somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ইংরেজী মাধ্যমের শিক্ষা ব্যবস্তা: সম্ভাবনা বনাম সমস্যা ইংরেজী মাধ্যমের পড়ালেখার প্রতি একেকজনের একেকরকম দৃষ্টিভঙ্গি। কারো মতে, ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষাব্যবস্হাই উত্তম এবং সারা দেশে এটাই অনুসরন করা উচিত। আবার কেউ কেউ মনে করেন, বাংলাদেশে ইংরেজি মাধ্যমের কোনো প্রয়োজনীয়তাই নেই। এধরনের মনোভাবের কারণ মূলত: তাদের একপাক্ষকিক দৃষ্টিভঙ্গি অথবা অভিজ্ঞতার অভাব। আসলে কিছু পরিবর্তন আনতে পারলেই এই শিক্ষাব্যবস্হা বর্তমান যুগের বাংলাদেশী ছাত্রছাত্রীদের উ‌পোযোগী হয়ে উঠবে।


ইংরেজী মাধ্যমের বেশ কিছু ভালো পদ্ধতি আছে, যেগুলো অনুসরন করলে সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্হারই উন্নয়ন হবে। যেমন, কিছু কিছু ইংরেজী মাধ্যম স্কুলে ৫ম শ্রেনী পর্যন্ত কোনো অর্ধবার্ষিকী বা বার্ষিকী পরীক্ষা হয় না। এর বদলে প্রতিদিন ছাত্রছাত্রীদের পড়ালেখার মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে। এর কারন হল, এতো অল্প বয়সে ছাত্রছাত্রীদের কচি মনের উপর অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ থেকে বিরত থাকা। বাৎসরিক পরীক্ষা থাকলে, একটা পরীক্ষা অর্থাৎ একদিনের কর্মকান্ডের উপর তার ভবিষ্যত নির্ভরশীল হয়ে পড়বে। এর ফলে ঐদিন যদি ছাত্রছাত্রীর কোনো কারনে শরীর খারাপ হয়ে পড়ে অথবা টেনশনে প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারে তাহলে তার সারা বছরের পরিশ্রম মাটি হবে। এর পরিবরতে প্রতিদিনকার পড়ালেখা যদি মূল্যায়ন করা হয়, তাহলে যেমন নিয়মিত পড়ালেখা করার অভ্যাস হয়ে উঠবে, তেমনি অসুস্হ থাকার কারনে সারা বছরের পড়ালেখার ফলাফল খারাপ হওয়ার সম্ভাবনাও থাকবে না।

ইংরেজী মাধ্যমের আরেকটি ভালো গুন হচ্ছে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বোঝাপড়া গড়ে তোলায় সাহায্য করা এবং একই সাথে ভবিষ্যতের জন্য তাদেরকে তৈরী করে তোলা। আমাদের বাংলা মাধ্যমে খুব কমই (বলতে গেলে শুন্য) গ্রুপ পজেক্ট করতে দেয়া হয়ে থাকে। এতে করে একে অপরের সাথে কাজ করার অভ্যাসটি গড়ে উঠে না। ভবিষ্যতে তাই বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে তাই বন্ধুত্বপূর্ন পরিবেশের চেয়ে প্রতিযোগীতাই বেশি হয়ে থাকে। কিন্তু ইংরেজী মাধ্যমের বিদ্যালয়গুলোতে কিন্তু সম্মিলিত প্রজেক্টের উপর গুরুত্ব দেয়া হয়ে থাকে। এতে করে ছাত্রছাত্রীরা যেমন একে অপরের সাথে কাজ করার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারে তেমনি একে অপরের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখতে পারে যা নাকি একা একা করলে অজানাই থেকে যেত।

আরেকটি ভালো দিক হলো, প্রতিটি ইংরেজী বিদ্যালয়ে মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের অনুদান দেয়ার প্রথা চালু রয়েছে। এতে করে মেধাবী অথচ কিছুটি অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীরা তাদের পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়। ঢাকা শহরের খুব কম বাংলা মাধ্যম বিদ্যালয়গুলোতে এই প্রথা চালু আছে।

ইংরেজী মাধ্যমের পাঠ্যসূচী বাইরের উন্নত দেশ থেকে আসে। এতে অনেক বিষয় অন্তর্ভুক্ত আছে যা নাকি সনাতনী বাংলা মাধ্যমের পাঠ্যসূচিতে নেই। এইসকল বিষয়ের বইগুলোও প্রায় নির্ভুল। এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা শুদ্ধ জ্ঞান লাভ করে থাকে। ইংরেজী মাধ্যমের পাঠ্যসূচীর একটি বিশেষ সুবিধা হল, নির্দিষ্ট সময় পরপর প্রয়োজনের আলোকে পাঠ্যসূচী পরিবর্তন করা হয়ে থাকে। এর ফলে ছাত্রছাত্রীদের এমন কিছু পড়তে হয় না, যার বাস্তবে কোনো প্রয়োগ নেই। ইংরেজী মাধ্যমের শিক্ষাব্যবস্হা যে এদেশের শিক্ষাব্যবস্হার অনুরূপ তার প্রমান পাওয়া যায় বিভিন্ন সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষায়। ইংরেজী মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীরা খুব কম সুযোগ পেলেও, যারা পায় তাদের অবস্হান মেধা তালিকার উপরের দিকে। খুব কম সুযোগ পাওয়ার কারন হল, এই পরীক্ষাগুলো বাংলা মাধ্যমের পাঠ্যসূচী অনুযায়ী হয়ে থাকে। ফলে অনেক ছাত্রছাত্রীই একটু ঘাবড়ে যায় এতো বড় বাঁধা পার করতে পারবে কিনা তা চিন্তা করেই। কিন্তু একটু কঠোর পরিশ্রম করলেই খুব সহজে বাংলা মাধ্যমের পড়াও আয়ত্ত্ব করা যে সম্ভব, তার প্রমান সেই সকল মেধাবী ইংরেজী মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীদের সুযোগ পাওয়া।

এবার আসা যাক কিছু সমস্যার দিকে। আগেই বলা হয়েছে, ইংরেজী মাধ্যমের পাঠ্যসূচী তৈরি হয় দেশের বাইরে। এর ফলে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিষয় তাতে অগ্রাহ্যই থেকে যায়। যেমন, ইংরেজী মাধ্যমের শিক্ষায় বাংলাদেশী ইতিহাস তুলে ধরা হয় না। অথচ বাংলাদেশের ইতিহাস অত্যন্ত ঐতিহ্যপূর্ন। পলাশীর যুদ্ধ, পানি পথের যুদ্ধ এবং এই সকল যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত গন্যমান্য ব্যক্তিদের খুব কম কথাই শেখাবো হয়ে থাকে। কিন্তু অতীতকে না জানলে একটি সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন কখনো বাস্তবায়িত হবে না।

আমাদের বাংলাদেশীদের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ন দুটি বিষয় হল একুশে ফেব্রুয়ারী এবং মুক্তিযুদ্ধ। একজন বাঙ্গালী হিসাবে এগুলো জানা আমাদের কর্তব্য। কিন্তু দু:খের বিষয় হল, পাঠ্যসূচীতে এগুলো নিয়ে খুব কমই আলোচনা করা হয়ে থাকে। ফলে ছাত্রছাত্রীরা এগুলো সম্পর্কে জানতে পারে না।

বাংলাদেশের মানুষ ইউরোপের মানুষদের থেকে আলাদা। ইউরোপের মানুষেরা নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। আত্মীয়স্বজন প্রতিবেশীদের প্রতি নজর দেবার সময়ও তারা পান না। তাদের মাথায় সব সময় একটি চিন্তাই ঘুরপাক খায়, আর তাহল কি করে এই প্রতিযোগীতামুলক পরিবেশে নিজের অবস্হানটিকে আরো মজবুত করে তোলা যায়। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষেরা সম্পূর্ন ভিন্ন ধরনের। তারা আত্মীয়স্বজন, পাড়া প্রতিবেশীদের সাথেই সময় অতিবাহিত করতে চায়। একারনে সমাজের সবার সাথে তাদের সুসম্পর্ক থাকে। কিন্তু ইংরেজী মাধ্যমের শিক্ষা আমাদেরকে যৌথ পরিবার, আত্মীয়তা, প্রতিবেশীদের সাথে সম্পর্ল প্রভৃতির গুরুত্ব সম্পূর্নরূপে অগ্রাহ্য করে। উল্টো, এই শিক্ষা ব্যবস্হার মধ্য দিয়ে ইউরোপ আমেরিকার ঐতিহ্য বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করছে। এর ফলে প্রম নাইট, ভ্যালেন্টাইন্স ডে প্রভৃতি অপসংস্কৃতি কিশোরকিশোরীদের প্রয়োজনের তালিকায় স্হান করে নিচ্ছে আর আমাদের ঐতিহ্য সময়ের সাথে গভীর গর্তের ভিতর হারিয়ে যাচ্ছে।

ইংরেজী মাধ্যমের পাঠ্যসূচীতে বাংলা আছে। কিন্তু তা যথেষ্ঠ নয়। একজন অষ্ঠম শ্রেনীর ছাত্র বা ছাত্রীর বাংলায় প্রচুর জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। বাংলাই একমাত্র ভাষা যার জন্য মানুষ জীবনের মায়া ত্যাগ করেছে। অথচ, আজ অনেক বড় বড় শ্রেনীর ছাত্রছাত্রীরাই ঠিক মত বাংলা লিখতে পারছে না। বাংলা মাধ্যমের ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে যা পড়ানো হয়, ইংরেজী মাধ্যমে ৮ম শ্রেনীতেও সেই বাংলা পড়ানো হয় না। এটা আসলেই দুখজনক।

