আমার প্রিয় পোস্ট
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন স্কোয়াড - টেকনলজী
- মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর ও ফোর্স অধিনায়ক জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে গৃহীত সরকার/ সিইনসি ওসমানীর তিনটি পদক্ষেপ ও আমার জিজ্ঞাসা - নুরুজ্জামান মানিক
- যে কারনে পিলখানা হত্যাকান্ড এবং সাম্প্রতিক ছাত্রলীগ কর্মী হত্যাকান্ড ভয়ঙ্করভাবে একই রকম - রাজিয়েল
- "তাহারা এবং তদ্ সংক্রান্ত সুপ্রবচন": ইহা একটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ছড়া, পঠন কালে নর্তন বাঞ্ছনীয় - মতিউর রহমান সাগর
- ঊনসত্তুর থেকে পচাঁত্তুর-'৭১এ যাদের বয়স তিনের কম ছিল তাদের থেকে সামুর কনিষ্ঠতম ব্লগারটিকে উৎসর্গীকৃত-পর্ব ৩ - ত্রিশোনকু
- বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন যারা!!! - তাহের
- আবারো স্বদেশপ্রেমের পরিচয় দিল শিবির। - সানুনয়
- পল গোয়েবল বিগ লাই থিওরী,৩৫ বছর ধরে লালন করা কয়েকটি মিথ্যা । ইতিহাসের কাঠগড়ায় যখন সত্য । - আশমএরশাদ
- একজন হিন্দুর হিন্দু হয়ে ওঠা-১ - রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী
- একটি বিজয় দিবসের গল্প। (প্রথম পর্ব) - হাসান শহীদ ফেরদৌস
- বাংলাদেশে দূতাবাসে ভারতীয় কম্যান্ডো? - দিগন্ত
- জামাত দিচ্ছে মুক্তিযোদ্ধার সংবর্ধনা : আসুন আলোচনা হোক - শিপন আবদুর রাজ্জাক
- দরদী হইও মাগো দরদী হইও, সময়ে সময়ে মাগো পাষানী হইও। - অধ্যায়
- কাঁকন বিবিঃ খাসিয়া মুক্তি বেটি - ইফতেখার.আমিন
- একসাথে একাধিক ইয়াহু মেসেন্জারে লগ ইন করুন!!

- ইসানুর
- দৈনিক রাজাকার - সবাক
- আমি হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল! (আওয়ামী লীগ বনাম বিএনপি)
- নাফিস ইফতেখার
- অত:পর কোথায় পালাবে তুমি? - তাজা কলম
- লুকালরে আমি ভালা পাই যে কারণে - স্ট্যানলি কুবরিক
- কিভাবে সেপ থাকবেন , তাঁর লেটেস্ট গাইড - স্ট্যানলি কুবরিক
- সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখি - স্ট্যানলি কুবরিক
- চাঁদ, পাহাড় ও ফরাসী স্বপ্ন - লাল দরজা
- নিউজউইকে সেক্টর কমান্ডার নাজমুল হকের দুষ্প্রাপ্য সেই সাক্ষাৎকার - ফিউশন ফাইভ
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- তেল গ্যাস নিয়ে ব্লগার মেঘনাদ এর অপমানজনক উত্তরের জবাবে আমার মত - সায়েমুজজ্জামান
- সামহোয়্যারে যা ঘটলো, যা ঘটবে তার 'পেছনের কারণ' - Arild, you MUST read this - ধুসর গোধূলি
- ব্লগে বিরাজমান অস্থিরতা বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ !! - নোটিশবোর্ড
- বদরের যুদ্ধের প্রেক্ষাপট: ডাকাতি-লুট না অত্যাচারিতের অধিকার আদায়? - জ্বিনের বাদশা
- কবিতারা…….. - শওকত হোসেন মাসুম
- মহামান্য ঈশ্বরের ডিম সংকট [একটি নিরাপদ পোস্ট] - খেজুর কাঁটা
- অগভীর ভাবনা - বামান্দোলনের ব্যর্থতা - রাসেল ( ........)
- হুমায়ুন আজাদের কিছু নির্বাচিত প্রবচন - জানজাবিদ
- আমিই স্বাধীনতার ঘোষক
**একটি ঐতিহাসিক পোস্ট** - নাফিস ইফতেখার
- ভার্চুয়াল রা(ড়া)জাকার নিধন , বাস্তব প্রেক্ষিত ও আমার ব্যাক্তিগত মিশন - |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক|
- আমার প্রেমিকারা - হুমায়রা পর্ব
- ~স্বপ্নজয়~
- ব্লগ বাসী আপনারা কেমন আছেন?- মাতলামি দেখতেছি, হাসতেছি - জমির মাতব্বর
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
- সে দিন অপরাজেয় বাংলার দিকেও তাক করে রাখা ছিল একটা ট্যাংন্ক... - লাল দরজা
- আমায় ক্ষমা করে দিও, বঙ্গবন্ধু। - রন্টি চৌধুরী
- আমার স্মৃতিতে হুমায়ুন আজাদ: যেভাবে তাকে হাসপাতলে নিয়েছিলাম এবং পরবর্তী ঘটনাগুলো... - হাসান শরিফ
- বাংলার তাজ- তাজউদ্দীন আহমদ - ইফতেখার.আমিন
- একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা(পুরো সামহোয়্যর ইন ব্লগের দৃষ্টি আকর্ষন করছি) - েমেহদী হাসান
- বিভিন্ন প্রকারের ব্লগার (একটি জেরী-আউলা-তানজু প্রযোজনা) - আউলা
- জেনারেল অরোরার কাছে পাকিদের আত্মসমর্পণ এবং সে অনুষ্ঠানে ওসমানীর অনুপস্থিতি প্রসঙ্গ - নুরুজ্জামান মানিক
- ঘূর্ণাবর্তনের রাজনীতি। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- ফরহাদ মজহারঃ নাস্তিক মোল্লা - মোস্তাফিজ রিপন
- আমি যে কারণে ল্যাম্পপোষ্টের আচরণ সমর্থন করছি না। - রাসেল ( ........)
