একজন আমি, একজন হারিয়ে যাওয়া এবং একজন দূর প্রবাসী

আমার ইউনির সমালোচনা

০৩ রা আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ১:৩২

শেয়ার করুন:                   Facebook

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি বনানীর কামাল আতার্তুক এভিনিউতে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশ-এর অন্যতম সেরা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি। আমি এখানকার একজন ছাত্র। এই ইউনিভার্সিটির ছাত্র হিসেবে এর ভুল গুলোই ধরার চেষ্টা করছি। এখানে ছাত্র হিসেবে ঢুকতে হলে প্রথমেই যে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়, তাহল এডভাইসিং প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়া হয়তো সারা দেশের মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন প্রক্রিয়া। অন্যান্য ইউনিভার্সিটিতে যেখানে বাসায় বসে এডভাইসিং করা যায় সেখানে এন.এস.ইউ তে ক্যাম্পাসে গিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে করতে হয়। এরপর পছন্দের সাব্জেক্ট পাওয়া আরো কঠিন। সিনিয়ররা আগে থেকেই সব ভালো সাব্জেক্ট আর ফ্যাকাল্টি নিয়ে নেয়। ফলে জুনিয়ররা তাদের পছন্দের সাব্জেক্ট পেলেও দেখা যায় বাজে ফ্যাকাল্টি পড়েছে। আবার অনেক সময় অন্তিম মুহুর্তে নতুন ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়। এই ক্লাস গুলো যারা নিয়ে থাকেন তারা একটি করে চ্যাপ্টার পড়ে ছাত্রদের বুঝিয়ে থাকে। ফলে ছাত্ররা যদি কোনো প্রশ্ন করে তার উত্তর দিতে তিনি হিমশিম খান। কারন,দেখা যায় প্রশ্নটির উত্তর পরবর্তীতে কোনো চ্যাপ্টার-এ আছে। এর ফলে মূলত ছাত্ররাই ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে থাকে। ফ্যাকাল্টিদের নাম্বার দেয়ার মধ্যেও অনেক পার্থক্য। যেমন, জনৈক ইংরেজী ম্যাডাম যেখানে ৮৭+ মার্কসই দেন না সেখানে আবার আরেক ফ্যাকাল্টির ক্ষেত্রে দেখা যায় গড় মার্কস ৮৭+। এর ফলে শুধু ফ্যাকাল্টির কারনেই ছাত্রটির গ্রেড কমে যায়। এন.এস.ইউ এর এডমিনিস্ট্রেশন এর লোকেরা খালি টাকাই চিনে। ফ্যাকাল্টি কেমন পড়াচ্ছে সেদিকে তাদের কোনো মনোযোগই নেই। আবার শোনা যায় এন.এস.ইউ এর ছাত্র ছাত্রীরা আজে বাজে জামা কাপড় পড়ে আসে। কিন্তু এটা সত্যি কথা নয়। আজ পর্যন্ত অশোভন জামা কাপড় পড়া কাউকেই দেখি নি। এন.এস.ইউ তে অনেক ছাত্রছাত্রী আছে যারা বাসায় যেতে পছন্দ করে না। তাদের ক্লাস যদিও সকাল ১১ টার মধ্যে শেষ হয়ে যায়, তাও তাদের কে বিকেল বেলায়ও ক্যান্টিন-এ পাওয়া যায় বন্ধুবান্ধবদের সাথে আড্ডারত অবস্থায়। এর ফলে অনেক ছাত্রছাত্রী যারা ক্লাস করে ক্লান্ত,তাদের বসার জায়গা হয় না ক্যান্টিনে। এখানকার লিফটগুলো খুবই পুরানো। বিবিএ-র প্রধান বিল্ডিং-এ একটা লিফটে এক ফ্যাকাল্টির ৫ বার আটকা পড়ার রেকর্ড পর্যন্ত আছে। প্রত্যেক রুমেই কম্পিউটার থাকলেও সেগুলো অনেক পুরানো। মজার ব্যাপার হল পেন্টিয়াম ৩ ২৫৫ মে.