আমার প্রিয় পোস্ট

অতীত খুড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি

দালাল বুদ্ধিজীবি বিষয়ক একটি উদ্দেশ্যমূলক পোস্টের জবাবে

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২১

শেয়ারঃ
0 9 0

জনৈক সাদত তার পূর্বসূরীদের ঐতিহ্য মেনে সম্প্রতি একটি পোস্ট দিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধ চেতনা বিকাশ কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত একাত্তরের ঘাতক ও দালালেরা কে কোথায় নামের বইটি থেকে কপিপেস্ট মেরে কিছু নিজস্ব বক্তব্য কৌশলে ঢুকিয়ে দিয়েছেন। এর মন্তব্য হিসেবে যা দিয়েছি, তা ব্লগারদের অনুরোধে এই পোস্টে ফের তুলে ধরা হলো।

আপনি পুরো ইতিহাসটা তুলে ধরলে অবশ্য আপনার এই ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টাটা মাঠেই মারা যাবে। যাহোক, আপনি যা তুলে ধরেননি, আমি সেটা তুলে ধরছি। শুধু ৫৫জন বুদ্ধিজীবি নন, হুবুহু একই বিবৃতি এসেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৩ জন অধ্যাপকের বরাতেও।

মূলত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য্য সাজ্জাদ হোসেনের তৎপরতায় এই ঘটনাটা ঘটেছিলো, যিনি সেসময় তাবেদারীতে অনেক রাজনৈতিক নেতাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন। ইয়াহিয়ার সঙ্গে সাক্ষাত করা পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিনিধি দলের এই অন্যতম সদস্য (বাকিরা হামিদুল হক চৌধুরী, মাহমুদ আলী, বিচারপতি নুরুল ইসলাম ও ড. কাজী দীন মোহাম্মদ) স্বাধীনতার পর থেকেই দেশ ছাড়া, এখন সৌদি আরবে।

আসা যাক ৫৫ জন বুদ্ধিজীবির বিবৃতিতে (যদিও নাম আছে ৫৭ জনের, কারণ শিল্পী আবদুল আলীম দুইবার স্বাক্ষর করেছেন, আবার কবির চৌধুরী সাক্ষর না করলেও তার নাম দেওয়া হয়েছে)। এদের মধ্যে অধ্যাপক মুনির চৌধুরী ডিসেম্বরে আল-বদর ঘাতকদের (জামাতে ইসলামীর কিলার গ্রুপ) হাতে নিহত হয়েছিলেন। '৭২ সালে গঠিত নীলিমা ইব্রাহিম কমিশনে অনেকেই সাক্ষ্য দিয়েছেন প্রাণভয়ে তারা সাক্ষর করতে বাধ্য হয়েছিলেন। এবং তাদের বেশীরভাগই যে দালাল না, সেটা তারা স্বাধীনতা পরবর্তীকালে তাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই প্রমাণ রেখেছেন।

যাহোক ১৯৮৭ সালে এই বিষয়ে সাপ্তাহিক বিচিন্তা একটি সিরিজ করেছিলো। সেখানে ১ জুলাই সংখ্যায় কবি তালিম হোসেন বলেছিলেন : সম্ভবত ১৪ মে দুজন লোক আসেন আমাদের ইস্কাটন গার্ডেনের বাসায় এই বিবৃতি নিয়ে। দুজনই পরিচিত, একজন রেডিওতে চাকুরীরত হেমায়েতউদ্দিন, অন্যজনের নাম মনে পড়ছে না। তারা যে বিবৃতির কপি নিয়ে এসেছিলেন তাতে সবার নাম লেখা ছিলো, কিন্তু সাক্ষর ছিলো না। দু'জনই আমার পরিচিত এবং আমাকে সম্মান করতেন। আমি ওদের বললাম, সবার সাক্ষর নিয়ে আসুন তারপর সাক্ষর দেব। তারা বলেছিল অন্য কপি নিয়ে বিভিন্ন জন সাক্ষর সংগ্রহ করছে। অবশ্য পরদিন তারা আবার এলো, সবার সাক্ষর দেখে (দু'য়েকজন বাদ ছিলো) সাক্ষর দিই। তখন এমন অবস্থা ছিল যে সাক্ষর না দেওয়া আর মৃত্যু পরোয়ানায় সাক্ষর দেওয়া সমান কথা।

ইসলামিক একাডেমির প্রাক্তন পরিচালক ও লেখক শাহেদ আলী বলেন... 'একদিন হঠাৎ সন্ধায় কয়েকজন লোক এসে হাজির হয়। তারা রেডিও পাকিস্তানে কাজ করতো। আমার পরিচিত ছিলো। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন সৈয়দ শামছুল হুদা আর অন্যরা হলেন আবু তাহের ও ফজলে খোদা। তারা আমাকে বললো স্যার একটা বিবৃতিতে সই করতে হবে। কিসের বিবৃতি- একথা জানতে চাইলে তারা বললো, বিদেশী কাগজে মিথ্যা ছাপা হয়েছে এ দেশে বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করা হয়েছে। এ কথাটা যে মিথ্যা তা জানিয়ে একটা বিবৃতি প্রকাশ করতে হবে। আমি বললাম, নিহতদের মধ্যে কি আমার নামও আছে? তখন তারা বললো হ্যা আপনার নামও আছে। তখন আমি জানতে চাই- কই সেই বিবৃতি। বলা হয় যে, বিবৃতিতে আমরা যে বেচে আছি সে কথাই যাবে। আমি তখন মনে করলাম এই বিবৃতিতে তো আপত্তির কোনো কারণ নাই। কিন্তু কি বিবৃতি প্রকাশিত হবে তা আমাকে দেখানো হয় নাই। পরে যখন সেটা ছাপানো হলো তখন আমি ভয়ানক আপত্তি করলাম। এরকম পলিটিকাল বিবৃতি ছাপা হওয়ার জন্য আমি খুব বিরক্ত হই এবং রেডিওতে হেমায়েত হোসেনকে প্রতিবাদ জানাই। পরে তারা বললো- আপনার জান বাচানোর জন্য একাজ আমরা করেছি।' আমাকে ভুল বুঝিয়ে প্রতারণা করা হয়েছে। আমি ছাপানো বক্তব্যটিকে গর্হিত মনে করি না। (বিচিন্তা, ১২ জুলাই,.১৯৮৭)

সঙ্গীত ও চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব খান আতাউর রহমান বলেন- 'আপনাদের প্রকাশিত তালিকায় পূর্বে বলা হয়েছে রাজাকারের তালিকার সম্পূরক হিসেবে আপনারা ৫৫জন বুদ্ধিজীবি শিল্পীর নাম প্রকাশ করেছেন। এ প্রসঙ্গে আমার বক্তব্য হচ্ছে ইব্রাহিম খা, মুনীর চৌধুরী, আশরাফ সিদ্দিকী, সরদান জয়েনউদ্দিন, সরদার ফজলুল করিম- এদের সঙ্গে আমি খান আতা যে কোনো গোত্রভুক্ত হতে রাজী আছি। তবে বিবৃতির পটভূমি যতটুকু মনে পড়ে, টেলিভিশন কেন্দ্র তখন ডিআইটিতে। একদিন সাদেক সাহেব একটি বিবৃতি নিয়ে এসে বললেন সই করে দিতে। অবস্থা এমন ছিল যে, সই না দিয়ে কোনো উপায় ছিলো না। কেনো না সই না দিলে আমার অবস্থা আলতাফ মাহমুদের মতোই হতো। এ তো বেঁচে থাকার জন্যই বলেন আর মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে' বলেন- বেচে থাকার জন্য আমরা সই করেছি। (বিচিন্তা, ১২ জুলাই, '৮৭)