- কার কার মনে আছে নাজিয়া হাসানকে? - ইমন জুবায়ের
- বানান ও লেখ্যরীতি : প্রথম আলোর একটি আদি স্টাইল শিট - ফিউশন ফাইভ
- জামাতে ইসলামকে ভুটাইলে যে ফায়দাগুলা পাইতাম - মাতাল মাহবুব
- দুঃখিত, আমি এই জাতীয় কীটদের আমাদের মাঝখানে দেখতে চাই না - হাসিব
- গল্পঃ বসন্ত শেষে - আকাশ_পাগলা
- টিপাইমুখ, টেকনিক্যাল দিকটা চিন্তা করুন, কার ক্ষতি কে করছে? - হমপগ্র
- রাজকন্যার কাছে বাবার কৈফিয়ত... - অমি রহমান পিয়াল
- একটি জিনিস বানাতে দীর্ঘ সময় নিলেন ঈশ্বর। কি সেই জিনিস!!....? - মাহবুবুল ইসলাম (সুমন)
- এখনই সময় পা ধরে মাফ চাওয়ার। - মাথামোটা
- নীতিতে অটল এবং প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, তাই হার মানব না। - মাথামোটা
- ত্রিভুজের কিছু প্রশ্নের উত্তর আমি যেমন জানি - জমির মাতব্বর
- অতপর ভুল স্বীকার করিলে তাহাকে হত্যা করা হইলো - ঝরা পাতা
- ছবি এডিটিং এর কিছু প্রয়োজনীয় সাইট - বোকা ছেলে
- মিথ্যার বেসাতি : নীল আর্মস্ট্রং এর মুসলিম হয়ে ওঠার ইসলামী কল্পকাহিনী - লাইটহাউজ
- বিয়া ব্লগীং, থুক্কু বিবাহের ছবি - অন্যমনস্ক শরৎ
- সাপ্তাহিক ব্লগ সমাচার এই যে # ৯ই মে, ২০০৯
- নাফিস ইফতেখার
- একটা গোপন অথচ দরকারী পরামর্শ - লেখাজোকা শামীম
- কবি - শিমুল সালাহ্উদ্দিন
- ছাত্রশিবির কি রাজাকার? - নুসরাত জাহান যুথি
- Anatomy of জামাতে ইসলামী ও কিছু সোজা-সাপটা কথা - পাললিক মন
- টেকনো আর ইলেকট্রনিকা :: খারাপ না, চলে - শূন্য আরণ্যক
- ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যার সময় যেই যুদ্ধাপরাধীরা জেলে ছিলেন তাদের বিচার করা হোক আগে - লেখাজোকা শামীম
- ইতিমধ্যে দন্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের এখনও বিচারের আওতায় আনা সম্ভব - রেজওয়ান
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার রোধে আন্তর্জাতিক চাপ - রেজওয়ান
- একাত্তরের গণহত্যার ভিডিও - রেজওয়ান
- ৩০ খান ছুপার হিট হা হা পো গে ফটুক: ১১-২০ - ফয়সাল আকরাম
- আত্মবিশ্লেষণ, বনাম-সাধারণ/অসাধারণ এবং একটি ঘৃণাস্তম্ভের প্রস্তাবনা - মেঘ
- টিউটোরিয়াল - কিভাবে হবেন পেশাদার ব্লগীয় গুলবাজ/গুজবকারী/রটনাকারী (ওপেনসোর্স পোস্ট) + ২০০তম
- নাফিস ইফতেখার
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- অথ: সেরা পোস্ট এ্যান্ড/অর নির্বাচিত পোস্ট সমাচার - হাসিব
- কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!! - চে
- ডক্টর জাফর ইকবালের লেখা, মিরাজভাই, এ-টীম এবং নরাধমের কিছু কথা। - নরাধম
- জামাতে ইছলাম গ্রুপে যৌন হয়রানির ফাঁদ!!! - লোকালটক
- টিউটোরিয়াল - কিভাবে নিজেকে মডুদের হাত থেকে রক্ষা করবেন
- নাফিস ইফতেখার
- গোলাম আজমের ভাষা সৈনিকগিরি আর তেলাপোকার জীবন বৃত্তান্ত - এস্কিমো
- স্মারক: রাষ্ট্রপতির সচিবালয়, গণভবন, ঢাকা, পত্র সংখ্যা-৩০/১২/৭৫-সাধারণ-৭২৯/৯(৪০০) তারিখ ১২ মার্চ ১৯৭৫। - মোহাম্মদ আরজু
- আজ মডুর বিয়ে - নাফিস ইফতেখার
- সাবাশ কম্বোডিয়া!! বাংলাদেশেও শুরু হোক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার - জ্বিনের বাদশা
- বাবার ডায়েরীতে ১৯৭১ (৫ম পর্ব) - লীনা দিলরূবা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই-১: একটা কমিশন গঠনের কাহিনী - শওকত হোসেন মাসুম
- একজন নতুন ভোটারের মনের কিছু কথা........ - নাফিস ইফতেখার
- জামায়াতে ইসলামী এর ইতিহাস ফিরে দেখি - ইরতেজা
- চেতনার সম্ভ্রম বনাম স্ববিরোধীতার আয়নায় মুখোশের আড়ালে মুখ ! - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- আসেন আমরা সবাই মিল্যা নামাজ পইড়া যুদ্ধাপোরাধীগো বিচার চাই - সামী মিয়াদাদ
- সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুয়ায়ী রাজাকার, মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা জামায়াতে ইসলামীর নেতা থাকতে পারে কি?? - একরামুল হক শামীম
- আবে, কোন মামদির পো সামনে খাড়া? যা কিনার - লাল দরজা
- পাগলের রাজণৈতিক প্রলাপ : ( বিশেষ পর্ব) [স্বঘোষিত রাজাকারদের অপপ্রচারের প্রতিবাদ] - এ. এস. এম. রাহাত খান
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- সহীহ মুসলিম মতে গোলাম আজম, নিজামি, মুজাহিদ, সাইদী এবং অন্যান্য জামাতিদের ইমানের স্তর। - হ্যারি সেলডন
- সামহোয়ার ক্লাসিক : কার্টুন কেলেঙ্কারি ও ছাগুদের ম্যাতকার (ইতিহাসের পাতা থেকে) - স্ট্যানলি কুবরিক
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- ৮ই ফাল্গুন কি হারিয়ে যাবে? আসুন বাঁচানোর একটা চেষ্টা করি। - যীশূ
- ইতিহাস খুড়ে দেখা : মুজিবনগর সরকার, স্বাধীনতার ঘোষনাপত্রের মুল দলিল এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক - মিরাজ
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন দৈনিক সংগ্রামে জাতীয় সংগীত সংক্রান্ত ফতোয়া - এস্কিমো
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( প্রথম পর্ব) - একরামুল হক শামীম
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( ২য় পর্ব ) ( যেকোন রাজাকার এবং রাজাকার সমর্থনকারীদের প্রতি ওপেন চ্যালেঞ্জ, পারলে যুক্তিগুলো খন্ডন করুন) - একরামুল হক শামীম
- আদর্শের জন্য নয়, জামাত পাকিস্তানপন্থী হয়েছিল টাকার জন্য। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে নিয়মিত অর্থ পেতো জামায়াত। - শওকত হোসেন মাসুম
- বাবা কেন যুদ্ধে গেল? - কালপুরুষ
