somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আবারো ইলেকশান ইঞ্জিনিয়ারিং..........!
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28874244 http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28874244 2008-11-26 01:36:45
জঙ্গীবাদ নিয়ে একটা মন্তব্য..। এটিই হচ্ছে সত্য। http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28873948 http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28873948 2008-11-25 14:18:58 মাইকেল জ্যাকসন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। ওই পত্রিকায় বলা হয়, কলেমা পড়ানোর জন্য ইমাম এলে জ্যাকসন টুপি পরে মেঝেতে বসে পড়েন। এরপর কলেমা পড়েন তিনি।
বন্ধুর বাড়িতে একটি গান রেকর্ডিংয়ের সময় তিনি নতুন ধর্ম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। দৃশ্যত ইসলাম গ্রহণে তার ওপর প্রভাব বিস্তার করেন তার প্রযোজক ও গীতিকার বন্ধু ডেভিড ওয়ার্নসবি ও ফিলিপ বুবাল।
খবরে বলা হয়, ওই দু’জন তাদের বিশ্বাসের ব্যাপারে তাকে ধারণা দিতে শুরু করেন। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর তারা কিভাবে ভালো মানুষে পরিণত হয়েছেন, তা তাকে বোঝান তারা। এতে তিনি শিগগির ইসলামের দিকে ঝুঁকে পড়েন।
সান পত্রিকায় আরো বলা হয়, মসজিদ থেকে একজন ইমামকে ডাকা হয়, তিনি তাকে কলেমা তৈয়ব ও কলেমা শাহাদাত পড়ান।
সবচেয়ে বেশি মর্যাদাসম্পন্ন চার ফেরেশতার একজন মিকাইল আঃ-এর নামে তার নতুন নামকরণ হয়। নতুন নাম ‘মুস্তফা’ রাখার বিষয়ে রাজি হননি তিনি।
বিশেষ এক রেকর্ডিংয়ের চুক্তি ভাঙার কারণে বাহরাইনের যুবরাজ আবদুল্লাহ আল-খালিফের দায়ের করা ৪৭ লাখ পাউন্ডের মামলায় সোমবার তার আদালতে তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের কথা রয়েছে।

Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28872568 http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28872568 2008-11-22 14:29:50
জঙ্গি মৌলবাদী বানিয়ে কব্জা করার কৌশল । পাওয়া যায়। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশে চরমপন্থীদের উত্থান নিয়ে এসব লেখা দীর্ঘ দিন ধরে প্রকাশ হয়ে আসছিল। লেখাটিতে সজীব ওয়াজেদকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ প্রধানের তনয় হিসেবে পরিচয় না দিয়ে বলা হয়েছে, তিনি শেখ হাসিনার একজন উপদেষ্টা, যিনি বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য বিভিন্ন সময় সমঝোতাকারী বা আলোচক হিসেবে ভূমিকা পালন করেছেন। তার সহযোগী লেখক কার্ল জে. কিয়োভাকোকে বলা হয়েছে একজন আল কায়েদা বিশেষজ্ঞ, যিনি ইরাক ও সৌদি আরবে আমেরিকান সেনা কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন।
সজীব ও কার্লের প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে দাবি করা হয়েছে চরমপন্থীদের উত্থানের স্বর্গরাজ্য হিসেবে, যেখানে গণতন্ত্র সভ্যতা সব কিছু হুমকির মুখে। ২০০১ সালে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থনে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর অবস্থার চরম অবনতি ঘটেছে বলে বর্ণনা রয়েছে এতে। লেখাটির একটি অংশের বর্ণনাটি ঠিক এ রকম ঃ বিএনপি ব্যাপকভাবে জামায়াতে ইসলামীর মৌলবাদী ইসলামি আদর্শবাদী পন্থার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। ইসলামপন্থীরা ইসলামি প্রজাতন্ত্র পাকিস্তানের সাথে পুনরেকত্রীকরণ চায় এবং শেখ মুজিবুর রহমান ও ১৯৭০-এর দশকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লড়াইকারী মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আওয়ামী লীগের অনুরাগকে পাত্তা দেয় না। জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি’র ‘স্বাধীনতাবিরোধী জোট’র সাথে সেসব ইসলামি গ্রুপের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগসূত্র রয়েছে, যারা ২০০৫ সালে সমন্বিতভাবে একযোগে ৫০০ বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল। এই ঘটনা ছিল এসব চরমপন্থী সন্ত্রাসী ক্রমাগতভাবে কতটা শক্তি অর্জন করছে তার একটি মহড়া। জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি), জাগ্রত জনতা মুসলিম বাংলাদেশ (জেএমজেবি) ও হরকাতুল জিহাদ (হুজি) নামের এসব গোষ্ঠী জামায়াতে ইসলামীর সশস্ত্র শাখা। এসব গোষ্ঠী সংবিধানকে অস্বীকার করে এবং গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার পরিবর্তে শরিয়াহ আইন চালু করতে চায়।
জেএমবি, জেএমজেবি অথবা হুজি জামায়াতে ইসলামীর সশস্ত্র শাখা­ এমন দাবি প্রতিবেশী দেশের গোয়েন্দা সংস্থার মুখপাত্র লেখক হিসেবে পরিচিত হিরন্ময় কারলেকার ও সাউথ এশিয়া এনালাইসিস গ্রুপের ভাস্কর রায়ের লেখায় একাধিকবার এসেছে। তাদের এসব লেখা ভারতীয় ও আমেরিকান কিছু সাময়িকী ও ইন্টারনেটে প্রকাশ করা হয়। এবার আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদের কলম থেকে এর পুনরাবৃত্তি হওয়াকে বেশ তাতপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।
সজীব ও কার্লের লেখায় বিস্ময়কর কিছু বক্তব্য রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্পর্কে। তারা লিখেছেন ঃ বাংলাদেশে ইসলামি চরমপন্থীদের প্রভাব বৃদ্ধির পেছনে কাজ করছে সামরিক বাহিনীতে ইসলামপন্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি। ইসলামপন্থীরা সেনাবাহিনীতে প্রভাব বৃদ্ধির জন্য সেনাবাহিনীর নিয়োগ পরীক্ষার আগে মাদ্রাসাছাত্রদের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করে। কঠিন পরীক্ষা পার হওয়ার জন্য মাদ্রাসাছাত্রদের এই প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হয়। তরুণ বয়সী ছেলেদের ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বেকার থাকায় তাদের সামনে সেনাবাহিনীর চাকরি অত্যন্ত আকর্ষণীয়। সামরিক পদসমূহের উচ্চতর চাহিদার কারণে স্বল্পসংখ্যক ব্যক্তির নিয়োগ দানের উপযোগী করে পরীক্ষার নকশা তৈরি করা হয়। মাদ্রাসাছাত্রদের মধ্যে এই প্রশিক্ষণ ও প্রচারাভিযান শুরুর আগে ২০০১ সালে সেনা নিয়োগের মাত্র ৫ শতাংশ ছিল মাদ্রাসা শিক্ষিত। ২০০৬ সালের শেষে বিএনপি শাসনের অবসানের পর সেনাবাহিনীতে মাদ্রাসাছাত্র নিয়োগের হার ৩৫ উন্নীত হয় শতাংশে । যে দেশটির ৩৭ বছরের ইতিহাসে চারবার সামরিক অভ্যুত্থান ঘটেছে, সেখানে সেনাবাহিনীতে ইসলামপন্থীদের এ ব্যাপক প্রবৃদ্ধি শেষ পর্যন্ত কী বিপর্যয় নিয়ে আসতে পারে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