হার্জ এর পিসি তে উইন্ডোজ এক্সপি ইন্সটল করা। ফলে ধীর গতির পিসি আরো ধীর গতিতে চলে। রিসোর্সে সব সময় মানুষের ভীড় লেগে থাকে। তাও রিসোর্স থেকে রঙিন প্রিন্ট নেয়া যায় না। আর নেট ল্যাবে যদিও জীপ এর কানেকশন,তাও স্পীড খুবই ধীর গতির। আর নেট সংযোগ আছে এমন কম্পিউটারের সংখ্যা মাত্র ২৫ টি। লাইব্রেরীর অবস্থা মোটামোটি ভালোই। কিন্তু এখানেও রীডিং রুমেও ছাত্রছাত্রীরা ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকে। এবার আসা যাক খাবারের কথায়। দুপুরে লাঞ্চ হিসেবে পাওয়া যায়ঃ মুরগী-খিচুরী ৫০ টাকা, চাইনিজ ৪৫ টাকা, মোরগ পোলাও ৪০ টাকা আর ভাত,গোস্ত, ভাজি আর ডাল ৪০ টাকা। দাম একটু বেশি হলেও খেতে ভালো। আরেকটা সমস্যা হল, সব বিল্ডিং এ জেনারেটর থাকলেও বিটিএ টাওয়ার এ জেনারেটর নেই। ফলে নরমাল ক্লাসে কারেন্ট চলে গেলে তো জান ক্যারাব্যারা হয়ই, তারউপর পরীক্ষার দিন কারেন্ট গেলে তো আর কথাই নেই। পরে মোম্বাতির আলোতে পরীক্ষা দিতে হয়। ছাত্র ছাত্রীরা অনেক ফ্রেন্ডলী। এখানে প্রত্যেক সেমিস্টারেই নতুন বন্ধু হয়। কারন, যতই প্ল্যান করা হোক না কেন, বন্ধুদের সাথে একই ক্লাস পাওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই। রাস্তায় হাটতে গেলেই বন্ধুদের সাথে দেখা হয়ে গেলে ভালোই লাগে। আর মন খারাপ হলে বন্ধুরাই তো স্বান্তনা দেয়। এখানে নিজের মত করে থাকতে পারলে ভালোই লাগে। কিন্তু স্যার ম্যাডামরা যখন এসাইনমেন্ট আর প্রেসেন্টশন দেয় তখন জান আবারও ক্যারাব্যারা হয়ে যায়। এসাইনমেন্ট এর ক্ষেত্রে বেশির ভাগ সময়ই নিজের টা নিজে করতে হয়। কারণ দেখা যায়, পার্টনাররা একটু অলস ধাঁচের। সর্বশেষে, এন.এস.ইউ সকল ছাত্রছাত্রীদেরকে একটা স্বপ্ন দেখায় যে, নতুন সর্বাধুনিক ক্যাম্পাসে নিয়ে যাবে। আমার থেকে ২-৩ বছরের সিনিয়ররাও এই কথাই শুনে এসেছেন। কিন্তু আমাদের এক ফ্যাকাল্টি বলেছেন, বড় জোর হলে আমরা আমাদের শেষ দুই সেমিস্টার ওখানে করতে পারি। আমরা এখন তারই স্বপ্ন দেখছি।
সংযোজনঃ
একবার এডমিনিস্ট্রেশন থেকে ফ্যাকাল্টিদের কাছে একটা প্রশ্নপত্র পাঠানো হয়। প্রশ্নের ধরণ এমনঃ
১. আপনি দিনে কয় ঘন্টা পড়ান?
২.আপনি সপ্তাহে কয় ঘন্টা পড়ান?
৩.আপনি মাসে কয় ঘন্টা পড়ান?
৪.আপনার প্রতি ক্লাসে স্টুডেন্ট সংখ্যা কত?
৫.আপনি মাসে কত টাকা পান?
৬.আপনার কি কি ডিগ্রি আছে?
আরও অনেক........................
তাদের কি এসব প্রশ্নের উত্তর জানার কথা নয়? এসব প্রশ্ন তো ১-২ এর বাচ্চারাই করবেlol2

