আমার প্রিয় পোস্ট
- পিশিং এর মাধ্যমে হ্যাকিং করুন বাঘা বাঘা সব ইউজারদের ফেসবুক একাউন্ট।সম্পূর্ণ টিউটোরিয়াল।হ্যাকিং পর্ব-২ - সজীব রহমান
- ট্রানজিটের পয়লা মাশুল: তিতাস একটি খুন হয়ে যাওয়া নদীর নাম! - দিনমজুর
- লাক্স এর চামড়া ব্যবসা , দর্শকের দেহ কামনা আর ব্লগে ধর্ষকামী ভূতের আছর - ১ম পর্ব - রাগ ইমন
- পার্বত্য চট্টগ্রাম পাকিস্থানে অন্তর্ভুক্ত হলো যেভাবে : ইতিহাসের পথ ধরে একটি বিশ্লেষণের চেষ্টা - পড়ুয়া_পড়ুয়া
- যে পোশাকে পুরুষকে নগ্ন বলে, তারও কম পোশাকে নারী অবলীলায় বাইরে বেরোয় - মন যাযাবর
- "English থেকে বাংলা অনুবাদের সহজ অনলাইন পন্থা" - রেজাউল করিম (রকি)
- ৫ টি এক্সক্লুসিভ ভিডিও যা আপনার রক্ত সন্চালন দ্রুত করবে। (না দেখলে মিস করবেন) - মাহমুদুল হাসান কায়রো
- IELTS ফ্রি ডাউনলোড এর কারখানা (নতুন) !!!যাবতীয় মালমশলা ফ্রি ডাউনলোড : পর্ব -৪ - পরিবেশবাদী ঈগলপাখি
- ঘুরে এলাম বিরিশিরি ও মুক্তাগাছা জমিদারবাড়ী
- আসিফ মুভি পাগলা
- সেরা ৫টি সিকিউরিটি স্যুট। বেছে নিন আপনারটা। - আদনান_ফিরদাউস
- উবুন্টুতে আমার প্রিয় দশটি সফটওয়্যার(ইন্জিনিয়ার'স চয়েস ) - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- আসেন পাইথন শিখি - শুভ রহমান
- জুমলা টিউটোরিয়াল: সম্পূর্ণ - গৌতম রায়
- আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ১) - মাহমুদ সিএসই
- বিনামুল্যে ই-বুক ডাউনলোড করার কয়েকটি লিঙ্ক। - খুজে ফিরি অজানা কে?
- কীবোর্ডের সমস্যা হলেও পাসওয়ার্ড লিখে কম্পিউটার ওপেন করার উপায় - মোঃ শরিফুল ইসলাম সবুজ
- বিশ্ববিবেককে কাঁপিয়েছিল যে ছবি - জোবাইর
- সালাম না HI ??????