- একটি জাতির জন্ম: জিয়াউর রহমানের নিজের লেখা পড়ুন (১) - আমি সাগর
- পাকিস্তানের জন্য গোলাম আযমের আক্ষেপ ফুরাবে না! - শওকত হোসেন মাসুম
- এ ছবি আপনাকে দেখতেই হবে! আপনি এদেশের মানুষ নন? - তীরন্দাজ
- ছবি ব্লগ : গর্বের এবং বীরত্বের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- ও আমার দেশের মাটি : একটা অসাধারণ ভিডিও । এটাই মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের চেতনা - মিরাজ
- ফাঁসি দেয়ার সঠিক পদ্ধতি
- ইকরাম
- অনেক অজানা অতীত : নতুন প্রজন্মের জন্য। স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ২ (ইংরেজী টেক্সট সহ) - মিরাজ
- ছহি রাজাকারনামা - জেনারেল
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জামাত-শিবির কেন সন্ত্রাসী সংগঠন - অমি রহমান পিয়াল
- ওয়ার্ডপ্রেস ডেটাবেজ ব্যাকআপ রাখুন - গুগুল
- লিংক: রাজাকারের তালিকা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার- সময়ের দাবি - অঃরঃপিঃ
- গোলামের আরো কথা - অঃরঃপিঃ
- থাকলে এমনেই থাকতে হইব, নাইলে ফুট্ - অঃরঃপিঃ
- রাজাকার নিয়া আরেকটু কথা (আড্ডাবাজরে) - অঃরঃপিঃ
- আমাদের গান / সুমন : কোনও এক চিন্ময়ীকে - অঃরঃপিঃ
- স্বীকারোক্তি : আমি একটি অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছি... - অঃরঃপিঃ
- বইয়ের বিজ্ঞাপন : বইমেলায় আমাদেরও বই... - অঃরঃপিঃ
- নতুন সংকলণ : তেকোণালজি - অঃরঃপিঃ
- তেকোণালজি এখন হার্ডকাভারেও - অঃরঃপিঃ
- টুকে লেখা, পড়ে লেখা, জেনে লেখা... (আলী, হাবিব মহাজন। ফাডাররাও পড়তে পারেন) - অঃরঃপিঃ
চৌধুরী মঈনউদ্দিন : ভয়ঙ্কর এক খুনীর কথকতা
২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩৪
…ঘাতক, তোমার হৃদয় জুড়ে
কালো শকুন বসত করে
ঘর বেধেছে কালো শেয়াল
সাপের মতো পেচিয়ে আছো
বাংলাদেশের সবুজ জমিন,
ফনার ভেতর লুকিয়ে আছে হিংস্র থাবা
বুকের ভেতর বিষের থলি,
চিনতে তোমায় নেই তো বাকি
মধ্যরাতে আবার তুমি
নগ্ন হয়ে নামতে পারো,
স্বার্থ বুঝে থামতে পারো,
মেলতে পারো ডানা আবার
এই মাটি এই আকাশ জুড়ে…
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দিনটা পরবর্তী বিজয় দিবসগুলোর মতো ঠিক উদযাপনের অবস্থায় ছিলো না। পাকিস্তানী বাহিনীর আত্মসমর্পণ মানে ছিলো আসলে স্বস্তি, নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ তাহলে থামলো। একইসঙ্গে বাঙালী জল ভেজা চোখে বেরিয়েছে নিখোজ স্বজনদের খোঁজে, লাশ হলে লাশ, হাড় হলে হাড়। মনে পড়ছে একটি খুলির সামনে নিস্তব্ধ হয়ে বসে থাকা তিন বোনের সেই ছবিটি। খুলিটা তাদের বাবার। সারা বাংলাদেশ তখন মাইলাই-ছড়িয়ে ছিটিয়ে অসংখ্য গণকবর। স্বাধীনতার দু’দিন পর রায়েরবাজারে আবিস্কৃত হলো একটি বধ্যভূমি, বাঙালীর মধ্যে বিজয়ের আনন্দের যেটুকু ছিটেফোটা ছিলো তাও কেড়ে নিলো জঘন্য হত্যাকাণ্ডের এই নির্মম সাক্ষ্য। পরিত্যক্ত এক ইটভাটার জলমগ্নতায় চোখ বাধা, হাত বাধা অবস্থায় পড়ে ছিলো অসংখ্য লাশ। এই লাশগুলো বুদ্ধিজীবিদের। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যখন স্রেফ সময় ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে তখন মরণ কামড় হিসেবে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী কাজে লাগায় তাদের পোষ্য দালালদের। স্বাধীন একটি দেশ যাতে মেধাশূন্যতায় ভোগে, মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে, সেজন্য হত্যা করার নির্দেশ দেয় তারা এসব মেধাবী বাঙালীকে। সে নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করে জামাতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘের (এখন ইসলামী ছাত্র শিবির) সদস্যদের নিয়ে গঠিত খুনে বাহিনী আল-বদর। ব্ল্যাক আউট আর কারফিউর ঘুটঘুটে অন্ধকারে মাটি লেপা গাড়ি নিয়ে তারা হানা দেয় খতম তালিকায় থাকা বুদ্ধিজীবিদের বাসভবনে। সাংবাদিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাহিত্যিক- কে ছিলো না তাদের সেই তালিকায়!
পচাগলা সেসব লাশের তীব্র দুর্গন্ধ উপেক্ষা করে স্বজনেরা যখন তাদের চেনার চেষ্টা করছেন, তখন ক্রোধে উন্মক্ত একদল মুক্তিযোদ্ধা নেমে পড়েছেন নৃশংস এসব খুনীর খোঁজে। পেয়েও গেলেন একজনকে- আবদুল খালেক মজুমদার। জামাতী ইসলামীর তখনকার দফতর সম্পাদক এই দালাল ও ঘাতক শহীদুল্লাহ কায়সারকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন। মুক্তিযোদ্ধাদের জেরায় খালেক জানায় এসব বুদ্বিজীবি হত্যার নাটের গুরুর কথা। চৌধুরী মঈনউদ্দিন। সেসময় দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকায় সাংবাদিক সেজে থাকা এই কুখ্যাত খুনীই ছিলো আল-বদরদের কিলিং মিশনের অপারেশন ইনচার্জ। সঙ্গত কারণেই মোস্ট ওয়ান্টেড এই ক্রিমিনাল ততদিনে দেশছাড়া। খালেক তার জবানবন্দীতে জানায় ১৪ ডিসেম্বর মঈনউদ্দিনের সঙ্গে তার শেষ দেখা হয়। এদিন জামাতে ইসলামীর ঢাকা শহর প্রধান সারওয়ার ও মঈনউদ্দিন জামাত অফিসে এসে সব টাকাপয়সা নিয়ে যায়। এরপরই পালায় সে।
সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারত ও নেপাল হয়ে মঈনউদ্দিন পৌছায় পাকিস্তানে। সেখানে হাজিরা দেয় গোলাম আযমের কাছে। পাকিস্তানী পাসপোর্ট নিয়ে যায় সৌদি আরব। বাংলাদেশ নাস্তিক হয়ে গেছে (ধর্ম নিরপেক্ষতার জামাতি ব্যাখ্যা), সেখানে সব মসজিদ এখন মন্দির- ইত্যকার মিথ্যাচারে যোগাড় করে বাদশাহী ফান্ড। এই ফান্ড জোগাড়ে গোলাম আযম ছাড়াও তার সঙ্গী ছিলো সিলেটের কুখ্যাত আল-বদর ঘাতক আবদুর রাজ্জাক এবং পাকিস্তান জামাতে ইসলামী নেতা মিয়া মোহাম্মদ তোফায়েল। এই ফান্ডের উদ্দেশ্য ছিলো পার্বত্য চট্টগ্রামকে ঘাটি বানিয়ে সারাদেশে অরাজকতা সৃষ্টি ও জাতীয় নেতৃবৃন্দকে হত্যা করা। জামাত নেতা আলী আহসান মুজাহিদ এ সময় ছাতা মেরামতকারীর ছদ্মবেশে গোটা দেশে ছাত্র সংঘ ও জামাত নেতাদের গোপনে সংগঠিত করতে থাকেন। ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর অবশ্য জামাতের সেই অপারেশন চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন আর পড়েনি। পাশাপাশি ব্রিটেনে দাওয়াতুল ইসলাম নামে জামাতের একটি ফ্রন্টের দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয় মঈনউদ্দিনকে। সেখানে ইস্ট লন্ডন মসজিদকে ঘাটি বানিয়ে সে সাপ্তাহিক দাওয়াত নামে একটি জামাতি প্রকাশনার সম্পাদনা চালিয়ে যায়।
‘স্যাটানিক ভার্সেস’ লেখক সালমান রুশদীর বিরুদ্ধে আন্দোলনের মাধ্যমেই লাইমলাইটে চলে আসে মঈনউদ্দিন। ব্রিটেনের বিশিষ্ট নেতাদের একজন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয় সে। ১৯৯৫ সালে লন্ডনের টুয়েন্টি টুয়েন্টি টেলিভিশন ‘ওয়ার ক্রাইমস ফাইল’ নামে একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করে যাতে মঈনউদ্দিন ছাড়াও আবু সাঈদ ও লুতফর রহমান নামে ব্রিটেন আত্মগোপন করা তিন ভয়ঙ্কর যুদ্ধাপরাধীর সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা ছিলো। চ্যানেল ফোর থেকে পরিবেশিত এই ডকুমেন্টারিতে মঈনউদ্দিন এক লিখিত বক্তব্যে নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি জানায়। সে সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে অভিহিত করে। কিন্তু এসবই এই ঘৃণ্য খুনে বদমাশটার নির্লজ্জ মিথ্যাচার।
১৯৭২ সালের ৩ জানুয়ারি নিউইয়র্ক টাইমসে ফক্স বাটারফিল্ডের লেখা ‘আ জার্নালিস্ট ইজ লিংকড টু দ্য মার্ডার অব বেঙ্গলিজ’ নামে একটি বিশেষ রিপোর্ট ছাপা হয়। এতে বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডে মঈনউদ্দিনের সংশ্লিষ্ঠতার আদ্যোপান্ত বর্ণনা ছিলো। সেখানে পূর্বদেশ সম্পাদক এহতেশাম চৌধুরীর বয়ানে মঈনউদ্দিনের বিরুদ্ধে তার ভাইকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়। এহতেশাম নিজে রক্ষা পান অফিসে আশ্রয় নিয়ে। ফক্সের প্রতিবেদনে লেখা হয় : To his fellow reporters on the Bengali-language paper where he worked, Chowdhury Mueenuddin was a pleasant, well-mannered and intelligent young man…there was nothing exceptional about him except perhaps that he often received telephone calls from the leader of a right-wing Moslem political party. But, investigations in the last few days show that those calls were significant. For Mr. Mueenuddin has been identified as the head of a secret, commando like organization of fantatic Moslems that murdered several hundred prominent Bengali professors, doctors, lawyer and journalists in a Dhaka brick yard. Dressed in black sweaters and khaki pants, members of the group, known as Al-Badar, rounded up their victims on the last three nights of the war…Their goal, captured members have since said, was to wipe out all Bengali intellectuals who advocated independence from Pakistan and the creation a of a secular, non Moslem state.
…According to one captured member now being held in the Dacca jail, the reporter, Mr. [Choudhury] Mueenuddin, had been the master-mind of the organisation. A diary belonging to Mr. Mueenuddin's room-mate has been found. It listed the names of Al Badar members and how much money they contributed to the group. The two men lived next door to the Dacca headquarters of Jamaat-e-Islami, a right-wing Moslem political party that ran in the last elections for the National Assembly last year but won less than one per cent of the vote. Al Badar is believed to have been the action section of Jamaat-e-Islami, carefully
organised after the Pakistani crackdown last March.
Mr. Mueenuddin was last seen on 13 December after having an argument with a fellow reporter at their paper, Purbodesh. That reporter was kidnapped from his house by Al Badar a few hours later.
এর আগে ২৯ ডিসেম্বর ১৯৭১, ডেইলি অবজারভারে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয় : “Chowdhury Mainuddin, a member of the banned fanatic Jamaat-e-Islami, has been described as the “operation-in-charge” of the killing of intellectuals in Dhaka by Abdul Khaleq, a captured ring leader of the Al-Badr and office bearer of the Jamaat-e-Islami.”
