আমার প্রিয় পোস্ট

https://sites.google.com/site/masumjujulynuvan/

সোনার বাংলার কালো সোনার ভারাক্রান্ত গল্প

১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:০৭

শেয়ারঃ
0 0 0



ইহা কোন গল্প নয়, বাস্তব। এক কঠিন বাস্তব। কথায় আছে, হাতের লক্ষী ঠেলে দিতে নেই, কিন্তু আমাদের এ কি অবস্থা! দেশের সম্পদের কোন সুষ্ঠু ব্যাবস্থাপনা করা হচ্ছেনা। না গ্যাস সেক্টরে, না কয়লা, না কালো সোনার ক্ষেত্রে যা নিয়ে আজ আমি লিখছি।

কালো সোনা সম্পর্কে আগে ধারনা পেশ করা যাক। কালো সোনা বা ব্ল্যাক গোল্ড (তেল নয়) হল কিছু মিশ্রিত তেজস্ক্রিয় খনিজ পদার্থ যেমন –জিরকন, ইলমেনাইট, রুটাইল, গার্নেট, ম্যাগনেটাইট, মোনাজাইট ইত্যাদি।
জিরকন শব্দটি আরবি ‘জারক্বুন’ থেকে এসেছে যার অর্থ সিঁদুরে। জিরকনে ভারী ধাতু জিরকোনিয়াম ছাড়াও তেজস্ক্রিয় ইউরেনিয়াম ও থোরিয়াম বিদ্যমান। এই জিরকন খুবই মুল্যবান ধাতু যা থেকে জিরকোনিয়াম ধাতু পাওয়া যায় যা কিনা পারমানবিক রিয়্যাক্টরে নিউট্রনের শোষক (এ্যাবসর্বার) বা মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ক্যাটালিস্ট বা প্রভাবক হিসেবে ও অনেক ক্ষেত্রে জেমস স্টোন হিসেবেও জিরকন ব্যবহৃত হয়। জিরকনে নিহিত অন্যান্য ধাতু যেমন ইউরেনিয়াম এর ব্যবহার আমরা জানি, তা পারমানবিক শক্তি উৎপন্নে কাজে লাগে। আরেক তেজস্ক্রিয় ধাতু থোরিয়াম এরও বহুবিধ ব্যবহার আছে, মূলত নিউক্লিয়ার ফুয়েল হিসেবে ও সংকর ধাতু প্রস্তুতীতে।
ইলমেনাইট ও রুটাইল হল মূলত খুব দামী ধাতু টাইটেনিয়ামের আকরিক। টাইটেনিয়াম ধাতু বিমান, মিসাইল, নভোঃযান প্রভৃতিতে ব্যবহৃত হোয়ার কারন ধাতুটি অত্যান্ত ঘাতসহ ও উচ্চ তাপমাত্রা নিরোধক। এছাড়াও ধাতু ওয়েল্ডিং এর কাজেও ইলমেনাইট ও রুটাইল ব্যবহার করা হয়।
গার্নেটের নাম আমরা হয়তো অনেকেই শুনেছি, খুব দামী জেমস স্টোন হিসেবে গার্নেটের ব্যবহার আছে, এছাড়াও শক্তিশালী লেসার রশ্মী তৈরীতেও পরিশোধিতো গার্নেট ব্যবহৃত হয়। ম্যাগনেটাইট পদার্থের নাম ও আমরা জানি, এর অন্যতম বৈশিষ্ট হল আর্সেনিক ধাতু দুরীভূত করা। আমাদের দেশে অনেক অঞ্চলে আর্সেনিক বিষকৃয়ায় হাজারো লোক আক্রান্ত। ম্যাগনেটাইটকে ছাকনি বা সর্বেন্ট হিসেবে ব্যবহার করে খুব সহজেই আর্সেনিক পৃথকীকরন করা সম্ভব। এছাড়াও বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য প্রস্তুতে, এক্স-রে মেশিন ও নিউক্লিয়ার রিয়েক্টরে রেডিয়েসন শিল্ড হিসেবে এর ব্যবহার আছে।
বাকি থাকলো মোনাজাইট। এটাও অত্যান্ত মূল্যবান একটি আকরিক যাতে মুল্যবান তেজস্ক্রিয় সেরিয়াম, থোরিয়াম, ইটারিয়াম, ল্যান্থানাম, নিওডিয়াম ও গ্যাডোলিনিয়াম বিদ্যমান। যেগুলো কিনা বৈজ্ঞানিক গবেষনারে খুব মুল্যবান ধাতু হিসেবে পরিচিত।

