somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... এ শতাব্দীর শক্তিশালী গণ মাধ্যম ব্লগ! যার জন্য ব্লগার কারাবন্দী!!! Click This Link
গুগুলে সার্চ দিলে আরও পাবেন!

আমি আর কিছু কমু না। ফারহানের একটি উক্তি তুলে দিলামঃ "Mr Farhan said he had been asked to issue an apology. "I'm not sure if I'm ready to do that," he said. "An apology for what? Apologising because I said the government is [a] liar when it accused those guys of supporting terrorism?"

স্বৈরাচার নিপাত যাক! মানবতা মুক্তি পাক! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28756309 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28756309 2008-01-03 13:32:50
একজন ভাল, ভদ্র ও চরিত্রবান (সুযোগের অভাবে) ছেলের অর্থহীন প্রলাপ! হায়! হায়, আমার কি হবে? ... এটা শুইনা অন্যরা যখন তারে জিগাইত কেন দোস্ত কি হইনাই তোর? সমস্যা কি? তখন সে মারাত্মক মন খারাপ করে বলত এভাবেই একটা একটা করে সব শেষ হয়ে যাচ্ছে, একটা একটা করে অপরুপা কুমারী মেয়ের বিয়ে হয়ে যাচ্ছে, আমার কি হবে? আমাদের কি হবে? তার এই কঠিন আক্ষেপ আর প্রশ্ন শুইনা সকলেরই মন খারাপ হইয়া যাইত! আসলেই, ফিল্ড ত ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে! কি হবে, কি হবে! (উল্লেখ্য সবাই তখন অপ্রেমিক ব্যাচেলর!)....! তার কয়েক বছর পরের কথা, সেই নিরাশাবাদী বন্ধুটাই আবার ঠিক উল্টা আচরণ শুরু করল! বিয়ের কোন অনুষ্ঠান বা বরের সাজানো গাড়ি দেখলেই সে খুশিতে আটখানা হয়ে পড়ত! ওয়াও.... কি মজা, কি মজা....! এবার সবাই আরও অবাক! কি ব্যাপার দোস্ত? তোর এই পরিবর্তন কেন? এত খুশিহওনের কি আছে? সে তখন আগডুম বাগডুম করতে করতে যা বলল তাতে সকলেরই চক্ষে চড়ক গাছ <img src=" style="border:0;" /> । সে বলল, আরে বুঝছ না, একটা পোলা কইমা গেল? (সবার ত মাথা খারাপ, পোলা কমছে ত তোর কি? <img src=" style="border:0;" />)। কিন্তু সে শুনাইল ভিন্ন কথা, একটা পোলা কমা মানে একজন প্রতিদ্বন্দী কমে যাওয়া । ফিল্ড ফাঁকা হওয়া মানে খালি মাঠে গোল দেয়া! তার উত্তর শুইনা আমরা হাসমু না কানমু কিছু বুঝতে পারতেছিলাম না। তবে যেইটা বুঝলাম, সে আগে গ্লাসের অর্ধেক ফাঁকা দেখত, এখন ভর্তি দেখে!


বুয়েটের বন্ধুদের কাছ থেকে আরকটা ঘটনা শুনলাম, সত্য কিনা জানিনা তবে এই ঘটনা টা নাকি বুয়েটে প্রচলিত আছে। এক গুডি বয় ক্লাস ফাইভের এক মেয়েকে পড়াত! খুব সিরিয়াস ছেলে, খুব ভাল পড়াত, যার জন্য মেয়ের রেজাল্টও ভাল হত। এভাবে সে ২ বছর পড়ানোর পড়ে ৩য় বর্ষে পদার্পন করল। মেয়েও ক্লাস সেভেনে উঠল। এইবার ভোক োদ ছেলে টার মাঝে একটা পরিবর্তন আসল। শিশু হতে সদ্য কৈশরে পদার্পিত মেয়েটির রূপ খুলতে শুরু করল <img src=" style="border:0;" />, ৪র্থ ইয়ারের 'বুইড়া'ও তারে রূপে মজল। এই ঘটনা তার অন্যান্য ফ্রেন্ড শুনতেই শুরু হইল তারে গালাগালি! এত্ত বড় বুইড়া যদি পি্চই মেয়ের প্রেমে পড়ে তাহলে ত গালি শুনতেই হবে। তার পরও সে নির্বিকার <img src=" style="border:0;" />। শেষ পর্যন্ত তার বন্ধুরা তাকে ঐ মেয়েটাকে প্রপোজ করতে বলল। (কারণ তারা শিওর ছিল পিচ্চিটা তাকে রিফিওজ করবে, আর তাতে তার ভুল ভাঙবে।)। পরামর্শ অনুযায়ি ঐ বুইড়া আগাইল। একদিন সুন্দর সন্ধ্যায় সে ঐ ক্লাস ৭ এর মেয়েটাকে প্রপোজ করে বসল। মেয়েটা সব শুনল, শুনে একটা মিষ্টি হাসি দিল, এর পর বলল, "ভাইয়া, আপনি কি করে ভাবতে পারলেন যে ক্লাস ৭ এর একটা সুন্দরী মেয়ে এতদিন 'খালি থাকে?'" :-*!!!!
এটা শুনে ঐ ছেলের কি হয়ছিল জানি না কিন্তু আমাদের চিন্তা শতগুণ বিবর্ধিত হয়ে গেল। কারণ বয়স আর কারও থেমে থাকে না! <img src=" style="border:0;" />


জীবনে অপচয় কম করি নাই! ইশ যদি জায়গা মত খরচ করতে পারতাম!!! তাহলে এতদিনে অনেক কিছুই হয়ে যেত! <img src=" style="border:0;" /> আরেকটা ঘটনা, এইটা কিন্তু সত্যি! আরেক ছেলে অনেক বয়স পর্যন্ত (প্রায় ২৬ বছর) টিউশনি করাইছে। একদিন তার ৮এ পড়ুয়া একছাত্রী তাকে প্রপোজ করল। (বয়সের কারণে ঐ ছেলে ছিল রাশ ভারী টাইপের <img src=" style="border:0;" />), সে রাগের ভঙ্গি করে বলল, যদি শুরু থেকেই ঠিক জায়গায় খরচ করতে পারতাম তাহলে এতদিনে তোমার মত একটা মেয়ে থাকত! <img src=" style="border:0;" />


