আমার প্রিয় পোস্ট

অতীত খুড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি

দ্য ম্যাচ অব ডেথ : ফুটবল যখন যুদ্ধ

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৭

শেয়ারঃ
0 13 1



ব্রাজিল নিয়ে যতই গলা ফাটাই না কেন, আমার কাছে এখনও ফুটবলের শেষ কথা ডিয়েগো ম্যারাডোনা। ওই একজন বাদে আর্জেন্টিনার প্রতি আমার পক্ষপাতের দ্বিতীয় কোনো ওজর নেই। লিওনেল মেসির খেলা মুগ্ধ হয়ে উপভোগ করি বটে, ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচে আবার বদলে যায় হিসাব। ফুটবল আমার কাছে বরাবরই প্রিয় বিনোদন। ৯০ মিনিটের ওই উত্তেজনা উইলো ব্যাটের ঠোকাঠুকিতে কখনোই মেলেনি। সেই ছোটবেলা থেকেই শুরু। স্কুলের বাটা কেডসটা মাসও টিকতো না, কদিন পরই ফুটো হয়ে বেরিয়ে যেতো বুড়ো আঙুল। এবং ম্যারাডোনাই প্রথম আর্জেন্টাইন নন যিনি আমাকে ফুটবল শৈলী দিয়ে ইমপ্রেস করেছেন। ’৭৮ বিশ্বকাপ আমার প্রথম। বাবার চাকুরী সুবাদে তখন ইরানে, আর আলী পারভীনের নেতৃত্বে সেবার খেলছে তারাও। লম্বা চুলের মারিও ক্যাম্পোসের আর্জেন্টিনাই ঘরের মাঠে কাপ রাখলো। কিন্তু আমার নজর কাড়লেন ওসভালদো আর্দিলেস। দারুণ এক্রোব্যাটিক ব্যাক ফ্লিপে ডিফেন্ডারের মাথার ওপর দিয়ে বল নিয়ে যাওয়ার জাদুকরী দেখে আমি স্তব্ধ। কত যে প্র্যাকটিস করেছি এরপর। কিন্তু পারিনি।



এতো বড় ভূমিকা দিয়ে শুরু এই লেখায় আর্দিলেসের আগমন আসলে অন্য একটি কারণে। ক’দিন আগেই একজন ব্লগারের একটি ম্যুভি রিভিউ পড়েছিলাম। বাংলা একটা সিনেমা এসেছে ‘জাগো’ নামে, যার পুরোটাই ফুটবলকেন্দ্রিক। অনেকটা ‘চাক দে’ ধাঁচের (ট্রেলার দেখে আমার তাই মনে হয়েছে)। সেখানেই সম্ভবত পড়েছিলাম এ ছবি নির্মাণে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলকে প্রেরণা মেনেছেন পরিচালক। মুক্তিযুদ্ধের সময় ফুটবল খেলে আমাদের স্বাধীনতার পক্ষে সমর্থন আদায়ের লড়াইয়ে নামা এই যোদ্ধাদের নিয়ে অনেক আগে লিখেছিলাম একবার । মিত্রদেশ ভারতে শরণার্থী স্বাধীন বাংলা ফুটবল একাদশ শতভাগ সফল হয়েছিলেন তাদের মিশনে। কিন্তু প্রদর্শনী ম্যাচও কিন্তু ম্যাচই। আর তা সত্যি জীবন মরণ যুদ্ধের রূপ নেয় যখন প্রতিপক্ষ থাকে সত্যিকার শত্রুরাই। পেলে, আর্দিলেস, ববিমুরের মতো কিংবদন্তী ফুটবলাররা তারই সেলুলয়েড রূপ দিয়েছিলেন ভিক্টরি (আরেকটি নাম এস্কেপ টু ভিক্টরি) নামের ছবিতে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানদের বিপক্ষে মিত্রবাহিনীর সদস্যদের একট ফুটবল ম্যাচকে ঘিরে আবর্তিত যার কাহিনী।


