আমার প্রিয় পোস্ট

অতীত খুড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি

ইতিহাসের পাঠ দিও না, আমরা জানি তোমরা কি শেখাতে চেয়েছো

২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৬

শেয়ার করুন:                   Facebook


আমরা যারা সামহোয়ার ইন ব্লগে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখালিখি করি, তাদের মাঝে মাঝে দারুণ সব সুপারিশ মিলে। বিশেষ কিছু লাইন চিহ্নিত করে আমাদের বলা হয়, এই জায়গাটি বা এই বিষয়টি সম্পর্কে পাঠকেদর ভুল জ্ঞান দেওয়া হচ্ছে। এবং কোন বইয়ে সত্যিকার উপাত্ত মিলবে তার নামও রেফার করা হয়। সম্প্রতি মিরাজকে তার স্টিকি পোস্টে এমনই এক রেফারেন্স দিয়েছেন এক ব্লগার। স্বাধীনতার শহীদের সংখ্যা যে তিরিশ লাখ নয়, আসলে অনেক কম, সেটা জানার জন্য তাকে তিরিশ লাখের তেলেসামাতি নামে একটি বই পড়ার উপদেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আরেকজন বলেছেন আরেক বইয়ের কথা, লেখকের যে নাম ও বর্ননা দিয়েছেন (মুজিব নগর সরকারের ভ্রাম্যমান রাষ্ট্রদূত) তার কোনো হদিস গোটা সরকারী দলিল চষে খুজে পেলাম না।

বলা বাহুল্য এই উপদেশদাতারা একটি বিশেষ ঘরানার প্রতিনিধিত্ব করে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আলাপ তাদের গায়ে জ্বালা ধরায় বলেই তারা অতীত নিয়ে না থেকে ভবিষ্যতের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া নিয়ে ব্যস্ত হওয়ার তাগিদ জানায়। সেই ভবিষ্যত কি জানতে চাইলে তারা সৎ লোকের শাসনের ব্যাপারে উৎসাহিত করে। ঘুরেফিরে স্বাধীনতা বিরোধীদের হাতে দেশের ভার তুলে দেওয়ার প্ররোচনা যোগায়।

এ ব্যাপারে একদফা অভিজ্ঞতা আমাদের হয়েছে। ১৯৯১ সালের প্রথম দফাটা বেশ মৃদু ছিলো বলেই তা আপাত উপেক্ষিত। ২০০১ সালেরটাই জোরালো। বিএনপির কাধে চেপে সরকারের অংশ হওয়া এই জামায়াতে ইসলামী নামের সিন্দবাদের দৈত্য সুযোগটা দারুণভাবেই লুফে নিয়েছিলো। তাদের প্রথম কাজই ছিলো মুক্তিযুদ্ধে তাদের যা কিছু অবদান তা সবিস্তারে মুছে ফেলা। সময়টায় রাজাকার আল-বদর এবং জামাত শব্দগুলি হাওয়া হয়ে গেছে পাঠ্যবাই থেকে। সুবাদেই যারা সে সময়কালে শিক্ষার্থী ছিলো তারা জামায়াতে ইসলামীর ফুলের মতো চরিত্রের ঘ্রাণ নিয়েই বিশ্ববিদ্যালয় মহাবিদ্যালয়গুলোতে পা রেখেছে। এদের অনেকেই হয়তো ব্লগে লিখে, এবং কুতর্কে প্রবৃত্ত হয়। এর আগে ৯৭ সালে জামাতে ইসলামী ও শিক্ষাবোর্ডের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলো পাঠ্যবইয়ে রাজাকার আলবদরদের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করে। আদালত খারিজ করে দিয়েছিলো তা।

এই ঘৃণ্য অভিযানে আরেকটি বড় ধরনের অন্যায় তারা করেছিলো। সেবার তারা সরকারী উদ্যোগে কোটি টাকার প্রজেক্ট হাতে নিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলের কলেজ এবং সাধারণ লাইব্রেরীগুলোয় বিভিন্ন বই পাঠায়। বিভিন্ন লেখকের লেখা জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার ৫২টি আত্মজীবনীর পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে মাত্র তিনটি বই বরাদ্দ করে তারা। প্রফেসর নিসার উদ্দিনের লেখা বাংলাদেশের কামাল আতাতুর্ক প্রেসিডেন্ট জিয়া এবং সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনর লেখা বইয়ের সঙ্গে তারা রেফারেন্স বই হিসেবে যুক্ত করে জেনারেল রাও ফরমান আলীর লেখা দ্য বার্থ অব বাংলাদেশ!