ভাবতাছেন এসব অর্থহীন প্রলাপ কেন করতাচি? আসলে এতদিন একটা নীতি মাইনা চলতাম। আমরা সবসময় প্রেমিক টাইপ লুইচ্চাদেরকে বাঁশাইতাম। যেকোন জায়গায়, যে কোন পরিবেশে। এজন্য কলেজে (ইন্টারে) কোন যুগল আমাদের ধারে কাছে থাকত না। যার জন্য ঐ লাইফে কোন জি.এফ. পাই নাই। এজন্য অবশ্য আফসোস নাই। কারণ মজা কম করি নাই! এর পরও কন্টিনিউ করতে লাগলাম। এখনও অভ্যাসমত চান্স পাইলেও এমন কাউরে ছারি না। কারণ আমারা ত জানিই..... এক একটা বিয়া মানে একজন প্রতিদ্বন্দী কমে যাওয়া! কিন্তু কিছু দিন আগে এক আচানক ঘটনা ঘটল। এক ভোদাই ফ্রেন্ড মেসেন্জারে আসল। অনেক কথা বলল। হঠাৎ সে বলল, দোস্ত আমি মনে হয় বিয়া করতাছি! জিগাইলাম মনে হয় মানে? তুই কি শিওর না? থতমত খাইয়া বলল, না মানে শিউর আবার... .... .... মোট কথা যা বলল তাতে আমার মাথামুথা পুরা খারাপ। সে যেই মেয়েরে পছন্দ করত কিন্তু ভয়, জড়তা, বাপ মা, তার মদন গিরিতার জন্য কিছু প্রকাশ করতে পারে নাই, ঐ মেয়ের ফ্যামিলি থেকেই তার জন্য প্রপোজাল আমছে। মেয়েটাকে আমি দেখেছিলাম এক বিয়ের অনুষ্ঠানে, ফাটাফাটি সুন্দরী! মেয়ে গোপনে তারে পছন্দ করে। <img src=(" style="border:0;" />

শুনার পর তেকেই আমি আছি মহা টেনশনে, কারণ এতদিন পর্যন্ত যা খালি হয়ছে (পোলা), বেশির ভাগ ভোদাইগুলাই গেছে, পুংটারা কিন্তু ফিল্ডে রয়ে গেছে। তার মানে সামনে অপেক্ষা করতেছে কঠিন কম্পিটিশন।/<img src=" style="border:0;" /> কি হবে ভবিষ্যতে কিছুই জানি না<img src=" style="border:0;" />! মনে হয় এখন সময় হয়ছে সুযোগ করে নেয়ার।

সবাই দোয়া কইরেন! ছুম্মা আমীন......./<img src=" style="border:0;" /> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28755727 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28755727 2008-01-01 15:47:18
আগে ভাগেই দিয়া দিলাম: ঈদ মুবারক! <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_34.gif" width="23" height="22" alt="B-))" style="border:0;" /> " style="border:0;" /> । কাজেই ঈদের ছুটিতে আর ব্লগানো যাইবে না। <img src=" style="border:0;" />
তাই বইলা কেউ আবার মন খারাপ কইরেন না! <img src=" style="border:0;" /> সবার জন্য ঈদের উপহা প‌্যাকেট কইরা পাঠাইলাম! যার যেইটা খুশি লন। চাই চাই লন, বাইছা বাইছা লন! <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />
সবাইরে ঈদের শুভেচ্ছা....... ঈদ মুবারাক!


অফটপিক: আরিল ভাই, আমার প্রফাইল পিকচার শো করছে না। আপনার যত খুশি গিফট নেন! শুধু আমার ছবি আমারে ফেরত দেন! <img src=(" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28752254 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28752254 2007-12-18 15:20:47
স্মৃতি, অনূভুতি হয়ে ফিরে আসে যে মাসে।

অফিসের ঐ রুমে তারা তিনজন বসতেন। বাবা, তাঁর কলিগ এক বাঙালী ইনজ্ঞিনিয়ার এবং এক পাকিস্তানী ইনজ্ঞিনিয়ার। ৯০ এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে সৌদি আরবের টিএন্ডটি তে প্রচুর বাঙালী, পাকিস্তানি ও মিশরীয় ইনজ্ঞিয়ার কাজ করত। পেপারে একটি খবর এল, ইমরান খানের এক সাবেক মার্কিন বান্ধবী দাবী করছে যে তার ছেলের জনক ইমরান খান, যথারীতি ইমরানের অস্বীকার, এটা নিয়ে খবর গরম! পেপার পড়তে পড়তে ঐ বাঙালি ইনজ্ঞিনিয়ার পাকি কে বলে উঠলেন, "বাঃ, কি সুন্দর শিশু, ইমরান সাব তাকে অস্বীকার করছে কেন?" খোঁটাটা বুঝতে পেরে ঐ পাকি বলে উঠল,"তুমারা ছ্যাখ মুজিব.......", তার আর বাক্য শেষ হতে পারল না, সাথে সাথে গর্জে উঠলেন বাব ও তাঁর বন্ধূ! বাবা বললেন, "চুপ! আর একটা কথাও না! তুমি জান শেখ মুজিব কে? He is the founder of the Nation, Father of the Nation!! তুমি হাসিনা-খালেদা, এরশাদ নিয়ে যা ইচ্ছা বল! কিন্তু ঐ লোকের নামে না! আমরা কি তোমাদের কায়েদে আযম কে নিয়ে কিছু বলেছি? তাঁকে নিয়ে কিছু বললে তোমার কেমন লাগবে?...."
ঐ পাকি আর একটা কথাও বলে নি, রাগে গজরাতে লাগল।
এ ঘটনা শুনার পর বুঝতে পারলাম যে কেন


বেঙ্গল টাইগারের গর্জনের কাছে অন্য যে কোন বাঘের গর্জন মিউ মিউ ডাকের মত শুনায়।

ইনজ্ঞিনিয়ারিং পাশ করার পর বাবা প্রথম চাকরী শুরু করেন চট্টগ্রামের হাফিজ জুটমিলে। জয়েনের মাস দুয়েক পরই ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ। তখন দাদা এবং পুরো পরিবার গ্রামের বাড়ীতে, স্বন্দ্বীপ। ভাষণের পর দাদা বাবাকে একটি টেলিগ্রাম করেন, "তুমি এখনই বাড়ি চলে আস, খুব জরুরী!" বাবা ছিলেন তাঁর পরিবারের প্রথম সন্তান, সাধারণত তিনি দাদার কথার কখনও অমান্য করতেন না। খবর পেয়েই ছুট। যেদিন বিকালে তিনি বাড়ি যান, সেদিন রাতেই শুরু হয় মিলে বিহাড়ী-বাঙালি লড়াই! প্রচুর হতাহত হয়।

বাড়ী যাওয়ার পর তাঁর দিন গুলো কেটে যায় আর অন্য সব স্বাভাবিক বাঙালি যুবকদের মত। খবর সংগ্রহ-বিশ্লেষণ, মিটিং, সেই সুদুর ছোট্ট দ্বীপেও যা আছড়ে পড়েছিল। আমার দাদার বাড়ি ছিল ইনহেরিটেডলি রাজনৈতিক, দাদার বাবা ছিলেন ৩ ইউনিয়নের চেয়ারমেন, "হকুম মালাদার" নামে পুরো দ্বীপে যিনি ছিলেন বিখ্যাত, বিখ্যাত তাঁর ন্যায় বিচারের জন্য, রাজনীতির জন্য। কাজেই এমন একটি পরিবার তৎকালিন রাজনীতি চর্চার পীঠস্থান হিসেবে ঐ এলাকার কেন্দ্রবিন্দু ছিল!