জন হিউস্টন পরিচালিত এই ছবিতে আরো আছেন সিলভেস্টার স্ট্যালোন, মাইকেল কেইন, ম্যাক্স ফন সিডো। গল্পটা সংক্ষেপে এমন যে, নিজেদের ভাবমূর্তি বাড়াতে জার্মান প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেয় বিভিন্ন বন্দী শিবিরের ফুটবলারদের নিয়ে গড়া একটি দলের সঙ্গে নিজেদের জাতীয় দলের একটি ম্যাচ খেলাবে। ভেন্যু প্যারিস। এদিকে ফরাসি স্বাধীনতা যোদ্ধাদের যোগসাজশে পালানোর পরিকল্পনা আটে দলটি। পক্ষপাতদুষ্ট রেফারিংয়ের সেই ম্যাচের বিরতিতে পালানোর কথা তাদের। ম্যাচে তারা পিছিয়ে ১-২ গোলে। কিন্তু হঠাৎই কয়েকজন সিদ্ধান্ত পাল্টিয়ে জোর দেয় এই বলে যে ম্যাচটা তারা জিতবে। আর্দিলেসের সেই জাদুকরী ব্যাক ফ্লিপ, ইনজুরি থেকে জোর করে ফের খেলতে নামা পেলের দুর্দান্ত এক ব্যাকভলির গোল দিয়ে ম্যাচে ফেরে মাইকেল কেইনের দল। একটি গোল অফসাইডে বাতিল হওয়ায় ম্যাচ ড্র থাকে ৪-৪ গোলে। শেষ মিনিটে রেফারি পেনাল্টি দেয় জার্মানদের। কিপার স্ট্যালোন সেভ করে ফলাফল অক্ষুন্ন রাখেন। এরপরই হয় পিচ ইনভেসন। দর্শকরা মাঠে নেমে পড়ে, আর তাদের আড়ালে পালায় ফুটবলাররা। ইপসউইচ টা্উনের ফুটবলারদের ব্যবহার করে সত্যিকার ফুটবলের আবহ আনা শটগুলোর রূপকার পেলে। স্ট্যালনকে ট্রেনিং দিয়েছেন গর্ডন ব্যাঙ্কস (’৬৬ বিশ্বকাপে পেলের নিশ্চিত এক গোল বাঁচিয়ে হিরো হয়ে গিয়েছিলেন এই ইংলিশ কিপার)।



এই ছবিটির প্রেরণা কিন্তু একটি সত্যি ঘটনা। মৃত্যুর হুমকিকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে যার রূপকার ছিলেন একদল রুশ ফুটবলার। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় অবরুদ্ধ ইউক্রেনের কিয়েভে জীবনবাজি রেখে ফুটবল ম্যাচ জিতে ছিলেন তারা। ‘ডেথ ম্যাচ’ নামে খ্যাত এই কিংবদন্তীতে ম্যাচ শেষে সবাইকে গুলি করে মেরে ফেলে জার্মানরা। যদিও সত্যিটা অন্যরকম। ১৯৪১ সালের ২২ জুন সোভিয়েত রাশিয়া আক্রমণ করে জার্মানরা। কিয়েভের বেশীরভাগ ফুটবলারই যোগ দেন যুদ্ধে। কিয়েভ পতনের পর অবরুদ্ধ ফুটবলাররা একটি ফুটবল দল গড়েন এফসি স্টার্ট নামে। এতে ডায়নামো কিয়েভের খেলোয়াড় ৮ জন আর বাকিরা তাদের শহুরে প্রতিদ্বন্দ্বী লোকোমটিভ কিয়েভের। ১৯৪২ সালের ৭ জুন স্থানীয় লিগে অপ্রতিরোধ্য এক যাত্রা শুরু হয় স্টার্টের। ৭-২ গোলের জয় দিয়ে অভিষেক হয় কিংবদন্তীর সেই অভিযাত্রার। মূলত বিভিন্ন গ্যারিসনের জার্মান সৈন্যদের বিনোদনের সেই লিগে স্টার্টই ছিলো একমাত্র স্থানীয় দল। আর তারা জিততেই থাকে। ২১ জুন হাঙ্গেরিয়ান গ্যারিসনকে তারা হারায় ৬-২ গোলে। পরের ম্যাচে রুমানিয়ান গ্যারিসনকে দেয় গুনে গুনে ১১ গোল। একে একে ধরাশায়ী হয় মিলিটারি রেলরোড ওয়ার্কার্স টিম (৯-১), পিজিএস (৬-০), এমএসজি ওয়াল (৫-১, ৩-২), ফ্লাকেল্ফ (৫-১)। মূলত শেষ ম্যাচের পরই টনক নড়ে জার্মান হাই কমান্ডের। ঠিকমতো খেতে না পারা, অনুশীলন করতে না পারা একটা দলের কাছে এমন গো-হারা হারাটা শুধু তাদের আভিজাত্যে আঘাতই নয়, একইসঙ্গে সম্ভাব্য জাতীয়তাবাদী উন্মেষের শংকাও। ব্যাপারটা যতি টানার সিদ্ধান্ত নেয় তারা।




