আমার প্রিয় পোস্ট
- সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুয়ায়ী রাজাকার, মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা জামায়াতে ইসলামীর নেতা থাকতে পারে কি?? - একরামুল হক শামীম
- "আবে, কোন মামদির পো সামনে খাড়া? যা কিনার" - লাল দরজা
- পাগলের রাজণৈতিক প্রলাপ : ( বিশেষ পর্ব) [স্বঘোষিত রাজাকারদের অপপ্রচারের প্রতিবাদ] - এ. এস. এম. রাহাত খান
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- সহীহ মুসলিম মতে গোলাম আজম, নিজামি, মুজাহিদ, সাইদী এবং অন্যান্য জামাতিদের ইমানের স্তর। - হ্যারি সেলডন
- সামহোয়ার ক্লাসিক : কার্টুন কেলেঙ্কারি ও ছাগুদের ম্যাতকার (ইতিহাসের পাতা থেকে) - স্ট্যানলি কুবরিক
- নেতা দর্শন (হোসেইনের কবিতাঞ্জাল) - হোসেইন-দ্য এ টিম
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও নানাবিধ যুক্তি : শিশুর সাথে আরেকটি আলাপচারিতা - আরিফ জেবতিক
- When silence is crime-2 - ফারজানা মাহবুবা
- ব্রাত্যজন কথা - সন্গদোষে বন্গ নষ্ট সুশীলদের হইল কষ্ট - বোঘদাদি হেকিম
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- বেগমগঞ্জ কালো পুলের বধ্যভূমি - মুকুল
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- ডিটেকটিভ গল্প: সেলিব্রিটি প্রবলেমস কন্টিনিউড (শেষ অংশ) - জ্বিনের বাদশা
- ৮ই ফাল্গুন কি হারিয়ে যাবে? আসুন বাঁচানোর একটা চেষ্টা করি। - যীশূ
- একটা ছাগু ম্যাজিক !!!!!!!!!!!!! ( Animation ) - শান্তির দেবদূত
- মহাপুরুষ তোর গুষ্টি মারি, শালার শালা রাজাকার (পুনঃ ব্লগ পোষ্ট) - লাল দরজা
- একুশের পূর্বসূরী : আল এসলাম - অচেনা বাঙালি
- ইতিহাস খুড়ে দেখা : মুজিবনগর সরকার, স্বাধীনতার ঘোষনাপত্রের মুল দলিল এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক - মিরাজ
- ঝেঁপে আসা চোখের জল তবুও গাল ভরিয়ে ঝরে পড়ে - মৃন্ময় আহমেদ
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন দৈনিক সংগ্রামে জাতীয় সংগীত সংক্রান্ত ফতোয়া - এস্কিমো
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ও ত্রিভুজ গোত্রীয়দের বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেস্টা - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - একটি অহেতুক বিতর্কের জবাব - সু-শান্ত
- বল্গারগন বাঁচতে চাও? - সিন-লাম-মীম
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( প্রথম পর্ব) - একরামুল হক শামীম
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( ২য় পর্ব ) ( যেকোন রাজাকার এবং রাজাকার সমর্থনকারীদের প্রতি ওপেন চ্যালেঞ্জ, পারলে যুক্তিগুলো খন্ডন করুন) - একরামুল হক শামীম
