আমার প্রিয় পোস্ট
- বেহেশত নামের গ্রহ , অদ্ভুত Amenity , কুরআন , Geology - দাসত্ব
- DOI : ২ টি মেসেজ , নাম মুজিবের , ব্যক্তিটি কে ? - দাসত্ব
- বদরউদ্দিন সাহেব কিতা কইল...এইসব?? - শিমুল এলাহী
- ১৯৭১ - আমার দেখা দিনগুলি ১০ - মোহাম্মদ লোমান
- সৌদি আরবে বিজয় উৎসব’০৯ - মোঃমোজাম হক
- ২০০৯ সাল ও আওয়ামীলীগ - অন্তীম
- সজীব ওয়াজেদ জয় : বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখে/ বাংলাদেশের এক ডালিম কুমার - নিউজকাস্টার
- ইহা কেমন স্বাধীন দেশ? নিজ ভূমে ভিসি সাপ্তাহব্যাপি ছাত্রলীগ ক্যাডার দ্বারা গৃহবন্দী। - রহমানরক্তিম
- লোকে বলে আমি নাকি চুরি করেছি গম,এইচ টি ইমাম কি ফ্রুটিকা খাইলেন? - সুভ্র
- সেইন্ট মার্টিন - কক্সবাজার ভ্রমন : ২য় পর্ব - ওসমানজি২
- বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন একজন সাহসী আর্টিস্ট!! আপনি কি বলেন!! - আবু সাঈদ আহমেদ
মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশি।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:৩৯
বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রাণের চেয়েও প্রিয় রাজনৈতিক দলটিকে রাষ্ট্রপতি জিয়ার অবর্তমানে তার সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়া যোগ্যতার পরিচয় দিয়ে কোটি কোটি সমর্থকের মনে বিএনপিকে সতেজ ও প্রাণবন্ত একটি দল হিসেবে বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছেন। রাষ্ট্রপতি জিয়ার জ্যৈষ্ঠপুত্র তারেক রহমান পিতার হাতে গড়া দলটিকে পিতার মতো জনগণের কাছাকাছি পেঁৗছে দেয়ার জন্য নিরলস পরিশ্রম করেছেন। জনগণ তা দেখেছে। কিন্তু মান্নান ভূঁইয়া রাষ্ট্রপতি জিয়ার ইসলামি দর্শন তো দূরের কথা রাষ্ট্রপতি জিয়ার অন্য কোনো আদর্শকে জনগণের সামনে উপস্থাপন করার ব্যাপারেও অবদান রাখেননি। তিনি ড্রইং রুমকেন্দ্রিক রাজনীতি করে গেছেন। এখন সেই মান্নান ভূঁইয়া যদি বিএনপি’র মূলধারা হন তাহলে আমরা হাসব না কাঁদব, বুঝতে পারি না। তবে মুখ থেকে আপনা আপনি বেরিয়ে আসে, ‘ছিঃ’।
বিএনপি’র জন্মের কিছুদিন পর থেকেই দেখা যায়, বিএনপি’র বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ দর্শনকে বিলুপ্ত করার অসত উদ্দেশ্যে বিএনপিকে ভেঙেচুরে গুঁড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। বিএনপি’র ভেতরে লুকিয়ে থাকা কুচক্রীরাও সময় ও সুযোগ পাওয়া মাত্র মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। বিএনপিকে ব্রøাকেটবন্দী করে বিভক্তির মাধ্যমে দুর্বল করে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু মূলধারা হিসেবে বিএনপি’র নেতৃত্ব বেগম জিয়া শক্ত হাতে ধরে রেখেছেন। মান্নান ভূঁইয়া এখন নতুন কৌশলে মূলধারা হিসেবে নিজেকে দাবি করে বিএনপি’র কলিজায় হাত দিয়েছেন। তিনি চক্ষুলজ্জা সম্পূর্ণ বিসর্জন দিয়ে নিজেকে রাষ্ট্রপতি জিয়ার উত্তরসূরি হিসেবে দাবি করে বসেছেন। অথচ জনগণ তাকে দেখছে রাষ্ট্রপতি জিয়ার হাতে গড়া দল বিএনপি’র ধ্বংসকারী হিসেবে। তিনি নিজেকে জিয়া পরিবারের সদস্যদের চেয়েও বেশি বিএনপি দরদি ও জিয়ার আরো বড় উত্তরসূরি হিসেবে নিজেকে দাঁড় করাতে চাচ্ছেন। মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশি। তা শুভ লক্ষণ নয়। কারণ গত ১১ বছর ধরে দলের মহাসচিব থাকাকালে বিএনপি’র জন্য এত দরদ তিনি অনুভব করেছেন কি না সন্দেহ।
বিএনপিকে জনগণের সামনে তুলে ধরার জন্য বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি জিয়ার আদর্শের কথা যখন বলছেন বেগম খালেদা জিয়া, তখন বিএনপি’র প্রতিপক্ষরা তার মধ্যে পরিবারতন্ত্র দেখতে পেয়েছেন। তারেক রহমানও যখন বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে রাষ্ট্রপতি জিয়াকে অনুসরণ করে হাটে-ঘাটে-মাঠে ঘুরে বেড়িয়েছেন দলকে সংগঠিত করার জন্য, তখনো তা বিএনপি’র প্রতিপক্ষের কাছে পরিবারতন্ত্রের বাইরে যেতে পারেনি। আশ্চর্যের কথা, বর্তমানে মান্নান ভূঁইয়াও বিএনপি’র প্রতিপক্ষের মতো একই ভাষায় কথিত পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে কথা