আমার প্রিয় পোস্ট

অতীত খুড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি

রাজাকার প্রজন্মের প্রতি মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মের আহবান- এসো সত্য ও ন্যায়ের পথে (রিপোস্ট)

২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৮

শেয়ারঃ
0 0 0

ভূমিকা : সামুতে রাজাকারী চেতনার ব্লগারের আচমকা সংখ্যাবৃদ্ধি বেশ আশঙ্কাজনক ঠেকছে। তবে সাধারণ ব্লগারদের তরফে দুর্দান্ত প্রতিরোধ অভিনন্দনযোগ্যতাকেও অতিক্রম করে গেছে। গত ২৮ অক্টোবর তার একটা প্রমাণ আমরা দেখেছি। সুবাদেই মনে পড়েছে আমাদের যুদ্ধকাল। এই ব্লগে দিন-রাত স্বাধীনতাবিরোধী পোস্টের বিরুদ্ধে না খেয়ে দেয়ে আমাদের ব্লগিং ও পোস্টিং। এটা সে সময়কার। নস্টালজিকতার আবেশে তুলে ধরলাম।



[ পেশাদার ঝানু দালালদের আমরা ক্ষমা করি না, কিন্তু যেসকল বাঙ্গালী যুবক অবস্থার চাপে পড়ে বা ভুলবশতঃ শত্রুর চক্রান্তে পড়ে রাজাকার বা বদর দলে যোগ দিয়েছে তারা আমাদের কাছে চলে এলে পাবে ক্ষমা, বিশ্বাস, উপযুক্ত সম্মান ও স্নেহ।

উপরের আহবানটি মুক্তিযুদ্ধের সময়কার। ৬ নম্বর সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধারা রাজাকার-আলবদরদের একটা সুযোগ নিতে বলেছিল স্বাধীনতার পক্ষে চলে এসে। যারা এসেছিল, ক্ষমা পেয়েছিল। যারা আসেনি, তাদের জন্য ছিল লজ্জা, হেনস্থা, প্রকারান্তরে মৃত্যুও। আরো একদল ছিল, যারা ক্ষমা চায়নি। এখনও চায় না। তাদের দুষ্কর্ম জায়েজ করতে তারা সগর্বে বলে চলে তারা ভুল করেনি। স্বাধীনতার পর তারা কোনো না কোনোভাবে পালিয়ে গিয়েছিল। সুযোগ পেয়ে ভোল পাল্টে ফিরে এসেছে। কিন্তু কথা পাল্টায়নি। একদল লোভী রাজনৈতিকের সঙ্গ পেয়ে এরা এখনও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যা-তা বলার অপপ্রয়াস পায়। এরা ক্ষমার অযোগ্য।]


তোমার সঙ্গে আমার এমনিতে কোনো দ্বন্দ্ব নেই যুবক। কিংবা হয়তো তুমি তরুণ। হতে পারে সদ্য গোফ ওঠা কিশোর। তোমার আমার দ্বন্দ্ব একান্তই চেতনার। এই চেতনার সংঘর্ষেই তুমি আমার রোষের শিকার। তুমি আমার ধিক্কারের শিকার। আমি সরোষে তোমাকে অহরহ ঘৃণা জানাই তোমার চেতনার কারণে। তুমি এমন এক আদর্শে বুদ আছো যুক্তি দিয়ে তার পক্ষপাতের কোনো কারণ নেই। হয়তো চক্ষুলজ্জায়, হয়তো রক্তের টানে তুমি বিবেকের ডাকে সাড়া দিতে পারছ না। তারপরও আমি তোমার বিবেককে আরেকবার জাগানোর শেষ চেষ্টা নিতে চাই।

