আমার প্রিয় পোস্ট

হারিয়ে যাই অতল জলে..

বুয়েটে সংঘর্ষ মারামারি হয়েছে - অবশেষে বুয়েট বন্ধ ঘোষণা ► নেপথ্যে আবারো বিশ্বকাপ

১৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:২৮

শেয়ারঃ
0 167 0

সেই বুয়েট। যেখানে কাটিয়েছি জীবনের বৈচিত্রময় কিছু সময়।

গতবার বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে যা হয়েছে তাতে সারা দেশ এমনকি বাইরের দেশেও খবর হয়ে গিয়েছিলো। বিশ্বকাপ কে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো বুয়েট।

খবর পেলাম: বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ছুটির দাবি নিয়ে বুয়েটের '০৫ ব্যাচের কিছু ছাত্রদের সাথে '০৬ ও '০৭ ব্যাচের কিছু ছাত্রের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। অনেকে আহতও হয়েছে। ক্যাম্পাসে বিরাজ করছে ব্যাপক উত্তেজনা!!

-----------------------------------------------------------------------------

বুয়েটে গ্রীষ্মকালীন বা শীতকালীন ছুটি বলে কখনো কিছু দেখিনি। যাহোক: ছাত্রদের দাবির মুখে এবার কর্তৃপক্ষ ৫ সপ্তাহ ক্লাসের পর ২ সপ্তাহ ছুটি ঘোষণা করে। উল্লেখ্য, বিশ্বকাপ শুরু হয়েছে গত ১১ তারিখে কিন্তু কর্তৃপক্ষ ছুটি ঘোষণা করেছে ২৬ তারিখ থেকে। ফলে ছুটি হবার কথা আর এক সপ্তাহ ক্লাস হবার পর।

এ নোটিস দেখার পর গত বুধবার রাতে কিছু ছাত্র পাল্টা মিছিল বের করে। এবং আজ শনিবার সকালে ক্লাস অবরোধ করে। এসব নিয়েই পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে যায়।
তবে জানা তথ্যসূত্র মতে এই সাংঘার্ষিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক ইন্ধনে!! এটা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো পরিস্থিতি ঘোলাটে করে যে যার মতো ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করবে। আরো পিছিয়ে যাবে ছাত্ররা। পিছিয়ে যাবে দেশের ভবিষ্যত!!! এটাই বোধহয় নিয়তি!!
--------------------------------------------------------------------------

বুয়েটের জন্য চরম একটি সত্য বাক্য : যারা ফাইনাল লেভেল/সেমিস্টারে থাকে তারা সমসময় অবস্থান নেয় এ ধরনের ছুটি বা বন্ধের বিপক্ষে! অথচ তারাও হয়তো জুনিয়র থাকার সময় একই ভাবে আন্দোলন করেছিলো!!

আমরা নিজেরাই যেন নিজেদের উল্টো প্রতিবিম্ব!! :( :( :( :(


 

সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১২:৫৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:৪৩
শিক কাবাব বলেছেন: এজন্যইতো ঢাকা শহরের বিল্ডিংগুলি নির্মাণের পর হেলে যায় এবং রাস্তা ঘাট পুল ব্রিজ নির্মাণের পর বেশী দিন বাচে না।
১৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:৪৯

লেখক বলেছেন: হা..হা..হ.. ভালো জোক। আরো মজা পাইতাম যদি ভেতরের কথা কইতেন। ইঞ্জিনিয়ার ডিজাইন করে কিন্তু যারা বানায় .. মালপানি ঢালে তার দুই নাম্বারি করলে ইঞ্জিনিয়ারের দোষ কি!!

২. ১৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:৪৩
যুধিষ্ঠির বলেছেন: হুমম রশীদ হলে মারামারি চলছে হল ভ্যাকান্ট করে দেবে শুনছি
৩. ১৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:৪৫
যুধিষ্ঠির বলেছেন: @ শিক কাবাব এগুলো যে বুয়েটের ছেলেরা করেছে আপনি কি এতই শিওর??
৪. ১৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:৪৮
কিষান বলেছেন: ভাই সব তো স্বচক্ষে দেখলাম। এখানে খেলার চেয়ে পলিটিক্যাল কারণই বড় বলে মনে হচ্ছে
৬. ১৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:৫৪
অলস_আমি বলেছেন: বুয়েটের জন্য চরম একটি সত্য বাক্য : যারা ফাইনাল লেভেল/সেমিস্টারে থাকে তারা সমসময় থাকে এ ধরনের ছুটি বা বন্ধের বিপক্ষে! অথচ তারাও হয়তো জুনিয়র থাকার সময় একই ভাবে আন্দোলন করেছিলো!!

এটা শুধু বুয়েট না। সব জায়গারই অবস্থা।
১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:০০

লেখক বলেছেন: /:) /:) /:)

৭. ১৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:১৩
শামসুর রউফ সুমন বলেছেন: নিজের চোখে যা দেখলাম, কি আর বলব!!সত্যিই দুঃখজনক।এখন থেকে বুয়েটিয়ান হিসেবে গর্ববোধ করার আগে দ্বিতীয়বার চিন্তা করতে হবে।:(:(
৯. ১৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:১৭
ইকারাস ইমন বলেছেন: হা হা হা .. বুয়েটে শেষ কবে ৪ বছরের কোর্স ৪ বছরে শেষ হয়েছিল ???
১০. ১৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:১৮
শ্বেত সওদাগর বলেছেন: আমি ১-১ এ একবার মিছিলে গিয়েছিলাম। তবে নিজের ইচ্ছায় না, সিনিয়র ভাইয়েরা জোর করে নিয়ে গিয়েছিল। পরে যখন বুঝতে পেরেছি, তারপর আর যাইনি। কিন্তু আমার না যাওয়া দিয়ে তো বুয়েট চলে না......আজকের ঘটনা খুবই দুঃখজনক। জুনিয়র ব্যাচ আমাকে ক্যাম্পাসে ঢুকতে দিচ্ছে না, বলছে ওপর থেকে অর্ডার আছে, ঢুকতে দেয়া যাবে না। আমি বললাম, ওপর থেকে কে অর্ডার দিল? সে যে ব্যাচের নাম বললো, সে ব্যাচও কিন্তু আমাদের জুনিয়র। তবে আমি মনে করি, এসবের জন্য মূল দায়ী স্যারেরা। তারা আন্তরিক হলে বুয়েটের এই চিরন্তন সমস্যা খুব সহজেই দূর করা যেতো।
১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:০২

লেখক বলেছেন: অনেক সময় স্যারদের আচরণ দেখে মনে হয় যেন তারা এসব প্রশ্রয় দিতে পছন্দ করছেন। বুয়েট বন্ধ থাকলে স্যারদেরও যে সুবিধে!

১১. ১৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:২৮
মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই বলেছেন: সালাদের ২৬ তারিখ থেকে ছুটি হইলেও চলে না. এইগুলা কেন পড়তে আইসে.
১২. ১৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:৩০
বিলুপ্ত বৃশ্চিক বলেছেন: লজ্জা !!! চরম লজ্জা !!! বুয়েটিয়ান হিসেবে এর চেয়ে আর কিছু বলার নেই।
১৩. ১৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:৩৫
নুভান বলেছেন: পুলাপাইন কবে যে বুঝতে শিখবো। আফসুস :(
@শিক কাবাবঃ বুয়েটের পোলাপাইন-ই ঢাকা শহরে বাড়ি ঘর বা রাস্তা ঘাট তৈয়ার করে না। ডিজাইন করা আর রাজমিস্ত্রীগীরী করা দুইডা আলাদা।
১৪. ১৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:৪৫
অবাঞ্চিত বলেছেন: রাজনৈতিক ইন্দন রে ভাই, অযথা বিশ্বকাপের উছিলা দিতাছে। যারা মারামারি করতাছে তারা সবাই রাজনীতির সাথে যুক্ত। অযথা বুয়েটের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতেছে
১৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: এটা সত্যি। মারামারি যে ছেলেগুলো করেছে ওদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে!