ইংরেজী মাধ্যমের আরেকটি সমস্যা হল, এক্ষেত্রে পড়ালেখার খরচ অনেক বেশি পড়ে যায়। তাই অনেক পরিবারের পক্ষেই তাদের সন্তানদের ইংরেজী মাধ্যমে পড়ানোর সুযোগ হয়না। এরফলে দেখা যায় যে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই উচ্চ মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানরাই শুধু ইংরেজী মাধ্যমে পড়ে। আর তাদেরকে বিদ্যালয়ের বাইরেও পড়ার জন্য অনেক অর্থ ব্যয় করা হয়। এতে করে অনেক ছাত্রছাত্রীরাই ভুল পথে পা দেয়। তারা ভাবে, এই টাকা তো তাদের জন্যই। "টাকা যে অনর্থের মূল" এসত্যটি তাই ইংরেজী মাধ্যমেই বেশি দেখা যায়। এর ফলে তারা ঠিকমত পড়া লেখা করে না এবং নিজেদের ভবিষ্যতকেই অন্ধকার গুহোয় নিক্ষেপ করে।

আরেকটি সমস্যা হল, ইংরেজী মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীরা খুব দ্রুত মনে করতে শুরু করে যে, অভিভাবকতা তাদের অধিকারে বাঁধা সৃষ্টি করে। তাই তারা তাদের অভিভাবকদের নিজেদের কর্মকান্ডে হস্তক্ষেপ না করার জন্য ব্যবস্হা গ্রহন করে থাকে। অথচ বাংলা মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের আগ পর্যন্তই অভিভাবকের সন্তানদের পড়ালেখা এবং জীবন যাপনের প্রতি খেয়াল রাখেন। এতে করে সবশেষে, ছাত্রছাত্রীদেরই সুন্দর ভবিষ্যত গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

সব কিছুই সমস্যা আর সম্ভাবনা মিলেই তৈরী হয়। মানুষকে শুধু তার সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হয়। আমরা যদি ইংরেজী মাধ্যমের ভুল ক্রুটি গুলো ঠিক করতে পারি, তাহলে ভবিষ্যতে এটিই একটি আদর্শ শিক্ষাব্যবস্হায় পরিনত হবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28799231 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28799231 2008-05-18 05:40:39
একদিনের শিকার অভিযান একবার দুই বন্ধু মিলে বনে শিকারে গেল। দুজনই সাহসী। তবে দ্বিতীয় বন্ধুটি প্রথম বন্ধুর চেয়ে একটু বেশি চালাক। বনে হাজির হয়ে তারা ঠিক করলো, আজকে তারা শিকারের প্রতিযোগিতা করবে। এরপর তারা শিকার করার জন্য দুজন দু দিকে চলে গেল। প্রথম বন্ধু এই বনে আগেও শিকার করার কারনে সে জানত যে এই বনে বাঘ অনেক বেশি। তাই সে বাঘ শিকার করবে বলেই ঠিক করলো। অভিজ্ঞ শিকারি বলে একটু খুঁজতেই সে বাঘের পায়ের ছাপ পেয়ে গেল। এরপর সেই ছাপ অনুসরন করে সে সামনের দিকে এগুতে লাগলো। এদিকে অন্য বন্ধুটি এই বনে নতুন হওয়ার কারনে ঠিক করতে পারছিল না যে কে শিকার করবে সে। অনেকক্ষন চিন্তা করার পর সে তার বন্ধুকেই অনুসরন করার সিদ্ধান্ত নিল, কারন সে ভেবেছিল যে তার বন্ধুর শিকার করার আগেই সে ঐ শিকার নিজের করে নিবে । তার গতি একটু বেশি হওয়ায় সে অল্প সময়েই তার বন্ধুর ৩০ গজের মধ্যে পৌছে গেল। কিন্তু অনুসরন করতে গিয়ে সে অনেক শব্দ করতে লাগলো। এদিকে প্রথম বন্ধুটি সেই শব্দ শুনতে পেরে কিছুটা ঘাবড়ে গেল। এদিকে আবার একটা ক্ষুধার্ত বাঘ ঐ সময়ই পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। মানুষের গন্ধ পেয়ে সে চুপি চুপি সামনের দিকে অগ্রসর হতে লাগলো। তার সামনেই ছিল প্রথম বন্ধুটি। এই সময় বাঘটিকে দেখতে পেয়ে দ্বিতীয় বন্ধুটি একটু জোরে হাঁটা শুরু করলো যাতে তার বন্ধু দেখার আগেই সে বাঘটি শিকার করতে পারে। এছাড়া তার মনে সন্দেহ জেগেছিল যে তার বন্ধুর পক্ষে সেই বাঘ বশ করা সম্ভবও নাকি। এদিকে তার দ্রুত হাঁটার শব্দে বোকা বন্ধুটি ভুল করে তাকেই বাঘ ভেবে বসলো। সে ঠিক করলো যে দশ পর্যন্ত গুনে সে আওযাজ লক্ষ্য করে গুলি করবে। তাই সে মনে মনে দশ পর্যন্ত গুনা শুরু করলো। দ্বিতীয় বন্ধুটির নিশানার ভেতর বাঘটি এসে পড়লো, ঠিক তখনই প্রথম বন্ধুটি ঘুরে তাকে গুলি করে বসলো। আর সেই গুলির শব্দ শুনে বাঘটি পালিয়ে গেল। বাঘটি পালিয়ে যাচ্ছে দেখে দ্বিতীয় বন্ধুটি মুখে হাসই নিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লো। কারন সে জানে তার বন্ধু অন্তত বাঘের হাতে মারা যায়নি।

শিক্ষাঃ
১) অতি চালাকের গলায় দড়ি
২) সত্যিকারের বন্ধুর কাছে নিজের জীবনের চেয়ে বন্ধুর জীবন বেশি গুরুত্বপূর্ণ
৩) সম্পূর্ন পরিস্থিতি না বুঝে কাজ করলে ক্ষতিই বেশি হয়
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28794681 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28794681 2008-05-06 03:59:16
ক্ষমাপ্রার্থী শুন্য ‌আলমিরার দিকে
অবাক বিষ্ময়ে রই তাকিয়ে ,
একদা তিল তিল করে
ভরেছিলাম তা কষ্ট দিয়ে।

তেলাপোকাগুলো সব খাবলে কেড়ে নিল
এতোদিনের যক্ষের সম্পত্তি,
আজ শুন্যের কোঠায় নেমে গেল
দূর্নীতির প্রমান-আজ অব্দি।

মুখ আজ আমার বাক্স বন্দি
চোখ দুটোকেও আটকাতে
পারতাম যদি,
ঢুকড়ে ঢুকড়ে কাদঁতে
তাহলে হতনা আজ বুঝি।

হাতের শাস্তি কেন
সারা শরীর পাবে,
শুধু চোখ আর মন বাদে
সবাই নিদারুন দেবশিশু যে।

কালের শুরু থেকেই
নাকি এই অবিচার চলছে,
একের দোষে নাকি
নির্দোষরা শাস্তি পাচ্ছে!

সে ধারাতেই আজ
আমার ক্ষনে ক্ষনে
পুড়ে পুড়ে
ছাড়খার হওয়া,
বিধাতা আমি মাফ চাই
এবার কি যায় না
আমায় ছেড়ে দেয়া?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28793449 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28793449 2008-05-02 05:23:24
একটি পুরানো গল্প ও কিছু নীতিবাক্য একদা এক দেশে গনসভার আয়োজন করা হয়। দেশের উন্নয়নের জন্য সেই সভার আহবান করা হয়েছিল। অনেক বিজ্ঞ ব্যক্তিরাই সেই সভায় যোগদান করেছিলেন। আবার এমন অনেক ব্যক্তিই ছিল যারা মূলত: সভায় কি হয় তাই দেখতে গিয়েছিল। সভা অনেকক্ষণ ধরেই চলে। গন্যমান্য ব্যক্তিদের কথা শুনে অনেক হাততালি পড়ে। তবে সেই সভায় কিছু ব্যক্তি ছিল যারা সভার আলোচনার ধারার সাথে একমত হতে পারছিল না। তাদের কথা ছিল যে, এগুলো তো গৎবাঁধা আলোচনা হয়ে যাচ্ছে। এই ধরনের আলোচনায় ব্যক্তির পান্ডিত্যই বেশি প্রকাশিত হচ্ছে কিন্তু বর্তমান পরিস্হিতির সাথে তার প্রয়োগ সূদূর প্রসারী কোনো ফলাফল আনবে না বলেই মনে হচ্ছে। যেমন: বিজ্ঞ ব্যক্তিরা বলছিল যে, ফসল এর উৎপাদন বাড়ানোর জন্য বেশি বেশি করে সার প্রয়োগ করতে মাঠে। এতে করে বর্তমানের ফসল উৎপাদন নাকি অনেক গুনেই বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু সেই সব ছোট খাটো লোকের মন্তব্য ছিল যে, এতে করে মাটির ক্ষয় হবে। কিন্তু তাদের কথার তো কোনো দামই দেয়া হল না বরং তাদেরকে দূর দূর করে তাড়িয়ে দেয়া হল।

১৫ বছর পর:
সেই দেশে বিদেশ থেকে কিছু লোক আসবে। তারা নাকি বিদেশের মাটিতে উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে দিয়েছে। তাদের জন্য সারাদেশে সাজ সাজ রব, তবে অল্প পরিসরে। কারন দেশ আজ খাদ্যাভাবে জর্জরিত।

তারপর:
সেই বহুল প্রতীক্ষিত সময় আসল। সেই লোক গুলো যখন বিমান থেকে নামলো, তাদের দেখে সবাই তো অবাক। এরা তো সেই দল যাদেরকে ১৫ বছর আগে বিজ্ঞ ব্যক্তিদের সাথে তথাকথিত তর্ক করার জন্য দেশ থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল।