ফ্লাকেল্ফ মূলত জার্মান বিমানবাহিনীর দল। আগের ম্যাচের হারের বদলা নিতে তারা পাল্টা ম্যাচ খেলার আমন্ত্রণ দেয় স্টার্টকে। ৯ আগস্ট জেনিট স্টেডিয়ামে ঠিক হয় ম্যাচ অনুষ্ঠানের। একজন গেস্টাপো অফিসার রেফারি হিসাবে দায়িত্ব নেয়। আর স্টার্ট খেলোয়াড়দের বার্তা পাঠিয়ে দেওয়া হয় এই ম্যাচ না হারলে পরিণামে মৃত্যু অপেক্ষা করবে তাদের। নিয়তি বরণ করেই মাঠে নামে অকুতোভয় ফুটবলাররা। শুরুতেই তারা নাজি স্টাইলে স্যালুট দিতে অস্বীকৃতি জানায় ম্যাচে দর্শক হয়ে আসা সেনা কমান্ডারদের। যথারীতি বাজে রেফারিং এবং তুমুল ফাউলের মধ্য দিয়ে শুরু করে ফাকেল্ফ। এগিয়েও যায়। ইভান কুজমেঙ্কোর দারুণ এক ফ্রি কিকে গোল শোধায় স্টার্ট। এরপর ম্যারাডোনা স্টাইলে প্রতিপক্ষের প্রায় সব খেলোয়াড়কে কাটিয়ে দলকে এগিয়ে নেন গঞ্চারেঙ্কো। বিরতিতে ২-১, এরপর দুদলই দুটো করে গোল করে। একদম শেষ মিনিটে ওলক্সি ক্লিমেঙ্কো ঠিক গঞ্চারেঙ্কোর স্টাইলে বল নিয়ে ড্রিবল শুরু করেন। গোলকিপারকেও কাটিয়ে বল জালে পাঠানোর বদলে, ঘুরে দাড়িয়ে ফের মাঠে ফিরিয়ে দেন। জার্মানদের অপমানের ষোলকলায় জ্বালিয়ে স্টার্ট ম্যাচ জেতে ৪-৩ গোলে।



এক সপ্তাহ পর রুখের বিপক্ষে ৮-০ গোলে জেতে স্টার্ট। নরক ভেঙ্গে পড়ে তারপর। ম্যাচ শেষে খেলোয়াড়দের গ্রেফতার করে গেস্টাপো। অভিযোগ স্থানীয় প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সঙ্গে যোগসাজশ। অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়ে মারা যান মিকোলা করোতকিখ। বাকিদের পাঠানো হয় সিরেতস বন্দি শিবিরে। সেখানে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয় ডেথ ম্যাচের দুই গোলদাতা কুজমেঙ্কো ও ক্লিমেঙ্কো এবং গোলকিপার মিকোলা ট্রুসেভিচকে। পরের বছর ১৬ নভেম্বর স্থানীয় এক পত্রিকায় ফুটবলারদের হত্যাকান্ডের খবর ছাপায়। পুরো ঘটনা প্রকাশ্যে আসে অনেক অনেক পরে। ১৯৫৮ সালে জীবিত খেলোয়াড়দের একজন পেত্রো সেভেরভ ইভনিং কিয়েভ পত্রিকায় একটি প্রতিবেদন লেখেন- ‘দ্য লাস্ট ডুয়েল’। পরের বছর একই নামে একটি বই বেরোয় তার নামে। পরে ঘটনাটি নিয়ে দুটো ছবি তৈরি হয়, 'থার্ড টাইম' এবং 'দ্য ম্যাচ অব ডেথ'। 'এস্কেপ টু ভিক্টরি' এই কাহিনীর প্রেরণায় চতুর্থ ছবি। অন্যটি হাঙ্গেরিতে নির্মিত। ১৯৮১ সালে এই বীর যোদ্ধাদের সম্মানে জেনিথের নাম বদলে রাখা হয় স্টার্ট স্টেডিয়াম।



