আড্ডা পিটাইতেছিলাম দোস্তদের লগে। আড্ডায় ত কত আইটেম থাকে, এর মাঝে এক ফ্রেন্ডের কথা উঠল। ইউনিতে পড়ার সময় সে যখনই কোন বিয়ার অনুষ্ঠান বা গাড়ি দেখত, তখনই আফসোস করত,... হায়! হায়, আমার কি হবে? ... এটা শুইনা অন্যরা যখন তারে জিগাইত কেন দোস্ত কি হইনাই তোর? সমস্যা কি? তখন সে মারাত্মক মন খারাপ করে বলত এভাবেই একটা একটা করে সব শেষ হয়ে যাচ্ছে, একটা একটা করে অপরুপা কুমারী মেয়ের বিয়ে হয়ে যাচ্ছে, আমার কি হবে? আমাদের কি হবে? তার এই কঠিন আক্ষেপ আর প্রশ্ন শুইনা সকলেরই মন খারাপ হইয়া যাইত! আসলেই, ফিল্ড ত ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে! কি হবে, কি হবে! (উল্লেখ্য সবাই তখন অপ্রেমিক ব্যাচেলর!)....! তার কয়েক বছর পরের কথা, সেই নিরাশাবাদী বন্ধুটাই আবার ঠিক উল্টা আচরণ শুরু করল! বিয়ের কোন অনুষ্ঠান বা বরের সাজানো গাড়ি দেখলেই সে খুশিতে আটখানা হয়ে পড়ত! ওয়াও.... কি মজা, কি মজা....! এবার সবাই আরও অবাক! কি ব্যাপার দোস্ত? তোর এই পরিবর্তন কেন? এত খুশিহওনের কি আছে? সে তখন আগডুম বাগডুম করতে করতে যা বলল তাতে সকলেরই চক্ষে চড়ক গাছ
বুয়েটের বন্ধুদের কাছ থেকে আরকটা ঘটনা শুনলাম, সত্য কিনা জানিনা তবে এই ঘটনা টা নাকি বুয়েটে প্রচলিত আছে। এক গুডি বয় ক্লাস ফাইভের এক মেয়েকে পড়াত! খুব সিরিয়াস ছেলে, খুব ভাল পড়াত, যার জন্য মেয়ের রেজাল্টও ভাল হত। এভাবে সে ২ বছর পড়ানোর পড়ে ৩য় বর্ষে পদার্পন করল। মেয়েও ক্লাস সেভেনে উঠল। এইবার ভোক োদ ছেলে টার মাঝে একটা পরিবর্তন আসল। শিশু হতে সদ্য কৈশরে পদার্পিত মেয়েটির রূপ খুলতে শুরু করল
এটা শুনে ঐ ছেলের কি হয়ছিল জানি না কিন্তু আমাদের চিন্তা শতগুণ বিবর্ধিত হয়ে গেল। কারণ বয়স আর কারও থেমে থাকে না!
জীবনে অপচয় কম করি নাই! ইশ যদি জায়গা মত খরচ করতে পারতাম!!! তাহলে এতদিনে অনেক কিছুই হয়ে যেত!
ভাবতাছেন এসব অর্থহীন প্রলাপ কেন করতাচি? আসলে এতদিন একটা নীতি মাইনা চলতাম। আমরা সবসময় প্রেমিক টাইপ লুইচ্চাদেরকে বাঁশাইতাম। যেকোন জায়গায়, যে কোন পরিবেশে। এজন্য কলেজে (ইন্টারে) কোন যুগল আমাদের ধারে কাছে থাকত না। যার জন্য ঐ লাইফে কোন জি.এফ. পাই নাই। এজন্য অবশ্য আফসোস নাই। কারণ মজা কম করি নাই! এর পরও কন্টিনিউ করতে লাগলাম। এখনও অভ্যাসমত চান্স পাইলেও এমন কাউরে ছারি না। কারণ আমারা ত জানিই..... এক একটা বিয়া মানে একজন প্রতিদ্বন্দী কমে যাওয়া! কিন্তু কিছু দিন আগে এক আচানক ঘটনা ঘটল। এক ভোদাই ফ্রেন্ড মেসেন্জারে আসল। অনেক কথা বলল। হঠাৎ সে বলল, দোস্ত আমি মনে হয় বিয়া করতাছি! জিগাইলাম মনে হয় মানে? তুই কি শিওর না? থতমত খাইয়া বলল, না মানে শিউর আবার... .... .... মোট কথা যা বলল তাতে আমার মাথামুথা পুরা খারাপ। সে যেই মেয়েরে পছন্দ করত কিন্তু ভয়, জড়তা, বাপ মা, তার মদন গিরিতার জন্য কিছু প্রকাশ করতে পারে নাই, ঐ মেয়ের ফ্যামিলি থেকেই তার জন্য প্রপোজাল আমছে। মেয়েটাকে আমি দেখেছিলাম এক বিয়ের অনুষ্ঠানে, ফাটাফাটি সুন্দরী! মেয়ে গোপনে তারে পছন্দ করে।
শুনার পর তেকেই আমি আছি মহা টেনশনে, কারণ এতদিন পর্যন্ত যা খালি হয়ছে (পোলা), বেশির ভাগ ভোদাইগুলাই গেছে, পুংটারা কিন্তু ফিল্ডে রয়ে গেছে। তার মানে সামনে অপেক্ষা করতেছে কঠিন কম্পিটিশন।
সবাই দোয়া কইরেন! ছুম্মা আমীন.......

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