২৫ মার্চের পর শুরু হয়ে যায় সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পরার প্রস্তুতি। কিন্তু বাবার মন খারাপ। কারণ দাদার কাছ থেকে সরাসরি নিষেধ যুদ্ধে যাবার ব্যাপারে। দাদার মন কেমন কেমন করে, পরিবারের সবচেয়ে বড় ছেলে, সবার বাধ্য, একে কিভাবে তিনি ছাড়বেন। কিন্তু বাবা বসে থাকেন না! নতুন কাজ হাতে নেন। নিজে যুদ্ধে যেতে পারছেন না ত কি হয়েছে, তাঁর মত আরও ছেলেকে তো পাঠাতে পারেন! তাছাড়া শহরে তাঁর ভালই জানাশুনা আছে। কোথায় কখন পাঠাতে হবে। শুরু করে দিলেন বিচ্ছু সংগ্রহ, যারা বিষদাঁত গুড়িয়ে দিয়ে আসবে হানাদারদের। অনেককেই পাঠাতে লাগলেন, তার মাঝে তাঁর সমবয়সী চাচাও (দাদার ভাই) ছিলেন। এখান থেকে তৎপরতা চালানো সুবিধা ছিল, কারণ পাকিরা পানি খুব ভয় পেত। খুব সহজে দ্বীপে আসত না।
কিন্তু রাজাকাররা থেমে থাকে নি। 'ছবুর' সওদাগরের নেতৃত্বে পড়ে উঠল এক প্রভাবশালী রাজাকার বাহিনী। সে নিজেও বিশাল অর্থশালী এবং প্রভাবশালী ছিল! শুরু হল তার রোমহর্ষক অভিযান, কোন কোন পরিবার থেকে মুক্তি গিয়েছে, কারা এই মুক্তি সংগ্রহ করছে, তাদেরকে শহরে পাঠাচ্ছে। হিট লিস্টে প্রথম দিকেই এসে গেল বাবা, দাদা ও চাচাদের নাম!
এবার বাবা ও দাদার শুরু হল অন্যরকম এক যুদ্ধ! কোন প্রকার অস্ত্র ছাড়াই এই রাজাকারদের কাছ থেকে পালিয়ে চলা। ধরা খেলে নির্ঘাত মৃত্যূ। একদিকে রাতের পর রাত ঘরের বাহিরে থাকা, দিনের বেলা লুকিয়ে চলা, অপর দিকে 'বিচ্ছু-বাহিনী' সংগ্রহ। রাত কাটিয়ে দিতেন কোন এক গ্রামের পুকুর পাড়ে বা ঝোপের আড়ালে বা কবরস্থানের পাশে, কখনও বা মসজিদের বারান্দায়। আর দিনের বেলা লুকিয়ে থাকতেন কোন পরিচিত বাড়ির দরমায়, টিনের নীচে বেড়ারা যে আচ্ছাদন, যেখানে তখন শুকনো খাবার গুদামজাত করা হত! খেয়ে নাখেয়ে কাটত তাঁর দিন, মাস! আরেকবার ত প্রায় ধরাই খেয়ে গিয়েছিলেন। বাজারে অল্পের জন্য ছবুর সওদাগরের মুখোমুখি হন নি।

অবশেষ বিজয় এল। তাদের পাঠানো মুক্তি বাহিনী দলে দলে সশস্ত্র অবস্থায় গ্রামে ফেরা শুরু করল। এবার ছবুইরা যাইব কই! শুরু হল তার নর্তন-কুর্দন। এবার তার শুরু হল লুকিয়ে চলার পালা। কিন্তু একদিন ধরা খেল। প্রথমেই মাইর, এরপর যখন ফায়ার করবে, এমন সময় দাদা যেয়ে উপস্থিত হলেন। বললেন, "না, আইন নিজের হাতে তুলা যাবে না। তোমাদের কাজ তোমরা শেষ করছ, দেশ স্বাধীন, এদের ব্যাপারে রাষ্ট্র সিদ্ধান্ত নিবে।"
অনেকেই অবাক হলেন, কেউ কেউ রাগে গজরাতে লাগলেন। অনেকে বললেন, "এই ছবুইরা আপনাকে বিগত ৯ মাস কম কষ্ট দিছে?" কিন্তু দাদা অটল। তাঁর এককথা, "ছবুর ভুল করছে, সে আমার ভাই। এখন তাকে মারতে হলে আমার লাশের উপর দিয়ে মারতে হবে।"
এরপর আর কোন কথা থাকতে পারে না। সবাই ফেরত গেল। আর ছবুর বেঁচে গেল।


তার বেশ কয়েক বছর পর.......
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। সবাই এসে ধরল দাদাকে দাঁড়াতে হবে। কিন্তু দাদার আর্থিক অবস্থা তখন ভাল না। তিনি দাঁড়াবেন না। তারপরও লোকজনের চাপে তাঁকে দাড়াতে হল। কিন্তু তাঁর প্রতিদ্বন্দী হল সেই ছবুর সওদাগর। একাত্তরে কথা তখনও মানুষ ভুলে নাই। কিন্তু ছবুর ভুলে গেল। অর্থ আর ক্ষমতার জোরে দখল করে নিল কয়েকটি কেন্দ্র। ফলাফল: দাদা হেরে গেলেন, এ পরিবার প্রথম বারের মত কোন নির্বাচনে হারল এক জীবন ভিক্ষা পাওয়া রাজাকারের কাছে।


ফ্লাশ ব্যাক:....................................


গত শীতের ঘটনা। এক মেজবানের দাওয়াতে গেলাম আব্বু সহ। অনেকর সাথেই পরিচয় ও কথা হল। পরিচয় হল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ডক্টরেট অধ্যাপকের সাথে। ভদ্রলোকের তুখোড় মেধা আর অসাধারণ জ্ঞান, সেই সাথে বাচন ভঙ্গি আমাকে সহজেই ইসপ্রেস্ড করল। অনেক কথা হল তাঁর সাথে। সবে মাত্র ইনজ্ঞিনিংয়ারিং পাশ করেছি জেনে তিনিও ক্যারিয়ার নিয়ে অনেক কথা বললেন। আরও বললেন যে তিনি এক কনফারেন্সে আমেরিকা যাবেন। তারাই তাঁকে যেচে ডেকে নিয়ে যাচ্ছে। ১ সপ্তার প্রোগ্রাম। এমবেসী ফেইস করার সময় যখন তারা জিজ্ঞাস করল কয়দিনের ভিসা লাগবে, তিনি বললেন, "১ সপ্তাহের!" তারা অবাক, কি বলে, যেখানে কেউই ৬ মাসের কম ভিসা দাবী করেনা সেখানে এই লোক কি বলে? কিন্তু তিনি অচল। তাঁর এর বেশী দরকার নেই! এক মার্কিন কর্মকর্তা বলল, "তুমি কি আমাদের দেশ অন্তত ঘুরেও ধেখবা না? অন্তত ১ মাসের আপিল কর!" কিন্তু ভদ্রলোকের জবাব, "তোমার দেশ ঘুরে আমি কি করব? কি আছে দেখার মত তোমার দেশে? সৌন্দর্যের কথা বললে ত আমার দেশ সবচেয়ে সুন্দর। আর ইনফ্রাস্ট্রাকচার বা টেকনলজীর কথা বললে ইউরোপে অনেক ভ্রমণ করেছি, অনেক দেখেছি।"
"বরঞ্চ আমার দেশ দেখার শেকার অনেক কিছু আছে তোমার। আমাদের পারিবারিক ব্যবস্থা অনেক শক্ত, সুন্দর, আমি ৩ বছর বাহিরে থাকরেও আমার বউ মেয়েরা আমাকে ছেড়ে আর কারও হাত ধরে চলে যাবে না। এখানে শান্তি আছে,......." ঐ মার্কিন কর্মকর্তা অবাক। অবশেষ নিজ থেকেই তাকে ৩ মাসের ভিসা ইস্যূ করে দিল।
আমি ও অবাক, এরকম একজনের শিক্ষের সাথে আলাপ করতে পেরে। সেইসাথে গর্বিত হয়েছিলাম এই ভেবে যে আমার দেশেও এরকম নীতিবান মানুষ আছেন যিনি সবার আগে দেশের কথা চিন্তা করেন।

বাসায় এসে বিভিন্ন কথা প্রসঙ্গে আব্বাকে জিগ্গাস করলাম ঐ লোকটা কে? ঐ যে বিম্ববিদ্যালয়ের টিচার? আব্বুর মুখে ছোট্ট একটু হাসি ফুটল, বললেন, এটা ছবুর সওদাগরের ছেলে!
ছোট্ট একটা নীরব দীর্ঘশ্বাস মনে হয় শুনলাম, তাঁর মুখ থেকে! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28751722 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28751722 2007-12-15 16:49:03
হুঁশিয়ার, সাবধান! ..... *** গিরি ছুটাইয়া দিমু!