রাও ফরমান আলী কে আপনারা জানেন তো? ২৫ মার্চ রাতের কুখ্যাত গণহত্যার রূপকার রাও ফরমান আলী। শান্তি কমিটির প্রবক্তা রাও ফরমান আলী। আলবদরদের দিয়ে ১৪ ডিসেম্বরের বুদ্ধিজীবি হত্যার নির্দেশদাতা রাও ফরমান আলী। পালিয়ে যাওয়ার পর যার ডায়েরিতে পাওয়া গেছে বুদ্ধিজীবিদের তালিকা। যেখানে আরেক পাতায় লেখা পূর্ব পাকিস্তানের সবুজ জমিন লাল করে দিতে হবে। সেই লোক বই লিখেছেন, আর সেটা আমাদের শিক্ষার্থীদের উপর রীতিমতো নির্দেশ জারি করে পড়ার আদেশ দেওয়া হয়েছে।



গোলাম আযমদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, মুজাহিদ-নিজামী-কামারুজ্জামানরা নিয়মিত তার কাছ থেকে নির্দেশ-অস্ত্র আর টাকা পয়সা নিয়ে এসেছে। গুরুকে প্রতিষ্ঠার মতো নির্মম রসিকতাটা তাই জামাতের পক্ষেই শোভা পায়। শোভা পায় তাদের উত্তরসূরীদের মুখে সেই সুপারিশ- ইতিহাস পড়ুন, পড়ুন আমাদের মতো করে। এবং আমরা তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করি।

পরিশেষে ব্লগে সম্প্রতি যারা জ্ঞানের অশেষ ভাণ্ডার নিয়ে এসেছেন। এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারীদের মষ্তিষ্কের গ্রে মেটার নিয়ে বিশেষ চিন্তিত, তাদের বলি। স্যারেরা, বেসিক পাঠে ভীষণ গোলমাল রয়ে গেছে। একজন শিক্ষার্থী সঠিক ইতিহাস জানার মধ্যে দিয়েই জাত্যাভিমানের পাঠ নেয়। নিজেকে একজন বাঙালী এবং একাত্তর নিয়ে গর্বিত হওয়ার সুযোগটা যদি শুরুতেই কেড়ে নেয়া হয়, শত্রু সম্পর্কে তাকে অন্ধকারে রাখা হয়, তাহলে উচ্চতর অধ্যয়নে সমস্যাটা আরো প্রকট হবে। এই ছেলেটাই তো একদিন রাজনীতি করবে, সচিব হবে, ব্যবসা করবে, দেশ চালাবে- তাকে শুধরানোর বেসিক পাঠে মন দিন আগে। পরেরটা পরে।

ফুটেজ : রাও ফরমান আলী বিদেশী মিডিয়ায় দেয়া সাক্ষাতকারে অস্বীকার করছেন পূর্ব পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর বর্বরতার কথা। এই মিথ্যুকের বয়ান পড়েই আমাদের এক প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধের ভুল পাঠ।

কৃতজ্ঞতা : জন্মযুদ্ধ

 

 

  • ৪০ টি মন্তব্য
  • ৪৬৫ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩৪ জনের ভাল লেগেছে, ৬ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৪০
comment by: কৌশিক বলেছেন: যাও পাখী সোজা ফেভারিটে!
২. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৭
comment by: মনসুর হিল্লাজ বলেছেন: প্রিয় পোস্টে থাকলো। আপনার পুরো ব্লগটাই রেখে দিলাম।
৩. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৯
comment by: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: সুপার্ব!!!! প্রিয় পোষ্ট।
৪. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৯
comment by: তীরন্দাজ বলেছেন: সহমত!

রাও ফরমানের কুলাঙ্গারেরা কি তার কথা ভুলতে পারে? ওরা তো নীচের অতি সাধারণ কথাগুলোই নিজেদের বিকৃতির আর প্রভুভক্তির কারণে বিশ্বাস করে না।