আমি কোন চেতনার কথা বলছি? আমি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলছি। একাত্তরের সাড়ে ন’মাস লাখ লাখ শহীদের রক্ত মাখিয়ে, লাখ লাখ ধর্ষিতার শাড়ি ছিড়ে ওই দেখো ওড়ে পতাকা আমার। আমি ওই লাল সবুজ পতাকার কথা বলছি। একটা ঝড় এসেছিল। সে ঝড় আমার ঘরদোর ভেঙে দিয়েছিল। কিন্তু আমি বাতাসকে যত না অভিশাপ দেই, তারও বেশি শাপ দিই সেইসব লুটেরাদের। যারা আমার অসহায় অবস্থার সুযোগ নিয়েছিল। যারা আমার ঘর লুটেছিল। পরদেশীর সঙ্গে সঙ্গীন উচিয়ে আমার বাবা-ভাইয়ের প্রাণ, আমার বোনের সম্মাণ লুটেছিল। আমি স্বাধীনতা বিরোধীদের কথা বলছি। রাজাকার ও আলবদরদের কথা বলছি। আমি জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্র শিবিরের কথা বলছি। আমি গোলাম আযম, মতিউর রহমান নিজামী, কামারুজ্জামান, মুজাহিদ ও কাদের মোল্লার কথা বলছি।

এইসব স্বাধীনতাবিরোধীরা কি করেছে সেজন্য অজস্র তথ্য-উপাত্ত রয়েছে। এমনকি জামাতের মুখপাত্র সংগ্রাম পত্রিকায় থরে থরে সাজানো আছে তাদের নানা অপকীর্তির কথা। আজ তারা তাদের তখনকার বুলি তোমার মুখে বসিয়ে তোমাকে আমার শত্র“ বানাচ্ছে। ওঠো যুবক, নাড়া খাও। জানার চেষ্টা করো আসল কাহিনী। এইসব আওয়ামী লিগের অপপ্রচার নয়। এইসব ভারতের দালালদের অপপ্রচার নয়। এইসব এই দুঃখিনী বাংলা মায়ের নয় মাসের নির্যাতনের উপাখ্যান। যার হাওয়া বাতাসে তুমি বড় হয়ে ওঠো। যার সামান্য অপমানে তোমারও আঁতে ঘাঁ লাগে বলে আমি নিশ্চিত জানি। এই পতাকার অপমানে তুমিও ব্যথিত হও আমি নিশ্চিত মানি। কিন্তু কি কারণে জানি তোমার হাত-পা বাধা।

হতে পারে তুমি এক গরীব যুবক। গাঁ থেকে এসেছো। এই মহানগরে অপরিচিত বলেই হারিয়ে গিয়েছো। রাতে দুঃস্বপ্নে মাকে ভেবে কেঁদে উঠেছো। কেউ হাত বাড়ায়নি সাদরে। যার হাত পেয়েছো তার শর্ত ছিল। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কালাম পড়ায় কোনো সমস্যা নেই। মুসলমান হিসেবে অবশ্যই তা পালনীয়। কিন্তু তোমাকে ভিন্ন আফিম খাওয়ানো হয়েছে। তোমাকে কোরআন হাতে নিয়ে শপথ করতে হয়েছে এক ভুল জেহাদের। তুমি ব্যবহৃত হয়েছো এবং হচ্ছো। যুবক, তুমি ভুলে নিজের আত্মা বিক্রি করে দিয়েছো ছদ্মবেশী শয়তানের কাছে। কোরআন পড়ে দেখো, এর উল্লেখ আছে।