১৫. ১৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:৪৭
অবিবর্তিত বলেছেন: ক্লাস টাইমে তো খেলা হয়না। আর যে টাইম পর্যন্ত খেলা হয় ততক্ষন বুয়েট ছাত্র এমনিতেই জেগে থাকে।সো ঘুমের সমস্যা ও না। এটা পরিষ্কার যে এই আন্দোলন পুরোপুরি রাজনেতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত।

সম্রাটকে নিয়ে যে আন্দোলন চলছিল তার নেতৃত্ব সাধারন ছাত্রদের হাতে চলে গিয়েছিল।তাই তা চাপা দেয়ার উদ্দেশ্যে এখন এই ফালতু আন্দোলনের ইস্যু বানানো হয়েছে।শুনেছি সাধারন ছাত্রদের বোঝানো হয়েছে যে প্রতি বিশ্বকাপেই ছুটি দেয়া হয়।যেটা আসলে একটা সত্য ঘটনার ভুলভাবে উপস্থাপন।

২০০৬ এ যখন বিশ্বকাপের জন্য ছুটি চাওয়া হয়েছিল তখন পরীক্ষা আর বিশ্বকাপের তারিখ ওভারল্যাপ করেছিল।শুধু এটাই নয় আর্ও ফ্যাক্টর ছিল। ওই টার্মের পরীক্ষা শেষে প্রায় ৩ মাস একটা ছুটির কথা ছিল। ছাত্ররা চাচ্ছিল সেটা যেন এগিয়ে পরীক্ষার আগে আনা হয়। তখনকার ভিসির গোয়ার্তুমির কারনেই পরিস্থিতি বেসামাল হয়ে পড়ে। হল ভ্যাকেন্ট হয়।পরে এক মাসের জায়গায় প্রায় চার মাস এক্সট্রা ছুটির পর পরীক্ষা শুরু হয়। মূল উদ্দেশ্য ছিল সামনের নির্বাচন পর্যন্ত ক্যাম্পাসে সিনিয়র নেতাদের অবস্থান নিশ্চিত করা।পরীক্ষা হলে সিনিয়ার নেতাদের পাস করে হল ছেড়ে দিতে হত। উপায় ছিল হয় পরীক্ষা পিছানো অথবা পরীক্ষা দিয়ে ফেল করা।ওরা প্রথমটা চয়েজ করেছিল।

২০০২ বিশ্বকাপের সময় সনি হত্যাসহ আর্ও কিছু ফ্যাক্টর ছিল। বড় ভাইরা বলতে পারবে।কাকতালীয় হলেও সত্য যে বুয়েট বিশ্বকাপগুলোতে বন্ধ ছিল। কিন্তু এই ট্রেন্ড বন্ধ হওয়া উচিত।স্যাররা চাইলেই আসলে ছাত্রদেরকে নিবৃত্ত করতে পারেন। কিন্তু উনারা সময় মত সিদ্ধান্ত নেন না এবং অযথা কালক্ষেপন করে বরং পরিস্থিতি ঘোলাটে করে ফেলেন।

সিনিয়ররা ছুটি চান না এটা সত্য। কিন্তু্ এসব আন্দোলনে নেতৃ্ত্ব পিছন থেকে সিনিয়ররাই দেয় ।যাদের দেরী করে পাস করলেও সমস্যা নাই। পার্টি তো আছেই। জুনিয়ররা শুধু তালে নাচে আর মিছিলে সংখ্যা বাড়ায়।
১৬. ১৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:৫৯
অলস বালক বলেছেন: আজকে অনেক ছাত্র ক্লাসে গিয়েছিলো।স্যাররাও ক্লাস এ এসেছেন।কিন্তু অল্প কিছু ছাত্র গেট আটকিয়ে রাখে।বলা বাহুল্য এরা রাজনীতি করে।তাই বড়দের গায়ে হাত তোলার সাহস পায়।মূলত কোচিং ব্যবসা করার জন্যই তারা বন্ধ চায়।আমরা যারা খেলা দেখি তারা ঠিকই ক্লাস করি।আন্দোলনকারীরা খেলাও দেখেনা।
১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:০৪

লেখক বলেছেন: কথায় যুক্তি আছে। আসলে এসব ঘটনা দেখতে একরকম কিন্তু ভেতরে থাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো দূরভিসন্ধি!!

১৭. ১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:০১
আমি বিবেক বলছি বলেছেন: সবি বুঝলাম। কিন্তু জুনিয়র পোলা সিনিয়রের গায়ে হাত তুলে কেমনে সেইটা বুঝলাম না!
১৮. ১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:০৭
ধুসর আকাশ বলেছেন: @ইকারাস ইমন : ওরে ভোদাই, তুই কই পড়িস?
১৯. ১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:১২
কবি মৃত্যুময় বলেছেন: ডিটেইল জানি না, আবাসিক নয় তাই, ক্লাস বর্জন শান্তিপূর্ণই চলছিল, হঠাৎ করে এরা নিজেদের মধ্যেই কীভাবে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে পড়ল, কিছুই বুঝলাম না। সবাই এতো অসহিষ্ণু।জুনিয়র সিনিয়র মানে না, সিনিয়র জুনিয়র দের ছোট ভাইদের মত দেখে না। উপরন্তু সবকিছুর রাজনীতীকরণ ধ্বংস ডেকে আনছে। আশু শান্তি ফিরে আসুক এই প্রার্থনা করি।
১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:১৮

লেখক বলেছেন: এদেশের নষ্ট রাজনীতিই দেশ ধ্বংসের মূল।

২০. ১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:২৭
কক বলেছেন: এই না হলে দেশের সেরা স্টুডেন্ট?!
ওদের নিয়ে কিছু বললে গায়ে ছেকা লাগে......ব্যান করার জন্য সবাই উঠে পড়ে লাগে.........
মাইর-পিট, ভংচুর এই হইলো এগোর কাম......আবার কালিদাসের বড় কাব্য রচনা করে। বুয়েটে পইরা মাস্টারমাইন্ডে মাস্টারি করে, কল সেন্টারের গদি তুলাধুনা করে.....এই হইলো দেশের সবচেয়ে ভালো স্টুডেন্টদের সিনোপ্সিস.......সেলুকাস:|
১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:০৭

লেখক বলেছেন: কক মিয়া বুয়েটে ভর্তি হইয়া এইসব কথা কইয়ো.. শোভা পাইবে...

২১. ১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৩৬
ধুসর আকাশ বলেছেন: অবিবর্তিত ভাইয়ের সাথে সম্পূর্ণ একমত।

জুনিয়র ছেলেরা সিনিয়রের গায়ে প্রথমে হাত দেয় নাই। এক সিনিয়র ছেলেকে ০৭ এর একজন গেটে আটকিয়ে বলে ভাই ক্লাস হবেনা। ০৫ ব্যাচের যে ছেলেকে এই কথা বলা হয়, সেও রাজনীতি করে। সে বলে, তাকে যেতে দিতে হবে। জুনিয়র ছেলেটি তাকে চেনেনা। তাই বলে যে কাউকে যেতে দেওয়া যাবেনা। উপরের নির্দেশ আছে।
সে জিজ্ঞেস করে, কাদের?
জুনিয়র বলে, ০৫ ব্যাচের ভাইয়াদের।
এই কথাটাই তার গায়ে লাগে, এবং জুনিয়রকে সে চড় দেয়। মজার কথা হলো, সাথে সাথে সে পালিয়ে যায়, জুনিয়র ছেলেটির বন্ধুদের এগিয়ে আস্তে দেখে। জুনিয়ররাও গেট ছেড়ে সে মুহুর্তে আর যায় না।

এখন বলে রাখি, কারা গেট আটকানোর সেই কড়া নির্দেশ দিয়েছিল?
ইয়েস বড় ভাইরা, যথারীতি সিনিয়র ভাইরা, যারা এখন ০৫ ব্যাচে নেতা হবার লোভে জুনিয়রদের নির্দেশ দিয়ে বেড়াচ্ছে।

এখন সবাই ভাবি! গেট আটকানোর কড়া নির্দেশ দিয়েছে ০৫ ব্যাচের লীডাররা।
০৫ ব্যাচের আরেক পাতি নেতা(যাকে জুনিয়র রাজনীতিবিদরা চেনেই না!!!) অপমান ভেবে জুনিয়রের গায়ে হাত তোলে!!!