এত কিছু লিখার কারন কি? কারন হচ্ছে এই সকল ধাতুর একটি অন্যতম বৃহৎ অংশ আমাদের দেশে আছে। শুধু আছে বললেই হবে না, প্রচুর পরিমানে আছে। কক্সবাজার, ইনানী, টেকনাফ, মহেশখালী, নিঝুম দ্বীপ, কুয়াকাটা সহ দেশের সাগড় পাড়ের অঞ্চল গুলোতে এই কালো সোনা প্রচুর পরিমানে মজুদ আছে।
এবার কিছু বৈজ্ঞানিক উপাত্তের দিকে লক্ষ্য করি। AUSIMM জার্নালে প্রকাশিত “Physical, Chemical and Mineralogical Investigations on Bangladesh Zircon” নামক এই পাবলিকেশনে দাবী করা হয়েছে বাংলাদেশে প্রাপ্ত জিরকনের বিশুদ্ধতা প্রায় ৯৫.৮৯ শতাংশ। খাঁদ হিসেবে যা আছে সেটাও বেশ দামী এক আকরিক, টাইটেনিয়াম অক্সাইড। তারা এক্সরে ডিফ্র্যাকশন এর সাহায্যে এই উপাত্ত পেয়েছেন যা নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। আনুমানিক হিসেবে বাংলাদেশের এই কোস্টাল অঞ্চলে প্রায় ১৬০ হাজার টন জিরকন, ৭০ হাজার টন রুটাইল, ১০২৬ হাজার টন ইলমেনাইট, ২২৫ হাজার টন গার্নেট, ১৭ হাজার টন মোনাজাইট ও প্রায় ৮১ হাজার টন ম্যাগনেটাইট মজুদ আছে, এ সংখ্যা কম-বেশী হতে পাড়ে।

সোনার বাংলায় নাকি সোনার খনি নেই। কিন্তু আমাদের যা আছে এটা সোনা থেকে মোটেই কম নয়। এ খাত থেকে শত-শত কোটি টাকা আয় করা সম্ভব। কিন্তু ষাটের দশকে আবিষ্কৃত হওয়া এ খনি, সকল সরকারের আমলে তাদের রহস্যময় নিরবতা শঙ্কাজনক। বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কমিশনের নাম-কা-ওয়াস্তে একটি প্রকল্প চালু আছে এ খাতে, কিন্তু কোনোই গবেষণা নেই, সরকারী বরাদ্দ নেই তো গবেষণা করবে কি দিয়ে। আমরা আমাদের এই সম্পদকে অতল সাগরে বিলীন হয়ে যেতে দিতে পারিনা, পারিনা অন্য বৃহৎ কোন শক্তি এসে আমাদের এ সম্পদ লুটে নিয়ে যাক (আফ্রিকায় এটা প্রতিনিয়তই হচ্ছে)। আমাদের কিছু অন্তত করা উচিৎ। আশা করা যায় সরকার আশু পদক্ষেপ নেবেন এই ব্যাপারে, আমাদের সকলের-ই এটা কাম্য।

[বি.দ্র. বিচের ছবিটা আমার তোলা ;) ]

তথ্যসূত্রঃ
১। The Bangladesh Journal- 11th April, 2004 “Valuable minerals of Cox's Bazar go unutilized”.
২। The New Nation “
৩। বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কমিশন।
৪। RPA Journal Volume -11, Number-3 (July 1993)
৫। AUSMM Conference Paper, Paper ID: 5053
৬। wikipedia.com
৭| "Science Direct" MINPREX 2000 Conference Carlton, South VIC 3053, Australia (2000), pp. 391–396.

