আমার প্রিয় পোস্ট

এই পৃথিবীর সব কিছুই পাতানো, কলকাঠি নাড়ছে....... একজন; শুধুই একজন।

মানব সম্প্রদায় দেখ তোদের আগের রুপ (ক্রো-ম্যাগনন)

১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১২

শেয়ার করুন:                   Facebook

ক্রো-ম্যাগনন হচ্ছে আদিম মানুষ। ক্রো-ম্যাগনন প্রায় ৪০,০০০-১০,০০০ বছর পূর্বে ইউরোপ, এশিয়া ও উত্তর আফ্রিকায় বাস করতো। 'ফ্রান্সের একটি গুহায় ১৮৬৮ সালে প্রথম ক্রো-ম্যাগনন-এর হাঁড় আবিস্কার করেন লুইস লারটেট। ক্রো-ম্যাগনন নামটি দেয়া হয়েছিল সেই গুহার নামানুসারে। ক্রো-ম্যাগনন মানুষেরা গুহায় থাকতো এবং গুহা অভ্যন্তরে চিত্রকলা করতো। এ সব চিত্র কলার নমুনা ফ্রান্স ও স্পেনের গুহা গুলোতে পাওয়া গেছে। ধারনা করা হয়, এই আদিম জনগোষ্ঠী পশ্চিম এশিয়া থেকে ইউরোপে এসেছিলো। সে সময় ইউরোপে ছিল নিয়ান্ডারথেল নামক আরেকটি আদিম মানবগোষ্ঠী। ১.৭ মিটার দীর্ঘ মানুষের কঙ্কাল দেখে মনে হয় তাদের শারীরের গঠন বর্তমান মানুষের মতই ছিল। ক্রো-ম্যাগননরা ভাল পাথরের হাতিয়ার বানাতে জানতো বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। তবে তাদের ঠান্ডা আবহাওয়ায় মানিয়ে নেয়ার দক্ষতা ছিলনা যেমনটি ছিল নিয়ান্ডারথেল-দের।



ক্রো-ম্যগনন

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দিনকাল  বিভাগে ।

 

  • ২৮ টি মন্তব্য
  • ২৬৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৯ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:২৪
comment by: মদনবাবু বলেছেন: ধন্যবাদ বিষয়বস্তুর জন্য।
২. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩০
comment by: রাতুল" বলেছেন: ৫
৩. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩০
comment by: িবএম জিসম বলেছেন: আসলে আপনি যা লিখেছেন তা আপনার নামেরই বহিপ্রকাশ । আপনার এ বক্তব্য ১০০%ভূল কেননা আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে একথা বলেছেন যে -আদম হাওয়াকে সৃষ্টি করে একটি গাছের নিকট যেতে নিষেদ করেছিল কিন্তু শয়তানের প্ররোচনায় পরে সে তার কাছে গেল ওতার ফল গন্ধক খেল যার পরিনতিতে তাদের শরীর থেকে কাপর/পোশাক সব ঝরে পরল পরে তারা গাছের পাতা দিয়ে তাদের রজ্জা স্থান হেফাজত করেছে ।যদি কাপর না থাকতো তাহলে তা কিভাবে হলো ।
তবে হ্যাঁ আপনি যদি মুসলিম ব্যতিত অন্য কোন ধর্মের হয়ে থাকেন তাহলে অন্য কথা কিন্তু কোন মুসলমান এ কথা বিশ্বাস করে না ।যদি কেহ করে সে মুসলমান না অন্য ধর্মেরই হবে ।
৪. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৫
comment by: নরাধম বলেছেন: জিসম সাহেব, না জেনে বকবক করেন কেন? হিন মিনের কথা কিছু জানেন?
৫. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৯
comment by: অহেতুক অকারণ বলেছেন: ভাই জিসম,
আশা করি ধর্মীয় অনুভুতি যথাস্থানে রাখবেন।
নরাধম কথাটা মনে রাখবেন- জেনে শুনে বকবক করবেন, তাহলে শুনতে ভাল লাগবে। আপনি যেই বক্তব্য দিয়েছেন, সেই বক্তব্য সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানুন।
ধন্যবাদ।
৬. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪০
comment by: নাদান বলেছেন: কি বেশরিয়তি কারবার!! জিসম দেখা যাচ্ছে।
৭. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৪
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: এইতো শুরু হইছে ধর্মীয় গাঞ্জা। জিসম মিয়া যাহা বোঝনা তাহা লইয়া কতা বলিতে আসিওনা।
তোমাদের আল্লাহ লোকমারফত যে বই খানা প্রেরণ করিয়াছেন উহা জাহেলিয়া জামানায় কাজ করিলেও ইদানীং বারে বারে যুক্তির নিকট হোঁচট খাইতেছে।