আমাদের ধৈর্য্যর একটা সীমা আছে। এই সীমা অতিক্রম হওয়ার আগ পর্যন্ত সাধারণত আমরা চুপচাপ থাকি, তেমন উচ্চবাচ্য করি না। কিন্তু যখনই এই সীমা অতিক্রম করে, তখন আর বাধ মানে না। সব ধ্বংস করে ফেলি। যার উপর ক্রোধ হয়, ঠাপায়া তার চামড়া চুমড়া তুলে ফেলি! তাদের প্রতি আমাদের একটাই বাণী,
"তোমরা বাঘ দেখেছ, কিন্তু বাঘের গজর্ন শুননি! তোমরা ডান্ডা দেখেছ কিন্তু এর বাড়ি খাওনি!" (খাইয়ালামু)


এই ব্লগে একজন মহান ব্যজিত্ব আছেন! তাঁর যদি গুনের বর্ণনা শুরু করি তাহলে আমার কীবোর্ড ক্ষয় হয়ে যাবে, কিন্তু তাঁর গুণ শেষ হবে না। তাঁর গুণের সামন্য কিছু বর্ণনা এই অধমের লেখায় পাবেন, "ভাইজান"

কিছুদিন ধরেই তাঁর উপর কে বা কারা হুমকি দিয়ে আসছেন, তাঁর জীবনের উপর হুমকি, এমনকি তাঁর গীটারের তারতুর ছিঁরে ফেলার হুমকিও অনবরত দিয়ে যাচ্ছে।

এই হুমকির মুখে তিনি এখন ভয়ে আছেন, আতংকে আছেন, এমনকি পরকালের চিন্তাও করা শুরু করে দিয়েছেন!

এসব শেষ হতে না হতেই এক খাইসটা গে, তাঁর উপর সর্বশেষ আঘাত হেনেছে! দিয়েছে!সে তাকে গদ্ধপ বলে গালি

আজ এখন থেকে, কেলাবের পক্ষ থেকে আমরা জানিয়ে দিতে চাই, আর কোন খাইসটা গে যদি ভাইজানকে এসব খারাপ কথা বলে তাহলে আমরা তাকে ভাইয়ে বেজী দিয়া এমন "...ডলা"
দিমু...., সেটা শেষ না হইতেই ভাইয়ের উট...., সেটা শেষ না হইতেই ভাইয়ের চানগেলাস দিয়া এমন দে'য়া দিমু..... যে সে জীবনেও আর গে গিরি করতার্বোনা!

শেষ করার আগে আবারো মনে করিয়ে দিই,
"তোমরা বাঘ দেখেছ, কিন্তু বাঘের গজর্ন শুননি! তোমরা ডান্ডা দেখেছ কিন্তু এর বাড়ি খাওনি!"


নূরাণী চশমিশ ফ্যানকেলাবের জয় হউক!
"এন কেলাব জেন্দা বাদ!"




অন্যরকম বলেছেন :

২০০৭-১২-১১ ১৭:০৮:৪৪

য়্যালার্ম ভাইয়ের কিছু হলে
লাগবে আগুন গে এর ুন্দে!


অচেনা বাঙালি বলেছেন :

২০০৭-১২-১১ ১৭:১৫:১৪

ফাটাফাটি হইছে।
য়্যালার্ম ভাইরে অপমান!
দেখুম সে কতবড় সেয়ান।


মনের কথা বলেছেন :

২০০৭-১২-১১ ১৭:১৬:১১

মডারেটর তাকে তাকে ছিল যে কখন তুমি পোষ্ট টা মারো।
আর নাইলে উপরা ডাইনপাশে বাঁধভাঙ্গার আওয়াজে কিলিক করো নাই।@অনু
*মহান য়্যালার্ম ভাইয়ের জয় হোক*


প্রশ্নোত্তর বলেছেন :

২০০৭-১২-১১ ১৭:১৬:২৪

তোমরা বাঘ দেখেছ, কিন্তু বাঘের গজর্ন শুননি! -

উহুহু...ভালো লাগে না

"তোমরা বাঘের গর্জন শুনেছ, কিন্তু বাঘ দেখোনি! - এইটা বেশি বালা লাগে!



অন্যরকম বলেছেন :

২০০৭-১২-১১ ১৭:৩৬:২৭

'এন' কেলাব জেন্দাবাদ!
মহান য়্যালার্ম ভাইয়ের জয় হোক!
ঠ্যাংকু @ অচু, মকু, প্রশ্নু!
"তোমরা বাঘের গর্জন শুনেছ, কিন্তু বাঘ দেখোনি----- হোকে!


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28751048 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28751048 2007-12-12 10:13:23
"...বিশ্বাস.... তর্কে..."; @না. ধর্ম... ভাই, আমি ব্যান কেন? এক য়্যালার্ম ভাই ছাড়া এর আগে কেউ আমারে ব্যান কের নাই!

আশা করি জানাইবেন!

পুনশ্চ: সরাসরি নাম মুখে আনলে নাকি ব্লগ থেকে ব্যান খামু! এজন্য নামও কইতে পারতাছি না!
কি বিপদ... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28750866 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28750866 2007-12-11 12:15:02
"ভাইজানের" মহা বিপদ! (বাঁচাওওও) , কেলাবের সদস্যরা এক হও!<img src='http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif' /> নারী মুক্তির অগ্রদূত এবং সর্বোপরি বিশিষ্ট চেলিব্রেটি ব্লগার আমাদের য়্যালার্ম ভাই। আমরা সবাই উনার গুণমুগ্ধ ভক্তকূল, তাঁর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তাঁকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন নিমিত্তে প্রতিষ্ঠা করেছি বিশেষ ফ্যান ক্লাব! কিন্তু তারপরও এ সমস্ত অধমেরা কিছুই করতে পারল না! একজন মহান মানুষকে উপযুক্ত সম্মান ত দূরের কথা, তাঁর নিরাপত্তা এখন বিঘ্নিত, তিনি এখন আতংক নিয়ে দিন পার করছেন (আম্মাআআ) !

অতি সম্প্রতি তাঁকে কে বা কারা অনবরত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে! তাঁর জীবনের উপর হুমকি, এমনকি তাঁর গীটারের তারতুর ছিঁরে ফেলার হুমকিও অনবরত দিয়ে যাচ্ছে। অথচ কর্তৃপক্ষ নিরব! ব্লগ মডুরাও নিরব!

