মূমুর্ষ রোগীদের জন্য মাঝে মাঝেই রক্ত লাগে। যখন কোনো নিকট আত্মীয়ের কাছে থেকে রক্ত পাওয়া যায় না তখন আমাদেরকে ছুটতে হয় ব্লাড ব্যাঙ্কগুলোতে। উচ্চ-উচ্চমধ্যবিত্তরা তাও ভালো জায়গা থেকে রক্ত সংগ্রহ করে থাকে। কিন্তু অন্যদের তো পোড়া কপাল। তারা প্রায়ই টাকা বাচানোর জন্য রাস্তার ধারে গজিয়ে ঊঠা প্যাথলজি সেন্টার গূলো থেকে রক্ত সংগ্রহ করে থাকে। কিন্তু এই রক্ত যে কার তা তারা জানতে পারে না। এখানেই আমাদের ব্যর্থতা। আমরা যারা সুস্থ আছি তারা খুব কমই রক্ত দিয়ে থাকি। আবার অনেক অসুস্থ বিশেষ করে ড্রাগস নেয়া মানুষেরা টাকার লোভে প্রায়ই রক্ত দান করে থাকে। ড্রাগস নেয়ার ফলে তাদের দেহে নানা রকমের রোগ জীবানু বাসা বাঁধে। তাদের অনেকেই নিজের অজান্তে ম্যালেরিয়া, হেপাটাইটিস বি, হেপাটাইটিস সি এমনকি এইচ আই ভি এইডস এর জীবানুও বহন করে থাকে।ফলে এসব রক্ত যখন অন্য লোক নেয় তখন তাদের দেহেও চলে যায়। এসব লোকদের কাছ থেকে ৭০-৭৫ টাকায় প্রতি ব্যাগ রক্ত নিয়ে তা পরে বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এভাবে ঘন ঘন রক্ত নেয়া ঠিক নয় জেনেও অনেক সংস্থাই শুধু লাভের কথা চিন্তা করে তাদের কাছ থেকে রক্ত নিয়ে থাকে।
এখন আমার প্রশ্ন হলঃ
হাসপাতালের বিছানায় যন্ত্রনায় কাতরানো ৫ কি ৬ বছরের সেই মেয়ে বা ছেলের কি কোনো দোষ আছে যে আমরা নিজেদের আর্থিক লোভের কারণের তাদের দেহে এইচ আই ভি এইডস এর মত মারাত্তক রোগের জীবানু ঢুকিয়ে দিবো?
আমরা যদি তার সুন্দর ভবিষ্যত এর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে না পারিও তাও কি আমাদের কোনো অধিকার আছে তাকে যন্ত্রনাময় জীবন দেয়ার?(আম্মাআআ)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


