ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে হরতাল চলাকালে জামায়াত-শিবির কর্মীদের হামলায় ওমর ফারুক (৩৮) নামে পুলিশের এক কনষ্টেবল নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে ১০ পুলিশসহ অন্তত ৫০ জন। নিহত কনস্টবল ওমর ফারুকের বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জে। তিনি হরিনাকুণ্ডু উপজেলার সনাতনপুর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। আহতদের মধ্যে এএসআই রফিকুল ইসলাম, ল্যান্স নায়েক করম আলী, কনস্টেবল ফারুক হোসেন, কনস্টেবল আকবর শেক ও কনস্টেবল বায়েজিদসহ ৬ পুলিশ সদস্যকে হরিণাকুন্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিসের পিছনে কনস্টেবল ওমর ফারুককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। জামায়াতের উগ্রতার কারণে লাশ উদ্ধারে বেশ দেরি হয় পুলিশের।
আমি শুধু জানতে চাই কি দোষ এই পুলিশটির? জারজ এর দল গোলমাল করলে পুলিশ তার দায়িত্ব পালন করতে পারবেনা? তোরা কিসের আন্দোলন করিশ কুত্তার বাচ্চারা? আদালতে তোদের আইনজীবী কি করেছে? মুলা চুষেছে?? তোরা পাকিস্তানি ছাগল, তোদের জীবনের না হয় কোন মুল্য তোদের কাছে নাই। ছাইদির জন্যে তোরা জীবন দিবি ঘরে বইসা দে। পুলিশ তো মরতে আসে নাই, তার পরিবার আছে, মা আছে, বাবা আছে। তোদের মতো জারজ তো নয়! আইন মানিশ না, আইনের আদেশ মানিশ না, আইনের লোক মানিস না। কুত্তার বাচ্চারাও তো মায়ের প্রতি এতো অন্যায় করেনা যতটা তোরা দেশের প্রতি করছিস। কুত্তার অধম তোরা।
আমি জানতে চাই কেন হিন্দুকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করলি? তোরা বলিস থাবা বাবা খারাপ। আরে কুত্তার বাচ্চা জবাব দে মসজিদ ভেঙে দিলে তোর কেমন লাগবে? মন্দির ভাঙ্গিস কোন ক্ষোভে? গুলি চলুক, সমানে গুলি চলুক।
খালেদা জিয়া আগে নীতিগত সমর্থন দিয়েছে, আজ এই কাজে তার দৈহিক সমর্থন দিয়ে উনি যে কি জানায় দিল, আর উনাকে নিয়ে একাত্তুরের লুল কাহিনীগুলাই নাকি প্রমান হয়ে গেলো!
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