নীতিবাক্য:
১। গৎবাঁধা নিয়মের বাইরেও যে সফলতা আসে তা সব সময় মনে রাখা উচিত।
২। কারো অবদানই খাঁটো করে দেখা উচিত নয়।
৩। কারো অবদানই পরিত্যাগ করা উচিত নয়।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28793446 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28793446 2008-05-02 04:53:53
ছিনতাই অথবা ৬ষ্ঠ ইন্দ্রিয়ে বিশ্বাসের গল্প ভূমিকা:
মানুষের ৬ষ্ঠ ইন্দ্রিয় কাছে আমি হেরে গেলাম। ৬ষ্ঠ ইন্দ্রিয়কে বিশ্বাস না করার জন্যই এই দূরদশা আজ আমার। মনের অজান্তে যা চিন্তা করছিলাম তা যে এভাবে সত্য হয়ে যাবে তা আমি কল্পনাও করতে পারিনি। বিষন্নতা তাই আমায় গ্রাস করতে পারেনি। বরং তার বদলে অপরিসীম আনন্দই আমার হৃদয়কে ভরে দিয়েছে অনেক দিন পর। সবাই আমার মনের আনন্দ দেখে অবাক হয়ে তাকিয়েছে। ভেবেছে দু:খে পাগল হয়ে গেলাম নাকি আবার। হন্টন কর্মে যদিও আপাতত স্হায়ী তালা ঝুলিয়ে দিয়েছি, তাও স্বপ্ন দেখছি একদিন আবার মুক্ত বিহংগের মত আকাশে উড়বার সুযোগ আমি ফিরে পাবো। সেদিন আর কেউ আমাকে আটকে রাখতে পারবে না। যত দামী খাঁচাই হোক না কেন, তার ক্ষমতা থাকবে না আমাকে বন্দি করার। প্রিয় রাস্তার মুখ এখন খুবই দেখতে ইচ্ছে করছে। ইচ্ছে করছে ছুটে চলে যাই সেই পুকুর পাড়ের গাছগাছালীতে আবৃত রাস্তায় হাঁটতে। কিন্তু অনাকাঙ্খিত ঘটনাই সব উলোটপালোট করে দেবার আগেই সামলে নেয়ায় আজ আমি পরম আনন্দে আছি। মনে হচ্ছে পরম বলে কিছু নেই তা যে ভুল বিজ্ঞানীদের তা হাতে নাতে দেখিয়ে দেই।

মূল ঘটনা:
এই মাসের ২৫ তারিখে আমার ইউনিভার্সিটিতে ফাইনাল এক্সামের শিডিউল পড়ার কারনে শুক্রবার দিন অনিচ্ছা থাকবার পরও বাসা থেকে বের হতে হয়েছিল। প্রতিদিনকার মত একই রাস্তা ধরে বাস স্ট্যান্ডের দিকে যাচ্ছিলাম। কিন্তু পোড়া কপাল আমার। রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতেই কেন জানি বিনা কারনে হাইজ্যাকিং এর কথা মনে হচ্ছিল বারবার। আগে যদি জানতাম যে আসলেই আমার জীবনের একটি বহুল প্রতীক্ষিত ঘটনা আজ ঘটতে যাচ্ছে তাহলে হয়তো রাস্তা বদল করতাম। কিন্তু আমি ঘুনাক্ষরেও টের পাইনি সৃষ্টিকর্তার কি ইচ্ছে ছিল। ৮নংব্রিজ ক্রস করার পরই একলোক এসে আমাকে রাজীব ভাইয়ের কথা জিজ্ঞেস করা শুরু করলো। পূর্ব অভিজ্ঞতা অর্জনকারীদের কাছ থেকে যে জ্ঞান লাভ করেছিলাম তা আজ কাজ দিল। আমি খুব সহজেই বুঝতে পারলাম যে ছিনতাই এর শিকার হতে যাচ্ছি আমি। তখন একটাই ভাবনা ছিল কি করে লোকটাকে দূরে সরানো যায়। ভাগ্য ভালো ছিল বলেই পার্কের প্রবেশ পথ এসে পড়ে আর আমি জনাবহুল পার্কের ভেতরে প্রবেশ করি। লোকটার চাল চলন দেখেই বুঝা যাচ্ছিল যে সে আমাকেই খেয়াল করছে। তাই আমি এমন ভাবে হাঁটতে থাকলাম যে সে যত চেষ্টাই করুক যেন আমার সাথে বা আমার পেছনে থাকতে না পারে। এভাবে একটি বাড়ির পাহারাদারের সামনে এসে দাড়ালাম এবং ব্যস্ততার অভিনয় করলাম। লোকটি তখন আমাকে পাশ ঘেঁটে সামনে চলে যেতেই হলো। কিন্তু বিধাতা কপালে লিখে রাখলে তা খন্ডাবার ক্ষমতা কার আছে? আমি আবার যাত্রা শুরু করার পর পেছন থেকে তাদের দলের নেতা যখন এসে পড়লো তখন আর আমার কিছুই করার ছিলনা। আমার মোবাইলটি তাকে দিয়ে দিতেই হলো। তবে ভালো খবর হলো আমার সীম তাহার ফেরত দিয়াছিল

উপসংহার:
এখন থেকে ৬ষ্ঠ ইন্দ্রিয়কেও গননায় আনতে হবে। কাজটা আমার মত অলসদের জন্য একটু কঠিন হয়ে পড়লো। কিন্তু বিধাতার যদি তাহাই ইচ্ছে হয়ে থাকে তাহলে কি কিছু করার আছে নাকি?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28791287 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28791287 2008-04-26 06:02:05
নেট লাভ
নেট লাভ:
নেটে যখন বিপরীত লিঙ্গের দুজনের একে অপরের সাথে পরিচয় হয়, সেই পরিচয় যখন এক সময় একে অপরের কাজের সময়, পড়ালেখার সময়ের ব্যপ্তি অন্তত দ্রুত হারে কমিয়ে দিতে থাকে অর্থাৎ তারা নিজেদের সাথে কথা বলতে বলতে একে অপরকে প্রচন্ডভাবে আকর্ষণ করা শুরু করে তখন তাকে নেট লাভ বলে।

প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি:
দুটি কম্পিউটার(কমপক্ষে)
অবশ্যই নেট কানেকশন দুপক্ষেই
কোনো কোনো ক্ষেত্রে মিথ্যা বলার ক্ষমতা
পড়ালেখা বা কাজের নাম করে সময় বের করার ক্ষমতা
দুটি হৃদয় তবে বাধ্যতামুলক নয়
নিরাপত্তা এটাও জরুরী নয়

লক্ষন:
শারীরিক অসুস্হতা
মানসিক অসুস্হতা
কাজে ফাঁকিবাজি
কোনো কোনো ক্ষেত্রে মানুষের কাছ থেকে লুকিয়ে থাকা (ম্যাসেন্জারে অফলাইন থাকা)
পরীক্ষায় খারাপ রেজাল্ট

সুবিধা:
দূর দূরান্তের মানুষের সাথে ঘনিষ্ঠ হওয়া
নেট লাইনের টাকা সম্পূর্ন উসুল করা
নেট লাইনের লোকের সাথেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক
মোবাইল এর বিল কমে যাওয়া
ট্রিট দিয়ে বন্ধুদের খুশি রাখা( বন্ধুদের সুবিধা)
কিছু কিছু ক্ষেত্রে মিথ্যা বলার উপর দক্ষতা অর্জন করা
কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিজের উপর আস্হাশীল হওয়ার সুযোগ যে আমিও পারি
কেউ যদি তাড়াতাড়ি বিয়ে করতে চায় তাহলে এর চেয়ে ভালো উপায় নেই। কারন বাবা মা জানার আগেই বিয়ে করে ফেলা সম্ভব

অসুবিধা:
এটাতে বিশ্বাস করা আর চোরকে বিশ্বাস করা একই কথা
চাকরীহীন হওয়া
বাসায় বকা খাওয়া
বন্ধুত্ব নষ্ট হওয়া
বেস্ট এপ্রিল ফুল অব দি ইয়ার হওয়ার সম্ভাবনাও বাদ দেয়া যায় না

কিছু প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্হা:
শুধু চ্যাট করে কখনোই প্রেমে পড়া উচিত নয়, কারন এখানে বানানোর জন্য অনেক সময় পাওয়া যায়।
পিসি টু পিসি কল করেও প্রেমে পড়া উচিত নয়, কারন এখানেও বানানোর জন্য অল্প হলেও কিছু সময় পাওয়া যায়।
খোঁজ খবর নেয়ার জন্য একমাত্র এফবিআইকেই ডাকা উচিত, কারন অন্য সব ক্ষেত্রেই ম্যানুপুলেট করা সম্ভব।
ছবি দেখেই প্রেমে পড়া আর শতকরা ১০০% খাঁটি গুজবে কান দেয়া একই কথা।
ভিডিও কন্ফারেন্সও সম্পূর্ন বিশ্বাসযোগ্য নয়, কে জানে সেটা আসলেই সে নাকি অন্যয় কেউ।

এককথায়, নেট প্রেমে বিশ্বাস করা বোকামী। তবে বন্ধুদের এক্ষেত্রে কিন্চিত উৎসাহ দেয়া যায়,বিশেষ করে সামর্থ্যশীলদের।

সময়ের অভাবে এখানেই সমাপ্তি। এগুলো একান্ত আমার ধারণা। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28789551 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28789551 2008-04-20 13:52:44
(অ)প্রাপ্তির হিসাব আমার সময় ছুঁটে যায় শেষের দিকে,
হয়তোবা আর কয়েকটি বছর
তারপরেই শুরু হবে অজানার পথে সফর।