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি বনানীর কামাল আতার্তুক এভিনিউতে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশ-এর অন্যতম সেরা প্তাহল এডভাইসিং প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়া হয়তো সারা দেশের মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন প্রক্রিয়া। অন্যানদেখা যায় প্রশ্নটির উত্তর পরবর্তীতে কোনো চ্যাপ্টার-এ আছে। এর ফলে মূলত ছাত্ররাই ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে থজনৈক ইংরেজী ম্যাডাম যেখানে ৮৭+ মার্কসই দেন না সেখানে আবার আরেক ফ্যাকাল্টির ক্ষেত্রে দেখা যায় গড়তাও তাদের কে বিকেল বেলায়ও ক্যান্টিন-এ পাওয়া যায় বন্ধুবান্ধবদের সাথে আড্ডারত অবস্থায়। এর ফলে অনতাদের বসার জায়গা হয় না ক্যান্টিনে। এখানকার লিফটগুলো খুবই পুরানো। বিবিএ-র প্রধান বিল্ডিং-এ একটা তাও স্পীড খুবই ধীর গতির। আর নেট সংযোগ আছে এমন কম্পিউটারের সংখ্যা মাত্র ২৫ টি। লাইব্রেরীর অবস্থাচাইনিজ ৪৫ টাকামোরগ পোলাও ৪০ টাকা আর ভাতগোস্তভাজি আর ডাল ৪০ টাকা। দাম একটু বেশি হলেও খেতে ভালো। আরেকটা সমস্যা হলসব বিল্ডিং এ জেনারেটর থাকলেও বিটিএ টাওয়ার এ জেনারেটর নেই। ফলে নরমাল ক্লাসে কারেন্ট চলে গেলে তো জতারউপর পরীক্ষার দিন কারেন্ট গেলে তো আর কথাই নেই। পরে মোম্বাতির আলোতে পরীক্ষা দিতে হয়। ছাত্র ছাতযতই প্ল্যান করা হোক না কেনবন্ধুদের সাথে একই ক্লাস পাওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই। রাস্তায় হাটতে গেলেই বন্ধুদের সাথে দেখা হয়ে পার্টনাররা একটু অলস ধাঁচের। সর্বশেষেএন.এস.ইউ সকল ছাত্রছাত্রীদেরকে একটা স্বপ্ন দেখায় যেনতুন সর্বাধুনিক ক্যাম্পাসে নিয়ে যাবে। আমার থেকে ২-৩ বছরের সিনিয়ররাও এই কথাই শুনে এসেছেন। কিন্তবড় জোর হলে আমরা আমাদের শেষ দুই সেমিস্টার ওখানে করতে পারি। আমরা এখন তারই স্বপ্ন দেখছি।নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি বনানীর কামাল আতার্তুক এভিনিউতে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশ-এর অন্যতম সেরা প্ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার লেখাউপলব্ধিতথ্য সমগ্র  বিভাগে ।

 

  • ১৮ টি মন্তব্য
  • ৩৩০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৩ রা আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ১:৩৯
comment by: রাগিব বলেছেন: আপনাদের স্থায়ী শিক্ষক বেশি না অস্থায়ী খ্যাপ মারা শিক্ষক বেশি? অন্যান্য বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে আমি জানি, নর্থ সাউথ সম্পর্কে জানতে চাচ্ছি।
২. ০৩ রা আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ১:৪২
comment by: শাওন খান বলেছেন: এই স্বপ্ন বহু বছর থেক্কাই দেখাইতাছে। কি বসুন্ধরায়?
৩. ০৩ রা আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ১:৫৪
comment by: প্রচেত্য বলেছেন: ভিতরের বেশি কিছু জানলাম,ধন্যবাদ

