আমার প্রিয় পোস্ট

অতীত খুড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি

দুধের ঘটিটা পরে মাপি, গরুটা আছে তো!

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫১

শেয়ারঃ
0 0 0



[হরতালের সমর্থনে দেওয়া আমার গত পোস্টটি নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়েছে। ব্লগারদের বেশীরভাগের ধারণা আনু মোহাম্মদ স্যার সহ প্রতিবাদীদের উপর পুলিশী হামলার সমর্থক আমি। আওয়ামী লীগের ওপর অন্ধ বিশ্বাস আমার বিবেককে স্তব্ধ করে দিয়েছে। ব্লা ব্লা ব্লা। এক শুভানুধ্যায়ী ব্লগার বললেন এই প্রতিবেদনটা বাংলা করে দিতে। আংশিক করলাম, লিংকও দিলাম মূল প্রতিবেদনের। আমার জিজ্ঞাসা অতি সামান্য- আগে আমাদের গ্যাস ও তেল ব্লকগুলো আমাদের অধিকারে আছে সেটা কি আমরা নিশ্চিত? ইজারা নিয়ে হৈ চৈয়ের আগে সেটা নির্ধারণই কি জরুরী নয়? প্রতিবেদনটি ২২ মে লেখা হয়েছিলো]


মূল প্রতিবেদন এখানে :
খুব বেশী সময় নেই, অথচ বঙ্গোপসাগরে ইকোনমি জোনের ওপর দাবি প্রতিষ্ঠায় এখনও স্থবির সরকার। এবং প্রতিবেশীদের চেয়ে যথেষ্টই পিছিয়ে। ঢাকার হাতে মাত্র দু মাসের মতো সময় আছে এজন্য। পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের কি উচিত নয় গুরুত্বপূর্ণ এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে রাজনৈতিক নেতা, অর্থনীতিবিদ, ভূতত্ববিদসহ সুধীজনদের সমন্বয়ে একটি জাতীয় ঐক্যমতে আসা।
যদিও কন্টিনেন্টাল শেলফের (সাগর তলদেশ) ওপর বাংলাদেশ তার দাবি জানানোর জন্য ২০১১ সালের ২৭ জুলাই পর্যন্ত সময় পাচ্ছে। কিন্তু তার আগে এ বছর Commission on the Limits of the Continental Shelf-এর ২৪তম অধিবেশনে ভারত ও মায়ানমারের বিতর্কিত দাবির ব্যাপারে সমঝোতায় আসতে হবে।
সি কনভেনশন আইনের আর্টিকেল ৭৬ এর ষষ্ঠ খন্ড অনুযায়ী বঙ্গোপসাগরের তলদেশের ওপর নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ভারত, মায়ানমার এবং শ্রীলংকা এর মধ্যেই নিজেদের দাবিনামা পেশ করেছে। এরমধ্যে ভারত ও মায়ানমার বিধিবদ্ধ ২০০ নটিকাল মাইলের চেয়ে বেশীই দাবি করে বসেছে।

এ বছর ৩০ এপ্রিল মায়ানমার তাদের দাবি হালনাগাদ করেছে, ভারত তা করেছে ১২ মে আর শ্রীলংকা করেছে ৮ মে। আগস্টের আগেই বাংলাদেশকে নিজের দাবি প্রতিষ্ঠা ও বিবাদ মিমাংসার জন্য আবেদন করতে হবে। ১০ আগস্ট থেকে ১১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে বসছে Commission on the Limits of the Continental Shelf-এর ২৪তম অধিবেশন।

খোজ নিয়ে জানা গেছে, বঙ্গোপসাগরের তলদেশে বাংলাদেশের নায্য অংশের ওপর থাবা বসাতে ভারত ও মায়ানমার যৌথ কৌশল গ্রহণ করেছে। সত্যি বলতে মায়ানমারের দাবিনামা প্রস্তুতে ভারত এবার সাহায্য করেছে। সবচেয়ে অবাক ব্যাপার হচ্ছে আগের মতো এ ব্যাপারে এবার চীনের সাহায্য নেয়নি মায়ানমার! সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে বঙ্গোপসাগরের তলদেশে এবার মায়ানমার-ভারত যৌথভাবে তাদের দাবির অংশ বাড়িয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ কোনো বিদেশী কোম্পানির কাছে তেল অনুসন্ধানের জন্য যাতে ব্লক লিজ দিতে না পারে তা ঠেকাতে দুটো দেশই তৎপর।

২৪তম অধিবেশনের আগেই বাংলাদেশের নিজেদের দাবিনামা দাখিল করার কথা থাকলেও নিউইয়র্কের কূটনৈতিক মহলের খবর অনুযায়ী বাংলাদেশ এখনও কোনো কাগজপত্র তৈরি করেনি। অথচ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রের ওপর ইতিমধ্যেই হামলে পড়েছে মায়ানমার ও ভারত। দুদেশই তাদের জন্য নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই নিজেদের দাবিনামা দাখিল করেছে।
৩০ এপ্রিল হালনাগাদ করলেও মায়ানমার তাদের প্রথম দাবিনামা দাখিল করে গতবছরের ১৬ ডিসেম্বর। এখন কমিশনের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছে তারা। মুখবন্ধে মায়ানমার দাবিনামার পক্ষে লিখেছে-"to the United Nations Commission on the Limits of the Continental Shelf (CLCS) pursuant to Article 76, paragraph 8 of the Convention in respect of the establishment of the outer limits of the continental shelf beyond 200 nautical miles (M) from the baselines from which the breadth of the territorial sea of Myanmar is measured."