বাহ!!!!

পরে রশিদ হলে সেই পাতি নেতাকে দেখা যায়, আত্বরক্ষার জন্যে, এক সিনিয়র নেতার সাথে মিটিং করতে।
জুনিয়ররা খবর পেয়ে তাকে ধরতে গেলে, সে ডাইনিং হলে, টেবিলের নিচে লুকিয়ে যায়।

তাকে টেবিল থেকে বেড়িয়ে আস্তে বলা হয়।

ইতোমধ্যে সেখানে উপস্থিত হয়, ০৫ ব্যাচের নেতারা(যারা গেট আটকানোর নির্দেশ দিয়েছিল)।

তারা জুনিয়রদের শান্ত হতে বলে।
কিন্তু জুনিয়র ঐ সিনিয়রকে মারতে চাই(যা জুনিয়রের গায়ে হাত তুলেছিল)।

ব্যাস, সাথে সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে ০৫ ব্যাচের নেতারা জুনিয়র ছেলেদের উপর চড়াও হয়, এই বলে যে, তারা বড় ভাইদের সাথে বেয়াদপী করেছে, এবং কথা শুনিনাই।

০৭ ব্যাচের মম নামের এক ছেলেকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয় এক নেতা। ছেলেটি এখন ডি, এম, সি তে।

০৭ গিয়ে সাহায্য চাই ০৬ ব্যাচের ছেলেদের কাছে। ০৬ ব্যাচ ০৭ এর পক্ষ নিয়ে মারামারি করতে যায়। ০৫ লাঠি সোটা সাথে থাকায় মারামারিতে এডভান্টেজ পায়। এবং ০৬ এর দুর্ধর্ষ মারামারির কান্ডারি ফাইরুজকে মেরে মোটামুটি হালুয়া বানায় দিয়েছে।



০৫ হ্যাটস অফ। তোমাদের বড় ভাইরাও গালি দিত, বেয়াদপ বলে।
জুনিয়ররাও গালি দিবে।

২২. ১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৩৬
বিলুপ্ত বৃশ্চিক বলেছেন: কক মিয়া, তুমি সত্যি একটা নির্লজ্জ আবারও প্রমান করলা...
২৩. ১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৪৩
কবি মৃত্যুময় বলেছেন: @কক>> মারামারি যা কদাচিৎ হয় তা ১০-২০ জন করে। বুয়েটে ছাত্র সংখ্যা ৪ হাজার। .০১% ছাত্রের জন্য "মাইর-পিট, ভংচুর এই হইলো এগোর কাম....." এ জাতীয় অভিযোগ খুবই হাস্যকর।
চাকরি বিষয়ক নির্বুদ্ধ উক্তি করেছেন। এরকম যদি হয়েও থাকে তা দেশের প্রশাসন এবং অপর্যাপ্ত প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থানস্বল্পতা হেতু। দেশ এদের মেধাকে কাজে লাগাতে অনেক সময়ই পারে না।

আপনার মর্মপীড়ার কারণ আমার কাছে অজ্ঞাত।
২৪. ১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৪৩
গোল্ড ফিশ বলেছেন: সবকিছু পইড়া খুবই কষ্ট পাইলাম... :(
২৬. ১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৫৬
কবি মৃত্যুময় বলেছেন: @ধুসর আকাশ>> বিস্তারিত জানতাম না। ধরে নিলাম ঘটনা এরকমই।

বাকরুদ্ধ হয়ে গেলাম ভাই। কিছু বলার নাই।তবে কোন কিছুই ঠিক হয় নাই, একদল বড় ভুল করে ফেলল। সবার বোধ জাগ্রত হোক, এই কামনা করি।

আমার প্রিয় বিদ্যাপিঠে এধরনের ঘটনা দেখতে অনেক ব্যথিত হই।
২৭. ১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:০৩
ধুসর আকাশ বলেছেন: @কবি মৃত্যুময়>> বড়জোর ০৫ ব্যাচের ৫-১০ টা ছেলে। জুনিয়রদের রাজনৈতিক পোস্ট দেবার লোভ দেখিয়ে যা ইচ্ছা তা করায়।
মজার ব্যাপার হচ্ছে, তাদের নিজেদেরই কোন পোস্ট নাই।
তারা পাশ করে বের না হলে আদৌ পোস্ট পাবে নাকি তা নিয়েও সন্দেহ আছে। কারন এটিই তাদের শেষ সেমিস্টার। এর আগে জুনিয়রদের যা বারটা বাজার বাজিয়ে দিয়ে যাচ্ছে।
২৮. ১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:০৪
যুদ্ধবাজ বলেছেন: কক, বুয়েটের পুলাপাইন কল সেন্টারের গদি নিয়া তুলাধুনা করে (যদিও ওইসব চটকাদার কাজ কর্ম পেরাইভেটের ভেটকাইন্যা ইস্মাট পোলাপাইনরাই করে, কুনোদিন শুনিনাই বুয়েটের পোলাপাইনরে কল সেন্টারে কাম করতে), তারা খারাপ, তাগো আপনের 'কক' দেখায়া দেন :P
২৯. ১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:০৮
অবিবর্তিত বলেছেন: বুয়েটের রাজনীতির ধারাটা অনেক ভাল ছিল। এক টেবিলে বসে এক হলের দল লীগ আর ফ্রন্ট এর প্রতিনিধিদের নাস্তা খাওয়া র সিন এখনও দেখা যায়। এককালে রাজনৈতিক প্রভাবে নিজের ভবিষ্যত গুছিয়ে নেযার প্রবনতা যেমন ছিল ,মুল ধারার নষ্ট রাজণীতির প্রতি বুয়েটছাত্রের অনীহাও ছিল।এখন প্রথা গুলো কেমন যেন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে । অস্তিত্ব জানান দেয়ার জন্য বিপক্ষদলকে শায়েস্তা করার প্রবণতা বাড়ছে।

এগুলো শুনলে খারাপ লাগে। বুয়েট নামটা শুনলেই মনটা এমন একটা অনুভুতিতে ভরে যায়। যেন কত বিশাল একটা আত্নীয়পরিবারের অংশ আমি।সেখানে এমন নৈরাজ্যে ব্যথিত হই । আর 'কক' এর মত বিকৃত মানসিকতার লোকগুলা তখন হাততালি দিয়ে লিখতে বসে।

আমরা সাধারন ছাত্ররা সৃষ্টিসুখের উল্লাসে মেতে থাকতে চাই। হে প্রভু নষ্ট রাজনীতির থাবা থেকে আমাদের রক্ষা কর।আর ওদের জ্ঞান দাও ।
৩০. ১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:২৩
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: হতাশ !!

এটা খুবই সত্যিই কথা যে মাত্র ২০/২৫ টা ছেলে পুরো বুয়েটকে অস্থিশীল করে দেয় । বাকি ৪০০০ জনকে হতে হয় বলির পাঠা ।
৩১. ১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৩২
মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: হতাশ !! এটা খুবই সত্যিই কথা যে মাত্র ২০/২৫ টা ছেলে পুরো বুয়েটকে অস্থিশীল করে দেয় । বাকি ৪০০০ জনকে হতে হয় বলির পাঠা ।

আসলে এটা সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরই চিত্র, গুটি কয়েক ছাত্রের জন্য সবাইকে খেসারত দিতে হয়।
৩২. ১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৩৫
সরল ছন্দিত স্পন্দন বলেছেন: কক মিয়া যে বুয়েটে চান্স পায় নাই সেটা স্পষ্টই বোঝা যায় ।

যা কিছু ঘটেছে , গুটিকতক ফালতু পোলাপাইন ঘটিয়েছে ।

@ধূসর আকাশ, আপনার বিবৃতিতে হাল্কা সংশোধনী আছে । যার মাথা ফেটেছে, ছিলিং ফ্যান এ লেগে ফেটেছে ।
৩৩. ১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৪৫
ফোরকান এলাহি অনুপম বলেছেন: আমিও তাই শুনেছি,সিলিং ফ্যানে মাথা কেটেছে । তবে যাই হোক যা ঘটেছে সেটা খুবই লজ্জাজনক । বুয়েটের মত জায়গায় এমনটা ঘটতে পারে সেটা ভাবতেই পারি নাই । :( :(
৩৪. ১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:০৬
পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন: ঐ কক তুই আবার আসছিস ??????????? মাইর খাবি ??? আবার ব্যান খাওয়ামু তরে ????????