তোমার কি কখনো দ্বিধা জাগে না এই ভেবে যে এই যে নেতারা, তারা কেনো নবিজীর সাধারণ জীবনযাপনের কথা বলে নিজেরা ডুবে থাকে বিলাসে বৈভবে? কেনো তারা সুদ নেয়? কেনো তাদের সঙ্গে আদর্শে মেলেনা ইসলামপন্থী অন্য দলগুলোর? কোনো আলেমের? কেনো তারা তোমারই সহপাঠী হত্যায় তোমাকে উৎসাহ দেয় জেহাদী মৌতাতে? তুমি মানতে বাধ্য কারণ তোমার আত্মা তার কাছে বাঁধা। এবং প্রজন্মান্তরে এমনটাই হচ্ছে। কিংবা তুমি নিজেও হয়তো তাদেরই সন্তান। তোমার কি প্রশ্ন জাগে না কেনো তার পাপে তুমি সাজা পাবে? কেনো তোমাকে রাজাকার গালি শুনতে হবে তার নষ্টামিতে? তুমি তো যুদ্ধ দেখনি। তুমি তো মাটিলেপা গাড়ি নিয়ে তুলে নিয়ে যাওনি দেশসেরা বুদ্ধিজীবিদের। তাদের চোখ তুলে, কলিজা ছিড়ে, স্তন কেটে গুলি করে ফেলে আসনি রায়ের বাজারে। তাহলে কেনো? কারণ তুমি ভুল শিখেছো। বাবাকে যখন জিজ্ঞেস করেছো সে সময়ের কথা, সে লজ্জায় তার পাপ লুকোতে তোমাকে যা বলেছে তাই শিখেছো। তাই আমার কথা শুনে তুমি অবাক হও। তেড়ে মারতে আসো বাবাকে বাঁচাতে। আমি তোমার দোষ দেখি না। তোমার চেতনার দোষ দেখি। তোমার ভুল শিক্ষার দোষ দেখি। আমি চাই তুমি শুদ্ধ হও। তোমার বিবেক ও চিন্তাকে কাজে লাগাও।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ধর্মবিরোধীতার কারণে নয়। ভেবে দেখো শহীদুল্লাহ কায়সার, নিজামউদ্দিন, আলিম চৌধুরী নামগুলো। এরা মুসলমান। তোমার নেতা কিংবা বাবার সঙ্গে তাদের বিরোধ ধর্মের ছিল না। ছিল আদর্শের। আমরা বাংলায় কথা বলব, বাংলা সংস্কৃতি ধারণ করে বাঙালী হয়ে বাচব। এই চাওয়ার সঙ্গে ধর্মের সংঘাত কোথায়? তোমাকে ভুল শেখানো হয়েছে। তুমি ভুল জেনেছো। তারা দালালী করেছে পাকিস্তানীদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে নেহাতই ক্ষমতার লোভে। মীরজাফর-রায় দুর্লভরা যেমন ইংরেজদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল সিরাজকে হটাতে। মীর জাফর সফল হলেও গোলাম আযম ব্যর্থ। কিন্তু ইতিহাস দুজনকেই ছুড়েছে আস্তাকুড়ে। বাঙালী আজীবন ঘেন্না করবে তাদের। এবং তাদের পেছনে হাঁটছ বলে তোমাকেও।

৩০ লাখ বাঙালীর স্বজনেরা বিচার চায়। তুমি কেনো ভুল আদর্শে তাদের বিরুদ্ধে যাবে। কেনো তুমি বুঝছো না এ কোনো রাজনৈতিক দাবি নয়। এ দাবি সাধারণ মানুষের। এসো যুবক, তাদের সঙ্গে সুর মেলাও। নৈতিকতার প্রশ্নে কোনো ছাড় নয়। তুমি তো পড়েছো- একটি মানুষ খুন করলো, সে যেনো গোটা মানব জাতিকে খুন করলো। আমরা যাদের কথা বলছি, তারা অনেক অনেকবার মানব জাতিকে খুন করেছে। তার দায় ঘাড়ে নিও না। তাদের পাপের ভার বয়ো না। তাদের ত্যাগ করো। রাজনৈতিক-সামাজিকভাবে। তুমি ধর্মপ্রাণ। পিতাও যদি অবিশ্বাসী হয় তার সঙ্গ ত্যাগ করার ঐশী আদেশের কথা তুমি জানো। ভেবে দেখো একাত্তরে তার কৃতকর্ম তোমার সত্যিকার আদর্শের সঙ্গে সত্যিই যায় কি না। তোমার বিবেক কি বলে?

ভেবে দেখো একবার। আমি তোমার বিনাশ চাই না। আমি তোমার চেতনার বিনাশ চাই। সে জন্য যদ্দূর যেতে হয় যাব। তার আগে তোমাকে সাবধান করিনি, এমন কিন্তু বলো না।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৪৭

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস

২. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৬
নিউজকাস্টার বলেছেন: রাজাকারদের সাথে তাদের পৃষ্ঠপোষক, ক্ষমাপ্রদর্শনকারী ও আত্মীয়দেরও বিচার করা দরকার। শেখ পরিবার থেকে তা শুরু হলেই জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবে।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৪৭

লেখক বলেছেন: তাই, না?