অপ্রাপ্তিই শুধু প্রাপ্তি
বাকি সব খাতাই যে
রসগোল্লার মত দেখতে
ডিম দিয়ে ভর্তি।

আজও দেখা হয়নি ক্লান্ত পথিকের শক্তি
ফসল হারানো অভাগা কৃষকের হাসি,
পরীক্ষায় ফেল করে কান্নারত শিক্ষার্থীর চোখের পানি
আর মজুরের বিনা বেতনে খাঁটা ঘর্মাক্ত শরীর।

ঘরের মধ্যে বসে থেকে পাখির আওয়াজ শুনলেই
ইচ্ছে করে পাখিটিকে ধরে দেখতে,
আর টিনের চালে বৃষ্টি পড়লেই
প্রান উড়ে বের হয়ে যায় মনের আনন্দে ভিজতে।

প্রিয় মানুষের হাতে হাত রেখে
নদীর তীর ধরে
অজানা গন্তব্যের উদ্দেশ্যে
হাঁটা আজ শুধু স্বপ্নই যে।

সময় কেবল বুলেটের গতিতে ছুটে যায়
আর অপ্রাপ্তির খাতায় নতুন শব্দ যোগ হয়,
নীল সমূদ্রে সাতার কাটা বুঝি স্বপ্নই থেকে যাবে
ঢাকা শহরও ঘোরা হবে না আমাবস্যার রাতে।

কিছুই যে করতে পারি নাই
শিকলহীন খাঁচায় যে বন্দি,
কি করে যে ছাড়া পাই
দিন রাত তারই অংক কষি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28784612 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28784612 2008-04-02 03:50:38
আলস্য মনে হয় নিজেকে অলস বানিয়ে ফেলেছি,
রৌদ্র দেখলেই এখন বড়ই অসহ্য লাগে
ঠান্ডা পড়লেই মনে হয়
ঠকঠকানিতে হাত পা এই বুঝি ভাঙ্গে।

নিশ্বাস নিতেও এখন কষ্ট লাগে
শিখছি তাই কেমন করে
কব্জা করা যায় শ্বাস প্রশ্বাসের অপচয়টাকে।

পড়তে গেলে মাথা ধরে যায়
কিন্তু কষ্ট করে অষুধ খাই কেমনে,
তাই বই খাতাকেই বালিশ বানিয়ে
শান্তির ঘুম দেই নির্বিঘ্নে।

মাথায় এখন খালি ঘুরে অপচয়ের চিন্তা
কষ্টে থাকে তাই আমার মনটা,
কথা বলা কমিয়ে দিয়েছি আগে
তুলা আটকিয়ে হাত করেছি শ্রবনশক্তিটাকে।

এখন শুধু বসে আছি অপেক্ষায়
লটারীতে বড় অঙ্কের টাকার আশায়,
চোখ বন্ধনী কেনার ক্ষমতা যে
নেই এখনো আমার সাধ্যের মধ্যে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28782634 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28782634 2008-03-26 12:37:56
বিদায়ের বেলায় হারিয়ে যাওয়ার আগে
শেষ বিদায়ের দিনে,
শুধু একটি বার ফিরে পেতে চাই
প্রিয় সব বন্ধুদের
আর সব আত্মীয়-স্বজনদের
এছাড়া আমার চাওয়ার যে কিছুই নাই।

নীল আকাশের নীচে হেঁটেছি আগেও
তবু আজ কেন পা থেমে যায়,
হাত কেন অবশ হয়ে যায়?
এবুঝি কাউকে হারানোর ব্যাথা
নাকি ছলনাগুলোর মায়ায় বাঁধা পড়তে চলেছি আবারও?

খুব ছোট থাকতেই হারাতে শুরু করেছি
আজ তাই নিজেই এর শেষ দেখতে চাই,
চলে যাবার জন্য দ্বার তাই খুলেছি
কিন্তু মনের জোর যে শূন্যের কোঠায়!

গৎবাঁধা জীবন যে আমি কখনই চাইনি
নতুনত্বের খোঁজ যে আমি পাইনি,
অন্যের প্রয়োজনে ছাড়তে হয়েছে অনেক অধিকার
কখনো বা ছিল না মুখ ফুঁটে বলার অবস্থা।

ব্যাথায় কুঁকড়ে উঠে নিজেকে সামলে নিয়েছি
কারোর সামনে দূর্বলরূপটা প্রকাশ করিনি,
সেটাই বুঝি কাওল হলো আজ
অন্যের মাথায় উঠছে যে আমার প্রাপ্য তাজ।

আজ যে সবই লাগছে বৃথা
মায়াটাই যে কেবল একমাত্র বাঁধা,
বুঝছি না চলে যাবো নাকি
দূর কোনো জনমানবহীন দেশে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28778978 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28778978 2008-03-14 02:53:44
একজন এমডি, একজন অলস ব্যাক্তি এবং একটি উপদেশ অফিসে প্রবেশ করার পথে এমডি একটি ছেলেকে দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলেন। উনি বেশ কিছুক্ষন পর্যবেক্ষন করে বুঝতে পারলেন যে, ছেলেটি বোধহয় কাজে ফাঁকি দিচ্ছে।
তিনি তখন ছেলেটির কাছে গিয়ে বললেন,
"তোমার বেতন কত?"

ছেলেটি প্রশ্ন শুনে কিছুটা হতবাক হয়ে গেলেও নিজেকে সামলে নিয়ে বললো; " মাসে ২৫০০ টাকা।কেন স্যার?"

এমডি কিছু না বলে নিজের ওয়ালেট বের করে, সেখান থেকে ৫০০ টাকার ১০টি নোট ছেলেটির হাতে ধরিয়ে দিলেন এবং বললেন," এখানে আমি কাউকে কাজ ফেলে অলসভাবে দাঁড়িয়ে থাকার জন্য বেতন দেই না। এই নাও দুই মাসের বেতন। এখনই আমার চোখের সামনে থেকে উধাও হও।"

ছেলেটি টাকাটি নিয়ে কিছু না বলেই সেখান থেকে চলে গেলো। এতে এমডি কিছুটা অবাক হলেন। তিনি তখন একজনকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেন, " যেই ছেলেটিকে বের করে দিলাম সে কোন পোস্টে চাকরি করতো?"

উত্তর শুনে তো এমডির হুশ উড়ে গেল। উত্তরটি ছিল, " ওই ছেলে তো এখানে ডাক বিভাগ থেকে চিঠি বিতরণ আর সংগ্রহের জন্য আসে।"

উপদেশঃ
শুধু দৃষ্টিশক্তির উপর ভরসা করলে কাজের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হয়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28778830 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28778830 2008-03-13 17:55:34
স্বাধীনতার স্বপ্ন


সূর্যের প্রখর উত্তাপে
কাপুরুষদের দল ছিল লুকিয়ে,
তথাকথিত পরাশক্তিদের প্ররোচনায়
দমন নীতিই ছিল তাদের ভাবনায়।
ন্যায্য পাওনা না দিয়ে তারা
অসহায়দের ঘরে দিতো হানা,
যা আছে তা কেঁড়ে নিয়ে
সাহসীদের দাঁড় করিয়ে
মারতো তারা পেছন থেকে।
সাহস ছিল না তাদের বুকে
হাসি দেখার মৃত্যুর পথযাত্রীদের মুখে,
ভয় ছিল তাদের মনেও
ছাড়তো না তাই শিশু-কিশোরদেরও।
ছোট্ট শিশুর সাহস তারা
বুঝতে পেরেছিল অনেক আগেই,
এক থাকলেও বাঁচবে না তারা
সবাইকে হত্যা করতো এই ভয়েই।
নিশ্চুপ নির্বাক জাতি ধীরে ধীরে
প্রতিরোধ গড়ে তোলে ঘরে ঘরে,
হুংকার দিয়ে অস্ত্র হাতে
প্রতিকার চাইতে নামে রাজপথে।
কাপুরুষ দল ভয় পেয়ে যায়
এই বুঝি হয় পতন হায়,
রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে
নারকীয় লীলা চালায় দেশ জুড়ে।
ভাই বোনের মৃত্যুকে
শোক নয় শক্তি হিসেবে নিয়ে
অকুতোভয় জনগন
ঝাঁপিয়ে পড়ে স্বাধীনতার যুদ্ধে।
সাধারণ অস্ত্র তাদের হাতে
হয়ে যায় আধুনিক,
সেই অস্ত্র নিয়ে
যুদ্ধে তারা ঝাঁপিয়ে পড়ে।
স্বাধীনতার স্বপ্ন তাদের বুকে
সূর্যের আলোর চেয়ে উজ্জ্বলতর হয়ে
জ্বলজ্বল করে জ্বলে।
দীর্ঘ নয় মাস ধরে
বলতে গেলে একতরফা যুদ্ধ চলে,
কারণ রাতের আধাঁরে আর
অসহায়দের হত্যা নয় যে
কোনো যুদ্ধ।
মৃত্যুর আগ মূহুর্তেও বাঙ্গালীরা
স্বাধীনতার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে,
বাঁচার সুযোগ থাকার পরেও
মৃত্যুকে বরণ করেছে
যুদ্ধ করতে করতে।
মুক্তিযোদ্ধাদের অকল্পনীয় সাহসিকতা
আর অপ্রতিরোধ্য কৌশলের কাছে
মাথা পেতে নেয় কাপুরুষেরা অবশেষে।
স্বাধীনতার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হলে
পেলাম আমরা বাংলাদেশকে।
কিন্তু হায় তিন যুগ পরে
কেন আমরা দেখি স্বাধীনতার স্বপ্ন আবারও?
কেনই বা আমাদের অনেকে
দূর্নীতিতে পড়েছে জড়িয়ে
আর কেনই বা অনেকে লিপ্ত হয়েছে
সন্ত্রাসের রাজ্য কায়েমে?
আজও আমরা চাই স্বাধীনতা
মঙ্গা-বন্যা-দূর্যোগ থেকে,
সাথে রয়েছে দারিদ্রতা
কিছুই যে আমাদের পিছু ছাড়ে না।
স্বাধীনতার এই স্বপ্নগুলো কি
স্বপ্নই থেকে যাবে,
নাকি আবার সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে
স্বাধীনতাকে আনবে ছিনিয়ে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28778797 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28778797 2008-03-13 14:55:00
একদিন রূপকথার দিন
এরপর তো দিনের মজার শুরু। আজ ছিল একটা ব্যস্ত দিন। গুরুজীদের ভয়ে আমার হাত পা যেখানে কাঁপার কথা সেখানে তারাই উলটো সময় খুঁজে পাচ্ছিলেন না। শেষ পর্যন্ত আমাদের ইচ্ছা পূরণ করতে গিয়ে তারা নিজেদের কর্মই পালন করতে পারেনি। আজ বড়ই বিশেষ দিন বোধহয় আমার জন্য।