এই হুমকির মুখে তিনি এখন ভয়ে আছেন, আতংকে আছেন, এমনকি পরকালের চিন্তাও করা শুরু করে দিয়েছেন! (আম্মাআআ)


এমতাবস্থায় ফ্যান ক্লাবের সকল সদস্যদের এক হয়ে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার আহবান জানাচ্ছি! যদি আমরা না পারি, তাহলে হয়ত তিনি আবারও আমাদের ছেড়ে ইরান চলে যাবেন, নইতো সকলকে ব্যাথিত করে আমাদের য়্যাতীম করে পরপারে চলে যাবেন!

আসুন আমরা সবাই মিলে এজন বিশিষ্ট চেলিব্রেটিকে অপদস্থ হওয়া, দেশত্যাগ কিংবা পরপারে যাওয়া হইতে বিরত রাখি। কারণ যে দেশ গুণিদের সম্মান করতে জানে না, সে দেশে কোন গুণি জন্মাতে পারেনা।


"নূরাণী চশমিশ ফ্যান ক্লাবের জয় হউক!"]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28750385 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28750385 2007-12-09 12:26:00
কিছু ২ পয়সার মানুষ হাল ধরেছে..... শক্ত করে!

সিডরের কথা মনে করলেই ৯১ এর ২৯শে এপ্রিলের কথা মনে পরে যায়। খুব বেশী আক্রান্ত না হলেও ধ্বংশলীলা প্রত্যক্ষ করেছিলাম অনেক কাছ থেকে। পৌনে ২লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল সেবার। প্রায় ১মাস বিদ্যুৎ বন্ধ ছিল চট্টগ্রামে। ঝড়ের পরে ডায়রিয়ায় মারা গেছে আরও অসংখ্য মানুষ! বাবার এক চাচাত বোন মারা গিয়েছিল ঝরের কয়েকদিন পরে, ডায়রিয়ায়, মাত্র ১ দিনের ডায়রিয়ায়!
এখন এসবের সাথে যুক্ত হয়েছে শীত। এবার উদাম মানুষগুলা মরবে নিউমোনিয়ায়! হায়...! ক্ষুধার্ত, কপর্দকহীন কিছু মানুষ খোলা আকাশের নিচে ঠক ঠক করে কাঁপতে থাকবে শীতে, এতিম শিশুদের ছোট্ট বুকে নিঃশ্বাসের সাথে ঘরঘর শব্দ হবে! নিঃশ্বাস যাবে আটকে! একসময় মারা যাবে। ভিষণ কষ্ট হবে তাদের.... ভিষণ! আর আমরা একটি করে এসএমএস পাঠিয়ে দায়িত্ব শেষ করব আর নতুন ফ্যাশনের গরম কাপড় পরে উষ্ঞতা কিংবা স্মার্টনেস অনুভব করব! কারণ আমরা অতি সচেতন শিক্ষিত মিডল ক্লাসড সিটিজেন!



২ পয়সার চেয়েও ক্ষুদ্র মানুষ আমি! সামর্থ অতি সীমিত, সাহস আরও কম! তেমন কিছুই করি নাই! আমার এক বন্ধু নাম কামরুল খুব ছোট আকারে কিছু ত্রাণ পাঠাতে চেয়েছিল। কারণ তারও অবস্থা আমার চেয়ে খুব বেশী ভাল নয়। টার্গেট ছিল হাজার বিশেক টাকার মত খাদ্য এবং কয়েক বস্তা জামা কাপড় নিয়ে জোগাড় করে পটুখালির কোন এক ছোট গ্রামে সামান্য সহযোগিতা করা। কারণ আমাদের এলাকায় ঐ এলাকার একটা ছেলে আছে, সে গাইড হিসেবে যেতে পারবে।
কিন্তু এটাকে কি বলব বুঝতেছি না। আল্লাহর অশেষ রহমত! ১২ বস্তার চেয়েও বেশী কাপড় সংগ্রহ হয়েছে, আর টাকার পরিমাণ ছাড়িয়ে গেছে ৫০ হাজারের বেশী! ১২০০ কেজি চাল, সে সাথে ওরাল স্যালাইন, ফিটকারি, মোম, ম্যাচ এবং আরও কিছু দরকারি ওষুধসহ আজ বিকাল ৫ টায় সদর-ঘাট থেকে ওরা ৮ জন রওনা হচ্ছে। আমি বসে আছি এখানে, ছুটি সংক্রান্ত জটিলতা, বিস্বাদ ঠেকছে সব কিছু!
জানি না কতটুকু সফল হবে ওরা! কারও রি অভিজ্ঞতা নেই। সে তুলনায় অনেক বিশাল আয়োজন, যদিও প্রয়োজনের তুলনায় অতি সামান্য, দীঘিতে এক ফোঁটা জল দেয়ার মত, তারপরও দুঃচিন্তা করি। আল্লাহ যেন তাদেরকে সফলভাবে সব কিছু বন্টন করে দেয়ার তওফিক দিতে পারে! দোয়া ও শুভ কামনা তাদের প্রতি....।


যদি আরও ৩ দিন তাদেরকে বাচিয়ে রাখা যায়, অন্তত এই শীতটা পার করে দেয়া যায়, তাহলে এই সামান্য প্রচেষ্টা সার্থক মনে করব!


দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে ভাই, হাতে জোর কম; তারপরও ধরতে হবে হাল...... শক্ত করে!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28747636 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28747636 2007-11-26 12:12:14
"তীর হারা এ ঢেউয়ের সাগর পারি দেব রে"

বিবিসির মানসীর হেডলাইনে বাংলাদেশের সাইক্লোন! বিভিন্ন রকম খবর আসছে, মানুষের জীবন বাঁচানোর সংগ্রাম চলছে। বিভিন্ন জায়গা হতে বিভিন্নরকম খবর আসছে, এতবড় দুর্যোগ মোকাবেলার প্রস্তুতি চলছে। কিন্তু আশাহত হতে হল পরিসংখ্যান শুনে। দক্ষিণে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ মানুষ সাইক্লোন সেন্টারে আশ্রয় নিয়েছে, কিন্তু অরক্ষিত আরও প্রায় ৩০ লাখ!!! সেন্টার গুলো প্রায় কানায় কানায় পূর্ণ। এদের কি হবে? কোথায় দাঁড়াবে? পাহাড়ের রুপ ধারণ করে যখন জোয়ারের পানি দ্রুত বেগে আসবে তখন তারা কিসের আশ্রয়ে ভেসে থাকবে? ছোট ছোট শিশুদের কি হবে?


দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষ্ঞ নাঈম ছিলেন বিবিসি স্টুডিওতে। অনেক মতামত দিলেন, আমাদের দুর্যোগ মোকাবেলা করার অবকাঠামো খুবই দুর্বল। সামান্য ঝড়েই বাসা বাড়ি তছনছ হয়ে যায়। সাইক্লোন সেন্টার অপ্রতুল। তাছাড়া সাইক্লোন সেন্টার থাকলেও লোকজন আসতে চায় না। এটা ছিল একটা ভয়ংকর তথ্য। মানুষ জীবণের ঝুঁকি নিয়ে কেন বাসায় থেকে যেতে চায়? এর বেশ কিছু কারণ পাওয়া গেল। প্রথমত, মানুষ নিজের আবাস ছেড়ে বিপদের মাঝে সাধারণত কোথাও যেতে চায় না; এটা বিশেষ করে এ অঞ্চলের মানুষের বৈশিষ্ট্য। ২য়ত, সবচেয়ে দুর্বলতা আমাদের যে সিগনালিং সিসটেম, সেখানে! সাধারণত ১০নং সংকেতের ১০ ঘন্টা পর সাইক্লোন আঘাত করার কথা। কিন্তু ২৪ ঘন্টা অতিক্রম করার পরও যখন ঝড় আঘাত করেনি, ততক্ষনে মানুষ আবার বাসায় ফেরা আরম্ভ করেছে। এটা একটা চিন্তার বিষয়। সুনামির সময়ও একি অবস্থা হয়েছিল। আন্দামান থেকে বিপদ সংকেত তুলে ফেলার পরও আমরা আরো প্রায় ১ দিন সংকেত দিয়ে রেখেছিলাম, এতে করে বিপদ সংকেতের প্রতিক্রিয়া মানুষের মাঝ থেকে উবে যায়। তাছাড়া আমাদের সিগনালিং এ আরও সমস্যা আছে, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত প্রায় ৭০০ জেলে সমুদ্রে ছিল। তাঁদের আগে থেকেই সর্তক বার্তা দেয়া যায় নি বা ফিরিয়ে আনির উদ্যোগ নেয়া হয় নি। এখন পর্যন্ত তাঁদের ভাগ্যে কি ঘটেছে কেউ জানেনা!




৯১ এর কথা মনে পরে যায়, তখন আমি চট্টগ্রামে। আমাদের বাসার কাজ চলছে। নানর বাড়ি ছিলাম। সেটা ছিল টিনের। ঝড়ের কি ভয়ংকর রূপ!!!!! না দেখলে বর্ণনা করা যায় না! কি বিকট শব্দ!!! সবকিছু সে ভেঙে তছনছ করে ফেলতে চায়! মনে হচ্ছিল সেই টিনের বাড়িটিকে সে দু'হাত দিয়ে ক্রমাগত আছাড় দিচ্ছে! বাতাসের ফোঁস ফোঁস শব্দ মনে হচ্ছিল বাসার বাহিরে লক্ষ কোটি সাপ অপেক্ষা করছে, শুধু অপেক্ষা, বের হলেই বিষদাঁত বসিয়ে দেবে! বাড়িতে অনেক পুরোনো গাছপালা থাকার কারণে মনে হয় সেবার বেঁচে গিয়েছিলাম, আল্লাহর অশেষ রহমত!


সন্দ্বীপে যেসব আত্মীয় ছিল, তাঁদের করুণ কাহিনি লিখতে পারবনা। সে ক্ষমতা আমার নেই। শুধূ শুনেছি, কিভাবে মায়ের হাত ছুটে শিশু হারিয়ে গেছে কালো পানিতে। ঝড় নিয়ে গেছে গহিন সমুদ্রে। উলঙ্গ নারীর লাশ ঝুলে ছিল গাছের ডালে। অনেকর লাশ পাওয়া গেছে ১০-১২ দিন পর, পঁচা, গলিত, মাছে খাওয়া! ঝড়ের পরে ডায়রিয়ায় মারা গেছে আরও কয়েক হাজার মানুষ! কি দুঃখ, কি করুণ অবস্থা, বেঁচে থাকার আকুতি! লিখে শেষ করা যাবে না!



তারপরও উপকূল, দ্বীপ বা চরাঞ্চলের মানুষেরা আবার জেগে উঠে! স্বপ্ন দেখে বেঁচে থাকার, জীবণকে সাজানোর! বুকে সাহস নিয়ে তারা সংগ্রাম শুরু করে!
এসব ভাবতে ভাবতে একটা গানের লাইন মনে পরেঃ


"তীর হারা এ ঢেউয়ের সাগর পারি দেব রে,
আমরা কজন, নবীন মাঝি হাল ধরেছি, শক্ত করে রে!"


এখন সময় নবীন মাঝিদের শক্ত করে হাল ধরার!
হাল ধরতে হবে শক্ত করে। বেঁচে থাকতে হবে, স্বপ্ন নিয়ে...! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28745945 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28745945 2007-11-17 13:43:14
ঘটনা কি সত্যি? যা দেখিলাম? আমাগো চেলিব্রেটি ভাই কি দেশে?

দেখে আমি তবদ্ধা খেয়ে গেলাম ! একবারও ডাকার কথা মনে হল না! (আম্মাআআ)
পরে হঠাৎ সম্বিত ফিরল। তখন ইচ্ছা করল নিজের পশ্চাত... নিজেই লাথি মারি (খাইয়ালামু) !!
এরকম একজন ব্যক্তিত্বকে সামনে পেয়েও একবার কথা বলতে পারলাম না..... একটা অটোগ্রাফও নিতে পারলাম না.....



আলম ভাই, আপনি কি দেশেই আছেন? আজকে কি আমি আপনাকেই দেখেছি? সকালে, ৮টা ২৫ মিনিটে, কাকরাইল মোড়ে?

-----------------------------------------------

সত্য ঘটনা অবলম্বনে...! (সত্যিই আজকে দেখেছি.....!)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28745193 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28745193 2007-11-13 17:20:58
লোল-সাহিত্য, পৃথিবী অবাক <img src='http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_26.gif' /> তাকিয়ে রয়, এক নতুন ধারার প্রবর্তন!

বেশ কয়েক মাস ব্লগে থেকে অনেক কিছু জেনেছি, শিখেছি, বুঝেছি, বুঝাইছি। অনেক কিছু বলেছি, বলিয়েছি, শুনেছি, শুনাইছি....! (ক্লোজআপহাসি)
কিন্তু গবেষণা করতে হবে, সেটা কখনও চিন্তাও করিনি!

যাই হোক, ছোটখাট একটা গবেষণা করেই ফেললাম এবং নিচে এর সার্মর্ম দিলাম!


লোল-সাহিত্য, পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়, এক নতুন ধারার প্রবর্তন!


শুরুতেই ব্যক্তি আক্রমণ দিয়ে এই সাহিত্যের শুরু। অবশ্য অনেকেই এটাকে ফান হিসেবে খরে নিয়েছিলেন! কিন্তু সমস্যা হল যারা সবকিছুতেই চুলকানি খুঁজেন, তারা এটা মেনে নিতে পারেননি।
এমনকি যাঁকে নিয়ে এই সাহিত্যের শুরু তিনিও এটাতে হাত ভাসিয়েছিলেন (কিবোর্ডে)! কিস্তু তারপর কোথথেকে কি হয়ে গেল, হঠাৎ এই সাহিত্য চর্চা সবাই থামিয়ে দিল! অথচ এই ব্লগে একটা নতুন সাহিত্য ধারার দিগন্ত উন্মচিত হয়েছে এটা অনেকেই বুঝল না!