৩. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২০
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ধর্মবিরোধীতার কারণে নয়। ভেবে দেখো শহীদুল্লাহ কায়সার, নিজামউদ্দিন, আলিম চৌধুরী নামগুলো। এরা মুসলমান। তোমার নেতা কিংবা বাবার সঙ্গে তাদের বিরোধ ধর্মের ছিল না। ছিল আদর্শের। আমরা বাংলায় কথা বলব, বাংলা সংস্কৃতি ধারণ করে বাঙালী হয়ে বাচব। এই চাওয়ার সঙ্গে ধর্মের সংঘাত কোথায়? তোমাকে ভুল শেখানো হয়েছে। তুমি ভুল জেনেছো। তারা দালালী করেছে পাকিস্তানীদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে নেহাতই ক্ষমতার লোভে।


এটাই আসল কথা, সময় ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই ঐ সব দিকভ্রান্ত পথিকেরা সঠিক পথে আসুক ... আমরাও সেই প্রত্যাশা করি ।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫০

লেখক বলেছেন: প্রত্যাশা করতে দোষ নাই

৪. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৯
লালসালু বলেছেন: নিউজকাস্টার বলেছেন: রাজাকারদের সাথে তাদের পৃষ্ঠপোষক, ক্ষমাপ্রদর্শনকারী ও আত্মীয়দেরও বিচার করা দরকার। শেখ পরিবার থেকে তা শুরু হলেই জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবে।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫০

লেখক বলেছেন: হ, জানি

৫. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩২
জর্জিস বলেছেন: নিউজকাস্টার বলেছেন: রাজাকারদের সাথে তাদের পৃষ্ঠপোষক, ক্ষমাপ্রদর্শনকারী ও আত্মীয়দেরও বিচার করা দরকার। শেখ পরিবার থেকে তা শুরু হলেই জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবে।
---একমত

অনন্ত দিগন্ত বলেছেন:
...এটাই আসল কথা, সময় ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই ঐ সব দিকভ্রান্ত পথিকেরা সঠিক পথে আসুক ... আমরাও সেই প্রত্যাশা করি ।
---একমত। আর এজন্যই শেখ হাসিনার উচিত যথাসময়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা। যত কালক্ষেপন করা হবে ততই এরকম পরিস্থিতির উদ্ভব হবে। কারন সময় যত বেশি চলে যায়, ইতিহাস বিকৃতির সুযোগ তত বেশি থাকে
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫১

লেখক বলেছেন: দুদুও খাব, তামুকও খাব হইলে ক্যামনে হবে। এক নৌকায় পা রাখতে হবে

৬. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: এতে খূব একটা লাভ হবে না। কারণ ওদের মগজ ধোলাই করেই পূরো রোবট বানানো হয়েছে। তার উপর আছে অর্থনৈতিক মুক্তির হাতছানি।

তার থেকে আসল দালাল-রাজাকারদের কুকীর্তির কাহিনী ফলাও করে নিয়মিত প্রচার করলে নতুন রাজাকার তৈরীর পথটা অনেকটাই ছোট হয়ে আসবে।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫২

লেখক বলেছেন: ঠিক বলছেন রঞ্জু ভাই। আসলে শুরুতেই কইছি এইটা আসলে সামুর ব্লগারগো লড়াকু মনোভাব দেইখা একটা নস্টালজিক পোস্ট। আর কিছু না, তয় লেঞ্জা তো দেখতেই আছি

২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৮. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪২
তাজা কলম বলেছেন: ++++++++++++++++++++++++++++++++++++

অভিবাদন।
জামাতের মুখোশ উন্মোচনে সবাই লেখা পোষ্ট করুন। এখন যুদ্ধের সময়। কলম হোক আমাদের সমরাস্ত্র!
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৩

লেখক বলেছেন: পয়েন্টটা ধরতে পারার জন্য আপনারে ব্যাপক ধন্যবাদ টু দ্য ইনফিনিটি

৯. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৫
নাহিদ মাহমুদ বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম হতে গেলে কি আমাকে ছাত্রলীগ করতে হবে?

মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম হতে গেলে কি আমাকে টেন্ডারবাজদের সমালোচনা করা হতে বিরত থাকতে হবে?

মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম হতে গেলে কি আমাকে ক্যাম্পাসে ক্যাম্পসে ছাত্রলীগের সেঞ্চুরীয়ান ধর্ষনকারীদের মত দলবাজী করতে হবে?

মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম হতে গেলে কি আমাকে জোরপূর্বকপর্ণ মুভি বানিয়ে বাজারে ছেড়ে দেয়াটাকে সমর্থন করতে হবে?

মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম হতে গেলে কি আমাকে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে দিনের পর দিন ৬০টাকা কেজি করে খাওয়ানো মন্ত্রীর গুনগান গাইতে হবে?

