আমার প্রিয় পোস্ট

অতীত খুড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০২

শেয়ারঃ
2 0

উপরের ছবিটার দিকে তাকান। মনে পড়ছে কিছু? স্বাধীনতার ৩৭ বছরের মাথায় একজন মুক্তিযোদ্ধার নাজেহালের দৃশ্য এটা। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানী খুনীদের পাশাপাশি যেই দালালদের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন, তাদের রমরমা দেখে এবং নেতানো যৌবনের ক্লৈবতায় এই বৃদ্ধ গর্জে উঠেছিলেন তাদের মাঝে গিয়েই। এরপর তাকে লাথি খেতে হয়েছিলো। মুক্তিযুদ্ধের সময় আলবদরের মতো খুনী তৈরি করেছিলো যেই ইসলামী ছাত্র সংঘ, নামবদলে ইসলামী ছাত্র শিবির হওয়া সেই খুনী সংগঠনের এক নেতার ধৃষ্টতা হয়েছিলো তাকে লাথি মারার। এই লোকও নেতা হবে একদিন। সংসদে যাবে। মন্ত্রী হবে। কারণ আমি-আপনি তাকে ভোট দিই। আমাদের অন্তর্গত বিভক্তি ও সুবিধাবাদী আচরণে তারা পরিকল্পিতভাবে চলে যায় ক্ষমতার মসনদে। তারপর বদলাতে শুরু করে ইতিহাস, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের যাবতীয় অর্জন। সময় এসেছে ব্যাপারটা আর বাড়তে না দেয়ার। চলুন শুরু হোক সেই অভিযাত্রায় আমাদের মিছিল। শুরু করুন। আমাকেও সঙ্গে পাবেন।

চলুন আরেকটু ঝাপটা মারি ঘুমিয়ে থাকা মননটাকে। পেছনে ফিরে দেখি কিছু দৃশ্য।

কারা ছিলো এই আল-বদর?

ইসলামী ছাত্র সংঘের কেন্দ্রীয় কমিটি (আল-বদর হাইকমান্ড)
......................................................................

মতিউর রহমান নিজামী (সারা পাকিস্তান প্রধান)
আলী আহসান মুহম্মদ মুজাহিদ (পূর্ব পাকিস্তান প্রধান)
মীর কাসেম আলী (প্রথমে চট্টগ্রাম জেলা প্রধান ছিলেন, পরে আল বদর বাহিনীর নেতৃত্বের তৃতীয় পদ লাভ করেন)
মোহাম্মদ ইউনুস
মোহাম্মদ কামারুজ্জামান (বদর বাহিনীর প্রধান সংগঠক)
আশরাফ হোসাইন (বদর বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা ও ময়মনসিংহ জেলা প্রধান)
মোহাম্মদ শামসুল হক (ঢাকা শহর প্রধান)
মোস্তফা শওকত ইমরান (ঢাকা শহর বদর বাহিনীর অন্যতম নেতা)
আশরাফুজ্জামান খান (ঢাকা শহর বদর বাহিনীর হাইকমান্ড সদস্য এবং বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডের চিফ এক্সিকিউটর : প্রধান জল্লাদ)
১০.আ.শ.ম রুহুল কুদ্দুস (ঢাকা বদর বাহিনীর অন্যতম নেতা)
১১.সরদার আবদুস সালাম (ঢাকা জেলা প্রধান)
১২.খুররম ঝা মুরাদ (লন্ডনে এখন জামাতের প্রধান সমন্বয়কারী)
১৩. আবদুল বারী (জামালপুর প্রধান)
১৪. আবদুল হাই ফারুকী (রাজশাহী জেলা প্রধান)
১৫. আবদুল জাহের মোহাম্মদ আবু নাসের (চট্টগ্রাম জেলা প্রধান)
১৬. মতিউর রহমান খান (খুলনা জেলা প্রধান)
১৭. চৌধুরী মঈনুদ্দিন (বুদ্ধিজীবি হত্যাকাণ্ডের অপারেশন ইনচার্জ, জামাতের সাপ্তাহিক দাওয়াত পত্রিকার সম্পাদক ও লন্ডনে জামাতের প্রধান সংগঠন দাওয়াতুল ইসলাম নেতা)

এছাড়া ঢাকা শহর বদর বাহিনীর দুই নেতা নুর মোহাম্মদ মল্লিক ও একে মোহাম্মদ আলী এবং রাজশাহী জেলা বদর বাহিনী প্রধান মাজহারুল ইসলামের বর্তমান অবস্থান জানা যায়নি।

পরিচিত নাম পাচ্ছেন একটাও? কারা এরা?