তোমার যদি রূপকথা বিশ্বাস করিতে ভালো লাগে দয়া করিয়া উহা নিজমধ্যেই চর্চা কর। মুহম্মদ না তোমাদের বলিয়াছে 'যাহা বুঝ না তাহাতে নাক গলাইও না'?

এক্ষনে এই কথা শুনিবার পর দয়া করিয়া আমার হেদায়েতের চেষ্টা করিও না। (হাতিঘোড়া তলাইয়া গিয়াছে সেই চেষ্টায়)
৮. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১৬
comment by: অহেতুক অকারণ বলেছেন: আরিফুর রহমান,
আপনার কমেন্টস্ এ যথেষ্ট অসম্মান দেখিয়েছেন।

এই পৃথিবী, ধর্মীয় মতবাদ গুলো ততদিনই ধারন করবে যতদিন পৃথিবীকে ঈশ্বর ধারন করবেন। জানেন তো পৃথিবী ধংস্ব হবে, এটা বিজ্ঞান প্রমান করেছে, অনেক ধর্ম গ্রন্থেও এ সম্পর্কে অনেক কিছু আছে। পৃথিবীর সুচনা কিভাবে হলো সেটাও আছে; আছে বৈজ্ঞানিক ব্যাখাও । তবে সব কিছুতেই মতপার্থক্য দেখা যায়। মানুষ মাত্রই মতের পার্থক্য (আমার অবসারভেশন)।
বুঝতেই পারছেন, আমি আপনাকে কোন জ্ঞান দেইনি, কারন আপনি আপনার মতোই থাকবেন, কারন প্রকৃতি সবকিছুতেই সমন্বয় করে রাখতে চায় এবং রাখে।
ধন্যবাদ।
৯. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:২৯
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: জিসম বলেছেন:
"তবে হ্যাঁ আপনি যদি মুসলিম ব্যতিত অন্য কোন ধর্মের হয়ে থাকেন তাহলে অন্য কথা কিন্তু কোন মুসলমান এ কথা বিশ্বাস করে না ।যদি কেহ করে সে মুসলমান না অন্য ধর্মেরই হবে ।"

@অকারণ:
আপনি আসলে কোনটা বিশ্বাস করেন?
১০. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:০৯
comment by: অহেতুক অকারণ বলেছেন: আমি পৃথিবীতে অনেক কিছু দেখি। আপনিও দেখেন,
আপনার আর আমার দেখার মধ্যে অনেক পার্থক্য হয়তো থাকে। আবার একেকটি বস্তু বা বিষয় আমরা একেক ভাবে উপস্থাপন করি। অনেক বিজ্ঞানী কিন্তু বলেছেন, ডারউইনের বিবর্তনবাদ সত্য না। আবার অনেক বিজ্ঞানী কিন্তু তার বিবর্তনবাদে বিশ্বাসী। ভেবে দেখুন, এত এত কনফুউসন এই পৃথিবীতে। এই পৃথিবীতে মানুষের অনেক ক্ষমতা থাকলেও কিছু কিছু সময় মানুষ অসহায় হয়ে পড়ে বিশ্বাস রাখতে হয় অদৃশ্য কোন স্বত্বায় (হয়তো তা সাহস বাড়ানোর আশায় হতে পারে)। নাস্তিক বা আস্তিকতার মাঝে হয়তো আরেকটা শব্দ থাকতে পারে। (কম বিশ্বাসী)

হয়তো বা আমি তাদের ভীড়ে কোন একজন।
১১. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:২০
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: না ঘরকা না ঘাটকা...