সন্ধ্যায় যখন নৌকার খোঁজে বের হলাম তখন দেখি একবিশাল জন সমুদ্র। আমার মনে হল, কোনো দেশের রাজকন্যা বুঝি তার বর খোঁজার জন্য পাত্রের আহবান করেছেন। সবার তাই আগে পৌছানোর আশা। অনেক কষ্টে ঠেলে ঠুলে আমিও নৌকায় চড়লাম। আশা ছিল আমিও তাদের সাথে চলে যাই রাজকন্যার প্রাসাদে। জীবনে একবার দেখি রাজকন্যার সুন্দর মুখখানি। কিন্তু পোড়াকপাল আমার। নৌকা ফুটো হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকায় আমাকে রাজপ্রাসাদে যাওয়ার আগেই নেমে যেতে হল পথে। সেখান থেকে শুরু করলাম আমার নিজ গন্ত্যবের দিকে হাঁটা।

হাঁটতে হাঁটতে দেখা হয়ে গেল সেই পাগলের যে কিনা কোট পড়ে রাস্তায় মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রন করে। আমি প্রথমে খেয়াল করিনি। তবে হঠাৎ তার বিচিত্র চিতকার শুনে আমি তার দিকে তাকাতেই অবাক হয়ে গেলাম। আসলেই যে এধরনের পাগল আমাদের দেশে আছে তা আমি আগে বিশ্বাস করতাম না। তাই আমার গন্তব্যর দিকে হাঁটা থামিয়ে মনোযোগ সহকারে তার কর্ম আমি দেখে চললাম প্রায় ১০-১৫ মিনিট। এতো নিষ্টার সাথে কর্ম বোধহয় আর কেউ করে না। এতো আনন্দের সহকারে তিনি অন্যদের বকাঝকা করছিলেন যে, আমার একবার মনে হল তাকে গিয়ে ধন্যবাদ জানাই। কিন্তু তখনই আমার কবুতর খানি চিতকার করে উঠায় আমাকে আবার গন্ত্যবের পথে হাঁটা শুরু করতে হল।

গন্ত্যবে পৌছে দেখা হয়ে গেল ক্ষুদে দানবদের সাথে। তারা চিতকার করে করে তাদের শিকারদের যাবতীয় কাজে সমস্যা সৃষ্টির চেষ্টা করছিল। তাদেরকে কোনো মত কাঁটিয়ে আমি ঢুকে পড়লাম নিজ গুহায়।

এটা কিন্তু আসলে স্বপ্ন নয়। আমার জীবনের একদিনের ঘটনা।
১.ড্রাইভিং টেস্ট।
২.ক্লাসে ম্যাডাম শুধুই খাতা দিয়েছেন, পড়াতে পারেননি।
৩.বেভকো বাসের প্রতিদিনকার অবস্থা
৪.কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির এক্সিকিউটিবের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রন
৫.কবুতর = মোবাইল
৬.ক্ষুদের দানব হল আমাদের এপার্ট্মেন্টের পিচ্চি বালক বালিকারা]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28777989 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28777989 2008-03-10 13:35:35
ধন্যবাদ (?) তাল গাছের নিচে,
আকাশটাকে দেখছিলাম
জগতসংসার ভুলে।

হঠাৎ জানি কোথা থেকে
ঢিল পড়ল গায়ে,
দেখি তাকিয়ে
একটা ছাগল ফিক ফিকিয়ে হাসে।

নিঃশ্বাস নিতে গিয়ে
ভেটকো গন্ধ পেলাম,
জামার দিকে তাকিয়ে
"গু" দেখতে পেলাম।

বাড়ির দিকে ছুটতে গিয়ে
গাছের সাথে বাড়ি খেলাম,
ধপাস করে পড়ে গিয়ে
শরীরে "গু" মাখিয়ে ফেললাম।

উঠে বসতে গিয়ে
হাতেও মাখিয়ে ফেললাম,
বাকি ছিল মাথা যে
সেথাও লাগালাম পরম তৃপ্তিতে।

বাসায় এসে মা-কে দেখালাম
বিরাট একটা ঝাড়ি খেলাম,
গোসল করে বাথরুমে গেলাম
ঘন্টা খানেক সময় নিলাম।

তৈরি ছিল না হোম ওয়ার্ক
স্কুল তাই দিলাম বাদ,
ছাগল করেছো গ্রেট ওয়ার্ক
জানাই তোমায় ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28768727 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28768727 2008-02-10 02:37:02
আত্মসমালোচনা অনেক কিছুই করেছি
করা হয়নি আত্মসমালোচনা,
আজ আমি তাই বসেছি
নিজের খুঁত খুজে বের করায়।

দিনের বেলা ঘুমাতে
বড়ই ভালো লাগে,
রাত হলেই চোখ থেকে
ঘুম পালিয়ে ভাগে।

পড়ার টেবিলে থাকলে
মাথা ব্যাথা করা শুরু করে,
টিভির সামনে বসলে
মন চাঙ্গা হয়ে উঠে।

রাস্তা দিয়ে হাঁটতে গেলে
ইচ্ছে করে খুবই
সারা রাস্তা দখল করে
বুক ফুলিয়ে চলি।

ট্রাফিক সিগ্ন্যালে আটকা পড়লে
মেজাজ যায় বিগড়ে,
ইচ্ছে করে দেই ঝাড়ি
যারেই পাই সামনে।

নিজে গান গাইতে পারিনা
পারিনা বাজাতে কোনো বাদ্য,
কাউরে তাই সহ্য করতে পারিনা
তাদের কর্মকে বলি তাই অখাদ্য।

রাধঁতে আমি পারিনা
কষ্ট তাতে পাইনা,
পেট ভরে আহার করলে
বেদনা সব যাই ভুলে।

আরো আছে হাজার খানেক দোষ
লিখতে বসলে করা হবে না ভোজ,
ফেলে দেই কলম তাই হাত থেকে
তুলে নেই খাদ্য টেবিল থেকে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28768724 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28768724 2008-02-10 02:17:56
আমার প্রথম কোরবানীর ঈদ ব্রেইন আমার হতবাক হয়েছে
হাম্বা হাম্বা ডাক শুনলে
সে ভয় পেয়ে যাচ্ছে।
কালো রঙের ছোট প্রানীগুলো
দেখতে লাগে পুতুলের মতন
দেখতে মায়াভরা চোখগুলো
হৃদয় চায় তাদের করতে যতন।
হঠাত করেই যাচ্ছে চলে
খেলার সঙ্গী সাথী গুলো,
কাঁটাবে গ্রামের বাড়িতে
সামনের দিনগুলো।
অলসভাবে বসে থাকতে থাকতে
আমারও খুব সখ হয়েছে
একটা প্রানী পালার জন্য,
বাবা আমার কথা রেখেছে
একটা নয় দুটো এনেছে
শুধুই আমার জন্য।
প্রানীগুলোর সাথে থেকে
সময় আমার যাচ্ছে চলে,
বন্ধুদের কথা মনে থেকে
ভুতের সাথে পালিয়ে গেছে।
ঘুমাতে যাওয়ার আগে গতকাল
মা ডেকে বলেছে আমায়
বাবার সাথে আগামীকাল
যেতে হবে ঈদগায়।
ভোরের আলো চোখে পড়ায়
ঘুম আমার যায় ভেঙ্গে,
হৃদয় আমার ব্রেইনকে জানায়
মসজিদে যেতে হবে বাবার সঙ্গে।
ব্রেইন আমার বুঝে না
এতো সকালে কেন উঠতে হবে,
কোন সংকেত সে পাঠায় না
তাই আমি বিছানাতেই থাকি শুয়ে।
মা এসে ঘুম ভাংগিয়েছে
বাথরুমে গোসল করতে পাঠিয়েছে,
গোসল শেষে নাস্তা চাইলে
কোরবানী শেষে দিবে বলেছে।
পাঞ্জাবী পায়জামা পড়ে
বাবার সাথে মসজিদে গেলাম,
জায়গামত বসে পড়ে
বাবাকে কোরবানী কি জিজ্ঞেস করলাম।
আর কিছু পারবো না বলতে
চোখ আমার ভেসে যাচ্ছে জলে,
প্রানীগুলোকে সৃষ্টিকর্তার উদ্দেশ্যে
.................................