নীচের লেখাগুলোতে একবার চোখ বুলিয়ে নিন:

Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link

তাদের হত্যালীলার সাক্ষ্য হয়েছিলো রায়ের বাজার





সাংবাদিক আতাউস সামাদ ও একজন শহীদজায়ার মুখে শুনুন তাদের কথা:




এই বৃদ্ধ ১৯৭১ সালে মোহাম্মদপুরে আল-বদর সদর দপ্তরের দারোয়ান ছিলেন। শুনুন কি বলছেন তিনি?




আল-বদরের হাত থেকে বেচে যাওয়া একমাত্র স্বাক্ষী দেলোয়ার হোসেন। তার অভিজ্ঞতা শুনুন :




অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মুখে শুনুন কেনো তারা বাংলাদেশের এত বড় ক্ষতি করেছিলো :





বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তাদের বিচারের। তিনি সাধারণ ক্ষমা করেছিলেন অবস্থার চাপে বাধ্য হওয়া দালালদের। খুন-ধর্ষণ ও লুটপাটে জড়িত কোনো ঘাতক-দালাল সেই সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার আওতায় পড়েনি। পড়লে ৭৩ সালেই গোলাম আযম দেশে ফিরতো, নিজামী-মুজাহিদ-কামারুজ্জামানরা প্রকাশ্য হতো। তারা অপেক্ষা করেছিলো মুজিব হত্যার, তারপর পছন্দের সরকারগুলোর কাধে চড়ে আখের গুছিয়েছে তারা।



সেই প্রশ্রয়ে আজ তারা সদম্ভে বলে দেশে কোনো যুদ্ধাপরাধী নেই




তারই ধারাবাহিকতায় আজ অপমানিত হন একজন মুক্তিযোদ্ধা




ব্যাপারটা বন্ধ হোক। অনেক হয়েছে আর নয়। এবার সময় গর্জে ওঠার। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাঠগড়ায় তোলার। সব বিভেদ ভুলে তৈরি হোন মুক্তিযু্দ্ধের শেষ ফ্রন্টিয়ারে। চলুন যুদ্ধটা শেষ করি। এদের নির্বাচনে প্রতিহত করুন। তারপর চলুন তুলি বিচারের কাঠগড়ায়


 

সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৩৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৬
গিফার বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই
২. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১১
পথিক!!!!!!! বলেছেন: যুদ্ধাপরাধি কুত্তা রূপ মানুষগুলারে কেউ ভোট দিয়েন না।
৩. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৩
আবুল বাহার বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি চাই ।

আগামী নির্বাচনে যুদ্ধাপরাধীদের না বলুন ।
৪. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৩
আট আনা বলেছেন: গিফার বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই
===
প্লাস এবং প্রিয়তে।
৫. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৫
আকাশচুরি বলেছেন: পথিক!!!!!!! বলেছেন: যুদ্ধাপরাধি কুত্তা রূপ মানুষগুলারে কেউ ভোট দিয়েন না।
৬. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৫
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাইতে চাইতে এখন বোধহয় সময় এসেছে নিজেরাই বিচার করবার।
৭. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৯
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: এবার সময় গর্জে ওঠার।
৮. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৯
একরামুল হক শামীম বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই
৯. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২০
অচেনা সৈকত বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ পোস্টের জন্য। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।
১০. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৫
জানজাবিদ বলেছেন: নির্বাচনে জেতার পর যেন সব ভুলে না যাই। তখন আরেকটা যুদ্ধ শুরু করতে হবে।
১১. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৬
লিপিকার বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই
১২. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৭
জিগ স বলেছেন: পোস্ট টি স্টিকি করা হোক (ওভার শিওর স্টিকি করা হবে না...) :(