বাংলা উন্নয়ন বোর্ডের তৎকালীন পরিচালক ড. আশরাফ সিদ্দিকী বলেন, ১ এপ্রিল পরিবারসহ টাঙ্গাইলের গ্রামের বাড়িতে যাই। ৫ এপ্রিল ঢাকায় আসি অফিসের কর্মচারীদের বেতন দিতে। সে সময় শুকুর নামে একজন কর্মচারী আমাকে আনতে গ্রামের বাড়ী গিয়েছিল। এসময় আমি ঢাকা এলে ঢাকার সঙ্গে টাঙ্গাইলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে ও আমি ঢাকায় আটকা পড়ি। তখন টেলিভিশনের আমিরুজ্জামান সাহেব আমাকে টেলিফোন করতে থাকেন একটি বিবৃতি দিতে যে, আপনাদের নামে ভারত যে হত্যার সংবাদ প্রচার করেছে তা অস্বীকার করুন।' বিবৃতিতে সাক্ষর নিতে রেডিওর মোঃ জাকারিয়া ও কবি হেমায়েত হোসাইন আমার বাসায় আসেন। এরা দুজন প্রথমদিন আমাকে না পেয়ে দ্বিতীয় দিন এলে তাদেরকে আমার উপরস্থ কর্মকর্তার অনুমতির কথা বলে পরে আসতে বলি। এ ফাকে আমি আমার বন্ধু মুনির চৌধুরী, সরদার ফজলুল করিম, সৈয়দ মুর্তজা আলী এদের সঙ্গে আলাপ করি। এরা বলে এমন একটা বিবৃতি আমাদের কাছেও এসেছে, আমরা সাক্ষর দিয়েছি, তুমিও দিও। তৃতীয়দিন ঐ কবি হেমায়েত হোসেন ও জাকারিয়া সাহেব আসেন। তার আগে আমি আমার কন্টোলিং অফিসার ফেরদৌস খানের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করি। তিনি তাদের কোনো সাক্ষর না দিয়ে তাকে (ফেরদৌসকে) একটি চিঠি দিতে বলেন এ মর্মে- আমি বেচে আছি। হেমায়েত হোসেন ও জাকারিয়া, ফেরদৌস খানকে লেখা চিঠির একটি কপি নিয়ে যান। আমার দস্তখত এ এইচ সিদ্দিকীর বদলে আশরাফ সিদ্দিকী লিখিয়ে নিয়ে যান। যেদিন আমার কাছ থেকে এ কাগজখানি হেমায়েত ও জাকারিয়া নেয়, সেদিন আসাফউদ্দৌলা রেজা, পূর্বানী সম্পাদক শাহাদত হোসেন, সিরাজউদ্দিন হোসেন খান এরা সবাই উপস্থিত ছিলো। ( ১৯ জুলাই, '৮৭)

এ বিষয়ে প্রায় একই ধরণের বক্তব্য প্রদান করেন সানাউল্লাহ নুরী, আশকার ইবনে শাইখ প্রমূখ। শামসুল হুদা চৌধুরী বলেন উক্ত বিবৃতিতে তিনি সই করেননি। সরদার ফজলুল করিম এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন। বিচিন্তার সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকার করেন ফওজিয়া খান, ড. কাজী দীন মোহাম্মদ, ফেরদৌসী রহমান প্রমূখ।

ডা. আশরাফ সিদ্দিকী সাক্ষাতকারের এক জায়গায় বলেছেন এদের মধ্যে অনেকে পাকিস্তানের পক্ষে ছিলো, যেমন সানাউল্লাহ নুরী, আশকার ইবনে শাইখ, শাহেদ আলী আরো অনেকে।

প্রকৃত সত্যি হচ্ছে এই বিবৃতিদাতাদের মধ্যে অনেকে যেমন বাধ্য হয়ে সাক্ষর দিয়েছেন, অনেকে দিয়েছেন স্বতোপ্রণোদিত হয়ে। যেমন সরদার ফজলুল করিম এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানালেও এদেশের প্রগতিশীল রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তার অবদান চল্লিশের দশক থেকে স্বীকৃত। সাহিত্য ক্ষেত্রে কবি আহসান হাবিবও একইরকম প্রগতির পক্ষেই ছিলেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তালিকায় হায়াত মাহমুদের নাম থাকলেও তার রচনা ও কর্ম প্রগতির আন্দোলনকে সহায়তা করেছে। কিন্তু যেসব ব্যক্তি উদ্যোগি হয়ে সাক্ষর সংগ্রহ করেছেন এবং প্ররোচিত করেছেন পাক হানাদার বাহিনীর পক্ষ সমর্থন করতে, তাদেরকে অবশ্যই পৃথকভাবে দালালদের তালিকায় চিহ্নিত করতে হবে।

মূল সূত্র : একাত্তরের ঘাতক ও দালালেরা কে কোথায়


এ ছাড়াও এ বিষয়ে কবি সুফিয়া কামালের সাক্ষাতকারেও কিছু কথা আছে।

উক্ত ব্লগার এবং তার সঙ্গে গলা মেলানোদের রাজনৈতিক পরিচয় ও উদ্দেশ্য ইতিমধ্যেই স্বাধীনতার চেতনাধারীরা ধরে ফেলেছেন। আমার আর নতুন করে কিছু বলার নেই। তবে তার সবচেয়ে বড় দুই নাম্বারীটা হচ্ছে শামসুর রাহমানকে দৈনিক পাকিস্তানের সম্পাদক হিসেবে চালিয়ে দেওয়া। তার প্রকাশিত তালিকাতেই আবুল কালাম শামসুদ্দীন সই করেছেন, দৈনিক পাকিস্তানের সম্পাদক হিসেবে

মূল তালিকা :