নিউইয়র্ক টাইমসে তার যেই সঙ্গীর কথা বলা হয়েছে তার নাম আশরাফুজ্জামান, ইসলামী ছাত্র সংঘের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। মঈনউদ্দিন ছিল অপারেশন ইন চার্জ আর আশরাফুজ্জামান ছিলো প্রধান জল্লাদ বা চিফ একজিকিউশনার। যে গাড়ি করে ঘাতকেরা বুদ্ধিজীবিদের রায়ের বাজারের শিয়ালবাড়ি বধ্যভূমিতে নিয়ে যেত, তার ড্রাইভার মফিজুদ্দিন ধরা পড়ার পর জবাববন্দীতে তার এই পরিচয়ই দেয়। দুজনে জামাতে ইসলামী অফিসের উল্টোদিকে থাকত। আশরাফুজ্জামানের ৩৫০ নম্বর নাখালপাড়ার বাড়ি থেকে একটি ব্যক্তিগত ডায়েরি উদ্ধার করে মুক্তিবাহিনী। সেখানে দুটো পৃষ্টায় ২০জন বুদ্ধিজীবির নাম পাওয়া যায় যাদের মধ্যে ৮ জনকে হত্যা করা হয়। তারা হলেন মুনীর চৌধুরী, ড. আবুল খায়ের , গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, রশিদুল হাসান, ড. ফয়জুল মহী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক ডাক্তার গোলাম মুর্তজা। এদের প্রত্যেককে আশরাফুজ্জামান নিজে গুলি করে হত্যা করেছিল বলে জবানবন্দী দেয় মফিজুদ্দিন। ডায়েরির অন্যান্য পাতায় দালাল বুদ্বিজীবিদের নামের পাশাপাশি আল-বদরের হাই কমান্ডের নামের তালিকা ছিলো। এতে মঈনউদ্দিন ছাড়াও ছিল কেন্দ্রীয় কমান্ড সদস্য শওকত ইমরান ও ঢাকা শহরপ্রধান শামসুল হকের নাম।
আশরাফুজ্জামান যেসব সাংবাদিককে হত্যা করেছিল তার মধ্যে অন্যতম পূর্বদেশের শিফট ইনচার্জ ও সাহিত্য পাতা সম্পাদক আ.ন.ম গোলাম মোস্তফা। ঘটনার কয়দিন আগে মঈনউদ্দিনের সঙ্গে তার ঝগড়া হয়। গোলাম মোস্তফা জামাতে ইসলামীর সমালোচনা করায় মঈনউদ্দিন তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। ওয়ার ক্রাইমস ফাইলে এক সাক্ষাতকারে এই ঘটনাটা বলেছেন আতিকুল ইসলাম যিনি টাইমসের প্রতিবেদনে পন করেছিলেন মঈনউদ্দিনকে যেভাবেই হোক খুজে বের করার। মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে খালেকের নিশ্চিত মৃত্যু ঠেকিয়ে তাকে দিয়ে জবানবন্দী নেওয়ার সুপারিশটা আতিকের। মঈনউদ্দিনকে নিয়ে পত্রিকায় প্রথম প্রতিবেদনটিও তার। আর এই প্রতিবেদনের ছবি দেখেই মঈনউদ্দিনকে বুদ্ধিজীবি অপহরণে সনাক্ত করেন অনেকেই। এদের মধ্যে ছিলেন প্রানে বেঁচে যাওয়া বিবিসির বাংলাদেশ সংবাদদাতা আতাউস সামাদের দুই প্রতিবেশী, নিহত সাংবাদিক সিরাজউদ্দিন হোসেন স্ত্রী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরীর ছোটো ভাইয়ের স্ত্রী ডলি চৌধুরী। এই মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরীর ছাত্র ছিলো মঈনউদ্দিন এবং একপর্যায়ে তার মুখ ঢেকে রাখা রুমালটা সরে গেলে তাকে চিনে ফেলেন তারা। আশরাফুজ্জামানের ডায়েরিতে আতিকুল ইসলামের নামও ছিল। কিন্তু সেটি ছিল ভূল ঠিকানা। মঈনউদ্দিনকে সন্দেহ করতেন বলেই আসল ঠিকানাটা দেননি তিনি।
স্বাধীনতার পর স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিলো আল-বদরদের গ্রেপ্তারে। তালিকায় শীর্ষ নামটি ছিলো চৌধুরী মঈনউদ্দিনের। ফেনীর বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সাংসদ জয়নাল আবেদীন নির্দিষ্ট দায়িত্ব পেয়েছিলেন মঈনউদ্দিনকে গ্রেপ্তারের। কিন্তু অনেক খুঁজেও তার হদিস পাননি। ঘাতকদের অনেকেই গ্রেপ্তার হয়েছিল। এদের মধ্যে ’৭২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি জেল ভেঙ্গে পালানোর সময় নিহত হয় অনেকে। শহীদুল্লাহ কায়সারকে অপহরণের অভিযোগে খালেকের মাত্র সাত বছর কারাদন্ড দেয় আদালত। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর এসব অভিযোগের আর কোনো মূল্য থাকেনি। ‘ওয়ার ক্রাইমস ফাইল’ মুক্তি পাওয়ার পর আবারও কিছু মামলা হয়। ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক গিয়াসউদ্দিন আহমেদ চৌধুরীকে হত্যার অভিযোগে মঈনউদ্দিন ও আশরাফুজ্জামানকে আসামী করে তার বোন ফরিদা বানু রমনা থানায় একটি মামলা করেছিলেন। ১৯৯৭ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর দায়ের করা এই মামলায় (ওই তারিখের কেস নম্বর- ১১৫) প্রচলিত দন্ডবিধির ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (১২০খ), অনধিকার গৃহপ্রবেশ (৪৪৮), খুন করা উদ্দেশ্যে হরন বা অপহরন (৩৬৪), খুন (৩০২), অপরাধীকে গোপন করার জন্য অপরাধের সাক্ষ্য অদৃশ্য করে দেওয়া বা মিথ্যা তথ্য সরবরাহ (২০১), অপরাধ অনুষ্ঠানে সহায়তা (১১৪) প্রভৃতি অভিযোগ আনা হয়। সিআইডির তখনকার সিনিয়র এএসপি মুন্সী আতিকুর রহমান মামলাটির কেস অফিসার হিসেবে নিযুক্ত হন এবং নিহত বুদ্ধিজীবিদের ৪০ জন আত্মীয়স্বজনের সাক্ষ্য নেন।
ফাইনাল রিপোর্টে সিআইডি মামলাটি প্রচলিত আদালতে না করে স্পেশাল ট্রাইবুনাল এক্টে দায়ের করার সুপারিশ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে পাঠায়। এরপর মামলাটির আর খবর পাওয়া যায়নি। ফরিদা বানু মন্ত্রনালয়ে অনেকবার খোঁজ নিয়েছেন, কিন্তু তখন ক্ষমতায় আসা বিএনপি-জামাত জোট তাকে নিরুৎসাহিত করে। তবে সাক্ষীদের অনেকেই এখনও বেচে আছে। অনেকে সাক্ষী হতে চান। এদের একজন ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের নেতা মেজবাহউর রহমান চৌধুরী। একাত্তরে তিনি মৌলভীবাজারে ইসলামী ছাত্র সংঘ করতেন। এক সংবাদ সম্মেলন তিনি ছাত্রসংঘের সদস্যদের বাধ্যতামূলক আল-বদরে যোগ দেওয়ার চিঠি তুলে জানিয়েছেন প্রাসঙ্গিক নানা কথা। নিজামী-মুজাহিদ-কামারুজ্জামান-চৌধুরী মাঈনউদ্দিনসহ ১৫ জন ঘাতক ও দালালের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের যথেষ্ট প্রমান তার হাতে রয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