সেনাবাহিনী নিয়োগ সম্পর্কে এ মনগড়া বক্তব্য সজীব ওয়াজেদ দিতে পারেন তা অনেকের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। সেনাবাহিনীতে নিয়োগের ৩৫ শতাংশ মাদ্রাসাছাত্ররা পাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। বাস্তবে বাংলাদেশের গত ৩৭ বছরের ইতিহাসে কোনো বছরই ৫ শতাংশ মাদ্রাসাছাত্রও নিয়োগ লাভ করেনি। ভাস্কর রায় বা হিরন্ময় কারলেকারের লেখায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সেনা গোয়েন্দা সংস্থা সম্পর্কে আজগুবি তথ্য-উপাত্ত দিতে দেখা যায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এসব তথ্য থাকে প্রতিবেশী গোয়েন্দা সংস্থার ফিট করা। কিন্তু সজীব ওয়াজেদের একই ধরনের বক্তব্যের তাতপর্য সঙ্গতকারণেই বিশ্লেষণের দাবি রাখে।
সজীব ও কার্ল তাদের লেখায় সেনাবাহিনীকে কিভাবে সেকুøলার করা হবে তার রূপরেখাও দিয়েছেন। তারা বলেছেন ঃ ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠাগুলো থেকে শিক্ষা লাভকারী সেকুøলার মানসিকতাসম্পন্নদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দেয়া হবে। মাদ্রাসাছাত্রদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ নিয়ন্ত্রণের জন্য সেনাবাহিনীর নিয়োগ পরীক্ষায় সেকুøলার মানসিকতার ছাত্ররা যাতে বেশি বেশি সফল হতে পারে তার উপায় বের করা হবে। সেকুøলার ছাত্রদের সেনাবাহিনীতে নতুন নিয়োগের চিন্তা করলেই হবে না, তারা সেখানে মাদ্রাসাছাত্রদের সম সুবিধায় যাতে থাকে তাও নিশ্চিত করার চিন্তা করতে হবে। সেনাবাহিনীতে ইসলামপন্থীদের প্রভাব বৃদ্ধি প্রতিহত করার ব্যবস্থা নিতে হবে। গ্রহণযোগ্য বিকল্প উতস থেকে অধিক নিয়োগ সেনাবাহিনীতে সেকুøলারদের প্রভাব বিস্তারে ভারসাম্য আনবে।
সজীব ও কার্ল অন্য ক্ষেত্রগুলোতেও ইসলামপন্থীদের প্রভাব খর্ব করার জন্য আরো চারটি পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলেছেন। এর মধ্যে রয়েছে­ প্রথমত, মাদ্রাসার শিক্ষাক্রমকে আধুনিকায়ন করা; দ্বিতীয়ত, সেকুøলার মানসিকতা তৈরি হওয়ার উপযোগী স্কুল ও হাসপাতাল তৈরি করা; তৃতীয়ত চিহিßত চরমপন্থী ধর্মীয় নেতাদের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য ব্যবস্থা নেয়া এবং দারিদ্রø ও অশিক্ষা থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করার ব্যবস্থা করা, যাতে বেকারত্বের কারণে তরুণরা চরমপন্থার দিকে ঝুঁকে না পড়ে।
এর আগে প্রতিবেশী গোয়েন্দা সংস্থা প্রভাবিত লেখকদের নিবন্ধে ভারতের আধিপত্যবিরোধী অথবা দেশটির সমর্থক নয় এমন ব্যক্তিদের ইসলামপন্থী হিসেবে বর্ণনা করা হয়। রূপরেখাটি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে যে পরিকল্পনাটির কথা জানা যায় সেটি হলো­ বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে সেকুøলার মানসিকতাসম্পন্ন করার নামে প্রতিবেশী দেশটির প্রতি অনুরাগী একটি বাহিনী তৈরির চিন্তা করা হচ্ছে।
এর বাইরে বাংলাদেশের জন্য দেশ হিসেবে সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়টি হলো, প্রতিবেশী গোয়েন্দা সংস্থাটির এখানকার জেএমবি-হুজির মতো বিচ্ছিন্ন জঙ্গি চরমপন্থীকে আল কায়েদা নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করার প্রচেষ্টা। এ প্রচেষ্টা এর আগে ভারতীয় গণমাধ্যমে বারবার লক্ষ করা গেছে। হিরন্ময় কারলেকার ‘বাংলাদেশ কি পরবর্তী আফগানিস্তান হতে যাচ্ছে?’ মর্মে এর ওপর পুরোদস্তুর একটি বই লিখে ফেলেছেন। তার বইয়ের তথ্য উতস হলো বাংলাদেশের শাহরিয়ার কবির ও ড. আবুল বারাকাতের লেখা কয়েকটি বই। প্রান্তিক ও অনির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র দিয়ে পরিকল্পিত প্রচারের এই ধারাবাহিকতায় সজীব ও কার্লের লেখাটিও সংশ্লিষ্ট হয়ে যাওয়াটিকে বিপজ্জনক লক্ষণ বলে মনে করা হচ্ছে। এ লেখায় সিরিজ বোমা হামলাকারী জেএমবি জঙ্গিদের সাথে মূল ধারার ইসলামি দলগুলোকে যেমন এক করে ফেলা হয়েছে, তেমনিভাবে এর সাথে ওসামা বিন লাদেন ও তার গুরুদের সংশ্লিষ্টতা দেখানো হয়েছে। এর সাথে যুক্ত করা হয়েছে সৌদি আরব, ইয়েমেনসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশকে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28871489 http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28871489 2008-11-20 02:02:18
নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় কবরীকে তালাক দিলেন বাবু সারোয়ার । তালাক প্রসঙ্গে কবরী সারোয়ার গতকাল নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের জানান, নির্বাচনে আমি মনোনয়ন পাওয়ায় একটি মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে নেমেছে। এরই অংশ হিসেবে এই তালাকের ঘটনা ঘটেছে।
১৭ নভেম্বর শফিউদ্দিন সারোয়ার স্বাক্ষরিত তালাকনামাটি ঢাকা সিটি কপেরারেশনের গুলশানের কার্যালয়ে দাখিল করা হয়েছে। গুলশানের আমতলী কাজী অফিসে উপস্থিত হয়ে শফিউদ্দিন সারোয়ার তালাক নামায় স্বাক্ষর করেন। তিনি আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মরহুম খান সাহেব ওসমান আলীর পুত্র। তালাকনামায় শফিউদ্দিন সারোয়ার আগামীতে কবরীকে নামের পাশে তার কিংবা তার পরিবারের নাম যুক্ত না করার কথা বলেন।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আগে এমপি ছিলেন বর্তমানে বিদেশে পালিয়ে থাকা আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ওসমান। তিনি বাবু সারোয়ারের ভাতিজা। তার বদলে কবরীর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন লাভ স্বামী বাবু সারোয়ার স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেননি।
কবরীর বর্তমান বয়স ৬২ বছর। ১৯৭৮ সালে বাবু সারোয়ারের সাথে তার বিয়ে হয়। এটা কবরীর দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে চিত্র প্রযোজক চিত্ত ঘোষের সাথে কবরীর বিয়ে হয়।
এ দিকে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে কবরী বলেন, তিনি নির্বাচিত হলে সন্ত্রাসের জনপদ হিসেবে খ্যাত নারায়ণগঞ্জকে সন্ত্রাসমুক্ত করবেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন মহল থেকে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। জনগণের সহযোগিতা থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই টিকবে না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28871484 http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28871484 2008-11-20 01:57:05
মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ দেশে বড় দিনের জন্য নির্বাচন আগাইলেও, হাজীদের জন্য পিছানো যায় না...!