পুরোনো প্রবচন।
১২. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:২২
comment by: মনের কথা বলেছেন: কমেন্ট না পইড়ে ভুলে ৫ দিসি।
১৩. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:২৩
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন: ...
তোমার যদি রূপকথা বিশ্বাস করিতে ভালো লাগে দয়া করিয়া উহা নিজমধ্যেই চর্চা কর। মুহম্মদ না তোমাদের বলিয়াছে 'যাহা বুঝ না তাহাতে নাক গলাইও না'

৫০০
১৪. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৪৮
comment by: অহেতুক অকারণ বলেছেন: আরিফুর সাহেব,
নতুন প্রবচন কী, যা আছে সব ভুয়া ফক্কিকার, সব বিষয়ই জানার চেষ্টা করেন, বাংলায় যে কুরান অনুবাদ করেছিল, সে কিন্তু মুসলমান ছিলনা। (ফাজিল কথাবার্তা)।

মনের কথা,
৫ দিয়া কি মহাভারত শুদ্ধ কইরা ফালাইছেন?

প্রশ্নোন্তর,
কোনটা কি? কে কি বলছে? তা ভালমতে যেনে কারও সাথে একমত হবেন।

আর এই দুনিয়া ঘুর্নায়মান মানে সচল, আমি এখনও নিজেকে পরিপূর্ন একটা শক্ত অবস্থানে নিয়ে আসার চেষ্টা করতেছি। আর পৃথিবী যত ছোটই হয়ে আসুক না কেন, একটা মানুষের পক্ষে সব কিছুর ব্যাখা দেওয়া, বা বিশ্বাস করা অনেক কঠিন এবং অনেক কঠিন।
অনেক মজবুত হতে হবে বিশ্বাস, তা শুধু অবিনশ্বরে নয় নশ্বরে ও।
১৫. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৫২
comment by: মানুষ বলেছেন: িবএম জিসম বলেছেন :
২০০৭-১২-১০ ২২:৩০:১১

আসলে আপনি যা লিখেছেন তা আপনার নামেরই বহিপ্রকাশ । আপনার এ বক্তব্য ১০০%ভূল কেননা আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে একথা বলেছেন যে -আদম হাওয়াকে সৃষ্টি করে একটি গাছের নিকট যেতে নিষেদ করেছিল কিন্তু শয়তানের প্ররোচনায় পরে সে তার কাছে গেল ওতার ফল গন্ধক খেল যার পরিনতিতে তাদের শরীর থেকে কাপর/পোশাক সব ঝরে পরল পরে তারা গাছের পাতা দিয়ে তাদের রজ্জা স্থান হেফাজত করেছে ।যদি কাপর না থাকতো তাহলে তা কিভাবে হলো ।
তবে হ্যাঁ আপনি যদি মুসলিম ব্যতিত অন্য কোন ধর্মের হয়ে থাকেন তাহলে অন্য কথা কিন্তু কোন মুসলমান এ কথা বিশ্বাস করে না ।যদি কেহ করে সে মুসলমান না অন্য ধর্মেরই হবে ।