অনেকে বলছেন "আগামী নির্বাচনে যুদ্ধাপরাধীদের না বলুন"। ভেবে দেখুন বিষয়টা কি লজ্জার নয় যে যুদ্ধাপরাধীদেরকে একটি জাতীয় নির্বাচনে না বলার জন্য আহবান জানাতে বাধ্য হচ্ছি যেখানে আমাদের "যুদ্ধাপরাধীদের দেশে বা বিদেশে দেখতে পেলে জ্যান্ত কবর দিন" ধরনের কোন আহবান জানানোর কথা ছিল। আমরা নিজেরাই তাদের কত ক্ষমতা দিয়ে ফেলেছি যে তারা এখন আমাদের সামনে নির্বাচন করে ক্ষমতায় গিয়ে আমাদেরই শোষন করার মত সাহস পেয়েছে।

আরেকটি বিষয় না বলে পারছি না। জামাতের প্রচার কর্মীরা অশিক্ষার অন্ধকারে পরে থাকা গ্রামগুলোতে গিয়ে বলছে জামাতে ভোট না দিলে ঈমান থাকবে না। তাদের কে কোরান ছুইয়ে ওয়াদা করানো হচ্ছে জামাতে ভোট দিতে। যুদ্ধাপরাধ তো করেছেই...তার উপর ধর্ম নিয়ে এমন নির্লজ্জ ব্যবসা আর কতদিন চলবে? তাদের এইরুপ আচরন দেখেই কিন্তু আজকে আমার মত অনেকেই "ধর্ম একটি কন্ট্রোলের মাধ্যম মাত্র" মনে করে সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস হারাতে বসেছে। এর জন্য দায়ী কারা?
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৩

লেখক বলেছেন: মনের মধ্যে স্টিকি করেন বস, ওইটাই জরুরি

১৩. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৭
এস্কিমো বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই
১৪. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৬
লাল দরজা বলেছেন: জানি এখানে লিখে ছাতামাথা কিছুই আসবে যাবে না তবুও সাময়িক কষ্ট লাঘবের ছুতায় লিখছি, এই বিজয়ের মাসে জামায়াত যদি একটি সীটও পায় তবে এ পরাজয় সমগ্র বাংলাদেশের হবে।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৫

লেখক বলেছেন: অসাধারণ বলছেন।

১৫. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৬
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: ২৫-২৬ এলাকার http://tinyurl.com/9b9qbu জনগনের কাছে আবেদন, দয়া কইরা দেশের সাথে বেঈমানী কইরেন না।

১৬. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫২
মরুবিজয় বলেছেন: ২৯শে ডিসেম্বর আবার একটা যুদ্ধ হোক - ৭১'এর মতো জাতি ঐক্যবদ্ধ - যেখানেই রাজাকার সেখানেই প্রতিরোধ - যেখানেই ওদের দালাল দুর্নীতিবাজ চোরদল জট - সেখান্ও প্রতিরোধ
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫৯

লেখক বলেছেন: একমত

১৭. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:১৯
বিলাশ বিডি বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই
১৮. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৪৫
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ধন্যবাদ সবাইকে। এই আহবানটা এবার মাঠে প্রান্তরে ছড়িয়ে দিন
১৯. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:২৩
রাশেদ বলেছেন: ধন্যবাদ। ভিডিওগুলো দেখি সময় করে দেখবো।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২০. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২৬
গোলন্দাজ বলেছেন: রাযাকারগ বিচার চাই...অগরে ফাশির দরিতে ঝুলা দেক্তে চাই...
২২. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:০২
র হাসান বলেছেন: ভালো পোষ্ট! প্লাস+++++

Free Bangladesh travel information

 

মোট সময় লেগেছে ২.৮১৯৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বন্ধুত্বে উদার, শত্রুতায় নির্মম : কিছু করার নাই, রাশির দোষ
........................
জামাতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে মহানবীর (দঃ) সতর্কবাণী :

শেষ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