- মৌনোতা
- আমার দেখা সেরা গ্যাংস্টার মুভিগুলো - অপরিচিত_আবির
- বাংলা বানান নিয়ে যারা সমস্যায় আছেন, তাদের জন্য - ত্রিভুজ
- প্রোগ্রামার এবং ওয়েব-ডেভেলপারদের জন্য 'হেড ফার্স্ট' সিরিজের অসাধারণ-ব্যতিক্রমী কিছু বই - বজ্রাহত
- সিকিম সিনড্রোম? - েমাহাম্মদ িমজানুর রহমান
- সামু দাবা নকআউট টুর্নামেন্ট ২০০৯ .......পর্ব ৩ - রিফাত হোসেন
- বাড়িয়ে নিন আপনার ডাউন লোড স্পীড- ৫থেকে ৭গুন - েভােরর স্বপ্ন
- How to Hack XP Passwords - তানহা তাবাসসুম
- ATTN. কমপিউটার জগৎ ব্লগ কর্তৃপক্ষ ( সাময়িক পোস্ট ) - শয়তান
- গোলাপ ফুলের বিভিন্ন রংয়ের বিভিন্ন অর্থ (২) - জেনন
- এবার দাবি --- "র্যাব ও ডিজিএফআই ভেঙে দিন" এরপর আর কি? - সাজিদস্টার
- আমার কালো মা......... - নাজনীন১
- হা, আমি বলছি আমি রাজাকার... - লুথা
- পর্দা কি প্রগতির অন্তরায় ? - সজীব আসলাম
জাতীয়তাবাদ ও ইসলাম
০৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:১৩
জাতীয়তাবাদের অর্থ ও তার নিগূঢ় তত্ত্ব সম্পর্কে যারা চিন্তা করবে তারা নিঃসন্দেহে স্বীকার করবে যে, অন্তর্নিহিত ভাবধারা, লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যের দৃষ্টিতে ইসলাম এবং জাতীয়তাবাদ পরস্পর বিরোধী দুটি আদর্শ। ইসলাম নির্বিশেষে সমগ্র মানুষকে আহ্বান জানায় মানুষ হিসেবে। সমগ্র মানুষের সামনে ইসলাম একটি আদর্শগত ও বিশ্বাসমূলক নৈতিক বিধান পেশ করে-একটি সুবিচার ও আলাহভীরুমূলক সমাজ ব্যবস্থা উপস্থিত করে এবং নির্বিশেষে সকল মানুষকেই তা গ্রহণ করার জন্য আহ্বান জানায়। অতপর যারাই তা গ্রহণ করে, সমান অধিকার ও মর্যাদা সহকারে তাদের সকলকেই তার গণ্ডীর মধ্যে গ্রহণ করে নেয়। ইসলামের ইবাদত, অর্থনীতি, সমাজ, আইনগত অধিকার ও কর্তব্য ইত্যাদি কোনো কাজেই ইসলাম গ্রহণকারীদের মধ্যে জাতিগত, বংশগত, ভৌগলিক কিংবা শ্রেণীগত বৈষম্য সৃষ্টি করে না। ইসলামের চরম উদ্দেশ্য হচ্ছে এমন একটি বিশ্বরাষ্ট্র (World state) গঠন করা, যাতে মানুষের মধ্যে বংশগত ও জাতিগত হিংসা-বিদ্বেষের সমস্ত শৃংখলা ছিন্ন করে সমগ্র মানুষকে সমান অধিকার লাভের জন্য সমান সুবিধা দিয়ে একটি তামাদ্দুনিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা কায়েম করা হবে। সমাজের লোকদের মধ্যে শত্রুতামূলক প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবর্তে পারস্পারিক বন্ধুত্বমূলক সহযোগিতা সৃষ্টি করা হবে। ফলে সকল মানুষ পরস্পরের জন্য বৈষয়িক উৎকর্ষ ও সমৃদ্ধি লাভ এবং আধ্যাত্মিক উন্নতি সাধনে সাহায্যকারী হবে। মানুষের কল্যাণ সাধনের জন্য ইসলাম যে নীতি ও জীবন ব্যবস্থা পেশ করে, সাধারণ মানুষ তা ঠিক তখন গ্রহণ করতে পারে, যখন তার মধ্যে কোনোরূপ জাহেলী ভাবধারা ও হিংসা-বিদ্বেষ বর্তমান থাকবে না। জাতীয় ঐতিহ্যের মায়া, বংশীয় আভিজাত্য ও গৌরবের নেশা, রক্ত এবং মাটির সম্পর্কের অন্ধ মোহ থেকে নিজেকে মুক্ত করে কেবল মানুষ হিসেবেই তাকে সত্য, সুবিচার, ন্যায় ও সততা যাচাই করতে হবে-একটি শ্রেণী, জাতি বা দেশ হিসেবে নয়, সামগ্রিকভাবে গোটা মানবতার কল্যাণের পথ তাকে সন্ধান করতে হবে।