এতে পরিষ্কার উল্লেখ করা হয়েছে রাখাইন শেলফের পর থেকে আরো দুশো নটিকাল মাইল দাবি করছে তারা-"Myanmar is making its submission for extension of its continental shelf in the Bay of Bengal, off Rakhine, and referred to as Rakhine Continental Shelf, beyond 200 nautical miles." The country has collected geophysical data from large area for preparation of the submission.

উপরি হিসেবে আরো ৬০ নটিকাল মাইল দাবি করবে রেঙ্গুন ভূতাত্ত্বিক ও তলদেশে পরীক্ষানিরীক্ষার নানা অজুহাতে। অন্যদিকে ভারত দাবি করছে সাড়ে তিনশো নটিকাল মাইল! Now India is claiming up to 350 nautical miles (NM) from its baseline invoking Article 76 clause V, VI, VII and VIII as continental shelf. This is beyond 200 NM, of the normal territory. If Myanmar extends 60 NM beyond 200 nautical miles and India extends up to 350 nautical miles, the curved coast line may stop Bangladesh to get her outlet. Sri Lanka also has submitted its claim on the southern part of the Bay of Bengal beyond 200 nautical miles, while the Indian line has passed with short distance of less than 24 nautical miles and as such India has already proposed a 'separate agreement' on this issue with Sri Lanka. In fact in terms of establishing claim on the Bay of Bengal Bangladesh has become isolated.
কৃতজ্ঞতা : নুরুজ্জামান মানিক ও এহহামিদা

 

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৬
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: যাক, আবার জেনারেল হইলাম। মহান সামুবাসীগন আপনাদের হাড্ডিগুড্ডি সালাম। আপনাদের দেশভক্তিরে আমার সালাম।
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০২

লেখক বলেছেন: পাশাপাশি সালাম সামুর মহান মডারেটর বৃন্দকে। আমারে উস্কানো হইলে আমি রিয়েক্ট করতে পারবো না, সেইজন্য আপনাগো চক্ষু বন্ধ থাকে। ধৈর্য্যের পরীক্ষা নিতেছেন নেন। আমি হালায় আছি।

২. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৫
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: একটা জায়গা বুঝিনাই, আমার অপারগতা...

পাশাপাশি বাংলাদেশ কোনো বিদেশী কোম্পানির কাছে তেল অনুসন্ধানের জন্য যাতে ব্লক লিজ দিতে না পারে তা ঠেকাতে দুটো দেশই তৎপর।

এইটা কি রিলেটেড ইস্যু? মানে আমাদের ন্যায্য অংশের দাবী দাবী রাখার জন্য বহুজাতিক কম্পানীরে ইজারা দেওয়ার সুবিধাটা কি? ব্যাপারটা তো এমন না যে আমি আগে ইজারা দিয়া ফেলছি, তাইলে এইটা আমার...এইরকম ক্লেইমিংয়ের কোনো সুযোগ নিশ্চই নাই?
কিংবা ঝামেলা হইলে কোম্পানী গুলা আমাদের কোনো উপকারেও তো আসবে না....

দুইটা কাজ তো আলাদা আলাদা ভাবেই করতে হইবো মনে হইতাছে আমার...
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২১

লেখক বলেছেন: বিদেশী কোম্পানী লিজ নেওয়া মানে বাংলাদেশ তাদের সমুদ্রসীমা ও তলদেশ নির্ধারিত করে দিলো। সেইটা তারা হইতে দিতে চায় না। উল্টা যেইসব ব্লক নিয়া আমরা আশাবাদী, তারা ক্লেইম করতেছে সেইগুলার ভাগ। ষড়যন্ত্রটা ভয়ঙ্কর।

৩. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২২
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: Aamrblog eo kment krchhi...ek khane dileo hoibo boss...
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে

৪. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৮
আকাশ_পাগলা বলেছেন: আপনি জেনারেল মানে ?????


কেন ???


দুঃখ কইরেন না, আমিও জেনারেল। দুই দুঃখী ভাই ভাই।
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা, বহুত কাহিনী। রেসিডেন্টগো লগে পাঞ্জা। আমার অভ্যাস আছে, ডন্ট অরি

৫. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫২
লাল দরজা বলেছেন: আপনার আগের পোষ্টটায় ঢুকতে পারি না, মাঝে মাঝে এমন হয়! কোন কোন পোষ্টে ঢুকতে গেলে হ্যাঙ্গ করে ব্রাউজার। পড়ার আগ্রহ ছিল।
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৬

লেখক বলেছেন: যাই হোক, এইটা তো পড়ছেন। বিষয়টা নিয়া আপনার মন্তব্য কি? আমরা কি অন্যদিকে ডাইভার্টেড। আসল বিষয় বাদ দিয়া?

