somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ব্রেকিং নিউজ! দেশের সকল কলেজিয়েট স্কুলের নাম পরিবর্তণ!!!!!!! ব্রেকিং নিউজ: দেশের সকল "কলেজিয়েট" স্কুলের নাম পরিবর্তন করে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রাথমিক প্রস্তাব এসেছে "কলেমুজিগোবেট"! নামটি যদি আপনাদের কাছে ভাল না লাগে তাহলে এর বিকল্পও রাখা হয়েছে। যেমন: "কলেশেখেট"! "কলেশেখেট" নামটা শ্রুতিমধুর। কেমন জানি একটা রাশান রাশান ভাব আছে। তবে প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে আমার প্রস্তাব "কলেজাতিরবাবেট" নামটি। কেমন জানি নিজেকে 'বাবা বাবা' মনে হবে তখন! <img src=" style="border:0;" />
ছেলেপুলেরা স্কুলে থাকতেই বাবা হওয়ার স্বাদ পেয়ে যাবে! <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29098683 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29098683 2010-02-16 01:16:10
সুতীব্র উচ্চাশা, নস্টালজিয়ার আতংক...!
পিসিতে গানটা চালানোর সাথে সাথেই কিছু বিদঘুটে ঘন্টা-ধ্বনি শুনলাম প্রথমে, নয়েজের মত। তীব্র বাতাসে কোন সুউচ্চ গীর্জার ঘন্টা যেমন ডিং ডং করে এলোমেলোভাবে বাজতে থাকে, সেরকমই হচ্ছিল। হঠাৎ পাখির কিচির মিচির শব্দ, যেন এই মাত্র ভোর হল। আমি তন্দ্রচ্ছন্ন হয়ে পড়ি, ভোরে ঘুম ভাঙ্গলে যেরকম ঝিমুতে থাকি, সেরকমই। হঠাৎ একটা মৌমাছি কোথায় যেন উড়ে গেল, আমি আশে পাশে তাকাই, কিন্তু কোথাও দেখি না, খেয়াল করলাম সেটা গানেরই একটি শব্দ। আমার তন্দ্রভাব কেটে যায়। একটানা নিরবিচ্ছিন্নভাবে গীর্জার ঘন্টা-ধ্বনি বেজে যায়। এরপর পিয়ানোর কী-তে খুবই শ্রুতিমধুর একটা কর্ড বেজে ওঠে, একটানা বাজতেই থাকে। আমাকে পুরোপুরি নস্টালজিক করে দেয় এই কর্ড। ছোট্ট একটা সুরে এত আকর্ষণ থাকতে পারে, সেটা না শুনলে বুঝা দায়। ঢেউয়ের মতই আমার অনুভূতিকে গ্রাস করতে থাকে এই কর্ড। ভাটার টানের মতই নিয়ে যায় গভীর সমুদ্রে। সাঁতার না জানা মানুষের মত আমি ডুবতে থাকি, কিন্তু পারি না। না ডুবছি, না ভাসছি এক অবস্থা আমার। আমি মোহাচ্ছন্ন হয়ে পড়ি। নস্টালজিয়া থেকে পালাতে চাই, কিন্তু পারি না। অতি সাধারণ একটা সুর এত শক্তি কি করে পায়!!!

এবার 'বেজ' বেজে উঠে। সাথে সাথে ভরাট কন্ঠে স্মৃতিকাতর গিলমোর কিছুটা করুণ কিছুটা নস্টালজিক সুরে গেয়ে উঠে..

Beyond the horizon of the place we lived when we were young In a world of magnets and miracles Our thoughts strayed constantly and without boundary The ringing of the division bell had begun

গান শুনার সময় পুরো লিরিক বুঝতে পারি না। কিন্তু যা বুঝেছি সেটা আমাকে ভাবিত করে। পৃথিবী চুম্বক অলৌকিক এসব বিষয় মাথায় ঘুরপাক খায়। এরই মাঝে ডিভিশন বেল বেজে ওঠে।

Along the Long Road and on down the Causeway Do they still meet there by the Cut There was a ragged band that followed in our footsteps Running before times took our dreams away Leaving the myriad small creatures trying to tie us to the ground To a life consumed by slow decay

কতবার শুনেছি এই পংক্তিগুলো, সেই ৭ বছর আগ থেকে, এখন পর্যন্ত। তারপরও আমি সঠিক অর্থ উদঘাটন করতে পারি নি। শুধু অনুভব করতে পারি কি বলতে চাচ্ছেন গিলমোর। সেই একই রকম অনুভব। অব্যক্ত, অপ্রকাশিত!
ক্ষয়িষ্ঞু জীবনের শেষে যেমন মাঝে মাঝে হঠাৎ কোন পরিবর্তন আসে, যেটা আমাদের চমকিত করে সেরকমই এইবার গানে, সুরে একটা পরিবর্তন আসে। "ঘাস তো সবুজই ছিল, আর আকাশ নীল। কিন্তু বেলা যখন শেষে সেটা কালো হয়ে যায়!" - না, এটা লিরিকের কোন অনুবাদ নয়। আমার যেটা বুঝে আসে সেটাই! লিরিকটা এরকম...

The grass was greener The light was brighter When friends surrounded The nights of wonder

আবার আগের কথায় ফিরে যায় গিলমোর, আগের সুরে। কথার গাঁথুনি আরও জটিল হয়ে পড়ে। মানব মনস্বত্ত্বের অনেক গভীরে গভীরে প্রবেশ করে। বাস্তবতার চৌহদ্দি পেরিয়ে কোন এক পরাবাস্তব জগতে নিয়ে যায় আমাকে। আমি আর তাল সামলাতে পারি না। সুরের ঝর্ণায় ভিজতে থাকি। শব্দগুলো বাজনার তালে তালে বিচ্ছিন্নভাবে আমার কানে এসে আছড়ে পড়ে। প্রতিটির আলাদা আলাদা অর্থ খুঁজে পাই, কিন্তু পুরো স্ট্রাকচার আমার কাছে এসে এসেও ধরা দেয় না।

Looking beyond the embers of bridges glowing behind us To a glimpse of how green it was on the other side Steps taken forwards but sleepwalking back again Dragged by the force of some sleeping tide At a higher altitude with flag unfurled We reached the dizzy heights of that dreamed of world

কম্পোজিশনে আবারো পরিবর্তন। লীড গিটার স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আশা এবং আতংক, এ দু অনুভূতিই একসাথে আমাকে আঁকড়ে ধরে। কি করে সম্ভব? একটি মিউজিকেই এ দুই বিপরীতধর্মী অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ কি করে ঘটানো যায়? আমি আবারো মোহাচ্ছন্ন হয়ে পড়ি। ভয়ও পেতে থাকি, কারণ গানটি শেষ হয়ে যাচ্ছে। সাড়ে ৭ মিনিট সময় খুব দ্রুত কেটে যায়।
গানের কথায় স্পষ্ট হয়ে উঠে আমাদের চাহিদার কথা, বিপরীত ধর্মী দোষ-গুণের উপস্থিতির কথা। গোড়ার কথা, গড়ার কথা, খ্যাতির উচ্চশিখরে আরোহন, ভেঙ্গে পরা এসবই।

Encumbered forever by desire and ambition There's a hunger still unsatisfied Our weary eyes still stray to the horizon Though down this road we've been so many times

জীবন সায়াহ্নে এসবই আমাদের স্মৃতিপটে ধরা পড়ে। পিংক ফ্লয়েড একটু অন্যরকমভাবেই উপস্থাপন করেছে পুরো ব্যাপারটা...

The grass was greener The light was brighter The taste was sweeter The nights of wonder With friends surrounded The dawn mist glowing The water flowing The endless river Forever and ever!


বার বার শুনতে থাকি পুরো গানটা। কিন্তু একইরকম ধরা ছোঁয়ার বাহিরেই থেকে যায়। লিরিক বের করি, ডিকশনারি ঘাঁটি, কিন্তু অর্থ বের করতে পারি না। এখনও পারি নি। "রোলিং স্টোন" এর টম গ্রেভস তার রিভিউতে এই কথাটাই বলেন, "The Division Bell is a quieter, more atmospheric and contemplative Pink Floyd, with lyrics so opaque and inert one cannot hope to plumb their meaning." আবার এটাও বলেন, "Of course, no Pink Floyd album would be complete without a concept, and The Division Bell seems to be about that old standby failure to communicate. Even through the vagueness of the lyrics, one gets the feeling the band is firing broadsides at Waters."

অসংখ্য রিভিউ, অসংখ্য মতামত এই High Hopes গানটা ঘিরে, এমনকি তাদের এই Division Bell এলবাম নিয়েও আলোচনা সমালোচনা কম হয় না। কিন্তু পিংক ফ্লয়েড কি ভাবে সেটা আমাদের জানা দরকার। ইউ.এস. রেডিও প্রিমিয়ারে গিলমোর এই গানটা নিয়ে তার অনুভূতি ব্যক্ত করেন এইভাবে, ""High Hopes" was really the last one, it was written after all the other (songs) were sort of, in some form or another. I think I wrote it in July or something. It was very, very quick. It's one of those ones that works, quickly, but beautifully, almost immediately and, I came up with a tiny bit of music, just had it on a cassette, just a few bars of piano. And then I went off to get away to a small house somewhere with my girlfriend, Polly, and try and make some progress on the lyric writing. And she gave me a phrase about something about before time wears you down. And I took it from there, and...got stuck into a whole sort of thing about, I suppose, my, it's autobiographical really, I suppose I'd have to say on that one, it's about my life, Cambridge life, and my childhood, I suppose. Yeah, we came up with it very, very quickly, we wrote the words to it in, most of the words to it in a day. And then I went back to the studio, with no one else there, the minute I got back, and put a demo down of it. Did everything myself on it, and it was virtually complete in a day."


এলবাম কভার



হাই হোপস!



ডাউনলোড করার জন্য mp3 link: Click This Link

ইউটিউবে অফিসিয়াল মিউজিক ভিডিও লিংক :

লাইভ কনসার্ট :


যে দুটো পোস্ট আমাকে পিংক ফ্লয়েড নিয়ে লেখার জন্য প্রবলভাবে অনুপ্রাণিত করেছে: ছন্নছড়া পেন্সিলের
ফয়সালরকসের

বিশেষ ধন্যবাদ: ফয়সালরকস ভাইকে। যিনি বেশ কয়েকবার তাগাদা না দিলে এই পোস্ট লেখা সম্ভব হতো না!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29067449 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29067449 2009-12-29 01:32:08
২ যুগ পর একটি স্বপ্নময় জন্মদিনের প্রত্যাশায়.......!
২৪ বছর এ ঢাকা শহরের অবস্থা কি হবে জানি না। রাস্তা-ঘাট বা যানবাহনই বা কিরকম হবে সেটাও খুব একটা আন্দাজ করা যায় না। তবে ধরে নি কোন এক আধুনিক পাবলিক যানে ২৪ বছর বয়সি একটি তারুন্য দীপ্ত ফুটফুটে মেয়ে সন্ধ্যার আগেই খুব দ্রুততার সাথে বাসায় ফিরার চেষ্ট করছে। তখরকার প্রেক্ষাপটে তার এই বাড়ি ফেরাটা কতটুকু স্বস্তিদায়ক হবে সেটা এখন আর আমরা না ভাবি, বরং ভাবি তার মনের অবস্থা কি হবে সেটা নিয়ে। তার থাকবে প্রচন্ড তাড়া, হাতে থাকবে একটি গিফটের প‌্যাকেট আর একটি সুদৃশ্য চৌকোণা কাগজের বাক্স। সেই দ্রুত যানের সিটে হেলান দিয়ে বসে তীব্র শীতেও টিস্যূ দিয়ে কপালের বিন্দু বিন্দু ঘাম মুছবে আর ছোট্ট করে স্বস্তির একটা নিঃশ্বাস ফেলবে। কারণ আজকে সে তার খুব খুব খুব প্রিয় একজনকে খুব আনন্দমুখর দিনে একটি বড় রকমের সারপ্রাইজ দিবে। সারপ্রাইজটা কিভাবে দিবে, তার সেই প্রিয় মানুষটি কতটুকু হতচকিয়ে যাবে, আশে পাশের লোকজন এটা নিয়ে কিভাবে হাসাহাসি করবে সেটা ভাবতেই তার চিকন ঠোঁটের কোণে ছোট্ট একটি হাসি উঁকি দেয়। জানালার পাশে বসার কারণে আশে পাশের কেউই সেটা আর খেয়াল করতে পারে না। মেয়েটি মনের আনন্দেই তার বাড়ি ফেরার সময়টা পার করতে থাকে... ... ...



আমি জানি না ভবিষ্যতে আসলেই এরকম কিছু ঘটবে কিনা, বা হলে সেটা কিভাবে হবে, কিন্তু মনে প্রাণে বিশ্বাস করি যে ব্যক্তিটিকে আগামী ২ যুগ পর এরকম সারপ্রাইজ দেওয়া হবে, সে লোকটি সেদিন তার চোখের জল খুব বেশী সময় আটকে রাখতে পারবে না। যদি ততদিন পর্যন্ত বেঁচে থাকি, তাহলে সে দৃশ্য দেখার অথবা নিদেন পক্ষে ঐ লোকটির কাছ থেকে ঘটনাটা শুনার অপেক্ষায় রইলাম।


আজকে আমার খুব প্রিয় একজন মানুষ এবং বন্ধু এবং ব্লগার ছায়ার আলো উরফে ছালুর জন্মদিন। আর স্বপ্নের সেই মেয়েটি হচ্ছে মাত্র কিছুদিন আগে পৃথিবীর মুখে হাসি ফুটানো ছালুর মিষ্টি মেয়েটি, আমাদের ভাতিজী! <img src=" style="border:0;" />

শুভ জন্মদিন ছালু!


বিশেষ ধন্যবাদ: প্রতু দা! ছালুর জন্মদিনের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29057300 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29057300 2009-12-12 00:02:58
অলীক বাস্তব বালুচরে,
পাতিকাক
সারাদিন ঘুরপাক,
রোদে পুড়ে খাক।

রোদেলা রাত,
পূর্ণিমার চাঁদ
কিছু আলোপোকা
খায় ধোঁকা
চাঁদের সাথে মিতালী করে।

রাস্তা ফাঁকা
পথটা বাঁকা
তার পরও সোজা হাঁটা।
আস্তে চল
স্ফটিক জল
ঝড়ে পরে সবুজ পাতা।

ঝাপসা আলো
হালকা কালো,
বন্ধ চোখ
রংহীন বুদ বুদ,
আলতো ঠোঁট
অলীক বাস্তব।


অলীক বাস্তব



কাকতাড়ুয়া এবং একটি শালিক

ছবিস্বত্ব: অন্যরকম



অ.ট.: পরীক্ষামূলকভাবে প্রকাশিত!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29051250 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29051250 2009-11-29 21:27:30
দুঃখিত! তারপরও ঈদ মোবারক! Finally reached ctg at 6.30pm... Its almost 18 hours... Thanks digital govt. I m blessed...
Yesterday at 9pm i started my journey but still i m on the way Jam e thakle ki ghum-o ashena?kotto try korlam ghumanor... In the 'DIGITAL' jam. Is on d way home-jei jaam,baba! It tuk 2 hrs 2 just cross karnaphuli!

না! এইটা কোন ইংরেজী ব্লগ না। এগুলো সব হচ্ছে আজকের ফেসবুক স্ট্যাটাস। আরও অনেক ছিল। সবগুলো দিলাম না। আমি বসে বসে পড়ছিলাম, ২/১ টা কমেন্ট করছিলাম আর দীর্ঘশ্বাস ফেলছিলাম। দীর্ঘশ্বাস ফেলছিলাম তাদের যাত্রাপথের অবর্ণনীয় দুঃখ দুর্দশার চিত্র দেখে নয়। যাত্রা পথের চূড়ান্ত কষ্ট এবং যন্ত্রণা শেষে ঘরে ফিরে প্রিয়জনদের সান্নিধ্যে থেকে যে স্বর্গীয় অপরিসীম সুখ এবং আনন্দ লাভ করবে, সেটার কথা চিন্তা করতে করতে দীর্ঘশ্বাস ফেলছিলাম।

আমিও প্রতি বছর এভাবে বাড়ী যেতাম। যাত্রা পথের কষ্ট-ক্লান্তি ভুলে গিয়ে অনন্য আনন্দ লাভ করতাম। প্রতি ঈদের জামাতের পর সবার সাথে কোলাকুলি করতাম। নিজ হাতে গরু কাটতাম। বাসায় তুলে দিতাম। গরীব মিসকিনদের নিজ হাতে মাংস দিতাম। আত্মীয়-স্বজনদের বাড়ীতে পৌঁছে দিতাম। আর চালাতাম ভোজন পর্ব।

এবার এসবের কিছুই হবে না। ট্রান্সমিশন, লিংক এইসব হাবিজাবি প্রকৌশলের কাজে থেকে যেতে হল ঢাকায়। পুরোপুরি একলা। ঈদ জামাতের পর কারও সাথে কোলাকুলি হবে না, বাসায় এসে মিষ্টান্ন মুখে দেয়া হবে না। দুপুরে অফিসে যেতে হবে। কামলা দিয়ে লিংক ঠিক রাখতে হবে।

অপেক্ষা করছি সোমবারের। দ্রুতই যেন সময়টা কেটে যায়। সব ঠিক থাকলে সেদিনই হয়ত বাড়ি যাবো।




তার পরও ঈদ মোবারক! <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29050613 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29050613 2009-11-27 22:08:28
কোরবানের গরু কিনা থেকে শুরু করে পেটে চালান দেওয়ার আগ পর্যন্ত অভিজ্ঞতার আলোকে কিছু জরুরী যুগান্তকারী টিপস! (অন্যরকম)
১). পশু ক্রয়ঃ
জবাইয়ের আগে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে আপনি কোন প্রজাতির পশু ক্রয় করবেন। ছাগল, দুম্বা, উট হলে আপনি এটা না পড়লেও চলবে, তবে গরু কিনতে চাইলে মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
প্রথমেই ভেবে নিন আপনি কি বিরিষ কিনবেন না বলদ? বিরিষ মানে হল ষাঁড়। কোরবানের হাটে এই ষাঁড়ের চাহিদা সবচেয়ে বেশী থাকে। ষাঁড়ের সাথে বলদের পার্থক্য একটি মাত্র জায়গায়, সেটা নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন? হ্যাঁ আপনি ঠিকি ধরেছেন, এদের পার্থক্য নির্ণয়কারী একমাত্র উপাদানটি হল "আন্ডু", ষাঁড়ের এটি থাকে, বলদের থাকে না। মানে আগেই কেটে ফেলা হয়।
ষাঁড় কেন কিনবেন? - কারণ হল এটা তাগড়া, ক্ষ্যাপাটে এবং সুন্দর। তাছাড়া মাংসও বেশ সুস্বাদু।এদের ভুড়ি কম হয়। কোরবানীর জন্য আমরা সাধারণত এইসব বৈশিষ্ট্যের পশুই বাছাই করে থাকি। আর ষাঁড়গুলোকে বিশেষভাবে লালন-পালন করা হয় এই কোরবানের জন্যই। এজন্যই এদের চাহিদা যেমন বেশী, যোগানও বেশী থাকে।