আমার অনেক আগথেকে আশঙ্কা যে বি এন পি যদি নির্বাচনে করতে নামে আওয়ামীলীগ নির্বাচন থেকে পিছে হটবে। আওয়ামীলীগ ভালোকরে জানে, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ অনেক দিন পরে একবার তাদের কে সুযোগ দিয়েছিলো। এবং জনগনকেও তারা চমৎকার দেখিয়ে দিয়েছিলো। বাংলাদেশের সাধারন মানুষ আর দেখতে চায় না। ২১ বছর পরে একবারে যা দেখেছে, তাতেই মানুষের চোখে সব পকপকা হয়ে গেছে। বর্তমান সরকারের উচিৎ সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া। যদি তার কোন রকম ভুল করেন, বাংলাদেশ হতে পারে আরেকটা ইরাক। বাংলার মানুষ চায়না বাংলাদেশ পরাধীনতার শিকড়ে বন্ধী হোক। এখন যদিও বন্ধুক ঠেকিয়ে এক দলিয় নির্বাচন করা হয়, তার স্থায়িত্ব তেমন দির্ঘ হবে না। সেই পুতুল সরকারের আয়ু হবে হয়তো একমাস। হরতাল সহ বিভিন্ন আন্দোলনে দেশ হবে পঙ্গু, প্রয়োজন হবে আবার নির্বাচন । দেশের আর্থিক অপচয়, হরতাল, ধ্বংস , হানাহানি, থেকে রক্ষা করার জন্য, দেশের উন্নয়নের জন্য, সকল দলের অংশ গ্রহণের মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতেই হবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28870979 http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28870979 2008-11-19 01:30:25
আওয়ামীলীগের দু'গ্রুপের সংঘর্ষ.............। ২/পটুয়া খালীতে আম্লীকের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ।
৩/ কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় প্রতিপক্ষের হামালায় ঐ আসনের সংসদ সদস্য মনোনয়ন প্রত্যাশী ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন সহ ১০ জন আহত হন।
৪/ রাজশাহী ৬ আসনে প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা থেকে মনোনয়নপত্র উত্তোলনকারী শিল্পপতি শাহরিয়ার আলমের নাম বাদ দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে, সভায় হৈ চৈ হট্রগোল ধাওয়া পল্টা ধাওয়া ও চেয়ার ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।
৫/ নাগরপুর টাঙ্গাইল দিনভর টানটান উত্তেজনা, হৈ চৈ ও চরম হট্রগোলের পর নাগরপুর থানা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা পন্ড হয়ে যায়।
৬/ সিরাজগঞ্জ কাজিপুরে আওয়ামীলীগের প্রার্থী বাছাইকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে প্রায় ১০ জন আহত হয়।
৭/ রামগঞ্জ, লক্ষীপুর উপজেলায় আওয়ামীলীগ অফিসে আসন্ন সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী দুই গ্রুপের মধ্য একটি শ্লোগানকে কেন্দ্র করে অফিসের চেয়ার টেবিল বেঞ্চ ভাংচুর ও সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের ১৪ জন নেতা কর্মি আহত হয়। রামগঞ্জ থানার পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
৮/ ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ শামীম ওসমানের সমর্থক ও শ্রমিক লীগ সভাপতি পলাশ সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
৯/
১০/
১১/]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28866450 http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28866450 2008-11-08 21:50:13
সত্যি সত্যি আম্লীক কি নির্বাচন করবে??? http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28865934 http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28865934 2008-11-07 15:41:37 বি এন পি ও আওয়ামীলীগ। Click This Link

সবাই ভিডিওটি দেখে মন্তব্য করুন। বাংলাদেশে সকল রাজনৈতিক দলের মধ্যে এই রকম আলোচনা কি হতে পারে না?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28865065 http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28865065 2008-11-05 16:50:15
বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়কে জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চায় আরো মনোযোগী হতে হবেঃ ড.ফখরুদ্দিন
ফখরুদ্দিনের এই কথার সাথে আপনি কি একমত?

১/ হ্যাঁ

২/ না


এই বিষয়টা নিয়া দৈনিক আমাদেরসময়ে দেখলাম জরিপ চলছে। ১০০% ই দেখলাম একমত। ব্লগের সবাই কি একমত কিনা জানার জন্য জরিপ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28864309 http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28864309 2008-11-04 02:06:41
১৫ শতাংশ মার্কিন নারী সেনা যৌন হয়রানির শিকার
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28864303 http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28864303 2008-11-04 01:51:43
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্যে আওয়ামীলীগকে নিবন্ধন দেওয়া উচিৎ হবে না। http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28863528 http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28863528 2008-11-02 16:17:27 নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগ দাবি করায় খালেদা জিয়াকে কোরেশীর অভিনন্দন ফেরদৌস কোরেশী বলেন, জাতীয় নির্বাচনের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঠাণ্ডা মাথায় ভেবে-চিন্তে দিনক্ষণ ঠিক করা দরকার। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন এখন পুনর্গঠন করা দরকার; এই নির্বাচন কমিশন দিয়ে নির্বাচন করানো যাবে না। তিনি বলেন, যেভাবে সবকিছু চলছে তাতে করে নির্বাচনের তারিখ কমপক্ষে তিন মাস পিছিয়ে দেয়া প্রয়োজন। তিনি তাড়াহুড়ো না করে নির্বাচন কমিশন ও সরকারকে সীমানা পুনর্নির্ধারণ ও রাজনৈতক দলের নিবন্ধনসহ সব ধরনের জটিলতা ধীর স্থিরভাবে সমাধান করে দৃঢ়তার সাথে নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে পরামর্শ দেন।
এক প্রশ্নের উত্তরে কোরেশী বলেন, এই মুহূর্তে বাংলাদেশের জন্য বুক পেতে দেবে স্বাধীনতা সপক্ষের শক্তি। তিনি বলেন, কারা ভিনদেশী গোয়েন্দার সহায়তা নিয়ে এখন তাঁবেদারি করছে তা খতিয়ে দেখা দরকার। তিনি বলেন, গত ৩৭ বছরে অনেক মুক্তিযোদ্ধা যা করেছে, ১৯৭১ সালে কোনো রাজাকারও এমন জঘন্য কাজ করেনি। এ প্রসঙ্গে তিনি ফেনীর জয়নাল হাজারীর নাম উল্লেখ করে বলেন, সে-ও তো মুক্তিযোদ্ধা। তিনি প্রশ্ন করে বলেন, তার মতো একজন মুক্তিযোদ্ধা কী করেছে তা কি কোনো দেশপ্রেমিক করতে পারে? তাকে কি স্বাধীনতার পক্ষের লোক মনে করার কোনো কারণ রয়েছে? তিনি বলেন, সে সময় অনেকে বন্দুক কাঁধে নিয়েছে মনের তাগিদে নয়,কেউ হয়তো তাকে বাধ্য করেছে যুদ্ধে যেতে। কিন্তু ওই মুক্তিযোদ্ধা দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যেসব অপকর্ম করেছে, তা কি কোনো দেশপ্রেমিক করতে পারে?