"ওপর দিয়ে ফিট ফাট
ভিতর দিয়ে সদরঘাট" - এ টাইপের না তো?
৪. ০৩ রা আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ২:০৫
comment by: আশফাকুর রহমান বলেছেন: @রাগিবঃ স্থায়ী শিক্ষকই বেশি
৫. ০৩ রা আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ২:০৭
comment by: আশফাকুর রহমান বলেছেন: @প্রচেত্যঃ না, কিছু ফ্যাকাল্টি আছে খুব জোস............কিন্তু অনেক কম
৬. ০৩ রা আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ২:১১
comment by: আশফাকুর রহমান বলেছেন: @শাওনঃ আমাদেরকে বলেছিল, ২০০৮ এর মাঝামাঝি। এখন বলে ২০০৯ কি ২০১০...
৭. ০৩ রা আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ২:১৫
comment by: প্রচেত্য বলেছেন: চলছে চলুক না ? কে না অঙ্গীকার করতে পছন্দ করে ! কিন্তু অঙ্গীকার রক্ষা করাটা সত্যি কঠিন
৮. ০৩ রা আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ২:১৭
comment by: প্রচেত্য বলেছেন: আচ্ছা ভাই বিবিএ কোন সেমিষ্টারে ? আমিও পড়ি তবে আপনার মত এত বড় জায়গায় না, চাকরী করি আবার পড়ালেখা, তাই বাউবিতে এই প্রথম বিবিএ কোর্স খুলেছে সেখানেই শুরু করেছি।
৯. ০৩ রা আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ২:৩৩
comment by: আশফাকুর রহমান বলেছেন: @প্রচেত্যঃ আমার ২য় সেমিস্টার শেষের পথে।
১০. ০৩ রা আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ২:৪০
comment by: আশফাকুর রহমান বলেছেন: সংযোজনঃ
একবার এডমিনিস্ট্রেশন থেকে ফ্যাকাল্টিদের কাছে একটা প্রশ্নপত্র পাঠানো হয়। প্রশ্নের ধরণ এমনঃ
১. আপনি দিনে কয় ঘন্টা পড়ান?
২.আপনি সপ্তাহে কয় ঘন্টা পড়ান?
৩.আপনি মাসে কয় ঘন্টা পড়ান?
৪.আপনার প্রতি ক্লাসে স্টুডেন্ট সংখ্যা কত?
৫.আপনি মাসে কত টাকা পান?
৬.আপনার কি কি ডিগ্রি আছে?
আরও অনেক........................
তাদের কি এসব প্রশ্নের উত্তর জানার কথা নয়? এসব প্রশ্ন তো ১-২ এর বাচ্চারাই করবে
১১. ০৩ রা আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৮
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আমি এক অভিজ্ঞতার কথা বলি। আমি পাশ করেছি একটা হাড়-হাভাতে সরকারী ইউনিভার্সিটি থেকে যেখানে প্রতিদিন খাবার খরচ ১১ প্লাস ১৩প্লাস ১৩প্লাস=৩৭ টাকা। এই টাকা যোগার করতে পুলাপান ২৫ মাইল দূরে শহরে যাইত টিউশনি করাইতে। চট্টগ্রামের এক ধনকুবেরের পুলা পড়তো নর্থসাউথে। ছুটিতে আসছিলো বাসায়। তখন আমার বন্ধু টিউশনি পায় ওকে ইলেক্ট্রিকাল সার্কিট বুঝায় দেওনের। তা ঐ পুলা ৩য় সেমিষ্টারের পরীক্ষা দিয়া আসছে। আর আমরা সেশন জটের কারনে তখন কেবল ৩য় সেমিষ্টারে উঠছি। যাই হোক ইলেক্ট্রনিক্স সার্কিট পড়াইতে গিয়া দেখে ছাগলটা ওহমের সূত্র লারে না। ওআকাশ থিকা পড়ে। পরে শুনলাম ওর গ্রেডিং নাকি ৩.৬ আউট অফ ৪। আর আমাদের ফার্ষ্ট বয়ের গ্রেডিং ছিলো ৩.৬৭।

