১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘ ২১ বছরেও কোন বিচার কাজ শুরু করা হয়নি। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার কুখ্যাত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে।
১২ আগস্ট ১৯৯৬ : বিশেষ ক্ষমতা আইনে কর্নেল ফারুকসহ তিনজনকে গ্রেফতার।
২ অক্টোবর ’৯৬ : ধানমণ্ডি থানায় মামলার এজাহার।
১২ নভেম্বর ’৯৬ : জাতীয় সংসদে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল বিল পাস।
১৫ জানুয়ারি ১৯৯৭ : ফৌজদারি কার্যবিধির ১২০ (বি), ৩০২/৩৪ এবং ২০১ ধারায় মামলার চার্জশিট দাখিল।
২০ জানুয়ারি ১৯৯৭ : গ্রেফতার করা আসামিদের আদালতে হাজির করা।
২৮ জানুয়ারি ১৯৯৭ : ইনডেমনিটি বাতিল আইন চ্যালেঞ্জের মামলায় হাইকোর্ট থেকে বাতিলের আইনটিকে বৈধ ঘোষণা।
৩ ফেব্রুয়ারি ’৯৭ : পলাতক আসামিদের নামে গেজেট নোটিশ জারি।
১ মার্চ ’৯৭ : ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে বিশেষ এজলাস গঠন করে বিচারক করা হয় কাজী গোলাম রসুলকে। রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পিপি হন সিরাজুল হক।
১২ মার্চ ’৯৭ : বিচার কাজ শুরু।
৭ এপ্রিল ’৯৭ : মামলার অভিযোগ গঠন।
৬ জুলাই ’৯৭ : সাক্ষ্য শুরু
২০ জুলাই ১৯৯৮ : সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষ।
১২ আগস্ট ১৯৯৮ : সওয়াল জবাব শুরু।
১৩ অক্টোবর ১৯৯৮ : সওয়াল জবাব শেষে রায় প্রদানের তারিখ ঘোষণা।
৮ নভেম্বর ’৯৮ : আসামি বজলুল হুদাকে ব্যাংকক থেকে দেশে ফেরত আনা এবং মামলার রায় ঘোষণা।
১১ নভেম্বর ১৯৯৮ : মামলা হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্সে পাঠানো।
৩০ মার্চ ২০০০ : বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল হাইকোর্টে শুনানির তালিকায় অন্তর্ভুক্তি।
১০ এপ্রিল ২০০০ : একটি মামলা শুনতে একটি বেঞ্চের বিব্রতবোধ (বিচারপতি আমীরুল কবির)।
১৮ এপ্রিল ২০০০ : সরকারের কয়েকজন মন্ত্রীর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের লাঠি মিছিল।
২৪ এপ্রিল ২০০০ : অপর একটি বেঞ্চের বিব্রতবোধ (বিচারপতি এমএম রুহুল আমিন ও বিচারপতি আবদুল মতিন)।
২ মে ২০০০ : পলাতক আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ।
৩ মে ২০০০ : সংশোধিত পেপারবুক তৈরির আবেদন নাকচ করে সম্পূরক পেপারবুকের নির্দেশ।
২৮ জুন ২০০০ : হাইকোর্টে শুনানি শুরু।
১০ জুলাই ২০০০ : সম্পূরক পেপারবুক আদালতে দাখিল।
১৮ জুলাই : ২০০০ : হাইকোর্টে সওয়াল জবাব শুরু।
২২ অক্টোবর ২০০০ : আসামি পক্ষের বক্তব্য শেষ ও সরকার পক্ষের যুক্তি শুরু।
২৮ নভেম্বর ২০০০ : শুনানি শেষ।
১৪ ডিসেম্বর ২০০০ : হাইকোর্ট থেকে দ্বিমতে বিভক্ত রায় ঘোষণা।
১৪ জানুয়ারি ২০০১ : ডেথ রেফারেন্স বেঞ্চের বিভক্ত রায় নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করতে প্রধান বিচারপতির কাছে প্রেরণ।
১৫ জানুয়ারি ২০০১ : বিচারপতি ফজলুল করিমকে তৃতীয় বিচারপতি নিয়োগ করে হাইকোর্ট পর্যায়ে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল নিষ্পত্তির দায়িত্ব অর্পণ।
১৭ জানুয়ারি ২০০১ : তৃতীয় বিচারপতির আদালত প্রথম বসে এবং তিনি শুধু দ্বিমত থাকা আসামিদের বিষয়ে শুনানি করবেন বলে সিদ্ধান্ত দেন।
২৪ জানুয়ারি ২০০১ : লে. কর্নেল মহিউদ্দিনের (আর্টিলারি) স্ত্রী শাহিদা মহিউদ্দিন ডিমান্ড অব জাস্টিস নোটিশ পাঠান।