বলদ কেন কিনবেন? - বলদ মূলত শান্ত প্রকৃতির, চর্বি কম থাকে বিধায় মাংসের আধিক্যও বেশী। তাছাড়া বলদ দিয়ে হাল চাষ করা হয় বলে এটার শরীর পেটানো থাকে, গৃহপালিত তাই খাবারের ঝামেলা কম। অনেকের কাছে অবশ্য বলদের মাংসও সুস্বাদু মনে হয়। মূলত ব্যক্তির উপর নির্ভর করে।


যে কোন গরু বাছাইয়ের আগে দেখে নিন দাঁত আছে কিনা। আমরা জানি যে গরুর নিচের পাটিতে দাঁত থাকে, উপরের পাটিতে থাকে না। কাজেই উপরের পাটিতে দাঁত খুঁজার চেষ্টা করলে আপনার আর গরু কিনা লাগবে না। আরও লক্ষ্য করুন গরুটি ঠিকমত হাঁটতে পারে কিনা। কারণ অনেক দূর থেকে আসে বিধায় গরুগুলো অনেক সময় আঘাতগ্রস্থ হয়ে পরে। সেক্ষেত্রে সে ঠিকমত নাও হাটতে পারে। আপনি নিশ্চয় কোন আঘাতপ্রাপ্ত গরু দিয়ে কোরবান দিতে চাইবেন না।

রংয়ের উপরও গরুর দাম নির্ভর করে। লালচে বা গাঢ় বাদামী রংয়ের এবং কালো গরুর দাম একটু চড়া থাকে। গরুর ক্ষুরও দেখে নিবেন। ভাঙ্গা ক্ষুরওয়ালা গরু না নেওয়াই ভাল।

হাঁটে যাবার প্রস্তুতি- আপনি যেই হাঁট থেকে গরু কিনবেন, সেখানে ভিড় যদি বেশী হয়ে থাকে, তাহলে আগেভাগেই প্রস্তুতি নিয়ে নিন। কারণ গরু ও মানুষের চাপাচাপিতে অনেকসময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমাদের এলাকার এক লোকের তো এক ফাজিল গরু একেবারে জায়গামত গুতা দিছিল। বেচারার ঈদটাই সেবার মাটি! কাজেই বেশী নার্ভাস হলে ক্রিকেট খেলার গার্ড পড়ে নিতে পারেন। সব সময় সেইফ থাকবেন। ভীড়ের মাঝে গরুর পাশে থাকার চেষ্ট করবেন, পিছে বা পাশে না। তবে গরু কিনে বের হবার সময় অবশ্যই গরুর পিছে থাকবেন! আর এই গরু হাঁক ছেড়ে সামনে এগুবেন। তাহলে রাস্তা ক্লিয়ার হয়ে যাবে।

২).কসাই নির্বাচনঃ
খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক। এটা নিয়ে হেলা ফেলা করবেন না। বুদ্ধিমানরা অবশ্যই এতদিনে এটা ঠিক করে ফেলেছেন। যারা এখনও করেন নি, তারা আজই করে ফেলুন। কারণ পরে আর নাও পেতে পারেন। আপনি যদি এবারই প্রথম কোরবান করে থাকেন এবং একটু ভোদাই টাইপের লোক হন, তাহলে প্রফেশনাল কসাই ভাড়া করুন। ওদের রেট একটু বেশী, কিন্তু আপনাকে খুব বেশী টেনশন করতে হবে না গরু নিয়ে। আর যদি চালাক এবং অভিজ্ঞতাপূর্ণ হয়ে থাকেন, তাহলে নন-প্রফেশনাল কসাই ঠিক করুন। সাধারণত রিক্সাওয়ালারা এইসময় ক্ষ্যাপ মেরে থাকে। এদের সুবিধা হল রেট কম, প্রফেশনালদের তিন ভাগের একভাগ। তবে তাদেরকে আপনার নিজ দায়িত্বেই ডিরেকশন দিতে হবে কোনটা কিভাবে কাটবে। কসাই ভাড়া করার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন সে কি কি ছুড়ি, চাকু, দামা (শক্ত হাঁড় কাটার জন্য) সঙ্গে আনবে। একটু মাঝারি সাইজের গরুর জন্য (আনুমানিক ২০/২২ হাজার টাকা বা তার চেয়েও বেশী) ৪ জন কসাই লাগবে (নন প্রফেশনাল)।

৩). এক্সেসরিজঃ
জবাইয়ের পর থেকে মাংস কেটে ভাগ করা পর্যন্ত অনেক কিছুই লাগবে। যেমনঃ চাটাই, পিঁড়ি, ছুড়ি, দা-বটি, চালের গুড়া বা আটা (মাংস কাটার জন্য), দড়ি (খুবই গুরুত্বপূর্ণ), ২ টা বালতি (গরুকে খাবার দেয়ার জন্য), কোদাল (জবাইয়ের পর রক্ত পরিষ্কার করার জন্য), এবং অন্যান্য (মনে আসলে লিখবো)।
দড়ির ব্যপারটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ জবাইয়ের আগে এই দড়ি দিয়েই গরুকে বেঁধে মাটিতে ফেলতে হবে। ভুলেও নাইলনের দড়ি ব্যবহার করবেন না! কারণ এটা পিছলা এবং গরু লাফালাফি করে সহজেই খুলে ফেলতে পারে। সাধারণত যেই দড়ি দিয়ে গরুর লাগাম ধরা হয়, সেটা দিয়েই কাজ চালানো যায়।
ছুড়ি অবশ্যই ধারালো হতে হবে। তা না হলে চামড়া ঠিকমত খালানো বা ছিলা যাবে না। কিছু বালি আর এক টুকরো চকচকে পাথর সাথে রাখতে পারেন, তাহলে কাজের ফাঁকে ধার করা সম্ভব হবে।

৪). গরুর খাদ্যঃ
ঈদের আগের দিন কিনলে এটার খুব একটা দরকার নেই। দিনের বেলা কিনলে শুধু শুকনো খড় খাওয়ালেই হবে। সন্ধ্যার পর থেকে বেশী করে পানি খাওয়াতে হবে। তবে আপনি যদি ২ দিন বা তার চেয়েও আগে কিনে থাকেন, তাহলে খৈল এবং ভুষি কিনে খাওয়াতে হবে। সাথে খড় তো আছেই। খৈল ও ভুষি কুসুম গরম পানিতে ভাতের মাড়ের সাথে মিশিয়ে খাওয়াতে পারেন। সাথে পর্যাপ্ত লবণ দিতে ভুলবেন না। মিশ্রণটি যেন বেশী তরল না হয়। আবার একেবারে ঘন করে ফেললেও গরু খেতে পারবেনা। মাঝামাঝি রাখতে হবে। চোরাবালিতে বালি ও পানির মিশ্রণ যেরকম থাকে, সেরকম হলে পারফেক্ট হয়।


৫). গরুর যত্নঃ
যে পশুটি মাত্র ২ দিনের জন্য আপনার অতিথী হয়ে এসেছে, তার যত্ন তো নেয়াই উচিৎ। এখন শীতের মৌসুম, রাতে ঠান্ডা পরে। সে যেন ঠান্ডায় কষ্ট না পায় মে জন্য ছালার বস্তা কেটে চারকোণায় চারটি সুতলি লাগিয়ে গায়ে পড়িয়ে দিন। আরাম পাবে। রাখার স্থানটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন। তাকে গলার নিচে এবং মাথায় হাত দিয়ে আদর করে দিন। দেখবেন সে ঠিকই আপনার ভাষা বুঝতে পারবে। ঈদের জামাত পড়তে যাবার আগে হালকা গরম পানি দিয়ে তাকে গোসল করান ভাল করে। শুকনো খড় দিয়ে ভাল করে সারা গা ডলে তাকে গোসল করিয়ে নিন।


৬). জবাইয়ের পূর্ব মুহুর্তেঃ
আর জবাইয়ের পূর্ব মুহুর্তে প্রথমেই গরুর পিছনের পা বেঁধে ফেলুন, এরপর সামনের পায়ের সাথে ঐ দড়িটি প‌্যাঁচ দিয়ে হ্যাঁচকা টানে মাটিতে ফেলে মাথা ধরে রাখতে হবে। মাথা অবশ্যই পশ্চিমমুখি হতে হবে এবং গলা টান টান করে রাখতে হবে।

একটি সাদা কাগজে যাদের নামে জবাই হবে তাদের নাম এবং বাবা বা স্বামীর নাম লিখে রাখুন। আপনি নিজেও জবাই করতে পারেন। অথবা অন্য কেউ বা হুজুরকে দিয়েও জবাই করাতে পারেন।


৭). চামড়া ছিলানোঃ
খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এ কাজের ক্ষিপ্রতা এবং সৌন্দর্য্যের উপর নির্ভর করছে কসাইয়ের দক্ষতা। একজন ভাল কসাই খুবই দ্রুততার সাথে নিখুঁত ভাবে পিছনের পা থেকে চামড়া খালানো শুরু করে। পর্যায়ক্রমে সামনের পা এবং অশেষে পেটের অংশ থেকে সে চামড়া ছিলে। এসময় লক্ষ্য রাখতে হবে চামড়ার যেন কোন ক্ষতি বা ছিদ্র না হয়। কারণ এ চামড়া ফকির মিসকিনের হক। এর টাকা তাদেরকেই বন্টন করে দেওয়া উচিৎ। ভুড়ির অংশ ছিলানোর সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন সেটা ছিদ্র হয়ে কোন আবর্জনা নির্গমন না হতে পারে।


৮). মাংস কাটাঃ
এটাতো সবাই করে, এবং পারে। বিস্তারিত লেখার দরকার নেই। তবে কারও কোন প্রশ্ন থাকলে উত্তর দেয়ার চেষ্ট করবো।


৯). ভাগ-বাটোয়ারাঃ
আপনি একলা কোরবান দিয়ে থাকলেও ভাগ বাটোয়ারা করতে হবে। কারণ এখানে তিন ভাগের এক ভাগ ফকির মিসকিনদের জন্য। যারা সারাবছর মাংস খেতে পারে না। এই দিনটির জন্যই তারা অপেক্ষা করে থাকে। তাদের অংশ তাদেরকে দিয়ে দিন। কারণ তা না হলে এটা আপনার জন্য হালাল হবে না।আর বাকি ২ ভাগের একভাগ আপনার আত্মীয় স্বজন এবং পাড়া প্রতিবেশীর জন্য। তাদেরকে আপনি চাইলে কাঁচা মাংস দিতে পারেন, অথবা রান্না করেও দিতে পারেন। পুরোটাই আপনার ইচ্ছা!

(আর আমার মত যারা এই কোরবানে মুসাফির থাকবে, তাদেরকে নিজ দায়িত্বে বাসায় দাওয়াত করে খঅওয়াতে পারেন। বিশেষ কারণবশত এইবার এই প্রথম ঢাকায় একলা সবার থেকে আলাদা হয়ে ঈদ করতে হচ্ছে! <img src=(" style="border:0;" />)



এই টিপসগুলা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা লব্ধ! গত ১৪ বছর ধরে সুচারুরুপে পালন করে আসছি! এইবারই শুধু ব্যতিক্রম! আপনাদের সামন্যতম উপকারে লাগলেও ভাল লাগবে। <img src=" style="border:0;" />

ঈদ মোবারক]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29049825 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29049825 2009-11-26 03:49:34
পোস্টগুলো হাওয়াই উড়তাছে! (ইহাও মনেহয় গায়েবী পোস্ট!) <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" /> " style="border:0;" />

একটু আগে ডিলিট হইল মামদোর একটা পোস্ট। ব্লগ ক্যাচাল নিয়াই লিকছিলো। তারও কিছুক্ষণ আগে ডিলিট হইল কৌশিকের পোস্ট। টপিক একই, তবে একটু ঘুরাই প‌্যাচাই লিখছে। <img src=" style="border:0;" /> কৌশিকের ঐ পোস্টে ভাবছিলাম ভাল একটা আলোচনা (!!!) হবে। তিনি সামহোয়ারইনআন্ডারগ্রাউন্ড.কম/বেশী তে যাওয়ার দাওয়াত দিছিলেন. আমি উনারে আস্কাইছিলাম সেখানে আবাসিকদের রেট বেশী কিনা.... উত্তর পাওয়ার আগেই পোস্ট গায়েব!

তাহলে এখন আমরা কি সিদ্ধান্তে আসতে পারি?

আপনাদের সিদ্ধান্তসমূহ জানিয়ে যাবেন! /<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29048023 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29048023 2009-11-22 21:08:20
একদিন এ ব্লগে তোমার সাথে অক্ষর দিয়ে মালা গাঁথবো বলো।
কখনও শৌর্যে কখনও বা ছন্দহীন কবিতায় অথবা গল্প দিয়ে,

একদিন এই ব্লগে
পাশাপাশি হেটেছিলাম, কিছু সহযোদ্ধা নিয়ে।
তর্ক আর গালি, অভিমান কিংবা ভালবাসা
সবই ছিল হাত ধরে পাশাপাশি।

একদিন এ ব্লগে, আমার কাঁধে হাত রেখেছিল আমারই বিপরীত আদর্শের একজন।
আমি তিরস্কার করেছিলাম আমারই প্রিয় কাউকে।

একদিন এ ব্লগে,
কারও সাহসী সত্য উচ্চারণে কাল মেঘ কেটে গিয়েছিল।
সূর্যের আলো এসে রাঙিয়ে দিয়েছিল সবুজকে।

একদিন এ ব্লগে,
কোন এক অচেনা বাঙালীর সরব উপস্থিতি ছিল।
মুকুল লিখেছিল নদী আর ধানের কবিতা, কিছু অব্যক্ত প্রেমের শিহরণ ছিল সেখানে।

একদিন এ ব্লগে,
বিষাক্ত লিরিকের উন্মাদনায় ভাসিয়ে দিয়েছিল কোন মানুষ ,
কিছু পরাবাস্তব কল্পনার ছবি এঁকেছিল।

একদিন এ ব্লগে,
সদা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত আমাদের আইডল

একদিন এ ব্লগে নাহিদের কন্ঠরোধ হতো না।
জইনের চিন্তা বিঘ্নিত হত না কোন আবাসিকের ষড়যন্ত্রে।

একদিন এ ব্লগে উপর্যোপরি ধর্ষণের মত উপর্যোপরি নিয়ম লংঘনের দায়ে বাতিল হত না কেউ।

একদিন এ ব্লগে,
দন্ডিত হয়ে ঘুরে বেরাবে না কোন তুহিন


একদিন এ ব্লগে,
বন্ধ হবে সকল বৃদ্ধের রাত জাগা লুলামি।
আমার ছোট বোন ঘুড়ি উড়াবে নিশ্চিন্তে, আর রং তুলির ছবি আঁকবে।

একদিন এ ব্লগে,
প্রকাশের অপরাধে গুপ্তঘাতকের মত গোপন করা হবে না কাউকে।

একদিন এ ব্লগে,
খারেজির ক্ষুরধার যুদ্ধ দেখবো বলে এসেছিলাম।
চরিত্র বিশ্লেষণ পটু এক মানসিক ডাক্তারের মন্তব্য পড়েছিলাম।

একদিন এ ব্লগে ছিল না কোন ষাঁড় কিংবা ভাঁড়,
দেখতে চাই শূণ্যকে আবার।
নির্ভয়ে নির্ঝরের গল্পে বুঁদ হয়ে যাবো।
শারফুর মাতাল হওয়া কবিতায় ছন্দ মিলাবো।

একদিন এ ব্লগে
সকল আালকে লাথি মেরে,
আমরা আবারো দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করবো!!!!


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29046285 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29046285 2009-11-19 18:13:09
একটি তীক্ষ্ণ যুক্তিসমপন্ন অনুভূতিশূন্য গল্প! তীব্র অনুভূতিশীলদের এইপোস্ট না পড়ার অনুরোধ রইল! পড়লে নিজ দ্বায়িত্বে পড়বেন!

রাম দা নিয়েই তেড়েফুড়ে বাড়ি থেকে বাহির হচ্ছিল করিম মিয়া, তাকে বাঁধা দিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরল বড় ভাই রহিম।

- এইভাবে যাইছ নারে ভাই, মাথা ঠান্ডা কর। অনুভূতি মনের মইধ্যে চাইপা রাখ। - আপ্নের নীতিবাক্য রাখেন দাদা। (রাগে গজগজ করতে থাকে করিম!) যখন বাপ মা তুইল্ল্যা গালি দিছিল তখন তো চুপ কইরা ছিলেন! - হ! গাইল দিলে দিছে। কি করমু! হেরা শিকখিত মানুষ, যুক্তিবাদী। আম্রারে গাইল দিলেও সেইখানে যুক্তি থাকে। - আপ্নার যুক্তি আপনে ুদান। শালাগোরে দাও দিয়া কোপাই আসমু আইজকা। - মাথা ঠান্ডা কর ভাই, চল চেয়ারম্যানের কাছে চল। হেরে সব বুঝাই কই। - ঐ ানকির পুতই তো সবগুলানরে লাগাই দিছে। ইলেকশনে ভোট দিলাম আম্রা, খাটা খাটনি সব করলাম, টেকাও খরচ কর্লাম, আর অহন গুন্ডা-পান্ডা লাগাই দিছে আম্রার এইখানে। নিজে সাধু সাইজা নীতি কথা কইতাছে, আর যুক্তি ফলাইতাছে। খলিলরে কি করছে শুনেন নাই??? - না, শুনি নাই। - শুনবেন কেম্নে? শুনছেন তো খালি হেদের নীতিকথা.... এইসব নীতি কথার মায়েরে বাপ.... খলিল নতুন আবাদ করছিল, চারা লাগাইছে, ানকির পোলাগুলা রাইতের আন্ধারে গিয়া হাইগা আসছে, শালার বলদ হইলেও একটা কতা আছিল, গোবর কাজে লাগত.... শালাগুলারে অহনই গিয়া বলদ কইরা আমু !!!!.....!