এই হোল জ্ঞান গত দিকের অবস্হা।আর চাকরির ব্যাপারে তাগো অবশ্য আমাগো সাথে কম্পিট করতে দেখি না। কারন আমরা ৩ থেকে ৪ টা ইন্টারভিউ দিয়া চাকরি পাই। আর এরা একটা ফোন কল বা তার বাবার বন্ধুর ইন্ডাষ্ট্রি বা বড় কোন ফার্মে চেহারা দেখাইয়াই চাকরি। আবার এগো চাকরির কি দরকার! বাপের এত টাকা যে লন্ডন বা অষ্ট্রেলিয়ার যেকোন বড় ইউনিভার্সিটির ভালো সাবজেক্টে ইজিলি পড়তে পারে।
এই হলো আমাদের "শিক্ষা ইন্ডাষ্ট্রি" র অবস্হা। আসলে আমি নর্থ সাউথ "শিক্ষা ব্যাবসা" য় কোয়ালিটি অফ সার্ভিস নির্ধারন করে দিয়েছে। মাঝে মধ্যে খুব সৌভাগ্য মনে হয় এই সরকারি হাড় হাভাতে ইউনিভার্সিটি আছে বলেই আমার মতো দরিদ্র ঘরের পুলাপানের পেটে কিছু বিদ্যা ঢুকছে। আরেকটা ব্যাপার খুব গর্ব লাগে আমার ব্যাচের কোন ছেলে এখন এই সময়ে কেউ বেকার নই। এবং দেশে বিদেশে তারা পরাগ রেনুর মতো ছড়িয়ে পড়ছে কোনো রেফারেন্স ছাড়া। শুধু একটাই কষ্ট হয়েছে এদের, প্রথম দিকে রাস্তায় কুত্তার মটো একটা চাকরির আশায় মানুষের কথা শুনেছে, খুব কম বেতনের চাকরি করেছে।
১২. ০৩ রা আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:১৯
comment by: আশফাকুর রহমান বলেছেন: এখানে সাধারনত, স্যারদের সাথে একটু ভালো খাতির থাকলেই গ্রেড ভালো পাওয়া যায়। কয়েকটা স্যার বাদে অনেকেই চেহারা দেখে নাম্বার দেয়, বিশেষ করে গ্রেসের ক্ষেত্রে
১৩. ০৩ রা আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:২৫
comment by: মামু বলেছেন: সবচে মজা নর্থ সাউথ এর বাথরুম গুলা,
সকালে সবার আগে আইস্যা দুই জনই ডুইক্যা পরে। তারপর ফ্রেশ মনে ক্লাস করতে যায়। আহ.. কি আনন্দে ক্লাস হয়।


রবি ঠাকুর কইছিল "যে লিকা পড়ায় আনন্দ নাই, উহা প্রকৃত শিক্ষা নহে।" সেই মোতাবেক নর্থ সাউথ অনেক সফল।
-------------------------------------
আমর খুবই কাছের একজন যিনি লাক্স চ্যনেল আই এর ১-৩ এর মাঝে ছিল(নাম কইলাম না), ওই বহুবার এই কাম করছে।

সবাই বলেন মাশাল্লা।
১৪. ০৩ রা আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৬
comment by: অন্যরকম বলেছেন: @মামু, নর্থ সাউথ এ একই বাথরুমে ২টা কমোট থাকে মনে হয়!!! ;-)
১৫. ০৩ রা আগস্ট, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২০
comment by: আশফাকুর রহমান বলেছেন: @মামুঃ লেখাগুলো পড়েছি। তবে আজকাল দেখা যায়, পিএস৩ বিক্রির জন্য লেখা হয়।
@অনযরকমঃ মিথ্যে কথা। কয়েকদিন আগেই টিসি দেয়া হয়েছে একটা ছেলে আর একটা মেয়েকে.........
১৬. ০৩ রা আগস্ট, ২০০৭ রাত ১০:৫২
comment by: রবিনহুড বলেছেন: (রবি ঠাকুর কইছিল "যে লিকা পড়ায় আনন্দ নাই, উহা প্রকৃত শিক্ষা নহে।")


প্রকৃত শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে
১৭. ০৩ রা আগস্ট, ২০০৭ রাত ১১:৪৩
comment by: আশফাকুর রহমান বলেছেন: @কি সেই ব্যবস্থা?
১৮. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৪:৫৯
comment by: রাশেদ বলেছেন: ভাল লিখেছেন।

 



 


আমি এন.এস.ইউ তে বিবিএ তে পড়ি। বেশির ভাগ সময় অনলাইনে সময় অতিবাহিত করি। ক্রিকেট খেলতে পছন্দ করি। আর কামনা করি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ২৮৮৩৪