পক্ষান্তরে জাতীয়তাবাদ মানুষের মধ্যে জাতীয়তার দৃষ্টিতে পার্থক্য সৃষ্টি করে। জাতীয়তাবাদের ফলে অনিবার্য রূপে প্রত্যেক জাতির জাতীয়তাবাদী ব্যক্তি নিজ জাতিকে অন্যান্য সমগ্র জাতি অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর মনে করবে। সে যদি অত্যন্ত হিংসুক জাতীয়তাবাদী (Aggressive Nationalist) না-ও হয়, তবুও নিছক জাতীয়তাবাদী হওয়ার কারণে সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, আইন-কানুনের দিক দিয়ে সে নিজ জাতি ও অপর জাতির মধ্যে পার্থক্য করতে বাধ্য হবে। নিজ জাতির জন্যে যতোদূর সম্ভব অধিক স্বার্থ ও সুযোগ-সুবিধা সংরক্ষণের চেষ্টা করবে। জাতীয় স্বার্থের জন্য অর্থনৈতিক বৈষম্যের প্রাচীর দাঁড় করাতে বাধ্য হবে। উপরন্তু যেসব ঐতিহ্য ও প্রাচীন বিদ্বেষভাবের উপর তার জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠিত, তার সংরক্ষণের জন্যে এবং নিজের মধ্যে জাতীয় আভিজাত্যবোধ জাগ্রত রাখার জন্য তাকে চেষ্টানুবর্তী হতে হবে। অন্য জাতির লোককে সাম্যনীতির ভিত্তিতে জীবনের কোনো বিভাগেই সে নিজের সাথে শরীক করতে প্রস্তুত হতে পারবে না। তার জাতি যেখানেই অন্যান্য জাতি অপেক্ষা অধিকতর বেশী স্বার্থ ও সুযোগ-সুবিধা লাভ করতে থাকবে বা লাভ করতে পারবে, সেখানে তার মন ও মস্তিষ্ক থেকে সুবিচারের একটি কথাও ব্যক্ত হবে না। বিশ্বরাষ্ট্রের (World State) পরিবর্তে জাতীয় রাষ্ট্র (National state) প্রতিষ্ঠা করাই হবে তার চরম লক্ষ্য। সে যদি কোনো বিশ্বজনীন মতাদর্শ গ্রহণ করে, তবুও তা নিশ্চিতরূপে সাম্রাজ্যবাদে পরিণত হবে। কারণ তার রাষ্ট্রে অন্যান্য জাতীয় লোকদেরকে সমান অংশীদার হিসেবে কখনো স্থান দেয়া যেতে পারে না। অবশ্য গোলাম ও দাসানুদাস হিসেবেই তাকে গ্রহণ করা যেতে পারে।
এখানে এ দ্বিবিধ মতবাদের নীতি, উদ্দেশ্য ও অন্তর্নিহিত ভাবধারার সাধারণ আলোচনাই করা হলো। এতোটুকু আলোচনা থেকে সুস্পষ্টরূপে প্রমাণিত হয় যে, এ দুটি সম্পূর্ণরূপে পরস্পর বিরোধী। যেখানে জাতীয়তাবাদ হবে, সেখানে ইসলাম কখনোই প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না। অনুরূপভাবে যেখানে ইসলাম কায়েম হবে, তথায় এ জাতীয়তাবাদ এক মূহুর্তও টিকতে পারে না। জাতীয়তাবাদের বিকাশ ও উৎকর্ষ হলে ইসলামের প্রচার ও প্রতিষ্ঠার পথ সেখানে অবরুদ্ধ হবে। আর ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলে জাতীয়তাবাদের মূল উৎপাটিত হবেই। এমতাবস্থায় এক ব্যক্তির পক্ষেএকই সময় এ উভয় সময় কেবলমাত্র একটি মতকে গ্রহণ করতে পারে। একজন