(করিম আবারও তার ভাইয়ের হাত ছাড়ার চেষ্টা করে, কিন্তু পারে না।)

- হাত ছাড়েন না কেন? যখন মায়েরে তুইলা গালি দিছিল। তখন কই আছিলেন আপ্নে? - মায় তো অনেক আগেই মইরা গেছে। গালি দিলে কি গায়ে লাগবো? তুইও তখন দিয়া দিতি পাল্টা গাইল। তখন দেছ নাই কেন? - ভাদাইম্ম্যা জারজ গুলানরে গাইল দিলে কি হেদের গায়ে লাগবো? হেগো বাপ-মার কোন ঠিক-ঠিকানা আছে নাকি? গিয়া দেহেন, বাপের নাম জিগান, কইতারবোনা! আর বাপ মা থাকলেও কি হইত, হেরা কি আর বাপ মা মানে? - সবই বুঝিরে ভাই, কিন্তু গাইলের বদলে কি আর গাইল দিবি? সমাজ আছে না, সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরী হইবো, শান্তি নষ্ট হইবো। - ানকিরপোলাগুলা কিছু গাইল দিলে শান্তি নষ্ট হয় না, না? হেরা যখন গাইল দেয় তখন এই ুদির সমাজ কই থাকে। আর গাইলরে গাইল দিয়া মুকাবিলা করুম ক্যান। রামদাও কি এম্নে নিছি। সাহস থাকলে সামনে আসুক। রাইতের আন্ধারে হাগছ, সাহস থাকলে সামনে আইসা লুঙ্গি তুলুক, সোজা কাইটা দিমু..... (করিম মিয়া গজগজ করতে থাকে..)


এ গল্পের শেষ আর জানা যাই নি। আশ পাশের ৮/১০ বাড়ি থেকে লোক জন এসে জমে গিয়েছিল। সবাই করিম কে ঠান্ডা করতেই ব্যস্ত, আর দীর্ঘদিনের গালাগালে ক্ষোভ জমতে থাকে.....! <img src=" style="border:0;" />

{প্রথমত: এ গল্পের সব চরিত্র, ঘটনা, পরিপ্রেক্ষিত কাল্পনিক। কারও সাথে বা কোন গ্রুপের সাথে মিলে গেলে তা হবে কাকতাল মাত্র। এ জন্য লেখক দায়ী নয়! দ্বিতীয়ত: প্রথমেই বলা হয়েছিল তীব্র অনুভূতি সম্পন্ন কেউ এই পোস্ট না পড়তে, কেউ পড়ে তীব্র আঘাত পেয়ে থাকলে তাকে অনুরোধ করবো অনুভূতি নামক ঠুনকো জিনিস মাটিতে পুঁতে ফেলতে। অনুভূতি নিয়ে ব্লগানো নিষিদ্ধ। কারণ এইখানে তীব্র অনুভূতিশীলদের পু#কি মারা হয়! } ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29042481 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29042481 2009-11-12 20:50:02
শোনা কথায় কান দিতে নেই। (পুং ২১+, নারী ১৮+) " style="border:0;" />

কাজ শেষ করে আমরা গাড়িতে করে অফিসে ফিরছিলাম ৪ জন। আড্ডা, সাথে রাজনৈতিক আলোচনা চলছে। কথায় বুঝতে পারলাম 'আউ' ভাই বিএনপি পন্থী। আমি আর 'আরা' ভাই সুযোগটা হেলায় ফেলতে দিলাম না। এখানে বলে রাখি আমার একটা বদ অভ্যাস আছে। কেউ যখন কোন কিছু ডেসপারেটলি সাপোর্ট করে, তখন ঐ বিষয়ে তারে খুচায়া আমি স্বর্গীও আনন্দ লাভ করে থাকি <img src=" style="border:0;" />। 'আরা' ভাই আমার মনের কথা বুঝতে পেরে কথা প্রসঙ্গে বলে উঠল, "কে বলেছে জিয়া নাই, জিয়া মোদের ফালু ভাই! এক জিয়া লোকান্তরে, ফালু ভাই হাওয়া ভবনে!"
স্লোগান শুনেই যে 'আউ' ভাইয়ের পিত্তি জ্বলে গেছে সেটা তাঁর চেহারা দেখেই বুঝতে পারলাম। বেচারার মুখ তখন পুরা বাংলা ৫। অনেক কষ্টে নিজেকে ডিফেন্ড করতে গিয়ে বললেন,"এইগুলা সব আওয়ামিলীগের অপপ্রচার। সব ষড়যন্ত্র, শোনা কথায় আপনারাও এভাবে কান দেন, ভাবতে কষ্ট হয় <img src=(" style="border:0;" />"!
আমি কিছু বলার চান্স পেয়ে গেলাম,"উমরা করতে যাওয়ার সময়ও তো ফালু ভাই ম্যাডামের পিছ ছাড়ে নাই। হুইল চেয়ারটাতো তিনিই ঠেলেছেন! আর কেউ কি ছিল না চেয়ার ঠেলার?".... বেচারার অবস্থা একেবারে ছেড়ে দে মা কেঁদে বাচি..... বাউন্সারে শয্যাসায়ী হয়ে একেবারে খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে হাঁসফাস করতেছে। তেমন কিছুই গুছিয়ে বলতে পারছে না। তাঁর এই অবস্থা দেখে আমরা তো চরম আনন্দিত......
অবশেষে 'আউ' ভাইয়ের সাহায্যে এগিয়ে এলেন ৪ নং জন। তিনি আমাদেকে একটা 'শোনা কথা' শোনালেন। এর আগে অবশ্য সাবধান বাণী বলে দিলেন যে এইগুলো বাতাসে ভেসে বেড়ানো কথা, কান দিতে নেই। তো কাহিনী হল এরকম, --

অতি সম্প্রতি আমাদের কোন এক নেত্রী (নাম কমু না, বুইঝ্যা লন!) চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সিঙ্গাপুর ভ্রমণ করেছেন। হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে নার্স হাসিমুখে এগিয়ে এল নেত্রীর দিকে.. বলল "ম্যাম, একটা সুখবর আছে, আপনার হাজব্যান্ডকে খবর দিন!" বিরস মুখে নেত্রী বলেন,"আমি অবিবাহিত, হাজব্যান্ড নেই।" - "তাহলে আপনার প্রেমিককে খবর দিন!" - "কারও সাথে আমার কোন রোমান্সের সম্পর্ক নেই"! - "ও! তাহলে আপনার বয়ফ্রেন্ডকে খবর দিন"! - (নেত্রী বিরস মুখে) "আমার কোন বয় ফ্রেন্ডও নেই"! নার্সের দু'চোখ এবার কপালে, বলল,"তাহলে আপনার মাকে খবর দিন!" নেত্রী আশ্চর্য হয়ে..... "কেন?" নার্স বলল, "তাঁকে বলুন যে ২য় যীশুর আবির্ভাব ঘটতে যাচ্ছে!!!"

আমারা গাড়ীর ভিতরে পুরাই হা হা প গে...... <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />
জোকসটা পুরোনো হলেও রাজনৈতিক নেত্রীবৃন্দের সাথে মিশাইলে কেন জানি রস উপচায় পরে। যাই হোক, 'আউ' ভাইয়ের হৃদয়ের আঘাত কিছুটা প্রশমিত হয়। তিনি এবার বলেন,"দেখছেন, শোনা কথায় বিশ্বাস করতে নেই!" এবার আমিও মলম মাখি... "যা রটে তা কিছুটা হলেও..... <img src=" style="border:0;" />" বেচারার মুখের আলো কেন জানি দপ করে নিভে যায়।<img src=" style="border:0;" />


যাই হোক, এরকম অনেক কথায় কানে আসে, বাতাসে ভেসে ভেসে, এক কান দিয়া প্রবেশ করাই, আরেক কান দিয়ে বের করে ফেলি। এই যেমন আগে ব্লগে রিভার্স গেইমটা বেশ জমতো, এখন কেন জানি অতি ব্যবহারে চার্মটা নষ্ট হয়ে গেছে। গ্রুপ করে কারা এগুলা খেলতেছে শুনলাম, নামও শুনলাম, এরপর মেমোরী থেকে রিমুভ কইরা দিলাম। রাইখা লাভ নাই, কারণ সব শুনা (সোনা না কিন্তু) কথা! আবার কে ৩ টা নিকে ব্লগায়, কোন নিকে + কোন নিকে মাইনাস দেয়, সেইটাও খবর পাইলাম, আবার কোন এক নিক আছে ৩ ভিন্ন ভিন্ন ব্যাক্তি ঐ নিক ব্যবহার করে। কে ভালবাসার টানে ঘড় থেকে পালায়, কে হিপোক্রেসি করে, কে রাত ৩ টার সময় এসএমএস পাঠায়, কে নম্বর পাইলেই (অবশ্যই মেয়েদের) শুধু ফোন দেয়, কে নব্য নাস্তিক, কে এক নিকে নাস্তিক আর এক নিকে আস্তিক, কে নব্য ড়েসিডেন্ট, কে এক নিকে ছাগল আবার আরেক নিকে নিজেরেই ুন্দায়, কে বাঘিনীর ল্যান্জা নিয়া খেলে, কে গোয়েন্দা সংস্থার লোক... এইখানে তীক্ষণ নজড়দারী রাখে আর কমেন্ট করে ( <img src=|" style="border:0;" /> ) ইত্যাদি নানা কথা কানে আসে..... কিন্তু সব ঐ জোকস এর মত ফেলে দিই! কারণ এগুলা সবই শুনা কথা.... কান দিতে নেই! <img src=" style="border:0;" />

আমি অবশ্য ব্লগে আসি বিনোদনের জন্য। মাঝে মাঝে এইসব বিনোদন দেখে মজা পাই, কখনও বিরক্ত হই! তবে ইদানিং আন্তঃ ব্লগীয় মহাযুদ্ধও একটা দেখার মত জিনিস। এখন এটাতেও ভাল বিনোদন পাওয়া যায়!

অতএব, সবাইকে বিনোদনে স্বাগতম। তবে সাবধান, অনেক কিছুই শুনবেন, সব শোনা কথায় কান দিবেন না... দিতে নেই! <img src=" style="border:0;" />



বিঃদ্রঃ তথ্যসূত্র সংরক্ষিত! কমেন্টে কোন গুজব নিয়ে আলোচনা নিষিদ্ধ! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29037644 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29037644 2009-11-04 17:25:42
এক হাসি খুশি সুখি রিক্সাওয়ালার সাক্ষাৎকার। - মালিবাগ রেলগেট যাবা?
- যামু, ২০ টাকা!
মেজাজ খারাপ হয়ে গেল। মূল ভাড়া দশ টাকা। বললাম, - তোমারটায় যামু না!
- মামা ১৫ টাকা দিয়েন, আসেন। আমি হাঁটা শুরু করলাম আরও যারা আছে ওদের দিকে। এবার সে বলে, ঠিকাছে মামা ১২ টাকা দেন। আমি বলি ১০ টাকা দিমু। সে রাজি হয়ে যায়। বলল, উঠেন!

রিক্সা চলা শুরুর পর বলে,
- তারপরও ক্ষ্যাপ ছাড়ুম না।
- ১০ টাকার ভাড়া ২০ টাকা কইলে ক্ষ্যাপ মারবা কেমনে? (আমি বলি।)

মুখে বিশাল একটা হাসি দিয়া সে টানা শুরু করে।

কিছুক্ষণ পর সে বলে, মামা আজকে কি বার?
- বৃহস্পতিবার।
-হুমম, তারমানে কালকা শুক্র, পরশু শনিবার, এরপরদিন রবি?
-হ!
-আজকে কত তারিখ?
- ২৯ তারিখ।
- তারমানে রবিবার ১ তারিখ? (এটা বলেই সে হাসা শুরু করে।)
- হ্যাঁ। রবিবার ১ তারিখ, এইটা নিয়া এত খুশি কেন? কিছু হইবো নাকি? (আমার কাছে কেন জানি তাকে ইন্টারেস্টিং মনে হয়, এজন্য গেজানো শুরু করি।)

- ১ তারিখ বাসা ভাড়া দিতে হইবো মামা! (এই বলে সে আবারো হাসা শুরু করে, মনে হয় যেন বাসা ভাড়া দেওয়া খুব মজার কাজ!!!)
- বাসা ভাড়া দেওয়া কি খুব মজার কাজ? ভাড়ার কথা বইলাই তুমি যেইভাবে হাসতাছো...! (সে প্রাণ খুলে হেসে যায়!)

- বাসা কই তোমার?
-রামপুরা।
-ভাড়া কত দাও?
- ৩০০০ টাকা!
ভাড়া শুনে আমি একটু অবাক হই! :-*
- কি বল, কয়জন থাকো তোমরা, ভাড়া এত বেশি কেন?
- ২ জন মামা!
- তুমি আর মামী থাকো, নাকি??? (লজ্জা মাখানো হাসিতে সে সম্মতি জানায়)! :``>>
- বাসায় কি গ্যাস, কারেন্ট, পানি সব আছে?
- হ মামা, সবই আছে, এজন্যইতো ভাড়া বেশী।
- হুমম... তাহলে ঠিক আছে।

এবার সে তার নিজের কিছু কাহিনী বলে যায়,
- আগে তো মামা নিজের গাড়ি (রিক্সা) ছিল, সব ভাড়া দিতাম, আমি চালাইতাম না। সবগুলা চুরি হয়ে গেছে। এজন্যই নিজে চালাই এখন। (তার মুখে হাসি লেগেই আছে, এত বড় শোক সংবাদ জানানোর পরও তার মুখে কোন বিষাদের চিন্হ পেলাম না।)
- এখন চালাইতেছ এইটা কার গাড়ি?
- গ্যারেজের, অন্য লোকের।
- জমা কত দাও সারাদিন চালাইলে?
- ৮০ টাকা।
- হুমম, ডেইলি ক্ষ্যাপ মারো কত?
- এই মনে করেন ২০০ বা ৩০০ টাকা। কখনও এর চেয়ে সামান্য বেশীও হয়।
- তাহলে তো ২ জনের চইলা যায়!
- হ, চইলা যায়। তয় এখন মাসের শেষতো, লোকজন বেড়ায় কম, রিক্সায় উঠতে চায় না। সবাই বাসে উঠার চেষ্টা করে। মতিঝিলে সব রিক্সা খালি পইরা আছে। এইজন্যই এইদিকে চইলা আইলাম।
- হুমম। গ্রাম থেকেও তো অনেক লোক এখন শহরে আসতাছে, কাজের জন্য। সবাই তো রিক্সাই চালায়।
- হ!
- তোমার বাড়ি কই?
- শেরপুর।
- হুমম... আমি অবশ্য ময়মনসিংহের ফুলপুর পর্যন্ত বেশ কয়েকবার গেছিলাম। এরপরই তো শেরপুর। (সে সম্মতি জানায়)। শেরপুরে তো সব আবাদী জমি, মাইলের পর মাইল ফসলের ক্ষ্যাত। ঐখানে কাজ করতে পারো না? ঢাকায় থাকো কেন?
- ঐ কাম করতে ভাল লাগে না। রিক্সা চালায় মজা। তবে শেরপুর শহরে চালাইলেও ভাল ইনকাম করা যায়। ডেইলি ২০০ টাকা আসে।
- বাহ, তাহলে ঢাকায় পইড়া আছ কেন? ঐখানে তো খরচ আরও কম। চইলা যাও সেখানে!
- বউয়ে যাইতে চায় না। কয়, বাড়িতে থাকমু বুড়া বয়সে, এখন গিয়া কি করমু?
- বাহ! তোমার বউয়ের তো দেখি অনেক শখ! চাকরি বাকরি কিছু করে, নাকি বাসাই পইড়া থাকে সারাদিন?
- না মামা, বাসায়ই থাকে, কিছূ করে না।
- তাহলে কাজে লাগায় দাও, গার্মেন্টসএ অথবা রান্না বান্না কিছু পারলে কারও ঘরেও কাজ করতে পারে, ঝামেলা কম।
- হ, সেইটা তো বলছি, কিন্তু হের এক কথা, "বিয়া করছি আরামে বইসা বইসা খাওনের জন্য, চাকরি করুম কেন??"
- খাইছে! মামীরে তো দেখি বেশ আরামেই রাখছো।
- হ! বিয়ার আগে এইসব কইলে তো এত তাড়াতাড়ি করতাম না। আরও পরে করতাম।
- হুমম.... নিজেই পছন্দ করছো, না? পিরিতের বিয়া?
সে লাজুক হাসি দিয়া বলে - হ!