যাই ই হোক এই সাহিত্যের মাদার টার্ম নিয়ে কিছু লেখার আগে ষাহিত্যটা পড়ে নিন.... নিচে:

১. একালের লোল বন্দনা! এটা দিয়ে শুরু
২. লোল-সাহিত্যে রিক্সার অবদান!
৩. লোল দেখে কেউ করিস না ভয়, আড়ালে তার কাল্লু মামা এইটা টপরেটেড হয়ছে!
৪. লোলের জন্ম উপাখ্যান ; (শারফু যখন কিং ছিল)

এগুলা পইড়া এবং ঘাঁটাঘাঁটি কইরা যে টার্ম পাইছি সেটা হইল:
এই সাহিত্যের নাম 'লোল-সাহিত্য'

১. যারা এই সাহিত্য লেখে = লালাক।
২. যারা এই সাহিত্যের কেন্দ্রীয় চরিত্র = লোলপুরুষ
৩. যারা এই সাহিত্যের পাঠক = লোলুপ
৪. যারা লোলপুরুষদের শিকার = মত্স!
৫. এই সাহিত্যের পথিকৃৎ = ললিপপ*
৬. এই সাহিত্যের নোবেল = ল'বেল
৭. লোল-সাহিত্য পরিষদ = লোলজ LOLz {Lots of LOLz}
৮. লোল-সাহিত্যে রেটিং করলে বলতে হবে = ৫ লালায়লাম
৯. কোন লালাক/লোলুপ/লোলপুরুষকে ফুলদানি দিলে বলতে হবে = লোলদানি
১০. লোল এনসাইক্লপেডিয়া = লোল্কপেডিয়া

আরও পরামর্শ আশা করতেছি........

*৫. এই সাহিত্যের ৫ পথিকৃৎ হচ্ছে:
প্রশ্নোত্তর (জন্মদাতা), সংস্থাপক (কমেন্টে সেরা লোল), শারফুদ্দিন, কুদরত (টপরেটেড লোল), এস্কিমো (নামকরণ করার জন্য)!

গবেষণায়,
ডাঃ দ্য অন্যরকম
পি.এইচ.ডি ইন লোল-সাহিত্য
LOLz একাডেমি
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28745000 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28745000 2007-11-12 17:14:14
জামাতীরা কি এতই ভুদাই(!)....? যাই হোক, দীর্ঘ ৩৭ বছর পর আবার প্রসঙ্গ উঠছে বিচার করার। খুবই ভালা কতা, ২০ বছর ধইরা তাগোরে প্রতিষ্ঠত কইরা, ক্ষমতায় যাওনের সময় সঙগে লইয়া আবার একত্রে আন্দোলন কইরা যখন মৌজ শেষ হইয়া গেছে, তারপরও বিচারের কতা কওনের লাইগ্যা ভাল কতাই কইছে!

এখন কার বিচার করব?
উঃ- যুদ্ধাপরাধীদের।
এরা কারা?
উঃ- এরা জামাতীরা।
এদের কি শাস্তি হইব?
উঃ- কতল (এরচেয়ে সহনীয় কোন পন্থা জানা নাই!)
তারপর....?
তার কোন পর নাই, সবই আপন। জামাত ত আর নিষিদ্ধ হইল না! কেমনে কি? এই দলটাই ৭১ এ..... থামেন থামেন, এই দলটা কি কি করছে? এইবার আপনে যদি লিস্টি দেয়া শুরু করেন, তখন প্রশ্ন আইতারে কুনু প্রমাণ আছে? ...মানে!
মানে ৭১ জামাত কিচূ করছে নাকি? মানে জামাত নামে কুনু সংগঠন অপরাধ করছে? (এতটুকু পইরা আমারে আবার রাজাকার কইয়েন না, পুরাটা পড়েন!) অপরাধ ত করছে রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস! হইতারে এই সংগঠনের নেতৃত্বে ছিল জামাতীরা..... কিন্তু তাগো ত বিচারে কতল হইয়া গেছে (কল্পনা করেন), এখন ত জামাত নিশ্পাপ!
কুনু যুদ্ধাপরাধী নাই। এখন তাগো রাজনীতি করতে সমস্যা কি?
এই প্রশ্নের উত্তর আমার জানা নাই। যে কেউ এইখানে উত্তরটা শেয়ার করতারেন! তয় আমি ভাবতাছি অন্য কথা। ধরেন জামাত নিষিদ্ধ হইল না, বরন্চ নিশ্পাপ হইল, এখন কি করন যায়? এইটা ত মহা সমস্যা; তয় এইটারও একখান সমাধান আছে, সেইটা হইল গিয়া ধর্মকে ভিত্তি কইরা রাজনীতি নিষিদ্ধ করা। তাইলে শুধু জামাত কেন, কুনু সংগঠনই বিশেষ কইরা ইসলামী সংগঠন রাজনীতি করতে পারবে না! বাহ বাহ, মরহাবা, মরহাবা,..... কি উত্তম, কি উত্তম (আমারে না, যে এই বুদ্ধি দিছে তারে!), এইটাই হইব।

কিন্তু ভাইজানেরা, এইবার একটু মনোযোগ দিয়া ভাইবা দেখেন, যদি ইসলামী (ধর্মীয়) রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয় তাইলে কি এই দেশে যত ইসলামী দল আছে হেরা কি বইয়া বইয়া আঙুল চুষব? জামাত ত উপমহাদেশে ৬৫ বছর ধইরা রাজনীতি করতাছে, হেরাও কি বইসা থাকব? ত তাইলে তারা কি করতারে?
তাইলে তারা কি করতারে? - এই প্রশ্নের উত্তর খুজনের লাইগা আমার এত প‌্যাঁচাল।
এখন দেখেন, ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধ, কিন্তু আদর্শবাদ ত আর নিষিদ্ধ না! তারমানে আদর্শ লইয়া রাজনীতি করন যাইব। যেমন আ.লীগ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লইয়া লাফাইব, বি.এন.পি জিয়ারটা লইয়া ফালাইব, বাম গুলান মাকর্স, লেলিন, চে, মে (মাও) এগুলানরে লইয়া খালাইব, এখন যদি ইসলামীরা বিশেষ কইরা জামাত যদি রাসুলের আদর্শ নিয়া রাজনীতি করবার চায় তাইলে কি হেগোরা মানা করন যাইব? ধইরা লন তারা জামাত ইসলাসী নাম পালটাইয়া 'শান্তি সংঘ' নাম লইল, তখন কি করবেন? 'আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই' এইটা পালটাইয়া যদি কয়, 'রাসুলের আদর্শ ফলো করুম, সৎ লোকর দেশ গরুম'..... কিছু কইতে পারবেন? রাজাকার গুলান ত আগেই মইরা গেছে, এখন নতুন গুলান যদি এই চিন্তা করে তখন তাগের এই চিন্তা করা কি রোধ করে পারবেন?