১. ড. সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, উপাচার্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
২. প্রিন্সিপাল ইব্রাহিম খাঁ, সাবেক কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী, পাকিস্তান সরকার, লেখক, নাট্যকার
৩. এম কবীর, ইতিহাস বিভাগের প্রধান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৪. ড. মীর ফখরুজ্জামান, মনস্তত্ব বিভাগের প্রধান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৫. ড. কাজী দীন মোহাম্মদ, রিডার বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৬. নুরুল মোমেন, নাট্যকার, সিনিয়র লেকচারার, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৭. জুলফিকার আলী, ওএসডি, বাংলা একাডেমী
৮. আহসান হাবিব, কবি
৯. খান আতাউর রহমান, চিত্র পরিচালক- অভিনেতা ও সঙ্গীত পরিচালক
১০. শাহনাজ বেগম (রহমতউল্লাহ) গায়িকা
১১. আশকার ইবনে শাইখ, নাট্যকার, সিনিয়র লেকচারার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১২. ফরিদা ইয়াসমিন, গায়িকা
১৩. আব্দুল আলীম, পল্লী গায়ক
১৪. আবদুল্লাহ ইউসুফ ইমাম, চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, লেখক, ঢাকা টেলিভিশন
১৫. এ এইচ চৌধুরী, পরিচালক-প্রযোজক, লেখক, ঢাকা টেলিভিশন
১৬. ড. মোহর আলী, রিডার ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৭. মুনীর চৌধুরী, বাংলা বিভাগের প্রধান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৮. ড. আশরাফ সিদ্দিকী, বাংলা উন্নয়ন বোর্ড, ঢাকা
১৯. খন্দকার ফারুখ আহমেদ, গায়ক
২০. সৈয়দ আবদুল হাদী, গায়ক
২১. নীনা হামিদ, গায়িকা
২২. এম এ হামিদ, গায়ক
২৩. লায়লা আর্জুমান্দ বানু, গায়িকা
২৪. শামসুল হুদা চৌধুরী, চীফ ইনফরমেশন অফিসার, ইপিআইডিসি (পরে জাতীয় সংসদের স্পিকার)
২৫. বেদারউদ্দিন আহমেদ, শিল্পী
২৬. সাবিনা ইয়াসমিন, গায়িকা
২৭. ফেরদৌসী রহমান, গায়িকা
২৮. মোস্তফা জামান আব্বাসী, গায়ক
২৯. সরদার জয়েনউদ্দীন, ছোট গল্পকার
৩০. সৈয়দ মুর্তজা আলী, লেখক, সমালোচক
৩১.কবি তালিম হোসেন, নজরুল একাডেমী
৩২.শাহেদ আলী, ছোট গল্পকার, ইসলামিক একাডেমী
৩৩. কবি আবদুস সাত্তার, সম্পাদক, মাহে নও
৩৪. ফররুখ শীয়র, নাট্যকার, সুপার ভাইজার, রেডিও পাকিস্তান (ঢাকা কেন্দ্র)
৩৫. কবি ফররুখ আহমেদ, প্রাইড অব পারফরম্যান্স
৩৬. সম্পাদক আবদুস সালাম, পাকিস্তান অবজারভার
৩৭. সম্পাদক এস জি বদরুদ্দিন, মর্নিং নিউজ
৩৮. সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন, দৈনিক পাকিস্তান
৩৯. ফতেহ লোহানী, চিত্রপরিচালক, অভিনেতা, প্রেসিডেন্ট স্বর্ণপদক প্রাপ্ত
৪০. হেমায়েত হোসেন, লেখক, প্রাক্তন সম্পাদক, এলান, রেডিও পাকিস্তান (ঐ)
৪১. বিএম রহমান, লেখক, ঢাকা
৪২. মবজুলুল হোসেন, নাট্যকার, রেডিও পাকিস্তান (ঐ)
৪৩. আকবরউদ্দীন, লেখক, গ্রন্থকার, ঢাকা
৪৪. আকবর হোসেন, লেখক, ঢাকা
৪৫. এএফএম আব্দুল হক, লেখক, প্রাক্তন পরিচালক, পাবলিক ইন্সট্রাকশন, সদস্য পাবলিক সার্ভিস কমিশন
৪৬. অধ্যক্ষ এ কিউএম আদমউদ্দিন, শিক্ষাবিদ
৪৭. আলী মনসুর, নাট্যশিল্পী
৪৮. কাজী আফসারউদ্দীন আহমেদ, লেখক
৪৯. সানাউল্লাহ নুরী, লেখক
৫০. শামসুল হক, কবি ও লেখক
৫১. সরদার ফজলুল করিম, লেখক
৫২. বদিউজ্জামান, লেখক
৫৩. শফিক কবীর (সাক্ষর শফিকুল কবীর), লেখক
৫৪. ফওজিয়া খান, গায়িকা
৫৫. লতিফা চৌধুরী গায়িকা

সংযুক্তি : এদের মধ্যে দালাল বুদ্ধিজীবি ঘোষণা করে যাদের বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়া হয় তাদের মধ্যে সাজ্জাদ হোসেন গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সাধারণ ক্ষমায় মুক্তি পেয়ে সৌদি আরব চলে যান। ড. মোহর আলী যান যুক্তরাজ্যে। দীন মোহাম্মদ, মুস্তাফিজুর রহমানদের বিরুদ্ধে নিহত বুদ্ধিজীবিদের অনেকের তালিকা সরবরাহের অভিযোগ উঠলেও এরা স্রেফ বরখাস্ত হয়েই বেচে যান। রেডিও ও টেলিভিশনের যারা মুক্তিযুদ্ধকালে নিয়মিত অনুষ্ঠান করেছেন এমন শিল্পীদের ব্যাপারে নীলিমা ইব্রাহিমের নেতৃত্বে একটি কমিশন কিছু সুপারিশ দেয় সরকারকে। এদের মধ্যে তালিকায় থাকা (সাক্ষর করাদের) নুরুল মোমেন ও মোহর আলীকে আজীবন নিষিদ্ধ এবং ফতেহ লোহানী, শফিকুল কবীর, শাহনাজ বেগম, আবদুল হাদী, খান আতাউর রহমানকে ছয় মাসের জন্য নিষিদ্ধ ও এরপর বিবেচনা সাপেক্ষে অনুষ্ঠান করার অনুমতি দেওয়া হয়। ৫৫ জন বুদ্ধিজীবির ব্যাপারে নীলিমা কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি।

সম্পূরক তথ্য : একাত্তরের নেতৃস্থানীয় দালাল বুদ্ধিজীবিরা

ছবি কৃতজ্ঞতা : মাহবুবুর রহমান জালাল

 

সর্বশেষ এডিট : ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:০১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৪৫

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস

২. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২৭
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: সবাই যখন পাকিদের অধীনে চাকুরি ছেরে যুদ্বে গেছে, তখনো অনেকে পাকিদের চাকুরী খুব মন দিয়ে করেছে, কারনটা কী.....??

আপনার উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম|


( নো রেটি; ইয়েট)
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৪৪

লেখক বলেছেন: এইখানে অবশ্যই পরিবার পরিজন ও তাদের নিরাপত্তা একটা বড় ব্যাপার ছিলো। আপনারে উদাহরণ হিসেবে ড. মোয়াজ্জেম হোসেনের কথা বলতে পারি। উনি দেশ স্বাধীন হওয়া পর্যন্ত আনবিক শক্তি কমিশনে চাকুরী করে গেছেন, বেতনও তুলছেন। কিন্তু ২৫ মার্চ রাতে তার পাকবাহিনীর ওয়ারলেস রেকর্ডিং নিঃসন্দেহে গণহত্যার প্রমাণ ও যুদ্ধাপরাধের বিচারের একটি বড় দলিল। আতঙ্কে অনেকেই দিশেহারা হয়ে সীমান্ত পানে ছুটছে। এদের অনেকেই কিন্তু সব হারাইছেন। গায়ক বাপ্পা মজুমদারের বোন হারায়া গেছিলো অনেকের মতো ওই উদ্বাস্তু হওয়ার দিশেহারা স্রোতে

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:১২

লেখক বলেছেন: মোজাম্মেল হোসেন হবে

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:১০

লেখক বলেছেন: উনার সাক্ষাতকারটা পড়তে পারেন

৩. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২৭
ফারহান দাউদ বলেছেন: ঠিকাছে। পুস্ট টার উদ্দেশ্যই আছিলো পানি ঘোলা কইরা মাছ মারা।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৪৫

লেখক বলেছেন: ধরছেন ঠিকই

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৫. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৩৬
সিউল রায়হান বলেছেন: পোস্টে প্লাস....... অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া হারামীটাকে উলংগ করা এই পোস্ট দেয়ার জন্য....