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28752994 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28752994 2007-12-21 01:58:42
অপেক্ষা ছোট মেয়েটি সাঁজে
আলোর জন্য প্রাণ কাঁদে
তবুও কিছু করার নেই পাছে
হিংস্র প্রানীগুলো যদি দেখে ফেলে।
পাশে বসে ছোট ভাইটি যে
মনমরা হয়ে খুঁজে মার্বেলটি
বিকালের নিভু নিভু রৌদ্রে
হারিয়েছিল খেলার শেষ সম্বলটি।
ছেলে-মেয়েকে অসহায় দেখে
মায়ের মন নীরবে কাঁদে
স্বামী গেছেন যুদ্দ্বক্ষেত্রে
স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে।
গতকালই শেষ হয়ে গেছে
জমিয়ে রাখা খাবার গুলি
তখন থেকেই বসে আছে
মুখে তাদের ভয় আর অনাহারের চিহ্ন।
মায়ের কষ্ট দেখে
ভাইবোন গেছে বুঝে
মুখে মেকি হাসি এনে
লুকিয়ে লুকিয়ে কাঁদে।
তিনটি প্রানের অপেক্ষার প্রহর
শেষ হবে পেলে স্বাধীনতার খবর
পারবে কি তারা দেখতে এক নজর
কপালে কি আছে তাদের স্বাধীন মাটির কবর?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28752078 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28752078 2007-12-17 00:38:01
কালো রাত্রির প্রতিজ্ঞা বর্বর পাষাণের দল যেদিন নির্বিচারে হত্যা করেছিল
ঘুমিয়ে থাকা অজস্র নর‌-নারীকে
ঘুমাতে গিয়েছিল যারা রৌদ্র উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন নিয়ে।
শেখ মুজিবের সাথে অালোচনা হঠাত থামিয়ে
বর্বর পাক শাসক গোষ্ঠী হঠাত যায় পালিয়ে,
স্বাধীনতার স্বপ্নকে স্বপ্নই রেখে দিতে
হানাদার বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়ে
পাক-শাসকের বর্বর অাদেশকে বাস্তবায়িত করতে
গণহত্যার উন্মাদনায় তারা মাতে।
কেউ বাঁচেনি তাদের হাত থেকে
শিশু কিশোর থেকে শুরু করে
বৃদ্ধ বুড়ো বুড়ি সবাই
মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।
সূ্র্য় দেবতার উদয়ের সাথে সাথে
বাঙ্গালীরা জগত কাঁপানো হুন্কারে জেঁগে উঠে,
নিজ মাতৃভূমি থেকে শয়তানদের বিতারিত করতে
দেহ থেকে অাত্মা বিসর্জনের জন্যও রাজি তারা
দেশকে এবার স্বাধীন করে তবেই মরতে হবে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28747184 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28747184 2007-11-23 21:52:11
স্তব্ধ কিন্তু পরাজিত নয় দুঃখ ভারাক্রান্ত মানুষকে
সুখী করতে তুমিও একটু মাতো।
ঘূর্নিঝড়ের দয়ামায়াহীন পদযাত্রায়
ছেদ পড়েছে যাদের জীবনযাত্রায়,
তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায়
ব্যস্ত মানুষ সকল আজ
প্রাত্যহিক কর্মে দিয়েছে ক্ষান্ত।
ভয়াল থাবা আজ যাদের
কেবলমাত্র পেরেছে ছুঁইয়ে যেতে,
জীবন স্তব্ধ হয়ে গেছে তাদের
সবই হারিয়ে ঝড়ের কাছে
আজ তাদের আত্মা শুধু কাঁদে।
খেলার সাথী হারিয়েও ছোট ছেলেটি আজ
ভুলে গেছে সাথী হারানোর বেদনা,
বেঁচে থাকাই যে তার কাছে আজ
লাগছে এক ভীষণ কঠিন মরণ খেলা।
আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা
গগন পানে থাকে চাহয়া,
আকাশ যানের দেখা পাহিলে,
জগৎ সংসার সব ভুলিয়া
জীবনটাকে পকেটে রাখিয়া,
দৌড় লাগায় মাঠ পানে
কণামাত্র ত্রাণের লাগিয়া।
আজ আর নয় হই হুল্লোড়,
আজ আর নয় বন্ধুদের সাথে হাসি-তামাসা,
আজ এসেছে সময় আমাদের
দুঃখ ভারাক্রান্ত মানুষের পাশে দাড়াবার।
শকুন মামার দলও আজ প্রতীক্ষারত
একটি লাশ তাদের কাছেও মূল্যবান,
তাদের সাথেই আজ আমাদের
করতে হবে লড়াই মহামূল্যবান।
ইঁদুরের দলও যেন না পারে
ত্রাণের বস্তা কুট কুট করে কেঁটে
উদরপূর্তি করে
ত্রাণ বিতরণ বন্ধ করে দিতে।
হে, সকল বাংলাদেশী,
কর প্রতিজ্ঞা আজ,
সুখের জীবন বিসর্জন দিয়ে
কোমড় বেঁধে নামবো মাঠে,
সবার মুখে হাসি না ফিরিয়ে
ফিরবো না মোরে ঘরে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28747183 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28747183 2007-11-23 21:50:10
লোভী ব্যবসায়ী, বোকা গ্রামবাসী ও ব্যবসায় লাভ পরেরদিন সহকারীও চলে যায়। তারা দুজনে আর কখনোই ফিরে আসেনি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28737683 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28737683 2007-10-15 22:27:27
পারিবারিক সমস্যা

একবার একটি বার-এ একটি আমেরিকান আর একটা বাঙ্গালী গল্প করছিল। বাঙ্গালী লোকটা বলছিল," আমার পরিবার জোর করে আমাকে একটা মেয়ের সাথে বিয়ে দিতে চায় যাকে আমি কখনো দেখিনি। কিন্তু আমি এমন কাউকে বিয়ে করতে চাইনা যাকে আমি চিনি না। আমি প্রেম করে বিয়ে করতে চাই। আমি তাদেরকে একথা বলেছি এবং এখন তারা সমস্যা করছে।"

তখন আমেরিকান লোকটা বললো," প্রেম করে বিয়ের কথা বলছো!!!আমি তোমাকে আমার গল্প শুনাই দাঁড়াও। আমি একটা বিধবার সাথে তিন বছর প্রেম করার পর বিয়ে করেছিলাম। কিছু বছর পর আমার বাবা আমার সৎ মেয়েকে ভালোবেসে বিয়ে করে। সূতরাং আমার বাবা আমার মেয়ের জামাই অর্থাৎ আমি আমার বাবার শ্বশুর। আবার আমার মেয়ে আমার মা এবং আমার বৌ আমার দাদি। আরো সমস্যা হলো যখন আমার একটা ছেলে হল। আমার ছেলে আমার বাবার ভাই, তাহলে আমার চাচা। এরপর পরিস্থিতি আরো খারাপ হল যখন আমার বাবার ছেলে হল। এখন আমার বাবার ছেলে অর্থাৎ আমার ভাই আমার নাতি। অবশেষে দেখা গেল যে, আমিই আমার দাদা আবার আমিই আমার নাতি। আর তুমি এই তুচ্ছ পারিবারিক সমস্যা-এ অতিষ্ঠ?"

[link|http://banglawritings.wordpress.com/2007/10/15/]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28737672 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28737672 2007-10-15 21:35:07
আমার তুমি
_______________________

নীরব স্রোতহীন এ জীবনে (তুমি)
এনে দিলে গতি,
সব কষ্ট নিজের করে (তুমি)
করে দিলে মোরে সুখী।
পিপাসায় আক্রান্ত এ হৃদয়ে
শান্তির ধারা বইয়ে দিলে,
ক্লান্ত এই মানুষটিকে
ঘুম পাড়ালে তোমার কোলে।
অনুভূতিহীন এই হাতকে ছুঁয়ে
শেখালে কত কিছুই তুমি,
লাজুক এই মানুষটিকে
সাহসী করে তুললে তুমি।
একাকীত্বের যন্ত্রনা ভুলিয়ে
হলে মোর পথের সাথী,
রাতের ঐ চাঁদ যতদিন রইবে
ভুলবো না গো তোমায় সাথী।
অবুঝ আমি দিয়েছি তোমায়
কষ্ট আর বেদনা,
তবুও তুমি সব ভুলে আমায়
দিয়ে গেলে ভালোবাসা।
বৃষ্টির দিনে তোমার সাথে
ইচ্ছে করে ভিজতে,
রৌদৌজ্জ্বল দিনে ইচ্ছে করে
তরুর নিচে বসতে।
কিছুদিন পরে চলে যাবে তুমি
আমায় ফেলে বহুদূরে,
সফলতা আসুক তোমার জীবনে
কামনা করি আমি মনে-প্রাণে।
যত দূরেই যাওনা কেন
মনে রেখ একটি কথা,
ভালবাসি তোমায় আমি
ভুলবো না তোমার কথা।