১) ভারতকে সুবিধা প্রদান করার জন্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আসেনি। বাংলাদেশের স্বাধীনতা হচ্ছে পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান শোসন ও এদেশের মুক্তিকামী জনগনের সংগ্রামের ফসল।
২) একাত্তুরে বাংলাদেশের মাটিতে যে হত্যাজজ্ঞ চালানো হয়েছে, এটা পৃথিবীর ইতিহাসে জঘন্যতম গনহত্যার মাঝে অন্যতম।
৩) এই গনহত্যার হোতা ছিল পাকিস্তানী সেনাবাহিনী ও তাদেরকে সহায়তা করেছে জামাতে ইসলামীর ছত্রছায়ায় রাজাকার, আলবদর ও আলশামস।
৫. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৫১
comment by: রাতমজুর বলেছেন: খাটি কথা। ৫+
৬. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৩
comment by: আরণ্যক যাযাবর বলেছেন: সত্য কথা!
৭. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৫
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: "রাও ফরমান আলী একজন মুজাহিদ ছিলেন। উনি পাকিস্তানের মাটিকে পৌত্তলিকতা ও হিন্দুস্থানের কাল হাত হতে বাঁচাবার জন্য নিজের জান কোরবান করতে রাজী ছিলেন। আল্লাহর আদেশে উনি উনার ঈমানী দ্বায়িত্ব পালন করার জন্য পূর্ব পাকিস্তানে এসেছিলেন। উনি একজন বিশিস্ঠ শিক্ষানুরাগী ছিলেন যার প্রমান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মাঝে উনার জনপ্রিয়তা"

এ ধরনের বাক্য নিয়ে কোনো জামাতি বরাহ নন্দন কিছুক্ষনের মাঝেই পোস্ট দিতে পারে।

৮. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৬
comment by: ইয়র্কার বলেছেন: ইতিহাসের ভুল পাঠে সহায়তা করা সব ভার্চুয়াল এবং নন-ভার্চুয়াল দালাল নিপাত যাক।
৯. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৭
comment by: পরশ পাথর বলেছেন: প্রিয় পোস্ট। ++
১০. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৮
comment by: ইয়র্কার বলেছেন: জামাতি ইতিহাসের পাঠ দেখুন:

২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:২১ তীর্যক বলেছেন: লেখক মুক্তিযুদ্বের সংজ্ঞা নিশ্চয় অবগত আছেন, যারা ধর্মনিরপেক্ষতাবাদে বিশ্বাস স্থাপন করতঃ ভারত বা আওয়ামিলীগের সকল অপকর্মের অন্দ্ব সমর্থন, অনুকরন ও নির্লজ্জ দালালী করবে, তারাই মুক্তিযোদ্বা।

আর দেশপ্রেমিক, ধর্মভিরু, সভ্য সকল নাগরিক স্বাধীনতা বিরোধী বা রাজাকার।
১১. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৯
comment by: আজনবী বলেছেন: খুব ভালো পোস্ট, আপনার লেখা অব্যাহত থাকুক।
১২. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:০৩
comment by: কোবরা বলেছেন:
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।

১৩. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:০৩
comment by: ফেলুদা বলেছেন: আরেকটি অমার্জনীয় ভুল :
Click This Link

বিবিসি জানাচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দল জামায়াতে ইসলামী!
Calls for Bangladesh war trials

By Mark Dummett
BBC News, Dhaka
Veterans of Bangladesh 's 1971 war of independence have called for their countrymen who collaborated with Pakistan to face war crimes trials.

Hundreds of the veterans who took part in the victorious war against Pakistan travelled to Dhaka to issue the call at the request of their former commanders.

They say Bangladeshis who collaborated with Pakistani forces caused the deaths of thousands of civilians.

Many of those they want tried are politically influential figures.

They include the leaders of Bangladesh 's largest party, Jamaat-e-Islami - which at the time opposed the break-up of Pakistan .

To this day, the leaders of the party deny a war of liberation took place, rather calling it a civil war between Pakistanis.

They also deny involvement in a youth militia which carried out many of the killings.

One of the reasons why the veterans have launched their campaign now is that elections are being organised for December.

They want Jamaat-e-Islami, which did well in the last elections, to be banned from taking part.

Lingering anger

The veterans won their country's freedom from Pakistan with the support of India in only a matter of months and are the nation's heroes.

But many wounds from the conflict are yet to heal.

Bangladesh's official records say some three million people, mostly civilians, lost their lives.

Many of the perpetrators were not Pakistani soldiers but their supporters among the local population. None have ever been tried.

Dr Mustafisa Rahman, a medic in the Bangladeshi forces, said of the collaborators: "They raped our mothers, they killed our brothers and sisters, they burned our houses, they have done everything."

Earlier governments have ignored the calls for trials, saying they would damage national unity.