ঐ খা.পো. টার লিস্টে এমনও মানুষদের নাম দেখলাম যারা শহীদ বুদ্ধিজীবিদের একজন........

কুকুরগুলোর মন থেকে পাকি প্রেম কবে যাবে ?????


১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৪৮

লেখক বলেছেন: এইটা এমন কিছু না, বরাবরই তাদের উদ্দেশ্য মাঠে মারা গেছে। আমার চোখে পড়ায় আমি দিছি, আমি না হলে অন্য কেউ নিশ্চয়ই দিতো। মনে রাইখেন, আমাদের সংখ্যাই কিন্তু বেশী

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনারেও

৭. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৫৪
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত এর মতো অনেকেই প্রায়ই এই প্রশ্নটা তুলে। যেটা আমার খুব বিরক্ত লাগে। প্রশ্নটা আকারে ইঙ্গিতে এরকম, সবাই যুদ্ধ করসে, অমুকে করে নাই কেন? ও কেন ইন্ডিয়া পালায় গেছে? ও কেন চাকরি করে গেছে? ওমুকে কেন তার বন্ধুদের মতো যুদ্ধে না নেমে বউ-বাচ্চা নিয়া পালায় পালায় বেড়াইছে? প্রসংগটা অনেকবার জাফর ইকবাল হুমায়ূন আহমেদকে নিয়েও আসছে।

যারা যুদ্ধে গেছে নিঃসন্দেহে তারা সাহসী। কিন্তু যারা যায় নাই, তারা পরিবারের জন্য কিংবা নানা পিছুটানে যায়নি যুদ্ধে, কিন্তু পাকিদেরও তো সাহায্য করে নাই। সে শুধু সেফ থাকতে নিউট্রাল ছিল, এইটা কি অপরাধ? সাহসী হওয়া কৃতিত্বের, কিন্তু ভীতু হওয়া কিংবা পিছুটানে আটকে পড়া ক অপরাধ?

একটা যুদ্ধ অনেক ভয়ংকর ব্যাপার, সবার নার্ভ থাকে না। তাই বলে যুদ্ধ না করলেই পাকিস্তানপ্রেমী কিংবা রাজাকার হয়ে যায় না!
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:১০

লেখক বলেছেন: দারুণ যুক্তি কমরেড। এটাই তারা বুঝেও না বুঝার ভান করে

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনারে

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। সব কৃতিত্ব সাদত হোসেনের। উনারা লাদাবেন, লোকে বিভ্রান্ত হবে, আর আমরা সেই লাদি পরিষ্কার করবো

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপা

১১. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:১৫
হাসান মাহবুব বলেছেন: থ্যাংকস পিয়াল ভাই। ঐসব পোস্ট পৈড়া রাগে গা জ্বলে, বুঝি খানকির পোলাগুলা কি কৈতে চায়, কিন্তু ইতিহাস সম্বন্ধে জ্ঞান কম থাকায় কিছু কৈতেও পারিনা। আপনারে স্যালুট।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:২২

লেখক বলেছেন: মজা হইলো আগে রেন্টু আর ফিরোজ কামালরে কোট করতো, এখন দেখি সরাসরি ঘাতক দালালরা কে কোথায় কপি মারে, তাও পুরাটা না, যেইটুকু অভিযোগের অংশ। পাবলিকরে বেকুব পাইছে আর কি

১২. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৩৩
নাজমুল আহমেদ বলেছেন: এইজন্যই পিয়াল ভাই আপনে বস। কত কিছু জানলাম আপনের কাছ থিকা। ঐ চোদনার পোলারা মানুষরে মক্কল ভাবে। মনে করে দুই টা টাইপ করতে পারলেই মানুষরে ঐগুলা খাওয়াইতে পারব, আরে হালারা এইগুলাইন যে আর এই যুগে মানুষ খাইব না এইটা তোরা কবে বুঝবি। হালায় একটা ছাগল।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৫৬

লেখক বলেছেন: হ, চান্স নিছিলো আর কি

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৪. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৫৩
সেলটিক সাগর বলেছেন: হে হে... দারুন কাজ হয়েছে পিয়াল ভাই..ভন্ডামির মুখোশ খুলে দেওয়া হয়েছে .

আর ঐ পোস্টে যে সব নিক উৎসাহিত হয়েছিল (বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত, অ্যামাটার, ব্রাইট, ) তাদের আনন্দ মাটি হয়ে গেল... আফসোস...

আর সেখানে লাল দরজার এই কমেন্টটা আমার পছন্দ হয়েছে...

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

লাল দরজা বলেছেন: এই ধরনের পোষ্ট আইলে মজার একটা কান্ড ঘটে.. পোষ্ট পড়লেই দেখা যায় ল্যাঞ্জা ওয়ালা গ ল্যঞ্জা গুলান প্যান্টের পেছন ফেড়ে ফৎ করে বেরিয়ে যায়. কারো কারো আবার ল্যঞ্জার বেনী খুইলা পশম সব খাড়া হইয়া যায়. দেখার মত এক ব্যাপার হয় তখন!
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৫৭

লেখক বলেছেন: আরে লাল দরজা আমগো পুরান কমরেড, মন্তব্যে সেরকম ঝাজা

১৫. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:০০
সবাক বলেছেন:
পোস্টের জন্য করতালি।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৬. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:১২
শূন্য আরণ্যক বলেছেন:

ঐ পোষ্ট দেখার পর থেকাই কনফিউজড ছিলাম । মানে ভাবটা হৈলো আরে সবাই তো তখন কি না কি করসে সুতরাং সবই জায়েজ ।

থ্যাংকস পোষ্ট দিয়া জিনিসটা পরিস্কার করার জন্য । অনেক ইতিহাস না জানা থাকায় পানি ঘোলা করা সহজ ।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:২০

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস আপনারেও। ভাইবেন না, যদ্দিন না মরি, মহল্লাতেই আছি, লাগলে মিসকল দিবেন খালি ;)

১৭. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:১৩
পড়ুয়া_পড়ুয়া বলেছেন: ঐ বেটার পোস্টে কয়েকজনের নিজের ব্যাপারে বক্তব্য তুলে দিয়েছেন দেখলাম । মুনীর চৌধুরীর প্রেক্ষাপটটা জানাইতে পারবেন ? পোস্টে প্লাস ।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:১৯