- আদর্শের জন্য নয়, জামাত পাকিস্তানপন্থী হয়েছিল টাকার জন্য। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে নিয়মিত অর্থ পেতো জামায়াত। - শওকত হোসেন মাসুম
- নাইট সিলটি বাবুল : বাস্তবের এ-টিম মেম্বার (উৎসর্গ - হোসেইন) - অচেনা বাঙালি
- ছবি ব্লগ : কষ্টার্জিত স্বাধীনতা - গন্ডমূর্খ
- বাবা কেন যুদ্ধে গেল? - কালপুরুষ
- একটি জাতির জন্ম: জিয়াউর রহমানের নিজের লেখা পড়ুন (১) - আমি সাগর
- সংখ্যা ব্লগ : আমাদের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- স্বাধিনতা আর স্বাধিকার আন্দোলনে এ বাঙালির শ্লোগান(সংকলিত) - রাহা
- প্রিয় কবিতা : সুখটান - সুভাষ মুখোপাধ্যায় - অচেনা বাঙালি
- পাকিস্তানের জন্য গোলাম আযমের আক্ষেপ ফুরাবে না! - শওকত হোসেন মাসুম
- এ ছবি আপনাকে দেখতেই হবে! আপনি এদেশের মানুষ নন? - তীরন্দাজ
- ছবি ব্লগ : গর্বের এবং বীরত্বের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- ও আমার দেশের মাটি : একটা অসাধারণ ভিডিও । এটাই মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের চেতনা - মিরাজ
- ফাঁসি দেয়ার সঠিক পদ্ধতি
- ইকরাম
- ১৯৭১ এর নভেম্বর ডিসেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ - ২ : স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ৮ - মিরাজ
- ১৯৭১ এর নভেম্বর ডিসেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ - ১ : স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ৭ - মিরাজ
- অনেক অজানা অতীত : নতুন প্রজন্মের জন্য। স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ১ (ইংরেজী টেক্সটসহ রিপোষ্ট) - মিরাজ
- অনেক অজানা অতীত : নতুন প্রজন্মের জন্য। স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ২ (ইংরেজী টেক্সট সহ) - মিরাজ
- অনেক অজানা অতীত : নতুন প্রজন্মের জন্য। স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ৩: ৭ই মার্চের প্রাক্কালে পাকিস্তান সংক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রের সিনিয়র রিভিউ গ্রুপ এর মিটিং এবং কিসিন্জারের ভূমিকা - ১ম পর্ব - মিরাজ
- ছহি রাজাকারনামা - জেনারেল
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জামাত-শিবির কেন সন্ত্রাসী সংগঠন - অমি রহমান পিয়াল
- '৭১ এ ঢাকা বিশ্ববদ্যালয়ের গনহ্ত্যার দূর্লভ ভিডিও চিত্র। - লারেলাপ্পা
- ওয়ার্ডপ্রেস ডেটাবেজ ব্যাকআপ রাখুন - গুগুল
- একজন মুক্তিযোদ্ধার ব্লগ পড়ুন - অঃরঃপিঃ
- আস্তমেয়েরে জবাব ১ - অঃরঃপিঃ
- লিংক: রাজাকারের তালিকা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার- সময়ের দাবি - অঃরঃপিঃ