যে আওয়ামীলীগ নিজেদের মনে করে মুক্তিযুদ্ধের ধারক আর বাহক, যে ছাত্রলীগ মনে করে নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম, সেই দলের ই লোক এক সময় করেছে ধর্ষনের সেঞ্চুরী। আর আজ করছে আমার-আপনার বোনকে জোর করে ধর্ষন করে পর্ণমুভি বানিয়ে তার ব্যবসা।

জনাব অমি রহমান পিয়াল, দয়া করে বলবেন কি আপনি কি মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম বলতে এই ধর্ষনকারীদের দলে ঢুকতে বলছেন? নাকি অন্য কোন প্লাটফর্মের কথা বলছেন?


প্লিজ অন্য একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরী করুন, যে প্লাটফর্মে গেলে কোন ধর্ষনকারীকে সাপোর্ট করতে হবে না, কোন পর্ণ মুভি নির্মাতাকে সাপোর্ট করতে হবে না, কোন টেন্ডারবাজকে সাপোর্ট করতে হবে না।

আমরা, আবার বলছি, আমরা(আমি না), রাজাকার সাপোর্ট করিনা। এই দেশের মাটিতে প্রতিটা রাজাকারের বিচার চাই। চাইই চাই। এই দেশকে ভালোবাসে এমন সৎ মানুষের গাড়িতে জাতীয় পতাকা দেখতে চাই।

কোন যুদ্ধপরাধীর গাড়িতে না।

আবার মুক্তিযুদ্ধে অগ্রগামী কোন রাজনৈতিক দলের ব্যানারে নির্বাচিত আমার-আপনার ই কোন এক অজানা বোনের ধর্ষনকারীদের গাড়ীতেও না।

মুখে মুক্তিযুদ্ধ-মুক্তিযুদ্ধ বলতে বলতে ফ্যানা তুলে ফেলে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী দলের কোন এলাকার সাধারন সম্পাদক,অথচ ধর্ষন করে গোপনে ছবি তুলে তার ব্যবসা করে (প্রকান্তরে একজন পর্ন মুভি মেকার), এমন কারো গাড়িতেও না।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: আপনারে কিচ্ছু করতে হবে না, যা আছেন তাই থাকেন ;)

১০. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫২
জর্জিস বলেছেন: নাহিদ মাহমুদ এর কমেন্ট, চ্রম কমেন্ট। আমিও চাই প্রতিটা রাজাকরের বিচার হোক, আর তারা যদি না করতে পারে তাহলে ওদেরকে জনগনের হাতে তুলে দেয়া হোক। জনগন যা করার করবে।

কিন্তু রাজাকার, যুদ্ধাপরাধীর আড়ালে নাহিদ মাহমুদ এর পয়েন্টগুলো ভুলে গেলে চলবে না। ঐসমস্ত টপিকের ব্যাপারেও ব্লগে পোষ্ট চাই, সচেতনতা চাই।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৫

লেখক বলেছেন: হ, এই ব্যাপারে ছাগুচীফের ব্লগে ব্যাপক ইঙ্গিত ও নিদর্শন রহিয়াছে ;) খুউব খিয়াল কইরা

২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২৫

লেখক বলেছেন: আর এই লুক হয় পুস্ট ভালো কইরা পড়ে না, আর নাইলে পড়লেও বুঝে না।
...ওঠো যুবক, নাড়া খাও। জানার চেষ্টা করো আসল কাহিনী। এইসব আওয়ামী লিগের অপপ্রচার নয়। এইসব ভারতের দালালদের অপপ্রচার নয়। এইসব এই দুঃখিনী বাংলা মায়ের নয় মাসের নির্যাতনের উপাখ্যান। যার হাওয়া বাতাসে তুমি বড় হয়ে ওঠো। যার সামান্য অপমানে তোমারও আঁতে ঘাঁ লাগে বলে আমি নিশ্চিত জানি। এই পতাকার অপমানে তুমিও ব্যথিত হও আমি নিশ্চিত মানি।...

...৩০ লাখ বাঙালীর স্বজনেরা বিচার চায়। তুমি কেনো ভুল আদর্শে তাদের বিরুদ্ধে যাবে। কেনো তুমি বুঝছো না এ কোনো রাজনৈতিক দাবি নয়। এ দাবি সাধারণ মানুষের। এসো যুবক, তাদের সঙ্গে সুর মেলাও।...