শেষ কথা : ঠিক কাছাকাছি একটা ঘটনা আমাদের এই উপমহাদেশেও ঘটেছিলো, অবিভক্ত ভারতে। বুট পড়া ইংরেজ ফুটবল দলগুলোর বিপক্ষে খালি পায়ে খেলে আইএফএ শিল্ড জিতে নিয়েছিলো বাঙালীদের নিয়ে গড়া মোহনবাগান। সে গল্প না হয় আরেকদিন হবে।


ছবি: জাগো'র স্ক্রিনশটের পাশাপাশি স্বাধীন বাংলা ফুটবল একাদশের দুটো ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।

ভিডিও : ভিক্টরি ছবির ট্রেলার এবং শেষ ম্যাচটির দৃশ্য

 

সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২২
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: ব্রাজিললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললল
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: আবার কয় :)

২. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৪
পল্লী বাউল বলেছেন: দারুন লাগালো লেখাটা।

এই ক্রিকেটের যুগেও আমার কাছে খেলা মানে ফুটবল।

দল বলতে ব্রাজিল।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, আসলে ওই লেখাটা পড়ার পর থেকেই মাথায় ঘুরছিলো লেখাটা, পোকাটা নামাতেই লিখে ফেললাম

৩. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৬
ধূসর মানচিত্র বলেছেন: অসাধারন পোস্ট অমি ভাই,এককথায় অসাধারণ তথ্য সম্পন লেখা। আমি এমনিতেই ফুটবল ফ্যান মাঝে মাঝে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে মনে ক্ষুধাতে পরি এবং আপনার পোস্টে এই দুইটার চমৎকার মিশ্রণ।+++
অফটপিকঃ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছি,ঘুরে আসতে পারেন সময় হলে। (Click This Link )
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ আমার ভীষন প্রিয় একটি বিষয়। যে কোনো কাহিনী পড়ি।
পোস্টে মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ, ফুটবল ফ্রিক নামে একটা গ্রুপের সদস্য হয়েছিলাম বেশ আগে, সেখানে আজ একাউন্ট খুললাম এই পোস্ট দিয়ে

৪. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৯
মইন বলেছেন: ভাই, সর্বশেষে যে মুভ্যিগুলোর নাম দিলেন সেইগুলোর আইএমডিবি লিংকগুলো কি দিতে পারবেন কষ্ট করে?

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৭

লেখক বলেছেন: আইএমডিবি মানে আমি জানি না :(

৫. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫০
জনৈক আরাফাত বলেছেন: ফুটবল ও ব্রাজিল!
লেখাটা দারুণ লেগেছে!
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও

৬. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫০
অন্ধকার বলেছেন: সবই করলেন... শুধু স্ক্রিপ্টটা রেডি করে দিতে পারলেন না... ভালো...
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩০

লেখক বলেছেন: একটু ঝামেলা হইছে, গ্যাপ ফিলাপ করতেছি। আর দুইদিন দেন

৭. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৯
িফাত হায়দার বলেছেন: অসাধারণ লাগলো অমি ভাই। মোহনবাগানের গল্প শোনার অপেক্ষায় রইলাম। আচ্ছা ১৯৫০ বিশ্বকাপে ভারত সুযোগ পেয়েও খেলেনি খালি পায়ে খেলার নিয়ম না থাকায়- ভারতীয় উপমহাদেশের ফুটবল নিয়ে যদি কিছু শোনান খুব ভালো হয়। ধন্যবাদ আপনাকে।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩১

লেখক বলেছেন: শোনাবো একদিন

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: কন কি!

