একটি গল্প
২১ শে জুন, ২০০৮ রাত ১০:৫৩
মা ! আমি পানি নিয়ে আসিগে ! ''
মা চুপ! তাকিয়ে আছেন অন্যদিকে, আনমনা আর উদাস; হতাশা আর ক্লান্তির বিষন্ন ছাপ লেপ্টে আছে চেহারায়। ক্লান্তির শেষ সীমায় পেঁৌচে গেছেন তিনি।
মেয়ে বারবার জিজ্ঞেস করে শেষে ক্লান্ত হয়ে থেমে গেল।
মার তখনো হুশ নেই।
গল্পটি আরো অনেকভাবেই শুরু করা যেতে পারে। কিন্তু আমি শুরু করলাম এভাবেই।
আমার জানতে খুব ইচ্ছে করে, মেয়েটির বাবা কোথায় ? আর মহিলার স্বামী ? অন্যায় এবং আগ্রাসনবাদী যুদ্ধের থাবায় সে হারিয়ে যায়নি তো ? মহিলাটি ওভাবে বসে আছে কেন ? তার কোলের যাদু কি রাসায়নিক বোমার আরো একটি অসহায় শিকার ? ডাক্তার কি তবে মা- টি ফি দিতে না পারায় চিকিৎসায় অনিচ্ছুক হয়ে পড়েছে ? মহিলাটি সুদুরে তাকিয়ে আনমনে কী দেখছে ? আর ভাবছেই টা বা কি ? হারিয়ে যাওয়া স্বামীর স্মৃতি ? নাকি সন্তানের কপালের ফেরের কথা ?
এ কি ? মহিলার চোখের তারায় ফের ফুটে উঠছে মিগ ১৭ এর ধুসরাভ ছায়া ? না বাবা ! আমি পালাই ! আমি তো কোন টিপু নই ! কিসের ঠেকা পড়েছে পৈত্রিক জানটি খোয়াবার ? নাহ ! এবারটি পালাই !
লেখক বলেছেন: আসলে গল্পটি পাঠক জানেন, মানে আপনারা। এবং কখনো কখনো আমার থেকেও ভাল। তাই শেষ করিনি। কখনো আগন্তুক কোন পাঠক আসবে, আর গল্পটি আমাকে শোনাতে থাকবে। হয়তো আমি ভার হয়ে গল্প শেষ হবার পূর্বেই অজুহাত তুলে গল্পকারকে আড়াল করে দাড়াবো; কিংবা হয়তো আমার চোখে জ্বলে উঠবে এক টুকরো আগুন।
সেই অপেক্ষায় আছি সবাক !
ধন্যবাদ !
হায়দার কািরগর বলেছেন:
অনেক অনেক ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ !
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
শুরুর লাইনটা চলচ্চিত্রের মতো ।
এরপর হঠাৎ যেন গল্প বাঁক নিলো মন্তব্য প্রতিবেদনে ।
তারপরও ভালো লেগেছ ! +
লেখক বলেছেন: আমার ভাল লাগছে এই জেনে যে, তারপরেও আপনার ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ আব্দুর রাজ্জাক শিপন !
আফগান কাবুলের বাজারে যখন ঘুরি, এমন অনেকের দেখা মেলে।
সেদিন দুপুরে রোশান প্লাজার (পাশেই ব্রাক আফগানিস্থান ব্যাংক) পাশে দেখি বোরখা পড়া মায়ের পাশে ৭/৮ বছরের বাচ্চাটা দূর্বল ভাবে শুয়ে আছে। একটা হাত কবজি আর কুনুই এর মাঝে কাটা। ময়লা কালচে ক্ষত-স্থানে মাছি বসছে।
এই জীবন, যেখনে যখন যেমন।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন ! যেখানে যখন যেমন ! কিন্তু আমার দৃষ্টি থাকতে হবে। সে দৃষ্টি দিয়ে জীবনকে দেখা, সকলের সাথে বোঝাপড়া করার জন্য। তাই না !
ধন্যবাদ সবুজ !
কালপুরুষ বলেছেন:
দেখার চোখ থাকলে অনেকের মাঝেই অনেক কিছুই দেখা সম্ভব। মানুষের মুখের ভাষা যে পড়তে জানে, সে মানুষের অনেক কিছুই বুঝে নেয়। সেখানে মুখের ভাষার প্রয়োজন হয়না।
কালপুরুষ বলেছেন:
এখানে মুখের ভাষা দুই অর্থে বলা করা হয়েছে- এক হলো অভিব্যক্তি, দুই হলো কথা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কালপুরুষ ! সাথে সাথে থাকার জন্যে। আর আমার উৎসাহ বাড়িয়ে যাবার জন্যে। আপনার উপস্থিতির সাথে সাথে যা বাড়ছে ক্রমশ।
লেখক বলেছেন: কী ? ? ?
সঞ্জিব বলেছেন:
হুম্ম...
লেখক বলেছেন: হুম ! হুম ! উফ ! হুম !
লেখক বলেছেন: তাই ? দু:খিত !
হায়দার কািরগর বলেছেন:
আপনার গল্পগুলোকে ছবির গল্প বলা যায় ?
এই গল্পটি আমার প্রিয় পোষ্টে রাখার কারন গল্পটি ছাপাতে চাই আমাদের প্রকাশনা পথিকৃত-এর আগামী সংখ্যায়। যদি আপনার সম্মতি থাকে।
আপনার সাথে যোগাযোগ প্রয়োজন।
ধন্যবাদ আমার পোষ্ট পড়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনার কী মনে হয় ! ছবির গল্প ? তবে তাই সই ! আমি আগেই বলেছি গল্পটা মূলত পাঠকের। সেই শেষ করবে। আমি কেবল অপেক্ষা করছি।
ও হ্যা। দেখেছি এবং সেজন্যে সম্মানীত বোধ করছি।
আর হ্যা ছাপাতে পারেন। খুশি হয়েছি আপনার আগ্রহ দেখে। ডিটেল জানার জন্য এই এড্রেস রইল। ধন্যবাদ !
আকাশচুরি বলেছেন:
++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আকাশচুরি ! সংক্ষিপ্ত অথচ ইঙ্গিতবহ কমেন্ট করার জন্য।



















কিছু বুঝে ওঠার আগেই গল্পটি শেষ !!!
মনে হয় বঞ্চিত করলেন
পিপাসা কিন্তু মেটেনি।