লোক একই সময় কেবলমাত্র একটি মতকে গ্রহণ করতে পারে। একই সময় এ দুই বিপরীতমুখী নৌকায় আরোহণ করা কারো পক্ষে সম্ভব নয়। একটি অনুসরণ করে চলার দাবী করার সাথে সাথেই তার ঠিক বিপরীত আদর্শের সমর্থন, সাহায্য ও পক্ষপাতিত্ব করা মানসিক বিকৃতির পরিচায়ক। যারা এরূপ করছে তাদের সম্পর্কে আমাদেরকে বাধ্য হয়েই বলতে হবে যে, হয় তারা ইসলামকে বুঝতে পারেনি, নয় জাতীয়তাবাদকে, কিংবা এ দুটির মধ্যে কোনোটিকেই তারা সঠিকরূপে অনুধাবন করতে সমর্থ হয়নি।
(সংকলিত ও সংযোজিত)
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:২৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
ভালো লিখেছেন। কিন্তু একই প্যারা কয়েকবার পেস্ট করে ফেলেছেন। দয়া করে ঠিক করে দিন। লেখক বলেছেন: ঠিক করা হল। অসংখ্য ধন্যবাদ।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
ইসলাম জাতীয়তাবাদ সমর্থন করে না। কিন্তু বাস্তব সত্য হল, সারা পৃথিবীতে জাতীয়তাবাদ আছে এবং থাকবে। আগেই বলে নেই, আপনি কিন্তু ক্ষেপে যেতে পারবেন না। আপনাকে কয়েকটা প্রশ্ন করার অনুমতি চাই।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই। আপনি যে কোন প্রশ্ন করতে পারেন।
প্রশান্ত শিমুল বলেছেন:
ভাল হয়েছে....তবে একই প্যারার পুনরাবৃত্তি হওয়ায় লেখাটা বড় দেখাচ্ছে ..অনেকে ভয়ে হয়তো পড়বেনা...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
আপনি তাহলে কথা দিচ্ছেন ০১) আপনি ক্ষেপে যাবেন না।
০২) প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দিবেন।
ঠিক ?
নুরুজ্জামান০৮ বলেছেন:
কেন ঠিক নয়।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
ইসলামও জাতীয়তাবাদের উপর ভিত্তি করেই সৃষ্ট। যদি না হয়, তবে --- কিভাবে ?
০১) ইসলাম তার আচার আচরণ ও পোশাক আশাকের মাধ্যমে আরব জাতির বৈশিষ্ট্যকেই তুলে ধরে, তাই নয় কি ? জুব্বা জাতীয় পোশাক তো আরবরাই পরিধান করে, তাই না ?
০২) কোরানের ভাষা আরবী। আরবদের ভাষাও আরবী। কোরান আরবী ভাষায় হওয়ায় সেটা আরবদের প্রতিনিধিত্ব করে না কি ?
০৩) বলা হচ্ছে, কোরান সকল মানুষের জন্য সংবিধান বা ইউজার ম্যানুয়াল। একটা সফটওয়্যারের ইউজার ম্যানুয়ালও আজকে পৃথিবীর প্রধানতম কয়েকটি ভাষায় রচিত হয়। কমপক্ষে ৬টি ভাষায় ইউজার ম্যানুয়াল থাকে। সে হিসেবে কোরান কেবল আরবী হওয়া মানে অন্য ভাষাগুলোকে অবহেলা করা নয় ? কোরান একই সাথে তৎকালীন সবগুলো প্রধান ভাষায় অবতীর্ণ হওয়া কি উচিত ছিল না ?
০৪) কোরানে যে সকল ঘটনা উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা আছে, তার সব গুলোই আরবীয়। মধ্যপ্রাচ্য থেকে বড় জোর পশ্চিম আফ্রিকা পর্যন্ত এই পরিধি। অথচ কোরান বিশ্ব মানবের। তাহলে উচিত ছিল না কি কোরানে অন্য জাতি গোষ্ঠীর কথা থাকা , কেবল আরব জাতির নয় ?
