আমার প্রিয় পোস্ট

পরাজিত হতে হতে আমি উঠে দাড়িয়েছি এবার ফিরে যাবো না খালি হাতে, স্তব্ধতা আর সৌন্দর্যের পায়ে পায়ে এগিয়ে যাই যে কবি সে কখনো খালি হাতে ফিরে যেতে পারে না ।

জিয়া হত্যা কিংবা মুক্তিযোদ্ধা আর্মি অফিসার নির্মুল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন

৩০ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:১০

শেয়ার করুন:                   Facebook


৩০ শে মে ১৯৮১ , রোজ শনিবার , ভোর সাড়ে চারটা , চিটাগাং সার্কিট হাউজ । বর্ষন শ্রান্ত রজনীর শেষ প্রহর , চট্রগ্রামবাসীদের চকিত শংকিত করে জেগে উঠল নৈশ স্তব্ধতা ভঙ্গকারী গোলাগুলির শব্দ । সার্কিট হাউজ চত্বর ভরে গেল ধোয়া আর বারুদের গন্ধে । সার্কিট হাউজে ঘুমিয়েছিলেন তিনি ।গোলাগুলির শব্দে উঠে বসলেন ।

কি ব্যাপার ? ঘটনা প্রত্যক্ষ করতে বেরিয়ে এলেন দরজা খুলে , পরনে রাতে শয্যার পোশাক । গভীর আত্মপ্রত্যয় আর অগাধ আস্থা নিয়ে বেরিয়ে এলেন ।

কি চাও তোমরা?

প্রত্যুত্তরে অতি কাছ থেকে তার উপর সরাসরি গর্জে উঠল স্টেনগানের ব্রাশ ফায়ার , ঝাঝরা হয়ে গেল দেহ । গড়িয়ে পড়লেন নিষ্প্রাণ (?) দেহে মুক্তযুদ্ধকালীন প্রথমে ১ নং সেক্টর ,পরে জেড ফোর্স কমান্ডার তৎকালীন রাস্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ।

২। প্রচার করা হল , লে. কর্নেল মতিউর রহমান বীর উত্তম রাস্ট্রপতিকে গুলি করেছেন । স্মর্তব্য লে. মতি পাকিস্তান থেকে পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেয়া প্রথম দলের একজন জেনারেল ওসমানি’র নির্দেশে যিনি সেক্টর ১০ ও ১১ তে গেরিলা এডভাইজার ছিলেন ।

৩। আরো জানানো হল , চট্রগ্রাম সেনা অভ্যুথান এর কথা যার নেতা হিসেবে এলো চট্টগ্রাম সেনানিবাসের তৎকালীন এরিয়া কমান্ডার ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল এম এ মঞ্জুর বীর উত্তম এর নাম । স্মর্তব্য, একাত্তরে ১৬ ডিসে ঢাকায় ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে যৌথ বাহিনীর কাছে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। তার ৯ দিন আগেই যশোর সেনানিবাসের পতন হয়েছিল ৭ তারিখে যশোর সেনানিবাসের পাকিস্তান ট্যাংক রেজিমেন্টের একটি দল আত্মসমর্পণ না করে খুলনার শিরোমনিতে পজিশন নেয়। কথিত আছে যে, তারা ৭ম নৌবহরের আশায় খুলনা হয়ে বঙ্গোপসাগরের দিকে সরে যাচ্ছিল। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের প্রচন্ড আক্রমণের মুখে পাকবাহিনীর ট্যাংক রেজিমেন্টের ওই দলটি আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছিল। ওই অপারেশনটির নাম ‘ব্যাটল অব শিরোমনি’ এবং অপারেশনের কমান্ডার যিনি দুই হাতে দুই এসএলআর উঁচিয়ে ফায়ার করতে করতে ট্যাংকের ভেতরে ঢুকে গিয়েছিলেন তিনি হচ্ছেন ৮ নং সেক্টর কমান্ডার লে. কর্নেল (পরবর্তীকালে মেজর জেনারেল) এমএ মঞ্জুর, বীরউত্তম।