যারা জানেন না তাদের উদ্দেশ্যে কক ন্যশ্নাল ইয়নির পোলা , কয়েকদিন আগে সম্রাটের মারা যাবার পর সরকারী ভার্সিটিরে গালাগালি করে পোস্ট দেবার পর গনধোলাই খাইসিলো , সব পোস্ট ড্রাফট করে ফেলসে । এখন আবার আসছে । আবার মাইর দিতে হবে
১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:০৯

লেখক বলেছেন: কককে ডগ দিয়ে াক করতে হবে..

৩৫. ১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৪৬
মজার মানুষ বলেছেন: @ধুসর আকাশ : নিজের মন মত কাহিনি প্রকাশ করলেন মনে হয়। আমি ঘটনা স্থলের কাছেই ছিলাম।

০৫ ব্যাচের ছেলে পেলে দের মারতে গিয়ে এক পর্যায় টেবিলের উপর উঠে পরলে ফেনের আঘাতে মাথা কেটা যায়।

তবে বড় ভাইদের গায়ে হাতদেয়ার জন্য কয়েকজনের মার দেয়া হয়েছে।

০৫ এর যে ছেলেদের মারা হয়েছে তারা ০৭ এর সাথে মিউচুয়াল করছিলো। ঠিক তখনই ০৬ এর বেয়াদব ছেলেরা ০৫ এর উপর হামলা চালায়। এর জবাবে ০৫ পালটা হামলা করেছে।
৩৬. ১৯ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪০
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: বিশ্বকাপ উছিলা? কইছে আপনারে। এইবার মেজরিটিই ক্লাস চালুর পক্ষে ছিল। সোজা বাংলায় - রাজনৈতিক কারণ ছাড়া কিছুই না। নিজের চোক্ষেই তো দেখলাম সব।
৩৭. ১৯ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৩
বাঙ্গাল বলেছেন: আমড়া...ব্যাপারটা খুইলা বলোতো ভাই। আমাগো জানায় অনেক ভেজাইল্লা কাম কর্ছি...কিন্তু সিনিয়র-জুনিয়র মাইরপিট...নেভার।
৩৮. ১৯ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৪
শিট সুজি বলেছেন: " নেপথ্যে আবারো বিশ্বকাপ" - এই কথাটি ঠিক না।

আজকে সারাদিনে যত ঘটনা ঘটেছে তার কোনটার সাথেই বিশ্বকাপের কোন সম্পর্ক নাই।
১৯ শে জুন, ২০১০ রাত ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: আজকে সারাদিনে যত ঘটনা ঘটেছে তার কোনটার সাথেই বিশ্বকাপের কোন সম্পর্ক নাই।
------------------------------------

কিন্ত পুরো ব্যাপারটি যে বিশ্বকাপ -এর ছুটি নিয়েই যে সূচনা হয়েছে এটা কী অস্বীকার করতে পারবেন।

---

গত বিশ্বকাপের সময় বুয়েটর পরিস্থিতি দিয়ে যাওয়া বা পর্যবেক্ষনের সুযোগ হয়নি বোধহয় আপনার!!

৩৯. ১৯ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৮
শিট সুজি বলেছেন: @ধুসর আকাশ : রশীদ হলের ডাইনিং এ এখনো যাও। দেখবা একটা ফ্যানের পাখা বাকা হয়ে আছে। এই ফ্যানের পাখায় লেগে তার মাথা থেকে রক্ত বাহির হচ্ছিল। আমার সামনেই তাকে ধরে কয়েকজন " মাইরা ফাটাই ফেলছে " বলে চিৎকার করে আরো লোকজন জড় করে।

একটা অতি সাধারন প্রশ্ন। ভিতরে ০৫ ব্যাচের সর্বসাকুল্যে ৮জন ছিল ( আমি তাদের প্রত্যেকের নাম বলতে পারি)। এবং ০৬ ও ০৭ ব্যাচের প্রায় ৩০ জন ছিল। মাত্র এই কয়েকজন একটা ছেলের মাথা ফাটায়ে দিল এই কথাটা মিথ্যা বুঝতে বেশি কষ্ট হয় না।


"জুনিয়ররা খবর পেয়ে তাকে ধরতে গেলে, সে ডাইনিং হলে, টেবিলের নিচে লুকিয়ে যায়" - নিজের ব্যাচমেটদের হিরো বানানোর জন্য গোয়েবলসীয় প্রচার চালাচ্ছ তুমি।

জুনিয়ররা যখন তাকে ধরতে যায় তখন আমি রশীদ হল ডাইনিং এর ভিতরে। নিজের চোখে যা দেখছি তা তোমার পোস্ট কমেন্ট আকারে বলেছি। একসাথে প্রায় ৩০ জন আক্রমন চালায়। সেখানে শামীম ভাই এবং আরেকজন সিনিয়র ছিলেন। সেখান ঝামেলাটা মিটমাটের জন্যই ০৫ ব্যাচের ছেলেরা গিয়েছিলেন। এই ঘটনার ২ঘন্টা আগে থেকে আমি ওদের সাথে ছিলাম। অতর্কিত এই আক্রমনে পাল্টা মারামারি তো দুরের কথা, ঠেকানোর সামর্থ্য ও আমাদের ছিল না।

মাথা ফাটার কাহিনী। তুমি ০৫ ব্যাচকে বাহবা দিয়েছ। আমি একটু ০৭ ব্যাচকে দেই। যখন হাসান কে সবাই মারতে যায় তখন তার সামনে আরেফিন এবং দাড়িয়ে ছিল। সে ওদের আগাতে বাধা দিচ্ছিল। যার ফলে তাকে আমার সামনেই ৬জন মিলে মারে। এই মম সাহেব , উনি সামনে থেকে মারতে পারছিলেন না বলে টেবিলের উপর উঠে হাসান কে একটা লাথি মারে। এই সময় উপরে ফ্যানে লেগে তার মাথা কেটে যায়। সিনিয়রদের প্রতি কি সুনিপুন শ্রদ্ধাবোধ তোমাদের!!! ০৩, ০৪ ব্যাচের বড়ভাইদের উপস্থিতিতে তোমরা ০৫ব্যাচের ভাইয়াদের আক্রমন কর যখন নেগোশিয়শনের জন্য সবাই বসেছিল। বাহ!

"০৬ ব্যাচ ০৭ এর পক্ষ নিয়ে মারামারি করতে যায়" - ঠিক কখন এবং কোথায় এই ০৬ ব্যাচের ছেলেরা মারামারি করতে গিয়েছিল একটু বল। অন্তত ৫ জনের নাম বল যারা পক্ষ নিয়ে মারামারি করতে গিয়েছিল। তোমার তথ্যনির্ভরতা খুবই দুর্বল। মনগড়া কাহীনি বলে তুমি কি করতে চাইছ আমার বুঝতে কষ্ট হচ্ছে।
৪০. ১৯ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪০
স্পাইডার বলেছেন: ঠিকই আছে। বুয়েট কোন স্বর্গীয় প্রতিষ্ঠান না। বাংলাদেশেরই। মারামারি হবে। হিডেন ক্যামে লাগালাগি হবে। জয় বাংলাদেশ।
৪১. ১৯ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৬
মজার মানুষ বলেছেন: @শিট সুজি : আপনার সাথে সহমত. লেখক নিজের মনগড়া কাহিনী লিখে বেড়াচ্ছে ব্লগে. নিজের ব্যাচকে বাচানোর ও হিরো বানানোর চেষ্টা.
১৯ শে জুন, ২০১০ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: মনগড়া কাহিনী লিখলাম কোথায়! আর আমাদের ব্যাচ বেরিয়ে গেছে সেই কবে!!!