৬. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০১
ইউনুস খান বলেছেন: আবারও সজ্ঞানে মাইনাস।

২০১১ সালের ২৭ জুলাই পর্যন্ত জাতিসংঘ তথা বিশ্ব দরবারে দাবি জানানোর সুযোগ বাংলাদেশের কাছে থাকবে।

এর মাঝে যারা বলতেছে দুইমাসের মধ্যে সমঝোতায় আসতে হবে তাদের ব্যপারটা আমি বুঝতেছিনা যে, যদি সমঝোতায় আসা লাগে দুইমাসের মধ্যে তাহলে জাতিসংঘ তথা বিশ্ব দরবারে দাবি জানানোর সুযোগ ২০১১ সালের ২৭ জুলাই পর্যন্ত কেন?

আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতা গ্রহণের কিছুদিনই পরই বাংলাদেশের পত্রিকায় কয়েকটি খবর আসে যে মিয়ানমার তাদের যুদ্ধ জাহাজগুলো বাংলাদেশ সীমান্তের কাছাকাছি নিয়ে এসে অবস্থান করতেছে। তখন সরকারের তাৎক্ষনিক কোন প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। ঐ সময় বেশ কিছু পত্রিকা সমুদ্র সীমা দাবি করে ভারত ও মিয়ানমারের জাতিসংঘে দাবিপেশের ব্যাপারেও লিখছিলো। কিন্তু বাংলাদেশ তখনো নিশ্চুপ ছিলো।

আপনার শিরোনামের জবাবটা আপনার কাছেই চাচ্ছি- এই অবস্থার জন্য আসলে কে দায়ী?

আপনি লিখেছেনঃ
পাশাপাশি বাংলাদেশ কোনো বিদেশী কোম্পানির কাছে তেল অনুসন্ধানের জন্য যাতে ব্লক লিজ দিতে না পারে তা ঠেকাতে দুটো দেশই তৎপর।

কথাটা ঠিক বিশ্বাস হলোনা।

তবে যায় হোক এইটা আজকে সত্যি যদি গরু কেউ নিয়ে যায় সেই দায়ভারও সরকারকে নিতে হবে আবার বিদেশী বেনিয়া কোম্পানীর কাছে এইভাবে সম্পদ তুলে দেওয়ার দায়ও এই সরকারকেই নিতে হবে।


আমি হলপ করে বলতে পারি সরকারের কার্যক্রমে এইটা স্পষ্ট এরা বিদেশী তথা ভারত, আমেরিকার দালালী করতেই এগুলো করতেছে।
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৭

লেখক বলেছেন: প্রতিবেদনটা পড়েন, ওই পাবলিকরে মাইনাস দিয়া আসেন। ঠান্ডা মাথায় পড়েন। আমি কি বানাইয়া লেখছি। ক্লেইম আর ডিসপিউট রেগুলেশন এক নাকি! কি সমস্যা আপনার?

৭. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৮
নির্বাসন বলেছেন: "পাশাপাশি বাংলাদেশ কোনো বিদেশী কোম্পানির কাছে তেল অনুসন্ধানের জন্য যাতে ব্লক লিজ দিতে না পারে তা ঠেকাতে দুটো দেশই তৎপর।"
আচ্ছা পিয়াল ভাই, টিপাইমুখ বাঁধ নিয়া আমাদের মন্ত্রীরা ভারতের রাষ্ট্রদূত যা বলেন তার সাথে কন্ঠ মেলান...কিন্তু এই ইস্যুতে তারা ভারতকে একেবারে তোয়াক্কাই করছেনা, কাহিনী কি বলেন তো?
টিপাই তে বাঁধ হোক আর যা যা ইচ্ছা তা হোক তাদের তো আর পকেট ভারী হবেনা...কিন্তু এখানে তো ভিন্ন সিনারিও , তাই না?
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১২

লেখক বলেছেন: আপনি পড়েন, তারপর সিদ্ধান্ত নেন। আমার কোনো মন্তব্য নাই। আমার শুধু প্রশ্ন। গরুটা আছে তো?

একই লেখকের পরবর্তী লেখা :

Bangladesh Still Deaf, Dumb

India submits report on continental shelf claim to UNCLCS

Thursday June 25 2009 14:00:25 PM BDT

Moinuddin Naser in New York

The Commission on the Limits of the Continental Shelf (CLCS) will include the Indian submission of its claim on the Bay of Bengal for discussion in its 25th session to be held in New York in March-April 2010. The Executive Summary of the submission, which was gathered by the Holiday Correspondent, shows that India has claimed that the submission is ‘partial’ and as such India reserves the right to further extend the claim on the Bay of Bengal.