মোনাজাইট
জিরকোনিয়াম

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): তেজস্ক্রিয় খনিজইউরেনিয়ামতেজস্ক্রিয় বালুতেজস্ক্রিয় বালিজিরকনইলমেনাইটরুটাইলগার্নেটম্যাগনেটাইটমোনাজাইটথোরিয়ামপারমানবিক রিয়্যাক্টরধাতুরসায়নসোনার বাংলাকালো সোনা ;
প্রকাশ করা হয়েছে:   বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:১৮
লুথা বলেছেন: কেও নিজের ঘরে চুরি করলে, চোরের কি দোষ?

আমাদের চোর হইলো আমাদের রাজনীতিবিদরা / লেতা-পাতি নেতা / অসত আমলারা।
১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: ঠি্কই বলছেন ভাই, এই খনিজ আরোহনের পড়েও আশঙ্কা থেকে যাবে। রাজনীতিবিদরা চুরি করে সব গাপ করে দেবে, আর আমরা বসে বসে দেখব ঃ(

২. ১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:১৮
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট +++++

প্রিয়তে
১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০০

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ শূণ্য আরণ্যক

১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নিশাচর

৪. ১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:২১
শেখ মিলন বলেছেন: বাব্বাহ বলেন কি? সকালে উইঠায় আপনার লেখা পড়ে টাসকি খাইয়া গেলাম। এত দামি জিনিস সব ফালাইয়া রাখছে?
১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০১

লেখক বলেছেন: পড়ে আছে ভাই অনেকদিন হলো, কিন্তু কোন তদারকী নেই।

৫. ১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:২৩
তর্পন বলেছেন: গবেষণালব্ধ পরিশ্রমী পোষ্টের জন্য + এবং প্রিয়তে!

==========================
মেরুদন্ডওয়ালা লোক দুর্লভ। হিটখোর নপুংসক অবস্থানবিহীনই বেশী আমাদের মধ্যে-হাসিব ( http://tinyurl.com/merudondo )
১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০২

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ তর্পন

১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৭. ১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৫৮
কেমিকেল আলী বলেছেন: বাংলাদেশ জার্নালের নাম আজকেই ১ম শুনলাম। ভেবেছিলাম কোন জার্নাল হবে, পরে দেখলাম একটা বিডি নিউজের মত একটা সাইট।

আমাদের দেশে কিছু লোক হরহামেশাই এই ধরনের খবর ছড়িয়ে সাধারন মানুষকে বিভ্রান্ত করে। যেমন কোন জ্বালনী ছাড়া বিদ্যূৎ উৎপাদন, ফুয়েল বিহীন গাড়ি, ইত্যাদি ইত্যাদি।

এইসব খবর আমি কখনও পড়িও না। কারন এত ভাল আবিস্কার হলে বাংলাদেশের পেপারে নয়, বড় কোন জার্নাল (সায়েন্টিফিক পেপার) প্রকাশিত হওয়ার কথা। যা কখনও হয়না। কারনটা আপনি নিশ্চয় ভাল করেই জানেন।
ঐসব জার্নালে প্রকাশিত হবার মত নূন্যতম পরীক্ষালব্দ তথ্য বা উপাত্ত বাংলাদেশে গবেষনাগারে পাওয়া এই ধরনের সাবজেক্টে কখনও সম্ভব নয়।
কয়েকদিন আগে ইভান্স কথা প্রসঙ্গে বলল, আমেরিকার সবচেয়ে বেশি বাজেট (গবেষনা) জ্বালানী তেলের বিকল্প উদ্ভাবনের খাতে।

বাংলাদেশে এই ব্লাক গোল্ডের কথা আমার তেমনটাই মনে হচ্ছে।
১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৩০