৪২. ১৯ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫০
শিট সুজি বলেছেন: বিনাকারনে বিশ্বকাপকে টানা হচ্ছে যাতে বুয়েটের ছেলেদের এবং বুয়েটের একটু দুর্নাম করে নেওয়া যায়।

ঘটনা শুরু একদম সকালে। ওয়ালিদ নামে একটি ছেলে ০৭ ব্যাচের সে নতুন এ্যাকাডেমিক ভবনের সামনে রিকশা থেকে নেমে রিকশাওয়ালা কে মারছিল । সেখানে আমাদের সিএসই ০৫ এর সানী তাতে বাধা দেয়। (লক্ষ করুন : সানী কস্মিনকালেও রাজনীতির সাথে জড়িত না)। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সেই ওয়ালিদ সানীকে শাসায়। "" আপনি আমাকে চেনেন ?? আপনি আমার কি করতে পারবেন ?? আমার সাথে কথা বলতে কি আপনার ভয় লাগছে ?? "" ইত্যাদি ইত্যাদি।

পরে সানী তার কয়েকজন বন্ধুকে জানালে তারা ওয়ালিদকে হালকা ঝাড়ি এবং একটা চড় দেয়। (এখানে ৫ জনের মাঝে ২ জনের রাজনৈতিক ইতিহাস আছে এবং সবাই সানীর ক্লাশমেট)।

সাধারন বেয়াদবীর ঘটনা। ঘটনা এখানেই শেষ হতে পারত। কিন্তু হয় নাই। শুরু হয় ফায়দা ওঠানোর রাজনীতি। এই ঘটনাকে ব্যাবহার করে কিভাবে এটাকে একটা ব্যাচ ইস্যু এবং বিশ্বকাপের সাথে টানা হলো তা বিস্ময়কর। ধুসর আকাশ ভাইয়া যে কাহিনী ফেদেছে তা বেশ বিনোদনদায়ক। শুনে এই দুঃখের সময়ও হেসেছি।

আমি যাবতীয় মারামারির বিপক্ষে। এই ঘটনাগুলো কমে না বরং বাড়ে, সাময়িক এবং দীর্ঘমেয়াদী সমস্যার সৃষ্টি করে। আমাদের উভয়পক্ষেরই সহনশীলতার অভাব ছিল বলে আমি মনে করি
৪৩. ১৯ শে জুন, ২০১০ রাত ৮:০৪
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: @বাঙাল ভাই, সিট সুজি ভাই যা বলছে মোটামোটিভাবে সেটাই।
৪৪. ১৯ শে জুন, ২০১০ রাত ১০:১৮
নিয়াজ মোরশেদ বলেছেন: ৪২নম্বর কমেন্ট পড়ার পর>>>
ইয়া আল্লাহ, "তিল কে তাল বানানো" মনে হয় এইটারেই বলা হয়।
৪৫. ১৯ শে জুন, ২০১০ রাত ১০:২১
নীল ভোমরা বলেছেন:
বরাবরই হয়.....আমাদের সময়ও হয়েছে...ভবিষ্যতেও হবে! ইহাই বুয়েট!
৪৬. ১৯ শে জুন, ২০১০ রাত ১০:৪২
শিট সুজি বলেছেন: @লেখক : "কিন্ত পুরো ব্যাপারটি যে বিশ্বকাপ -এর ছুটি নিয়েই যে সূচনা হয়েছে এটা কী অস্বীকার করতে পারবেন।" - আমি ঠিক এই কথাটিই বলতে চাচ্ছি। পুরো ব্যাপারের সাথে বিশ্বকাপের আদৌ কোন সম্পর্ক নেই। আমি অল্প কথায় ব্যাখ্যা করতে চেয়েছি। কারোর বুঝতে সমস্যা হলে আরো বেশি কথায় ব্যাখ্যা করতে পারি। হল ভ্যাকেন্ট, হাতে অনেক সময়।

আর আপনারা থাকার সময় যখন বিশ্বকাপ পিছায় তখন আমরা ছিলাম ১/১ এ। প্রায় সবগুলা মিছিলেই অংশ নিয়েছিলাম। :D

যারা ফাইনাল লেভেল/সেমিস্টারে থাকে তারা সমসময় থাকে এ ধরনের ছুটি বা বন্ধের বিপক্ষে! অথচ তারাও হয়তো জুনিয়র থাকার সময় একই ভাবে আন্দোলন করেছিলো!! -- এই কথাটি শতকরা ১০০ভাগ সত্য । যেমন আমরা এখন ৪/২ তে। প্রায় সবাই এই ছুটির বিপক্ষে । তারপর আবার হলে ৪২ ইঞ্চি এল সি ডি টিভি প্রদান করা হয়েছে। পোলাপাইন একসাথে খেলা দেখার মজাই আলাদা এটা আমার সবাই বুঝি।

গত টার্ম ফাইনালের সময় আমাদের ব্যাচের নেতাগোছের ছেলেরা গিয়ে ডিএসডাব্লিও স্যারকে গিয়ে বলে এসেছিল আমরা যথাযথ সময়ে পরীক্ষা দিতে চাই, কিন্তু জুনিয়র ব্যাচদের মিছিলের তোড়ে তা আর হয় নি। এই জুনিয়ররাও একসময় সিনিয়র হবে এবং একই পরিস্থিতির সম্মুখীন হবে।
১৯ শে জুন, ২০১০ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: @শিট সুজি : কেন নেপথ্যে বিশ্বকাপ এটা ব্যাখ্যা করছি।

আপনি যে ঘটনার বর্ণনা দিলেন তাতে কি এমন ছিলো যে বুয়েট কর্তৃপক্ষকে হল ভ্যাকেন্ট করে দিতে হলো। বিশ্বকাপ মৌসুম থেকে বাইরে বের হয়ে আসুন। অন্য যেকোনো স্বাভাবিক ক্লাস চলাকালীন সময়কে উদাহরণ হিসেবে নিন। ওই সময় যদি এই ঘটনা ঘটতো তাহলে কি বুয়েট এত উত্তপ্ত হয়ে উঠতো! বুয়েট বন্ধ হয়ে যেত?

যেখানে বিগত কিছুদিন ধরে ক্লাস বন্ধের মিছিল মিটিং চলছে.. কর্তৃপক্ষ ছুটি ঘোষণার রাতে আবার পাল্টা মিছিল। পরদিন ক্লাস অবরোধ। তারপরও ওই ঘটনা ..... সবশেষে হল ভ্যাকেন্ট। সব এক সূত্রে বাঁধা বলে কী মনে হচ্ছে না!!

৪৭. ১৯ শে জুন, ২০১০ রাত ১০:৫১
রাগিব বলেছেন: বুয়েটের এই সব ঘটনাগুলো (পরীক্ষা না দেয়া, খেলা দেখা নিয়ে আন্তর্জাতিক তামাশায় পরিণত হওয়া) আসলে একই সূত্রে গাঁথা। নিজেদের খুব বেশি entitled অনুভব করা, "আমরা মেধাবী, তাই জাতির কাজ আমাদেরকে দুধ কলা দিয়ে পোষা, আমাদের সাত খুন মাফ" -- এই মানসিকতা বুয়েটের ছাত্রদের মাথায় গেঁথে গেছে।

এহেন গুটি কয়েক "মেধাবী"কে দেশের আম-জনতার টাকায় তুলুতুলু করে পোষার মানে নেই। সময়মতো পরীক্ষা না দিতে চাইলে বাস্তবসম্মত টিউশন ফি দিতে বাধ্য করলে সুড়সুড় করে সব বাবাজীই খেলা ফেলে পড়তে বসবে। (একথার বিপরীত যুক্তি হলো দরিদ্র ছাত্ররা তা দিতে পারবে না ... কিন্তু পরীক্ষা ঠিকমতো দিলে টিউশন ফি মাফ, এই সিস্টেমে সেই সমস্যা হবে না)।
১৯ শে জুন, ২০১০ রাত ১১:৪০

লেখক বলেছেন: চরম খাঁটি আর সত্য কথা বলেছেন। এধরনের পদ্ধতি চালু করা ছাড়া বুয়েটকে ঠিক করার আর কোনো উপায় নাই!!