৪। জুন ২,১৯৮১ সকালে বেতার -টেলিভিশনে সরকারিভাবে জানানো হল , “আমাদের বিক্ষুব্দ সৈন্যরা মঞ্জুরকে হত্যা করেছে “। কিন্তু রাতের খবরে জানানো হয় , “তাকে গ্রেফতার করে চট্রগ্রাম সেনানিবাসে আনার সময় (১ লা জুন ৮১) পথে একদল সশত্র লোক বন্দীদের ছিনিয়ে নেবার চেস্টা করে এবং নিরাপত্তা প্রহরীদের সাথে গুলি বিনিময় হয় । এতে জেনারেল মঞ্জুর গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন ও হাসপাতালে নেবার পথে তিনি মৃত্যুবরন করেন । তার অন্য দু’জন সহযো্গী লে. কর্নেল মতিউর রহমান বীর উত্তম , লে কর্নেল মাহবুবুর রহমান বীর উত্তম ঘটনা স্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরন করেন ।”

এভাবে জিয়া হত্যার কলন্ক মাথায় নিয়ে তারা চলে যেতে বাধ্য হলেন এই দুনিয়া থেকে । যে দেশের স্বাধীনতার জন্য তারা জীবন বাজি রেখে সেই দেশের জনগন আজও জানে না তাদের কপালে সাড়ে তিন হাত মাটি জুটেছিল কিনা , কোথায় তাদের কবর ?

৫। ব্রিগেডিয়ার মহসিন , লে. ক. মাহফুজুর রহমান , লে. ক. দেলোয়ার হোসেন , কর্নেল নওয়াজেস, কর্নেল এম রশিদ সহ ১৩ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে দেয়া হল ফাঁসি ।

তারা কি সত্যি জিয়া হত্যায় জড়িত ছিলেন ? নাকি হত্যাকারিদের আড়াল করতেই তাদের মারা হল? নাকি মুক্তিযোদ্ধা আর্মি অফিসার নির্মুল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হল ? মেজর মনজুর বা মতিয়ুর কে কেন বিচারের সম্মূখিন করা হল না ? কারা ছিল খলনায়কের ভুমিকায় ? জিয়ার সফর সাথীরা বেচে গেলেন কিভাবে ? নেপথ্যে ছিল কারা ? কোন বিদেশি শক্তি ছিল কি ? আজও কি রহস্যাবৃত হয়ে থাকবে জিয়া , মনজুর বা মতিয়ুর হত্যার মুল ঘটনা? ভাসুরের নাম নেয়ার কি সময় হয়নি এখনো ?

৩০ শে মে ১৯৮১ , রোজ শনিবার , ভোর সাড়ে চারটা , চিটাগাং সার্কিট হাউজ । বর্ষন শ্রান্ত রজনীর শেষ প্রহর , চট্রগ্রামবাসীদের চকিত শংকিত করে জেগে উঠল নৈশ স্তব্ধতা ভঙ্গকারী গোলাগুলির শব্দ । সার্কিট হাউজ চত্বর ভরে গেল ধোয়া আর বারুদের গন্ধে । সার্কিট হাউজে ঘুমিয়েছিলেন তিনি ।গোলাগুলির শব্দে উঠে বসলেন ।

কি ব্যাপার ? ঘটনা প্রত্যক্ষ করতে বেরিয়ে এলেন দরজা খুলে , পরনে রাতে শয্যার পোশাক । গভীর আত্মপ্রত্যয় আর অগাধ আস্থা নিয়ে বেরিয়ে এলেন ।

কি চাও তোমরা?

প্রত্যুত্তরে অতি কাছ থেকে তার উপর সরাসরি গর্জে উঠল স্টেনগানের ব্রাশ ফায়ার , ঝাঝরা হয়ে গেল দেহ । গড়িয়ে পড়লেন নিষ্প্রাণ (?) দেহে মুক্তযুদ্ধকালীন প্রথমে ১ নং সেক্টর ,পরে জেড ফোর্স কমান্ডার তৎকালীন রাস্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ।

২। প্রচার করা হল , লে. কর্নেল মতিউর রহমান বীর উত্তম রাস্ট্রপতিকে গুলি করেছেন । স্মর্তব্য লে. মতি পাকিস্তান থেকে পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেয়া প্রথম দলের একজন জেনারেল ওসমানি’র নির্দেশে যিনি সেক্টর ১০ ও ১১ তে গেরিলা এডভাইজার ছিলেন ।