প্রশ্নঃ তাহলে ফসিল আসলো কত্থেকে?
১৬. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৫৭
comment by: অহেতুক অকারণ বলেছেন: সু-শান্ত কমেন্ট মুছে ফেললাম। পড়া যাচ্ছিলো না তাই।
১৭. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:০৫
comment by: অহেতুক অকারণ বলেছেন: মানুষ,
আপনি আমি মরে যাবার পরে এ রকম ফসিল হয়ে যাব। বহু বহু বছর পর আমাদের বংশধরেরা এই ফসিল উদ্ধার করবে, তখন ঐ মানুষগুলো আমাদের কোন একটা নাম দিয়ে বলবে এরা আমাদের পূর্ব পুরুষ, এর পর তারা নিজেদের সাথে বিভিন্ন পার্থক্য খুঁজতে শুরু করবে।
হয়তো বলবে, এরা একে অপরের সাথে যুদ্ধ করতো গোলাগুলি করতো, আর এখন আমরা Physical appearance ছাড়াই যুদ্ধ করি।
১৮. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৩২
comment by: নরাধম বলেছেন: ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করা যেমন ঠিক নয়, তেমনি ধর্মের উপর আঘাত করার মধ্যেও কোন বাহাদুরি নেই। থাক না যে যার বিশ্বাস নিয়ে, ক্ষতি কি?
১৯. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৩৩
comment by: পজিটিভ বলেছেন: ৫
২০. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৪০
comment by: নরাধম বলেছেন: আরিফুর রহমান, আপনার কথায় যুক্তি আছে। কিন্তু যুক্তি দিয়েই কি সব কিছু এক্সপ্লেইন করা যায়? বাদ দেন। তবে আপনি যেমন আশা করবেন আপনার নাস্তিকতার বিশ্বাসকে অন্যরা সম্মান করুক, তেমনি অন্যদেরও তাদের বিশ্বাসের প্রতি সে সম্মান আপনার থেকে পাওয়ার অধিকার আছে। মুহম্মদ শব্দটা এমনভাবে লিখেছেন পড়তে একটু দৃষ্টিকটুই লাগে। আমি ব্যক্তিগতভাবে ধার্মিক তবে ধর্মান্ধ নয়। নাস্তিকতামে অসম্মান করিনা, কারন যে নাস্তিক সে নিশ্চয় জেনে শুনেই নাস্তিক। একইভাবে আশা করি যারা আস্তিক তাদেরকেও যুক্তি দেখিয়ে সবজায়গায় নাস্তিক বানানোর চেষ্টার কোন দরকার নেই। অনেকে দেখে শুনে বুঝেও আস্তিক, ধার্মিক হন, যেমন হন নাস্তিক। দুটাই বিশ্বাস। এবসলিউটলি কোনটাকেই প্রমাণ করা সম্ভব না।
২১. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৪৯
comment by: অহেতুক অকারণ বলেছেন: নরাধম সুন্দর বলেছেন।
এই কথাটাই মনে রাখা উচিত সবার।।
২২. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫১
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: @নরাধম
আপনি ভুল বুঝলেন আমাকে। আপাতঃদৃষ্টিতে বিজ্ঞান বিষয়ক একটা পোস্টে জিসম নামীয় এক ব্যাক্তি রূপকথা শোনানো শুরু করলে তার প্রতিবাদ করেছিলাম। তাতে অবশ্য লাভ হয়েছে যে থলের বেড়াল (পোস্টকারীর আসল দৃষ্টিকোণ) বেরিয়ে এসেছে।
মুহম্মদ শব্দটা নিয়ে ইদানীং মুসলমানরা যে উগ্রতা দেখিয়েছে তাতে শব্দ/নামটার সম্মান এমনিতেই খেয় হয়ে গিয়েছে। আমার আপত্তি ধর্মীয় উগ্রতায়। মুসলমানরা এই বিষয়টা নিয়ে এতো বেশি সেনসেটিভ/ কমপ্লেক্সে ভোগে যে তা সারা পৃথিবীর কাছে দৃষ্টিকটু ঠেকে।

কাউকে নাস্তিক বানানো আমার উদ্দেশ্য নয়। এখানে আস্তিকের সাথে তফাত্ আছে। আস্তিক্যবাদ এমন একটা ধারনা যা সমষ্টির শক্তিতে দৃঢ় হয়, কারন তার ভিত্তি হচ্ছে 'বিশ্বাস' (প্রায়শই অন্ধ)। যত বেশি সংখ্যক বিশ্বাসী এই বিশ্বাসে সে অন্ধ হবে তার গলার জোর তত বাড়বে। বিশ্বাস ভুল হোক বা শুদ্ধ শুধুমাত্র সংখ্যার ভারে তারা প্রমান করে ছাড়ে, অন্যকে মানতে বাধ্য করে যে সে-ই নির্ভূল।

কিন্তু যারা আস্তিক নয় তারা কোন কিছুতেই বিশ্বাস করে না। যতক্ষন পর্যন্ত প্রমান পাওয়া যাচ্ছে না কোন কিছুই ফেস ভ্যালুতে নেয়ার পক্ষপাতী নই আমি। শুধুমাত্র একজন বলেছিলো ১৫০০ বছর আগে, এবং অগনিত মুল্লা এখন্ও জপ্ করে যাচ্ছে বলে?
সুতরাং দুটাই 'বিশ্বাস' কি?