৪৮. ১৯ শে জুন, ২০১০ রাত ১০:৫৫
ডক্টর অক্টোপাস বলেছেন: এখানে বারবার ০৫,০৬,০৭ ব্যাচ হিসেবে বলা হচ্ছে। একজন সাধারন ছাত্র হিসেবে বলতে পারি, ব্যাচ হিসেবে কোন সমস্যা নেই। এটা কিছু ছাত্রের ভুল। তারা যে ব্যাচ এর ই হোক না কেন, এটা তাদের ব্যাপার। পুরো এক ব্যাচ এর সাথে আরেক ব্যাচ এর এর সমস্যা হিসেবে প্রচার করা ঠিক হচ্ছে না।
৪৯. ১৯ শে জুন, ২০১০ রাত ১১:০৪
সাদাকালোরঙিন বলেছেন: কর ছোটভাইরা মারামারি কর। পাস করে যখন দুই ব্যাচ নিচের পোলারে বস কইয়া ডাকবি, ২৮/২৯ বছরে মাস্টার্স করবি ২২ বছরের পোলাপানগো লগে তখন তোগো যদি আল্লাহ একটু লজ্জা দেয়।
৫০. ১৯ শে জুন, ২০১০ রাত ১১:১৬
জাতীয়তাবাদী শুভ বলেছেন: বিশ্বকাপের সময় জুনিয়র ব্যাচের ছাত্ররা বুয়েট বন্ধের আন্দোলন যেমন করবে তেমনি সবচেয়ে সিনিয়র ব্যাচ তার বিরোধিতা করবে- এটা বুয়েটের সংস্কৃতির জন্যে ধ্রুবসত্য হয়ে গেছে। কিন্তু কলংকজনক ব্যাপার যেটা হলো সেটা যে জুনিয়র-সিনিয়র ব্যাচের (তাও ২ ব্যাচের সিনিয়রের সাথে) মধ্যে মারামারি যেটা আগে হয়নি। আমি অবশ্য জানিনা এতে রাজনৈতিক ইন্ধন কতটা...কিন্তু আওয়ামী সরকার আসার পর বুয়েটে ছাত্রলীগের যে কর্মকান্ডের কথা শুনেছি তাতে এই ঘটনায় ইন্ধন থাকলেও অবাক হবার কিছু নাই..
৫১. ১৯ শে জুন, ২০১০ রাত ১১:২৩
জাভেদ জামাল বলেছেন: @কক...... তোর মতো ছ্যাবলা,বুয়েটের ক্যাফে বয় হওয়ারো যোগ্যতা রাখস না,মাথায় কি তোর ঘিলু আছে?..

বুয়েটের এই ট্রাডিশনটা বুয়েট প্রশাসন জিইয়ে রেখেছে বছরের পর বছর। সেই ৯৮'র বিশ্বকাপ থেকে এটা চলে আসছে,এর পেছনে থাকে রাজনৈতিক ইন্ধন,কতিপয় স্যারদের প্ররোচনা আর হুজুগের সাথে তাল মেলানো কিছু ছেলেপেলে; তবে এইবারের ঘটনা সত্যিই লজ্জাজনক,এত মধুর সিনিয়র-জুনিয়র রিলেশনশিপ,বুয়েট ছাড়া এই দেশের আর কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নাই,গর্ব করতাম,গর্বটাকে ভেঙ্গে গেলো !!!!
৫২. ১৯ শে জুন, ২০১০ রাত ১১:২৩
জাভেদ জামাল বলেছেন: @কক...... তোর মতো ছ্যাবলা,বুয়েটের ক্যাফে বয় হওয়ারো যোগ্যতা রাখস না,মাথায় কি তোর ঘিলু আছে?..

বুয়েটের এই ট্রাডিশনটা বুয়েট প্রশাসন জিইয়ে রেখেছে বছরের পর বছর। সেই ৯৮'র বিশ্বকাপ থেকে এটা চলে আসছে,এর পেছনে থাকে রাজনৈতিক ইন্ধন,কতিপয় স্যারদের প্ররোচনা আর হুজুগের সাথে তাল মেলানো কিছু ছেলেপেলে; তবে এইবারের ঘটনা সত্যিই লজ্জাজনক,এত মধুর সিনিয়র-জুনিয়র রিলেশনশিপ,বুয়েট ছাড়া এই দেশের আর কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নাই,গর্ব করতাম,গর্বটা ভেঙ্গে গেলো !!!!
৫৩. ১৯ শে জুন, ২০১০ রাত ১১:২৮
ফারহান দাউদ বলেছেন: '০৭ গিয়ে সাহায্য চাই ০৬ ব্যাচের ছেলেদের কাছে। ০৬ ব্যাচ ০৭ এর পক্ষ নিয়ে মারামারি করতে যায়। ০৫ লাঠি সোটা সাথে থাকায় মারামারিতে এডভান্টেজ পায়। এবং ০৬ এর দুর্ধর্ষ মারামারির কান্ডারি ফাইরুজকে মেরে মোটামুটি হালুয়া বানায় দিয়েছে।'
ধুসর আকাশ, ভাই, এই কথাগুলি বলার আগে নিজের বুয়েটের আইডি টা পানিতে ফালায়া দিয়া আসলেও পারতা,তাতে আমরা যারা বুয়েট থাইকা পাশ করে বের হইসি তারা জানতে পারতো না যে এমন কুলাংগারও বুয়েটে পড়ে। জুনিয়র হয়া গেসো সিনিয়র ভাইদের পিটাইতে, সাহায্য চাইতে গেসো আরেকটা জুনিয়র ব্যাচের কাছে, এই জিনিস আবার পাবলিক ফোরামে বড় গলায় বইলা বেড়াইতাসো, বাপ-মা বাড়িতে কিসু শিখায় নাই বুঝা গেল, মাগার মাথায় যা ছিল সব কি বুয়েটে ঢুকার পরে টিউশনি আর কোচিং কইরা খায়া ফালাইসো??
রাগিব ভাইয়ের কথাটা আসলেই ভেবে দেখার মত।
৫৪. ১৯ শে জুন, ২০১০ রাত ১১:৩৩
সাজিদ বলেছেন: বুয়েটের এই ঘটনায় একজন সাবেক ছাত্র হিসেবে লজ্জিত। আসলেই এই ব্যাপারটা নিয়ে গর্ব করে বলতাম সিনিয়র জুনিয়র সম্পর্ক নিয়ে। হল লাইফে, গ্রাজুয়েশনের পর সিনিয়রদের প্রতি এই সম্মানই একজন জুনিয়র হিসেবে অনেক সিনিয়রদের সাথে বন্ধুর থেকে ঘনিষ্ট সম্পর্কের পরেও শ্রদ্ধায় কোন বাঢা আসে নি। সে ২/৩ ব্যাচ সিনিয়র হলেও। এইসব ডিজুস জেনারেশনের ছেলে পেলেরা এই দির্ঘ ঐতিহ্য ভেংগে দিল। আমাদের ছাত্রজীবনে ৯৯ ব্যাচের এক দলের ক্যাডার লীগের সভাপতি মনির ভাইয়ের সাথে বিয়াদবি করার পর সবাইকেই বিরুদ্ধে দাড়াতে দেখেছি। সেটা ছিল একজন ক্যাডারের উস্ফলন, ক্ষমতার মোহে। এখনতো দেখছি পুরা ব্যাচই নিজেদেরকে বিরাট কিছু মনে করেছে। পরিবার থেকে এদেরকে হয় কোন শিক্ষা দেয়া হয় নি অথবা এদের পিছনে সেই ক্যাডারের মত রাজনৈতিক ব্যাকিং আছে।
৫৫. ১৯ শে জুন, ২০১০ রাত ১১:৪০
ফারহান দাউদ বলেছেন: তবে এইবার চরম হতাশ, বুয়েটে এইগুলা কি পোলাপান ঢুকতেসে, বুয়েট হলো সেই জায়গা যেখানে ছাত্রলীগ আর ছাত্রদলের সভাপতির রুমে বসে তাদের দলকে তুলাধুনা করার পরেও শুধু জুনিয়র হবার কারণে এইসব সিনিয়র ভাইদের মুখে কখনো গালিও খাইনি, এখনো বুয়েটে গেলে জুনিয়র ছেলেদের দেখলে জায়গাটা নিজের ঘর মনে হয়, এখনো হলের ব্যাচ বিদায় বা র‌্যাগে সিনিয়রদের দাওয়াত করা হয়, এই রকম সিনিয়র-জুনিয়র রিলেশনশিপ বাংলাদেশের আর কয়টা ভারসিটিতে আছে আমার জানা নেই। আর এখন কিনা জুনিয়র রা এসে বড় গলায় জানায় তারা সিনিয়র পিটাতে গিয়েছিল। আসলেই, আমাদের দেশের ভারসিটিগুলিতে ভরতির আগে এখন বাড়িতে এটিকেট শেখানো জরুরি হয়ে গেছে।
৫৬. ১৯ শে জুন, ২০১০ রাত ১১:৫৫
মাহি_শুভ বলেছেন: @সাজিদ .. ঢালওভাবে সবাইকে কাঠগড়ায় দাড় করানো কি উচিত হল? রাজনীতির সাথে জড়িত কিছু পোলাপাইনের লজ্জাজনক মারামারির জন্য পুরা বুয়েটকে দোষ দিচ্ছেন কেন? বুয়েট এ এখনও সিনিওর জুনিওর ভাল সমপর্ক আছে, নেই শুধু আমাদের বুয়েটে নতুন আমদানিক্রিত ছাত্রলীগের রাজনীতিতে।
৫৭. ২০ শে জুন, ২০১০ রাত ১২:২৭
বিলীন অরণ্য বলেছেন: হুম, বুয়েটে সিনিয়র জুনিয়র সম্পর্ক কখনও খারাপ ছিলো না, হবেও না। কয়েকজন অপয়ার কারণে পুরো ব্যাচকে দোষ দেয়া যায় না।
৫৮. ২০ শে জুন, ২০১০ রাত ১:৪৮
সাজিদ বলেছেন: [link|http://www.somewhereinblog.net/blog/vagabond007/29180425Iclick this link]