- গোলামের আরো কথা - অঃরঃপিঃ
- থাকলে এমনেই থাকতে হইব, নাইলে ফুট্ - অঃরঃপিঃ
- রাজাকার নিয়া আরেকটু কথা (আড্ডাবাজরে) - অঃরঃপিঃ
- আমাদের গান / সুমন : কোনও এক চিন্ময়ীকে - অঃরঃপিঃ
- স্বীকারোক্তি : আমি একটি অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছি... - অঃরঃপিঃ
- বইয়ের বিজ্ঞাপন : বইমেলায় আমাদেরও বই... - অঃরঃপিঃ
- নতুন সংকলণ : তেকোণালজি - অঃরঃপিঃ
- তেকোণালজি এখন হার্ডকাভারেও - অঃরঃপিঃ
- টুকে লেখা, পড়ে লেখা, জেনে লেখা... (আলী, হাবিব মহাজন। ফাডাররাও পড়তে পারেন) - অঃরঃপিঃ
একটি পাক কদমবুচী অনুষ্ঠান
২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৫৩
হাবিব ভাইর কলটা ঘুম চোখেই রিসিভ করেছিলাম। টানা প্রায় দু’রাত খাটুনির পর ঘুম। সেটা পুরোপুরি পাকার আগেই মুঠোফোনের চিৎকার। হাবিব ভাইর জন্য মোবাইলে স্পেশাল রিংটোন সেট করা। আর উনার ডাকে পারলে কবর থেকে উঠে আসবে ভক্তরা, আমি তো স্রেফ বিছানায়। ‘কিরে পিলু, এখনও ঘুমে নাকি! জলদি ওঠ। মুখ ধুয়েই বংশাল থেকে ১০ নাম্বার বাসে উঠবি। নামবি মৌচাক, সেখান থেকে রিকশা করে মগবাজার ওয়ারল্যাস। বলবি কাজী অফিস। ওইখানে কিবরিয়া ভাইর বিয়ে। সাক্ষী সংকট। এক দৌড়ে পৌছবি। নাস্তা উনিই করাবেন।’ রায় হয়ে গেছে, আপিল চলবে না। অগত্যা ওই ঘুমালু চোখ নিয়েই ব্রাশে সেভিং ক্রিম মেখে দাঁতে লাগাই। লাভের মধ্যে ঘুমটা পালায়। সপ্তাহখানেকের দাড়ি গালে, কিন্তু সময় নেই হাতে। বেছে একটা ফুল স্লিভ শার্ট কবজি পর্যন্ত বোতামবন্দী করি। ইন করি না। নর্মাল একটা প্যান্ট। বর্ষার পানিতে রাস্তাঘাট বেহাল। তাই গোড়ালী পর্যন্ত ভাজ করে নেই। তারপর হুকুম মতো পৌঁছে যাই মগবাজার ওয়ারল্যাস। পুরো কাহিনী বদলে যায় এরপর থেকে।
কাজী অফিস একটা গলির মধ্যে। সেখানে দেখি বেজায় ভিড়। তরুণ-যুবকদের বেশ জমজমাট সমাবেশ। এরাও বোধহয় বিয়ে খেতে এসেছে। কি আশ্চর্য্য। আমার সঙ্গে তাদের পোষাকেও ভারী মিল। ফুলস্লিভ শার্ট, গোড়ালি পর্যন্ত গোটানো প্যান্ট। রিকশা থামাতেই দেখি সবগুলো মুখ আমার দিকেই ফিরে তাকালো। ভাড়া চুকিয়ে একজনকে সালাম দিয়ে জিজ্ঞেস করলাম. ‘ভাই, কাজী…।’ কথা শেষ করতে পারলাম না। সমস্বরে চিৎকার উঠলো, ‘গাজী গাজী, আগায়া।’ তারপর আমাকে চ্যাংদোলা করে দেখি তারা এগিয়ে চললো। ‘বাঁচাও’ বলে চিৎকার করতে চাইলাম, কিন্তু গলা দিয়ে স্বর বেরুল না। পাশে দেখি মিছিল হচ্ছে, প্রথম লাইনটা বুঝলাম না, পরেরটা পরিষ্কার, “আমরা সবাই গাজী হবো।”