আপনার লেখা আমার চমতকার লাগে, আশাকরি কথাগুলো ব্যাক্তিগত আক্রমন হিসেবে নেবেন না।
২৩. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৩
comment by: অহেতুক অকারণ বলেছেন: যে যেমন তাকে তেমন থাকতে দাও।
There is many things in Heaven And Earth.
কথাটা মনে রাখবেন।
২৪. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০৭
comment by: অহেতুক অকারণ বলেছেন: আরিফুর,
ইসলাম সম্পর্কে আপনি আরও পড়াশুনা করুন। সাথে অব্শ্যই অন্য ধর্মগ্রন্থ গুলোও।
আমার মনে হয় আপনি অনেক কিছুই জানেন না, আর আপনার বিশ্বাস নিয়ে আপনি থাকুন, কাউকে খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন না।
সমষ্টিগত ভাবে ধর্মগুলো পালিত হচ্ছে বলেই, পৃথিবী এখনো টিকে আছে।
সব কিছুই এক একটি ধারাবাহিকতায় তৈরী হয়েছে।
সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত.......


ঈশ্বর আপনাকে ক্ষমা করুন।
২৫. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১৯
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: কি বলেছিলাম, খেয়াল আছে:

এক্ষনে এই কথা শুনিবার পর দয়া করিয়া আমার হেদায়েতের চেষ্টা করিও না। (হাতিঘোড়া তলাইয়া গিয়াছে সেই চেষ্টায়)।
২৬. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৪
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন: অহেতুক অকারণ বলেছেন :
২০০৭-১২-১১ ০১:৪৮:৫২
...
প্রশ্নোন্তর,
"কোনটা কি? কে কি বলছে? তা ভালমতে যেনে কারও সাথে একমত হবেন।"

কি বলিলেন জনাব বুঝিলাম না! এই অধমের দুর্বলতা ক্ষমা করিবেন। আমার কোন কথার প্রেক্ষিতে এইরূপ মন্তব্য করিলেন মাননীয়?
২৭. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩২
comment by: অহেতুক অকারণ বলেছেন: কি বলিলেন জনাব বুঝিলাম না! এই অধমের দুর্বলতা ক্ষমা করিবেন। আমার কোন কথার প্রেক্ষিতে এইরূপ মন্তব্য করিলেন মাননীয়?

উত্তর আপনিই চিন্তা করুন।
প্রশ্নো উত্তর,
উত্তর জানে না এমনটা হইতেই পারে না।


২৮. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৫৬
comment by: নরাধম বলেছেন: আরিফুর রহমান, সহনশীলতার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আমি স্বভাবতই অনেক কিছুই জানিনা। তাছাড়া তেমন মেধাবীও নই। তবে আমার নিজের ধারণা হচ্ছে নাস্তিকতা আর আস্তিকতা দুটাই বিশ্বাস। আমার মনে হয় যুক্তি দিয়ে চিন্তা করলে এগনস্টিকই হতে হয়। চরম সহজভাবে বলতে গেলে বলা যায় সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা লাগে তাই সৃষ্টিকর্তারও একজন সৃষ্টিকর্তা লাগে। কিন্তু এই লুপটা কখনও শেষ হয়না। তাই যুক্তি দিয়ে এটা কখনও শেষ হয়না। কোনকিছুই যেমন এবসলিউট নয়, তেমনি এটাও আপেক্ষিক। আমি জানি যা বলেছি তা কোন কিছুই ক্লিয়ার করেনা।

 



 


জন্ম আমার শনিবার।
শনির দশা বলে যদি কিছু থাকে,
তবে তা আমার জন্য একশত ভাগ সত্য হবে।
__________________
এই পৃথিবীর মধ্যে ছিল
অনন্ত এক শীতলপাটি।
অনেক...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১৫৬১১৩