বলতে শুরু করেছেন। তার কি হঠাত এ বোধোদয় হয়েছে? না, তার অন্তরে আগে থেকেই এসব কথা বিদ্যমান ছিল? শুধু সময়ের অপেক্ষা করছিলেন? তার অন্তরে অন্য কিছু থাকার কারণে তিনি বিএনপি’র মহাসচিব থাকা সত্ত্বেও রাষ্ট্রপতি জিয়া যে আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, তার প্রতি মমত্ববোধ ও আন্তরিকতা তার মধ্যে কোনোদিনই লক্ষ করা যায়নি। এ কারণেই তিনি পরিবারতন্ত্রের কথা বলে বেগম জিয়া ও তারেক রহমানকে কোণঠাসা করতে চাইছেন। এর মাধ্যমে তিনি বিএনপি’র রাজনৈতিক দুশমনদের সমর্থন পাওয়ার আশা করছেন। আর জনগণ আশঙ্কা করছে, বিএনপি’র প্রকাশ্য ও গোপন শত্রুদের মাধ্যমে অচিরেই বিএনপি বা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে ভেঙে ফেলার জন্য বড় কোনো পদক্ষেপ নেয়া হবে। তিনি নিজে বিএনপি’র মহাসচিব হয়েও দলের প্রয়োজনীয় মুহূর্তে নিশ্চল থেকেছেন। দলের জন্য খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান কাজ করলে তা হবে পরিবারতন্ত্র? ভূঁইয়া নিজে ক্রান্তিকালীন নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ এবং তার একান্ত অনুগত বানিয়ে আপাত দুর্নীতিমুক্ত এমপিদেরকে দলের পক্ষে কাজ করতে দেবেন না। তাহলে দলের হয়ে কাজ করবে কে?
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বি এন পি, বি এন পি, বি এন পি বি এন পি, বি এন পি বি এন পি বি এন পি বি এন পি ;
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:৪১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ওবায়েদ বলেছেন:
তুমিতো বিদিশার পাগল, এবং তুমি একটা ছাগল!
নিন্দুক বলেছেন:
এইটা কি তারেকের জাহাজ? এইটা কি মালয়েশিয়া যাইতাসে?
নিন্দুক বলেছেন:
এইটা কি তারেকের জাহাজ? এইটা কি মালয়েশিয়া যাইতাসে?
এস্কিমো বলেছেন:
ওবায়েদ ভাই কোকো কে নিয়ে কিছু লিখেন।
পুতুল বলেছেন:
ময়লা ঘাটলে শুধু দুর্গন্ধই বের হয়।
ওবায়েদ বলেছেন:
ভাই কোকো অসুস্থ মানুষ, তার জন্য আমাদের দোয়া করা উচিৎ। এবং সে ব্যবসায়ী মানুষ , তার ব্যবসার ভালো অবস্থা দেখে, অনেকেই কানা চোখে দেখতে পারেন, এটাই স্বাভাবিক। সে খালেদা জিয়ার পুত্র বা বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রীর ছেলে ছিলো বলে কি ব্যবসা করা নিষেদ ছিলো !! সরকারীদলের নেত্রীর ছেলে বলে, কোন সুযোগ সুবিদা পেয়ে থাকলে, তার জন্য বিচারে কি হয়, তার অপেক্ষায় থাকাই উত্তম মনেকরছি।
নিন্দুক বলেছেন:
ওবায়েদ ভাই এদের সাথে আপনার ব্যবসাগুলোর কি অবস্থা?
হাসান বলেছেন:
ওবায়েদ কানা দুই প্রকারের হইয়া থাকে, এক কানায় চোখে দেখে না, আরেক কানায় দেইখ্যাও না দেখার ভান করে। আর আপনি হইলের দ্বিতীয় প্রজাতির কানা।যেখানে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবস্থাপনার জন্য ২ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোম্পানীর সাথে চুক্তি হওয়ার কথা সেখানে কার দালালীতে দরপত্র জমা দেবার ৭ দিন আগে গঠিত কোম্পানী কাজ পেয়ে যায় বলতে পারেন?
এতদিন তো কখনই কোকো মহারাজের জ্বর, হাচ্চি কাশির কথা শুনতে পাই নাই। আর জেলে পুরার সাথে সাথে মরমর অবস্থা হইয়া গেল?
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
আপনার লেখা পড়ে হাসবো না কাঁদবো বুঝতাসিনা। চালায় যান দালালি..
নগর বাউল বলেছেন:
ওবায়েদ ভাইয়া, খালেদা জিয়া তো শহীদ জিয়ার পরিবারের কাউকে তার বাড়ীতেই জায়গা দেয় নি। সব তার নিজের আত্মীয়-স্বজন।আপনি কি জানেন, শহীদ জিয়ার ছোট ভাই এখনো জীবিত?
তাহলে মা কে আর মাসী কে? খালেদা জিয়াই কি দুয়োরানী না? প্লিজ বলোনা ভাইয়া।
অলস বলেছেন:
আমার পরিচিত কিছু পাবলিক আছে যারা বিএনপি/আওয়ামী লীগের খুব অন্ধ সমর্থক। এগুলার সাথে যুক্তিতর্কে যাওয়া একেবারেই অর্থহীন। যাকে বলে হুদাই সময় নষ্ট।
সাইফুর বলেছেন:
দালালী
ওবায়েদ বলেছেন:
আমি যদি দালালী করি, যারা আমাকে দালালী বলছেন তারা কি!!!
বন্ধনহীন বলেছেন:
রাষ্ট্রপতি জিয়ার ইসলামি দর্শন!!! - এই জিনিসটা কি? এটা কোথায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