০৫) ইতিহাস বলে ভারতীয়রা প্রথম গণিতের জন্ম দেয়। বিশেষ করে শূন্যের ধারণা ভারতীয়রাই দেয়। পরবর্তীতে আরবীয়রা সেই ধারণা গ্রহণ করে। ভারতীয় মসলা ইউরোপে বিক্রি করত আরবীয়রা। কিন্তু কোন দিনও ইউরোপীয়দের ভারতে আসার পথ বাতলে দেয় নি। অর্থাৎ ভারতীয় সভ্যতা কোনভাবেই আরবীয় সভ্যতার চেয়ে কম দামি নয় ?
অনুরূপভাবে, চৈনিক সভ্যতাও যে খুব একটা দামি সভ্যতা তাও একটি হাদিসের মাধ্যমে স্বীকার করা হয়েছে।
এভাবে পৃথিবীর নানা জায়গায় নানা সভ্যতা পৃথিবীকে সমৃদ্ধ করেছে। কেবল আরবদেরকেই আমরা কেবল সেরা মনে করব ? অন্য সভ্যতাগুলো কি এই পৃথিবীতে ভাল ভাল অবদান রেখে যায় নি ?
০৬) একটা জাতির জাতীয়তাবোধ একদিনে সৃষ্টি হয় না। প্রথম কারণ হল একটি নির্দিষ্ট ভূমিতে বসবাস। একই ভাষায় কথা বলা। ধর্মাচরণের দিক থেকেও এক। সামাজিক রেওয়াজগুলোর মিল। সংস্কৃতিক আচার আচরণও এক। সবচেয়ে বড় কথা, নিজেকে ওই জাতির অংশ মনে করার অনুভূতি সৃষ্টি হওয়া মনে।
এভাবে সারা পৃথিবীতে নানা জাতি গোষ্ঠীর সৃষ্টি। সৃষ্টি তাদের মধ্যে জাতীয়তা বোধ। এই জিনিসটা কোরান সমর্থনা না করলেও টিকে থাকবে। এটাই বাস্তবতা। কোরান সেই বাস্তবতার বিরুদ্ধে কেন গেল ?
আমার মতামত :
এই পৃথিবীটা কারও একার নয়। সবার। তাই এই পৃথিবীতে বাস করতে হলে শিখতে হবে কিভাবে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান করা যায়। ভাষা, ধর্ম ও মতাদর্শগত দিক থেকে পার্থক্য থাকাই স্বাভাবিক। সেটা মেনে নিয়ে অপরের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। অপরের মতামতকে শ্রদ্ধা করতে হবে।
নিজের মতটাই সেরা, অপরের মতটা ফালতু - এই মনোভাব সংঘাতের জন্ম দেয়। সৃষ্টি করে অশান্তি। আমাদের প্রত্যেককে অপরকে শ্রদ্ধা করতে হবে। কেবল নিজের কথা বলা নয়, তার কথাও শুনতে হবে।
তন্ময় হাসান বলেছেন:
জবাবের অপেক্ষায় আছি।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
তন্ময় হাসান @ আমিও অপেক্ষায় আছি।
আওরঙ্গজেব বলেছেন:
'লেখাজোকা শামীম ',ইসলাম মানে আরবীয় জাতীয়তাবাদ নয়। কোরআনের কোথাও একথা লেখা নেই।
আমি কিছু উত্তর আমার জ্ঞানের মধ্যে দিচ্ছি:
১.
ইসলামী পোশাক মানে পূরুষ ও মেয়েদের সতর ঢাকা। এর বাইরে যার যার খুশি মতো পোষাক পড়তে পারে। আমেরিকার মুসলমানরা প্যান্ট-শার্ট পড়ে। তবে কেউ বড় পোশাক পড়তে পারে (মাওলানারা পড়ে), তবে তা জরুরী নয়।
২-৩.
মুহাম্মদ সা: এর ভাষা যা ছিল, কোরআনের ভাষাও তাই। আজ বিভিন্ন ভাষায় হাদিস-কোরআনের অনুবাদ ও তাফসির রয়েছে। একটা ইউনিভার্সাল ভাষা তখন ছিলনা, এখন যেমন ইংরেজী।
৪.
