১.
বিশ্বকাপ শুরু হওনের সাথে সাথে বাংলাদেশে গানিতিক হারে ক্রিকেটবোদ্ধার সংখ্যা আশংকাজনক হারে বাইড়া গেছে!! এত্ত বুঝদার চারিদিকে!!
দুর্মুখেরা অবশ্য বলে,ক্রিকেটীয় ফাইন লেগ অপেক্ষা তরুনীর ফাইন লেগ তিনি ভালো বুঝেন!! বোল হরি !!
অন্যদিকে বাংলাদেশের ক্রিকেটে রেগুলার অলরাউন্ডারের অভাব সাকিব মোটামুটি পুরন করলেও এখন আরেকজন অলরাউন্ডারের কথা বলবো,যিনি সকল অর্থেই সাকিব ও তার দলের চেয়ে সেরা!!
আসেন দাবী তুলি,''আনিসুল কে কোচ করুন,দেশের টাকা দেশেই রাখুন''
এই ব্যাপারে একটা কৌতুক মনে পড়লো ( প্রাইভেট ইউনির স্টুডেন্টরা মনে কিছু নিবেন না,.......কাল্পনিক )
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি '' পুরুষাঙ্গের মাথা দন্ডের চেয়ে মোটা কেন'' -শীর্ষক গবেষনায় প্রায় ১ বছর সময় দিলো,মোটামুটি ১,৭০০০০ টাকা খরচ কইরা তারা এই স্বিদ্ধান্তে উপনীত হইলো, ''যৌনমিলনের সময় পুরুষের বেশি তৃপ্তির জন্যই পুরুষাঙ্গের মাথা দন্ডের চেয়ে মোটা '' ।
নর্থ সাউথ একটা গবেষনা করছে,আর এআইইউবি তো বইসা থাকতে পারেনা।তারাও গবেষনা শুরু করলো।মোটামুটি ৩ বছর আর ২,৮০০০০টাকা খরচ করার পর তারাও একটা সিদ্ধান্তে আসলো ,'' যৌনমিলনের সময় নারীরা যেন বেশি তৃপ্তি পায়,তাই পুরুষাঙ্গের মাথা দন্ডের চেয়ে মোটা '' !!
দারুল ইহসানের তো আর ঐ দুইটা ইউনির মত টাকা নাই,আবার গবেষনা না করলে প্রেস্টিজের ব্যাপার.....তারা মোট ১৫০ টাকা খরচ কইরা নীলক্ষেত থিকা ৩ কপি রসময়গুপ্ত আর কাঁটাবন থিকা ২ টা স্টিক কিন্যা আনলো।
৩ দিন পর তারা তাদের গবেষনার রিপোর্ট প্রকাশ করলো,
'' হস্তমৈথুনের সময় পুরুষের হাত যেন ছুইটা কপালে আঘাত না করে,সেই জন্যই পুরুষাঙ্গের মাথা দন্ডের চেয়ে মোটা ''!!!
এহেন গবেষনাকারীর হাত থেকে প্রভু আমাদের রক্ষা করুন !
২.
ভাগ্যিস !! জীবনের কোনক্ষেত্রেই এখনো বড় কিছু হইনাই !! নাইলে আমার সবকিছু লইয়া টানাটানি পইরা যাইতো !!
কেন কইলাম?? বর্তমান সরকার যা শুরু করছে,তা নিয়া আর তিষ্ঠাইতে পারতাছিনা । যা করা দরকার তা নিয়া তাদের কোনো মাথাব্যাথা নাই ,আর যেই জিনিসগুলা ধীরে সুস্থে করা যায়,তাই নিয়া হেগো যত শরীর ব্যাথা। দিনদিন সরকারের মাঝে আমি সৌজন্যবোধের অভাব দেখতাছি ,খালেদা জিয়ারে বাইর করার ভদ্র একটা রাস্তা ছিলো( বাইর তো করতেই হইতো,কিন্তু এমন সীনক্রিয়েট কইরা?? ) ....সরকার সেইদিকে গেলোনা।ডঃইউনুস কত দূর্নীতি করছে সেই রাস্তায় গিয়াও আমার লাভ নাই.....কিন্ত মনে রাখতে হইবো সে একজন নোবেল বিজয়ী।এমন নোংরামী কইরা কার কি লাভ হইতাছে,তা কইতে পারিনা।তয় আমাগো মুখ কিন্তু উজ্জ্বল হইতাছেনা-এইটা সিউর।অনেকেই কইবো,বিদেশি বন্ধু দিয়া সে নোবেল পাইছে.....গুড,আমিও কই, অনেকেরই তো বন্ধুর সাথে প্রভুও আছে,হেরা নোবেল নিয়া আসুক....জয়ধ্বনি দিয়া ফাটায়া দিমু
চালের দাম বাড়তে বাড়তে ৫৩ টাকা,সেইদিকে খেয়াল নাই..... সামনের গরমে বিদ্যুত উৎপাদনের ব্যবস্থা ঠিক আছে কিনা..... তা নিয়া চিন্তা নাই...... যেই কয়টা রাজাকাররে ঢুকাইসে জেলে,সেইগুলারে বিচারের কাজও আগায় না
ভাগ্যিস !! আমি কেউকেটা না , নাইলে আমার ব্লগিং করাটাও হইতো না .....সরকার আমারে চেয়ার থিকা নামায়া দিতো !!আমরা আসলেই ভাগ্যবান !!
