ডিসক্লেইমার : পোস্টের তোতার লগে প্রিয় উকিল বাপের তোতামিয়ার কুনু রিলেশন নাই
বহুত খায়েশ একটা কবিতা লিখুম। ফাগুন হাওয়ার প্রভাব হয়তো। কিংবা ব্লগে রুচি বদলের প্রয়াস হিসেবে একটা-দুইটা কবিতা আবারও পোস্ট হইতে দেইখা। তার মানে কবিরা ফিরেছে। আহারে একসময় ভয়েই কবিতা লেখা ছাড়ান দিছিলাম। না লুকাল ঠগের ডরে না। কবিতার ইতরন্যায় প্রসবে। তুমি এলে/তবে কেনো গেলে/না গেলে কি হতো/এলে যখন যেওনা... টাইপের লেখা। বিরক্ত অনেকে সেই চিরন্তন কাক আর কবির তুলনা দেয়া ধরছেন। আমি ডরাইছিলাম এমন অবারিত প্রস্রবনে আমার মতো অ-কবিরা বড়ই ব্রাত্য। সেই কোয়ালিটিতে নামার যোগ্যতা কই।
যাউগ্গা। কবিরা ফিরেছে। ফিরেছে ছাগুরাও। নানান রূপে না, তোতা পাখীর বেশে। সকালে আল ফাতাহ মিলনায়তনে তাদের হাতে কিছু ফটোস্ট্যাট কাগজ ধরাইয়া দেয়া হয়। ঘণ্টাওয়ারী শখানেক নিকে (অনেকগুলারই জন্ম হইছে সেদিন, কিন্তু বিডিআর নিয়া বিদগ্ধ সব নয়া দিগন্তীয় বিশ্লেষণ) তারা তোতাপাখির মতো উগড়াইতেই আছেন উগড়াইতেই আছেন। গত কয়েকদিনে এমন সব কথাই তারা ঘুইরা ফিরা ছাড়তেছেন যা একটা নির্দিষ্ট প্যাটার্ন ফলো করে। একটা নির্দিষ্ট মেসেজ দিতে চাইতেছেন ব্লগারগোরে। ইডি আমরা আগো দেখছি, তাই ধর্তারি।
আমার কি? কিছুই না। ছাগুরা ফিরছে আমি বরং মজমায় আছি। মইরচা ধইরা গেছে ব্লগিং ক্যারিয়ারে, কুনু ফান নাই। ভুখা আমি কতদিন হালার মাটন খাই না পেট ভইরা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