Though the submission was made on 11May 2009, again India updated it on 27 May in accordance with Article 76, paragraph 8, of the UN Convention on the Law of the Sea.

In this submission India has claimed its right on the limits of the continental shelf beyond 200 nautical miles from the baselines from which the breadth of the territorial sea is measured. It is noted that the Convention entered into force for India on 29 July 1995.

The Executive summary states: “This is a partial submission and, as a coastal state in the Southern part of the Bay of Bengal, India reserves the right to make at a later date, notwithstanding the provisions regarding the 10-year period, a separate submission on the outer limits of its continental shelf, based on the provisions of the Statement of Understanding contained in Annex II to the Final Act of the Third United Nations Conference on the Law of the Sea..”

Bangladesh still mum

However prior to the submission by India, Myanmar submitted the claim, which will be taken for consideration in the 24th session of the CLCS, which will begin in the month of August. Bangladesh is yet to make any objection to the submission by the Myanmar. However as the Indian submission will be taken up for discussion in the 25th session of the commission, Bangladesh will get some additional time to give objection to the claim if there is any.

Meanwhile it is seen that China has already given objection to the Vietnam against its Continental Shelf Submission. There is none in Bangladesh Mission in New York who can be contacted to know about the position of Bangladesh while the Permanent Representative Ismat Jahan is preparing to leave to join her new position in Belgium.

Serious Indian efforts

The Indian Ministry of Earth Sciences, Ministry of External Affairs, Ministry of Defence, Directorate General of Hydrocarbons, Geological Survey of India, National Centre for Antarctic and Ocean Research, National Geophysical Research Institute, National Hydrographic Office, National Institute of Oceanography, Oil and National Gas Corporation were involved in preparing the claim, the Executive summary of Indian submission stated.

The summary stated that since India ratified the Convention on June 29, 1995, it is obliged to submit before 13 May 2009 the information on the outer limits of its continental shelf beyond 2009 nautical miles from the baselines from which the breadth of the territorial sea is measured. However the deadline was June 29, 2009 for this submission, but India had given so much emphasis on it that it did not give any chance to raise question about its obligation.

UNCLOS criteria

It may be mentioned that the United Nation Convention on the Law of the Sea (UNCLOS) has laid down the scientific and technical criteria for the delineation of the outer limits of the continental shelf beyond 200 nautical miles from the territorial sea baseline of a coastal state.

The submission also mentioned that the claim was submitted pursuant to the provision of the convention, but “as coastal state in the Southern Part of the Bay of Bengal and in pursuance of the provisions of Statement of Understanding, India reserves the right to make a separate second partial submission of information and data to support the outer limits of the continental shelf in accordance with the provision of the statement at a later date, notwithstanding the provisions regarding the 10-year period.”

In the submission of continental shelf claim, India intended to establish the outer limits of its continental shelf beyond 200 nautical miles from the territorial sea baselines in Easter Offshore and Western offshore regions. The Eastern Offshore region comprises the region of mainland India in the Bay of Bengal and the Western Offshore Region of Andaman Islands and Western offshore region in the Arabian Sea.

Blocking Bangladesh

In the Bay of Bengal India wants to block Bangladesh by extending its continental shelf on the western side of Andaman Islands and on the eastern side of mainland. In the eastern side the Talpatti island and two gas blocks are located in the Sundarban side, according to knowledgeable source in New York.

The executive summary of the submission pointed out that India has already resolved dispute over maritime boundary with different countries. But the dispute between India and Pakistan, India and Oman and over Bay of Bengal with India-Bangladesh – Myanmar are yet to be resolved. But it is known to all that the Indian institutions like National Institute of Oceanography helped Myanmar in preparing its submission and as such it is known to all that India and Myanmar have outlined a common strategy regarding Bay of Bengal, which aimed at grabbing Bangladesh’s right over the Bay of Bengal and its access to international sea conference routes. Incumbent member of the Commission on the Limits of the Continental Shelf (2007 – Present) Dr S Rajan and former member Dr Naresh Kumar Thakur assisted the preparation of Indian submission. But Bangladesh has got no such expert and still the country is playing a deaf and dumb role in this regard, knowledgeable sources said.

——————————
Moinuddin Naser in New York
NY, USA

Courtesy
http://www.weeklyholiday.net

৮. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৩
নির্বাসন বলেছেন: আর একটা কথা...একটু আগে আমারে এই পর্থম জিনাড়েল বানাইলো...শেক!
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৬

লেখক বলেছেন: টুপি কই? টুপি ছাড়া জেনারেল ভালো দেখায় না। তারপরও ওয়েলকাম টু দ্য ক্লাব

৯. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৭
ইউনুস খান বলেছেন: প্রতিবেদনটা পড়ছি। এ রকম আরো কত হাজারো প্রতিবেদন পড়ছি। কত ভুয়া...... কত নাটক ঐ সকল প্রতিবেদনে জমা আছে............. দেখেছি।