‘ওয়ার ক্রাইমস ফাইল’ তথ্যচিত্রটিতে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ওয়ার ক্রাইমস গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান লর্ড আর্চার অব স্যান্ডওয়েল জানিয়েছিলেন ব্রিটেনেই মঈনউদ্দিনসহ অন্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্ভব। ব্রিটিশ আইনে ১৯৫৭ সালের জেনেভা কনভেনশন অ্যাক্ট অনুযায়ী সেদেশে লুকিয়ে থাকা যে কোনো যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার অধিকার ব্রিটিশ সরকারের আছে। চ্যানেল ফোর এবং যুক্তরাজ্যে প্রবাসী বাঙালীরা তখন একটি আন্দোলন করেছিলেন যার সুবাদে ব্রিটিশ সরকার স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডকে এসব যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেয়। ’৯৬ সালের প্রথম দিকেই তারা এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বলে কথিত আওয়ামী লীগ সরকারের এ ব্যাপারে নিরুৎসাহ দেখা যায়। অভিযোগটা এসেছিল লন্ডনের বিশিষ্ট আইনজীবি ও মানবাধিকার নেত্রী ফিওনা ম্যাকির তরফে।
ক্ষমতার পালাবদলে আবারও শাসনভার আওয়ামী লীগের হাতে। এবারে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মধ্যে তারা রেখেছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকেই। কিন্তু প্রায় এক বছর হতে চললো এই ট্রাইবুনালের স্পষ্ট কোনো ঘোষণা আসেনি। সম্প্রতি মঈনউদ্দিন আবারও আলোচনায় এসেছে যুক্তরাজ্য প্রবাসী এক বাঙালীর তোলা অভিযোগের বিপরীতে তার ক্ষমতা দেখিয়ে। গত ৭ অক্টোবর কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র দেলওয়ার হুসেন সেখানকার ইংরেজি দৈনিক গারডিয়ানের চিঠিপত্র বিভাগে "Prosecute Bangladesh's war criminals" নামে যে আহবান জানান তার বিপরীতে মানহানি ও ক্ষতিপূরণ মামলা করার হুমকি দেয় চৌধুরী মঈনউদ্দিন। পত্রিকাটি ১৩ অক্টোবর দেলোয়ার হুসেনের চিঠিটি প্রত্যাহার করে নেয়। চোরের মার বড় গলা আর কাকে বলে! এই ব্রিটেনেই ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের জন্য আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের সাফল্যের ভিতটা রচিত হয়েছিল। করেছিলেন দেশপ্রেমিক বাঙালীরা। এই ব্রিটেনেই মুক্তিযুদ্ধের শেষ লড়াইটা লড়তে পারেন তাদের উত্তরসূরীরা। আইন আছে আপনাদের পক্ষে। বাংলাদেশ সরকারও এবার কোনো অজুহাত দেখাতে পারবে না যদি আপনারা আন্তরিকভাবে এসব যুদ্ধাপরাধীর বিচারের দাবিতে মাঠে নামেন। ৩০ লাখ শহীদের আত্মা আপনাদের জন্য প্রার্থনা করবে, আপনাদের সঙ্গে থাকবে। জাগো ভায়েরা, চলো যুদ্ধটা শেষ করি।
তথ্যসূত্র :
১.ওয়ার ক্রাইমস ফাইল : তথ্যচিত্রটির ফুটেজ ব্যবহার করে ভিডিও দুটো তৈরি করা হয়েছে
২. নিউ ইয়র্ক টাইমস
৩. একাত্তরের ঘাতক ও দালালেরা কে কোথায়
৪. একাত্তরের যুদ্ধাপরাধ ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
৫. মেজবাহউর রহমান চৌধুরীর সাক্ষাতকার
৬. ডেইলি স্টার
কৃতজ্ঞতা : মনজুরুল হক
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, তিনদিন লাগলো শেষ করতে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
সেলিনা শিরীন শিকদার বলেছেন:
এতো রীতিমতো সাম্প্রতিক ইতিহাস নিয়ে গবেষনালদ্ধ প্রামান্য উপস্থাপনা! ভাল করে আবারো পড়ার জন্য তুলে রাখলাম। মতামত পরে জানাবো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তুলে রাখার জন্য
সৌরভ সাখাওয়াত বলেছেন:
++++++
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
আপনারেও পড়ার জন্য প্লাস
অ্যামাটার বলেছেন:
আগুন পোষ্ট।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস
রাগিব বলেছেন:
পিয়াল ভাই, এই ব্যাটার "জীবনী" ইংরেজি ও বাংলা উইকিতে যোগ করা দরকার। তথ্যসূত্র দিয়ে লিখলে অন্তত উইকি থেকে এই ব্যাটার কুকীর্তি সেন্সর করা হবে না।
লেখক বলেছেন: ভালোই কইছেন, করা যায় কিন্তু
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:
অনেক জানা/অজানা তথ্য জানলাম নতুন করে। চোরের মার সত্যি বড় গলা, মঈনুদ্দিন মিয়া তার নজির স্থাপন করে দেখালেন।ভালো রিসার্চ।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কি করবে এই সরকার?
লেখক বলেছেন: সরকারকে বাধ্য করা হবে
রাহা বলেছেন:
গ্রেট...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:
ও, লেট ইট বি স্টিকি।
রাহা বলেছেন:
আমি ছবি গুলো nowpublic.com এ ব্যবহার করলাম ...
লেখক বলেছেন: সানন্দে
রথে চেপে এলাম বলেছেন:
রেখে দিলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
শেহাব বলেছেন:
বিবিসির রিপোর্ট বলেছিল কিভাবে মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরীকে ধরে নিয়ে যাবার সময় উনি টান দিয়ে এই ব্যাটার মুখোশ ছিড়ে ফেলেছিলেন।
লেখক বলেছেন: হ্যা, রিপোর্টটা কোথায় পাওয়া যাবে?
কলাবাগান বলেছেন:
অনেক কষ্ট করেছেন। এই লিংকটা দৈনিক গারডিয়ানে পাঠানো দরকার।
লেখক বলেছেন: হাহাহা, অনুবাদ করতে বইসা যান
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সামী
রণদীপম বসু বলেছেন:
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট ! খুবই প্রয়োজনীয় কাজ এটা।অনেক ধন্যবাদ পিয়াল ভাই। অগণিত প্লাস++++++++++++++++++++++++...............................
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ
এই শুয়োরটা বিচার চাই ।
সরকার ইচ্ছা করলেই সেটা করতে পারে ।
++++++++++++++
লেখক বলেছেন: সরকারকে বাধ্য করতে হবে
বিডি আইডল বলেছেন:
চ্যানেল ৪ এর ভিডিওটা সেসময় দেখেছিলাম...এই ধরণের খুনী কি যোগ্যতা বিট্রেনে থাকতে পারে বোধগম্য নয়...সরকারী-বেসরকারী চাপ থাকা উচিৎ গ্রেপ্তার করে দেশে নিয়ে আসার...