৯. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১২
অদ্রোহ বলেছেন: প্রথম কথা ,ফুটবল ফ্যানাটিকদের জন্য এইন পোস্টের চেয়ে উপাদেয় আর কিছু হতেই পারেনা ।এমনিতেই ইতিহাসের প্রতি আমার ব্যাপক দুর্বলতা আছে আর সে ইতিহাস যদি হয় খেলা নিয়ে তাহলে তো আর কথাই নেই ।

ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্ট হিসেবে স্বাভাবিকভাবেই খুবই চাপে থাকি ,তারপর ক্লাস টেস্ট ,সেশনাল ,অ্যাসাইনমেন্টের গ্যাড়াকল পেরিয়ে ওই কাল সাদার চর্মগোলকটাকে নিয়ম করে লাথি কষানো আমাদের চাইই চাই । আমাদের এখনকার মটোই হল ,নো ইঞ্জিনিয়ারিং ,অনলি ফুটবল :) ।(এ নামে খোমাবইয়ে একটি গ্রুপও আছে)।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: তাইলে ঢুইকা যামু

১০. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৬
সিউল রায়হান বলেছেন: এই লিখাটিকে প্রিয়তে না নিলে পাপ হবে..... এমন চমৎকার লিখা(ঐতিহাসিক দলিল নিয়ে) আমি খুব কম পড়েছি..... থ্যাংকস ভাইয়া পোস্টের জন্যে

ফুটবল ফ্রিকস গ্রুপটা আমার খোলা...... ভাল লাগলো এমন চমৎকার একটা লিখা দিয়ে গ্রুপে লিখা শুরু করলেন

ফুটবল সমর্থকদের জন্যে গ্রুপটার লিংক: ফুটবল ফ্রিকস'
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৩

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। স্পোর্টস রিপোর্টিং করার সময় ফুটবল নিয়া প্রচুর পড়ছিলাম। অনেক কিছু শেয়ার করার ইচ্ছা আছে আপনার গ্রুপে

১১. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ক্ল্যাসিকাল পোস্ট ,
ব্রাজিলের কথা না হয় নতুন করে নাই বলি ।

বরং অন্য কথা বলি , এই পোস্টটা আমার ১৮ বছরের অপেক্ষার অবসানও ঘটালো বটে । ৯২ কি ৯৩ এর দিকে যখন আমি অনেক ছোট , ইরান টেলিভিশনে এস্কেপ টু ভিক্টরি দেখেছিলাম । সেই সিনেমাটা এত গভীরভাবে দাগ কেটে ছিল মনে , গত ১৮ বছর সিনেমাটার অনেক দৃশ্যই চোখে ভাসিয়ে তুলেছি । এর মাঝে সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে খেলার বিরতিতে গোছল খানার মেঝের দেয়াল ধ্বসিয়ে খেলোয়াড়দের মেরে ফেলার চেষ্টা । অনেক ছোটবেলায় দেখেছিলাম বলে সিনেমাটার নাম মনে করতে পারতাম না কিছুতেই ।

আজ হঠাৎ করেই .....

অনেক ধন্যবাদ
প্রিয়তে
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ অনেক দিন পর পাঠক হিসেবে পেয়ে। হালে শুমা চিতুরে? :)

১২. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪০
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: খুব হাস্তাম আক্বা , শুমা খুব হাস্তি ?
খেইলি খোশাল শোদাম :)

হেহে
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: :)

১৩. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৬
মনির হাসান বলেছেন: পড়তে পড়তে পুরা হারায় গেলাম ... ফুটবল রকস্‌ ।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১০

লেখক বলেছেন: ইয়ো!