আনু স্যারের প্রতি যথেষ্ট শ্রদ্ধা আছে। উনি শুধু শুধু রাস্তায় নামেনি।

আর সমস্যার কথা বলতেছেন না। কি জন্য বললেন আপনের পোস্টে মন্তব্যে করি বলে। না বললে করুম না। ব্যান করে রাখেন আমারে আপনের ব্লগে।
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৯

লেখক বলেছেন: উল্টা বুঝলেন। আর কিছু বলার নাই। আরো বছরখানেক পর যখন সব রহস্য খোলাসা হবে অমি পিয়ালের এই পোস্ট নিশ্চয়ই আপনার স্মৃতিতে আসবে। অপেক্ষায় থাকলাম

১০. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৫
ইন্ঞ্জিনিয়ার বলেছেন: হে হেহ হেহ, পিয়াল ভাই, আমারে সেফ কইরা দিছে :)
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৮

লেখক বলেছেন: অভিনন্দন। দলবলের সুবিধা আছে মিয়া

১১. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৮
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: ভিন্নমত খতরনক চীজ...বিশেষ করে এইখানে! এই পোস্টে আর আগের পোস্টে আপনার মত অনেকগুলাই মানি নাই, তবে জেনারেল বানানোর কারণও দেখি না!

সমগ্র জনতা যা বলে তাই যদি কইতে হয়...তাইলে নিজের কথা বল্বে কে?
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪০

লেখক বলেছেন: হাহাহা। সব ছাগুর এক ম্যাতকার, এর মধ্যে ভিন্ন চিৎকার না করলে ক্যামনে হইবো।

১২. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০০
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: পারিবারিক আর ব্যক্তিগত ঝামেলায় কোনঠাসা হয়া আছি বস; সাম্প্রতিক বিষয়াবলী নিয়ে গবেষনার টাইমই পাইতাছিনা, তয় ব্লগের হাওয়া দেইখ্যা বুঝার বাকি নাই কিছু। সামনে আরো যে কতো কিছু সামাল দিতে হৈবো, সেইডাই ভাবতাছি :) আপনের লগে আছি, এইটা ঘোষনা করার মতো সৎসাহসের অভাব হয়নাই। তা জানানোর লাইগা লগইন হইলাম। ঢেকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানুম।
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: আমার আসলে এইসব ব্যাপার নিয়া ক্যাচাল করার কোনো আগ্রহ নাই। আমি যখনই কোনো হাউকাউ দেখি, যখন দেখি বিপ্লব হইয়া যাইতেছে, তখন একটু আগ্রহ হই, আমি যা জানছি সেইটা জানাই। এতে কিছু লোকজন বিরক্ত হয়। কারণ তারা যে হুদাই হাউকাউ করছে এইটা প্রকাশ হইয়া যাওয়ার লজ্জা তারা ঢাকে উল্টা গলাবাজি কইরা

১৩. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০১
জাতি জানতে চায় বলেছেন: আপনের কথা অনেকাংশেই ঠিক!! যদিও ঠিক একই কথা শেভরনের এক কর্মকর্তার কাছে শুনেছিলাম, তখন অবশ্য উনার উপর ব্যাপক রাগান্বিত ছিলাম! কিন্তু পরে মনে হল কিছু কথা ঠিকই থাইকা যায়!! উনারা এত তেল-গ্যাস নিয়া আন্দোলন করেন, অথচ বাপেক্সকে কিভাবে গঠন করলে এটি একটি সাবলম্বী প্রতিষ্ঠানে পরিনত হতে পারে সেটার ব্যাপারে তেমন কিছু করতে দেখি না!! আর উভয় প্রতিবেশীর কর্মকান্ড নিয়া উনাদের কোন ব্যাখ্যাও দেখি না বা এ অবস্থায় কি করা যেতে পারে সে ব্যাপারেও পরিস্কার কোন কথা উনাদের কাছে শুনি নাই!!

তবে সরকার যে চুক্তিটা করেছে বা করতে চাচ্ছে সেটাতে যেভাবে প্রায় ৮০% ভাগ খনিজের মালিকানা ঐ কোম্পানি গুলিকে দেয়ার কথা সেটা একতরফা হয়ে গেছে!!
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: সরকার আসলে অতিচালাকি করতে যাইতেছিলো। তারা তো কাগজপত্র জমা দেয় নাই। এখন ভারত-মায়ানমার-শ্রীলঙ্কা কিন্তু ঠিকই আমাগো ইকোনোমিক জোনগুলাতে থাবা বসাইছে ক্লেইম কইরা। সরকার এই ডিসপুট মিমাংসা করে নাই। তারা ভাবছিলো ইজারা দিয়া হয়তো পুরা ব্যাপারটা ইজারাদার আর ভারত-মায়ানমারের মধ্যে ছাইড়া দিবো, মধ্যে দিয়া লিগাল একটা ক্লেইম প্রতিষ্ঠিত হইবো, টাকাও আইবো। এখন ভ্যারাছ্যাড়া লাইগা গেছে আর কি? তবে এই আন্দোলন নিয়া আমার কোনো প্রশ্ন নাই। আমার প্রশ্ন আগে আমাদের কি উচিত না ইকোনোমিক জোন ঠিক করার ব্যাপারে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করা? ধন্যবাদ আপনারে ধৈর্য্য্ নিয়া সুন্দর মন্তব্য করার জন্য