লেখক বলেছেন: ভালোই বলছেন। ওই ভিডিওটার প্রাসঙ্গিক ফুটেজগুলা নিয়া উইন্ডোজ মুভ্যি মেকার দিয়া ভিডিও দুইটা বানাইলাম, এমেচার কাজ, তবে তথ্যবহুল
শয়তান বলেছেন:
বুঝি না এভ প্রমানাদী থাকতেও কেন এদের ধরে বিচার করতে বরাবরই সরকারগুলার এত কুন্ঠাবোধ। তারা না পারলে বলে দিক জনগনই এই সব শুয়োর ধরে ধরে পায়ে পিস্যা মারুক ।
লেখক বলেছেন: নাগালের বাইরে, চেষ্টাটা হইলো ব্রিটিশগো দিয়া বিচার করানো
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, খুব দরকার
সাজেদ বলেছেন:
++ ফেসবুকে এড করলাম
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস, আমিও দিছি
লেখক বলেছেন: লন্ডন
মনজুরুল হক বলেছেন:
ধন্যবাদ পিয়াল। দুই দিন ঢাকার বাইরে ছিলাম। আজ এসেই পোস্ট দেখলাম। আমাকে কৃতজ্ঞতা জানানোর কিছু নাই পিয়াল, তেমনি আপনাকেও বাহবা বা মারহাবা দিচ্ছিনা। আমি মনে করি এগুলো আমাদের প্রাত্যহিক দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। বলবেন-"তাহলে রাষ্ট্র আছে কি জন্য?".....রাষ্ট্র রাষ্ট্রের জায়গাতেই থাকুক। রাষ্ট্র আর ভালবাসা এক নয়। তেমনি স্টেট ওয়ার্ক আর অর্পিত কর্তব্য এক নয়। আমরা আছি সেই "অর্পিত দায়িত্ব" পালন করে যাবার জন্য। আর রাষ্ট্র আছে ব্যুরোক্র্যাটিক ফরমালিটিজ মেনটেইন করবার জন্য। ওই ফরমালিটিজে আমি পেচ্ছাপ করি। মরার আগে অন্তত এক হারামির বাচ্চাকে চাই, আমার শৈশব হারানোর প্রতিশোধ কি করে তুলতে হয় তখন দেখাব।
যাক, কাজের কথায় আসি....আপনার ১৯ নং উত্তরটা নিয়ে দু'কথাঃ চৌধুরীর পুতরে দেশে না আনা পর্যন্ত কোন ভাবেই বিচার সম্ভব নয়। সরকারকে এই ব্যাপারে বাধ্য করতে হবে-যে করেই হোক, যে কোন নতুন চুক্তির বলেই হোক তাকে দেশে আনুক। ব্রিটিশ বান্দির পুতদের আর কিছু থাক না থাক লোকাল গাভার্নেস আর হিউম্যান রাইটস খুব উচ্চকিত। ন্যাশনাল আইডি কার্ড সারা ইউরোপে থাকলেও ইংল্যান্ডে নাই! কারণ তাতে করে মানবাধীকার লঙ্ঘিত হয়। তেমনি অকাট্য প্রমান থাকার পরও ব্রিটেনে কাউকে সহজে ঝুলিয়ে দেওয়া যায়না। আর সে কারণেই ওর মত হারামীরা ব্রিটেনকে "স্বর্গরাজ্য" ভাবে এবং নিশ্চিন্তে আকাম চালাতে পারে। তাদের কাছে ওটা আকাম নয় যতক্ষণ পর্যন্ত সেই আকামে কোন ইংলিশ স্বর্থ লঙ্ঘিত না হয়। তাই প্রচারণাটা চালাতে হবে অন্য ভাবে। কি ভাবে সেটা ঠিক করতে হবে আগে।
আমি আছি। প্রয়োজনে আওয়াজ দিয়েন।
লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতার ব্যাপারটা অন্য কারণে বস। মঈনউদ্দিনকে নিয়া লেখার ইচ্ছে আমার গত দেড় বছর ধরে, কিন্তু কেন জানি হয়ে উঠছিলো না। আপনার পোস্টে যখন সমর্থন জানিয়ে একটা পোস্ট লেখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসি তখনও আমি মহা ঝামেলায়। সেটা শেষ করে বসেছি, আর লেখা শেষ করে উঠেছি।
আপনার তো থাকতেই হবে
মনজুরুল হক বলেছেন:
রাগিব কি এই ব্যাপারে আর একটু বিস্তারিত বলবেন? কাজটা করতে পারলে কিন্তু খুব ভাল একটা কাজ হতো।
লেখক বলেছেন: তা ঠিক।
রাগিব বলেছেন:
@মনজুরুলবাংলা ও ইংরেজি উইকিতে ভুক্তি শুরু করতে হবে। এভাবে হতে পারে
"চৌধুরী মঈনুদ্দিন (জন্ম অমুক সালের অমুক তারিখ) একজন বাংলাদেশী সাংবাদিক ও যুদ্ধাপরাধী। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মঈনুদ্দিন পাকিস্তানী বাহিনীর সাথে সহায়তা করেন। (সূত্র) তিনি অমুক বাহিনীকে সংগঠিত করেন, ও তমুক হত্যাকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন (সূত্র)।" এইভাবে।
উইকিতে লিখতে হবে কী করে, সেটার সংক্ষিপ্ত সহায়িকা আছে http://bn.wikipedia.org/wiki/wp:T এইখানে।
এটা লেখা আপনার আমার সবারই দায়িত্ব। অন্যরা লিখবে, সেই আশায় বসে থাকলে সে সুযোগে এই যুদ্ধাপরাধী পার পেয়ে যাবে।
লেখক বলেছেন: এই দায়িত্বটা অনেকদিন করি করি ভেবেও করে ওঠা হচ্ছে না পর্যাপ্ত সময়ের অভাবে। অন্য কিভাবে সাহায্য করতে পারি, মানে তথ্য-উপাত্তের সহযোগিতা দিয়ে
শয়তান বলেছেন:
উইকিতে কি ঠিক এই মুহুর্তেই এই সব শুয়োরদের যুদ্ধাপরাধী বলা যাবে?? উইকির টার্মস এ্যান্ড কন্ডিশান কি এবং কেমন এসবে ???
মনজুরুল হক বলেছেন:
ধন্যবাদ রাগিব। আপনার ওই পোস্টটি আমি পড়েছি। লেখা আপলোড করাটাও মোটামুটি বুঝতে পেরেছি। আমি বলতে চাইছি উইকিতে বাংলায় না দিয়ে ইংলিশে কিভাবে দেওয়া যায়? মানে কোন বাংলা লেখা কোনও ভাবে অটো কনভার্টের ব্যবস্থা আছে কি-না? ধরুন আমি বাংলায় লিখলাম, সেটি আবার আমাকেই ইংলিশে ট্রানস্লেট করতে হলে কাজটা থমকে যেতে পারে(নিজের লেখা নিজে এডিট করতে গেলে যা হয় আর কি)
শয়তান এর প্রশ্নটাও গুরুত্বপূর্ণ, এমন কোন টামর্স এ্যান্ড কন্ডিশন আছে কিনা জানাবেন দয়া করে।
রাগিব বলেছেন:
@শয়তানযুদ্ধাপরাধের অপরাধ প্রমাণিত (যেমন আদালতে সাজাপ্রাপ্ত হলে) তাকে যুদ্ধাপরাধী সরাসরি বলা যাবে (সাজার তথ্যের সূত্র সহকারে)। যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত হলে, কিন্তু সাজাপ্রাপ্ত না হলে তাকে "অমুক সূত্রানুসারে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত (সূত্র)" বলা যাবে। ব্যক্তির জীবনীর ক্ষেত্রে নিয়ম হলো সব কথার যথাযথ সূত্র থাকা।
রাগিব বলেছেন:
@মনজুরুল হকঅটো কনভার্টের তো ব্যবস্থা নাই।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
ওরে ধইরা ঢাকায় আনা হোক, সবাই মিল্যা একটা চটকানা মাইরা যাই ওরে। ১ লাখ লোকের চটকানা খাওয়ার পর, একে একে ওকে সব জেলায় ঘুরানো হোক, আর সবাই একটা করে চটকানা মারুক।এভাবে চলতে থাকুক, যতদিন ও টিকতে পারে।
লেখক বলেছেন: ঢাকায় সে কয়দিন পরপরই আইসা ঘুইরা যায়। তার বিচার করতে হইবো ব্রিটেনেই
লেখক বলেছেন: আমারও তাই, জীবিত না পাইলে কব্বরে গিয়া মুইতা আসবো যত গুনাহ হোক
ফকির ইলিয়াস বলেছেন:
চৌধুরী মঈনুদ্দীন আছে লন্ডনে আর মালানা আশরাফুজ্জামান খাননিউইয়র্কে।
এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বিস্তারিত কথা বলেছেন,
প্রবাসের বিশিষ্টজনেরা। দেখা যাক কি করে সরকার ।
@ ড. রাগিব হাসান - আপনি এই কাজগুলো এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন।
গুড জব , কমরেড !