অন্য জাতীর কথাও কোরআনে আছে। সুরা রূম পড়ুন যেটা রোমানদের নিয়ে। তখন যেসব জাতি প্রভাবশালী ছিল বা তখনকার লোকজন যেসব জাতির ব্যাপারে বেশী জানত সেগুলোর কথা বেশী এসেছে।
তাছাড়া ঘটনাগুলো শিক্ষার জন্য দেয়া হয়েছে, আরবীয় জাতীয়তাবাদ তুলে ধরার জন্য নয়।
৫.
কোরআন-হাদিস রিচার্স করে ইসলামিক স্কলাররা বলেন, হিন্দু সহ বিশ্বের বেশিরভাগ ধর্মের অরিজিনালি 'ইসলাম' (নিজ নিজ ভাষায়) ছিল (আল্লাহর একত্ববাদের উপর)।
যেমন, হযরত নুহের (আ: ) এর এক পুত্র ভারতে এসে সিন্ধু নদের অববাহিকায় বসতি গড়ে তুলেন, যার পরবর্তীরা আজকের ভারতবাসী।
তাওহীদের বাণিবাহক ইসলাম ধর্ম পরে বিকৃতির কারণে (শিরক) আল্লাহর কাছে বাতিল হয়ে যায়।
৬.
বিশ্বে বিভিন্ন ভাষা, কৃষ্টি, সংস্কৃতি, আচার-আচরণ ইসলাম সমর্থন করে। কোরআনেই আছে এসব আল্লাহ আমাদের আইডেনটিটি হিসেবে সৃষ্টি করেছেন।
তবে ইসলামে জাতীয়তাবাদ নেই বলে যে কথা স্কলাররা বলছেন, তা হল - ইসলামে ধর্ম, বর্ণ, দেশ নিয়ে নাগরিক সুযোগ সুবিধা, হিংসা, মারামারি করা যাবে না। (লেখকের লেখার শুরুটা পড়ুন)
যেমন, রাসুলুল্লাহর সময়, কালো বেলাল (রা: ) ইসলামের প্রথম মোয়াযযেন। তাঁর পালিত ছেলের ছেলে উসামা সেনাপতি হলেন। কেউ তাদের অরিজিন বা কালার নিয়ে কথা বলেনি। অথচ সে সময় কালোরা ছিল ওখানে ক্রীতদাস।
তাই আমি বলি, আপনার চিন্তার সাথে লেখকের লেখা বুঝার সাথে পার্থক্য আছে। পার্থক্যটা সুক্ষ, কিন্তু ইসলাম সম্পর্কে আরো পড়ালেখার মাধ্যমে সহজে পূরন সম্ভব।
ধন্যবাদ।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
লেখক তো উত্তর দিলেন না @ আওরঙ্গজেব
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
আওরঙ্গজেব ভাইকে অনেক ধন্যবাদ সুন্দর জবাবের জন্য
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
@লেখাজোকা শামীম , আওরঙ্গজেব তো দিলেন, উনারটা আপনার ভালো লাগে নাই?
বিষয়টা অনেক বিস্তৃত আলোচনার দাবী রাখে।
তারপরে ও যেটুকু আলোচনা করেছেন ভালোই হয়েছে।
এতে কি আপনি মাওলানা মওদুদীর "ইসলাম ও জাতীয়তাবাদ" বই হতে কোন সাহায্য নিয়েছেন? রেফারেন্স দিলে ভালো হোত।
আপনার এই লেখার উপরে আমার একটি লেখা রয়েছে।
Click This Link
সময়-সুযোগ হলে দেখে আসবেন আশা করি।
লেখক বলেছেন: জী মাওলানা মওদুদীর "ইসলাম ও জাতীয়তাবাদ" বই হতে কোন সাহায্য নিয়েছি।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