৩। আরো জানানো হল , চট্রগ্রাম সেনা অভ্যুথান এর কথা যার নেতা হিসেবে এলো চট্টগ্রাম সেনানিবাসের তৎকালীন এরিয়া কমান্ডার ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল এম এ মঞ্জুর বীর উত্তম এর নাম । স্মর্তব্য, একাত্তরে ১৬ ডিসে ঢাকায় ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে যৌথ বাহিনীর কাছে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। তার ৯ দিন আগেই যশোর সেনানিবাসের পতন হয়েছিল ৭ তারিখে যশোর সেনানিবাসের পাকিস্তান ট্যাংক রেজিমেন্টের একটি দল আত্মসমর্পণ না করে খুলনার শিরোমনিতে পজিশন নেয়। কথিত আছে যে, তারা ৭ম নৌবহরের আশায় খুলনা হয়ে বঙ্গোপসাগরের দিকে সরে যাচ্ছিল। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের প্রচন্ড আক্রমণের মুখে পাকবাহিনীর ট্যাংক রেজিমেন্টের ওই দলটি আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছিল। ওই অপারেশনটির নাম ‘ব্যাটল অব শিরোমনি’ এবং অপারেশনের কমান্ডার যিনি দুই হাতে দুই এসএলআর উঁচিয়ে ফায়ার করতে করতে ট্যাংকের ভেতরে ঢুকে গিয়েছিলেন তিনি হচ্ছেন ৮ নং সেক্টর কমান্ডার লে. কর্নেল (পরবর্তীকালে মেজর জেনারেল) এমএ মঞ্জুর, বীরউত্তম।

৪। জুন ২,১৯৮১ সকালে বেতার -টেলিভিশনে সরকারিভাবে জানানো হল , “আমাদের বিক্ষুব্দ সৈন্যরা মঞ্জুরকে হত্যা করেছে “। কিন্তু রাতের খবরে জানানো হয় , “তাকে গ্রেফতার করে চট্রগ্রাম সেনানিবাসে আনার সময় (১ লা জুন ৮১) পথে একদল সশত্র লোক বন্দীদের ছিনিয়ে নেবার চেস্টা করে এবং নিরাপত্তা প্রহরীদের সাথে গুলি বিনিময় হয় । এতে জেনারেল মঞ্জুর গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন ও হাসপাতালে নেবার পথে তিনি মৃত্যুবরন করেন । তার অন্য দু’জন সহযো্গী লে. কর্নেল মতিউর রহমান বীর উত্তম , লে কর্নেল মাহবুবুর রহমান বীর উত্তম ঘটনা স্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরন করেন ।”

এভাবে জিয়া হত্যার কলন্ক মাথায় নিয়ে তারা চলে যেতে বাধ্য হলেন এই দুনিয়া থেকে । যে দেশের স্বাধীনতার জন্য তারা জীবন বাজি রেখে সেই দেশের জনগন আজও জানে না তাদের কপালে সাড়ে তিন হাত মাটি জুটেছিল কিনা , কোথায় তাদের কবর ?

৫। ব্রিগেডিয়ার মহসিন , লে. ক. মাহফুজুর রহমান , লে. ক. দেলোয়ার হোসেন , কর্নেল নওয়াজেস, কর্নেল এম রশিদ সহ ১৩ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে দেয়া হল ফাঁসি ।

তারা কি সত্যি জিয়া হত্যায় জড়িত ছিলেন ? নাকি হত্যাকারিদের আড়াল করতেই তাদের মারা হল? নাকি মুক্তিযোদ্ধা আর্মি অফিসার নির্মুল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হল ? মেজর মনজুর বা মতিয়ুর কে কেন বিচারের সম্মূখিন করা হল না ? কারা ছিল খলনায়কের ভুমিকায় ? জিয়ার সফর সাথীরা বেচে গেলেন কিভাবে ? নেপথ্যে ছিল কারা ? কোন বিদেশি শক্তি ছিল কি ? আজও কি রহস্যাবৃত হয়ে থাকবে জিয়া , মনজুর বা মতিয়ুর হত্যার মুল ঘটনা? ভাসুরের নাম নেয়ার কি সময় হয়নি এখনো ?

 

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:১৭

 

  • ২৬ টি মন্তব্য
  • ৩৫৪ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ৩০ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:৪০
comment by: জইন বলেছেন: অসাধারণ....অসাধারণ.....অসাধারণ।

লেখাটা খুবই ভাল হয়েছে.......

এই হত্যার বিচার চাই......

নিরিহ বীরদের উপর যে অপবাদ তা ঘুচে যাক....
৩০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

২. ৩০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:১১
comment by: খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:
হুমমমমমমমমমম
কি যে কমু এটাই বুজতাছি না...........
ইতিহাসের দিকে নজর দিয়া বর্তমান অবস্থা দেখলে শুধু নিজেকেই অভিশাপ দিতে ইচ্ছা করে।

৩০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:১০

লেখক বলেছেন: হুমমম ।

৩. ৩০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮
comment by: আশিক হাসান বলেছেন: “এভাবে জিয়া হত্যার কলন্ক মাথায় নিয়ে তারা চলে যেতে বাধ্য হলেন এই দুনিয়া থেকে । যে দেশের স্বাধীনতার জন্য তারা জীবন বাজি রেখে সেই দেশের জনগন আজও জানে না তাদের কপালে সাড়ে তিন হাত মাটি জুটেছিল কিনা , কোথায় তাদের কবর ?”

চট্টগ্রাম সেনানিবাসের কবরস্থান অফিসার্স মেস বলে পরিচিত মেসে কিছুদিন থাকাকালীন সময়ে লক্ষ্য করলাম মেসের ঠিক পাশেই একটি খুব পুরোনো কবরস্থান পাহাড়ের গা ঘেঁষে । নেহাতই কৌতুহল বশে এবং জিয়ারতের উদ্দেশ্যে অবসরে একদিন সেই প্রাচীন কবরস্থান পুরোনো জংধরা লোহার গেটটি ঠেলে প্রবেশ করলাম কবরস্থানের ভেতরে ,দেখলাম বেশ কটি পুরোনো কবর ঝোপঝাড়ে ঢেকে গেছে প্রায় ।হঠাৎ একটি কবরের এপিটাফে দেখলাম সেখানে লেখা মেজর জেনারেল এমএ মঞ্জুর, বীরউত্তম নাম লেখা । অনাদরে আর অবহেলায় কোনমতে এপিটাফ টা দাড়িয়ে ছিল বলে কবরটা চইনতে পেরেছিলাম ভেতরের কষ্টটা সেখানে দাড়িয়ে নিজের মনের মাঝে অনেক কষ্টে সংবরন করলাম ।সেখানে দাড়িয়ে আল্লাহর কাছে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর সেনানীর জন্য মন থেকে দোয়া করলাম আর মন থেকে নিজের শ্রদ্ধামিশ্রিত ভাষায় বলেছিলাম তাকে যেখানেই তুমি ঘুমিয়ে থাকনা কেন হোক সে অজানা অচেনা কোন কবরস্থানে কিন্ত তুমি বেঁচে থাকবে আমৃত্যু আমাদের মাঝে । হয়ত সেদিন আরেকটু সময় নিয়ে খোঁজ করলে এই ঘটনায় নিহত সেই সব বীর সেনানীদের সমাধিক্ষেত্র খুঁজে পেতাম ।

এখানে লেখকের সুবিধার্থে তথ্যটা তুলে ধরলাম এবং সেইসাথে পোস্টের সাথে প্রাসংগিক মনে করে অন্যদের জেনে রাখার জন্য প্রকাশ করলাম।

৩০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:০৯

লেখক বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংযোজনের জন্য ধন্যবাদ ।

৪. ৩০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯
comment by: মইনুল িমঠু বলেছেন: সত্যিই রহস্যময়। এটা অনেকটা বুদ্ধিজিবী হত্যাকান্ডের মতোই পরিকল্পিত মুক্তিযোদ্ধা হত্যাকান্ড।এবং বিদেশি শক্তির প্রত্যক্ষ হাত ছিলো বলেই মনে হয়। কিন্তু জিয়া পরিবার এ ব্যাপারে বরাবরই নিরব।
৩০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:১৩

লেখক বলেছেন: " বিদেশি শক্তির প্রত্যক্ষ হাত ছিলো বলেই মনে হয়"

মনে পড়ে গেল পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানের হত্যার কথা । তার হত্যা রহস্য কোনদিনই উদঘাটিত হতে পারেনি । কারন তার হত্যাকারিকেও সাথে সাথে মেরে ফেলা হয়েছিল । অবশ্য তখন সবাই ধরে নিয়েছিল কোন বিদেশী শক্তি এতে জড়িত ছিল । জিয়া হত্যার ব্যাপারেও এমন সম্ভাবনা বিচিত্র নয় ।

৫. ৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:১০
comment by: রোহান বলেছেন: মইনুল মিঠু বলেছেন: সত্যিই রহস্যময়। এটা অনেকটা বুদ্ধিজিবী হত্যাকান্ডের মতোই পরিকল্পিত মুক্তিযোদ্ধা হত্যাকান্ড।এবং বিদেশি শক্তির প্রত্যক্ষ হাত ছিলো বলেই মনে হয়। কিন্তু জিয়া পরিবার এ ব্যাপারে বরাবরই নিরব।

আসলেই রহস্যময় এই হত্যাকান্ড... অদ্ভুত কথা হলো বিএনপি, জিয়া পরিবার, কোন সরকার, জনগন কিংবা আর্মি কেউ এর গভীরে যেতে চায়নি... এমনকি আজও এই ব্লগেও যারা জিয়ার গুনকীর্তন করতে করতে মুখে ফেনা তুলে ফেলেন, তারাও এই মৃত্যুকে স্রেফ ব্যার্থ সামরিক অভ্যুত্থান বলেই এড়িয়ে যান...

ব্যাটল অব শিরোমনির ইতিহাস তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ
৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬. ৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:০২
comment by: নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: ১৯৮১র পরে বিএনপি দুইদফা ক্ষমতায় ছিল। কিন্তু খালেদা জিয়া বা তাঁর পুত্রদ্বয়কে কখনোই পিতার প্রকৃত হত্যাকারীর বিচার করার ব্যাপারে আগ্রহী হতে দেখা যায় নি। সেটাই রহস্য ! জিয়া -মনজুর হত্যা রহস্য উদঘাটিত হোক তা' খালেদা সরকার হয়ত চায়নি বা চাইলেও বি এন পি'র নেতাদের চাপে তা' এগোইনি কারন তাতে হয়্ত লেবু তিতা হবে , কেচো খুরতে শুধু সাপ বেড়িয়ে পড়বে ।
৭. ৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭
comment by: টোকাই খান বলেছেন: জাতি হিসাবে আমরা বরাবরই অকৃতজ্ঞ।
৩১ শে মে, ২০০৯ সকাল ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: ঠিক ।
ধন্যবাদ।

৮. ৩১ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:২৫
comment by: ইশতিয়াক অাহমেদ বলেছেন: অসধারন, মানিক ভাই...
৯. ৩১ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৫
comment by: নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ইশতিয়াক ।
১০. ৩১ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৮
comment by: নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: মেজর জেনারেল মন্জুরের অভ্যুথান পরিকল্পনায় "জিয়া হত্যা"র সিদ্ধান্ত না থাকা সত্ত্বেও কেন লে. ক. মতিউর রহমান সরাসরি জিয়াকে খুব কাছ থেকে স্টেনগানের ব্রাশ ফায়ারে হত্যা করলেন তা একমাত্র তিনিই ভাল জানবেন । কিন্তু তাকে মেরে ফেলা হয় । আর এ ব্যাপারে লে. ক. মাহফুজুর রহমান হয়ত জানতেন কিন্তু তাকেও ফাসি দেয়া হয় ।
১১. ৩১ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৪
comment by: লেখাজোকা শামীম বলেছেন: এইটা পরিষ্কার হইলে অনেক লোকের সমস্যা আছে। এইটা চাপা পড়েই থাকবে আজীবন। কেবল মহাকাল সঠিক ইতিহাস বের করবে একদিন।
১২. ৩১ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:২৭
comment by: নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: ঠিক বলেছেন শামীম ভাই ।
১৩. ৩১ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৪২
comment by: গৌতম রায় বলেছেন: প্লাস।
৩১ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ গৌতম ।

১৪. ৩১ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:২২
comment by: এস সুলতানা বলেছেন: দারুণ পোষ্ট++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++। ভালেঅ লেগেছে।
০১ লা জুন, ২০০৯ সকাল ১০:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

১৫. ০৫ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:২৪
comment by: রিমঝিম বৃষ্টি বলেছেন: এরশাদই ছিল জিয়া হত্যার মূল নায়ক।
১৬. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২০
comment by: হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ বিষয়টি তুলে আনবার জন্য।

তিনটি সেনা বিদ্রোহ এবং কিছু না বলা কথা বইটিতে উল্লেখ করেছিল যে এরশাদের সাথে জিয়ার খুনী মতির একটি আনশিডিউল্ড মিটিং হয়েছিল ঘটনার ২/১ দিনের আগে। এ বিষয়টা নিয়ে আর কেউ কি কিছু উল্লেখ করেছেন? নাকি এদেশের আরো অনেক অমিমাংসিত রহস্যের মত এটিও রয়ে গেছে অজানা
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: লিগ্যাসি অব ব্লাড অনুযায়ী লে. কর্নেল মতিউর রহমান দুই বছর আগেই জিয়া হত্যার পরিকল্পনা করছিলেন ।

জিয়া হত্যা নিয়ে আরো বিস্তারিত লিখব ।

১৭. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২১
comment by: হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: সেটার অপেক্ষায় থাকলাম। ধন্যবাদ।

 

 


ইমেইল : manik061624@yahoo.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই