সীমান্তে আমাদের মানবতা ধর্ষিত হচ্ছে ভারতীয় কুত্তাদের দ্বারা। আর আমরা ব্লগে বসে ভারতীয় পন্য বর্জনের নাটকের খসড়া লিখছি।বাস্তবে এয়ারটেল সীম ভেঙ্গে এই নাটকের সুত্রপাত ঘটাচ্ছি(এদের মধ্যে কিছু আছেন, যারা এয়ারটেলের ফালতু নেটওয়ার্কে বিরক্ত)। যাদের নিয়ে কথা বলা উচিত ছিলো তাদের নিয়ে চুপ আছি। মনে করুন, আপনার বাবা টাকার লোভে বাইরে থেকে লোক এনে আপনার মাকে ধর্ষন করালো। কার উপর ক্ষেপা উচিত? যে টাকার বিনিময়ে এলো? নাকি আপনার বাবার উপর? জানিনা,আপনার রাগ কার উপর পড়বে?
আমাদের প্রত্যহ জীবনের একটা অংশ হয়ে গেছে ভারতীয় সংস্কৃতি। যে আপনি ভারতীয় পন্য বর্জনে সোচ্চার, সে আপনার মা-বোন,বউকে কি ভারতীয় নোংরা সিরিয়াল থেকে দূরে রাখতে পেরেছেন? পারেন নি। কে চায় ঘরে অশান্তি তৈরী করতে। এভাবে আজকের দিনে আমাদের প্রতিবেশী দেশটির পন্যে আমাদের বাজার সয়লাভ হয়ে আছে। বিনিময়ে আমাদের পন্য আমরা ওদের বাজারে ঢুকাতে পারিনি। ওদের কাজ থেকে বানিজ্যিক সহযোগিতার আশ্বাস পেয়েছি বারবার। কিন্তু, ওরা আমাদের সে সহযোগিতা করেনি। আমাদেরকে বঞ্চিত করেছে বারংবার।
কে দায়ী? ওদের কিছু বলুন। আমাদের রাষ্ট্র এর জন্য দায়ী। আমাদের রাষ্ট্রপ্রধানরা আমাদের বেচে দিয়ে দিয়েছে বারবার বড় সস্তা দামে। যেখানে পাঁচ ভারতীয় মাঝি নৌ-পথে পাকিস্তানে ডুকেতে গিয়ে ধরা পড়ার পরও, তারা নির্যাতনের শিকার হয়নি? কেনো? পাকি কুত্তারা কি কম খারাপ? খারাপ হয়েও তারা কিছু করেনি। কেনো? ভারতীয় ওইসব নাগরিকের কেশাগ্র স্পর্শ করলে ভারত ওদের ছেড়ে দিতো? ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা আছে। আমাদের নেই। আমাদের রাষ্ট্রপ্রধানরা বলেন, সীমান্তহত্যা নিয়ে রাস্ট্র চিন্তিত নয়! তবে আর কি? ওদের দোষ দেবো কেনো? ওরাতো চাইবেই ওদের স্বার্থ আদায় করতে। আমরা যতটুকু দেবো, ওরা ততটুকু নেবে।
সচেতন হোন। আসল যায়গায় প্রতিবাদ করুন। আপনার পন্য বর্জন ওদের পিঠ চুলকানোর কারন ছাড়া আর কিছু হবেনা। আমাদের অধিকার আমাদের আদায় করে,নিতে হবে। আমাদের রাষ্ট্রপ্রধানদের কাছ থেকে। সীমান্তে আমাদের নিরাপত্তা ভারতীয় কুত্তারা দিবেনা। আমাদের রাষ্ট্রকে দিতে হবে। আন্দোলন যদি করবেনই, আসল জায়গায় করুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