[link|http://banglawritings.wordpress.com/2007/10/04/]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28735434 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28735434 2007-10-04 16:51:15
সুন্দর মনের মানুষ
[link|http://banglawritings.wordpress.com/2007/10/03/]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28735338 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28735338 2007-10-04 04:13:29
ঘাতক মইত্যা রাজাকার নিজামীর দৃষ্টতা মুক্তিযুদ্ধে পরাজয় নিশ্চিত জেনে তালিকা প্রস্তুত করে দেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যার দায়ও মইত্যা রাজাকার নিজামীরা আওয়ামী লীগের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে তাদের সর্বশেষ চমক (১৯৭১-এ যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করার দাবি!) কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী, ঘাতক আলবাদর বাহিনীর প্রধান সংগঠক মতিউর রহমান নিজামী ওরফে ‘মইত্যা রাজাকার’ (এ নামেই সে মুক্তিযুদ্ধের সময় নিজের এলাকায় পরিচিত ছিল) বলেছে, “এদেশ আমরা স্বাধীন করেছি যুদ্ধ করে, গণতন্ত্র এনেছি, সংগ্রাম করে!!
১৯৭১-এ সামরিক জান্তা ইয়াহিয়ার পদলেহী নিজামীর এহেন স্পর্ধিত উক্তি মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ মুক্তিযোদ্ধার আত্মদান এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের প্রতি অতি কদর্য বিদ্রুপ ছাড়া আর কিছু নয়। জরুরী অবস্থার বেড়িতে দেশবাসী যদি আবদ্ধ না থাকত, তবে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি মইত্যা রাজাকার নিজামীর এই ধৃষ্টতার জন্য সারা দেশে শত শত বিক্ষোভ প্রতিবাদ হতো, ক্ষোভে ফেটে পড়ত দেশপ্রেমিক প্রতিটি মানুষ।
১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে মইত্যা রাজাকার নিজামী ও তার দল জামাত কীভাবে পাকিস্তানী সামরিক জান্তার দালালী করেছে, কীভাবে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামীদের হত্যার জন্য পাকিস্তÍানী হানাদার বাহিনীকে প্ররোচিত করেছে, কীভাবে রাজাকার-আলবাদর-আলশামস প্রভৃতি ঘাতক বাহিনী গঠন করে মুক্তিযুদ্ধের শত্রুদের পুঙ্ক্তিতে দাঁড়িয়ে গণহত্যা ও নারী নির্যাতনসহ যাবতীয় ধ্বংসযজ্ঞে অংশগ্রহণ করেছে- তার শত শত বিবরণ পাওয়া যাবে ১৯৭১-এ জামাতের মুখপত্র দৈনিক ‘সংগ্রাম’ ও অন্যান্য সংবাদপত্রে।
বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা জেনারেল জিয়ার বদৌলতে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে বিচারের দায় থেকে অব্যাহতি পেয়ে এবং ২০০১ সালে রূপকথার সিন্দাবাদের দৈত্যের মতো খালেদা জিয়ার ঘাড়ে সওয়ার হয়ে ক্ষমতায় এসে নিজামীরা ধরাকে সরা জ্ঞান করছে। কিন্তু এ কথা কেন তারা ভুলে যায়Ñ জিয়াউর রহমান ঘাতক-দালাল আইন বাতিল করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত করতে পেরেছেন বটে কিন্তু এত কিছুর পরও বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৭(৩) ধারায় ‘৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিধানটি এখনও জ্বলজ্বল করছে। নিজামীদের মতো যুদ্ধাপরাধীদের কখনও ক্ষমা করা হয়নি। ‘৭১-এর স্বজনহারাদের লক্ষ কোটি পরিবার কখনও তাদের ক্ষমা করবে না। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে দেশপ্রেমিক প্রতিটি মানুষের অবস্থান এখনও অনড়। এরই প্রতিফলন আমরা দেখেছি সম্প্রতি বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল মইন ইউ আহমেদের বক্তব্যে। মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সমাবেশে গত ২৭ মার্চ জেনারেল মইন সুনির্দিষ্টভাবে ‘১৯৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কথা বলে দেশপ্রেমিক মানুষের হৃদয়ে নাড়া দিয়েছেন এবং একইভাবে ঘাতক নিজামীদের মতো যুদ্ধাপরাধীদের রাতের ঘুম হারাম করে দিয়েছেন।
‘মিথ্যাচার’ ‘প্রতারণা’ ‘শঠতা’ প্রভৃতি জামাতের সমার্থক শব্দে পরিণত হয়েছে। ঘাতক নিজামীরা যখন বলে, ‘১৯৭১-এ তারা পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর সহযোগী ছিল না, রাজাকার-আলবাদর-আলশামস তারা গঠন করেনি, হত্যা নির্যাতন, লুণ্ঠন ও যাবতীয় ধ্বংসযজ্ঞে তারা জড়িত ছিল না- এরচেয়ে কুৎসিৎ মিথ্যা আর কিছু হতে পারে না। এ সবের চেয়ে ভয়ঙ্কর মিথ্যাচার ও চরম ধৃষ্টতা হচ্ছে ‘১৯৭১-এ যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করার দাবি। তবে জামাতের আদর্শিক অবস্থান ফ্যাসিবাদ ও নাৎসিবাদে বিধায় তাদের এরূপ দাবি করতেও বাধে না।
মইত্যা রাজাকার নিজামী জানে দেশে এখন জরুরী অবস্থা চলছে। রহস্যজনক কারণে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এখন পর্যন্ত তাদের প্রতি যথেষ্ট সদয়। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিলের মতো মুক্তিযোদ্ধাদের গ্রেফতার করা হলেও ধর্মব্যবসায়ী জামাতের শীর্ষ নেতারা সবাই বহাল তবিয়তে আছে। জরুরী অবস্থার কারণে জনগণের প্রতিবাদের সুযোগ নেই বলেই যুদ্ধাপরাধী মইত্যা রাজাকার নিজামী নিজেদের মুক্তিযোদ্ধা দাবি করবার মতো স্পর্ধা প্রদর্শন করতে পেরেছে। এরপর নিজামী নিশ্চয় বলবে, তাদের গুরু মওদুদীর নির্দেশেই বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও তাজউদ্দিন আহমদরা তাদের হুকুম মাফিক মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছেন! জিয়া-খালেদা নন্দন তারেক রহমান যেদিন জামাতকে বিএনপি’র সহোদর ভ্রাতা হিসেবে ঘোষণা করেছেন সেদিন থেকেই এদেশের মানুষ এ কথা শোনার জন্য অপেক্ষা করছিল- মইত্যা রাজাকার নিজামী কবে বলে জিয়া আর সে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছে!!
বিএনপি-আওয়ামী লীগের নেতাদের একের পর এক দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের কথা বলে গ্রেফতার করা হলেও জামাতের নেতাদের কেন ধরা হচ্ছে না- এই প্রশ্নের একই উত্তর শুনা যাচ্ছে গত ক’মাস ধরেই যে, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেলেই তাদের ধরা হবে!
বাংলাদেশের সংবাপত্রে শুধু নয়, গোয়েন্দা বিভাগেরও নথিপত্রে জামাতের শীর্ষ নেতাদের জঙ্গিসম্পৃক্তি ও দুর্নীতির ভূরি ভূরি তথ্য রয়েছে। ১৯৭১-এ তাদের গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের তথ্যও কম নেই। এত কিছুর পরও ধর্মব্যবসায়ী জামাতের প্রতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিশেষ পক্ষপাত আচরণÑ তাদের দুর্নীতি ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানকে গুরুতরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। যেহেতু ধুরন্ধর জামাত বুঝে ফেলেছে জেনারেল মইন যতই বলুন অদৃশ্য ইশারায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে না এবং দুর্নীতি ও জঙ্গিসম্পৃক্ততার দায়ে তাদের জেলে যেতে হচ্ছে না- নিজামী এটাকেই মোক্ষম সময় বিবেচনা করে নিজেদের মুক্তিযোদ্ধা বানাতে চাইছে!
নিজামীর ধৃষ্টতা দেখে মনে হচ্ছে অচিরেই সে বলবে- ফখরুদ্দীন আহমদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে তারাই গদিতে বসিয়েছে, কিংবা তারা ছাড়া বাকি সবাই রাজাকার। উচ্ছিষ্টভোগী জামাতের ছেষট্টি বছরের রাজনীতির ইতিহাস হচ্ছে- যখন যে সরকার ক্ষমতায় থাকে তাদের খিদমত করা কিংবা খিদমতের ভান করা। তবে জামাতের মতো দল কখনও কোন সরকারকে রক্ষা করতে পারেনি। কেউটে সাপের লেজ দিয়ে কান চুলকানোর বিপদ সম্পর্কে তারা বিলক্ষণ অবগত- যারা জামাতের সঙ্গে বসবাস করেছে। পাকিস্তানে জেনারেল জিয়াউলের সরকার থেকে আরম্ভ করে বাংলাদেশে খালেদা জিয়ার সরকারকে জামাতই ডুবিয়েছে।
তবে ঘাতক নিজামীদের এটা ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে, জরুরী অবস্থা অনন্তকাল থাকবে না। দেশপ্রেমিক মানুষ জানে কখন ‘৭১-এর মতো একাট্টা হতে হয়। মুক্তিযুদ্ধের প্রতি অবজ্ঞা ও অবমাননা বাংলাদেশের জনগণ কখনও ক্ষমা করবে না

সংগৃহীত

যুদ্ধাপরাধী, মইত্যা রাজাকার নিজামীর পলায়ন]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28735113 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28735113 2007-10-02 19:27:42
চোখের উপযোগী শাক-সব্জি অল্প সেদ্ধ বা কাঁচা সালাদ, ফল ও ফলের রসের সঙ্গে অবশ্যই দুধ, দই, ছানা খাওয়া উচিত। সয়াবিন ভিটামিন ‘এ’ এর আরেকটি ভাল উৎস। বিভিন্নভাবে সয়াবিন রান্না করে খাওয়া যায়। ভিটামিন এ- এর অভাবে অন্ধকারে দেখার উপযোগী চোখের রক্তকোষগুলোর কর্মদক্ষতা আস্তে আস্তে কমে যেতে থাকে ফলে শিশু রাতের বেলায় কোন জিনিস খুঁজতে গিয়ে হাত বাড়িয়ে ঘুরতে থাকে এবং কোন জিনিসে বাঁধা পেলে হুমড়ি খেয়ে পড়ে যায়। বাচ্চা জন্মের সময় তার শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ‘এ’ থাকায় মাতৃদুগ্ধ পান করা পর্যন্ত এই ভিটামিনের অভাবজনিত সমস্যা হয় না! কিন্তু শিশুর যখন বাড়তি খাবার প্রয়োজন হয় তখন এই ভিটামিনের অভাব হলে চোখের সমস্যা দেখা দিতে থাকে। শিশুদের চোখের যে সমস্যাগুলো বেশি দেখা যায় তা হলো বিটট স্পষ্ট। এতে অক্ষি শুষ্কতার পর চোখের বাইরের আবরণে কিছু ছোট ছোট দাগ পড়ে। ফলে কর্ণিয়া অস্বচ্ছ ও ঘোলাটে দেখায় এবং কর্ণিয়ার অনুভূতি কমে যেতে থাকে। এর ফলে দেখতে অসুবিধা হয়। পরে কর্ণিয়া আক্রান্ত হয়ে ক্ষত সৃষ্টি হয়। তখন শুধু ভিটামিন ‘এ’ যুক্ত খাবার খেলেই চলবে না, নিয়মিত ভিটামিন এ ক্যাপসুল খেতে দিতে হবে। বয়স্কদের ছানি পড়া বিলম্বিত করতে ভিটামিন এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সঠিক ভাবে ভিটামিন এ যুক্ত খাবার নিয়মিত না খেলে নির্ধারিত সময়ের আগেই চোখের আলো ঝাপসা হয়ে যেতে পারে।