সামনে একটা একচালা বিশাল ভবনের মতো। তাতে সামিয়ানা টাঙানো। বিশাল এক টেবিলে মুরুব্বী গোছের কয়েকজন বসে আছে। তাদের পেছনে উর্দূতে কিছু লেখা। উর্দূই, কারণ আরবী হলে জের, জবর থাকত। আর নিচে বাংলায় লেখা ‘গাজী ভাইয়ের পাক কদমবুচী অনুষ্ঠান’। আমাকে দেখেই হাততালিতে ফেটে পড়ল গোটা সমাবেশ। একদল যুবক বেশ সুরেলা একটা গান গাইলো বাদ্যবাজনা ছাড়া, কথাগুলোয় বেশ জোশ আছে। এরপর মাইকে এলেন এক মুরুব্বী, ততধিক জোশিলা গলায় বলে চললেন, “উপস্থিত বেরাদেরান, আমাদের গাজী ভাই এসে গেছেন। সেই গাজী, যিনি আমরা যা ঠারেঠোরে গোপনে করে যাচ্ছিলাম, একদম এক লাথিতে করে দেখিয়েছেন। তার সেই লাথিতে এই পূর্ব পাকিস্তানের ইতিহাস আবার নতুন গতি পেলো। এই গতিই ইতিহাসের চাকাকে ঘুরিয়ে নিয়ে যাবে ঠিক যেখানে আমরা তাকে চেয়েছিলাম। বলুন মারহাবা।”
শুরু হলো মারহাবা। এদিকে আমি ভাবছি পূর্ব পাকিস্তান এলো কোত্থেকে। এই লোকগুলো অবশ্য বেশ উর্দূ বলে। পুরানো ঢাকার ছেলে আমি, বাসা মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের পাশে। সুইপারদের কথা শুনে অভ্যস্ত। তাই এদের কথা বুঝতে অসুবিধা হলো না। সেই লোক এদিকে বলে চলেছে, “কিসের মুক্তিযোদ্ধা? সুন্দরী মেয়ে আর ধনসম্পদের লোভে যারা ডাকাতিতে নেমেছিলো, এরাই সব মুক্তিযোদ্ধা। আসলে সব প্রতিবেশী দেশের দালাল। কিন্তু এই দেশের মানুষ বুঝে গেছে সত্যিকার দেশপ্রেমিক কারা। আমাদের হাতে এই দেশের অর্থনীতির চাবিকাঠি। কল ঘুরিয়ে দিলে সব না খেয়ে মরবে। সব কিনে ফেলেছি। তাই মুক্তিযোদ্ধা আর যুদ্ধাপরাধী বলে এত বছর পর দেশকে দুই ভাগ করার ষড়যন্ত্র সফল হবে না। তাছাড়া এই যে আমাদের তরুণ মুজাহিদরা, এদের জন্ম তো একাত্তরের অনেক পরে। এদের কেনো রাজাকার বলে গালি দেয়া হয়? তারা আমাদের ভাষায় কথা বলে তাই? কাভি নেহী। সব গাজী ভাইয়ের মতো লাথি মেরে চুপ করিয়ে দেয়া হবে। সেদিন সেই সাহসী ঘটনার পর উনি ডায়েরিয়ার কারণে আর আমাদের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। অধ্যাপক সাহেব থেকে শুরু করে জেল খেটে আসা আমাদের নেতাও উনার বদন মুবারক দেখার জন্য আকুল হয়ে আছেন। আজ তার পাক কদমকে কদমবুচী করে তারা শ্রদ্ধা জানাবেন।”
এইবার আমার মাথা খারাপ অবস্থা। কোথায় এলাম! এযে সব বড় বড় খুনীরা বসে আছে। একজন দুজন নয়, হাজারে হাজারে লাখে লাখে মানুষের রক্ত এদের হাতে! ভাবনার সুযোগটাও পেলাম না। ‘আইয়ে জনাব’ বলে আমাকে ঠেলে সেই টেবিলের উপর তুলে দেয়া হলো। পাকা দাড়ি এক লোক আমার দিকে চেয়ে কেঁদে দিলেন। উনি নাকি অধ্যাপক। কোন কলেজের নাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের জানি না। জানালো না কেউ। ‘তু আব তাক কাহা থি মেরে লাল- কই ছিলে তুমি? ২৬টা বছর ধরে অপমান সহ্য করে যাচ্ছিলাম। সেই ৮২ সালে বায়তুল মোকাররমে জুমা বারে গিয়েছিলাম পালেস্টাইন সংহতি দিবসে। আমাকে জুতাপেটা করলো বাঙালীরা। তারপর থেকে দিন গুজরান করেছি প্রতিশোধের জন্য। তুমি সেই কাজ করেছো বাপজান। বলেই আমার পা টা নিয়ে চাকুম-চুকুম করে চুমু দিতে লাগলেন। আমার তো সুরসুরি লাগছে, সেই সঙ্গে প্রবল ঘৃণা।