20-30 students in one hall sounded a lot to me. from my time there may be 5-10 student in whole campus having that kind of arrogance of going to hall dining for assaulting a senior. A whole batch cant be wrong and no one can blame the whole 05/06/07 batch. But i felt a change among students mentality where 20-30 students of a hall got enough motivation to do such kind of job.
৬০. ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ৮:২১
মায়াবি বলেছেন: আমি তো নিজেই আমার ক্লাস এ প্রথম ঢুকলাম...
৬১. ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ৮:২৩
মায়াবি বলেছেন: পরে আরো ৪০ জনের মত আসছিল।
৬২. ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ৯:৪৫
কক বলেছেন: গতকাল বিশ্বকাপকে কেন্দ্রকরে বুয়েট বন্ধহয়ে যাওয়াটা অতন্ত দুঃখ জনক......দেশের সর্বশ্রেশ্ঠ সন্তাননেরা যদি ছাত্র অবস্হাতেই এমন করে, কর্মক্ষেত্রে গিয়ে উনারা কি করবেন? দেশের ভবিষ্যৎই বা হবে কি ভেবে শিহরিত হই।

সত্য কথা কইলে গায়ের চামড়ায় সোফকা পড়ে কেন?
রাগিব ভাইরে ঝাঝা.....উনি কি বলেছেন শুনেন
"বুয়েটের এই সব ঘটনাগুলো (পরীক্ষা না দেয়া, খেলা দেখা নিয়ে আন্তর্জাতিক তামাশায় পরিণত হওয়া) আসলে একই সূত্রে গাঁথা। নিজেদের খুব বেশি entitled অনুভব করা, "আমরা মেধাবী, তাই জাতির কাজ আমাদেরকে দুধ কলা দিয়ে পোষা, আমাদের সাত খুন মাফ" -- এই মানসিকতা বুয়েটের ছাত্রদের মাথায় গেঁথে গেছে। এহেন গুটি কয়েক "মেধাবী"কে দেশের আম-জনতার টাকায় তুলুতুলু করে পোষার মানে নেই। সময়মতো পরীক্ষা না দিতে চাইলে বাস্তবসম্মত টিউশন ফি দিতে বাধ্য করলে সুড়সুড় করে সব বাবাজীই খেলা ফেলে পড়তে বসবে। (একথার বিপরীত যুক্তি হলো দরিদ্র ছাত্ররা তা দিতে পারবে না ... কিন্তু পরীক্ষা ঠিকমতো দিলে টিউশন ফি মাফ, এই সিস্টেমে সেই সমস্যা হবে না)। "
৬৩. ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:৫৯
ছায়া-পথ বলেছেন: দেখে খুব খারাপ লাগলো:

১৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:৪৩

শিক কাবাব বলেছেন: এজন্যইতো ঢাকা শহরের বিল্ডিংগুলি নির্মাণের পর হেলে যায় এবং রাস্তা ঘাট পুল ব্রিজ নির্মাণের পর বেশী দিন বাচে না।


১৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:১৭

ইকারাস ইমন বলেছেন: হা হা হা .. বুয়েটে শেষ কবে ৪ বছরের কোর্স ৪ বছরে শেষ হয়েছিল ???

১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:২৭

কক বলেছেন: এই না হলে দেশের সেরা স্টুডেন্ট?! ওদের নিয়ে কিছু বললে গায়ে ছেকা লাগে......ব্যান করার জন্য সবাই উঠে পড়ে লাগে......... মাইর-পিট, ভংচুর এই হইলো এগোর কাম......আবার কালিদাসের বড় কাব্য রচনা করে। বুয়েটে পইরা মাস্টারমাইন্ডে মাস্টারি করে, কল সেন্টারের গদি তুলাধুনা করে.....এই হইলো দেশের সবচেয়ে ভালো স্টুডেন্টদের সিনোপ্সিস.......সেলুকাস


২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ৯:৪৫

কক বলেছেন: গতকাল বিশ্বকাপকে কেন্দ্রকরে বুয়েট বন্ধহয়ে যাওয়াটা অতন্ত দুঃখ জনক......দেশের সর্বশ্রেশ্ঠ সন্তাননেরা যদি ছাত্র অবস্হাতেই এমন করে, কর্মক্ষেত্রে গিয়ে উনারা কি করবেন? দেশের ভবিষ্যৎই বা হবে কি ভেবে শিহরিত হই।




কিছু ব্লগার আমাদের এই দুঃখের দিনে চরম মজা নিতেছে.....আর কক তো কক ই ....একবার ব্যান খাইয়া নিজেই কানে ধইরা কইছিল এইসব আবালীয় কথাবার্তা ছাইড়া দিব......শিক্ষা হয় নাই
৬৪. ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১১:১৬
পাসওয়ার্ড বলেছেন: ককরে বেইল দেওয়ার টাইম নাই।

বি:দ্র: এই পোস্টে সবার আলোচনা কাম্য:

বুয়েটের সাম্প্রতিক ঘটনা: যা হচ্ছে, আর যা হওয়ার দরকার ছিল

Click This Link
৬৫. ২০ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:৩২
মুনিয়া বলেছেন: ঘটনা শিট সুজি যা লিখেছে মোটামুটি তেমন বলেই জানি। আমার ফ্রেন্ডরা যারা উপস্থিত ছিল এইটাই শুনেছি।
গতকাল জুরি ছিল আমাদের।
পেছনের গেইট দিয়ে ঢুকে জুরি করেছি।
পরে সামনে এসে গোলমাল দেখলাম।

একটা ব্যাপার কেন কেউ বুঝতে পারছে না যে হল ভ্যাকান্ট এর সাথে ওয়াল্র্ড কাপের কোন সম্পর্কই নাই?