১৪. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০৫
রোবোট বলেছেন: প্রথমে আপনাকে ধন্যবাদ। পোস্টে প্লাস।

আমার ধারণা এটা নিয়ে ভয় পাবার কারণ আছে। আমার প্রশ্ন হলো, তেল কোম্পানি গুলো কি এটা জানে না যে ব্লকগুলো বাংলাদেশের নাও থাকতে পারে? নাকি লিজ দিলে এটা অটোম্যাটিক্যালি আমাদের হয়ে যাবে?

আনতরজাতিক রাজনীতি অনেক প্যাঁচের জিনিষ। আমাদের রাজনীতিবিদরা (দলমত নিরবিশেষে) ও সরকার (প্রশাসন/কূটনীতিবিদ অর্থে) অসৎ, অলস, অশক্ত ও অকর্মণ্য। ৭৪ সালে পরীক্ষামূলক অরথে চালু করা ফারাক্কা আমরা না পারি গিলতে না পারি ফেলতে।

সাবধানে পা না ফেললে আমরা গেসি।

বাংলা পত্রিকায় আনেন। এইটা তো প্রথম আলো/নয়াদিগন্ত সবাই ছাপাবে (ভিন্ন কারণে যদিও)।


০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: ভাই, ধন্যবাদ আপনারে, আপনি বলাতে আমি এইটা আংশিক অনুবাদ করে তুলে দিছি। তারপরও অনেকে গুরুত্বটা বুঝতে পারতেছে না স্রেফ আমারে অপছন্দ করে বলে। এইখানে আমার স্ট্যান্ডটা সরকারের পক্ষে না কিন্তু, পুরাপুরি বিপক্ষে। আমি আগে আমাদের ইকোনমিক জোনটা নিশ্চিত করতে চাই, তেল গ্যাস ইজারা পরের ব্যাপার।

১৫. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৫
গাই অব গিসবর্ন বলেছেন: একটা সহজ কথা বোধয় এটাও যে যদি বাংলাদেশ সরকার বেশি গরিমসি করে, কিংবা নারাজ হয়, তাহলে ইকোনমিক জোন বা মালিকানা বা হিস্যা নিয়ে প্রতিবেশীদের সৃষ্ট যে মাইন্কাচিপায় পড়তে যাচ্ছে দেশ সেই পতনকে আরো সাবলীল করতে পারে কর্তা রাষ্ট্ররা, কিংবা তাদের নিয়ন্ত্রিত ইন্টারন্যাশনাল বডিজ! একইভাবে, চুক্তির আওতায় রিভার্স সুবিধা পাওয়া গেলেও যেতে পারে।
তবে যেকোনো একভাবে হোক, যদি শেষ পর্যন্ত সমুদ্রসীমা হারাতে হয় বাংলাদেশকে, তাহলে এদেশের সংশ্লিষ্ট কূটনীতিকদের ছাল ছাড়ানোর ব্যবস্থা নিতে হবে। কারন এইটা ধারাবহিক উদাসীনতার ফসল..একদিনে বা আটমাসে তৈরি হয়নি।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৪

লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্ট আমার পছন্দ হইছে +

১৬. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:০০
অ্যামাটার বলেছেন: পোষ্টের লাইগা ধন্যবাদ। এইবার প্লাস।
ভারম মিয়ানমাররে সাহায্য করছে, এইটা খুবই দুঃখজনক।
ভারত বাংলাদেশের সবচাইতে বড় প্রতিবেশি, এইটা যেমন অস্বীকার করার উপায় নাই, তেমনই ভারতের আচরণ ৩৮বছরে কখনও বন্ধুসুলভ হয়নাই, এইটাও সত্য।
তবে বাংলাদেশ-ভারত কুটনৈতিক সম্পর্কটা এইদেশের রাজনৈতিক দলগুলো কেবলই ব্যাবহার করসে নিজেগো পলিটিকাল স্ট্যান্টবাজির লাইগা। তা না হলে ভারত আমাদের মাথাব্যাথা'র কারণ হইত না। আইজ মিয়ানমারেরে সাপোর্ট দিত না। তাই তো কই, দুই কোটি মাইনসের বার্মার এই হ্যাডম হয় ক্যামনে, পনেরো কোটির বাংলাদেশরে চোখ রাঙ্গানির!
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৪৩

লেখক বলেছেন: মাঝে মাঝে তুমি আমারে সত্যি মুগ্ধ করো!

