পত্রিকা কে কি পড়বে পাঠক ঠিক করে নিবে।জামায়াতের সব সাপোর্টার সংগ্রাম পড়ে না।আওয়ামী লীগের সব সাপোর্টার জনকণ্ঠ পড়ে না।দেশ ,ইটিভি , দেখে না।জামাতিরাও শুধুই ইসলামী টিভি দেখে না।সব মানুষ সব পড়বো , জানবো, যার যা ইচ্ছা করবো।কোন রিপোর্ট কোন পত্রিকা উদ্যেশ্যমূলক করলে ব্লগের বিবেক বান ব্লগাররা সমালোচনা , নিন্দা করতে পারেন।কারণ যারা পত্রিকা ( প্রথম আলো) বর্জন কর্মসূচী করছেন, তাদের কেউ তো আর এমন না যে পত্রিকাগুলোকে হেদায়েত করার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। সমাজের পতনে চরম উদ্বিগ্ন।পত্রিকা বর্জনের এই আয়োজনটাই অশুভ চর্চার শুরু মনে হয়। কোন পত্রিকার সমাজ বিরোধী ভূমিকার জবাব দেয়ার জন্য বিকল্প কোন উপায় বের করা যেতে পারে।পত্রিকা বর্জন বাদ দিয়ে। সব চে ভালো মনে হয় সম্পাদককে সমালোচনা। বা গালিগালাজ।
প্রথম আলো বর্জন কর্মসূচি যারা পালন করছেন, তারা ধীরে ধীরে সব পাঠককে তাদের দলে নাম লেখাতে পারলে (লাখ চারেক ক্রেতাকে
ব্যক্তিগত ভাবে প্রথম আলোর রিপোর্টিংএর ভক্ত আমি।তাই সবাই পত্রিকা পড়া ছেড়ে দিচ্ছেন এই লেখা লিখলাম।বিশেষতঃ তত্ত্বাবধায়ক আমলে মাত্রাতিরিক্ত সুশিল হয়ে রাজনীতি ও জনস্বার্থ বিরোধী ( কাল্পনিক সততার মুলা ঝুলানো) রিপোর্টিংএ বিরক্ত হয়েছি।কিন্তু তারপরও প্রথম আলোর অনুসন্ধানী রিপোর্ট,সম্পাদকীয় পড়তে ভালো লাগে। নিজের মনমত কাগজ নিজেওতো প্রকাশ করতে পারবো না। তাই কি আর করা।অপেক্ষা কালের কণ্ঠ পর্যন্ত

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