১২ ফেব্র“য়ারি ২০০১ : তৃতীয় বিচারপতির আদালতে শুনানি শুরু।
১৯ এপ্রিল ২০০১ : শুনানি শেষ।
৩০ এপ্রিল ২০০১ : তৃতীয় বিচারপতির সিদ্ধান্ত ঘোষণার মধ্য দিয়ে হাইকোর্ট পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়ার সমাপ্তি। তৃতীয় বিচারপতি ১২ আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে তিনজনকে খালাস দেন। চূড়ান্ত রায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা ১২ আসামির মধ্যে পরে ওই বছরই কারাবন্দি চার আসামি আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করে।
২০০২-২০০৬ সাল : সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি গোলাম রাব্বানী, বিচারপতি জেআর মোদাচ্ছির হোসেন, বিচারপতি কেএম হাসান ও বিচারপতি আবু সাঈদ আপিলের শুনানিতে বিব্রতবোধ করেন। এক পর্যায়ে মামলাটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়।
১৩ মার্চ ২০০৭ : মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি ল্যান্সার একেএম মহিউদ্দিন আহমেদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেফতার।
১৮ জুন ২০০৭ : মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি ল্যান্সার একেএম মহিউদ্দিন আহমেদকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।
২৪ জুন ২০০৭ : ল্যান্সার মহিউদ্দিনের জেল আপিল।
২ আগস্ট ২০০৭ : হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের দায়ের করা লিভ টু আপিলের ওপর শুনানির জন্য বেঞ্চ গঠন।
৭ আগস্ট ২০০৭ : বিচারপতি তাফাজ্জাল ইসলাম, বিচারপতি জয়নাল আবেদীন ও বিচারপতি মোঃ হাসান আমিনের আপিল বিভাগের বেঞ্চ বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার লিভ টু আপিলের ওপর শুনানির জন্য গঠন করা হয়।
২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৭ : আপিল বিভাগ ২৬ কার্যদিবস শুনানি গ্রহণ করে মৃদ্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ (লিভ মঞ্জুর) করে।
৩০ অক্টোবর ২০০৭ : পেপারবুক তৈরি করে জমা দিতে আসামি পক্ষের শেষ সময়। তারা পেপারবুক ও যুক্তির সংক্ষিপ্ত সার আদালতে জমা দেয়।
২৩ আগস্ট ২০০৯ : রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তির সংক্ষিপ্ত সার আপিল বিভাগে জমা দেয়া হয়।
২৪ আগস্ট ২০০৯ : আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আপিল শুনানির জন্য ৫ অক্টোবর তারিখ ধার্য করে দেন।
৪ অক্টোবর ২০০৯ : মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তিতে শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতিকে নিয়ে একটি বেঞ্চ গঠন। বিচারপতি মোঃ তাফাজ্জাল ইসলাম, বিচারপতি মোঃ আবদুল আজিজ, বিচারপতি বিজন কুমার দাস, বিচারপতি মোঃ মোজাম্মেল হোসেন ও বিচারপতি সুকেন্দ্র কুমার সিনহা।
৫ অক্টোবর ২০০৯ : সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার শুনানি শুরু।
১২ নভেম্বর ২০০৯ : সুপ্রীম কোর্ট আপীল বিভাগে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার শুনানি ২৯ কার্যদিবসে শেষ হলো।
১৯ নভেম্বর ২০০৯ : বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চূড়ান্ত রায়ের তারিখ ঘোষণা।
তথ্য সংকলন: ফোকাস বাংলা

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

