিপালের মনে তৈরী করেছিল প্রবল সন্দেহ। এই সন্দেহই ধীরেধীরে বিস্তৃত হয়ে ডাউট ছবির গল্পকে তৈরী করে। এখানে এ্যামি এ্যাডামসের কিশোরীসূলভ অভিনয় আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে। পরিবারের সবাইকে নিয়ে দেখারমত একটা ছবি ডাউট।

এত গেলো বছরের সমালোচকদের কাটাছেড়ায় সেরা ছবিগুলো। এর বাহিরেও যে অন্য ধরনটি রয়েছে, সেখানে সমালোচকরা পছন্দের রায় খুব কমই দেয়। কিন্তু তাতে সেই ছবিগুলোর তেমন কিছু যায় আসে না। কারন দর্শকই যে সেই ছবিগুলোর প্রধান সমালোচক। আজকের মত এখানেই থামছি; চতুর্থ পর্বে সেই এন্টারটেইনিং মুভিগুলো নিয়ে আলোচনা করার ইচ্ছে রইলো।

৬ মার্চ ২০০৯
ডাবলিন, আয়ারল্যান্ড।
৮টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×