আরেকটা কৌতুক মনে পড়লো আমাদের এই কপাল নিয়া !!
জসিম নতুন বিয়া করছে,বাসর রাইতে বৌয়ের দিকে অগ্রসর হওয়া মাত্র বৌ তারে কইলো,এখনি গর্ভবতী হইতে চায় না।তাই জসিমরে কনডম কিনতে পাঠাইলো বৌ।
জসিমরে ফার্মেসিতে পাঠাইয়া বৌ ঘরের সব লাইট অফ কইরা জসিমের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলো।ঐদিকে জসিম অনেক খোঁজাখুঁজির পর একটা ফার্মেসী খুইজা পাইলো।কিন্তু সে আবিষ্কার করলো,তার পকেটে তাড়াহুড়ার কারনে মাত্র ১০ টাকা আছে।কি আর করা,দোকানিরে সে বুঝাইয়া কইলো।দোকানি কইলো,একটা মাত্র কনডম বিক্রি করবো সে,'' তিন রকম আছে,সাদাটা লোকোয়ালিটির,দাম ৫ টাকা.....কালো টা অ্যাভারেজ কোয়ালিটির,দাম ১০ টাকা......আর বেগুনিটা হাইকোয়ালিটির,দাম ১৫ টাকা......কোনটা নিবেন?? ''
জসিম কি আর করে,সে কালো রংয়ের একটা নিয়া বাসার উদ্দেশ্যে ছুটলো।ঐদিকে বিয়া বাড়ী টের পাইয়া যমের মত মিশমিশা কালো এক চোর আইছে । কালো চোরে ঢুইকা পড়লো বাসর ঘরে।বৌ ভাবলো জসিম ফির্যা আসছে.... তারে জড়ায়া ধরলো । চোর ভাবলো বেশ মজা তো..... যাবতীয় কার্য সম্পাদনের পর সুখীমন নিয়া বৌ শুইয়া পড়লো।
ঐদিকে জসিম ফির্যা আইস্যা বৌয়ের উপর তার যাবতীয় পুরুষত্ব নিয়া ঝাপায়া পড়লো..... বৌ ভাবলো স্বামীদেবতা তার ভালই এনার্জেটিক....এত তাড়াতাড়ি রিচার্জ হইছে !!
একবছর পর জসিমের একটা কালো কুচকুচে ছেলে হইলো,বছরখানেক ঘুরতেই ছেলের মুখে বোল ফুটলো,জসিমরে ছেলে জিজ্ঞেস করলো,''বাপ,তুমি এত ফর্সা আর আমি এত কালো কেন??''
জসিম ধমক দিয়া তার পুতেরে কইলো,'' তোর কপালটাই ভালো,.....পকেটে আর ৫ টাকা বেশি থাকলে তুই বেগুনী হইয়া জন্মাইতি ''
নাহ.........আমাগো কপালটাই ভালো .........
বি.দ্র. মূলপোস্ট আরো বড় ছিলো, কিন্তু দুর্ঘটনাবশতঃ মুছে ফেলায় সংক্ষেপে লিখতে হইয়াছে......... দূর্যোধন বিশ্বাস করে ব্লগের সকলের মানসিক বয়স ১৮ বা তদুর্ধ , সুতরাং হেডলাইনে ১৮+ লিখা বাদ দেওয়া হইলো।কেউ যদি বাচ্চাকে আমার পোস্ট পড়াইতে আসেন,তবে নিজ দায়িত্বে,এর জন্য ব্লগার কোনভাবেই দায়ী না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