লেখক বলেছেন: বাংলাদেশ জার্নালের নাম শুনে আপনার জার্নাল ভাবার কারন দেখে বিষ্মিত হচ্ছি ভাইয়া, কারন যে দেশে রিসার্চের-ই কোন কারবার নেই, সে দেশে আবার জার্নাল পাবলিশার থাকে কি করে।
যাই হোক, আপনার বিভ্রান্ত হবার কোন কারন নেই, আমি আমার নিবন্ধে বর্ণিত রেফারেন্সের ভিত্তিতে যে উপাত্ত দিয়েছি, হয়তো খনিজ তার চেয়েও মজুদ বেশি পরিমানে আছে। আপনার অবগতির জন্য আমি সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত পেপার দিচ্ছি, আর নিশ্চয়ই জানেন যে, সায়েন্স জার্নালের মর্যাদা কতখানি, খুঁজতে খুঁজতে আমাদের বিশ্বঃ এর লাইব্রেরী তে পেয়ে গেলাম জার্নাল পেপারটা।
Click This Link

Click This Link

Naher and Haseeb, 2000 S. Naher and A.S.M.A. Haseeb, Physical chemical mineralogical characteristics of Bangladesh zircon, Proceedings of the MINPREX 2000 Conference Carlton, South VIC 3053, Australia (2000), pp. 391–396.

আশা করি আপনার সন্দেহ দূর হবে।

৮. ১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৫৩
দ্বিজু বলেছেন: গুরত্বপূর্ন লেখা, প্রথম পাতায় কিছুটা হলেও স্থায়িত্ব দাবি করে।
১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মামুন ভাই। আপনের ডিপি-র পিচ্চিটা কে? বড়ই ্সুন্দর :)

১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:১৭

লেখক বলেছেন: :)

১০. ১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:১০
আলী-পরাগ বলেছেন: পৃথিবীতে আমাদের এই সরল জাতিটির ভালভাবে বাঁচার অধিকার দেওয়া হয়না। আমাদের যারা অভিভাবক (নেতারা), তারাই চান না যে আমাদের দেশের অসহায় জনগণ একটু শান্তির মুখ দেখুক... বাস্তব সত্য লিখেছেন, কিন্তু মনটা খারাপ হলো... সত্য লেখার জন্য+
১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:১৯

লেখক বলেছেন: এটাই নিয়তি রে ভাই। এজন্যই কবি গুরু লিখে গেছেন,
" রাজার হস্ত করে সমস্ত
কাঙ্গালের ধন চুরি ... "

১১. ১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৩০
বিপ্র বলেছেন: ভালো লিখেছিস দোস্ত...

এখানে বেশ কিছু তথ্য পেলাম...

___________________________

আয়তনে ক্ষুদ্র হলেও বাংলাদেশের ভূ-গর্ভে লুকায়িত রয়েছে চুনাপাথর, তামা, সিলিকা বালু, লবণ, কঠিন শিলা, চীনা মাটি ইত্যাদি অসংখ্য খনিজ সম্পদ। নেত্রকোনা জেলার অবস্থিত খনিতে চীনা মাটির পরিমাণ আনুমানিক ৪ লক্ষ ৬৪ হাজার টন।কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ও সেন্টমার্টিন দ্বীপে তেজস্ক্রিয় বালি- ইলমেনাইট, জিরকন, মোনাজাইট, রিওটাইল,ম্যাগনোটাইট, লিউকক্সিন ইতাদি পাওয়া গেছে যা (Black Gold) বা ‘কালো সোনা’ হিসেবে খ্যাত। এছাড়া মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া পাহাড়ে ইউরেনিয়াম পাওয়া গেছে। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম, হবিগঞ্জের শাহজীবাজার, জামালপুরের ঝালিঝুরিতে সিলিকা বালির সন্ধান পাওয়া গেছে।দিনাজপুরের মধ্যপাড়া কয়লা খনিতে সোনা এবং দীঘিপাড়া ও নওগাঁর পত্নীতলা কয়লা খনিতে রূপা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ বিপ্র তোর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য। উল্লেখ্য লেখাটি আমাদের প্রযুক্তি-র পাতায়-ও প্রকাশ করা হয়েছে। http://www.amaderprojukti.com