লেখক বলেছেন: মুনীর চৌধুরীর প্রেক্ষাপট খানিকটা দিছি ওই পোস্টে আপনার মন্তব্যের জবাবে। আপনি আসলে কি জানতে চাইছেন বুঝি নাই।

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৩৩

লেখক বলেছেন: মুনীর চৌধুরী বাম ঘরানার রাজনীতি করতেন। ১৯৪৩ সালে যোগ দেন প্রগতিশীল লেখক ও শিল্পী সংঘে। এরপর ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান কম্যুনিস্ট পার্টির সদস্য হন। ১৯৪৮ সালে ২২ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় কম্যুনিস্ট পার্টির ২য় কংগ্রেস হয় কলকাতার মোহাম্মদ আলী পার্কে। সেই কংগ্রেসেই পাকিস্তানের প্রতিনিধিরা আলাদা কম্যুনিস্ট পার্টি গঠন করেন। সাজ্জাদ জহির, খোকা রায় ও কৃষ্ণ বিনোদ রায়কে নিয়ে গঠিত হয় পাকিস্তানের কম্যুনিস্ট পার্টির পলিটবুরো। আর কার্যকরী কমিটিতে ছিলেন সাজ্জাদ জহির, আতা মোহাম্মদ, জামালউদ্দিন বোখারী, মোহাম্মদ ইব্রাহীম, খোকা রায়, নেপাল নাগ, কৃষ্ণ বিনোদ রায়, মনসুর হাবিব আর মনি সিং। এরপর ৩০ জুন ঢাকার করোনেশান পার্কে এক জনসভা আয়োজন করে। সেখানে সভাপতিত্ব করেন মুনীর চৌধুরী। আর বক্তৃতা করেন সরদার ফজলুল করিম ও রনেশ দাশগুপ্ত।

এরপর উনি প্রগতী সংঘের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ৫২ সালের ভাষা আন্দোলনেও অংশ নেন। ২৩ ফেব্রুয়ারি পুলিশি হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জমায়েতে বক্তৃতা দেওয়ায় তিনদিন পর তারে গ্রেপ্তার করা হয়। জুন ১৯৫৪ পর্যন্ত জেল খাটেন, এই সময়ই লেখেন তার বিখ্যাত নাটক কবর (১৭ জানুয়ারী, ১৯৫৩)।

তার সবচেয়ে বড় অবদান বাংলা টাইপ রাইটার কিবোর্ড- মুনীর অপটিমার আবিষ্কার। '৬৭ সালে যখন রবীন্দ্র সংগীত নিষিদ্ধ করে খাজা শাহাবউদ্দীন, তখন বাংলা হরফ বদলানোর চক্রান্তও হইছিলো। এইটার তীব্র প্রতিবাদীদের একজন ছিলেন মুনীর চৌধুরী।
তার দেশপ্রেম নিয়া সন্দেহ নাই। তাই প্রাণ ভয়ে সাক্ষর হয়তো দিছেন, তিনি দালাল না। বরং সত্যিকার ঘাতক-দালাল আলবদরদের হাতে শহীদ হইছেন।

১৮. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:২২
বিডি আইডল বলেছেন: ভাঙ্গা পেন্সিল এসব ছাড়াও তারা মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা অপারেশনে অর্থ, আশ্রয় ইত্যাদি দিয়ে সাহায্য করেছেন...সারা দেশেই তারা মুক্তিযোদ্বাদের সহায়তা করেছেন...আমার নানা যিনি রেলওয়ের সরকারি ডাক্তার ছিলেন বাড়ী বাড়ী যেয়ে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা দিয়েছেন...আরেক নানা যিনি সরকারী চাকরী করতেন পুরো পরিবারকে বাড়ীতে রেখে শহরে থেকে চাকরী করে গেছেন পরিবার চালানোর জন্য
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৩৪

লেখক বলেছেন: দারুণ সংযুক্তি। এই যে প্রাণের ভয় নিয়াও সহায়তা, সহযোগ, এইটাও মুক্তিযুদ্ধ

১৯. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৩৮
আকাশ_পাগলা বলেছেন: হায় হায় হায়, আমি কী ভাবছিলাম !!!

বস, আপনি আসলেই বস।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৩৯

লেখক বলেছেন: এইডি ফাও কথা কমরেড, আমি রাস্তারই পোলা

২০. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৫১
বহ্নিশিখা বলেছেন: সাবাস কমরেড। শুয়োরের বাচ্চাগুলার শিক্ষা হওয়া দরকার আছিল।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনারে। তবে এদের শিক্ষা আসলেই হয় না। অনেকবারই তথ্যপ্রমাণ ভিত্তিক জবাব দিছি। কয়েকদিন পর আবার হাজির হয় আরেকটা নিয়া।

২১. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৫২
বিলাশ বিডি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

এইসব রাজাকারদের ইতিহাস বিকৃতি ঠেকানো খুবই জরুরী একটা কাজ। আমরা করছিনা/পারছিনা, আপনি সেটা করছেন। আবার ধন্যবাদ!
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৫৮

লেখক বলেছেন: নিজেকে আলাদা ভাবার কোনো কারণ নাই, আমি-আপনি মিলেই তো আমরা। প্রতিরোধ এইভাবেই হয়।

২২. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৫৪
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: স্যালুট বস!
এমনি আশা করতে ছিলাম আপনার কাছ থেকে!
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:০৮

লেখক বলেছেন: স্যালুট আপনারেও

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস

২৪. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৪৮
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: ঐ পোষ্টটা দেখছি। উদ্দেশ্যমুলক।


কিন্তু, দুঃখ কি জানেন, তারপরও কুকুরের লেজ সোজা হবেনা। যেই বাঁকা সেই বাঁকাই থাকবে। মিথ্যা তাদের মজ্জাগত।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৫৫

লেখক বলেছেন: এই তো হইয়া আসতেছে বছরের পর বছর। তারপরও মিথ্যা ধরা খায়, মজাই লাগে

২৫. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:১৪
রশীদ বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম। কে জানে কখন কোন দালাল আবার প্রশ্ন করে বসে। তখন উত্তর দিতে কাজে লাগবে।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:১৭

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা, ঠিকাছে

২৬. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:৫২
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: স্যালুট বস । প্রিয়তে রাখলাম।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনারে

২৭. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫৫
আনাড়ী বলেছেন: পিয়াল ভাই তো আবারো নাঙ্গা কইরা দিলেন। তবে এরা বেশরমের জাত, আবারো ফিরা আসবে।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১১

লেখক বলেছেন: সেটাই, তয় আবারো নাঙা হইবো ;)

২৮. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩
অপরিচিত_আবির বলেছেন: দারুণ পোস্ট পিয়াল ভাই। ঐ ছাগুটার পোস্টটা দেওয়ায় ভালোই হয়েছে নয়তো এত ইতিহাস জানা হৈতো না।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১৫

লেখক বলেছেন: হ, সকল কৃতিত্ব সাদত ছাগলটার। রাত দুইটা থিকা তিনটা পর্যন্ত আমারে পোস্ট লিখাইছে আর আপডেট করাইছে

২৯. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:১১
রোহান বলেছেন: পিয়াল ভাই আপনারে ধন্যবাদ দিলে কম হয়ে যায়। চমৎকার তথ্যবহুল পোষ্ট। প্রিয়তে আগে রাখছি তার পরে কমেন্টে গেলাম :)
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১৮

লেখক বলেছেন: স্যালুট, বহুদিন পর

৩১. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:২৪
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: হ .. এখন আর আগের মত ব্লগে আসা হয় না। খোমাকেতাবে লিংক দেখে ঢু মারলাম।
চালিয়ে যান পিয়াল ভাই, সাথে আছি সবসময় ....
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:২৭

লেখক বলেছেন: হাহা, ভালোই কইছেন, যাক খোমাকেতাবে হইলেও যোগাযোগ থাকবে

৩২. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩০
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: সাদাত হাসান ভাইয়ের জন্য দুইটা কথা কমেন্টাইছি। শিওর শালায় ব্লক করবো আমারে আর আমার কমেন্ট মুইছা দিবো! ঐ ছাগলটার জন্য লেখা কমেন্ট খান জমা রাখলাম!

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~ সাদাত হাসান ভাই কে বলছি:
সামনে কুরবানীর ঈদ, কি কুরবানী বুঝতাছিলাম না। আপনের ঠিকানা খান দিলে আপনের বাড়ি যাইয়া আপনের বাসার সবাইর গলায় চাপাতী ধইরা আপনের হাত থিকাই সিগন্যাচার নেয়ামু যে এই সবের জন্য কেউ দায়ী না, তারপর বিসমিল্লাহ বইলা আপনেরে দিয়া কুরবানী চালু করুম!


কেমুন হইবো কন তো দেখি?

দুয়েকটা আপনের মতো ছাগলা রাজাকার মরলে ফাক-ই-স্হান নামক শুয়োর জাতীর কিছু যায় আসে না মনে হয়!

আশা করি আপনের পোস্টের উত্তরও দিয়া দিছি!

আরেকটা কথা ঐ সময় আপনের বাপ-মা কি কিছুই দেখে নাই? যদি না দেইখা থাকে তাইলে আমার তাগো নিয়াও সন্দেহ হয়! বাংলা ৭ কোটি জনতা দৌড়ের উপর থাকলো আর তারা কিছু না দেইখা এমুন নিমক হারাম পয়দা করলো সেইটার কথা কে কইবো?
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৪১

লেখক বলেছেন: তয় আমার ধারণা রোজার ঈদেও ছাগল কুরবানী জায়েজ আছে ;)

৩৩. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩৯
অপরাজিতা ০০৭ বলেছেন: দাঁত ভাঙ্গা জবাব ভাইয়া।

রাজাকারের বাচ্চাদের কবে যে এদেশ থেকে বিদায় করতে পারবো !!!
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৪৩

লেখক বলেছেন: নাহ, এইটা আরেকটু আপডেট ভার্সন, থোতাভাঙ্গা কইতে পারেন। রাজাকারের বাচ্চাগো ক্যামনে বিদায় করবেন, তারাও থাকবো আরো কয়েক প্রজন্ম, এথনিক ক্লিনজিংয়ের কুনু চান্স নাই

৩৪. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৪২
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: শান্তি পাইলাম....ধন্যাবদ..
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনারেও

৩৫. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৪৫
অমিত০৯৭ বলেছেন: ধন্যবাদ বস। ক্লিয়ার করার জন্য।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনারেও

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনারেও, আমি না হইলে আপনে ঠিকই দিতেন, সো ব্যাপারস না

৩৭. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৫০
ক-খ-গ বলেছেন: টুপি খোলা স্যালুট
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৫৬

লেখক বলেছেন: স্যালুট

৩৮. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৫২
সৌরভ১৩ বলেছেন: মেলা কিছু জানলাম ভাইয়া... ধন্যবাদ আপনাকে... প্রিয়তে রাখলাম...
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও

৩৯. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:০৭
নতুন রাজা বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ পিয়াল ভাই...

পোষ্টে প্লাস...+++

আরো ইতিহাস জানতে চাই... যত লিংক আছে, সবগুলো যদি এক করে লিংক দেন, তাহলে খুব উপকৃত হতাম। অনলাইনেও যে সব তথ্য আছে, তারও লিংক চাই। আমরা সঠিক ইতিহাস জানতে চাই...

ভালো থাকবেন...
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:০৩

লেখক বলেছেন: চেষ্টা আছে ম্যান, একা মানুষ, অন্য চিন্তাও করতে হয়। বাট ইনশাল্লাহ হয়ে যাবে, হাল ছাড়ি নাই

৪০. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:১০
কাঙাল মামা বলেছেন: ছাগুরা না থাকলে এডি জানা হইতো না। সবই ছাগুর দোয়া :)

আপনারে কি কইয়া যে ধন্যবাদ দিমু!! :) :)
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:০৫

লেখক বলেছেন: সবই ছাগুর দোয়া :)

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:০৬

লেখক বলেছেন: স্বাগতম

৪২. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৩৫
সাধারণমানুষ বলেছেন: ১৯৭১ আমার নানা পাকিস্থান এয়ার ফোর্সের ঢাকা বেজে ছিল। ২৮ মার্চ তারে সহ ১২ জনেরে পাকিস্থান পাঠানোর ফ্লাইট ছিল... তারা বিপদ বুঝতে পেরে ১০ জন ২৪ মার্চ বেজ থেকে সরে পড়ে। বাকি দুই জনের পরিবার থাকায় তারা সরতে পারে নাই । নিজেদের জীবন বাচাইতে তাদের বাংলাদেশের পতাকা ছিড়া দেখাইতে হইছে। কিন্তু তারা পাশাপাশি পাকিস্থান এয়ার ফোর্সের বহুত খবর তারা মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে ফাস করে দিয়েছেন... ২১ নভেম্বর তাদের এই কার্যকলাপ ধরা পড়লে তাদের ২ জনকেই সপরিবারেই হত্যা করা হ্য়

তাদের দেশপ্রেম নিয়ে কি কোন প্রশ্ন তোলা যায় ????


পিয়াল ভাই আপনাকে ধন্যবাদ...
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১০

লেখক বলেছেন: প্রশ্নই আসে না। আমার বাবাও মুক্তিযুদ্ধ নিয়া অবসেসড লোক ছিলেন, অথচ যুদ্ধে যাইতে পারেন নাই আমাদের কথা ভেবে। এমন বহু লোক আছে। প্রচুর হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুসলমান হইতে হইছে শুধু জান বাচানোর তাগিদে।
এই লোক আসলে বলতে চাইছে, এরা যদি এসব বইলা পার পায় তাইলে গোলাম আযম-নিজামীরা কি দোষ করছে। পাবলিকরে ভোকস পাইছে আর কি

৪৩. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৪৩
জাতি জানতে চায় বলেছেন: আপনার তথ্য উপস্থাপনের জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু এর পরও বুদ্ধিজীবিদের কর্মকান্ড নিয়া ব্যাপক প্রশ্ন থেকে যায়।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: প্রশ্ন যেমন আছে, উত্তরও আছে। বলেন কি জানতে চান, চেষ্টা করবো সঠিক তথ্য জানানোর

৪৪. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:১৯
মনির হাসান বলেছেন: কঠিন কাহিনি করছেন পিয়াল ভাই ... কাইল রাইতে চরম মিস করছি

স্যালুট & টুপি খুললাম ।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস। কিন্তু মজমা জমে নাই। মনজুরুল হক ভাই অল্প কথায় ব্যাখ্যা দিছিলেন, তারপর দেখি তার লগে বেয়াদবি করে। প্রথম কমেন্ট দিলাম, হুজুরে নাই। লাদানি বাদ দিয়া ভাগলবা। পোস্ট দেখবেন দুইদিন পর মুইছা দিবো, তয় স্ক্রিনশট রাইখা দিছি

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: দুঃখজনক হইলো ওই পোস্টেও প্লাস কম নাই

৪৬. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১৪
গাই অব গিসবর্ন বলেছেন: জনৈক সাদতকেই জাঝা দিতে হয়, কারন..সে পোষ্ট না দিলে এমন দরকারী পোষ্ট কি পেতাম আমরা?............;)
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন: কথা সত্যি।
এর আগে জহির রায়হানরে নিয়াও একই কান্ড করছিলো

সেইটার জবাবও দেওয়া হইছিলো

৪৭. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০২
গাই অব গিসবর্ন বলেছেন: দোয়া করি জনৈক সাদতরা এমনধারা পোষ্ট অব্যাহত রাখুন, আর আপনিও দাঁতভাঙা জবাব দিয়ে যান।
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:২১

লেখক বলেছেন: হাহাহা, সব দায়িত্ব আমার একার নাকি। তবে সাধ্যমতো নিশ্চয়ই করবো

৪৮. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৫
জাতি জানতে চায় বলেছেন: যদি পারেন আমাদের ফ্রন্ট লাইনের বুদ্ধিজীবিদের (কলামিস্ট থেকে শুরু করে টকশোর কারনে যারা ফ্রন্টে) স্বাধীনতা যুদ্ধের পূর্ব থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত কর্মকান্ড ও তাদের আদর্শিক বা রাজনৈতিক ঝোঁক নিয়া একটা সিরিজ করেন (বিশেষত যাদের নিয়া অল্প-বিস্তর তর্ক হয়)। প্রতি পর্বে এক বা একাধিক জনকে নিয়ে করতে পারেন (আপনি আমার থেকে এটা অনেক ভাল বুঝবেন)। তাহলে আমরা আসলেই উপকৃত হব।
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩০

লেখক বলেছেন: আপনি সম্ভবত আমার স্টাইলটা ধরতে পারেন নাই। স্বাধীনতা যুদ্ধে কার কি অবস্থান ছিলো এইটা নিয়া আমার খানিকটা পড়াশোনা আছে। এর বেশী কিছু না। কাউরে অন্যায় ভাবে হিরো বা জিরো বানাইলে তখন প্রতিবাদ করি। ব্যস এইটুকুই।

৪৯. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৭
লড়াকু বলেছেন: এই পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। অজ্ঞানতার কারণে মাঝে মাঝে ঐ সব রাজাকার মার্কা পোস্টও সহ্য করতে হয়। সঠিক তথ্য জানাটা সে কারণেই জরুরী।
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩৯

লেখক বলেছেন: ঠিক বলছেন। ধন্যবাদ আপনাকেও

৫০. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:১২
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: @পিয়াল:

আমার প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য ধন্যবাদ|

আর স্বাধীনতা যুদ্বে কিছু বুদ্বিজীবির ঐ আবেদনে সাক্ষর করা ছিল আমার কাছে "বার্নি; কোয়েশ্চান"| আপনার কাছে উত্তর পেয়ে ভাল লাগলো|

আমার তিন চাচা যুদ্ব করেছেন, বড় হয়ে বৈঠক খানায় বসে বসে তাদের কাছে যুদ্বের গল্প শুনেছি, পরক্ষনেই ঘরে এসে নিজের বাবাকে প্রশ্ন করেছি তিনি কেন যুদ্বে যান নি......??

নিজের বাপকে যেহেতু প্রশ্ন করেছি যে তার ছোট তিন ভাইকে যুদ্বে পাঠিয়ে তিনি কেন নিজে যুদ্বে যান নি, সেই আমার কাছে অন্যরা কেউই বিনা প্রশ্নে পার পাবে না|

দেশে গেলে আপনার রেফারেন্সের বইটা যোগাড়ের ইচ্ছা রইলো|

আবারো ধন্যবাদ|

(পোষ্টে প্লাস)
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:০৯

লেখক বলেছেন: আচ্ছা। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান আপনে, তাইলে ছাগুগো উল্লাসে সামিল হন ক্যান? আপনে যেইভাবে এটাক করছিলেন ওই পোস্টে বিবর্তনবাদীরেরে পইড়া মনে হইছিলো ধুতীওয়ালারা খালি মুক্তিযুদ্ধ করছে। এইদেশে শহীদের সংখ্যাও মুসলমান বেশী, মুক্তিযোদ্ধাও। আফসোস, চার-পাচটা ছাড়া রাজাকারও সব মুসলমান

৫১. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:২০
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: @ভাঙ্গা পেন্সিল:

আমার তিন চাচা যুদ্ব করেছেন, বড় হয়ে বৈঠক খানায় বসে বসে তাদের কাছে যুদ্বের গল্প শুনেছি, পরক্ষনেই ঘরে এসে নিজের বাবাকে প্রশ্ন করেছি তিনি কেন যুদ্বে যান নি......??

নিজের বাপকে যেহেতু প্রশ্ন করেছি যে তার ছোট তিন ভাইকে যুদ্বে পাঠিয়ে তিনি কেন নিজে যুদ্বে যান নি, সেই আমার কাছে অন্যরা কেউই বিনা প্রশ্নে পার পাবে না|

জাফর ইকবালকে সামনে পেলে অবশ্যই প্রশ্নটা করা হবে, সে তখন টগবগে যুবক ছিল, সে যদি বলে, হ্যা ভয়ে বা স্ত্রী-সন্তানের মায়ায় যুদ্বে যাননি তখন দেখা যাবে| তবে উত্তরটা আসতে হবে তার মূখ থেকে, অন্যের মুখ থেকে নয়|

১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:১০

লেখক বলেছেন: জাফর ইকবাল নিজেই তার মুক্তিযুদ্ধকালের অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিছেন একটা লেখায়। যোগাড় কইরা পইড়া নিয়েন।

৫২. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:০৩
নতুন রাজা বলেছেন: পিয়াল ভাই, অনেক ধন্যবাদ... লিংকগুলো এক করতে পারলে নতুন প্রজন্মের কাছে সহজেই অনেক সত্য প্রকাশ পাবে। আমরা সবাই ব্যস্ত, তার মাঝেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। যদি আমি আপনার কোন কাজে লাগতে পারি জানাবেন প্লিজ। আর সবগুলো লিংক একখানে করলে অবশ্যই জানাবেন প্লিজ...
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:১২

লেখক বলেছেন: সবগুলো লিংক মানে কি! স্রেফ স্বাধীনতার দলিলপত্রই করতে গিয়া দেখা গেছে ১৫ খন্ড হইছে। ঘটনা কি একটা দুইটা লাগে নাকি আপনার কাছে। ডিজিটাল আর্কাইভ করতে গেলেও কয়েক হাজার টেরাবাইট (কিংবা বেশী) তথ্য আছে মুক্তিযুদ্ধের উপর। সব লিংক ক্যামনে দিই ভাই আপনারে?