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ইলিয়াস ভাই।
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন:
গুড জব বস । মন্জু ভাইয়ের সাথে একমত । প্রচারনার স্বার্থে ফেসবুকে শেয়ার করলাম ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ইউটিউবের ভিডিওগুলার লিংক দিয়া আইসেন
বাঙ্গাল বলেছেন:
দূর্দান্ত। চলুক।+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, এই বিষয়ে থামাথামি নাই বস, অবশ্যই চলবে
অনির্বান বলেছেন:
দারুন একটা ব্যাপার জানালেন... এই সব শুওর দের কোন দেশেই জায়গা দেওয়া যাবেনা...পরের পোষ্ট এর অপেক্ষায় রইলাম.
+++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: একটা ডকুমেন্টের খোজে আসি, ওইটা ফটোকপি দিলে আরো টাশকি খাইবেন
লেখক বলেছেন: দেখা যাক কতদিন পারে
নির্বাসন বলেছেন:
এ সব পড়লে মনে হয় কত কিছু যে অজানা রয়ে গেল
লেখক বলেছেন: জানার পর তো কর্তব্য বেড়ে যায়, মিছিলে গলা মেলাতে হয় কমরেড
অনুপ্রবেশ বলেছেন:
আপনার পোস্টের ব্যাপারে আর কি লিখবো....জাঁঝা +++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনারে
হাসান বায়েজীদ বলেছেন:
সামান্য একটা প্লাস দেয়ার জন্যে লগড ইন হৈলাম। ইদানীং কম কম আসা হচ্ছে আমার, কিছু পোষ্ট-গ্র্যাড ষ্টাডি নিয়া খুবই দৌড়ের ওপর আছি
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
আপনার জন্যও রইলো একরাশ শুভেচ্ছা
*পাগলা জগাই* বলেছেন:
এই পোস্টটা স্টিকি করে না কেন? একটা প্লাস দিয়ে মন ভরল না!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন:
হাত নিশপিশ করতে থাকে এদের সম্পর্কে পড়লে। সময় ফুরিয়ে আসছে দ্রুত। আগামী ১০ বছরের মধ্যে এদের বিচার করতে না পারলে রাজাকারের পরবর্তি প্রজন্ম এদের ভূমিকা সম্পর্কে আরো জোরগলায় মিথ্যাচার করতে পারবে। আমরাও তখন আর কিছু বলতে পারবো না , কারন সুযোগ থাকা সত্তেও এদের বিচার করতে পারি নাই।
লেখক বলেছেন: ১০ বছর! না না, এত লম্বা সময় দেয়া যাবে না
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন:
পিয়াল ভাই, এই খালেক কি মীরপুরের গতবারের এম পি খালেক, যতদূর জানি সেও রাজাকার। তবে তার ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত জানি না। তার সম্পর্কে কিছু মিথ শুনেছি এলাকার মানুষের কাছে। যদি সময় করতে পারেন তবে এর সম্পর্কে একটু জানাবেন আমাদের সবাইকে। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: না আব্দুল খালেক মজুমদার হইলো জামাতের। আর এমপি খালেক হইলো আরেকজন, তারও ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে ছবি আছে
লেখক বলেছেন: পড়লাম, পড়ে হতাশাই শুধু বাড়লো। তবে একটা কথা নিশ্চিত জানি, মুক্তিযোদ্ধাদের এই ঢালাও দুরাবস্থার পেছনে যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন ও রমরমা অধিষ্ঠানই দায়ী। কাহিনীটা তাই বদলাতে হবে
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন:
পিয়াল ভাই, আমি ১০ বছর সময় দেবার কথা বলিনি, চাই এক্ষুনি এদের বিচার করতে। আমার ধারনা আগামী ১০ বছরের মধ্যে এদের অনেকেই ডাইরেক্ট দোযখে চলে যেতে পারে, কিন্তু তাদের ছানাপোনারা তাদের স্বর্গবাসী পিতাদের প্রসঙ্গে বলবে, কই কেউতো কোন বিচার করতে পারলো না, এইসব ভূয়া অভিযোগ, তারা জাতীর সূর্যসন্তান। হাজার হইলেও, "'৭১ এ রাষ্ট্রের অখন্ডতা চেয়ে জামায়াত কোন অপরাধ করে নি", তাই না?তাদের বিচার করে আমরা আমাদেরকে গ্লানি থেকে মুক্তি দিতে চাই।
লেখক বলেছেন: বুঝতে পারছি
আদিবাসি বলেছেন:
+++ দিয়ে তুলে রাখলাম। পরে পড়ব বলে।
নির্ণয় বলেছেন:
টাফ লেখা +
ভাবসাধক বলেছেন:
++++ ব্রাভো ।
ভাবসাধক বলেছেন:
++++ ব্রাভো ।
অন্তু বলেছেন:
অসাধারন। অপেক্ষায় রইলাম।
জোকার৬৬৬ বলেছেন:
ধাক্কা
মোস্তাফিক বলেছেন:
এক কথায় অসাধারন।
তারা ১২৩ বলেছেন:
স্যালুট !!! +++++++
জাম্পিং শ্রাইম্প বলেছেন:
ধন্যবাদ ভাইরিসার্চ'টা সুন্দর
বিষয়টা প্রমণিত করার যথেষ্ট চেষ্টা আপনি করেছেন
একটা অনুরোধ, দারিদ্র্য আমাদের দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষকে খেয়ে ফেলেছে। স্বাধীনতার বিরোধীদের চেয়ে এটি কম ক্ষতিকারক নয়। নানাবিধ সমস্যা/দুর্দশা এটি জন্ম দিচ্ছে - যেমনঃ
১. নিজের ও পরিবারের মৌলিক মানবিক অধিকার পূরণ করতে না পারা
২. চুরি, খুন, মাদক ইত্যাদিতে ঝুকে পরা
৩. অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে না পারা এবং অপরকে অন্যায়ে সাহায্য করা
দেশটাকেই খেয়ে ফেলল দারিদ্র্য।
আপনাকে অনুরোধ করছি আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির দারিদ্র্য সংস্কৃতি, এর কারন, প্রভাব এবং এ থেকে উত্তরণের উপয় নিয়ে কিছু লিখেন। আমাদের দেশ আমাদেরই এগিয়ে নিতে হবে, যেভাবে নজুরুল হক ভাই বলেছেন।
মেজো ছেলে বলেছেন:
জাম্পিং শ্রাইম্প @ শিবিরের সব পুলাপাইন পিয়াল ভাইরে এই এক উপদেশ কতবার যে দিলো, কিন্তু উনি ছাগুদের কোনো ভালো উপদেশো শুনতে চাননা
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















অট: নতুন কাজের জন্য গুডলাক, চালিয়ে যান!