১৭. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:০৬
মনজুরুল হক বলেছেন:

ভারতীয়রা মনে করে বাঙালি "অকৃতজ্ঞ জাতি"! বাঙালিরা তেমন প্রমানও রেখেছে। সুতরাং ভারত মিয়ানমার, শ্রীলংকা এমনকি পাকিস্তানকেও কৌশলগত কারণে বন্ধু ভাবতে পারে, বাংলাদেশকে নয়। এটা আমাদের নীতিনির্ধারকরা ভুলে যান।

তবে পেট্রোবাংলার মত একটা ফাউলে ভরা প্রতিষ্ঠানের দলিল-দস্তাবেজেও বিশ্বাস রাখতে পারিনা!

আমাদের আমলারা ২০ বছর পরে জাতিসঙ্ঘের কোন এক পোস্টে নির্বাচিত হওয়ার জন্য ২০ বছর আগে থেকেই লবিং মারায়। সেই লবিং মারাইতে গিয়া তারা তাগোর মূল কাজ অর্থাৎ কূটনৈতিক দায়িত্ব শিকায় তুইল্যা রাখে।

আর আমাগো সব সরকারেরই সমস্যা জিইয়ে রাখা জন্মগত দোষ। পৃথিবীর সব সরকারেরই ১০% দুর্নীতির অলিখিত অনুমোদন থাকে, কিন্তু বাঙালির কোন লিমিট নাই! তারা চায় টপ টু বটম খাইয়া ফালাইতে।

মনে হয় ধান ভানতে শিবের গীত গাইলাম।

ব্যক্তি আনুর খুব একটা মূল্য নেই আমার কাছে, কিন্তু এই দাবিনামা নিয়ে যে বা যারাই সচেষ্ট হবে, তাদেরকেই সমর্থন দেব। দেওয়া কর্তব্য মনে করি।

নিজামী যখন টাটা রে পাইপলাইনের বদলে ষ্টিল মিলে পানির দামে গ্যাস দিতে চাইছিল তখন আমরা মাত্র কয়েকজন এই ফোপর দালালীর মাজেজা প্রচার করছিলাম। যেভাবেই হোক মুহতেরামা খালেদা জিয়া কামডা করতে পারে নাই। টাটারে ৪শ কোটির মূলা উঠাইয়া নিতে হইছিল।

এনি ওয়ে, আমি ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করতেছি.....................................
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:১৪

লেখক বলেছেন: চেষ্টা কইরা সফল হইলে বস জানাইয়েন, আমি ব্যাপক আন্ধারে আছি

১৮. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:০৯
আতিকুল হক বলেছেন: গরুটা সম্ভবত আমাদের থাকছে না।

বাংলাদেশ সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করে ৯৫ সালের দিকে। বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার পক্ষে কোন প্রয়োজনীয় তথ্যের কিছুই জাতিসঙ্ঘে জমা দেয়নি। ভারত এবং মায়ানমার জমা দিয়েছে। তারা নিজেরা সমঝোতায় পৌছে যে দাবি করেছে তাতে বাংলাদেশের সাগর দিয়ে বহিঃবিশ্বের সাথে যোগাযোগের চ্যানেলই থাকবে না।

কোন সরকারই এই নিয়ে কিছুই করেনি এবং আমার মনে হয় কিছু করবেও না। তবে বিদেশী কোম্পানির হাতে তুলে দেয়ার জন্য এটাকে অজুহাত দাড় করানোটাও খুব চিকন বুদ্ধির কাজ। বুঝি না। আমাদের নিয়া সবাই খেলে। ফুটবলের মত লাথি খাওয়াই আমাদের কপাল মনে হয়।

আমার মনে হয় প্রশ্নটা এখন আগে রেপ কইরা পরে মারা নাকি রেপ করতে করতে মারা। কোনটাই খুব আরামের মনে হইতেছে না। যারা রেপড হইয়া সুখ পাইতাছে তারাই আরামে আছে।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:১৬

লেখক বলেছেন: আপনার বক্তব্যে আতংকিত হওয়ার ব্যাপক উপাদান আছে। করণীয় কি মনে করেন?

১৯. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৯
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: এইটাতো কামের কথা.....।

আগে সমুদ্র সীমানা নির্ধারন করতে হবে, তারপর দেখতে হবে কতটুকু যায়গায় তেল-গ্যাস আছে| এই সরকারের মাথা ঠিক আছে কি না সন্দেহ আছে, কোন আবালযে বুদ্বি দিছে চুক্তি করতে কে জানে|তার উপড়ে কে কইছে পুলিশ দিয়া পিটাইতে কে জানে|

সরকারের উচিত ছিল ডাল-বাম-মধ্য তথা সব শ্রেনীর মতামতের ভিত্তিতে সীমানার দাবীটা ফয়সালা করা, তার পরে চুক্তি দেয়া বা নীজেরা করা|আপনি যেই প্রস;গটা সামনে আনলেন সরকারের কেউতো সেসব নিয়া মাথা ঘামায় বইলা মনে হয় না, সবাই এখন ভা;গা পায়ের হাড্ডি কেমনে জোড়া দেয়া যায় হেইডা নিয়া চিন্তায় আছে|


(পোষ্টে প্লাস)

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০১

লেখক বলেছেন: :)

২০. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৭
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:

জেনারেল কর্লো নাকি আবার? সামহয়ার জানি চালায় কে?
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৫

লেখক বলেছেন: :)

২১. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১৯
রোহান বলেছেন: আরও মজাক :) তয় আফসুস এই পোষ্টে বিপ্লব কম দেখা যাইতাছে...