৫৩. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৪৮
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: @পিয়াল:

আমার ছাত্রজীবনে ( বা;লাদেশ ও আমেরিকায়) বন্ধুর স;খ্যা হিসাব করলে লীগ ও দল প্রায় সমান সমান, শিবির একেবারেই হাতে গুনা|
হলের জীবনে আমার রুমে দুই দলের আড্ডায় রাত ভোর হত, আমার ভার্সিটি লাইফের প্রথম ৩ বছর লীগ-দল এক অপূর্ব বন্ধুত্ব ছিল, পরের দিকে অবশ্য চরম শত্রু হয়ে যায় একে অপরের|

স্বাধীনতার বিপক্ষের কাউকে জেনে শুনে সাপোর্টি করবো, সে মানুষ আমি নই, সে লীগের হোক,দলের হোক আর শিবিরের হোক|
আপনি ধরে নিতে পারেন আমি আমার দেশ প্রেমের ব্যাপারে একটু বেশী স্বার্থপর|

আর আলীগের ঘোরতর সমালোচনার পরও আমার লীগের বন্ধু ও শুভাকা;খীর স;খ্যা অনেক...., এই কারনে অনেক ব্লগারও আমাকে পছন্দ করে না|

ব্লগে আমার বয়স খুব বেশী না, কে কোন উদ্দেশ্য নিয়ে লিখে আমি, আপনাদের মত দ্রুত ধরতে পারি না|

আমার নীতি : ভারতীয় দালাল আর পাকি রাজাকার দুইটারেই চরম ঘৃনা.........

আশা করি আপনারও তাতে দ্বিমত থাকার কথা না|

থ্যা;কস|
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:০৪

লেখক বলেছেন: দ্বিমতের প্রশ্ন না এইখানে, আর ছাত্রলীগ, ছাত্রদল বা শিবিরই বা কেনো দেশপ্রেমের মানদন্ড হবে। সমস্যা হইতেছে দেশপ্রেমটারে আপনি সম্ভবত দলীয় অর্থাৎ রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থিকাই বিচার করেন। ভোট আমি নৌকায় দিবোই, কিন্তু তার মানে এই না আমার মাথা আম্লীগ কিনা রাখছে- ব্যাপারটা বুঝতে হবে। এখন এই দেশে ভারতীয় দালাল আর পাকি রাজাকার ছাড়া আর কি আছে- সবাই তো আপনার শত্রু তাইলে, কারণ আম্লীগের পক্ষে কথা কইলেই তো ভারতের দালাল আর জামাত-বিম্পির পাকি প্রেম তো সবাই জানে। বাকি রইলো কম্যুনিস্টরা। এরাও তো মুক্তিযুদ্ধের পক্ষেই, ভারতে গিয়াই যুদ্ধ করছে। আমার ধারণা আপনি একটু মাথা গরম পাবলিক, ঠান্ডা মাথায় ভাবার পর বুঝতে পারেন যে কামটা ভালো হয় নাই। তবে আপনার যুক্তি গ্রহণ করার ঔদার্য্য আমারে ইমপ্রেসড করছে। গুডলাক

৫৪. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:১৯
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: @পিয়াল:

আমার ধারণা আপনি একটু মাথা গরম পাবলিক, ঠান্ডা মাথায় ভাবার পর বুঝতে পারেন যে কামটা ভালো হয় নাই.......

==============

আমার চরিত্রের চরম দুর্বল দিকটা আপনি ধরেছেন, তর্কের খাতিরে তর্ক কইরা যে কত দোস্তের মেজাজ খরাপ করছি তার হিসাব নাই, তার সাথে আরো একটু যোগ করি আমি চরম "ইমোশনাল" ও...... :):)

আপনারে গুড ডে|

( আমার নিজেরে গুড নাইট )|


১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:২৫

লেখক বলেছেন: গুড নাইট

৫৫. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:৪৮
নতুন রাজা বলেছেন: প্রথমে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণগুলো নিয়ে পোস্ট দেয়া শুরু করেন। আমরা সত্যি জানতে চাই... আর সেই জন্যই আপনার কাছে এ প্রত্যাশা...

(প্রথমে অনুরোধ কথাটা লিখেছিলাম, পরে মনে হলো এটা আবদার নয়, এটা প্রত্যাশা...)
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: চেষ্টা করবো

৫৬. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৭
ঘুম নাই বলেছেন: কিছু বুঝি না মাঝে মাঝে আমরা। কোনটা ঠিক কোনটা ভুল। পোস্টে প্লাস। কারণ চমৎকারভাবে বিভ্রান্তি দূর করার চেষ্টা। সময় পেলে কমেন্টস গুলো পড়ব।
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: তাই না!

১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস এন্ড ওয়ালাইকুম সালাম

৫৮. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১৫
দেশী পোলা বলেছেন: ভাল তথ্য, প্লাসাইলাম
৬০. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৩০
মেঘ বলেছেন: বস্‌, তথ্যগুলো জানা তবু আপনার উপস্থাপনায় আরো সুন্দরভাবে ফুটে উঠলো।

উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পোস্ট কি আর আদতে টেকে? @ সাদত
১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। আসলেই টেকে না, কারণ তথ্যপ্রমাণ আছে

৬১. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪২
ধূসর মানচিত্র বলেছেন: বরাবরের মত চমৎকার এবং তথ্যবহুল পোস্ট। ভন্ডদের মুখোশ খুলে দেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৬৩. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৯
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এই ছাগলটা আবারো পোস্ট দেয়? এত সাহস পায় কেমনে সেই পোস্টের পরেও! জুতানো দরকার এগুলারে!
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: ওই পোস্টের পর দীর্ঘদিন চুপ চুপে ব্লগাইছে। ভারত বিরোধী পোস্টগুলায় কমেন্ট দিতো খালি আর আওয়ামী লীগরে গালি। আয়াতুল্লাহ খোমেনীর শিষ্য মনে হয় ;)

৬৪. ১৮ ই নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:১৪
সাদাচোখ বলেছেন:
ছাগু আর ছাগুদের প্রতি সহানুভূতিশীলদের পরিবারে কেন যানি বড় বড় মুক্তি যোদ্ধা থাকে।

তারা আবার সেই মুক্তিযোদ্ধাদের নাম বেইচা খায়।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৪৫৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বন্ধুত্বে উদার, শত্রুতায় নির্মম : কিছু করার নাই, রাশির দোষ
........................
জামাতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে মহানবীর (দঃ) সতর্কবাণী :

শেষ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