এইটা পড়ার পরও সে যদি না বুঝে কোন প্লাটফর্মের কথা বলা হইতেছে তখন তারে বালপাকনা থাকতে দেওয়াই ভালো

১১. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন: রাজাকার নিপাত যাক.. যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই..
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৬

লেখক বলেছেন: সেটাই কমরেড

১২. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১২
চিমটি বলেছেন: নাহিদ মাহমুদকে ++।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৭

লেখক বলেছেন: হ, আম্মো

১৩. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৩
আশাবাদী মানুষ বলেছেন: তাদের পীর মওদুদী সম্পর্কে ব্লগার তুষারপাতে ব্লগ থেকে

পাক ভারত উপামহাদেশের এ ধারার অগ্রগামী হয়েছে তথাকথিত জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মওদুদী। স্বয়ং আল্লাহ পাক, তাঁর রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাহাবা কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম এবং আউলিয়া কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম, মোদ্দাকথা ইসলামের সব অনুষঙ্গেই মিথ্যা, কুফরী ও জঘন্য সমালোচলার জাল বিস্তার করেছে এই মওদুদী।
তার সেই অসংখ্য কুফরী আক্বীদার মাত্র ৫টি ক্ষুদ্র প্রমাণ নিম্নরূপঃ

১) আল্লাহ পাক সম্পর্কে কুফরী আক্বীদাঃ “যে ক্ষেত্রে নর-নারীর অবাধ মেলামেশা, সেক্ষেত্রে যেনার কারণে (আল্লাহ পাকের আদেশকৃত) রজম শাস্তি প্রয়োগ করা নিঃসন্দেহে জুলুম।” (নাঊযুবিল্লাহ)
(তাফহীমাত, ২য় খন্ড, ২৮১ পৃষ্ঠা)

২) ফেরেশতা সম্পর্কে কুফরী আক্বীদাঃ “ফেরেশতা প্রায় ঐ জিনিস যাকে গ্রীক, ভারত ইত্যাদি দেশের মুশরিকরা দেবী-দেবতা স্থির করেছে।” (নাঊযুবিল্লাহ)
(তাজদীদ ও ইহইয়ায়ে দ্বীন, ১০ পৃষ্ঠা)

৩) আম্বিয়া আলাইহিমুছ ছালাত ওয়াস সালাম সম্পর্কে কুফরী আক্বীদাঃ “নবীগণ মা’ছূম নন। প্রত্যক নবী গুনাহ করেছেন।” (নাঊযুবিল্লাহ)
(তাফহীমাত, ২য় খন্ড, ৪৩ পৃষ্ঠা)

৪) হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে কুফরী আক্বীদাঃ “মহানবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানবিক দুর্বলতা থেকে মুক্ত ছিলেন না।” (নাঊযুবিল্লাহ)
(তরজমানুস্‌ সুন্নাহ, ৩য় খন্ড, ৩০৫ পৃষ্ঠা)

৫) সাহাবা কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম সম্পর্কে কুফরী আক্বীদাঃ “সাহাবাদিগকে সত্যের মাপকাঠি জানবে না।” (নাঊযুবিল্লাহ)
(দস্তরে জামাতে ইসলামী, ৭ পৃষ্ঠা)

উল্লেখ্য, সব মুফতী-মাওলানাদের ইজমা তথা ঐক্যমতে উপরোক্ত আক্বীদাধারী ব্যক্তি মুসলমান নয় বরং মুরতাদ। আরো উল্লেখ্য যে, মওদুদী’র মৃত্যুর পর শিয়া সম্প্রদায়ের একটি মুখপত্রে বলা হয়েছিল, “মরহুম (মওদুদী) তার ভিন্ন আঙ্গিকে শিয়া মতবাদ প্রচলনেও সহায়তা করেছেন।”

এরপরও যদি কেউ জামাত বা শিবির করে তাহলে তাদের জন্য করুনা।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৮

লেখক বলেছেন: করুণা কইরা লাভ নাই, ক্যামেরাম্যানের মন্তব্যটা ফলো করেন

২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৮

লেখক বলেছেন: আচ্ছা

১৫. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:১২
মাহবুব সুমন বলেছেন: বাচ্চা রাজাকারের সংখ্যা আবারো বেড়ে গেছে।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: ইতরশ্রেণীর প্রসব বরাবরই বেশী