তিনি বলেন, ১৯৭১-এর স্বাধীনতাবিরোধীদের চিহিßত করে অবশ্যই বিচার করতে হবে। অনেক দেরি হলেও এই বিচার এখনো করা সম্ভব। এই বিচার যত তাড়াতাড়ি হবে ততই দেশের জন্য মঙ্গল ।

Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28863284 http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28863284 2008-11-02 03:06:14
আওয়ামী লীগকে নিবন্ধিত না করতে ১৭টি সংগঠনের দাবি প্রগতিশীল চেতনা সংসদের আহ্বায়ক মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এক বিবৃতিতে বলেছেন, আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের ব্যাপারে দেয়া আপত্তির শুনানি অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান। এতে তিনি আরো বলেন, ‘গণবিজ্ঞপ্তি’ অনুযায়ী দেয়া আপত্তি গ্রহণে নির্বাচন কমিশন আইনগতভাবে বাধ্য। তাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগকে নিবন্ধিত না করার ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনে যে আপত্তি জানানো হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের সংশ্লিষ্ট ধারা বলে সে আপত্তি গ্রহণ করে অবিলম্বে শুনানির ব্যবস্থা করা হবে বলে বিবৃতিতে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে আরো বলা হয়, একটি অবাধ ও পক্ষপাতহীন এবং সন্ত্রাসমুক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আওয়ামী লীগকে নিবন্ধন প্রক্রিয়ার বাইরে রাখতে হবে। অন্যথায় নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের মদদদাতা হিসেবে চিহিßত হবে। বাংলাদেশ সচেতন নাগরিক সমাজের কেন্দ্রীয় সভাপতি আলমগীর হাসান রাজু আওয়ামী লীগের পাশাপাশি বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিকে নিবন্ধন না করার জন্য ইসি’র প্রতি আহ্বান জানান। পৃথক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দল দু’টিকে নিবন্ধন না দেয়ার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দল দু’টিকে নিবন্ধন না দেয়ার জন্য সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে দেয়া আপত্তিকে আমলে নিয়ে অবিলম্বে শুনানি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা উচিত। কারণ দল দু’টির ব্যাপারে যে আপত্তি জানানো হয়েছে, তা নির্বাচন কমিশন গ্রহণ করেছে।
এ ছাড়া সমমনা ১৫টি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এক যুক্তবিবৃতিতে বলেছেন, আওয়ামী লীগকে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী আধিপত্যবাদী অপশক্তি হিসেবে উল্লেখ করে দলটিকে নিবন্ধিত না করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য দিবালোকে মানুষ হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে বলা হয়, দলটি নিবন্ধিত হলে দেশ আবারো ১/১১-এর আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। নির্বাচন কমিশনে আওয়ামী লীগের ব্যাপারে যে আপত্তি দায়ের করা হয়েছে তার সাথে ১৫টি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সমর্থন ব্যক্ত করেন। সমর্থনকারী সংগঠনগুলো হলো­ ভারতীয় দালাল প্রতিরোধ কমিটির নেতা আবদুল মঈন, মুক্তিযদ্ধের চেতনায় লালিত সংগঠন জাতীয় যুব কমান্ডের মোঃ নূর আলম, মুক্তিযুদ্ধ ও সংহতি বিপ্লবের মহান চেতনায় বিশ্বাসী সংগঠন প্রজন্ম ’৮৫-এর আবু সাঈদ মোঃ আল বিরুনী, ন্যাশনাল যুব ফোরামের আবদুল হক, রেনেসাঁস ইনস্টিটিউটের সিনিয়র সহসভাপতি আবু নঈম, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পরিষদের মোঃ জহিরুল ইসলাম, সিরাজ সিকদার জাতীয় মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক শাহান চৌধুরী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক ফোরামের সভাপতি আবদুল্লাহ আল মুক্তাদির, জাতীয় যুব মঞ্চের কায়সার আহমেদ, ডিবেট ফর ন্যাশনালিটি’র সেক্রেটারি ফাহমিদা রাব্বী, মুক্তিযুদ্ধ আমার চেতনা’র সেক্রেটারি আশফাকুল হোসেন কেতন, মুক্তিযোদ্ধা যুব ফ্রন্টের সাইদুর রহমান, জহির রায়হান স্মৃতি রক্ষা পরিষদের সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন, নাগরিক অধিকার পরিষদ সভাপতি ছড়াকার প্রিয় হোসাইন, সম্মিলিত নারী মুক্তি আন্দোলনের নেত্রী ফারজানা আহমেদ প্রমুখ।
এ দিকে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর শাখার সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা এ টি এম হেমায়েত উদ্দীন গতকাল অনুষ্ঠিত এক যৌথ সভায় অভিযোগ করে বলেছেন, নির্বাচন কমিশন আল্লাহর আইন মদিনা সনদকে অবজ্ঞা করে ইসলামি দলগুলোকে তা বর্জনে বাধ্য করছে। এভাবে অবজ্ঞা করা হলে মুসলমানরা নীরবে বসে থাকবে না বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাম্রাজ্যবাদের কোনো দালাল বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকতে পারে না। গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে। এক দলের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের পক্ষ থেকে দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইসলামি দলগুলোর নিবন্ধন নিয়ে গড়িমসি ইসলামের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের শামিল।

Click This Link
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28863279 http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28863279 2008-11-02 02:45:04
মিডিয়া শুধু মুজাহিদকে নিয়া মরতেছে কেন !!!
জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশের আমির ও সাবেক মন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর বিরুদ্ধে গ্যাটকো মামলার চার্জশিট দেয়ার পরে তিনি জামিনের জন্য হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। হইকোর্টে আবেদন অগ্রাহ্য হওয়ায় জামিনের জন্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়। আপিল বিভাগে বিষয়টি শুনানির জন্য ছিল। তাকে গ্রেফতার করার পর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে ঐ মামলার শুনানিকালে এ অবস্থায় তাকে গ্রেফতার করা ঠিক হয়নি বলে আপিল বিভাগ মতামত ব্যক্ত করে এবং ভবিষ্যতের জ্ন্য পুলিশকে সতর্ক করে দেয়।

মুজাহিদের বিষয়টি ও প্রায় একই রকম , তার জামিনের আবেদন হাইকোর্টে বিচারাধীন আছে। মিডিয়া তার বিরুদ্ধে এই রকম অপপ্রচারে লিপ্ত হওয়ার কারন কি?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28855258 http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28855258 2008-10-16 01:12:48
শেখ হাসিনার উপর জঙ্গি হামলার আশঙ্কা : সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিকদের আরো জানান, নির্বাচনের আগে জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় সরকারের কাছে শেখ হাসিনার পূর্ণ নিরাপত্তা চাওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে ধারাবাহিক বৈঠকের অংশ হিসেবে গতকাল সকালে ভারপ্রাপ্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার আসেন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের বাসায়। ১ ঘণ্টার বৈঠক শেষে ব্রিটিশ হাইকমিশনার অতীতের অভিজ্ঞতার উল্লেখ করে তার আশঙ্কার কথা জানান। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোকেই সহিংসতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
এ দিকে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা প্রকাশ করে সৈয়দ আশরাফ আরো বলেন, জেএমবি বাংলাদেশে এখনো শেষ হয়ে যায়নি। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নামে এরা আবিভূêত হয়। নির্বাচনের আগে জঙ্গি হামলার তথ্য আছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সরকারের কাছে পূর্ণ নিরাপত্তা দাবি করেন। তিনি এ সময় শেখ হাসিনার ওপর বিভিন্ন হামলার তথ্য তুলে ধরেন।

----------------------------------------------------------------------------------

বাংলাদেশে এতো রাজনৈতিক নেতা থাকতে শেখ হাসিনার প্রতি জঙ্গিদের এই রকম আচরণের কারণ কি? জঙ্গিরা নিজে মরে হলেও শেখ হাসিনাকে মারতে চায় কেন? শেখ হাসিনা তাদের এমন কি ক্ষতি করেছে, যে তাকে মারতে হবে? শেখ হাসিনাতো মুসলিম কিন্তু ইসলামের নাম ওয়ালা জঙ্গিরা শেখ হাসিনাকে মারতে চায় কেন?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28848036 http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28848036 2008-09-26 06:04:58
তারেক রহমানের ব্যাপারে ভিত্তিহীন রিপোর্টের প্রতিবাদ করলেন আইনজীবী রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে, জোট সরকারের পাঁচ বছরের শাসনামলে তারেক ও হাওয়া ভবন এ দু’টি বোঝা চাপিয়ে দিয়েছিল জাতির ঘাড়ে। এ অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। বিএনপি ও তারেক রহমানের ঘোরতর প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ নেতারা যে মনগড়া অভিযোগ এত দিন করে আসছিলেন, সেটিই দৈনিক সংবাদ নিজেদের প্রতিবেদন হিসেবে সুন্দর করে ছাপিয়ে দিয়েছে। যার সাথে বাস্তবতার কোনো মিল নেই বলে শিমুল বিশ্বাস স্বাক্ষরিত গতকাল এক প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদনে হাওয়া ভবনকে দুর্নীতির দুর্গ এবং তারেক রহমান তার বাহিনী দিয়ে চাঁদাবাজি করতেন বলে কল্পকাহিনী ছাপা হয়। অথচ এর সপক্ষে কোনো তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। এতে প্রমাণিত হয়, এ রিপোর্টটি কেবল কল্পনাপ্রসূতই নয়, বিএনপি এবং তারেক রহমানের ভাবমর্যাদা ক্ষুণ্ন করার অসত উদ্দেশ্যেই রচনা করা হয়েছে।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, এর আগে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা ও ওই দলের নেতারা এমন প্রপাগান্ডা ছড়ালে তারেক রহমান সংবাদ সম্মেলন করে এর প্রতিবাদ জানান। তিনি ওই সময় সব মহলকে মিডিয়ার মাধ্যমে অনুরোধ জানান, কেউ যদি তার নামে কোনো সুযোগ নিতে চায় তাকে যেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে সোপর্দ করেন। শুধু তাই নয়, তার নাম ভাঙিয়ে কেউ কোনো তদবির করতে গেলে সরকারি বা অন্য যেকোনো প্রতিষ্ঠান যেন সেটি না করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করেন, সে অনুরোধও জানানো হয়। হাওয়া ভবনের ফোন নম্বরও পত্রিকায় ছাপানো হয়। এরপরও কোনো তথ্য-প্রমাণ ছাড়া লাগামহীনভাবে আওয়ামী লীগ প্রপাগান্ডা ছড়াতে থাকলে এক পর্যায়ে তারেক রহমান আওয়ামী লীগ সভানেত্রীকে উকিল নোটিশ পাঠাতে বাধ্য হন। এরপর আওয়ামী লীগ সভানেত্রী তারেক রহমানের নামে কুতসা রটনা থেকে কিছুটা বিরত থাকেন। তবে আওয়ামী ঘরনার পত্রিকাগুলো শেখ হাসিনার কাজ চালিয়ে যান বিরামহীনভাবে। আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী ঘরনার পত্রিকাগুলোর প্রপাগান্ডার ওপর ভিত্তি করে তারেক রহমানকে গত বছরের ৭ মার্চ রাতে গ্রেফতারও করা হয়। এর পর তার বিরুদ্ধে একে একে ১৩টি মামলা দায়ের করা হয়। কিন্তু মামলার কোনোটিতেই এ পর্যন্ত তথ্য-প্রমাণ পায়নি আদালত। কাজেই এসব অভিযোগ যে অসত্য, কাল্পনিক, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তা ইতোমধ্যে প্রমাণ হয়ে গেছে। কে দুর্নীতিবাজ, কে দুর্নীতিবাজ নয়, এটা ঠিক করার দায়িত্ব আদালতের।
প্রতিবেদনে বলা হয়, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। কুখ্যাত মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের সাথে তার ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। প্রতিবাদে বলা হয়, দৈনিক সংবাদ কি এ ব্যাপারে কোনো তথ্য-প্রমাণ হাজির করতে পারবে? যা ইচ্ছা তা লিখে দেয়ার নাম সাংবাদিকতা নয়। কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ আনতে হলে কিছু হলেও তথ্য-প্রমাণ থাকতে হয়। দৈনিক সংবাদের কাছে কী তথ্য-প্রমাণ আছে আমাদের জানতে ইচ্ছা হয়।
কোনো তথ্য-প্রমাণ থাকলে তা জাতির সামনে উপস্থাপনের নিবেদন করছি। অন্যথায় অসত্য তথ্য প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করব।
প্রতিবেদনে হাওয়া ভবনের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়। এ ব্যাপারে আমাদের বক্তব্য হলো কেউ আইনের ঊধ্বেê নয়। কাজেই অন্য কারো অপরাধের জন্য তারেক রহমানকে দোষারোপ করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।
তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এহেন কল্পকাহিনী রচনা জাতীয়তাবাদী শক্তির বিরুদ্ধে সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রেরই অংশ বলে আমরা মনে করি।
২০০১ সালের নির্বাচনে চারদলীয় ঐক্যজোটের বিপুল বিজয়ের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে তারেক রহমানের। তিনি বিএনপিকে একটি শক্তিশালী দলে পরিণত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যান। তার উদ্যোগ ব্যাপক সাফল্যও পেয়েছিল। তারেক রহমান তার দেশপ্রেম ও সাংগঠনিক কর্মকা ের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
প্রতিবেদনটি একজন গুরুতর অসুস্থ মানুষের চরম মানবাধিকার খর্বের পাশাপাশি মানহানিকরও বটে। তারেক রহমান যখন শারীরিকভাবে গুরুতর অসুস্থ এবং চিকিতসার জন্য বিদেশে অবস্থানরত, ঠিক সে সময় এ ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রিপোর্ট প্রকাশ শুধু দুঃখজনক নয়, অপমানিতও বটে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28846770 http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28846770 2008-09-23 04:27:24
আসন্ন নির্বাচনের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন? ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী কে হবে, খালেদা জিয়া... নাকি...... জিল্লুর রহমান.......?]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28845970 http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28845970 2008-09-21 04:53:38 নিজের গায়ে জামা নেই , তো কি হয়েছে...! আসুন অন্যের হাপ হাতার জামা পরার সমালোচনা করি । : আওয়ামীলীগ । মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি মরহুম সৈয়দ নজরুল ইসলাম তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কাছেও একজন সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম মরহুম সৈয়দ নজরুল ইসলামের জ্যেষ্ঠ পুত্র। আমার জানা মতে, জনাব আশরাফ যুক্তরাজ্যের সুবিখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেছেন এবং তিনি একজন ব্রিটিশ নাগরিক। বাংলাদেশের আইনানুযায়ী যেহেতু কোনো বিদেশী নাগরিক সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা রাখেন না কাজেই আমি ধারণা করছি যে, জনাব আশরাফুল ইসলাম সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আগে তার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পরিত্যাগ করেছেন। যুক্তরাজ্যে দীর্ঘ দিন থাকার কারণে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের সে দেশের রাজনৈতিক শিষ্টাচার সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকার কথা। কোনো দেশের নাগরিকত্ব ত্যাগ করলে সেই দেশটির শিষ্টাচারের সংস্কৃতিও পরিত্যাগ করতে হবে এমন তো কোনো কথা নেই। আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন একজন সম্ভ্রান্ত ভারতীয় গুজরাটি হিন্দু ব্রাহ্মণ মহিলার সাথে। মিসেস আশরাফুল ইসলাম সম্ভবত যুক্তরাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রণনালয়ে চাকরি করছেন। এদিকে কুলীন সৈয়দ বংশ আর ওদিকে উচ্চ বর্ণের ব্রাহ্মণ কন্যা। দেখা যাচ্ছে কোনো দিকেই কৌলীনত্বের কোনো অভাব নেই। তাহলে আচার-আচরণে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের কাছ থেকে আমাদের সুশীল ব্যবহার আশা করতে দোষ কোথায়? এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করা যেতে পারে, বৈবাহিক সূত্রে আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ক্রমেই শক্তিশালী হচ্ছে। শেখ হাসিনার পুত্র জনাব সজীব ওয়াজেদ জয় যে একজন মার্কিন আইনজীবীকে বিয়ে করেছেন এ তথ্য বাংলাদেশের অধিকাংশ নাগরিক জানেন। শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানার পুত্র ববি সম্প্রতি ফিনল্যান্ডের এক কন্যাকে জীবনসঙ্গিনী করেছেন। বিয়ের অনুষ্ঠানে বিদেশে চিকিতসারত শেখ হাসিনা স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন। এসব আন্তর্জাতিক বৈবাহিক সম্পর্কের ফলে আওয়ামী লীগের সাথে সাম্রাজ্যবাদী পাশ্চাত্য শক্তি এবং আঞ্চলিক আধিপত্যবাদী শক্তির গাঁটছড়া যে ক্রমেই জোরদার হচ্ছে তার প্রমাণ জাতি সাম্প্রতিক সময়ে দেখতেও পেয়েছে। অবশ্য বাংলা এবং বাঙালির জন্য সর্বদা পেরেশান দল আওয়ামী লীগের নেতানেত্রীদের বৈবাহিক সম্পর্ক খোঁজার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এতটা উপেক্ষিত থাকে কেন, এমন বেমক্কা প্রশ্ন দেশবাসীর মনে উদয় হলে তাদের দোষ দেয়া যাবে না। কাকতালীয়ভাবে একই প্রকৃতির ব্যক্তিগত আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জোরে বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারও যথেষ্ট বলীয়ান। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টাসহ বর্তমান এবং সাবেক উপদেষ্টাদের মধ্যে একাধিক পরিবারকে রীতিমতো বহুজাতিক আখ্যা দেয়া যেতে পারে। সম্ভবত সে কারণেই বাংলাদেশ সরকারের তিন দশক ধরে প্রচলিত, সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশী নাগরিক বিবাহ সংক্রান্ত আচরণবিধি পরিবর্তন করে বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বিদেশী নাগরিকের সাথে বিবাহের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে। বিদেশী স্ত্রী থাকার কারণে জেনেভায় বাংলাদেশ মিশনে নিযুক্ত কূটনীতিক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে মামলা হওয়ার পরই সরকার তড়িঘড়ি করে ১৯৭৬ সালের অধ্যাদেশ পরিবর্তন করে ফেলেছে। ড. ফখরুদ্দীন আহমদের সরকারের ক্ষমতালাভের অন্তরালে সুশীল(?) সমাজের যে অবদান রয়েছে তার কিছুটা ঋণ পরিশোধের চেষ্টা হিসেবেই বাংলাদেশের অন্যতম সুশীল(?) স্তম্ভ ড. দেবপ্রিয়কে সম্ভবত বিশেষ সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। বিভিন্ন আদর্শগত ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের সাথে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে যথেষ্ট সাদৃশ্য রয়েছে, তার প্রমাণ কর্তাব্যক্তিদের ব্যক্তিগত
জীবনাচারের মধ্যেও পরিলক্ষিত হচ্ছে।

শেখ হাসিনা প্যারোলে মুক্তি নিয়ে দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কখনো পুত্রের কাছে ওয়াশিংটনে, কখনো কানাডায় কন্যাগৃহে, কখনো লন্ডনে সহোদরার বাড়িতে আবার কখনো বা ফিনল্যান্ডে ভাগ্নের বিয়ের অনুষ্ঠানে ভালোই সময় কাটছে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর। সরকার তার স্বামীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যখন তাকে প্যারোলে মুক্তি দেয় তখন দেশবাসীকে বলা হয়েছিল, প্রধানত কান ও চোখের চিকিতসার জন্যই নাকি তার এবারকার বিদেশ ভ্রমণ। কিছুটা বিস্ময়ের সাথেই আমরা তিন মাস ধরে লক্ষ করছি, তার চিকিতসা ব্যতীত আর সব কর্মকাণ্ডই চলছে। অবশ্য সংবাদমাধ্যমে মাঝে মধ্যে শেখ হাসিনার চেকআপের খবর বেশ ফলাও করেই প্রচারিত হচ্ছে। এ দিকে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ব্যক্তিগত চিকিতসক মোদাচ্ছের আলী উতসাহের আতিশয্যে ডান কান এবং বাম কান নিয়ে তার নেত্রীর জন্য এক চরম বিব্রতকর বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন। সরকারের ভাবগতিকও বোঝা দায়। কানাডায় কন্যা-জামাতার আতিথ্য গ্রহণ শেষে শেখ হাসিনা গত সপ্তাহে ওয়াশিংটনে বিমানবন্দরে পেঁৗছেই দেখলেন, বাংলাদেশ দূতাবাসের গাড়ি এবং একজন ঊধ্বêতন কর্মকর্তা তার হুকুম তামিলের জন্য অপেক্ষমান। দূতাবাসের সেই গাড়িতে চড়েই শেখ হাসিনা বিমানবন্দর থেকে পুত্রের বাড়িতে যান। শেখ হাসিনার বর্তমান প্রটোকলটি ঠিক বুঝতে পারলাম না। অবশ্যই তিনি একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু একই সাথে তিনি প্যারোলে সাময়িকভাবে মুক্ত ১৫টি দুর্নীতি মামলার আসামি। শহীদ জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমানকে দেশের সর্বোচ্চ আদালত জামিনে মুক্তি দিলে আওয়ামী লীগ এবং তাদের জোটভুক্ত দলগুলোর নেতৃবৃন্দ সেখানে সরকারের সাথে বিএনপি’র আঁতাত খুঁজে পান। আর বিদেশ ভ্রমণরত প্যারোলে মুক্ত শেখ হাসিনাকে সর্বত্র বাংলাদেশের দূতাবাসগুলো সর্বোচ্চ প্রটোকল প্রদান করলেও আঁতাতের গন্ধ খোঁজার পরিবর্তে তারা একই সাথে পরম সন্তোষ ও গর্ববোধ করেন। আওয়ামী লীগের এই স্ববিরোধী মানসিকতা দুর্ভাগ্যজনকভাবে তাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ থেকে আরম্ভ করে একেবারে সামান্য কর্মীর আচার-আচরণের মধ্যেও দৃষ্টিকটুভাবে দৃশ্যমান।
কিন্তু বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সব মামলায় জামিন পাওয়ায় তাতক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে আওয়ামী লীগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমান বলেছেন, খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন এটি আগেই জানতাম। তার মুক্তিতে ভালো হয়েছে। তাকে স্বাগত জানাই। আওয়ামী লীগ রাজনীতিবিদদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন পছন্দ করে না। এখন সরকারের প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে শেখ হাসিনাকে স্থায়ীভাবে মুক্তি দেয়া। খালেদা জিয়ার মুক্তির পর আর কোনো রাজবন্দীকে জেলে রাখা ঠিক হবে না। তিনি সব রাজবন্দীর মুক্তি দাবি করেন। জিল্লুর রহমানের এমন বক্তব্যে বুঝা যাচ্ছে আওয়ামীলীগাররা তাদের আচরণে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছেন, তাদের এই চেষ্টা যেন সফল হয় তাই কামনা করি। এবং একই সাথে ব্যারিস্টার রফিকুল হকের সাথে সুর মিলিয়ে বলি, ‘প্রত্যেকের কথা বলার অধিকার রয়েছে। গণতন্ত্রে কোন্দল থাকবে। অনেক কাদা ছোড়াছুড়ি হয়েছে। এই কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করে দেশের স্বার্থে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে এক সাথে কাজ করতে হবে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28841315 http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28841315 2008-09-10 19:41:44
দুর্নীতিবাজ কারা...!!!!
এমপির নাম
_গাড়ির ব্রøান্ড
_আমদানি মূল্য
_বাজার দর
_
_১. ডা. মোহাম্মদ সিরাজুল আকবর (আ’লীগ)
_মার্সিডিজ বেঞ্জ টাইপ জি-৫০
_১,৯৩২১,১৩৩
_৫,৯৫০০০০০
_
_২. মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল (আ’লীগ)
_মার্সিডিজ বেঞ্জ টাইপ জি-৫০
_১,৯৩২১,১৩৩
_৫,৯৫০০০০০
_
_৩. মো. আবু হেনা (বিএনপি/স্বতন্ত্র)
_ব্রøান্ড নিউ পোরশে কেনিন টারবো জিপ ৪৫০০ সিসি
_৯২,৯৬,৩৪৫
_২,৮৬০০০০০
_
_৪. সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম (আ’লীগ)
_ব্রøান্ড নিউ পোরশে কেনিন টারবো জিপ ৪৫০০ সিসি
_৮৪,৬৬,৩১৫
_২,৬০০০০০০
_
_৫. মোহাম্মদ আবদুল মোতালিব আকন্দ (বিএনপি)
_০১ ইউনিট ৯ পাফি ১ ব্রøান্ড নিউ পর্চেজ
_৭৯,৪৪,৫২২
_২,৪৫০০০০০
_
_৬. মো. আতিউর রহমান আতিক (আ’লীগ)
_ব্রøান্ড নিউ পোরশে কেনিন টারবো জিপ ৪৫০০ সিসি
_৭৫,৫২,৩৮১
_২,৩০০০০০০
_
_৭. শামসুর রহমান শরীফ (আ’লীগ)
_ব্রøান্ড নিউ পোরশে কেনিন টারবো জিপ ৪৫০০ সিসি
_৭৪,৭০,২৭৭
_২,২৯০০০০০
_
_৮. আলহাজ মোহাম্মদ মোসাদ্দেক আলী (বিএনপি)
_ব্রøান্ড নিউ পোরশে কেনিন টারবো জিপ ৪৫১১ সিসি
_৭৪,৪০,৩১২
_২,২৪০০০০০
_
_৯. মো. মাহমুদুল হক রুবেল (বিএনপি)
_ব্রøান্ড নিউ ভেহিকেল
_৭২,২২,৫৯০
_২,২৪০০০০০
_
_১০. মো. গিয়াস উদ্দিন (বিএনপি)
_ব্রøান্ড নিউ এমবিডব্লিউ ভেহিকেল
_৭১,০৭,৮৯০
_২,১৮০০০০০
১৬ ভাদ্র ১৪১৫। ৩১ আগস্ট ২০০৮। শ্যামলী।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28837681 http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28837681 2008-09-02 04:55:05
আওয়ামীলীগ আন্দোলন শুরু করবে। এখানে বলে রাখা দরকার, নির্বাচন কমিশনের সাথে আওয়ামী লীগের আলোচনার জন্য চিঠি চালাচালি হচ্ছে। এর আগে নির্বাচন কমিশনের সাথে আওয়ামী লীগের দুই দফা সংলাপ বা বৈঠক হয়েছে। অপর প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি’র সাথে নির্বাচন কমিশনের কোনো সংলাপ হয়নি। বিএনপি’র পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে শুধু পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করা হয়নি, দলটি ভাঙার সাথে নির্বাচন কমিশনও জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগ করছেন তারা। সম্প্রতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার খানিকটা হতাশা ব্যক্ত করে বলেছেন, বিএনপি যদি নির্বাচনে না আসে তাহলে সে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। এ উপলব্ধি আসতে নির্বাচন কমিশনের সময় লেগেছে এক বছরের বেশি। নির্বাচন কমিশনের গণপ্রতিনিধিত্ব আধ্যাদেশও অগ্রহণযোগ্য বলে দাবি করেছে বিএনপি। আর কারাবন্দী বিএনপি নেত্রী বেশ কিছু দিন আগেই তার আইনজীবীর মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনকে পুনর্গঠন করতে হবে। অর্থাত বিএনপি বা চারদলীয় জোটের কাছে নির্বাচন কমিশন গ্রহণযোগ্য নয়। এ নির্বাচন কমিশনের অধীনে তারা নির্বাচনে অংশ নেবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় আছে। ইতোমধ্যে তারা সিটি করপোরেশন নির্বাচন বর্জন করেছে।
প্রথম দফায় যখন নির্বাচন কমিশনের সাথে আওয়ামী লীগের বৈঠক হয়, তখন নির্বাচন কমিশনের প্রতি আওয়ামী লীগ খুবই বিগলিত ছিল। আর সিইসি আওয়ামী লীগ নেতাদের তোষামদির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক কর্মীদের ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন। এরপর আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্য ছিল নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন হতে হবে। সে নির্বাচনে কে এলো না এলো, তা দেখার বিষয় নয়। রোডম্যাপ অনুযায়ী আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নেবে। তবে আওয়ামী লীগ নেতাদের একটি দাবি ছিল, নির্বাচনের আগে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করতে হবে। কিন্তু সিটি করপোরেশন নির্বাচনে চারদলীয় জোট যখন নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্তে অনড় থাকল, তখন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিয়ে একদলীয় নির্বাচনের মাধ্যমে সবগুলো সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে বিজয়ী হয়েছে। নির্বাচনে বিজয়ের পর আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর বক্তব্য ছিল, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ যে বিজয়ী হয় এ নির্বাচন তার বড় প্রমাণ। তাহলে জরুরি অবস্থার মধ্যে একদলীয় নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হয় এটা শেখ হাসিনার মূল্যায়ন। তাহলে নির্বাচন কমিশনই জাতীয় নির্বাচনের জন্য বড় বাধা­ এ দাবি কি সৈয়দ আশরাফুলের মুখে একটু বেশি বেমানান মনে হচ্ছে না?
এবার আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য আমির হোসেন আমুর বক্তব্য দেখা যাক। তিনি বলেছেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশনের কর্মকাণ্ড প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কিছু বক্তব্যে মনে হচ্ছে তিনি কোনো দলকে উসকানি দিয়ে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করছেন। বিপথগামী দলগুলোকে উসকানি দিয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করবেন না­ (জনকণ্ঠ ২৮ আগস্ট)। বিএনপি নির্বাচনে না এলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না সিইসি’র এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া হিসেবে আমির হোসেন আমুর এ বক্তব্য। নির্বাচন কমিশন কি এখন প্রশ্নবিদ্ধ? যখন বিএনপি ভেঙে ক্ষুদ্র একটি অংশকে বিএনপি হিসেবে উল্লেখ করে চিঠি দিয়ে তার সাথে সংলাপে বসেছিল সে দিন তো নির্বাচন কমিশন চূড়ান্তভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। তখন তো আমির হোসেন আমু টঁু শব্দটি করেননি। বলেননি গণতন্ত্র বিকাশের জন্য নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে, বরং বিএনপি’র একটি ক্ষুদ্র অংশ আর আওয়ামী লীগ মিলে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছিল। সম্ভবত নির্বাচন কমিশনারের সাথে তাদের সে রকম বোঝাপড়া ছিল। কিন্তু বিএনপি’র নেতাকর্মীদের কাছে দলছুটরা শুধু অগ্রহণযোগ্য হয়নি নানাভাবে তারা প্রতিরোধের মুখে পড়েছেন। ফলে এদের দিয়ে নির্বাচন করানোর পরিকল্পনা থেকে নির্বাচন কমিশন সরে আসতে বাধ্য হয়। কিন্তু সিটি করপোরোশনের একদলীয় নির্বাচনের মাধ্যমে বিজয়ী হয়ে আওয়ামী লীগকে অনেক বেশি আস্থাশীল করে তোলে। বিএনপি নির্বাচনে না এলেও তারা একদলীয় নির্বাচন করে ক্ষমতায় আসবে এমন চিন্তা আওয়ামী লীগের মধ্যে এখনো ক্রিয়াশীল। কিন্তু একদলীয় নির্বাচনের ভয়ঙ্কর পরিণতি উপলব্ধি করে হোক বা আওয়ামী লীগের সাথে আঁতাতের নির্বাচনের কলঙ্ক ঘোচানোর জন্য হোক বিএনপি না এলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না, সিইসি এমন স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য হয়েছেন। যদিও এতে নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ হয়ে গেছে তা প্রমাণ হয় না। কিন্তু এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে আওয়ামী লীগ। সামনের দিনগুলোতে নির্বাচন কমিশন যদি কলঙ্ক মোচনের জন্য নিরপেক্ষতার ভানও করে তাহলেও নির্বাচন কমিশনকে আওয়ামী লীগের টার্গেটে পরিণত হতে হবে।