বেশ কদিন আগে এক ব্লগারের লগে ক্যাচাল হইছিলো। হ্যায় পোষ্ট দিসিলো আমগো মোজাফফর নানায় নাকি কইছে টিপাইমুখ বন্ধ কর নাইলে সরকার গদি ছাড়ো। আমি কইলাম নানার কাম তো পরামর্শ দেওয়া, গদি ছাড়ায় কারে বসাইলে আর কি কি করলে টিপাইমুখ বন্ধ হইবো হেইডা তো নানায় কয় না ;) আর উনি ক্ষেইপা গেলেন :)

আসলে এইসব জাতীয় ইস্যুতে আমগো কিছু অতিরিক্ত বুদ্ধিওলাদের হটাৎ লাইমলাইটে আসতে দেখতে ভালোই লাগে। তবে কেনো জানি বিরোধীতার জন্যই বিরোধীতা মনে হয়, আসল সলিউশন কেউ দেয় না। আফসোস লাগে এইসব বুদ্ধিজীবিদেরও পল্টন মার্কা ডায়লগ দিতে দেখলে।

তয় আনু মোহাম্মদরে মারার ঘটনায় কিছু পেজগী অবশ্যই আছে, যেমন মনে হইছিলো ল্যাম্পপোষ্টের ঘটনায়। পুলিশের সামনাসামনি হবার হালকা পাতলা জানা অজানা থিকা কই, এই পিচ্চি পিচ্চি দুইটা প্রটেষ্টে পুলিশ হটাৎ এরম আউলা হইলো কেন বুঝতে পার্তাছি না ;)
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৪

লেখক বলেছেন: ভালোই কইছেন। আসলে লাল ঝান্ডাগো মানুষ কইলাম হাতে গোনা কয়ডাই, এদের কেউ মধুতে বইয়া দুনিয়া উল্ডায়া লায়, কেউ টিএসসির চাখানায়। নতুন মুরগা-মুরগীগো (নতুন ভর্তি হইছে) বযান দেয়। বয়সটা যখন স্বপ্ন দেখার তো সমাজতন্ত্রের রোমান্টিসিজমটাই তাগো কাছে ব্যাপক ফ্যান্টাসির যার ফায়দা লয় এইসব বকাবাজ। সামুতে এমন কিছু বকাবাজ বুদ্ধিজীবি আছে, যারা শিবিরের মতো স্পেসিফিক কিছু শব্দ ও বাক্যের বাইরে যাইতে পারে না। শিবির নকল করে করাচির প্রো ইরানিগো, আর হেরা করে কলকাতার প্রো চায়নিজগো- লেখায় সে কি আগুনঝরা শব্দ। কোনো প্রশ্ন করলে ত্যানা প্যাচাইয়া ইয়া বিশাল বিবৃতি দিবো, মাগার আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতারবো না।

পুলিশ প্রসঙ্গে আর কি কমু, বহুদিন পাবলিক পিডাইতারে না, চান্স ছাড়ে নাই

২২. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৭
মেঘ বলেছেন: জেনারেল কেন?
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৯

লেখক বলেছেন: উস্কানীমূলক মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাইলে কর্তৃপক্ষ মন্তব্য মুইছা জেনারেল বানাইয়া দেয়, তবে উস্কানীদাতার সাত খুন মাফ। গেমটা চরম। আপনে ক্যামনে বাইচা আছেন?

২৩. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৪
রুবেল শাহ বলেছেন:
এই সুযোগে অনেক ছাগু হিরো হইবেক ...............
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৩

লেখক বলেছেন: হাবেভাবে যা বুঝতাছি আমারে তারা দয়া কইরা জেনারেল বানায়া রাখছে, ওয়াচে বা ব্যান না কইরা দয়া দেখাইছে। আমার তো কৃতজ্ঞ থাকা উচিত

২৪. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৯
নাজনীন১ বলেছেন: ভাল পোস্ট। মায়ানমারের সাহস দেখে সত্যিই অবাক হই। সাহস নেই শুধু আমাদের। আমরা কাউকে কিছু করতে পারি না, নিজেকেও রক্ষা করতে পারি না।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২০

লেখক বলেছেন: মায়ানমারের পিছনে চীন আছে। তাদের অফশোর আর বন্দরগুলা কন্ট্রোল করে তারা। আর বাংলাদেশের বিপ্লবীদেরও ;)

 

মোট সময় লেগেছে ১.০০০১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বন্ধুত্বে উদার, শত্রুতায় নির্মম : কিছু করার নাই, রাশির দোষ
........................
জামাতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে মহানবীর (দঃ) সতর্কবাণী :

শেষ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