১৬. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:১৭
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: +++ বাহ ১৫ টা +,১৫ টা - !!!!ভালই গাইসে এরা ব্লগে!
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০০

লেখক বলেছেন: হ, তাইতো দেখতেছি।

১৭. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০২
নাঈম বলেছেন: স্যালুট বস......লগে আছি অলটাইম..........
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১৪

লেখক বলেছেন: আমিও আছি আপনাগো লগে

১৮. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩০
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: নিক্‌ ফ্যাক্টরী একটিভ
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০১

লেখক বলেছেন: হেব্বি একটিভ

১৯. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩৩
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: অনেকগুলার ব্লক দিলাম, দেখি আরো কিছু দিতে হবে। ছাগুরা মুখ দিলে পোস্ট বাড়ে না-এইটা চরম সইত্য
২০. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩৯
স্পাইডার বলেছেন: এইটা কি এইচ টি ইমামের ফরমায়েসী লিখা?

[অট:১- আপনে কোন পত্রিকায় + দিতাছেন]
[অট:২- আশা করি ব্লক দিবেন না]
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: শিরোনামে কি লেখা? ভূমিকায় কি লেখা? না আমি ছাগল ব্লকাই, বলদ না

২১. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫১
ইসানুর বলেছেন: অসাধারন লিখছেন।
+
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস

২২. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৯
হোদল রাজা বলেছেন:
আপনি আমাদের জেনারেশনের গর্ব!!

ভাই আপনাকে বড় করে প্লাস!!
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২৩. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৯
রশিদুল হাসান বলেছেন: ধন্যবাদ বস। শূয়োর নিধন কর্মসূচী চলবে অবিরাম।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০৫

লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই চলবে

২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০৫

লেখক বলেছেন: thnx

২৫. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১২
স্বপ্ন নীল বলেছেন: স্যালুট বস্‌ । ক্যামেরাম্যানের কমেন্টে জাঝা । আসলে ছাগুদের বিবেক বইলা কিচ্ছু নাই । থাকলে কি তারা চোক্ষের সামনে এতগুলা প্রমান দেখার পরও নির্ভাবনায় কাঠাল পাতা চিবাইতে পারে?........
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: দারুণ কমেন্ট, ঝাজা

২৬. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:০৫
জানজাবিদ বলেছেন: এটা আমার ব্যক্তিগত মত, মানতেও পারেন নাও মানতে পারেন। এই উপমহাদেশে ধর্ম নিয়ে বা ধর্মভিত্তিক রাজনীতি থাকবেই। কিন্তু আমাদের দেশে যুদ্ধাপরাধীদের খপ্পর থেকে তরুণ সমাজকে (একটা ক্ষুদ্র অংশ) রক্ষা করা প্রয়োজন। আপনার লেখা তাদের কয়েকজনকেও যদি পথ দেখায় তাহলে আপনি সফল।

তবে যে হারে অনেকে (হয়ত আপনি নিজেও) হতাশ হচ্ছে তার কোন কারণ দেখিনা। জামাত-শিবিরের সবচেয়ে বড় প্রবলেম কি জানেন? শিবিরের পোলাপানের জামাতে যোগ না দেয়া। কমসে কম ৮০% ছাত্রজীবন শেষে কেটে পড়ে। মগজ ধোলাইয়ের কথা অনেকে যা বলে এইটা বড়জোড় ৫/৭ বছর থাকে। তারপর এদের ভন্ডামী চোখে ঠিকই চোখে পড়ে।
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৪

লেখক বলেছেন: কথা ঠিক, তবে আমি কিন্তু হতাশ না

৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৬

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস

২৮. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৮
রোবোট বলেছেন: আশা করি চোরা ধর্মের কথা শুনবে
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: নাহ, তা শুনবে না, তাদের দাবি এইসব কোনো মহাপুরুষ বললে তারা বাতিল করে দেওয়ার আগে বিবেচনা করবে

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫২৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বন্ধুত্বে উদার, শত্রুতায় নির্মম : কিছু করার নাই, রাশির দোষ
........................
জামাতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে মহানবীর (দঃ) সতর্কবাণী :

শেষ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