১৪. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:১৮
comment by: অচেনা বাঙালি বলেছেন: শোকেইসড।
১৫. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:২৬
comment by: আকাশচুরি বলেছেন: +++++
১৬. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:২৭
comment by: বাউণ্ডুলে বলেছেন: +
১৭. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭
comment by: সামী মিয়াদাদ বলেছেন:

ইতিহাস তুমি কেঁদনা....শত নীল নকশার মাঝেও তোমাকে আমরা মুক্ত করতে মুষ্টিবদ্ধ
১৮. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৭
comment by: কোবরেজ বলেছেন: স হ ম ত
১৯. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:০৪
comment by: শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: সেইরকমই। আবারো প্লাস
২০. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:০৪
comment by: ফেলুদা বলেছেন: গতকাল উইকিতে পড়েছি জামাত বাংলাদেশের একমাত্র গনতান্ত্রিক দল।
২১. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:০৪
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ধন্যবাদ সবাইকে
২২. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৩
comment by: মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: জব্বর হইছে বস। সবাইতো আর লিখতে পারে না। কেউ কেউ লিখে। আমাদের মত অনেকে পড়ে, থ্যাংকু । +++++
২৩. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৫
comment by: আরণ্যক যাযাবর বলেছেন: মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: জব্বর হইছে বস। সবাইতো আর লিখতে পারে না। কেউ কেউ লিখে। আমাদের মত অনেকে পড়ে, থ্যাংকু ।
২৪. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৬
comment by: মিরাজ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পোষ্টটির জন্য ।

যারা আমাদের নানা সুপারিশ দেন তারা আবার তাদের নিজস্ব বই ছাড়া আর কোন বই বা দলিল পড়তে ভয় পান । সর্বশেষ একটি উপদেশ পেয়েছি... "মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নির্ধারণে নাকি একটি আদমশুমারী করত হবে" । অবশ্য পৃথিবীর ইতিহাসে কোন যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা নির্ধারণে আদমশুমারী করা হয়েছে সেই প্রশ্নটি জানতে চাইবার পরে উপদেশদাতাকে আর খুজে পাওয়া যায়নি ।

মনে হয় উনারা কিছু নির্দিষ্ট প্রশ্ন আর সুপারিশ করতে জানেন... এর বাইরে কিছু গেলে মস্তিস্কে "নো সিগন্যাল" দেখায় ।
২৩ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: ঠিক তাই

২৫. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৩৪
comment by: মুকুল বলেছেন: অসাধারণ পোস্ট। ধন্যবাদ পিয়াল ভাই। *****
২৬. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:১১
comment by: এস্কিমো বলেছেন: +
২৭. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:৩৭
comment by: রাশেদ বলেছেন: থ্যাঙ্কস পিয়াল ভাই পোস্টের জন্য।
২৩ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:২৯

লেখক বলেছেন: ওয়েলকাম। অনেকগুলা পোস্ট পেন্ডিং। এমন কাজ পড়ছে অফিসে যে দমে কুলাইতেছে না

২৮. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৪৩
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: (মুজিব নগর সরকারের ভ্রাম্যমান রাষ্ট্রদূত) নামের এক জিনিষ বেরিয়েছে নাকি ?

ইন্টারেস্টিং তো ।
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:১২

লেখক বলেছেন: মিরাজের সর্বশেষ পোস্টে গিয়ে দেখে আসেন

২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: সর্বশেষ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক পোস্ট

২৯. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:২১
comment by: কালপুরুষ বলেছেন: দারুন পোষ্ট। জেনে রাখার মতো অনেক তথ্য সমৃদ্ধ। ভাল লাগলো।
৩০. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৩২
comment by: এস্কিমো বলেছেন: তিরিশ লাখের তেলেসামাতি বইটা ছাপলো কারা?
৩১. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:০২
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: +
৩২. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৪৫
comment by: মনিটর বলেছেন: আরণ্যক যাযাবর বলেছেন: মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: জব্বর হইছে বস। সবাইতো আর লিখতে পারে না। কেউ কেউ লিখে। আমাদের মত অনেকে পড়ে, থ্যাংকু ।
৩৩. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:২৬
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: +
৩৪. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:১৮
comment by: নাভদ বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ
৩৫. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৩৯
comment by: অশ্ব ডিম্ব বলেছেন: আরণ্যক যাযাবর বলেছেন: মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: জব্বর হইছে বস। সবাইতো আর লিখতে পারে না। কেউ কেউ লিখে। আমাদের মত অনেকে পড়ে, থ্যাংকু ।


ভাল লিখেছেন।
৫, না ! ৫৫, না না! ৫+++++++++++++++++++++++++
৩৬. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২১
comment by: কঁাকন বলেছেন: প্রিয় পোষ্ট
কৃতজ্ঞতা
এবং একটি অভিযোগ
আপনি এবং মিরাজ ভাই অনেকদিন লিখছেননা
সামনে বিজয়ের মাস
প্রতিক্ষায় রইলাম

 



 


বন্ধুত্বে উদার, শত্রুতায় নির্মম : কিছু করার নাই, রাশির দোষ
........................
জামাতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে মহানবীর (দঃ) সতর্কবাণী :

শেষ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১৭০৪৭৫