টেনে সরাতে হলো না, কেড়ে নেওয়া হলো। বলতে গেলে তার কাছ থেকে টেনে নিয়ে গেলো আমার পা’টা তার পাশের জন। চেহারাটা বেশ চেনা চেনা লাগলো। টিভিতে দেখেছি মনে হয়। ‘ইয়া হাবিবি, হে বন্ধু তুমনে তো কামাল কার দিয়া। এই দেখো আমার দাড়ি। দেখো দেখো। টেনে ছিড়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেয়াদব ছেলেগুলা। সরকারে আসার পর গিয়েছিলাম সেখানে, মারধোর বাকি রাখে নাই। আর মুঠো ধরে টেনে ছিড়েছে মেরা মেহেদী লাল বাল। সেই থেকে এই দুপাশে টাক পড়ে গেছে, আর দাড়ি উঠে না। আমি জুলফি বড় করে সেই টাক ঢেকেছি। অধ্যাপক সাহেবের জুতাপেটার দিনও আমি পাশে ছিলাম। ভয়ে যেতে পারিনি কাছে, আমাকেও যদি মারে। সেই মারটা ঠিকই খেলাম। তুমি তার শোধ নিলে।’ বলেই সেই চুমু খাওয়া। এবং একইভাবে তার কাছ থেকে কেড়ে নিলো তৃতীয় জন। আমি যাতে পড়ে না যাই সে জন্য দেখি আমার বগলের দুপাশ ধরে আছে দশাসই দুই পালোয়ান কিসিমের যুবক। তারাই আগলে আমাকে আরো কাছে নিয়ে গেলো তৃতীয় জনের। তিনি বললেন, “আলবদরের কমান্ডার ছিলাম, তারপরও আমার লোম স্পর্শ করতে পারে নাই কেউ এতদিন। কিন্তু সেদিন প্রেসক্লাবে আমাকে দৌড়ানি দিলো কিছু দু®কৃতিকারী- গন্ডগোলের সময় এরা বন্দুক নিয়া মানুষজনকে ভয় দেখাতো। এই বুড়ো বয়সে কি বেইজ্জতি। তুমি বদলা নিয়েছো যুবক।’ তারপর কদমবুচী চলতেই থাকলো। লাইন ধরে লোকজন আমার পা ছোয়, কেউবা চুমু খায়। আর বলে মারহাবা। পাকসারজমিন পয়েন্দাবাদ।’
ঝামেলা থেকে কিভাবে বাঁচা যায় ভাবছি। বিয়ে খেতে এসে কোন গাড্ডায় পড়লাম! যা বুঝলাম গাজী নামে কোনো এক যুবকের সঙ্গে আমাকে মিলিয়ে ফেলেছে এরা। আর সেই লোক কোনো এক মুক্তিযোদ্ধাকে লাথি মেরে উধাও হয়েছিল। তার সম্বর্ধনা আমি নিচ্ছি। এখন এই গাড্ডা থেকে বেরুতে হবে। ভেবে পেলাম একটা উপায়। সেই বক্তৃতাবাজ লোকটাকে বললাম ‘আমি কিছু বলতে চাই।’ উনি বেশাক, বেশাক বলে মাইক্রোফোন এগিয়ে দিলেন। হাতে নিয়ে বললাম, ‘বেরাদেরান। আজকে আমার খুব খুশী লাগছে যে আমি আমার শিক্ষাকে কাজে লাগাতে পেরেছি। আর অধ্যাপক সাহেবের মতো মহান দেশপ্রেমিক লোক আমার কদমবুচী করে আমাকে যে শ্রদ্ধা দেখিয়েছেন তাতে আমি আপ্লুত। উনার শিক্ষাকেই ধারণ করে আমরা আজ এতদূর এসেছি। এই যে দেশটা, এই ভৌগলিকভাবেই লুটপাট করার দেশ। দিনেমার, বর্গী, ইংরেজ সবাই লুটেছে। তাছাড়া ধর্মীয় দিক থেকেও এরা ঠিক পাক্কা ইমানদার না। তাই এর সঠিক নিদান দিতে পারে একমাত্র আমাদের নেতারাই, তাদের দিক নির্দেশিত পথেই এই দেশের সঠিক রিয়াসাত।’ মারহাবা, মারহাবা সমস্বরে রব উঠে চারদিক থেকে।
‘আমার একটা আরজি ছিলো অধ্যাপক সাহেব’, বলে তার দিকে তাকাই। উনি ‘বেশাক, আজ তেরা হার চাহা পুরি হোগি মেরে লাল, যা চাইবে তাই পাবে।’ বললাম, ‘আমার ডায়েরিয়া পুরাপুরি সারেনি। তাই বাড়ি যেতে হবে। আমি আবার বাড়ির টাট্টিখানা ছাড়া আর কোথাও পায়খানা করতে পারি না। তবে তার আগে আমি সেদিনের সেই কীর্তিটা আবার করে দেখাতে চাই। আপনি রাজী হলে…।” উনি গদগদ চেহারা নিয়ে নিশ্চয়ই, নিশ্চয়ই বলে উঠে পড়লেন টেবিলে। বললেন, ‘আমি মুক্তিদের মতো জয় বাংলা বলতে থাকব, আর তুমি লাথি মারবে।’ ‘জয় বাংলা!” বলে আমি গদাম এক লাথি কষিয়ে দিলাম তার পাছাতে। তারপর বললাম, ‘হোজুর বেশ বেগ পেয়েছে, তাই তাড়াহুড়ায় মারলাম, জয় বাংলাটাও আমিই বলে দিলাম। ইতিহাস নিশ্চয়ই জায়গামতো যাবে।” মারহাবা, মারহাবা শুনতে শুনতে বেরিয়ে পড়লাম।
একটা হোটেল খুজে বের করতে হবে। খিদে পেয়েছে।
লেখাটা আমার ব্লগে প্রকাশিত
k-79er34b বলেছেন:
এটা কি আপনার ব্লগ না ? এখানে তো প্রকাশ হলো । দেখা যাচ্ছে ।
লেখক বলেছেন: ভাই দিলদার মারা যাওয়ার পর বিশাল শূণ্যতায় ভুগতেছে বাংলা চলচ্চিত্র জগত, কেউ সেইটা পূরণ করতে পারতেছে না। কমেন্টে বুঝলাম আপনারেই খুজতেছে এফডিসি ![]()
রাতমজুর বলেছেন:
সারমেয়-অধম গাজীর সেই পা'টা কেটে নিতে চাই।
লেখক বলেছেন: লাইনে খাড়ান
পীরসাহেব বলেছেন:
শুয়ারকা আউলাদ গাজীকো ফাঁসিপে চড়হানা চাহিয়ে
শালা শুয়ার গাদ্দার। আপনি দেশকো বেঁচরাহা হ্যার শালা গাদ্দার কি আউলাদ গাজী।
কুম্ভকর্ণ বলেছেন:
জব্বর পোস্ট।
নূহান বলেছেন:
পোস্টে জাঝা ।
k-79er34b বলেছেন:
আপনি তো ভালোই বুঝেন । আপনাকে তাহলে C-37 এর কোন একটা ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে গেলাম । গুন্নাইট
রাহা বলেছেন:
...... জটিল...
নুশেরা বলেছেন:
আপনি পারেনও!
রাশেদ বলেছেন:
হু, পড়চি।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
জব্বর ভাবে মনের আশাটা বইলা দিলেন বস...
হটডগ বলেছেন:
হে হে হে হে হে...
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
আপনের লেখা পইড়া আমি হাসতে হাসতে চেয়ার থেইকা পইড়া গিয়া ব্যথা পায়া এখন হাসপাতালে আছি; আমারে হত্যা প্রচেষ্টার লাইগা আপনের আইপিসহ ব্যান চাই।
লেখক বলেছেন: এখন কি অবস্থা?
মেঘবাজি বলেছেন:
কুপা কুপা কুপা
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
এখন আমি কোমায়...
মেহবুবা বলেছেন:
এ লেখাটা কত উচুঁমানের,সেটা আপনার জানা আছে?বেশ অনেকদিন পর এলেন ।শুভেচ্ছা রইল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে
রাশেদ বলেছেন:
হো হো!


