তবে জুনিয়রদের বেয়াদবি দিন দিন এত বাড়ছে... মনে হয় না বুয়েটে পড়ি।

সিনিয়ারদের সাথে নিজের বড় ভাই বোনের মত থেকেছি এতদিন। ০৬, ০৭ এর পিচ্চিদের জমার সময় কাজে হেল্প করেছি নিজের ঘুম বাদ দিয়ে। কারণ ওরা ছোট ভাই-বোন।
বুয়েটে সিনিয়র-জুনিয়র রিলেশানশিপটা একটা গর্ব করার মত বিষয় ছিল।

অথচ আজকে তুমি এইরকম ডার্টি ল্যাঙ্গোয়েজে একটা পোস্ট দিয়েছ! আমি ভেবে পাই না এইসব ছেলেদের ফ্যামিলির কোনো টিচিংস আছে কিনা আদৌ।

ফাইরুজকে মেরে হালুয়া বানানোর কথা গর্ব করে লিখেছ... তুমি কি সত্যিই বুয়েটে পড়? লজ্জাজনক!

কথা কীভাবে বলতে হয় তাও শেখোনি এতদিনে....তোমার উচিত ম্যানার্স এর উপর ট্রেনিং করে আসা। আর শেষ না হওয়া পর্যন্ত বুয়েটের গেট দিয়ে ঢুকো না।

ছি!
২০ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:০০

লেখক বলেছেন: আসলেই বুয়েটের এখনকার ছাত্ররা অনেক পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। পড়ালেখার ব্রেন হয়তো আছে কিন্তু শিষ্টাচার, আচার-আচরণ, জীবনবোধে অনেক পিছিয়ে পড়ছে!!

স্যারদের ভুমিকাও এতে কম নেই! অনেক স্যারেরই মধ্যেও যে এ বোধগুলো ঠিকমতো কাজ করে না তা ছাত্রদের কে না জানে!

৬৬. ২০ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:৩৫
মুনিয়া বলেছেন: @ ধুসর আকাশ, কথাগুলো তোমার উদ্দেশ্যে
৬৭. ২০ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:২১
কবি মৃত্যুময় বলেছেন: @শিট সুজি ভাই, ঘটনার অন্তরাল তাহলে এইরকম!!! অথচ ভুল জেনেছিলাম হায়!!!

সবারই সিনিয়রদের যথার্থ সম্মান দেখানো উচিৎ, কারো রাজনৈতিক ক্ষমতা থাকতে পারে, তাই বলে ন্যূনতম মূল্যবোধ দেখাবে না, এটা সবার জন্যই অত্যন্ত মর্মান্তিক।

আমি আবাসিক নই, তবুও সবসময় বড় ভাইদের সাথে জুনিয়রদের চমৎকার সম্পর্ক দেখেছি, সিংহভাগ ক্ষেত্রেই চিত্রটি এরকম। যদিও নির্বোধ অসভ্যোচিত রাজনীতিপুষ্ট কিছু অবান্ঞিতও আছে। এদের মূল্যবোধ জাগ্রত হোক এই কামনা করি।

অবশ্যই সবারি কিছু ভুল আছে।দ্রুত এই অনাকাঙ্ক্ষিত সংকটের উত্তরণ হোক।

সমস্যার সূত্রপাত এবং বিস্তার মোটেই বিশ্বকাপ নিয়ে নয় এটা স্পষ্টত:!! পত্রিকাওয়ালারা তাদের নির্বুদ্ধিতার স্বাক্ষর রেখেই চলেছে.......
৬৮. ২০ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:১৪
গন্ধমাতম বলেছেন: শিট সুজির ৪৬ নং কমেন্টের উত্তরে লেখক বলেছেন,"বিশ্বকাপ মৌসুম থেকে বাইরে বের হয়ে আসুন। অন্য যেকোনো স্বাভাবিক ক্লাস চলাকালীন সময়কে উদাহরণ হিসেবে নিন।"
এর উত্তরে বলতে হয় হ্যা, ঘটনা মোটামুটি এমনই ঘটত। কারণ, মারামারি যারা শুরু করেছিল সেই ফাইরুজ বু্য়েট ছাত্রলীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসী, আগেও অনেক নাশকতা মূলক কাজে স্বত:স্ফূর্ত ভাবে সে অংশ নিয়েছে। আর ঘটনার মূলে রয়েছে দীর্ঘদিন বু্য়েটে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি না থাকা। রাজনীতি সম্পর্কে যারা ভাল জানেন তারা নিশ্চয়ই জানেন আহ্বায়ক কমিটি গঠনের শর্ত কী? একটি দলীয় সাংঘর্ষিক পরিবেশ সৃষ্টি করা। এজন্য ছাত্রলীগ দীর্ঘদিন ধরেই প্রস্তুতি নিচ্ছে। পূর্বে তারা এ রকম ঘটনা সৃষ্টির পায়তারা করলে সাধারণ ছাত্রদের প্রতিরোধে করতে সক্ষম হয়নি। আর ফাইরুজকে সরাসরি এ ধরণের নির্দেশ গত ২ সপ্তাহ আগেই দেয়া হয়েছিল।
আর কেউ যদি ঘটনা সম্পর্কে ভাল ভাবে জেনে থাকে তাহলে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ আল রাজী সুমন ভাই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কী বলেছেন তা নিশ্চয়ই খেয়াল আছে। এগুলো সব রাজনৈতিক ফায়দা লোটারই অপচেষ্টা মাত্র।
আর ছাত্রলীগের এ সকল কর্মকাণ্ড সহ-উপাচার্জ হাবিবুর রহমান স্যার নির্লজ্জ ভাবে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন।
৬৯. ২০ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৫১
রং চা বলেছেন: কিছু বলার নেই, রাগিব আর ফারহান ভাই যা বলার বলেছেন। অবাক হলাম এর মধ্যে প্রাইভেট পাবলিক ক্যাচাল শুরু করেছেন কেউ কেউ। পুর দা্য়টায় এডমিনসট্রেশনের। ডিসিপ্লিনারি কমিটি টাইপ কিছু থাকলে আর সেটা একটিভ থাকলে এমন না ঘটতেও পারত। মুনিয়া আপু বলেছেন, জুনিয়রদের বাড়ন্ত বেয়াদবির কথা, কেন হবেনা বলুন-গণ এ প্লাসের যুগে সবাই টেম্পারড থাকে, তারপরো তো এরা আবার বুয়েটিয়ান!
৭০. ২০ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২০
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন: ইহা লজ্জা এবং বিশ্বকাপ ফুটবলের জন্য অবমাননা ছাড়া আর কিছুই নয়।
৭১. ২০ শে জুন, ২০১০ রাত ১০:৪১
পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন: রাগীব ভাইয়ের কথাটা ভেবে দেখার মত
৭২. ২১ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:৩১
বাঙ্গাল বলেছেন: শিট সুজিকে ধন্যবাদ। বুয়েটে কিভাবে তিলকে তাল বানাইতে হয়...তা একাধিকবার কোইরা দেখাইছি। কিন্তু কখনই কোন কিসিমের মাইরপিট ভাংচুরের মধ্যে যাই নাই। যাইতেও হয় নাই।

পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ আর সহনশীল তার বড় অভাব। সমাজে, দেশে, বুয়েটেও।

বাবা লেখক, তুমি গর্তে লুকাও।
২১ শে জুন, ২০১০ রাত ৯:০০

লেখক বলেছেন: ভাই আমরা বুয়েট ছেড়ে গর্তে লুকিয়েছি অনেক আগে।

এখন নতুনরা বরং এই নির্লজ্জ আচার-আচরণের গর্ত থেকে বের হয়ে আসলেই হয়।

৭৩. ২৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:৪৮
স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন: @লেখক:

একটা অফ টপিক প্রশ্ন:
বুয়েট নিয়ে কথা বুয়েটে "ভর্তি হইয়া" পরে বলতে হবে কেন?

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮১৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
□ মা বলতো
► জীবন একটা গিফট বক্সের মতো। খোলার আগে কখনোই জানবে না কী আছে এতে.. ◄
→ফরেস্ট গাম্প



octopusThought@gmail ▲
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