পৌঁছার পর ভাড়া দেওয়ার সময় শেষ কথা বলি,

- তো, পছন্দ করলা কেন মামীরে, বেশী সুন্দর নাকি?
- মাশাল্লাহ, ভালই! :`> <img src=" style="border:0;" />

ঝকঝকে দাঁতে বিশার একটা হাসি দেয় সে। একেবারে আকর্ণ বিস্তৃত হাসি যাকে বলে। ঠোটের দুই প্রান্ত তার দু'কানের লতি স্পর্শ করেছে যেন...!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29035914 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29035914 2009-11-01 17:17:28
আগামী ১০০ বছরে ভাষা হিসেবে বাংলা কি টিকে থাকবে, নাকি তার জৌলুস হারাবে?
এর আগে কয়েকটি খন্ড চিত্র তুলে ধরি।

চিত্র-১:
ময়মনসিংহের ফুলপুর নামে একটি উপজেলা আছে। ব্রহ্মপুত্রের ওপারে একটি মফ্বসল এলাকা। সেখানে বাউলা/বওলা গ্রামের বাজারে একটি পুরোনো দ্বিতল ভবনে মোবাইল টাওয়ার স্থাপনের ফিজিবিলিটি সার্ভে করতে গতবছর গেছিলাম। ছাদে দেখি একটি টাটা স্কাইয়ের ডিশ এন্টেনা। গ্রাম্য এলাকায় কেউ ব্যক্তিগতভাবে এটা ব্যহার করে দেখে আশ্চর্য হয়েছিলাম। এরকম বিভিন্ন মফস্বলে এ ধরনের টাটা স্কাই বা ডিশ টিভির ব্যবহার দেখে কৌতুহলি হলাম আসলে এটা কি বা কারা ব্যবহার করে। জানতে পারলাম এটা দিয়ে ক্যাবল অপারেট করা হয়। অর্থাৎ যারা ক্যাবল টিভি অপারেশনের অনুমতি পায়নি একেবারে রুরাল এলাকায়, তারা এর মাধ্যমেই অবৈধভাবে ব্যবসা করতেছে।

টাটা স্কাই বা ডিশ টিভি বা এ রকম ছোট ডিশ এন্টেনা বা ভেরী স্মল এ্যাপারচার টারমিনাল দিয়ে সাধারণত কিউ/কে. ইউ. (Ku- band) ব্যান্ডে সিগনাল ট্রান্সমিট বা রিসিভ করা হয় যেটা দিয়ে প্রচলিত 'সি' (C-Band) এর যে সমস্ত চ্যানেল আছে, সেগুলো অপারেটররা আপলোড করে Ku- band এ ট্রান্সমিট করে থাকে। পরে গ্রাহকরা এই টাটা বা ডিশ টিভির ছোট এন্টেনা দিয়ে রিসিভ করে। এ পদ্ধতিতে আমাদের দেশে অবৈধ অর্থাৎ বিটিআরসি এ পদ্ধতিতে ক্যাবল টিভি এবং এর ব্যবসা বন্ধ রেখেছে। আমাদের দেশীয় স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলো সি ব্যান্ডে অপারেট করে থাকে এবং শহরে কেবল অপারেটররা এই C-Band-ই রিসিভ করে হোম-সার্ভিস দিয়ে থাকে।

চিত্র-২:

আমার এক ভগ্নিপতির বন্ধু দুবাইয়ে একটি বড় রেডিমিক্স (কন্সট্রাকশান রিলেটেড ইন্ডাসট্রি) ফার্মের প্লান্ট ম্যানেজার বা এই টাইপের কিছু একটা। গত বছর তার সাথে দেখা হয়েছিল। দেশে এসেও বেচারা ফোন কান থেকে নামাতে পারে না অফিসিয়াল কলের জন্য। প্রতি ৫ মিনিট পর পর ফোন আসছে দুবাই বা সিঙ্গাপুর থেকে (মাদার কোম্পানি সিঙ্গাপুরের) এবং ভদ্রলোক অনবরত হিন্দীতেই কথা বলে যাচ্ছেন। প্রসঙ্গটা তুলতেই তিনি বললেন যে হিন্দী সেখানে "আনঅফিসিয়াল" সেকেন্ড লেঙ্গুয়েজ। আরবী সবাই পারে না, ইংরেজীতেও অনেকের সমস্যা হয়। কিন্তু হিন্দী টিভি চ্যানেল, মুভি এবং সিরিয়ালের কল্যাণে সবাই পারে বিধাই এটাতে কমিউনিকেট করতে হয়। দুবাইয়ের অন্যান্য অংশের কথা আমি জানি না তবে সেই কোম্পানির অবস্থা স্বচোক্ষে দেখে একটু অবাকই হলাম।

চিত্র ৩:

ব্রডকাস্ট ইন্জিনিয়ারিং এ সুইচ করার পর Ku- band নিয়ে আরও কিছু বাস্তবসম্মত জ্ঞান লাভ করলাম। বায়তুল মোকাররমের ইলেকট্রনিক্স দোকানে এই ব্যান্ডের এন্টিনা দেদারসে বিক্রি হয়। শহরের লোকজন পারসোনাল কাজে নিলেও মফস্বলের লোকজন নিয়ে যায় ব্যবসার জন্য। তারা অবৈধ কেবল অপারেটরের বিজনেস করে। মাঝে মাঝে পুলিশ রেইড দিলে ব্যবসায়ীরা এন্টিনা এবং রিসিভার সরিয়ে ফেলে। কিন্তু পরে আবার যথাস্থানে হাজির হয়।

এই Ku- band এর সুবিধা হচ্ছে একটি রিসিভার দিয়েই আপনি আপনার প্রয়োজন মত চ্যানেল দেখতে পাবেন। অনেকগুলো রিসিভার বা অনেকগুলো সেটেলাইটএর ফ্রিকুয়েন্সি ডাউনলোড করতে হয় না। তাছাড়া একেবারেই ছোট হওয়াতে নাড়াচাড়া বা টিউনিংএও সুবিধা। ছবির মানও বেশ ভাল। বিদ্যুৎও অনেক কম লাগে বিধায় ডিসি ভোল্টেও রিসিভার চলে।
Ku- band এর অপারেটরদের বিভিন্ন প‌্যাকেজ আছে, আপনি আপনার সুবিধামত প‌্যাকেজ (কতটা চ্যানেল, কিকি, রেট ইত্যাদি) বার্ষিক বা ষ্নমাসিক ভিত্তিতে কিন্তে পারবেন। মজার ব্যাপার হচ্ছে এসব Ku- band এর অপারেটরদের লিস্টিতে কোন বাংলা চ্যানেল নেই। অর্থাৎ বাংলা স্যাটেলাইট চ্যানেলের কোন প‌্যাকেজ তারা অফার করে না।

তো এখন আমরা কি দেখতে পাচ্ছি? গ্রামে গঞ্জে দেদারসে মানুষ স্যাটেলাইট চ্যানেল দেখছে, কিন্তু এর মধ্যে কোন বাংলা চ্যানেল নেই।

এবার একটু হিন্দী চ্যানেলগুলো দেখুন। কি দেখায় সেগুলোতে। যাই দেখাক না কোন, বিঞ্জাপনগুলোর দিকে খেয়াল করুন। এসমস্ত পন্যের কয়টা বাংলাদেশের উপযোগি, যথাযথ ট্যাক্স দিয়ে কয়টা এদেশে আসে এবং এসমস্ত পণ্যের কয়টা আমাদের আসলেই দরকার। আমি অর্থনীতির ছাত্র না এবং এ বিষয়টা ভাল বুঝি না বিধায় গুছিয়ে বলতে পারবো না তবে যদ্দুর জানি সেটা হল এগ্রেসিভ মার্কেটিংএর মাধ্যমে আপনি কিন্তু একজন মানুষকে এমন পণ্য কিনাতে বাধ্য করতে পারেন যেটা তার আদৌ কোন প্রয়োজন নাই। এরকম ভুরি ভুরি উদাহরণ আপনি খেয়াল করলেই আপনার আশেপাশেই দেখতে পাবেন।

আমাদের বাজারে যে সমস্ত ভারতীয় পন্য আসছে, তার বিরাট একটা অংশ চোরাই পথে আসে যেটা আমাদের সরকার অনেক সময় ইচ্ছা থাকলেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। আমার মনে হয় আমাদের সাংবাদিক বন্ধুরা/ব্লগার রা এ ব্যাপারে আরও ভাল উদাহরণ দিতে পারবেন। অর্থাৎ শুধু মাত্র শক্তিশালি স্যাটেলাইট চ্যানেলের নিয়ন্ত্রণের সুবাদে অনেক ভারতীয় পণ্য আমাদে বিশাল একটা মার্কেট পেয়ে যাচ্ছে একেবারে বিনা পয়সায়। তাদেরকে পণ্যের প্রচার, উৎপাদন, বিনিময়, এলসি, ইত্যাদি কোন কারণেই আমাদের সরকারকে কোন রকম ট্যাক্স দিতে হচ্ছে না। (উল্লেখ্য 'সি'-ব্যন্ডের বিদেশী চ্যানেলের অনেক দেশীয় পরিবেশক আছে যারা চ্যানেল দেখানোর কারণে বিটিআরসিকে ট্যাক্স দিয়ে থাকে।)!

এবার আসি ভাষার প্রসঙ্গে। আমার এক বন্ধু একটি দেশীয় হাইড্রোজেন পার অক্সাইড ইন্ডাস্ট্রিতে কেমিকেল প্রকৌশলী পদে চাকরী করত। সেখানে প্রচুর ভারতীয় অভিজ্ঞ অপারেটর এবং প্রকৌশলী কাজ করত। মজার ব্যাপার হচ্ছে তারা কেউ ইংরেজীতে কথা বলত না। এমনকি বাংলাদেশীদের সাথেও না। কমন ল্যাঙ্গুয়েজ ছিল হিন্দী। আমার বন্ধু বা তার কলিগরা ইংরেজীতে কথা বললে তারা বুঝত না বা না বুঝার ভান করত। তাদের ভাবটা এমন ছিল যে "আরে, এরা সবাই তো হিন্দী জানে বা বুঝে, কাজেই সমস্যা কি?"
বাংলাদেশে কত ভারতীয় কাজ করেন তার কোন পরিসংখ্যান নেই। গত বছর বা তারও আগে কোন এক পত্রিকায় পড়েছিলাম যে সংখ্যাটা লাখখানেক হবে। আমার মতে সংখ্যাটা এত বেশী না হলেও ৫০/৬০ হাজার তো হবেই। এদের বায়িং হাইজসহ গার্মেন্টস সেক্টরই তার প্রমাণ। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, মাত্র ৫-৬ হাজার ভারতীয় সরকারের ওয়ার্ক পরমিট নিয়ে ট্যাক্স দিয়ে কাজ করছে। বাকিরা সব অবৈধ। আমার বন্ধুর ঐ কোম্পানিতে এক জন মেট্রিক পাশ ভারতীয় অপারেটর বুয়েট পাশ প্রকৌশলীর চেয়ে কয়েকগুণ বেশী বেতন পেত। যার ফলে আমরা হারাচ্ছি মূল্যবান পুঁজি এবং সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব।

ব্যাপারটা যদি শুধুমাত্র অর্থৈতিক কর্মযজ্ঞের মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকত তাহলে সেটা দিয়ে এত বড় ব্লগ লিখতাম না। এখন থেকে প্রায় ৬০ বছর আগে আমাদের সোনালী প্রজন্মের পূর্ব পুরুষরা বুঝতে পেরেছিলেন মাতৃভাষার গুরুত্ব কতটুকু। শুধুমাত্র উর্দুকে তাঁরা রাষ্ট্রভাষা (অফিসিয়াল ভাষা) হিসেবে মেনে নেননি। দাপ্তিরক ক্ষেত্রে বাংলার ব্যবহার যদি সীমিত হত বা রোধ হত তাহলে ভাষার যে স্বাভাবিক গতি প্রকৃতি কিংবা উত্থান-পতন সেটা বাংলা হারিয়ে ফেলত। মৃত নদীর মত হারিয়ে ফেলত তার যৌবন। ভাষার প্রয়োগ সীমিত হলে সেটার তীক্ষ্ণতাও যে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সেটা এ অঞ্চলের আপামর জনতার বুঝে এসেছিল। যার জন্য বুকের তাজা রক্ত ঢেলে তাঁরা রক্ষা করেছিলেন ভাষার সৌকর্যকে। যেটার সুফল আজ ভোগ করছি আমরা। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা কি কখনও চিন্তা করে দেখেছি আগামী ৬০ বা ১০০ বছর পর কি হবে? অনেকেই এ ব্যাপারে কনফিডেন্ট যে আগামী ১০০ বছরেও বাংলা ভাষার কোন 'অবনতি' (এই শব্দটা তখনকার পরিস্থিতিতে যে কোন অর্থ বহন করতে পারে।) হবে না। কিন্তু আমরা কি আসলেই এতটা নিশ্চিত? আমাদের শিশুরা যারা হিন্দী টিভি সিরিয়াল, মুভি অহরহ দেখে থাকে, তাদের চিন্তা চেতনা, ভাষার প্রকাশ ভঙ্গি কি এখনকার মতই থাকবে? (ভাষা সময়ে সময়ে বদলায়, কিন্তু সেটা যেন বর্তমান যেই ডিজুস প্রজন্মের ব্যাংলিশ, সেরকম না হয়!)। উপরের যেই চিত্র(২ নং) বর্ণনা করলাম সেটা যদি ছড়িয়ে পড়ে সবখানে, তাহলে আমরা কি আমাদের ভবিষ্যত নিয়ে আসলেই নিশ্চিন্ত হতে পারি?

পোস্ট পড়ে কেউ যদি আমাকে হিন্দুত্ব বাদ বা হিন্দু বিরোধী বলে মনে করে থাকেন তাহলে আমি ক্ষমা চাইছি। কারণ আমি সেরকম কিছু বুঝাতে চাইনি। আমি বরঞ্চ নিজেকে হিন্দীইজম বা হিন্দীত্ববাদ বিরোধী বলেই দাবী করব। এই বিরোধিতা হিন্দী ভাষার প্রতি নয় বরং হিন্দী ভাষাকে ব্যবহার করে যে চটুল বানিজ্য এবং আগ্রাসি উপনিবেশবাদ চলছে (চিত্র ২ ও ৩) সেটার বিরোধী। এর ফলে শুধু বাংলা কেন, এর আঞ্চলিক ভাষা এবং আদীবাসি ভাষাসমূহও বিপন্নের মুখে পড়বে অবধারিত। কারণ বাংলা শক্তিশালি ভাষা হওয়ায় (ব্যাকরণ, ব্যবহারের ক্ষেত্র, প্রয়োগ ইত্যাদি) আঞ্চলিক এবং উপজাতি ভাষাসমূহ এত বেশী শক্তিশালি না। আর এ সমস্ত আঞ্চলিক ভাষায় বাংলা ভাষার অন্যতম প্রাণস্পন্দ।

আজ থেকে ৬০ বছর পর আমি বা আপনি হয়ত থাকবো না। বা থাকলেও হুইল চেয়ারে অন্যের সাহায্য নিয়ে চলাচল করতে হতে পারে। তখন আমারই বা আপনার কোন নাতি বা নাতনি আপনাকে চলাচলে সাহায্য করার জন্য আশ্বস্ত করার উদ্দেশ্যে স্বাভাবিক ভঙ্গিমায় যদি বলে,"কুচ পরওয়া নেহি দাদু, মে হুঁ না?" .... তখন আপনার অনুভুতি কি হবে?

এ পরিস্থিতি দেখার আগেই যেন আল্লাহ আমাকে এখান থেকে নিয়ে যান এই কামনা করি।



(উল্লেখ্য, আমি কোন ভাষাবিদ নয়। উপরোক্ত বর্ণনা আমার নিজস্ব উপোলব্ধি। কোথাও কোন ভুল তথ্য বা তত্ব দিয়ে থাকলে দয়া করে উল্লেখ করবেন। কৃতজ্ঞ থাকব।)

(ফেইসবুকে যাদের সাথে ভাষা নিয়ে তর্ক করেছি, তাদেরকে ধন্যবাদ এই জন্য যে ঐ তর্কটা না করলে এই লেখা লিখতে পারতাম না।)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29029696 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29029696 2009-10-21 19:59:28
একটি ঐতিহাসিক (লুল) গানের লিরিক
ইতিহাসের এক অধ্যাপকের ক্লাস করে জানতে পেরেছি, "সময় যত প্রবাহিত হয়, ইতিহাস ততই সত্যের কাছাকাছি পৌঁছায়।"

আপনারা কেউ যদি মনে করে থাকেন যে ইতিহাসের কোন গুরুত্ব বা প্রয়োজনীয়তা নেই, তাহলে এখনি, এই মুহুর্তে এই পোস্ট পড়া বন্ধ করে করে চলে যান। আর যদি মনে করেন যে না, ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা না নিলেও আর্কাইভ হিসেবে এটাকে রাখার, পড়ার, অনুধাবন করার গুরুত্ব আছে, তাহলে চালিয়ে যান, পড়ে যান এই পোস্ট।

আজকে আমি একটি একটি বিখ্যাত 'জ্যাজ' টাইপ গানের লিরিক এই আর্কাইভে তুলে ধরব। গানের গীতিকার কে সেটা এখন পর্যন্ত আমার জানা নেই। নাম জেনে নিশ্চিত হওয়ার সাথে সাথেই সেটা যোগ করা হবে, সুরকারেরও নাম দেওয়া হবে। <img src=" style="border:0;" />

এভাবে ধীরে ধীরে লুল আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য লুল সাহিত্যের সমৃদ্ধির লক্ষ্যে সকল লুলীয় গদ্য পদ্য প্রবন্ধ ছোট গল্প গান লিরিক ইত্যাদি সংরক্ষিত হবে এবং প্রকাশ করা হবে। একদিন এ আন্দোলন 'ডাডা'বাদ এর মতই 'লুল'বাদ হিসেবে চিন্হিত হবে। <img src=" style="border:0;" />

ভাল থাকবেন, শুভ ব্লগিং।
বিনীত--

ডঃ অন্যরকম
পিএইচডি ইন লুল সাহিত্য লুল'জ একাডেমি।


লুল সংগীত ;

গানের লিংক দিয়ে দেওয়া হল!

অ্যাই তুমি কচি মেয়ে সামু ব্লগে যেও না
লুলপুরুষের হাতে ধাওয়া খেও না
ওখানে ওঁত পেতে বসে আছে লুলপুরুষ
ওখানে ওঁত পেতে বসে আছে ওঁত পেতে বসে আছে ওঁত পেতে বসে আছে লুলপুরুষ!

সামু ব্লগে কচি কচি মেয়েদের ব্লগগুলি শুধু তার গন্তব্য
সারাদিন কচি কচি মেয়েদের ব্লগে গিয়ে ফ্যালে লুল মন্তব্য
মুখে বলে বাবা বাছা হাতে টিপে দ্যাখে …. (সেন্সর্ড)
মুখে বলে বাবা বাছা হাতে টিপে দ্যাখে …. (সেন্সর্ড)
কচি কচি মেয়েদের মাংসের লোভে সে যে দিশেহারা … লুলপুরুষ!

কত মেয়ে তার হাতে এযাবৎ নির্যাতিত হলো কেউ বলতে পারে না
সামুব্লগে লুলপুরুষের যন্ত্রণাতে মেয়েগুলি ঠিকমতো চলতে পারে না
কাকে ফেলে কাকে রাখি লুলে ব্লগ মাখামাখি
কাকে ফেলে কাকে রাখি লুলে ব্লগ মাখামাখি
সারারাত জেগে জেগে লুল ফেলে লুল মুছে … লুলপুরুষ!!

অ্যাই তুমি কচি মেয়ে লুলপুরুষের ফাঁদে পড়ো না
লুলপরুষের সাথে দ্যাখা কোরো না
তোমাকে আবডালে নিয়ে গিয়ে কি করে না করে তার নাই ঠিক
সে যে ভুল পুরুষ সে যে তোমার জন্যে … ভুল পুরুষ
লুলপুরুষ!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29028819 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29028819 2009-10-20 03:17:50
পশ আর নন-পশ!
গত ২রা অক্টোবর রাজনীতিক, কলামিস্ট, কিংবা সুবিধাবাদী, যে যেইটাই বলেন ফরহাদ মাযহারকে ঢাকা ক্লাব কর্তৃপক্ষ তাদের ক্লাবের গেস্ট হাউজের নীচতলার হল রুমে প্রবেশ করতে বাধা দেয় যেখানে মাযহার সাহেবের এক আত্মীয়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠান ছিল। সবসময় লুঙ্গি পইড়া চলাচল করা (যেই উদ্দেশেই হোক!) মাযহার সাহেব সেই অনুষ্ঠানেও গেছিলেন লুঙ্গি পইড়া। কিন্তু কর্তৃপক্ষ তারে আটকায় দেয়, লুঙ্গি পইড়া ঢুকন যাইবো না। এইটা তাগো নিয়ম। বৃটিশ নিয়ম। তাদেরকে যখন বলা হইল যে এইটাতো গোলামীর নিয়ম, তখন ক্লাব কর্তৃপক্ষের উত্তর,"হ্যাঁ, আমরা তো গোলাম।"

এইসব বিষয়কে কেন্দ্র কইরা অনেক তর্ক বিতর্ক হয়। জল অনেকদূর গড়ায়। ক্লাবের সচিব মুজাহিদুল ইসলাম আইসা কোন সমাধান না কইরা উল্টা আরও স্ল্যাং কথা-বার্তা কয়। "সাংবাদিক হইতে হইলে শিক্ষিত হইতে হইব!" - উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে এইটা তার অন্যতম বক্তব্য। "এইটা তো পশ এলাকা, এইরকম পশ এলাকায় লুঙ্গি পইড়া ঘুরন বা ঢুকন যায় না!"
ঢাকার শাহবাগে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী রোডে অবস্থিত ঢাকা ক্লাব। এইটা একটা পশ(!?) এলাকা। পশ মানে উচ্চমার্গীয়, হিজ হাইনেস, অভিজাত, রাজকীয় এই এলাকায় লুঙ্গির মত ছোটলোকের নিচুজাতের ফাতরা পোশাক পইড়া ঘুরন বা ঢুকন উচিৎ না (তাদের মতে)! তাইলে আমরা কি জানতে পারলাম? জানতে পারলাম, লুঙ্গি হইল একটা ছোটলোকের পোশাক, অচ্ছ্যুৎ (বানানটা খেয়াল নাই) নিম্নবর্গীয় চাষা-ভুষার দল এই পোশাক পরিধান করে। এই কথা হইতেছে একদল উচ্চমার্গীয় রাজকীয় পশ চুতিয়া বাঞ্চোতের। এই সমস্ত পশ চুতিয়া বাঞ্চোতদের আম-পাবলিক সম্পর্কে এমন ধারনাই পোষণ করে।

আমার গ্রামের বাড়ী একটা দ্বীপে। আত্মীয়-স্বজনের বেশীরভাগই চট্টগ্রামের মূল ভূখন্ডে চলে আসায় বাড়ী যাওয়া হয় কম। তারপরও দীর্ঘদিন পর যখন যাই তখন মনে হয় আমার সময় বুঝি থেমে যায় একটি সুনির্দিষ্ট ঘুর্ণিতে। সেই একই পরিবেশ, একই প্রকৃতি, একই অবস্থা দ্বীপবাসী মানুষের। দীর্ঘদিন পর ২০০৪ এ ভার্সিটি পড়া অবস্থায় বড় চাচার সাথে সর্বশেষ গেছিলাম। প্রথম রাত ছিলাম ফুফুর বাসায়, চাচা আগেই চলে গেছিল বাড়ীতে কিছু জরুরী কাজ সারতে। ফুফুর বাসা থেকে আমাদের বাড়ী প্রায় ঘন্টা তিনেকের রিক্সা পথ। তাও সেটা শুষ্ক মৌসুমে, বর্ষাকালে এই রাস্তার দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে ৪ ঘন্টা। সিএনজি বা অন্যকোন যানবাহন অপ্রতুল। আছে শুধু সাইকেল বা বাইক! ২টার কোনটাই তখন জোগার করা যায়নি বিধায় রিক্সাই ছিল ভড়সা। যাওয়ার সময় চাচা বলে গেছিল পান্জাবী পায়জামা যেন পড়ে যাই। আমিও চাচার কথা মত পান্জাবী আর জিন্স পড়ে গেছিলাম (পায়জামা সাথে নি নাই!)। বাড়ী পৌঁছার আগেই বাজার, অনেকদিন পর সেইখানে বিভিন্ন সম্পর্কের দাদা-চাচা-কাকাদের সাথে দেখা-সাক্ষাতৎ হইল, বড় চাচাও ছিল সেইখানে। জুমার দিন, মসজিদে নামাজ পইড়া আমি আর চাচা বাইরাইছি, চাচা আমারে কয়, "কিরে তোরে কইলাম পায়জামা পইড়া আইতে, তুই এইটা কি পড়লি?"... আমি একটু অপ্রস্তুত হইয়া যাই, বললাম পায়জামা সাথে আনি নাই। চাচায় কয়, আমি, তোর বাপ, তোর দাদা সবাই লুঙ্গি পইড়া এইখানে বড় হইছে, ঘুরছে, এখন তুই যদি জিন্স পইড়া ঘুরস, লোকজন কইব যে তুই এইখানে ফুটানি দেখাইতে আইছস, তোর রক্তের লগে ঠিক মত মিশতে পারবি না। আমার উপলব্ধি হয়। শার্ট প‌্যান্ট সবাই পড়ে, কিন্তু আমাদের নাড়ির টান আমাদের ঐতিহ্যের সাথে, মাটির সাথে; রক্তের সাথে ঠিকমত মিশতে না পারলে, মাটির কাছাকাছি যেতে না পারলে সারা জীবন "গোলাম" হয়েই থাকতে হইব। "স্বাধীন" হওন যাইবো না।
দুপুরে সবাই যখন ঘুমে ব্যস্ত, আমি লুঙ্গি আর ফতুয়া পইড়া কাছাকাছি বয়সি এক চাচারে সাথে নিয়া বাহির হইয়া পরি। লুঙ্গি পইড়া আমার ছোটবেলা থেকেই অভ্যাস আছে। তিন-চার গিট্টু দিতে হয় না, বাতাস উপ্রে তুলে দেয় না, লুঙ্গি আমি সামলাইতে পারি, লুঙ্গি পইড়া চট্টগ্রাম শহরে রিক্সা নিয়াও ঘুরছি বহুত!
প্রায় ২ কিলো দূরে সাগর, দেখাই যায়, গ্রামের পথ দিয়া হাইটা চইলা যাই তীরে, বাঁধ ভাঙ্গা তীর। গ্রামের "পশ" চুতিয়াদের মেরে দেওয়া টাকায় বাঁধটা ঠিকমত গড়ে ওঠে না। একবছরের জ্বলোচ্ছাসেই ভেঙ্গে পড়ে। নিয়মিতই গ্রামে জলোচ্ছাসের পানি ঢুকে। হয়ত আর কয়েক বছর পর দাদা-পরদাদার কবরের সলিল সমাধি হবে, শুধু মাত্র দ্বীপের পশ চুতিয়া বাঞ্চোতদের জন্য।

পশ চুতিয়া বাঞ্চোতরা যখন লুঙ্গি নিয়া কটাক্ষ বিদ্রুপ করে, তখন সেইটা আমার গায়ে লাগে। তারা শুধু লুঙ্গিকেই উপহাস করে না, করে এইদেশের ১৫ কোটি মানুষের সংস্কৃতি ঐতিহ্যকে। বাপ-চাচদের কথা তো কইলাম, আমার দাদা লুঙ্গি পইড়া হোমিওপ‌্যাথি ডাক্তারি করছে গ্রামে। দাদর বাপ ছিল চেয়ারম্যান, এখনকার তিন ইউনিয়নের সমান বড় ছিল তখন একটা ইউনিয়ন (ভাইঙ্গা ৩ টা হইছে), সেইটার চেয়ারম্যান; সাদা দাড়ির কালা ভুটকা চেয়ারম্যান লুঙ্গি পইড়াই চেয়ারম্যানগিরি করছে সারাজীবন। আর তার পোলা অভাবে পইড়া ডাক্তারি করছে। মালাদার (চেয়ারম্যান) সাহেব পশ ছিল না, কারও জমি টাকা মাইরা খায় নাই, এইজন্য তার পোলা অন্য পেশা বাইছা নিছে আর নাতিরা লুঙ্গি পইড়া স্কুল-কলেজ গেছে।

আমার পূর্ব পুরুষ হাল-চাষ করছে, লুঙ্গি পইড়া সারাজীবন কাটাইছে এন্ড আই ফিল প্রাউড অব ইট! আমার রক্ত লাল, আমার পূর্ব পুরুষের রক্তও লাল ছিল। কিন্তু নীল রক্ত বিশিষ্ট পশ চুতিয়া বাঞ্চোতদের কথা আর কার্যকলাপে তাদের রক্তের রং আর ডিএনএ টেস্ট কইরা দেখতে মঞ্চায়। তাদের রক্ত যদি নীল হয় তাহলে তো তারা কোন মানুষের সন্তান না। ভিন গ্রহের এলিয়েনদের পায়ুস্নাত বংশধর হইলেও হইতে পারে। তাদের দেখলে বিশ্বাস হয় যে দুনিয়াতে এলিয়ানরা আইছিল আর তাদের বংশধর হিসেবে এইসব পশ চুতিয়া বাঞ্চোতদের রাইখা গেছে।


যেই লেখা পইড়া এই ব্লগ লেখতে উদ্যত হইলাম:
২রা অক্টোবরের ঘটনা, এক প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29023613 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29023613 2009-10-10 19:29:26
@ নোটিশবোর্ড: তাদের নামের তালিকা প্রকাশ করুন!
চ) এখন থেকে ব্লগার কর্তৃক ব্লককৃত ব্লগাররা সেই ব্লগে রেটিং সুবিধা পাবেন না।

কোন রেজিস্টার্ড ব্লগার যদি কোন একটা লেখা পড়েন এবং সেটা তার ভাল না লাগে তাহলে তিনি সেটা মাইনাস দিতেই পারেন। তিনি সেই ব্লগে ব্লকড হোন আর নাই হোন, লেখাটাতো পড়েছেন। কাজেই লেখাটা ভাল লাগল না লাগল না সেটা প্রকাশ করার অধিকার তার আছে। কোন নির্দিষ্ট ব্লগে ব্লকড কোন ব্লগার যদি ঐ ব্লগটিই পড়তে না পারতেন তাহলে এটা নিয়ে কোন প্রশ্ন ছিল না। কিন্তু ব্লকড হলেও তিনি তো পড়তে পারছেন।

কাজেই কর্তৃপক্ষের কাছে এই চ) ধারা বাতিলের আহবান জানাই।

উল্লেখ্য আমি কোন বা কারও ব্লগে ব্লকড নই (ব্যাতিক্রম নুরে আলম! <img src=" style="border:0;" />), কাজেই +/- দিতে পারা বা না পারা নিয়ে আমার মাথা ব্যাথা নাই, কিন্তু আমার পরিচিত অনেক ব্লকড ব্লগারই আছেন যারা কোন ব্লগ পড়ার পর আর তাদের ভাল লাগা বা মন্দ লাগাটা শেয়ার করতে পারবেননা।

আর যদি তাঁরা বাতিল না করেন তাহলে একবার আমাদের জানতে দিন কে বা কাদের পরামর্শে (ব্লগার) এই ধারাটা বা ফিচারটা যোগ করেছেন, তাদের নামটা প্রকাশ করুন! নাম প্রকাশের পর বাকি কাজ আমাদের ম্যাঙ্গো ব্লগারদের!!!!! <img src=" style="border:0;" />




শুভ ব্লগিং!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29021899 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29021899 2009-10-07 14:49:20
... ... .. নো ম্যান'স ল্যান্ড... ... ... নো ব্লগার'স ল্যান্ড!!!
পথে এক টিভি সাংবাদিকের পাল্লায় পড়ে তারা। সাংবাদিক পুরা ঘটনা লাইভ ব্রডকাস্ট করে। এবার ইউএন হেড কোয়ার্টারের টনক নড়ে। তারা আবারও ঐ টিমকে উদ্ধার করতে যেতে বলে, বোম ডিফিউশন স্কোয়াড পাঠায়। কিন্তু সেই স্কোয়াড আহত ব্যাক্তিকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়। জনমতকে ধোকা দেওয়ার জন্য তারা দেখায় যে ঐ লোককে উদ্ধার করে একটি হেলিক্প্টারে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অপরদিকে প্রায় সবার সামনেই উদ্ধারপ্রাপ্ত ২ সার্বিয়ান আর বসনিয়ান পরস্পরকে খুন করে। ... ... ... মুভিটা শেষ হয় রাত হওয়ার মধ্য দিয়ে, আহত লোকটি তখনও মাইনের উপরে শুয়ে আছে, তার হাতে ধরা প্রিয়তমা স্ত্রীর ছবি, যাকে সে আবারও দেখতে চেয়েছিল, যার জন্য আবারও বাঁচতে চেয়েছিল।
২০০১ সালে রিলিজকৃত অস্কার জয়ী এক অসাধারণ মুভি "নো ম্যান'স ল্যান্ড"


মুভির রিভিউ লেখা আমার এই পোস্টের উদ্দেশ্য না।

মুভিটা দেখার সময়ই মনে হচ্ছিল এই কয়েকদিন ব্লগে যা চলছে সেসব ঘটনা। আমাদের ব্লগগুলোও এখন নো ম্যানস ল্যান্ড। ২ লাইনে বা গ্রুপে ২ পক্ষ পরস্পরের দিকে ট্যাংকের গোলার মত 'অক্ষর'এর গোলা নিক্ষেপ করছে। আর ট্র্যাঞ্চে কিছু কিছূ লোক আটকা পড়ছে, এরা হল ব্যান খাওয়া ব্লগার। মডারেটরদের অবস্থা ইউএন এর মত। বাঁচাতে গিয়ে উল্টা আরও জীবিতদের মেরে ফেলছে। আর কিছু ব্লগার আছে ঐ সাংবাদিকটার মতই সকল কন্সপিরেসি ফাঁস করে দিচ্ছে।

বাবুয়া নামক পুরোনো ইস্যূ আবার চাঙ্গা হয়েছে মডারেটরদের কিছু ভুল সিদ্ধান্তের কারণে। কারণে অকারণে তারা ব্লগারদের 'নীতিমালার' দোহায় দিয়ে ব্যান করে। অথচ ব্যান করাটাই যে সকল সমস্যার সমাধান না সেটা বোঝা যায় প্রায় ১ বছরের পুরোনো ইস্যূ এখন নতুন করে চাঙ্গা হওয়াতে। এবারও আবার নতুন করে ব্যানের ঘটনা ঘটছে। 'অচেনা বাঙ্গালী' আর 'মুকুল' আবারও ব্যান খাইছে, শুধু মাত্র কমেন্ট করার কারণে। এই দুইজন অনেকদিন ধরেই সামুতে এমনিতেই অনিয়মিত, পোস্টও দেয় না অনেকদিন, তারপর ও ব্যানড। অথচ তার চেয়েও অনেক জঘন্য কমেন্ট করেও বহাল তবিয়তে থাকে অনেকেই। আমিও এর চেয়ে অনেক আজে বাজে কমেন্ট করছি অনেক জায়গায়, কর্তৃপক্ষ সেগুলো দেখে না। তার মানে তারা শুধূমাত্র বিশেষ কাউকে ওয়াচে রাখে, যাদের সাথে তাদের অন্তরঙ্গদের ক্যাচাল, তারা উল্টা-পাল্টা কোন কমেন্ট করলেই ব্যান। ড়েসিডেন্ট কি আর সাধেই বলে!!!!

আরও একটা কাহিনী ঘটছে ডাঃ আইজুদ্দিনের আমারব্লগ.কম এ আইরিন সুলতানার বিরুদ্ধে বিষোদাগার। অনেকেই পড়েছেন সেই পোস্ট। অনেকেই প্রতিবাদ করেছেন আবার অনেকেই আইজুর সমর্থন করেছে। সে যাই হোক, অন্য ব্লগে আইরিনের বিরুদ্ধে লেখার লিংক/সমালোচনা তিনি যেমন এইখানে না দিলেও পারতেন (নিতান্তই আমার মতামত)। তবে এটাও ঠিক যে তারেও নিজেকে ডিফেন্ড করার মত গ্রাউন্ড দিতে হবে। এইক্ষেত্রে মডারেটরদের যেমন কিছুই করার নাই, কারণ মূল ক্যাচাল অন্য ব্লগে ঠিক তেমনি ক্যাচাল লাগলে সেইটা সমাধান না করে শুধূ মাত্র ব্যান করে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা এক প্রকার কূপমন্ডুকতা। ধামাচাপা দেওয়ার কারণেই পুরোনো ক্ষোভ বার বার আলোচনায় ফিরে আসে। ব্লগারদের সমস্যা সমাধান করতে না পারলে ঘাটতে আইসেন না। নিজেদেরকেই সমাধান করতে দেন। ইউএনের মত জীবিতদের মৃত আর মৃতকে জীবিত বানায়া খাওয়াইতে যাইয়েন না। এই ধরণের কর্মকান্ড কখনও ভাল ফল বয়ে আনে না।


শেষ করার আগে একটু হালকা করি পরিবেশ। ড়েসিডেন্টদের সংজ্ঞা আমরা সবাই জানি। আর যারা ড়েসিডেন্টদের কাজে সহায়তা করে কিংবা যাদের পরামর্শ ড়েসিডেন্টরা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে তাদেরকে কি বলবো? ... ... ... "প্রেসিডেন্ট"??? <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29021143 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29021143 2009-10-06 01:16:47
অপার্থিব রাঙ্গামাটি! আটলান্টিস।

না। এটা আটলান্টিসের কোন কাল্পনিক দৃশ্য না। এটা রাঙ্গামাটি শহরের একাংশ, পেদা টিং টিং দ্বীপ বা দ্বীপের রেস্টুরেন্টের সামনে থেকে ছবিটি নেয়া হয়েছে। গত ২৩ শে সেপ্টেম্বর রাঙ্গামাটির কর্ণফুলি লেক ভ্রমণের সময় তোলা। পাশাকে বললাম দেখতে Age of Mythology গেইমের মত মনে হচ্ছে।


সকালে ফিশারী ঘাটে নেমেই দেখলাম একটা ডাবলডেকার ইঞ্জিন নৌকা দাঁড়িয়ে আছে। এটার ক্যাপ্টেন(!) আজগর আলী প‌্যাসেঞ্জার খুঁজছে সকাল থেকেই, কিন্তু পাচ্ছে না। অনেক দরদাম করে আমাদের নিতে সে রাজি হল। এত কম দামে বিশাল একটা বোট পেয়ে নিজেদেরকে কেমন জানি হাসন রাজার মত মনে হচ্ছিল <img src=" style="border:0;" />




আমাদের পাঁচজনকে নিয়ে আস্তে আস্তে চলতে শুরু করে বোটটি। স্পীড খুব বেশী ছিল না। আমাদেরও তাড়া ছিল না। ধীর গতি হবার কারণে আশ পাশের অপার্থিব দৃশ্য উপভোগ করছিলাম পুরোদমে।





বোটে আমরা ক'জন:


নৌকায় উঠার সময় আমাদের পাইলটের সাবধান বাণী ছিল এরকম: "সবাই একপাশে থাকবেননা! তাহলে নৌকা হেলে পড়বে।" সারা জীবন দেখে আসছি ঘুড়ি উড়ানোর সময় কান্নি মারতে হয়, একপাশে হেলে পড়লে এই কান্নি মারলে ঠিকমত উড়ে, এখন দেখতেছি বোটেও কান্নি মারতে হবে, তাও আবার মানব কান্নি! একটু ঢোক গিললাম। টাইটানিক আইসবার্গের সাথে ধাক্কা লেগে ডুবে গেছিল। এখানে আইসবার্গ না থাকলেও কচুরীপানার ফেনা আছে অনেক.... <img src=" style="border:0;" />

সকালে আমি আর পরশ নাস্তা করে বের হয়েছিলাম। (ভোরে গরুর গোশ আর পরটা ফেলে কি ঘর থেকে বের হওয়া যায়?) শামীম, পাশা আর লালসালু খালি পেটেই বের হয়েছিল। বাসে যাবার সময় হালকা চিপস-পানি খেলেও রাঙ্গামাটি পৌঁছে সবারই পেট চোঁ চোঁ শুরু করল। বোটে উঠার সময় ছোলা মুড়ি আর কলা নিয়ে উঠেছিলাম। সেটা মাখিয়ে জটিল একটা নাস্তা হয়ে গেল! <img src=" style="border:0;" />

দাঁড়িয়ে ছবি তোলার প্রচেষ্টা!



না, এটা পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ানসের কোন ছবি না। রাঙ্গামাটির একটি ছবি।


পাহাড়ের বাঁকে রাঙ্গামাটি শহর।






শুভলং ফলস্.....


আমরা স্বচ্ছন্দে হাটাচলা করলেও নৌকা খুব একটি দুলছিল না, কিন্তু লালসালু শুধুমাত্র উপর থেকে নিচে বসলেই তার ওজনে নৌকা দুলে উঠছিল বার বার...


আশপাশের নৌকার ছবি তোলার সময় পর্যটকদের কেউ কেউ হাত নেড়ে সম্ভাষণ আবার কেউ হৈহৈ করছিল। এরকম পাহাড়িদের এক বোটের ছবি তুলছিল পরশ, সমস্যা হচ্ছে ওটাতে বেশ কিছু মেয়ে ছিল, পরশকে ছবি তুলতে দেখে ঐ নৌকার পাহাড়ী ছেলেরা রীতিমত বাঁশ বের করে দেখিয়ে হুমকি দেয়া শুরু করে..... তা দেখেই পাহাড়ীদের ছবি তোলা বন্ধ করে দিই সবাই.....


শুভলং ফল্সের কাছাকাছি একটা ঝর্ণা পরে। ওটা পাশে পাহাড়ের চিপায় দেখি একটি বোট দাঁড়ানো। উপরে বোটের চালক শুয়ে বিড়ি টানতেছে। এরকম এত বড় পাহাড়ের নিচে বোট দাঁড়ানোর মাজেজা প্রথমে বুঝতে পারি নি। পাশা তত্ত্ব দিল যে ভিতরে মনে হয় কোন কুকাম(!) <img src=" style="border:0;" /> চলতেছে। লালসালু অত্যন্ত উৎসাহের বশে সমত্তি প্রকাশ করল। কিন্তু কিছুক্ষণ তাকানোর পর আমার মনে হল আসলে ব্যাপার সেটা না। এরকম কিছু হলে তো ভাইব্রেশন তৈরী হত, বোট নড়ত। কিন্তু ঐটা তো প্ররা স্থির। কাজেই কিছুই হচ্ছে না। <img src=" style="border:0;" />
শামীমের এই থিওরী পছন্দ হল, আসলেই, আমার কথায় যুক্তি আছে। কিন্তু পাশা আবার এক ডিগ্রি বেশী সরেশ। সে বলে যে এখন আসলে ইন্টার্ভাল চলতেছে.... <img src=" style="border:0;" />



নৌকায় একটি টয়লেটও ছিল এটাচ্ড! <img src=" style="border:0;" /> সবাই প্রয়োগনে ব্যবহার করতে পারলেও লালসালু বেচারা সাইজের কারণে ব্যবহার করতে পারে নি! <img src=" style="border:0;" />

দুপুরের খাবার খেয়েছিলাম শুভলং বাজারের সৌদিয়া হোটেলে। লেকের তাজা মাছের স্বাদ ছিল একেবারে লা'জবাব। হোটেলের পরিবেশ খুব একটা ভাল না হলেও (ফ্যামিলি নিয়ে আসতে চাইলে খুব একটা সুবিধার হবে না) খাবারের মান ছিল এক কথায় চমৎকার এবং একেবারে সস্তা। তবে চেখে দেখার আগে দরদাম করে নেয়াটাই শ্রেয়। কারণ সুযোগ পেলেই গলাটা কেটে দে'য়ার সম্ভাবিলিটি কম না।
ভাল পরিবেশে খাবারের জন্য ২ টা দ্বীপ/রেষ্টুরেন্ট আছে, একটাতে আবার উপজাতীয় পদ্ধতিতে খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা আছে।একটার নাম চাং পাং এবং আরেকটার নাম প‌্যাঁদা টিং টিং।

প‌্যাঁদা টিং টিং এ একটি দর্শনিয় ব্রীজ আছে।

যাবার পথে হঠাৎ শামসীরের সাথে দেখা, তারা অন্য একটি বোটে করে ফেরত আসছে। তার যাবার কথা ছিল খাগড়াছড়ি। দ্রুতই সেখান থেকে ব্যাক করে রাঙ্গামাটি ভ্রমণ করছে। তাদের ণোকাটা অবশ্য আমাদেরটার মত এত দর্শণীয় ছিল না.... <img src=" style="border:0;" />

শেষ বিকেলের আলোয় সম্পূর্ণ এলাকাটি এক অপার্থিব আলোয় ভরে উঠে। সারাদিনের রৌদ্রজ্জ্বল আকাশ এবং শরতের মেঘ এক আলো-আধারির খেলা শেষে বিকাল নাগাদ ঝড়ের আবহ নিয়ে আসে। কালো মেঘে আকাশ ভারী হয়ে উঠে। সম্পূর্ণ ভ্রমণটির পরিপূর্ণতার জন্য এর চেয়ে ভাল আয়োজন আর কি হতে পারে?

সাড়ে ৬ ঘন্টার ভ্রমণ শেষে আমরা শহরে ভিড়লাম। আমাদের ক্যাপ্টেন আলী আসগরের নাম ফোন নম্বর নিয়ে (পরবর্তী কোন ভ্রমণে তার নৌকাই ব্যবহার করার জন্য!) নিয়ে বাস স্ট্যান্ড অভিমুখে হাঁটা শুরু করলাম। চট্গ্রামে যাওয়ার যে বাস সার্ভিসটি ভাল, সেটার টিকেট আগেই শেষ। পরে যেটা পেলাম সেটা হচ্ছে লোকাল-ডাইরেক্ট ক্যাটাগরির। মানে ডাইরেক্ট চট্টগ্রাম যাবে তবে লোকাল, অর্থাৎ পথ থেকে বাস দাঁড় করিয়ে লোক নিবে। পুরা পেইন করে ফেলছে রাস্তায়। জ্যাম থাকা স্বত্বেও দ্রুত ফিরে এলাম বাসায়, পরের দিন সকালেই সুবর্ণই ঢাকায় ফেরার জন্য।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29017274 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29017274 2009-09-29 00:47:14
বাংলাদেশে ইন্টারনেট পর্নোগ্রাফী রোধ করার লক্ষ্যে এগিয়ে আসুন। বেশ কিছুদিন ধরেই আমরা এ বিষয়টা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছিলাম। অনেকদিন বলতে রোজার মাসেই এক্টিভিটিস শুরু হয়, আর আমরা বলতে আমার অবদান এটাতে খুবই কম বা নগন্য ছিল অথবা ছিল না বললেই হয়। এর আগে প্রতিটি এরকম কাজ যেমন আমরা সবাই মিলে শুরু করেছিলাম (সিডর আক্রান্তদের সাহায্য , গাজায় সহযোগিতা প্রেরণ ), এবার সেরকম হয় নি; মূলত কামরুলই এর উদ্যোক্তা!

আমাদের এবারের প্রচারণাটা ছিল অশ্লীলতার বিরুদ্ধে। বিশেষ করে ইন্টারনেট পর্নোগ্রাফিকে নিরুৎসাহিত করা এবং এধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে একই সাথে জনসচেতনতা এবং জনমত তৈরীর প্রচেষ্টা, পত্র-পত্রিকা, নিউজ, মিডিয়া, রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠনসহ সরকারের উচ্চমহলে অবহিত করা। মসজিদের ঈমাম এবং খতিবদেরকে এসম্বন্ধে বলা তারা যেন খুৎবায় বা যে কোন আলোচনায় মুসল্লিদের এ সম্পর্কে ধারণা দেন, সরকারের উপর প্রেশার ক্রিয়েট করা এবং সর্বশেষ আইনি প্রক্রিয়ায় যাওয়া। আইনি প্রক্রিয়ায় যাওয়া লক্ষ্যে বেশ ক'জন ল'য়ারের সাথে কথাও বলা হয়েছিল এবং তাঁরাও এব্যপারে যথেষ্ট তৎপরতা দেখিয়েছেন আদালতে সঠিক ভাবে ব্যপারটা উপস্থাপন করার জন্য।

ইন্টারনেট পর্নোগ্রাফী বা এ জাতীয় ওয়েবসাইটগুলো ব্যন করা উচিৎ, নাকি উচিৎ না, এ নিয়ে ব্লগে বা বিভিন্ন ফোরামে অনেক অনেক তর্ক বিতর্ক হয়েছে। এর বিপক্ষে যেমন অনেককেই পাওয়া যাবে আবার পক্ষের লোকেরও অভাব নেই। প্রতিটি পক্ষেরই ক্ষুরধার যুক্তি আছে। আমি এসমস্ত তর্ক-বিতর্কে যাব না। আমাদের কৃষ্টি-সংস্কৃকি, পারিবারিক ও ধর্মী মূল্যোবোধ এবং সামাজিক আচার ব্যাবস্থা আমাদেরকে সবসময়ই একটা অশ্লীলতা বিরোধী অবস্থানে দাঁড় করায়। আমাদের প্রেক্ষাপটে, একজন বাঙ্গালী এবং বাংলাদেশী মুসলিম কিংবা হিন্দু বা বৌদ্ধ-খ্রিস্টান অথবা নাস্তিক হিসেবে আমাদের উচিৎ হবে এ মূল্যোবোধকে লালন করা এবং এটা ধ্বংসের প্রচেষ্টায় বাধা দান করা। মুসলিম হিসেবে অশ্লীলতার বিরুদ্ধে কাজ করা তো রীতিমত ঈমানী দায়িত্ব আর এ দায়িত্ব পালন করা যে জিহাদের সমতুল্য এতে কোন সন্দেহ নেই। বিশেষ করে রমজান মাসে এ গুরুদায়িত্ব পালন করার গুরুত্ব অপরিসীম!

এসব বিষয় লক্ষ্য রেখেই প্রচারণার কাজটি শুরু হয় একেবারে রমজানের প্রথম দিন থেকেই এবং এ উদ্দেশ্যে উপরোল্লিখিত বিভিন্ন মহলে পত্র প্রেরনসহ ব্যক্তিগত যোগাযোগ অব্যহত ছিল। তাছাড়া সহজেই মতামত গ্রহণের উদ্দেশ্যে অনলাইন ভোটিংয়েরও ব্যবস্থা করা হয়। লিংকটি দেওয়া হল!

এ পর্যন্ত ঢাকা চট্গ্রামের প্রায় ২০টিরও বেশী মসজিদে, ফরিদপুর, ফেনী এবং আরও কয়েকটি জেলার প্রায় ৬-৭ টি মসজিদে বিভিন্ন জুম'আই খুৎবা প্রদান করার ব্যবস্থা করা হয়। পত্র-পত্রিকায়ও বিভিন্ন নিউজ আসতে থাকে।

অবশেষে সুখবরটি এল......

আমরা দাবি করব না যে এ কাজ আমাদের প্রচারণার ফলেই হয়েছে, তবে সরকারের উচ্চ মহলে যেহেতু এ বিষয়ে চিন্তা ভাবনা বা কার্যক্রম শুরু হয়েছে, তাতে করে আমাদের প্রচারণা শক্তিশালী হলে এ আন্দোলন আরও জোরদার হবে এবং বেশ তাড়াতাড়িই সুরহা হবে।

জানি, এটাই সবকিছু নয়। মাত্র কাজের শুরু। কেবলমাত্র একটি চিঠি চালাচালি হয়েছে পুলিশ সদরদপ্তর থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে। এতেই সব কিছু হয়ে যাবে না। পারি দিতে হবে অনেক পথ। একজনের পক্ষে বা শুধুমাত্র একদল মানুষের পক্ষে এ কাজকে কোনমতেই সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এরজন্য দরকার আমাদের সকলেরই ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস। বিন্দু থেকে যেমন সিন্ধু, ঠিক তেমনি প্রত্যেকেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে এর বিরুদ্ধে কথা, লেখনি বা সরকারের উচ্চ পর্যায়ে মোটিভেশন শুরু করি, তাহলে নিশ্চিত একদিন সফলতা আসবেই। আর এভাবেই আমরা, আমাদের প্রজন্ম এবং আগামী প্রজন্ম মুক্ত পাবে অশ্লীলতার কালো গ্রাস থেকে। শিশু-কিশোর ও তরুনদের জন্য নির্মল আনন্দ এবং অনাবিল সুখ ও সৌন্দর্য্যময় ভবিষ্যত গড়ার লক্ষে আমাদেরই এগিয়ে আসতে হবে। সেটা করতে না পারলে মূল্যবোধের দেওয়ালে যে ফাটল দেখা দিয়েছে, সেটা ধ্বসে পরবে অচিরেই এবং নতুন একটি দেয়াল তৈরী করা তখন হবে প্রায় অসাধ্য একটি ব্যাপার।

আসুন, আমার ছোট বোনটি যেন শ্লীলতাহানীর শিকার না হয়, আমার ভাইটি যেন ধর্ষক হিসেবে দন্ডিত না হয়, আমাদের শিশুরা যেন একটা অশ্লীলতামুক্ত অন্তর্জাল পেয়ে তথ্য ও জ্ঞান সাম্রায্যে সাঁতড়ে বেড়ে উঠতে পারে সেটা নিশ্চিত করি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29011914 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29011914 2009-09-17 10:57:20
আজকে মেসবাহ য়াযাদ ভাইয়ের জন্মদিন!!!!!! <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /> মেসবাহ য়াযাদ ভাইয়ের শুভ বি... থুক্কু জন্মদিন!!!! হ্যাপি বাড্ডে য়াযাদ ভাই!!!!!

জন্মদিন উপলক্ষে য়াযাদ ভাইকে হালকা শুভেচ্ছা না জানাইলে ব্যাপারটা জানি কেমন কেমন হয়ে যায়.... এজন্য হালকায়ে উপহার.....





অচেনা বাঙালী য়াযাদ ভাইয়ের জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ কবিতা উইশ করছেন....
"ফুল ফুটছে থোক থোক
য়াযাদ ভাই ভালো লোক
য়াযাদ ভাইয়ের জন্ম দিনে
কেক্কুক খামু খুশি মনে "!!! <img src=" style="border:0;" />

আইরিন সুলতানার বিশেষ কবিতা....
"aazad vai er jonmodin!
shanti-shukher shopoth nin!
Iftar khawar prostuti nin!

manush valo aazad vai,
khaoaite taar apotti nai!"

প্রতুদা বলেছেন, "মেসবাহ ভাইয়ের জন্মদিন ... / ঘড়ে ঘড়ে মিলাদ দিন <img src=" style="border:0;" />"

লীনা আপা বলেছেন, "ajad Vaiyer Boyosh Naki Tiner(3) Pithe Choi(6)
Sobai Mila Taile eber Celebrate Korte Hoi "

আর বিমা বলেছে, "ভেনু হৈলো য়াযাদ ভায়ের বাসা / ভাবির রান্না নাকি বেশ খাশা "


এবং অবশেষে অন্যরকমের ভাষ্য:

"ওহে বৃত্তবন্দী ভাই,
জন্মদিন কেমতে খায়?
জন্মদিনের দাওয়াত চাই....
ভাবীর রান্না ভালা পাই,
বাসায় গিয়া খাইতাম চাই!
য়াযাদ ভাইয়ের দেখা নাই
আমরা তারে মিস করতাম না চাই! <img src=" style="border:0;" /> "

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29011425 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29011425 2009-09-16 13:00:34
We will not go down in Gaza to night তারও একি দশা। আমাদের সবারই! মাথায় একেকবার একেক কাজ করার বুদ্ধি আসে। কিন্তু কোনটাই যুৎসই হয় না। কামরুলকে নিয়ে সিডরের সময় একটা ত্রাণ তৎপরতা চালিয়েছিলাম, সেই সুবাদে একটু আত্মবিশ্বাস ছিল যে কিছু একটা করতে পারব, কিন্তু কি করব, সেটার কোন কূল কিনারা পাচ্চিলাম না! অবশেষে একটা পথ পেয়ে গেলাম! রাইসুল মালেশিয়া থাকে, মার্সি মালেশিয়া নামে একটি বড় এনজিও সংস্থা গাজায় সরাসরি ত্রাণ সাহায্য পাঠাচ্ছে। তারা সে জন্য যে কারও কাছ থেকে অর্থ সাহায্য নিচ্ছে।

নির্দিধায় সেই সুযোগ গ্রহণ করলাম। আমাদের এক বন্ধু মালেশিয়া যাচ্ছিল তার কিছুদিন পরই। আমরা পুরোদমে নেমে পরলাম অর্থ সংগ্রহের খোজে। অনেকের কাছ থেকে পেয়েছিলাম আশ্চর্য্য রকমের সাড়া, যেটা আমরা কখনও কল্পনাও করি নি। আবার অনেকের কাছ থেকে যেরকম আশা করেছিলাম, তার কানাকড়িও পাইনি। তখন বেশ হতাশ আর রাগ লাগছিল ঐ লোকগুলোর উপর যারা শুধু মাত্র কথায় নির্যাতিত আর নিপিড়িত লোকজনকে উদ্ধার করে ফেলে কিন্তু কাজের সময় আর খুজে পাওয়া যায় না। তাদেরকে তখন একটি কবিতাও লিখেছিলাম,

এতদিন পর আজ সেসব কথা মনে পড়ল শামীমের দেওয়া একটি গানের ভিডিও দেখে.... আমি আর কিছুই বলব না। লিরিকস দিয়ে দিলাম, সেই সাথে ইউটিউব ভিডিও....


We will not go down in Gaza to night

A blinding flash of white
light
lit up the sky over Gaza
tonight
People running for cover
not knowing whether they're
dead or alive
They came with their tanks
and their planes
with ravaging fiery flames
And nothing remains
Just a voice raising up
in the smoky haze
We will not go down
In the night,
Without a fight
You can burn up our
mosques and our homes
and our schools
But our spirit will
never die
We will not go down
In Gaza to night
Women and children alike
Murdered and massacred
night after night
While the so-called leaders of
countries afar
Debated on who's wrong or right
But their powerless words
were in vain
And the bombs fell down like
acid rain
But through the tears and
the blood and the pain
You can still hear that voice
Through the smoky haze
We will not go down
In the night,
Without a fight
You can burn up our
mosques and our homes
and our schools
But our spirit will
never die
We will not go down
In Gaza to night

গানের ইউটিউব লিংক:

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29005988 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29005988 2009-09-07 02:06:52
সব কিছুই হাফ করে ফেলি.... কি বলেন? <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_32.gif" width="23" height="22" alt="#:-S" style="border:0;" />
লিংকটা এখানেই আছে। একবার পড়ে দেখুন!


রমজান মাসে প্রধানমন্ত্রী স্যুট-কোট কিংবা ফুল-হাতা শার্ট না পরে হাফ-হাতা শার্ট পরার নির্দেশ দিয়েছেন। আরও কিছু নির্দেশ আছে যেমন এসি বন্ধ রেখে শুধু ফ্যান চালাতে, দিনের বেলা লাইট বন্ধ রাখতে ইত্যাদি। এগুলো নিঃসন্দেহে ভাল নির্দেশ। বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং সংযমের মাসে আমাদেরকে, বিশেষ করে সরকারী কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদেরকে সংযমী করে তুলবে। কিন্তু হাফ-শার্ট রহস্যটা কিছুটা গোলেমেলে লাগছে। যুক্তি হচ্ছে হাফ-শার্ট পরলে গরম কম লাগবে এবং এসি ফ্যানের হাওয়াও সেক্ষেত্রে কম লাগবে, এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ বেচে যাবে।

বাহ! কি সুন্দর যুক্তি, আমি মুগ্ধ, অভিভুত!!!! হাফ-শার্ট পরে বিদ্যুৎ সাশ্রয়, থিসিসের নতুন টপিক এবং আরেকটি ডক্টরেট ডিগ্রি পাওয়ার জন্য তিনি একধাপ এগিয়ে গেলেন।

আচ্ছা, শুধু হাফ শার্ট কেনো, আরও অনেক কিছুই তো করা যায়, যেমন হাফ প‌্যান্টও যদি পরে আসে অফিসে লোকজন, তাহলে তো ফ্যান টোটালি বন্ধ রাখলেই চলবে। নিদেন পক্ষে থ্রি-কোয়ার্টার প‌্যান্ট পরে আসতেই পারে! আবার কেউ চাইলে শুধু সেন্টো গেন্জি আর আন্ডুয়ার পরে আসলেও ক্ষতি নেই... কি বলেন! <img src=" style="border:0;" />

তবে মহিলা র্ককর্তাদের ক্ষেত্রে একটু সমস্যা হবেই বইকি! তাদের জন্য কি করা যায় একটু ভেবে দেখবেন কি??? <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29000022 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/29000022 2009-08-26 17:15:55
একটা ফুল নিবেন, ফুল?

রংয়ের উৎসবে মেতেছে দেশ, রাজপথ আজ স্লোগানে মুখর-
হর্ষধ্বনি আর নতুনের আহবানে
একটা ফুল নিবেন, ফুল?

সাদা শাড়ি লাল পাড়, পান্জাবী কিংবা সালোয়ার
টুকটুকে টিপ এবং পোড়ামাটির অলংকার
একটা ফুল নিবেন, ফুল?

কাঁচা মরিচ আর পান্তা ইলিশ
কৃষকের মুখে নাই নবান্নের হাসি
ঘর্মাক্ত রাজপথে উচ্চমূল্যের ফাঁসিতে ঝুলে পড়েছে পহেলা বৈশাখ
একটা ফুল নিবেন, ফুল?

ঝলমলে রোদ, হাসি রাশি রাশি
গল্প গান আর আড্ডা। টিএসসির মোড়ে তারুণ্যের প্রাণ-ভোমড়া
গুটি গুটি খালি পায়ে, ছিন্ন কাপড়ে ফুল নিবেন, ফুল?
রক্ত জবা, গোলাপ কিংবা রজনীগন্ধা। তাজা ফুল! নিবেন?

দু-চার কিংবা পাঁচ টাকায়, পান্তা-ইলিশ বা পেঁয়াজ কাঁচা মরিচ পাওয়া যায় না,
নিয়ন আলোর রাজপথে বিএমডব্লিউ, লেক্সাসের ভেঁপু আর ড্রামের শব্দ।
ফুটপাথে শোঁটা ফুল, অবিক্রীত কিংবা অবিকৃত।
খালি পেটে পহেলা বৈশাখে গা এলিয়ে দেয়, কংক্রিটের নরম বিছানায়,
আগামীকালের নতুন স্বপ্নে বিভোর....
একটি ফুল নিবেন, ফুল?



--

অন্যরকম
২২শে আগস্ট ২০০৯, ঢাকা
--



[ফেইসবুকে এক ফুল বিক্রেতার ছবি দেখে হঠাৎ মাথায় শব্দগুলো গেঁথে গিয়েছিল। এমন চমৎকার একটি ছবি শেয়ার করার জন্য সেই ফটোগ্রাফারকে ধন্যবাদ।]


ছবি সৌজন্যে: নাওসাবাহ নুর]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28997830 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28997830 2009-08-22 11:02:51
১১ই আগস্ট ২০০৯ ভূমকিম্পরে কিছু সূত্র ও তথ্য এইখানে

আর্ও আছে সুনামি সতর্কতা

এইখানআছে কিছু তথ্য

প্রায় রাত ৩ টার সময় আমি খেয়াল করে দেখলাম যে আমার মাথা প্রচন্ড ঘুরছে। একটু পর দেখি মডুলেটর, এনকোডার আর অ্যাম্পলিফায়ারের রেকগুলোও দুলছে! তাড়াতাড়ি উঠে দরজা খুলে দেখি দুলুনি কিছুটা কমেছে। বেশ ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম! কারণ ১৬ তলা থেকে লাফ দেওয়ার কোন উপায় নাই! <img src=" style="border:0;" />

নিচে নেমে দেখি প্রডিউসার, রিপোর্টার সবাই ঘুম, কারও মধ্যে কোন ভাবান্তর নাই। কেউ টেরই পায়নি। শুধু তানভীর ভাই আর তোফায়েল ভাই ছাড়া! তারা বেশ ভাল করেই টের পেয়েছে। তাদেরকে সব তথ্য আর লিংকগুলো দিয়ে বসে গেলাম আড্ডায়........ <img src=" style="border:0;" /> <img src=|" style="border:0;" /> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28991935 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28991935 2009-08-11 03:45:00
একটি অভাবনীয় বিজ্ঞাপন!
আর মডেলটার কথা, মুখের ভঙ্গি, এক্সপ্রেশনে আমি তো পুরা তাজ্জব!!!!!

তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে একটু দেখে নিই!!!!

http://www.youtube.com/watch?v=2mTLO2F_ERY

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28989440 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28989440 2009-08-06 00:17:15
খোমা বদল (লুকিং ফর শত্রুস এবং বাচ্চা ছেলে অভিনীত) ...... <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" />

ফেইস অফ মুভিটা অনেকেই দেখেছেন নিশ্চয়। নিকোলাস কেজ আর জন ট্রাভোলটার অনবদ্য অভিনয় আর কিছুটা ভিন্নধর্মী কাহিনী। স্পেশাল এজেন্ট ট্রাভোল্টা মাফিয়া লিডার কেজ এর সাথে চেহারা অদল-বদর করে নেয় তাদের আস্তানায় গিয়ে তথ্য বের করার জন্য..... কিন্তু কোন একভাবে কেজ জ্ঞান ফিরে পেয়ে ট্রাভোল্টার মুখের চামড়াটা পরে নেয়..... তখন সে ট্রাভোল্টা হয়ে যায় আর কাহিনী ভিন্ন দিকে মোড় নেয়! .... ...

এইবারের কাহিনী হলিউডে না, বঙ্গদেশেই। জাতীয় রাজনীতিতে, একই মন্ত্রনালয়ে, একই পদে। দুই ভিন্ন সময়ে দুই ভিন্ন ব্যক্তি! কিন্তু অনেক কিছুই এক: স্টাইল, কথার ভাব-ভঙ্গি, ইত্যাদি। কিন্তু পরিণতিটা ভিন্ন। ভিন্ন মানে একেবারেই ভিন্ন না। একজন ৫ বছর মেয়াদ শেষের পর আস্তাকুরে নিক্ষিপত, আরেকজন উজ্জ্বল ভবিষ্যত থাকা সত্বেও ৫ মাস পরই "বাচ্চা ছেলে"র তকমা পেয়ে, অনেক নাটক-সিনেমা করে, ভয়ে কিংবা অভিমানে পদত্যাগ করেছে!

ছেলেটা আসলেই একেবারেই বাচ্চা একটা ছেলে। এইটা আমার কথা না, তাঁর সিনিয়র, আমাদের একান্ত প্রিয়, জনাবা(!!!) সাহারা খাতুনের কথা। তিনি কেন তাকে এই বাচ্চা ছেলের তকমা দিলেন সেইটা নিয়ে দুষ্টু লোকেরা অনেক গবেষণা করেছে। করে একটা কারণ বের করেছে। আর কারণটা হল বণিক সাহেব।

জ্বী, দাউদ বণিক থুক্কু মার্চেন্ট! যেই থিওরী শুনলাম সেইটা লিখবো লিখবো করে অনেকদিন ধরেই লিখছিলাম না, আজকে সাহস সঞ্চয় করে বলেই ফেলি, ..... মার্চেন্ট সাহেবকে ভুলক্রমে(!) গ্রেফতারের পর থেকেই নাকি বাচ্চা ছেলেটার পদত্যাগের ভাবনা উদয় হয়। এটার কারণটা অনেকটা অজানা তবে ধারণা করা হয়ে থাকে যে সিনিয়র মার্চেন্ট থুক্কু বড় দাউদ নাকি এই ঘটনার পর আমাদের বাচ্চা ছেলেটাকে মনে করেছে, মানে তার কথা স্মরণ করেছে। এই কথা পিচ্চিটার কানে যাওয়ার পর পরই নাকি সে প‌্যান্ট বা এ জাতীয় কিছু একটা ভিজিয়ে ফেলেছিল। যাই হোক, এইগুলা কোন ব্যাপার না। অনেক সাহসী লোকও নাকি যুদ্ধের ময়দানে অহরহ প‌্যান্ট নস্ট করে... আর ইনি তো নিতান্তই বাচ্চা একটা ছেলে........

মুখে আর কিছু না বলি! কারণ ছবিই কথা বলে! <img src=" style="border:0;" />




লিংকুও দিয়া দিলাম! <img src=" style="border:0;" />

Click This Link


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28986841 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28986841 2009-07-31 20:52:11
খরগোশ ও কচ্ছপের গল্প!<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" />


দুই বছর আগে যখন ব্লগিং শুরু করি, তখন আমি ছিলাম মূলত কমেন্টার। শুধু কমেন্টই করতাম। প্রায় ১ মাস ধরে চলল শুধু কমেন্ট! তারও আগে ১ মাস শুধুই পড়তাম! এভাবে ২ বা আড়াই মাস পার হবার পর ব্লগ লেখা শুরু করলাম। যদিও লেখা লেখিতে আমি খুবই অনিয়মিত এবং এখন পর্যন্ত সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে।

এই সময়ের মাঝে অনেকের সাথেই বেশ ভাল একটা সম্পর্ক হয়ে গিয়েছে। দেখা সাক্ষাত এবং আড্ডাও হয়েছে। আজকে একজনের কথাই বলব। আমাদের অতি প্রিয় এবং সুপরিচিত সাইফুর উরফে কচ্ছপ উরফে কাছিম! <img src=" style="border:0;" />

আমরা একই স্কুলে ছাত্র, একই কলেজ, একই বিশ্ববিদ্যালয়, এমনকি দুজনের অনেক ক্লোজ কমন বন্ধু রয়েছে, বাসাও খুব বেশী দূরে নয় (চট্টগ্রামে), ....... ...... ......, কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে আজ পর্যন্ত তার সাথে একবারও দেখা করতে পারি নাই! <img src=" style="border:0;" />



যাই হোক, অতিশীঘ্রই তার সাথে দেখা করার আশা রাখি।

ওহ...... কালকে ৩১ শে জুলাই তার জন্মদিন। (২ জনের জন্ম মাসও একি!) <img src=" style="border:0;" />

হ্যাপি বাড্ডে কচ্ছপ................... <img src=" style="border:0;" />


(আজকে ভাবছিলাম লম্বা চওড়া একটা পোস্ট দিব! কিন্তু দৌড়ের উপর থাকার করণে লিখতে পারি নাই! <img src=" style="border:0;" /> )]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28986368 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28986368 2009-07-30 21:06:10
ইমাম আবু হানিফা এবং আবু ইউসুফ, মজাদার গুরু-শিষ্য এবং একটি কৌতুক!
ইমাম আবু হানিফার অসংখ্য ছাত্র ছিল। অনেকেই পরবর্তীতে বিখ্যাত হয়েছেন এবং ফিকাহ, হাদীস ইত্যাদি শাস্ত্রে ব্যুৎপত্তি অর্জন করেছেন। তন্মমধ্যে অন্যতম প্রধান ছাত্র বা তাঁর ডান হাত ছিলেন ইমাম আবু ইউসুফ। তিনিও ছিলেন বেশ বিখ্যাত। অনেক লেখা লিখেছেন। তখনকার সময়ে ইমামরা নির্দিষ্ট কোন স্কুল বা মাদ্রাসায় বয়ান এবং বক্তৃতা করতেন, অণেক দূল থেকে হাজার হাজার ছাত্র তাঁদের বয়ান শুনতে আসতেন এবং গবেষণা করতেন। এরকম হঠাৎ একদিন নতুন এক স্কুলের এক প্রতিষ্ঠাতা এসে ইমাম আবু ইউসুফকে অনুরোধ করলেন যে মাঝে মাঝে তিনি যেন ঐ নতুন স্কুলে কিছু বয়ান করে আসেন। তাহলে ঐ স্কুলের ছাত্ররা উপকৃত হবে। আবু ইউসুফও রাজী হয়ে গেলেন, এবং তিনি সপ্তাহের নির্দিষ্ট কিছু দিনে ঐ স্কুলে গিয়ে বয়ান করতেন। কিন্তু আবু হানিফাকে তিনি এ প্রসঙ্গে কিছুই বলেননি এই ভেবে যে তাঁর উস্তাদ (আবু হানিফা) হয়ত কিছু মনে করতে পারেন।

এই কথা আর গোপন থাকে নি। আবু হানিফার কানে এই কথা চলে গেল। তিনি ভাবলেন ঠিক আছে তাহলে আমার ছাত্র কি শিখেছে সেটার একটা পরীক্ষ নিয়ে দেখি। তিনি ৪ টি প্রশ্ন সহ এক লোককে ইউসুফের নিকট পাঠালেন সমাধান চেয়ে। লোকটি নির্দিষ্ট দিনে আবু ইউসুফের নিকট গিয়ে বলল যে তার ৪ টি প্রশ্ন আছে, ইমাম যেন সেগুলো সমাধান করে দেন। আবু ইউসুফ রাজী হয়ে বললেন যে কি তার প্রশ্ন।

প্রশ্ন ১: আমরা নামায কি দিয়ে শুরু করি? ফরয না সুন্নত দিয়ে?

ইউসুফ বললেন ফরয দিয়ে। লোকটি বলল, হয় নি। তখন ইমাম বললেন সুন্নত দিয়ে....? লোকটি মাথা ঝাঁকিয়ে বলল তাও হয় নি।

প্রশ্ন ২: একটি ডেকচিতে গোশত রান্না হচ্ছে, এমন সময় একটি পাখি এসে ডেকচির মধ্যে পরলএবং মারা গেল। এখন ঐ গোশত খাওয়া উচিৎ হবে না হবে? (খুব সম্ভবত হারাম বা হালাল কিনা জিজ্ঞেস করেছিলেন)

ইউসুফ বললেন, উচিৎ হবে না। লোকটি বলল, হয় নি। এবার ইমাম বললেন, উচিৎ হবে! এবারো লোকটি বলল, হয় নি।

প্রশ্ন ৩: (৩নং প্রশ্নটি আমি একেবারেই ভুলে গেছি, অণেক চেষ্ট করেও মনে করতে পারছি না। মনে পড়লে বা জানতে পারলে উল্লেখ করব। তবে সেটাও খুব ইন্টারেস্টিং প্রশ্ন ছিল।)

প্রশ্ন ৪: এক মুসলিম এক ইহুদি নারীকে বিয়ে করেছে। স্ত্রী যখন সন্তান সম্ভবা, তখন তিনি মারা গেলেন। এখন এই মহিলাকে কোন কবর স্থানে দাফন করা হবে। ইহুদিদের নাকি মুসলমানদের?

ইমাম প্রথমে বললেন, ইহুদিদের কবরস্থানে। লোকটি একটু সময় নিয়ে বলল, আর কিছু? ইমামকে চুপ থাকতে দেখে তিনি বললেন হয় নাই। তখন ইমাম বললেন, মুসলমাসদের কবর স্থানে। লোকটি বলল, তাও হয় নি!

উপুর্যোপরি ৪ টা প্রশ্নের উত্তর দিতে না পেরে আবু ইউসুফ বিস্মিত এবং উত্তর জানার আগ্রহ প্রকাশ করলেন। এবার লোকটি বলল ঠিক আছে উত্তর শুনেন....

উত্তর ১: নামায ফরজ এবং সুন্নত ২টা দিয়েই শুরু হয়। "আল্লাহু আকবার" বলে তাকবীর তাহরীমা বাঁধা ফরজ। আর দুই কান পর্যন্ত হাত তোলা সুন্নত।

উত্তর ২: গোশত সিদ্ধ হয়ে যাবার আগে যদি পাখি এসে পরে এবং মারা যায় তাহলে ঐ মাংস আর খাওয়া যাবে না। ফেলে দিতে হবে। কিন্তু সিদ্ধ হয়ে যাবার পরে যদি হয় তাহলে সমস্ত ঝোল ফেলে দিয়ে সিদ্ধ মাংস আলাদা করে অন্য একটি পাত্রে নিয়ে পানি দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার করে খাওয়া যাবে।

উত্তর ৩: ব্ল্যাংক

উত্তর ৪: ঐ মহিলাকে ইহুদিদের কবরস্থানেই দাফন করা যাবে তবে তাকে এমন ভাবে দাফন করতে হবে যেন পেটে অবস্থিত সন্তানের মুখ কেবলা মুখি থাকে। সেক্ষেত্রে ঐ মহিলাকে যতদূর সম্ভব উপুর করে বা কাৎ করে দাফন করতে হবে।


লোকটি চলে যাবার পর ইমাম আবু ইউসুফ চিন্তা করলেন, এই সব প্রশ্ন কোন সাধারণ মানুষের পক্ষে করা সম্ভব নয়। এটা নিশ্চয় তাঁর উস্তাদের কাজ। ইমাম আবু হানিফা নিশ্চয় জানতে পেরে তাঁকে পরীক্ষা করতে পাঠিয়েছেন যে তাঁর শিষ্য কতটুকু জ্ঞানোর্জন করেছে। এইসব দিক চিন্তা করে তিনি ঐদিনই ঐ স্কুল ত্যাগ করে আবারো ইমাম আবু হানিফার স্কুলে যোগদান করেন!


ইমাম আবু ইউসুফ লেখা পড়া এবং জ্ঞানোর্জনের জন্য একনিষ্ঠ ছিলেন। একবারের ঘটনা। তিনি অণেক রাত জেগে লেখা পড়া করতেন। রাতে ক্ষুধা লাগলে যেন তিনি খেতে পারেন এজন্য তাঁর স্ত্রী তাঁকে বেশ কিছু খেজুর দিয়ে রাখতেন। তো একদিন তিনি এত মগ্ন ছিলেন যে খেজুর খেতে খেতে বিচি সহ খেয়ে ফেললেন। এরপর তাঁর পেট ব্যাথায় জান যায় যায় অবস্থা। আবু হানিফা তাঁকে দেখতে আসলেন। তাঁর অবস্থা দেখে মুচকি হাসি দিয়ে বললেন যে যেমন গুরু তেমন শিষ্য। তাঁরও নাকি মাঝে মাঝে এরকম হয়!!!!!!!!!!

যাই হোক, খেজুরের বিচির কথা যখন চলেই আসলো, একটা কৌতুকের (এইটা একটা সহীহ হাদীস, তবে ভাষা আমার নিজের) কথা মনে পরে গেল। সেইটা বলি।

[হাদীসটার ব্যাপারে সন্দেহ থাকার করণে এবং সেটার বর্ণনায় (লেখকের) ঘাপলা থাকার কারণে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তবে এইটা নিশ্চিত হওয়া গেছে যে মেশকাত শরীফে এই রকম একটা হাদীস আছে এবং সেটা সহিহ! ] ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28984632 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28984632 2009-07-27 17:33:50
লুটিশবোর্ড (লুলীয় নোটিশবোর্ড) <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /> একটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি

এতদ্বারা ব্লগের সকল লোলুপ, লুলেষক, লালাক, ললিপপদের (টার্মগুলোর জন্য এই পোস্ট দেখুন ) দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাইতেছে যে ইদানিং ব্লগে নয়া কিছু লুলপুরুষ এবং লুলির/লুলবতীর আগমন হইয়াছে। ইহা অবশ্য ব্যাপার না। কারণ তাহাদিগকে উদ্দেশ্য করিয়াই লুল সাহিত্যের সৃষ্টি এবং তাহাদিগের জন্যই লুল সাহিত্য দিনে দিনে আওগাইয়াছে। এমতাবস্থায় সকল লুলদেরকে নয়া পোস্ট দিয়া লুল সাহিত্যকে আউগাইয়া নিয়া যাবার জন্য বিনীত ভাবে লেখা আহবান করা হইল! লেখাগুলো নিয়া একটি নয়া লুল সংকলন, লুলেষণা গ্র্রন্থ এবং লুলেকশনারী সংকলন বাহির করা হইবেক। তাছাড়া লুলীয় আত্মজীবণী, লুল জুকস, নয়া লুল টার্ম নিয়া কোন পোস্ট দিলে তাহাও লুল সংকলনে এডানো হইবেক!

অনুগ্রহ করিয়া সকল লেখার লিংকু এই পোস্টের কমেন্টে দিয়া লুলেষনায় সাহায্য করিবার জন্য লুলেষকদের বিনীত ভাবে অনুরোধ করা হইল।

ভাল লুলেষকদের লুল গবেষণায় পিএইচডি ডিগ্রি প্রদান করা হইবেক এবং তাহাদের অধিনস্ত কিছু লুল রিসার্চ এসিসটেন্টও নিয়োগ দেওয়া হইবেক!

লুল সাহিত্য দিনে দিনে আউগাক!

বিনীত-
ডঃ অন্যরকম, পিএইচডি ইন লুলসাহিত্য মহাপরিচালক, লুলজ একাডেমি। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, ণূঢ়া য়্যালার্ম চশমিশ ফ্যান কেলাব (এন কেলাব!) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28982122 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28982122 2009-07-22 17:35:54
চট্টগ্রাম অভিযানের কিছু ছবি! <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" />


নির্মাণাধীন কর্ণফুলী ব্রীজ।


বেইজমেন্ট থেকে উঁচু হয়ে ওঠা টাওয়ার, প্রতিটি টাওয়ার থেকে লোহার স্ট্রিং দুপাশে বের হয়ে ব্রীজের ওজন ধরে রাখবে




তখন ভর-সন্ধ্যা। আলো কমে গিয়েছিল। সে জন্য কিছুটা ঝাপসা


এবার সীতাকুন্ড!


সীথাকুন্ডও গিয়েছিলাম অফিসের কাজে। শিব মন্দিরের নিচে এয়ারফোর্সের একটা কমিউনিকেশন টাওয়ার আছে। সেখঅনে কিছূ কাজ ছিল। রথ দেখা কলা বেচা এক সাথে!!!!! <img src=" style="border:0;" />


ইকো-পার্কে দর্শনার্থী, দারুণ জায়গা, ঘুরে আসতে পারেন!


সুযোগের সৎব্যবহার!


আকাশের সাথে মিশে যেতে ইচ্ছা করে! <img src=" style="border:0;" />


পাহাড়ের চূড়ায় শিব-মন্দির, প্রায় ৩৫০মিটার উঁচু সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে!



রাস্তাটা এরকমই ছিল! <img src=" style="border:0;" />



এডভেন্চার টু মন্দির



পুলাপানের হাসি আমি বড়ই ভালবাসি!



তখনও আরও ৫০ মিটার বাকি, জিপিএসে ২৯৭ মিটার দেখাচ্ছে এলিভেশন!


শিবমন্দিরে বুদ্ধ রেলিক কেন বুঝলাম না! :-*



মন্দিরের ভেতরে পুরোহিত এবং দরজায় এক ভক্তের পুজোর দৃশ্য!



বিখ্যাত শিব লিঙ্গ


অন্য আরেকটি মন্দির, সময়ের অভাবে যেতে পারি নি!

আরও কিছু ছবি ছিল..... সব দিই নাই! পরে টাইম পাইলে পুস্টামু! <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28979649 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28979649 2009-07-17 18:38:23
নিতাইয়ের ছাগ গমন। (কঠোরভাবে ২১+ পোস্ট)


নিতাই চন্দ্র দাশ এখন পঞ্চাশোর্ধ এক মোটামোটি স্বাবলম্বী কৃষকে পরিণত হয়েছে। তার দুই ছেলে কিরণ দাশ ও লঘু দাশ, ২ জনই বিবাহিত, নিজেদের বিঘা দশেক জমিতে চাষাবাদ করে, তাছাড়া মৌসুমে আরও কিছু জমি বর্গা নেয়। যা ফসল হয় তা দিয়ে সারা বছরের খোড়াকি মিটিয়েও আরও বাড়তি লাভ থাকে। যা দিয়ে এই যৌথ পরিবার হেসে খেলেই কাটিয়ে দিতে পারে। ৩ মেয়েকে বিয়ে দিয়ে দিয়েছে অনেক আগে। তারাও ভাল কৃষক পরিবারে আছে। নিতাইয়ের মতই। মেঝ মেয়েটা খড়ার মৌসুমে হালকা কষ্টে থাকলেও নিতাই এখান থেকেই টুকটাক পাঠিয়ে সাহায্য সহযোগিতা করে থাকে। ৩ টি দুধেল গাভী, হাঁস-মুরগী এবং বেশ কিছু ছাগল নিয়ে তার সময় বেশ কেটে যায়।

নিতাইয়ৈর স্ত্রী মারা গেছে বছর সাতেক হল। তার আগে পাঁচ বছরের মত রোগে কষ্ট করেছে। তখন নিতাইয়ের এত রমরমা অবস্থা ছিল না যে ভাল চিকিৎসা করাবে। বদ্যি-কবিরাজ দিয়ে যা করার করেছে। কিন্তু শেষের দিকে এসে প্রচন্ড কষ্ট করে মারা গেছে তার স্ত্রী। নিতাই তাকে প্রচন্ড ভালবাসত! স্ত্রীর শোক এখনও তাকে মাঝে মাঝে ব্যাতিগ্রস্ত করে।

প্রতিদিন সকালে নিতাই গাভীর দুধ দুয়ায় (সঠিক বাংলা শব্দটা খেয়াল নাই), এর পর সবজি বাগানে কিছু কাজ কর্ম করে তার ছাগলগুলিকে নিয়ে অনেক দূরে মাঠে চড়াতে নিয়ে যায়। সেখানে সে দুপুর পর্যন্ত ছাগলের সাথেই সময় কাটায়। তার এখন বারোটার মত ছাগল আছে, ২টা পোয়াতি। প্রতি বছর পূজোর সময় ৫-৭ টা ছাগল বিক্রি করে, ভালই লাভ হয়। আগামী বছর থেকে তার এই বিক্রির পরিমাণও বাড়তে পারে।

ছাগলগুলার মধ্যে তার একটা প্রিয় ছাগল আছে। অনেক আগে থেকেই তার সাথে সাথে থাকে। মূলত তার স্ত্রী মারা যাওয়ার বছর খানেক আগে থেকেই তার এই পালে ঐ রামছাগলটা বসবাস করতেছে। ছাগলটাকে সে বেবী বলে ডাকে। ডাকলে কাছে আসে, পাশে বসে মাথা ঘসে। আদুরে টাইপ!

প্রতিদিনের মত এরকম কোন এক সকালে নিতাই এসেছে ছাগল চড়াতে, সাথে আছে তার রামছাগল বেবী। বেবীকে দেখে তার স্ত্রীর কথা মনে পরে গেল। আহ, কি সুন্দর মুখশ্রীই না ছিল তার! আস্তে আস্তে সে স্মৃতিকাতর হয়ে যায়, তাদের প্রথম দেখা, বিয়া, প্রথম বাসর রাত... এরপর ... এরপর... মেয়ের জন্ম, ছেলেদের জন্ম... ইত্যাদি ইত্যাদি। স্ত্রীর সাথের দীর্ঘ রাতের অভিসারের কথা মনে পড়তেই সে খেয়াল করে দেখে যে তার ভিতর থেকে কি যেন একটা জেগে উঠছে। সে উত্তেজিত বোধ করে। আজকে অনেকদিন পর সে তার পুরোনো যৌবনে ফিরে গেছে.... মাঝে মাঝে এরকম হয়, কিন্তু আজকের মত এত ব্যাপক আর গত ১২ বছরে হয় নাই!
বেবী (রামছাগল) তার পাশেই ঘুরাঘুরি করে একটু পরপর তাকে ঘষছিল। হঠাৎ নিতাইয়ের সকল মানবিক বোধ লোপ পায়। সে পশু হয়ে উঠে। ঝাঁপিয়ে পরে বেবীর উপর..... প্রথমে কিছুক্ষণ বেবী প্রচন্ড প্রতিবাদ করে ম্যাৎকার করে, কিন্তু পরে এক সময় সে মেনে নেয় তার মালিকের এই নৃশংস অত্যাচার। এভাবে দিন যায়, মাস যায়, আর নিতাই পশু থেকে পশু হয়। বেবী এখন আর কোন প্রতিবাদ জানায় না। সে সবকিছুকে মেনে নিয়েছে।

কিন্তু এখবর আর চাপা থাকেনা। বাতাসেরও কান আছে। আলোর বেগে এ অত্যাশ্চর্য খবর গ্রামে ছড়িয়ে পরে। গোপন কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীও জোটে যায়। চারিদিকে ছিঃ ছিঃ রব পরে যায়। গ্রামের লোকজন তাকে গণধোলাই দেয়, ছেলেরা পরিত্যাগ করে। সালিশ বসে, কিন্তু কিছুক্ষণের মাঝেই পুলিশের আগমন। তাকে আর বেবীকে নিয়ে যাওয়া হয় থানায়। সেখান থেকে কোর্টে।

কোর্টে নিতাইয়ের পক্ষে কোন উকিল নেই। এটা খুব স্বাভাবিক, গ্রামের সহজ সরল কৃষক যে কিনা কোনদিন জেলাশহরের বাহিরে যায় নি তাকে নিয়ে এসেছে খোদ কেন্দ্রীয় রাজধানীতে! তাকে দাঁড় করানো হল কাঠগোড়ায়। ওপর পাশে তার প্রিয় রামছাগল 'বেবী'। আনুষ্ঠানিকতা সমপন্ন হবার পর পিপি বিমান বোস উঠে নিতাইকে জিজ্ঞাস করল,

- আপনে নিতাই চন্দ্র দাশ? - আজ্ঞে। - ওপাশে যে একটা রামছাগল দেখা যাচ্ছে, সেটা কি আপনার পালিত? - আজ্ঞে। - হুমম। কয়দিন ধরে পালছেন? - আজ্ঞে, বছর ১০-১২ হবে। - হুমমমমমম (একটু আশ্চর্য হওয়ার ভান করে)। ১০-১২? এত বছর ধরে আপনি এই নিরীহ ছাগলটা উপর অত্যাচার করে আসছেন?
(নিতাই একটু ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যায়, পরে মিনমিন করে বলে)
- আজ্ঞে না। - তাহলে? তাহলে বলুন আপনি কি করেছেন, কতদিন ধরে নিরীহ গরু, ছাগল, ভেড়ার উপর অত্যাচার করে আসছেন.... ... ...!
(বিমানের গমগম গলার শব্দে সম্পূর্ণ কোর্ট কেঁপে উঠে। লোকজন ফিসফাস শুরু করে দেয়)

অর্ডার অর্ডার...। জজের হাতুরি বেজে ওঠে! লোকজনের ফিসফিসানি বন্ধ হয়ে যায়।

এবার নিতাই মিনমিন কণ্ঠে বলে, - আজ্ঞে না। ২/৩ মাস যাবৎ বেবীর সাথে এই কাম করতাছি। - বেবী? (বিমানের চোখে বিস্ময়!) বেবী কে? - আজ্ঞে আমার ছাগল!

অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে সমস্ত এজলাস। আবারও অর্ডার অর্ডার.....

বেশকিছুক্ষণ শুনানী শেষে বিমান সর্বশেষ বক্তব্যে বিচারকের কাছে নিতাইকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে এ রকম পাশবিকতা দমনের দাবী পেশ করে।

"অবজেকশন ইউর অনার!" এই বলে দাঁড়িয়ে পরেন এক তারুন্যদীপ্ত ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন সুন্দর মুখশ্রীর ল'য়ার। বিচারক বললেন "আপনার পরিচয়"?
- আমি ল'য়ার অন্জনা ব্যানার্জী! হোমোন্যাস্টি ইন্টারন্যাশনালে (Homonesty International) কর্মরত। এর প্রধান জাইরিন খান আমাকে পাঠিয়েছেন।

হোমোন্যাস্টি ইন্টারন্যাশনাল একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন। এর নাম শুনে সবাই একটু নড়ে চড়ে বসল। এটার বস স্বয়ং জাইরিন খানের কানে এই ঘটনা চলে গেছে।

বিমান বোস একজন জাদঁরেল উকিল, তাঁর মারপ‌্যাচে এই ছোকরী কি বা এমন করতে পারে তা দেখার জন্য তিনি একটি কোনাচে হাঁসি দিয়ে আয়েশ করে চেয়ারে বসলেন। মিস ব্যানার্জী বলেন, ইউর অনার, আমরা জাস্টিস চাই, এবং আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস আপনার পক্ষে সেটা করা সম্ভব। এই নিরীহ গ্রামের কৃষকটিকে (নিতাইয়ের দিকে আঙ্গুল তুলে) এখানে এনে শাস্তি প্রদানের কথা বলা হচ্ছে অথচ আপনি জানেন, এই একবিংশ শতাব্দীর শেষ প্রান্তে এসে দুইটি জীবের পাস্পরিক সম্মতিতে যৌন সম্ভোগ বৈধ করা হয়েছে!
সবাই বিস্ফোরিত নেত্রে চেয়ে আছে..... - অবজেকশন ইউর অনার (বিমান বোস দাঁড়িয়ে উঠে।) - নিতাই জোড় করে তার হীন স্বার্থ চরিতার্থ করেছে!

- তাহলে প্রমাণ করুন। ছাগলটাতো কোর্টেই আছে! তাকে জিজ্ঞাস করুন। মিস ব্যানার্জীর ঠোঁটে শ্লেষের হাসি। সবাই খিক খিক করে ওঠে কোনমতে হাসি ধামাচাপা দেয়। বিমান রাগে ফুলতে থাকে। এই বাচ্চা মেয়েটা তাকে অপমান করল।

এবার ব্যানার্জী বিচারকের দিকে তাকিয়ে বলে, - ইউর অনার, এমনি এমনি তো আর কিছু প্রমাণ করা যাবে না। আপনি একটি বিশেষজ্ঞ বোর্ড গঠনের নির্দেশ প্রদান করুন। যাদের পরামর্শের ভিত্তিতে রায় প্রদান করা হবে।

অবশেষে বিজ্ঞ বিচারক একটি বোর্ড গঠন করে দ্রুত রিপোর্ট প্রদান করে পরবর্তী শুনানীর দিন ধার্য করে ততদিন পর্যন্ত বিচারকার্য মুলতবি ঘোষণা করেন। বিশেষজ্ঞ বোর্ডে একজন করে চিকিৎসক, পশু চিকিৎসক, মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ, সমাজত্বত্তবিদ, এম্ব্রায়োলোজিস্ট, হেমাটোলজিস্ট এবং জিন ত্বত্তবিদ রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয়।

সুনির্দিষ্ট দিনে সকল পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হল। এবং আদালতে রিপোর্ট পেশ করা হল!

সর্বশেষ শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত এক ঐতিহাসিক রায় দিলেন। বিশেষজ্ঞদের রিপোর্টে প্রমাণিত হয়েছে যে নিতাই জোড় করে কিছু করে নাই। বেবীর (রামছাগলের) পূর্ণ সহযোগীতা ছিল। এবং এর ফলে কোন প্রকার রোগ ছড়ানোর কোন আলামত এখন পর্যন্ত পাওয়া যায় নি। কাজেই সব কিছু বিবেচনা করে আদালত নিতাইকে বেকসুর খালাস প্রদান করে এবং এসকল কর্মকান্ড যদি ২ ভিন্ন প্রাণীর সদিচ্ছায় হয় তাহলে তা বৈধতা প্রদান করল!

(এই কল্পকাহিনীর সব চরিত্র, অবস্থান, বর্ণনা কাল্পনিক। বাস্তবতার সাথে এর কোন মিল নেই। যদি কোন ব্যক্তি, সমাজ, দেশের প্রেক্ষাপটের সাথে মিলে যায় তাহলে সেটা হবে একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা এবং কাকতাল মাত্র!)

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28975855 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28975855 2009-07-09 19:40:06