তবে আওয়ামী লীগ-নির্বাচন কমিশন আঁতাতের মাধ্যমে কমিশনকে গ্রহণযোগ্য করার জন্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখার কৌশল নিয়ে থাকতে পারে আওয়ামী লীগ। কারণ, বর্তমান নির্বাচন কমিশনাররা যে আওয়ামী লীগের পছন্দের তালিকায় এক নম্বরে আছেন তা তারা আগেই বুঝিয়ে দিয়েছেন। অপর দিকে নির্বাচন কমিশনও পক্ষপাত গোপন রাখতে পারেনি। এ পরিস্থিতিতে বর্তমান নির্বাচন কমিশন দিয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচন আদৌ সম্ভব হবে কি না তা নিয়ে জনমনে সন্দেহ-অবিশ্বাস দিন দিন বাড়ছে। অপর দিকে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের সাথে আওয়ামী লীগের আঁতাতের কারণে তাদের দায়দায়িত্ব আওয়ামী লীগকে নিতে হচ্ছে, যা ভোটের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগকে বেশ বেকায়দায় ফেলে দিতে পারে। কারণ, বাংলাদেশের রাজনীতির অতীত ইতিহাস বলে, আঁতাতকারীরা চূড়ান্ত পর্যায়ে কখনো জনগণের সমর্থন পান না। এরশাদ-আওয়ামী লীগ আঁতাতের রাজনীতি এর বড় প্রমাণ।
আওয়ামী লীগের অপর প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, জ্ঞানপাপীরা সংবিধানকে বুটের তলায় পিষ্ট করার ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। আওয়ামী লীগ এ ষড়যন্ত্র সফল হতে দেবে না। পবিত্র সংবিধানের বিরুদ্ধে যা কিছুই করা হোক না কেন, জনগণ তা মেনে নেবে না­ (জনকণ্ঠ ২৮ আগস্ট)। বাংলাদেশ কি সংবিধান অনুযায়ী চলছে? এগারোই জানুয়ারিতে যে সরকার ক্ষমতায় এসেছে তারা কি সাংবিধানিক সরকার? সিটি করপোরেশন নির্বাচন কি এ সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে? সে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিয়েছিল কেন? কেন শেখ হাসিনা আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এ সরকারের সব কাজের বৈধতা দেবেন? কেন সাংবিধানিক দৃষ্টিতে একটি অবৈধ সরকারকে আওয়ামী লীগ তাদের আন্দোলনের ফসল বলে দাবি করেছিল। এখন মতিয়া চৌধুরী সংবিধান পিষ্ট করার কথা বলছেন। সংবিধান তো অনেক আগেই পিষ্ট হয়েছে। যাদের জুতোর তলায় বা বুটের তলায় সংবিধান পিষ্ট হয়েছে সে জুতো আর বুট পরানোর দায়িত্ব নিয়োছিল আওয়ামী লীগ। এগারোই জানুয়ারির আগে ২৮ অক্টোবরের নারকীয় তাণ্ডব সৃষ্টি করে রাজপথে অরাজক পরিস্থিতি কারা সৃষ্টি করেছিল? সে সময় কেন কারণে-অকারণে নির্বাচন কমিশনকে বিতর্কিত করা হয়েছিল? এরপর একটি অসাংবিধানিক সরকারের সাথে শেখ হাসিনা আঁতাত করে চিকিতসার জন্য বিদেশ গেলেন, কিন্তু অন্য নেত্রীর বিষয়টি অনিশ্চিত থেকে গেল। এক নেত্রীকে আটকে রেখে আরেক নেত্রীকে মুক্তির ঘটনায় সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে। মাঠপর্যায়ে আন্দোলন দানা বাঁধতে থাকে। এর বহিঃপ্রকাশ ঘটতে থাকে। এর মধ্যে বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠানোর জন্য নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়। তাতে সফল না হয়ে শেখ হাসিনার মতো নির্বাহী আদেশে মুক্তির জন্য আবেদন করতে চাপ দেয়া হয়। কিন্তু খালেদা জিয়া এরশাদবিরোধী আন্দোলনে যে আপসহীন মনোভাব দেখিয়েছিলেন এবারো তার ব্যতিক্রম করেননি। শেখ হাসিনার মতো দ্রুত মুক্তির জন্য অস্থির হয়ে ওঠেননি। এটাই ছিল তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা। তিনি জনগণের শক্তিকে বুঝতে পেরেছিলেন। সরকার যদি প্রকৃত অর্থে নির্বাচন করতে চায় তাহলে তার কাছে সরকারকে আসতে হবে­ এই দূরদৃষ্টি ও তার অনড় মনোভাবের কারণে সরকারি কৌশল পরাভূত হয়েছে। তার পুত্র এবং তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মুক্তির পথে সরকারকে হাঁটতে হয়েছে। সন্দেহ নেই নব্বই-উত্তর সময়ে বেগম খালেদা জিয়ার আরেকটি বড় রাজনৈতিক বিজয় ঘটল। এখন বেগম জিয়াকে মুক্তি দেয়া না হলে তার জনপ্রিয়তা আরো বাড়বে। মাঠের আন্দোলন আরো তীব্র ও বেগবান হবে। এক দলের প্রতি সরকারের পক্ষপাত আরো পরিস্ফুট হবে।
জামিনের মাধ্যমে তারেক রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। তারা সরকারের সাথে বিএনপি’র আঁতাতের অভিযোগ তুলছেন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, শেখ হাসিনা মুক্ত হয়েছেন সরকারের নির্বাহী আদেশে আর খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রক্রিয়া চলছে জামিনে, যা তিনি আগেই দাবি করে আসছিলেন। তাকে বিনাবিচারে জেলখানায় আটকে রাখা যাচ্ছে না জনমতের চাপে। বেগম খালেদা জিয়ার এই রাজনৈতিক বিজয়ে আওয়ামী লীগ দৃশ্যত খানিকটা দিশেহারা। কারণ, বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত হলে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মতো একদলীয় নির্বাচনের মাধ্যমে কোনোভাবেই ক্ষমতায় যাওয়া সম্ভব হবে না। খালেদা জিয়ার আপসহীন ইমেজের কাছে অতীতের মতো শেখ হাসিনার আপসকামী এবং আঁতাতের রাজনীতির চিত্রটি এখন পরিষ্কার। এ কারণে শেখ হাসিনা তার ইমেজ পুনরুদ্ধারের জন্য সরকারবিরোধী অবস্থান নিতে চাইছেন। তার চিকিতসক বলছেন, তিনি দেশে ফিরে সোজা সাবজেলে চলে যাবেন। শেখ হাসিনা সম্ভবত এই কৌশল নিতে চাইছেন খালেদা জিয়া কারাগার থেকে মুক্ত হবেন। এরপর তিনি কারাগারে ঢুকবেন। এরপর তার মুক্তির জন্য আওয়ামীলীগ আন্দোলন শুরু করবে।
খালেদার মতো তারও একটি আপসহীন ইমেজ দাঁড়াবে। কিন্তু এখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। এ ধরনের ঘটনা ঘটলে তা রাজনীতির একটি রসালো বিষয় হিসেবে আলোচনা হতে পারে। খালেদার আপসহীন ইমেজের কাছে হাসিনা পরাজিত হয়েছেন। অন্তত সরকারবিরোধী অবস্থান নিয়ে তিনি আর জনগণের সামনে দাঁড়াতে পারবেন না। বরং এ সরকারের অবৈধ এখতিয়ারবহির্ভূত কাজের দায় তাকেও নিতে হবে। কারণ, তিনি বলেছিলেন, এ সরকার তাদের আন্দোলনের ফসল। আর মুক্তির পর তিনি প্রধান উপদেষ্টার সাথে কথা বলেছিলেন। উপদেষ্টারা তার বাসায় গিয়ে বৈঠক করেছিলেন। এসব বিষয় জনগণের স্মৃতি থেকে মুছে যায়নি। এ দেশের মানুষ অনেক কিছু ভুলে যায়, কিন্তু এসব ঘটনা খুব বেশি পুরনো নয়। নিশ্চয় ভোটের রাজনীতির ক্ষেত্রে মানুষ এসব বিষয় বিবেচনায় নেবে? এ জন্য আমাদের নির্বাচন পর্যন্ত আরো অনেক ঘটনা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

লেখক : আলফাজ আনাম।
৩১/৮/২০০৮
নয়া দিগন্ত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28836899 http://www.somewhereinblog.net/blog/obaidullhablog/28836899 2008-08-31 03:57:04
যা কিছু করবো আমরা একা একা করবো, মাঠে কাউকে থাকতে দিবো না...!! (((বেল))