১৪. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:২৮
আকাশ_পাগলা বলেছেন: প্লাস দিতে লগ ইন করলাম।

ভালো থাইকেন।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আপনিও ভালো থাইকেন

১৫. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৪৯
লালসালু বলেছেন: প্লাস দিতে লগ ইন করলাম যদিও বেশিরভাগ সময়ে মাইনাসের জন্য করি। আপনার সাথে আমার মতের খুব অমিল। কিন্তু ম্যেরাডোনার জন্য প্লাস দিলাম। ভালো থাকবেন।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১২

লেখক বলেছেন: মতের খুব মিল এমন মানুষরাও ইদানিং পিঠে ছুরি মারতেছে, আপনে তো আনন্দই দিলেন। ভালো থাইকেন আপনিও

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৭. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:২৩
স্বপ্নকথক বলেছেন: অসাধারণের উপর অসাধারণ!! খোমাখাতায় একটা রিকোয়েস্ট দেখেন...
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৪

লেখক বলেছেন: দেখলাম, ধন্যবাদ

১৮. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩১
ধূসর মানচিত্র বলেছেন: অমি ভাই ফেসবুকে শেয়ার দিলাম আপনার পোস্ট খান, অণুমতি না নিয়েই।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৫

লেখক বলেছেন: নো প্রবস

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

২০. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩২
সুবিদ্ বলেছেন: মনে হলো যেন টানটান উত্তেজনার একটা ফুটবল ম্যাচই দেখছি.......দারুন!!

আমি আবার জন্ম থেকে জ্বলছি আর্জেন্টিনার জন্য
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। পেলের ব্রাজিল, ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনা :)

২১. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪৫
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: অসাধারণ। এস্কেপ টু ভিক্টরি দেখা থাকার কারণে আরও বেশি ভাল লাগছে। প্রিয়ত নিলাম।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মাসুম ভাই, মাসখানেক আগে আবার দেখছিলাম

২২. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৪
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: যথারীতি অসাধারন।

গল্প কখনই বাস্তবের নিষ্ঠুরতাকে অতিক্রম করতে পারে না।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৯

লেখক বলেছেন: তা পারে না। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য

২৩. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৯
অ নু বলেছেন: লেখাটি খুব ভাল লেগেছে।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৬

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ

২৪. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৮
কামার বলেছেন: লালসালু বলেছেন: প্লাস দিতে লগ ইন করলাম যদিও বেশিরভাগ সময়ে মাইনাসের জন্য করি। আপনার সাথে আমার মতের খুব অমিল। কিন্তু ম্যেরাডোনার জন্য প্লাস দিলাম। ভালো থাকবেন।

মাশআল্লাহ সত্যিবাদী ব্লগার।

লেখার জন্য ধন্যবাদ। এ ধরনের ভাল পোস্ট বেশি চাই।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৯

লেখক বলেছেন: মোহনবাগানের ঘটনাটা এখন লেখতেছি, আজকেই দিবো

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, কিন্তু এইগুলা আসলে কি?

২৭. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৮
তামিম ইরফান বলেছেন: আর্জেন্টিনার উপর কোন কথা নাই:) ব্রাজিল ভুয়া:P
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: বাসায় জানে?

২৮. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৬
হিমু ব্রাউন বলেছেন: স্বপ্নকথক বলেছেন: অসাধারণের উপর অসাধারণ!!
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২৯. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৪
স্বপ্নরাজ বলেছেন: প্লাসাইলাম। ফুটবলই সেরা খেলা আর দল অবশ্যই ব্রাজিল ;) তয় সক্রেটিস, ফ্যলকাও এর ব্রাজিলকে দেখতেই মন চায়, ডুংগার ব্রাজিলের খেলায় মন ভরে না।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৩

লেখক বলেছেন: ডুংগার ব্রাজিল বোগাস

৩০. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫১
রোবোট বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ অনেক দিন পর পাঠক হিসেবে পেয়ে। হালে শুমা চিতুরে?

১২. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪০ মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: খুব হাস্তাম আক্বা , শুমা খুব হাস্তি ?
খেইলি খোশাল শোদাম

হেহে




আহারে আপনারা ইরানী ভাষায় কথা বলছেন, আমাদের নুরে আলম সান গ্লাস দেখলে বড়ই খুশী হৈতেন। আফসুস।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৩

লেখক বলেছেন: আফসুস ;)

৩১. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০১
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: পিয়াল ভাইয়ের পোস্ট নিয়া আর কথা বৈলা লাভ নাই... সে বরাবরই এত্ত ভালো লিখে যে একটা আরেকটারে ছাড়াইয়া যায়...

প্রিয়তে রাখলাম ..

আর ব্রাজিললললললললললললললললললললললললললললললললল
:D :D :D :D :D :D
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৫

লেখক বলেছেন: শরম পাইলাম। তারপরও এত বড় সার্টিফিকেটের জন্য ধন্যবাদ। ব্রাজিল রকস..

৩২. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৪৯
মতিউর রহমান সাগর বলেছেন: ব্রাজিললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললললল
এই এক ব্যাপারে আমি বোধহয় খুবই মৌলবাদী।। কি করব বলেন?
কিছুই করার নাই।
পিয়াল ভাই লেখা বরাবরের মতো ভালো লেগেছে।
ধন্যবাদ।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৩

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

৩৩. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১১
দণ্ডিত পুরুষ বলেছেন: অনেকদিন পর ক্রীড়া সাংবাদিক পিয়াল ভাইকে দেখলাম। অসাধারণ উপস্থাপনা। আমি ফুটবলের ভয়ানক ফ্যান। ইটালি আমার প্রিয় দল। সেটা ১৯৯৪ সাল থেকে। অবশ্য ওটাই আমার প্রথম বিশ্বকাপ। তখন আমি ক্লাস নাইনে। তার আগে অবশ্য বাবার কোলে বসে নব্বইয়ের ফাইনালটা দেখেছিলাম।

কেন জানি আপনাকে এই বিষয়ে আমার সবচেয়ে সাবলীল মনে হয়। সেটা মনে হয় বুধবারের ফিচারে আপনার এবিষয়ে প্রচুর প্রবন্ধ পড়ার কারণে। যদিও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে আপনি জ্ঞানগর্ভ এবং সত্যানুসন্ধানী লেখা লিখে আমাদেরকে প্রতিনিয়ত ঋণী করেই চলেছেন। আপনার অধিকাংশ লেখা পড়ে আমি খুব আবেগপ্রবণ হয়ে যাই। নিজেকে ধরে রাখতে কষ্ট হয়। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত পোস্টগুলো। আমার নন-ব্লগার বন্ধুদেরকেও আমি আপনার প্রতিটি পোস্টের লিঙ্ক মেইল করে পাঠাই। সত্য ও ন্যায়ের পথে আপনার কলম চলুক অবিরল।

ভালো থাকুন পিয়াল ভাই।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১০

লেখক বলেছেন: কিছু প্রশংসা আছে যতটা না বিব্রত করে তারও বেশী অক্সিজেন যোগায় একজন লেখককে। অনেক ধন্যবাদ উৎসাহের জন্য। ভালো থাকবেন

৩৪. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৫
ফারহান দাউদ বলেছেন: দ্য গেম অভ লাইফ, এইভাবেই আমি দেখি ফুটবলকে, এমনকি মৃত্যুর মাঝেও জীবনকে ডাকে।
ম্যান্ডেলার রোবেন আইল্যান্ডের ফুটবল দল নিয়ে কিছু লিখবেন নাকি?
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৭

লেখক বলেছেন: ইচ্ছা আছে তো, কিন্ত সময়তো পাই না

৩৫. ২০ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৩৪
হাম্বা বলেছেন: িফাত হায়দার বলেছেন: অসাধারণ লাগলো অমি ভাই। মোহনবাগানের গল্প শোনার অপেক্ষায় রইলাম। আচ্ছা ১৯৫০ বিশ্বকাপে ভারত সুযোগ পেয়েও খেলেনি খালি পায়ে খেলার নিয়ম না থাকায়- ভারতীয় উপমহাদেশের ফুটবল নিয়ে যদি কিছু শোনান খুব ভালো হয়। ধন্যবাদ আপনাকে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮৫২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বন্ধুত্বে উদার, শত্রুতায় নির্মম : কিছু করার নাই, রাশির দোষ
........................
জামাতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে মহানবীর (দঃ) সতর্কবাণী :

শেষ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