এর আগের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি ও তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ একবার বলেছিলেন, বর্তমান সরকার (ওই তত্ত্বাবধায়ক সরকার) রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার। আর যায় কোথায়, সংবাদমাধ্যমগুলো হামলে পড়েছিল তার বক্তব্যের চুলচেরা বিশ্লেষণে।
তারপর ওই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ভেঙ্গে গেলো। গঠিত হলো নতুন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। তাও প্রায় আট মাস হতে চললো। কিন্তু এতোদিন পরে এসেও সরকারের ধরনটা আসলে কি তা বোধহয় স্পষ্ট হলো না।
কারন গতকালণ আইন উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন বলেছিলেন, বর্তমান সরকার সেনা সমর্থিত জাতীয় সরকার। আজ আবার সেনা প্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদ বললেন, এই সরকার নির্দলীয়, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার। সেনাবাহিনী সরকারের একটা অংশ।
কয়েকদিন আগেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সারাদেশে একটা অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি হয়েছিলো। সরকার যেভাবেই হোক সেটা সামাল দিয়েছে। এখন কোনো কারনে যদি সরকারের ধরণ নিয়ে আবারও জনমনে প্রশ্ন জাগে সেটা হবে অত্যন্ত দৃষ্টিকটু ব্যাপার।
গণমাধ্যম ও তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা বিষয়টিকে নানাভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে। এতে জনমনে একটা বিভ্রান্তি সৃষ্টির অবকাশ থেকে যায়। তাই সরকারের মুখপাত্র হিসেবে কেউ কিছু বলার আগে তার উচিত হবে সেটার প্রতিক্রিয়া কি হবে তা ভেবে দেখা। যাতে জনমনে নতুন করে বিভ্রান্তির সৃষ্টি না হয়।
ব্লগাররা, আপনাদের কি মনে হয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

