অনেক আশা নিয়ে তিনি কালের কণ্ঠ ছেড়ে ছিলেন। মুখে বলে ছিলেন বড় বড় কথা। হলুদ সাংবাদিকতার জন্য তিরস্কার করার পর তাকে নিয়ে চরম বাজে অবস্থার মুখে পড়ে কালের কণ্ঠ। মালিক পক্ষের সাথে দুরত্ব বাড়ে। এক সময় ছাটাই।
বর্তমানে মিডিয়ার অবস্থা এমনিতেই বাজে যাচ্ছে। সরকারের দালালী মাত্রারিক্ত করার দরুন মিডিয়া গুলি জনগণের কাছে তাদের গ্রহন যোগ্যতা হারাচ্ছে।
এ অবস্থায় সকালের খবরের চরম ভরাডুবি আর মাছরাঙা ,মোহনা, মাই টিভির পর বর্তমানে মিডিয়া মালিকগণ স্বভাবতই আতংকে আছে।
জানা যায়
তিনি গত ২৫ আগস্ট বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের সঙ্গে দেখা করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বসুন্ধরা গ্রুপের একজন কর্মকর্তা, যিনি সেনাবাহিনীর সাবেক অফিসার, তাকে ধরে আবেদ খান ওইদিন আহমেদ আকবর সোবহানের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান।
বসুন্ধরা গ্রুপের একটি সূত্র দাবি করে, আবেদ খান আবার কালের কণ্ঠে ফিরতে চান। কিন্তু তিনি কালের কণ্ঠ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর শীর্ষস্থানীয় একটি পত্রিকায় সাক্ষাৎকার দেন। ওই সময় বিষয়টি বসুন্ধরা গ্রুপ ভালোভাবে নেয়নি। এই বিষয়ে বসুন্ধরা গ্রুপ তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন বলে ওই সূত্র জানায়। এর জবাবে আবেদ খান কী বলেছেন তা জানা যায়নি।
তবে বসুন্ধরা গ্রুপের ওই সূত্রটি দাবি করেছে, আবেদ খান বলেছেন, তিনি যা বলেননি তাই ওই পত্রিকাটি ছেপে দিয়েছে।
আবেদ খানের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, কালের কণ্ঠ থেকে আবেদ খানের পদত্যাগের বিষয়ে উৎসাহ দিয়েছিলেন ওই পত্রিকাটির সম্পাদক। তিনি আবেদ খানকে বলেছিলেন, স্কয়ার গ্রুপ দৈনিক পত্রিকা বের করবে, তার সম্পাদক করা হবে তাকে। একইসঙ্গে ওই পত্রিকার ১০ শতাংশ মালিকানাও দেয়া হবে। বিষয়টি আবেদ খানকে আগ্রহী করে বলে ওই সূত্রটি দাবি করেছে। তাছাড়া আবেদ খান আকিজ গ্রুপের দীর্ঘদিনের ধরে আলোচিত-প্রস্তাবিত দৈনিকের সম্পাদক হচ্ছেন- এমন একটি বিষয় তো ছিলই।
সূত্র জানায়, আবেদ খানের কোনোটিতে কোনোকিছু আপাতত হচ্ছে না। স্কয়ার গ্রুপ দৈনিক পত্রিকার পরিকল্পনা থেকে সম্পূর্ণ পিছিয়ে গেছে। বিশেষ করে মাছরাঙা টিভির বর্তমান অবস্থায় তারা এমনিতেই দুর্ভাবনায় পড়েছেন। আবার নতুন আরেকটি মিডিয়া নিয়ে মাঠে নামার বিষয়টি স্কয়ার গ্রুপ মাথা থেকে একদম ঝেড়ে ফেলে দিয়েছে।
আর আকিজ গ্রুপ কী করবে-কী করছে তা কেউ জানে না। বিশেষ করে সকালের খবরের পরিণতি দেখে আকিজ গ্রুপের মালিকরা পত্রিকা বের করার বিষয়টি নিয়ে চরম দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে গেছেন। আপাতত এই প্রজেক্টটি যে এগুচ্ছে না, তা পরিষ্কার হয়ে গেছে।
এদিকে আবেদ খানকে বসুন্ধরা গ্রুপ আবার নেবে- এমন কোনো ইঙ্গিত নেই বলে জানা গেছে।
এই বিষয়ে আবেদ খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কৌশলী জবাব দেন। তিনি বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “অ্যাপোলো এলাকায় গেলেই
তো আর কালের কণ্ঠ অফিসে যাওয়া হয় না। আমি অ্যাপোলো এলাকায় গিয়েছিলাম।” উল্লেখ্য, অ্যাপোলো হাসপাতালের কাছেই কালের কণ্ঠের অফিস।
Click this link...
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