[link|http://banglawritings.wordpress.com/2007/10/01/]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28734953 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28734953 2007-10-02 03:05:35
যুদ্ধাপরাধী, মইত্যা রাজাকার নিজামীর পলায়ন জেনারেল জিয়ার সহধর্মিনী বেগম খালেদা জিয়াকে ব্যবহার করে হয়েছিল ক্ষমতার অংশীদার। সে আর ‘মইত্যা রাজাকার’ নয়, সে হয়েছিল তথাকথিত মাননীয় সাবেক শিল্পমন্ত্রী এবং মহাক্ষমতাধর ব্যক্তি। বাংলাদেশের পুলিশ তাকে দিন রাত পাহারা দিত। শুধু পুলিশ কেন প্রয়োজন হলে চিতা, কোবরা, বিডিআর এমন কি সেনাবাহিনীও তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসতো।
মইত্যা রাজাকার নিজামী ক্ষমতার ভাগ পেয়ে ভাবল ৩৫ বছর কম তো সময় নয়। আমার হাতে এখন আর বাঙ্গালির রক্তের দাগ নেই। আমিতো জাতীয় স্মৃতিসৌধেও গেছি। কই কেউ তো আমাকে কিছু বলেনি। সবাই আমার ’৭১-এর ‘কুকীর্তি’ ভুলে গেছে। আমি যাব বিশালিখায় (?) যেখানে একদিন আমি পাকিস্তান রক্ষার নামে বধ্যভূমি সৃষ্টি করেছিলাম। সেখানেই একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন করে বিশালিখার মানুষকে দেখিয়ে দেব আমি কেমন শক্তিধর।
কিন্তু অবস্থা বেগতিক। নিজামীর আগমন বার্তা পেয়েই স্বজন হারানো মুক্তিযোদ্ধা পরিবার বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। গর্জে উঠে গ্রামবাসী। ‘তারা মইত্যা রাজাকার নিজামীকে গ্রামে ঢুকতে না দেয়ার ব্যাপারে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করে। ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী আগমনের আগের রাতেই ঘাতক নিজামীর নামফলক ভিত্তিপ্রস্তর স্তম্ভটি গুড়িয়ে দেয়। গ্রামের সকল রাস্তাঘাট, হাটবাজারসহ বাড়ি বাড়ি কয়েকশ’ কালো পতাকা উড়িয়ে দেয়। গ্রামে প্রবেশের মুখে গাছের গুড়ি ফেলে বেরিকেড সৃষ্টি করে। পরের দিন শনিবার দুপুরে ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধনের নির্দিষ্ট সময়ের আগে গ্রামবাসী বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করে অনুষ্ঠান স্থানসহ গোটা গ্রাম প্রদক্ষিণ করে। এ সময়ে গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে তৎকালীন শিল্পমন্ত্রী নিজামী খবর পেয়ে পরিস্থিতি সামলাতে নির্ধারিত কর্মসূচি বাতিল করে সটকে পড়ে’। একাত্তরে এ গ্রামের মানুষের উপর অত্যাচার-নির্যাতন মাওলানা মতিউর রহমানের প্রত্যক্ষ মদদে হয়েছে বলে গ্রামবাসী মনে করে। তারা বিশ্বাস করেন, নিজামী এ গ্রামে ঢুকলে শহীদদের আত্মা কষ্ট পাবে। তাই শহীদদের পরিবার ও মুক্তিযোদ্ধারাসহ গ্রামের সর্বস্তরের লোকজন নিজামীকে গ্রামে ঢুকতে না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
নিজামীর কথায় টিএনও ডিসি পুলিশ অফিসার উঠ-বস করত। কিন্তু সেদিন রাজাকার নিজামীকে কেউ রক্ষা করতে পারেনি। একটি পাড়াগাঁয়ের স্বজন হারানো সাহসী মানুষের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয় কথিত ‘সম্মানিত’ শিল্পমন্ত্রী। ২০০৬ সালে নিজামীর লেজ গুটিয়ে পলায়নের দৃশ্য আবার প্রমাণ করে ভোল পাল্টালেও আসলেই সে ‘মইত্যা রাজাকার’। ছোট গ্রাম বিশালিখার বীর জনতা সারা বাংলাদেশের মানুষকে শিখিয়ে দেয় কিভাবে রুখতে হয় স্বাধীনতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধী নিজামীদের। সাবাস বিশালিখার গ্রামবাসী।
(সংগৃহীত)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28734749 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28734749 2007-10-01 05:52:45
যুক্তি-তর্ক গরু ঘাস খায়।
মানুষ গরু খায়।
সুতরাং মানুষ ঘাস খায়।
এটা হল পাগলের যুক্তি বা যখন তর্কে আর জেতার সম্ভাবনা থাকে না তখন আমরা এরকম অদ্ভুত যুক্তির সাহায্য নিয়ে থাকি।
উদাহরণঃ কয়েকদিন আগে আমরা কয়েকজন মিলে গল্প করছিলাম। আমরা কয়েকজন একজোট হয়ে আরেক বন্ধুর সাথে তর্ক করছিলাম। সে বলে আমাদের ফ্যাকাল্টি নাকি আইবিএ থেকে পাশ করেছে। কিন্তু আমরা সবাই জানি যে ফ্যাকাল্টি এন.এস.ইউ থেকেই পাশ করেছে। শেষ-এর দিকে আমরা যখন প্রায় জিতে গেছি তখন সে বলল, “ আমাদের ফ্যাকাল্টি নাকি ঐ কালো ব্যান্ডের মেয়েদের মত গান গাওয়া ছেলেটার কাছ থেকে ছ্যাঁকা খেয়েছে। আর যেহেতু সেই ছেলে আইবিএ-তে পড়েছে, সুতরাং আমাদের ফ্যাকাল্টিও আইবিএ-র স্টুডেন্ট।” এই কথা শুনে আমরা তর্ক থামিয়ে সজ়োরে হেসে উঠলাম।

২.
“ক” “খ”কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
“গ” “ক”কে হারিয়েছিল।
সুতরাং “গ”ও চ্যাম্পিয়ন।
এটা হলো মনকে স্বান্তনা দেয়ার জন্য খোঁড়া যুক্তি। এই যেমন, ২০-২০ ওয়ার্ল্ড কাপের পর অনেকেই নিজেদের মনকে স্বান্তনা দিতে এই যুক্তির আশ্রয় নিয়ে বাংলাদেশকেও চ্যাম্পিয়ন ঘোষনা করে অন্যের হাসির খোরাক হয়েছেন। তাদের মতে বাংলাদেশ কোনো একসময় ভারত-কে হারিয়েছিল। আজ যেহেতু ভারত চ্যাম্পিয়ন সুতরাং বাংলাদেশও নাকি চ্যাম্পিয়ন।

৩.
অমুকের ছেলে ক্লাসে প্রথম হয়।
আমরা তোমার পেছনে ওর বাবা মা-র চেয়ে বেশি পরিশ্রম করি আর তোমাকে বেশি সুযোগ সুবিধাও দেয়া হয়।
সুতরাং তোমাকেও প্রথম হতে হবে।
বাবা মা সন্তানদের ওপর এভাবে ১০০ কেজি বস্তার বোঝা চাপিয়ে দেয়। কিন্তু তারা বুঝতে চায় না যে, পড়ালেখায় বুদ্ধির দরকার সবচেয়ে বেশি। আর এভাবে বোঝা চাপিয়ে দিয়ে ছেলেমেয়েদেরকে উৎসাহিত করার চেয়ে আরও ভীতই করা হয়।

[link|http://banglawritings.wordpress.com/2007/09/30/]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28734714 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28734714 2007-09-30 23:30:06
অণুকাব্য জানালার পাশে দাঁড়িয়ে
হাতটা বাড়িয়ে
মাথাটা নাচিয়ে
হাসে যে ফুলিরে।

২.
বড্ড বেকায়দায়
পড়ে গেছি আমি,
খোলা ম্যানহোলটায়
হারিয়েছি চাবি।

৩.
আমি আর তুমি
দুই মেরুর
দুই বাসিন্দা,
তাও কেন মোরা
ভালবাসি বাঙ্গালিয়ানা।

৪.
দূর-দূরান্ত থেকে
তোমার সুমধুর কন্ঠস্বর
এই যন্ত্রের অক্ষি থেকে
ঝরিয়ে দেয় জলস্রোত।

৫.
ভারত-পাকিস্তান খেলা
সে শুধু খেলা নয়
সে যে মিলনের মেলা
আবার বিরহের বেদনাও।


[link|http://banglawritings.wordpress.com/2007/09/30/]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28734647 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28734647 2007-09-30 16:19:46
বেদনা বিনিময়ে কি দেই আমি তাকে
বেদনা ছাড়া?

নীল আকাশের সবকিছুই
মুগ্ধ করে আমায়,
কিন্তু তাকে ভরিয়ে দেই
বিষাক্ততায়।

সাগর আর নদীর জল
ভরিয়ে দেয় মন,
তাদের আমি দেই কেবল
আবর্জনা আর মল।

সে দিল আমায়
প্রান ভরে ভালবাসা,
আমি দিলাম তাকে
কষ্ট আর বেদনা।

[link|http://banglawritings.wordpress.com/2007/09/29/]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28734554 http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenapothikblog/28734554 2007-09-30 04:55:08
বৃষ্টি ঝামেলা এবং কিছু আজাইরা বকবক