১২. ১৮ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:০২
নুভান বলেছেন: বিপ্র-র থেকে আরেকটি লিঙ্ক পেলামঃ http://banglapedia.search.com.bd/HT/R_0214.htm
১৩. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৪
ইমন জুবায়ের বলেছেন: Joan Baez সম্বন্ধে একটা প্রশ্ন ছিল। তাঁর বাংলাদেশ গান সম্বন্ধে। এই লিঙ্কে সব তথ্য পাওয়া যাবে-
http://mukto-mona.com/wordpress/?p=52
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ইমন ভাই :)

১৪. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:১১
জুবুথুবু বলেছেন: অনেক আগে একবার শুনেছিলাম এক অস্ট্রেলিয়ান কোম্পানী একটা পাইলট প্ল্যান্ট বসিয়ে বানিজ্যিক উৎপাদনের উপযোগিতা যাচাই করবে। এ ব্যাপারে পরে আর কিছু শুনি নাই। বানিজ্যিক উৎপাদনের জন্য একটা পূর্বশর্ত হচ্ছে লাভজনক উপায়ে মূল উপাদান গুলোকে সংগ্রহ করা যায় কিনা। আমি এ পর্যন্ত যতগুলি লেখা পরেছি এই বিষয়ের উপর তাতে এই বষয় গুলি নিয়ে কখনো কোনো তথ্য বা ইংগিত থাকে না। আর যেকোনো বানিজ্যিক উদ্যোগের আগে প্রকল্পের লাভের বিষয়টা যে মুখ্য সেটা আর নতন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। এই বিষয়ে সত্যিকারের কিছু তথ্য পেলে পুরো ব্যপারটা নিয়েই একটা ভালো ধারনা পাওয়া যেত। আর এই রাসায়নিক বিশ্লেষটা তো মনে হয় খুব জটিল কিছুনা, খুব সহজেই করা যায়। কেনো যে এইটা হচ্ছেনা এইটাই রহস্য। আর যদি হয়েই থাকে তাহলে সেটা কেনো অপ্রকাশিত, কিছু বুঝি না।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:০০

লেখক বলেছেন: উত্তোলন লাভজনক হবেকিনা তার জন্য ফিজিবিলিটি স্টাদি করা উচিৎ, সেটাও করা হচ্ছেনা :(

১৫. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:৪৭
রিয়াজুল ইসলাম বলেছেন: দারুন তথ্য। জানা ছিল না।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।

১৬. ১২ ই নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:০৩
ত্রিভুজ বলেছেন: এই বিষয়টা নিয়ে অনেকদিন ধরেই শুনে আসছি, কিন্তু এত দীর্ঘ সময় ধরে এটা নিয়ে অদ্ভুত নীরবতা বিরাজ করছে কেন সেটাই বুঝতে পারছি না। এই তথ্যগুলোর ৪০% ও যদি ঠিক হয় তাহলে কিন্তু আমরা সেই ষাটের দশক থেকেই আন্তর্জাতিক রাজনীতির গুরত্বপূর্ন অংশে আছি, মানে এই সম্পদ চুরি করার জন্য সকল পরাশক্তিই চেষ্টা করে যাচ্ছে। আফ্রিকানদের যেভাবে দাবিয়ে রেখে তাদের সম্পদ চুরি করা হচ্ছে আমাদের উপরেও সেধরণের প্রক্রিয়া চলছে হয়তো.. অন্তত স্বাধীনতার এতগুলো বছর পরও এই দেশের এই অবস্থা দেখে মনে হয় না শুধু দেশের অভ্যন্তরীন সমস্যার কারণে আমরা পিছিয়ে আছি। শেষ পর্যন্ত এগুলো আমাদের থাকবে কিনা সেটাই ভাববার বিষয়।

 

মোট সময় লেগেছে ৩.০১১২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি তোমায় এত বেশি স্বপ্ন দেখেছি যে- তুমি তোমার বাস্তবতা হারিয়ে ফেলেছো...
আমি তোমায় এত বেশি স্বপ্ন দেখেছি যে-হয়তো আমার পক্ষে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই