আমার প্রিয় পোস্ট

অতীত খুড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি

কোন আন্দোলনটা বেশী ফলপ্রসু এবং জরুরী

১৩ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৭

শেয়ারঃ
0 0 0

এমনিতেই অধমের ভারতবন্ধু বইলা বদনাম আছে বিশেষ মহলে। আম্লীগের সাকুল্য ৯ বছরের শাসনে এই দেশের যেই ক্ষতি হইছে সেইটা পূরণ করতে পারে নাই বাকিরা স্বাধীনতার ৩৮ বছরের বাকি সময়কালে। তারা সেইজন্য মর্সীয়া বাইর করে যখন, এই অধম তাতে নাড়া দেয়। খেপবো না ক্যান। একাত্তরে মিত্রতার জন্য আমার যত কৃতজ্ঞতা, তাদের তো ততই ক্ষোভ। কিন্তু তাই বইলা যে আমি তাদের সাংস্কৃতিক ও মিডিয়া আগ্রাসন মাইনা নিসি, এমন না। সীমান্ত এলাকাগুলায় এখও যে একটাকায় ভারতীয় ম্যাচ আর অর্ধেক দামে অন্য পন্যাদি পাওয়া যায়, সেগুলোও অন্যদের শাসনামলে বজায় ছিলো। এইসব কারণে টিপাইমুখে ভারতের বাধ নির্মাণ নিয়া রাজনৈতিক বিশ্লেষণে চুপ থাকি। তারপরও আক্রান্ত হই নানা আকারে ও প্রকারে। তাই এই রচনা বিশেষ।

শুধু ভৌগলিক বেষ্টনীর কারণেই না, অন্য অনুষঙ্গেও আমরা ভারতের কাছে নতুজানু আছি। এখন পর্যন্ত তেমন হ্যাডমওয়ালা কোনো রাষ্ট্রপ্রধান বা রাজনৈতিক দল জন্ম নেয় নাই যারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বাদে ভারতের সমালোচনায় সক্ষম। আমরা ইসরাইলের মতো সামরিক ক্ষমতা সম্পন্ন কিংবা মার্কিন মদদপুষ্ট না যে ইরান বা ইরাকে নিউক্লিয়ার রিয়েক্টর বসলে প্লেন পাঠায়া উড়ায়া দিয়া আসবো নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঘোষণা দিয়া। পাশের বাড়িতে জোরে গান বাজলে দরজা ভাইঙ্গা তার রেকর্ডার নষ্ট করার চেয়ে বড়জোর আমরা কলিংবেল বাজাইয়া অনুরোধ কিংবা জোরে গালি দিতে পারি নিজের ঘর থিকা। ভারতের বিরুদ্ধে আমাদের সেইরকম গলাবাজী করা ছাড়া আর কোনো কিছু করার হ্যাডম নাই। আমাদের সেনা বাহিনী নির্বাচিত সরকার হটাইয়া গদি দখলে যত পারঙ্গম, সীমান্তের চৌকি দখলে ততটা না। তাই আমরা কিভাবে ভারতের প্রতিটা নদীতে বাঁধ দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঠেকাইতে পারবো সেইটাই বুঝি না।

তার মানে কি এই আমি টিপাইমুখ নিয়া প্রতিবাদের বিরুদ্ধে? না, মোটেই না। কিন্তু আন্দোলনটা শুরু থিকাই যতটা পরিবেশবাদীদের তার চেয়েও বেশী বাটে থাকা বিএনপি-জামাত জোটের হইয়া দাড়াইছে। তার মানে কি বিএনপি জামাত জোট দেশের ভালো চাইলে আমি তাতে বাগড়া দিমু? না সেটাও না। বরং ভারতীয়দের এইসব ক্যারিকেচারে আমি নিশ্চিত হইছি তারা এটলিস্ট আওয়ামী লীগের সেইরকম মিত্র না যেইটা প্রচার হয়। হইলে এই দেশে আজীবন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতো, মুজিব বাইচা থাকতেন, এটলিস্ট ৯০'র পর তারা আর ক্ষমতা হারাইতো না।

যাক আসল কথায় আসি। টিপাইমুখ বাধ নিয়া আমি যে প্রতিবাদের পক্ষে, তেমনি আরো বেশী পক্ষে বাংলাদেশের নদীগুলার নাব্যতা বাড়ানোর আন্দোলনে। প্রতিটা নদী সরু হইতেছে। প্রমত্তা পদ্মায় চরের সংখ্যা চোখে পানি নিয়া আসে। বুড়িগঙ্গার মতো ইতিহাসখ্যাত নদীরে এখন আমার ড্রেন ছাড়া কিছু মনে হয় না। আর সেইটা ভরাট কইরা যারা বাড়িঘর বানাইতেছে সেইখানে আওয়ামী লীগ সাংসদ দেখলাম না একজনও। অবস্থা এতই খারাপ যে টিপাইমুখ ছাড়াই আমাদের নদীগুলার অবস্থা সঙ্গীন। এটার কারণ আমরা যত্ন নিতেছি না। ড্রেজিং করার দাবিতে পরিবেশবাদীরা গলা শুকাইয়া ফেলছেন। কোনো সরকারের সেদিকে নজর নাই। অথচ এই বাবদ বিশাল অনুদান দিতে রাজী অনেক ইউরোপিয়ান দেশ। একটু শুরু হইছিলো কিন্তু ডেনমার্ক আর নরওয়ে সেটা বাতিল করে দিছিলো বিএনপির এক মন্ত্রীর দুই নম্বরীর প্রমাণ পাইয়া।

ঠিকাছে, চলেন রাজনীতি বাদ দিয়া দেশের জন্য টিপাইমুখ নিয়া সোচ্চার হই। কিন্তু অবধারিতভাবে ব্যর্থ হবো জেনেও আমরা কি পারি না আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতে। নদীতলদেশগুলা আমরা আরো গভীর করলে ভারত একশ বাধ দিলেও কিচ্ছু করতে পারবে না। হিসাবটা তখন নিতান্তই জোয়ার আর ভাটার। আমাদের নদীগুলার সম্পর্ক বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে। তাই চলেন পাশাপাশি নদীগুলোর নাব্যতা বাড়ানোর জন্যও সরকারের উপর চাপ দিই। ওইটা আমার কাছে বেশী ফলপ্রসু ও জরুরী মনে হয়।

 

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৩ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩১
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: পরে পর্তাছি .. বাইরে যাচ্ছি এখন
১৩ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৩

লেখক বলেছেন: হুমম

২. ১৩ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০২
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: হুমম . . .
ডেইলী স্টার এই আন্দোলন অলরেডি শুরু কর্ছে ।

ফারাক্কা বাধ বহাল রাইখা পদ্মা-শীতলক্ষ্যা-ধলেশ্বরী-বুড়িগঙ্গা-তুরাগের মতো মধ্যাঞ্ঝলের নদীগুলো কিংবা দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চলের নদীগুলোকে বাঁচানোর আন্দোলন করা নেহাতই গোড়া কেটে আগায় পানি দেয়ার মতো।

তবে গোড়া তো আর আমরা কাটি নাই। কাটছে ভারত। এবং আপনার কথানুযায়ি-''শুধু ভৌগলিক বেষ্টনীর কারণেই না, অন্য অনুষঙ্গেও আমরা ভারতের কাছে নতজানু আছি।''

যদি নতজানু দেশের মানুষ আমরা হই। তবে তো আগায় পানি দেয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প নাই!
১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:৫৫

লেখক বলেছেন: কি জানি। তয় জঙ্গী পাঠাইয়া বাধ উড়াইয়া দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত জঙ্গীও তো নাই। ফজলুর রহমান যুদ্ধ ঘোষণার কথা কইয়া এখন যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয়ের খোজে

৩. ১৩ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৩
কৌশিক বলেছেন: ট্রান্সবাউন্ডারী রিভার যেখানে বেশী সেখানে আঞ্চলিক সমাঝোতা ছাড়া কোনভাবেই এদেশের পানি ব্যবস্থাপনা জনমুখী করা সম্ভব না। আঞ্চলিক সমাঝোতার জন্য দরকার রাজনৈতিকদলগুলির সোচ্চার ও সাহসী ভূমিকা। সবগুলো দলেরই।

যত বৈদেশিক সাহায্য আসুক না কেন গ্যাঞ্জেস-ব্রাক্ষ্মপুত্র-মেঘনা (জিবিএম) ব্যাসিন, যার মধ্যে বাংলাদেশের ৭০% ভূখন্ড, এর পানি-ব্যবস্থাপনায় জিও-পলিটিক্স বাদ দিয়ে এবং ইন্ডিয়ার উপরে চাপ প্রয়োগ ছাড়া যে কোন সুফল অর্জন করা সম্ভব না তা যেকোন বিশেষজ্ঞ মাত্রই স্বীকার করে।

নাব্যতা দূরের জন্য ড্রেজিং কোন সমাধান না - এই অঞ্চলের হাইড্রলজিকাল ফিচার এমন যে যে পরিমাণ ড্রেজিং দরকার হবে তার জন্য বাংলাদেশকে কয়েকশবার বেচলেও অর্থের সংস্থান করতে পারবে না।
৪. ১৩ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৪
কৌশিক বলেছেন: নাব্যতা বৃদ্ধির পড়তে হবে নাব্যতা দূরের জায়গায়।
৫. ১৩ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৭
সুফিয়ান ডট কম বলেছেন: এক্টা জিনিস নিয়া আমরা খুব গেজাই... সেইটা হল তালপট্টি। ভারতের দাবী ঐটা তাদের, আমাদের দাবী ঐটা আমাদের। ভারত স্যাটালাইট থেকে ছবি দেখিয়ে প্রমান দেখাচ্ছে। আর আমরা দেশে বসে বসে বাজনৈতিক ইস্যু বানাই।

আমরা কেন তথ্য প্রমান খোজার চেষ্টা করি না? আমার মনে হয় একমাত্র কারন যদি সত্যি সত্যি ঐটা ভারতের হয় এবং যদি সব সত্ব ত্যাগ করে ভারতের হাতে তুলে দিতে হয় .... তাইলে পরের নির্বাচনে ক্ষমতাশীন দলের পরাজয়ের মুল কারণ ঐটাই হবে। এরচে যেমন আছে তেমন থাক......

সিট মহল সমস্যার সমাধান হয় না কেন..... ঐ একই রকম কারন।

আসলে ভারতের সাথে আমরা পারি না আমাদের কুটনৈতিক ব্যার্থতার কারনে। ভারত এশিয়ান হাইওয়ের রুট চেন্জ করল.... আমরা সেটা জানতের পার্লাম বছর খানেক পরে। আমাদের নিজেদের কুটনৈতিক ব্যার্থতা ঢাকি ভারতরে গাইল দিয়ে।
৬. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:৫৪
বিডি আইডল বলেছেন: নদীর নাব্যতা চারগুণ করলাম...এল্যা পানি দেন
১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:০০

লেখক বলেছেন: পান নাই?

৭. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:১১
নাজনীন১ বলেছেন: ভাই, নাব্যতা বাড়ানোর ফলে বর্ষাকালে হঠাৎ অতিরিক্ত বন্যা থেকে হয়তো কিছুটা রক্ষা পাওয়া সম্ভব, কিন্তু নদীর পানি তো গড়িয়ে সমুদ্রেই পড়বে, শীতকালে পানি পাব কোথায়?
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:০৯

লেখক বলেছেন: সব পানি খালি হয়ে যাবে? বলেন কি?

৮. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:২৯
বিডি আইডল বলেছেন: বাংলাদেশের নদী নিয়া গবেষণা করে একমাত্র প্রতিষ্ঠান ফরিদপুরের রিভার রিসার্চ ইনস্টিউট...সেইখানে গত ১০ বছরের উত্তরান্চলের ডাটা নিয়া একটা প্রেজেন্টেশন আর মডেলিং দেখছিলাম....ফারাক্কার কারণে পদ্মা...সাথে তার লিংক প্রধান নদী-উপনদী কিভাবে মরুভূমি হয়ে যাচ্ছে এবং চর পড়ছে (পানির প্রবাহ কমে যাওয়াতে) এটা অনেকেরই জানা নাই.....নদীতে পানি যত কম আসবে নাব্যতা ততই কমবে....
৯. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:২৫
আকাশ_পাগলা বলেছেন: বস এইটা কী হিসাব বুঝালেন??

নদীর সাথে সাগরের সম্পর্ক ত বুঝলাম। কিন্তু, নদী ত সাগরে যেয়ে শেষ হয়। তাহলে??? সাগর থেকে ত আর পানি আসবে না।

নাব্যতা বৃদ্ধি অবশ্যই দরকার। কিন্তু, এটা কোন সমস্যা না।
১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন: বেকুবের মতো বলছি হয়তো। আমি ভাবছি গর্ত যত বড়, পানি তত বেশী থাকবো, গড়ায়া যাইবো না। ঠিকাছে বাধ ভেঙে দাও গাইতে হবে

১০. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪২
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: আমি টিপাইমুখী বাঁধ নিয়ে বর্তমান সরকাররে অনেক গালাইছি তার কারন এইনা যে তাঁরা ভারতের বন্ধু কারন তারা জেনে শুনে বুঝে নতজানু অবস্থান নিয়েছে এবং সেটাকে জাস্টিফাই করার হাস্যকর কারন বের করছে।

রাষ্ট্রই যেখানে স্বার্থপরতামুলক কনসেপ্ট সেখানে একদেশের বুর্জোয়া দল অন্যদেশের বুর্জোয়াদলের বন্ধু এইটা ঠিক যায়না।

অন্যকোন দল ক্ষমতায় থাকলেও এইটাই করতো।

ড্রেজিংয়ের ক্ষেত্রে কৌশিক ভাই যেটা বলেছেন সেটা শতভাগ সত্য।নদীর উৎসমুখে বাধ দেওয়া হলে হাজার ড্রেজিং করেও কাজ হবেনা।

নরওয়ে কিংবা হল্যান্ডের যে উদাহরণ দিলেন তাতে অনেক ঘাপলা ছিলো।আমি সবকিছু বুঝিনা তবে এটুকু বুঝি কোন দেশ বিনাস্বার্থে অন্যকোন দেশের ফাও কাজ করে দিবে বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থায় এইটা অসম্ভব।

ভারতের সাথে পারবো না, এইটা সত্য।তাই বলে কি মাথা নীচু করে সব মেনে নিতে হবে নাকি।

আর কোথাও থেকে না হোক, নেপালের প্রচন্দকে দেখেও তো আমরা অনুপ্রাণিত হতে পারি।ল্যান্ডলকড কান্ট্রি ,মাত্র ২কোটি মানুষ,দেশের ৯০ ভাগ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে যে দেশের সেই দেশের সাথে গোলামির চুক্তি ক্ষমতায় এসেই বাতিল করার সাহস সে দেখিয়েছিলো।

আসলে জনগণকেই আপন মনে করলে অনেক কিছুই সম্ভব।
১১. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:২৫
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: শুনেন ভাই, বাঙালী একটা সেরকম জাতি। আছি আছি বলবে। লং মার্চ ধরেন দেখবেন আপনার পিছনে একটা কুত্তা হাটতেছে খালি। সেইটাও হুদাই
১২. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪৩
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: আপসুস এবং নিদারুন অধৈর্য হতে হলো "আপনে ধৈর্য ধৈরা তা-ও এইটুকু লিখলেন" বলে। টিপাইমুখ নিয়া পরিবেশবাদীদের চে বাটে পড়া বিম্পির কান্ডকারখানার জন্য একটা ঘটনা বলি:

একটা দৃশ্যের কথা মনে পৈড়া গেলো :)

" বাংলা সিনেমায়, বহুল পরিচিত দৃশ্য...নায়কের মা-বোইন-প্রেমিকা সবাইরে গুন্ডা বাহিনী পাডায়া ধৈরা আনছে ভিলেন। সবাইরে বাইন্ধাও রাখছে। এবার চাবুকের বাড়ি কিংবা আরো কোনো অত্যাচারও চলতাছে একে একে সবার উপরে। ঘটনাস্থলে হঠাৎ নায়ক আবির্ভূত। সে যেমনেই হোক অনেক কষ্টেসৃষ্টে...বাগে আনছে পরিস্থিতি। ভিলেনের দলের সবাই প্রায় কুপোকাত। এইরকম পরিস্থিতিতে ভিলেনের দিকে অগ্নিদৃষ্টি নিয়া আগায়তাছে নায়ক।

ভিলেন কর্বো কি, নি:সন্দেহে...নায়কের প্রেমিকা তথা নায়িকারে খপ কৈরা ধৈরা একটা পিস্তল বা চাকু তার গলায় ঠেকাইবো।"


সুবিধাবাদী রাজনীতিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী এবং গলাবাজদের জন্য ঐ একটা কথাই যথেষ্ঠ,
"এক টিপাইমুখে দেশের সব মঙ্গল যায়া ভর করছে। দেশের ভেতরে প্রতিদিন যে নদীগুলানরে শাসন কর্তাছে মানুষ,ইচ্ছামতো বর্জ্য নিষ্কাশন কর্তাছে, এই গুলান কোনো সমস্যা না।"
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:০৩

লেখক বলেছেন: এত দেরীতে এন্ট্রি নিলা ভাইজান! আফসুস :(

১৩. ১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:০১
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: টিপাইমুখের প্রসংগ আসলে এখন দেশের প্রত্যেকেই গিয়ানী ব্যক্তি। কি ভূ-গোলবিদ, কি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, কি পরিবেশবাদী, কি মৎসব্যবসায়ী ,কি বাস ড্রাইভার, কি হকার..বিশ্বাস না হৈলে টেরাই কৈরা দেহেন ;) । এই ব্লগেও প্রতিদিন আমার মনে হয় ৫০ থিকা ৬০ ভাগ লেখাই এই টপিকের উপ্রে। সো এই বিষয়ে সন্দর কুনু অবকাশই নাই যে দেশে গিয়ানী এবং সচেতন মাইনষ্যে ভৈরা গেছে। সো আপনের আমার চিন্তা ভাবনায়, দুয়েকটা লেখায় কিছুই যায় আসেনা।

১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:০৪

লেখক বলেছেন: তাই তো দেখলাম

১৪. ১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:২৬
সপ্ন পুরন বলেছেন: পিয়াল ভাই,ভালো আছেন?আপনারে খুব দেখার ইচছা করে ভাই।আপনি শিবলি নামে কাউকে চেনেন?
১৫. ১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:৩৩
সপ্ন পুরন বলেছেন: শিবলি রে চানার কাম নাই।আপনার সাথে যোগাযোগ এর উপায় আছে?
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: শিবলি একজনরে চিনি বাসাবোর। উপায় আসে অবশ্যই, মেইল করেন। omipial @ gmail .com

১৬. ১৪ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:১৬
কৌশিক বলেছেন: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন, "শুনেন ভাই, বাঙালী একটা সেরকম জাতি। আছি আছি বলবে। লং মার্চ ধরেন দেখবেন আপনার পিছনে একটা কুত্তা হাটতেছে খালি। সেইটাও হুদাই"।

আপনাকে এই মন্তব্য পরিবর্তনের জন্য অনুরোধ করি। এটা আপনার সাথে একদমই যায় না।
১৪ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: নাহ, টুথপেস্ট আবার টিউবে ভরার ক্ষমতা আমার নাই

১৭. ১৪ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৩
আকাশ_পাগলা বলেছেন: হাসান বায়েজীদ বলেছেন: আপসুস এবং নিদারুন অধৈর্য হতে হলো "আপনে ধৈর্য ধৈরা তা-ও এইটুকু লিখলেন" বলে। টিপাইমুখ নিয়া পরিবেশবাদীদের চে বাটে পড়া বিম্পির কান্ডকারখানার জন্য একটা ঘটনা বলি:

একটা দৃশ্যের কথা মনে পৈড়া গেলো :)

" বাংলা সিনেমায়, বহুল পরিচিত দৃশ্য...নায়কের মা-বোইন-প্রেমিকা সবাইরে গুন্ডা বাহিনী পাডায়া ধৈরা আনছে ভিলেন। সবাইরে বাইন্ধাও রাখছে। এবার চাবুকের বাড়ি কিংবা আরো কোনো অত্যাচারও চলতাছে একে একে সবার উপরে। ঘটনাস্থলে হঠাৎ নায়ক আবির্ভূত। সে যেমনেই হোক অনেক কষ্টেসৃষ্টে...বাগে আনছে পরিস্থিতি। ভিলেনের দলের সবাই প্রায় কুপোকাত। এইরকম পরিস্থিতিতে ভিলেনের দিকে অগ্নিদৃষ্টি নিয়া আগায়তাছে নায়ক।

ভিলেন কর্বো কি, নি:সন্দেহে...নায়কের প্রেমিকা তথা নায়িকারে খপ কৈরা ধৈরা একটা পিস্তল বা চাকু তার গলায় ঠেকাইবো।"


সুবিধাবাদী রাজনীতিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী এবং গলাবাজদের জন্য ঐ একটা কথাই যথেষ্ঠ,
"এক টিপাইমুখে দেশের সব মঙ্গল যায়া ভর করছে। দেশের ভেতরে প্রতিদিন যে নদীগুলানরে শাসন কর্তাছে মানুষ,ইচ্ছামতো বর্জ্য নিষ্কাশন কর্তাছে, এই গুলান কোনো সমস্যা না।





এগুলোও সমস্যা। এটা ত অস্বীকার করা যায় না। কিন্তু, আপনার বাপ আপনাকে গেলি দিল, আর পাশের বাসার লোকটা আপনাকে একই গালি দিল। জিনিসটা কী এক???

কালকে থেকে ১০০ টাকার একটা নোট অনেক খুঁজেও পাচ্ছি না। অবশ্যই আমার দোষ। কিন্তু, রিকশাঅলাকে ১০০ টাকার নোট দিলেন।সে বলল, টাকা ফেরত দিবে না। ১০ টাকার ভাড়া ১০০ টাকা চাইলে আপনি কী তাকে ৯০ টাকা বেশি দেন?

আমাদের নদী আমরা দেখে রাখতে পারিনা।আমাদেরই দোষ, কিন্তু, যেই পানি আমাদের প্রাপ্য, সেটা আমাদের না দেওয়ার জন্য ভারত কে? রিকশাওয়ালা তাও ১০ এর যায়গায় ১০০ চাবে, ভারত কী চাইছে? ওরা জোর করতেছে।টাকার নোট ত এখন ওদেরই কাছে।

@ লেখক

গর্ত করলে পানি থাকে সত্য। নদীকে কী গর্ত করে ফেলতে হবে?

নদীর নাব্যতা বৃধি বস গর্ত করার মত না। এটা হল, সেচ কাজে জমিতে পানি দেয় যেমন নালা করে, সেটার মত। পাম্প থেকে পানি না দিয়ে নালা যতই গভীর করেন, জমিতে পানি আসবে না।


(এত মানুষের কমেন্টের পরেও আমি বুঝলাম না হাসান বায়েজীদের কমেন্টে কী উত্তর দিলেন! ভুল ত আমার আপনার সবারই হতে পারে। ঠিক না? এটা মানতে দোষ কী বস?
এটা ঠিক জামাতী দের সাথে এবার নিজের দাবী মিলে যাওয়া খুবই একটা ইচিং পর্যায়ে পড়ছি। কিন্তু, এই দাবী ত ওদের দেখাদেখি করি নাই। করছি নিজের দেশের তাগিদে। ওদের উদ্দেশ্য ভারত বিমুখতা, আমাদের উদ্দেশ্য স্বদেশপ্রিয়তা।)

শুভকামনা রইল। আশা করি আসল ব্যাপারটা বুঝাতে পারলাম।
১৮. ১৪ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: সুবিধাবাদী রাজনীতিকদের বললে আপনের আতে ঘা লাগে কেনু @আকাশ_পাগলা?পানি বন্টনের ব্যাপারে কি করনীয় আর কি করনীয় নহে তা তো আমি বলি নাই। এই ব্যাপারে ব্লগে বিশেষজ্ঞর অভাব নাই।
১৯. ১৪ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩
আকাশ_পাগলা বলেছেন: @হাসান বায়েজীদ

ভাই ভুল ব্যঝছেন। আমি বুঝাতে চাইছি, ওই অজুহাতে এরকম একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হেলাফেলা করা যায় না। কোন অজুহাতেই না।

বাটে পড়া বিম্পির প্রতি আমার কুন আগ্রহ নাই।কিন্তু, এতে আসল জিনিসের থেকে চিন্তা অন্য দিকে ঘুরে যাচ্ছিল।
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: হুমম, কি জ্ঞানী একটা লিখা লিখলামরে ভাই, নিজেও বুঝলাম না

২০. ১৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:১১
শিরোনাম বলেছেন: ১। ফারাক্কা বাধেঁর সময় অনেকরকম ভালো ভালো কথা ভারত বলছিলো। শেষে কথা রাখে নাই। এখনো বঙ্গবন্ধু বা তার দলকে এই ফারাক্কা বাঁধের জন্য অনেকেই দোষী করে। উনারা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে প্রতারণা করছে। উনার মাইয়ার লগে করবোনা সেই গ্যারান্টি আপনি কোথায় পাবেন?

২। আপনি নদীর নাব্যতা বাড়ানোকে আরো বেশী গুরুত্ব দিতে বলেছেন। আপনার মাথা থেকে এরকম কিছু আশা করিনাই। আপনার ভুল হইতে পারে। কিন্তু এটাইতো সত্যি যে ট্রেন আমাকে রেখে চলে গেলে টিকিট দিয়ে আমি কিইবা করবো?
যদি বাঁধ দিয়ে পানিই আটকে দেওয়া হয় তাহলে নাব্যতা বাড়িয়ে কি লাভ।

৩। টিপাইবাঁধ নিয়ে আপনার প্রতিটা মন্তব্য কথা আমি ফলো করে দেখেছি তাতে একটা জিনিস আমি স্পষ্ট বুঝতে পারছি খুব পরিচিত কোন ব্লগার এইটা নিয়ে পোস্ট না দিলে আপনি ধরে নেন সেইটা শিবির।

৪। বিএনপি বাটেঁ পড়ছে বা যাই করছে দিন শেষে প্রশ্ন হইলো যে, তারা যে জিনিসটা নিয়ে চিল্লাইতাছে সেইটা কতটুকু যৌক্তিক? যদি যৌক্তিক থাকে তাহলে কারো কারো কেন এতো গাঁ চুলকায় বুঝলাম না। হইতে পারে তারা সরাসরি ভারত কানেক্টেড।
২১. ২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:২৭
চার্লস চ্যাপলিন বলেছেন: টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে করতে রাজি। কিন্তু কোন অবস্থাতেই বিএনপি বা জামাতের সাথে নয়। এই হচ্ছে পরিস্কার কথা।

যারা ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতাকে শ্রেণী সংগ্রামের মাধ্যম মনে করেন তারা ঢক ঢক করে নিজমুত্র পান করুন।
২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: একটা কথা কইছেন বস

২২. ৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:১২
একজন সুখীমানুষ বলেছেন: আকাশ_পাগলা ও শিরোনামের সাথে একমত। ভারতের সাথে শক্তিতে পারবো নাই সব অন্যায় সহ্য করতে হবে এ ধরনের হাস্যকর চিন্তা কি করে একটি স্বাধীন দেশের মানুষের মাথায় আসে ভেবে পাই না।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬৪৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বন্ধুত্বে উদার, শত্রুতায় নির্মম : কিছু করার নাই, রাশির দোষ
........................
জামাতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে মহানবীর (দঃ) সতর্কবাণী :

শেষ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