৬৫ বছর ধইরা এরা রাজনীতি করতাছে, এত সহজে কি এরা ছাইরা দিবো?
জামাত কি এতই ভুদাই(!)......? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28742334 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28742334 2007-11-03 15:52:45
ফেরিওলায়া (একটি শিশুতোষ কবিতা)



আমার দেশে, জাহাজ বেশে, ফেরীওয়ালা চলে,
ফুট-পাথ, রাস্তা-ঘাট, সবই তার দখলে।
কাঁধে মাথায় পিঠের উপর ঝুড়ি বহন করে,
সেই ঝুড়িতে সবার কাছে মাল বিক্রি করে।

সবই আছে তার কাছে কি নাই বল ভাই?
ডেকচি হাঁড়ি, কাপড় শাড়ি, বুট-পালিশ চালায়।
মিষ্টি মিঠা, লেইস ফিতা, কটকটি আর তরকারি,
কাঁধে মাথায় বহন করে নিয়ে আসে বাড়ি।

মাটির পুতুল, খেলনা পাতি, বেচে গ্যাস বেলুন,
শেভ করে, চুল কাটে, ভবঘুরে সেলুন।

ভোর বেলা দেখা যায় পত্রিকার হকার,
চটপটি আর ফুচকা বেচে গাড়ি'য়ালা কুকার।
ফলফুল মুড়ি বেচে, বেচে বিড়ি সিগারেট,
তাদের নামেই আছে এক বড় হকার মার্কেট।

মাছওয়ালা মাছ বেচে, ইলিশ রুই আর কাতলা,
ঘি'য়ালা ঘি বেচে, ঘি যে বড়ই পাতলা।
মাপে কম দিয়ে কখনও খায় গণ পিটুনি,
পুলিশ মাস্তান চাঁদা না পেয়ে দেয় তারে প‌্যাঁদানি।

আগুন ঝরা রবির তলায় তারে দেখা যায়,
গরম পীচে খালি পায়ে সে হাটে দুপুর বেলায়।

মাথার ঘাম পায়ে ফেলে রুজি রোজগার করে,
কষ্ট করে ঘুরে ঘুরে দিনটি যাপন করে।
এত কষ্ট করার পরও খেতে পায় না ভাত,
একটু খানি ওসুখ হলেই শরীর তাহার কাত।

তারপরও তার কেটে যায় দিনের পর দিন,
ভবিষ্যত আঁধার তার, আশার আলো ক্ষীণ।
এসো ভাই, আমরা সবাই তারে ভালবাসি,
সোনার বাংলা গড়বো মোরা আমরা বাংলাদেশী।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28742012 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28742012 2007-11-02 14:20:03
বিটকিইল্লা শব্দের পোস্টমর্টেম (ক্লোজআপহাসি) ব্লগীয় নারীগণের প্রবেশ না করাই উত্তম!



আইসেন.... আমরা কিছু ইংরেজি বাতচিত করি!
.
.
.
আচ্ছা.... যদি TO= 'টু' হয়
............. এবং DO= 'ডু' হয়
তাহলে.... GO = কি হওয়া উচিত ???

আর যদি GO = সেটাই হয় তাহলে SO = কি হবে???

এই বার তাইলে একটা ট্রান্সলেশন জিগায়...:
"তাই তারা পারে" এইটার ইংরেজী উচ্চারণ কি হবে? (মনে মনে কইরেন!)

বি:দ্র: যারা জানে আর জানে না তারা কি এক হতে পারে?
কাজেই যারা জানেন তারা চুপ থাকবেন, আর যারা জানেন না, তারা কিছু জিগাইয়েন না! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28741543 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28741543 2007-10-31 15:02:01
একটি বিভত্স খুনের পূর্বপরিকল্পনা! (ক্লোজআপহাসি) !
কৌশিকদার আগমন ভিন্ন কারনে, তিনি সাহিত্যিক মানুষ, খুন-কারাবিতে কাজ নাই! কিন্তু সা.ইনের কি একটা বই না চটি বের করবে বইমেলায়, সেখানে একটি বিভত্স খুনের গল্প সাঁটাবে... এজন্য দরকার বাস্তব অভিজ্ঞতা!
আর আমি এখানে টেকনিক্যাল পারসন। পিচ্চিকালে তিনগোয়েন্দা পড়ছি ক্লাসের সময়, এরপর শার্লক হোমস পড়ছি, তাছাড়া ঠান্ডা মাথায় কাজ করি, ক্লিয়ার চিন্তা-ভাবনা... এজন্য। আরও কারণ আছে এখানে আমার যুক্ত হবার.. আস্তে আস্তে বলব।

কৌশিকদা খুনের শর্ত দিলেন এরকম:
১. নিঃশব্দ.... কোন আওয়াজ হবে না।
২. কেউ টের পাবে না।
৩. কোন প্রমাণ থাকবে না।

সব শুনে আমি প্রপোজ করলাম স্নাইপিং রাইফেল দিয়ে দূর থেকে তার চান্দি ফুটা করে দিব! কেউ টের পাবে না। কুশিদা বললেন সাউন্ড? বললাম সাইলেনসার লাগামু।
দুখু বলল সে কি ব্যাথা পাবে? বললাম এত আরামের মরণ.... সে টেরই পাবে না! শুইনাই দুখু বলল রিজেক্ট! নো ব্যাথা নো খুন!
বললাম উঃদা ত বডি বিল্ডার, তারে বিভত্স ভাবে খুন করার জন্য অন্তত কয়েকজন বলশালী লোক দরকার। কিন্তু এতে সমস্যা আছে, যত লোক তত সাক্ষী, তাছাড়া হাঙ্গামা হতে পারে। এইখানে কুশিদার আপত্তি। দুখু মিয়া বলল চিন্তা কর।

অনেক চিন্তা কইরা একটা প্ল্যান তৈরী করলাম। মূলা ঝুলাইতে হবে। উঃদার সামনে! ক্যামনে?: দুজনে কইল।
উঃদা ত মাইয়া ব্লগারদের লগে ইয়ে করবার চায়। সেই মূলা। তাদের মাথায় তখনও কিছু ঢুকে নাই। কইল আরও ক্লিয়ার কর।
The game'll be played by a female blogger! সে উঃদার লগে কিছুদিন কথা বলে কোন এক জায়গায় নিয়ে আসবে..... এরপর বাকি কাজ সারা যাবে। এবার নারী ব্লগার সিলেকশনের পালা..... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28738210 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28738210 2007-10-18 15:15:20
ঈদ শপিং <img src='http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif' /> এর মাঝেই অনেকে ঢাকা ছেড়েছে। অনেকে ছাড়ার পথে। বাসার ৩জনের মাঝে একজন চলে গেছে... আরেকজন আজকে যাবে, আমার পালা কাল।
মার্কেটগুলাতে প্রচুর লাইটিংস, বরাবরের মত, লোক সমাগম মোটামুটি। তবে একটা পার্থক্য চট্টগ্রামের সাথে, সেটা হচ্ছে যে চিটাগাংএ সারারাত মার্কেট খোলা থাকে, সেহরীর সময় বন্ধ হয়। ক্রেতাও থাকে প্রচুর। ঢাকাতে সেই কালচার নাই। ১১টার মাঝেই প্রায়ই বন্ধ হয়ে যায়। যেমন গতকাল রাতে বেইলি রোডে গেছিলাম, পাশের বড় ভাই শাড়ি কিনবে, লগে গেলাম, তখন সাড়ে ১০টা বাজে, কিন্তু লোকজন নাই! খাঁ খাঁ করতাছে, অবশ্য শবেকদর একটা কারণ।
চিটাগাংএর কথা মনে পড়ল। ইফতারের আগে বের হতাম, কয়েকজন মিলে, ইফতার করতাম জামানের যে কোন শাখায় বা অন্য কোন রেসটুরেন্টে, এর পর মার্কেটে ঘুরা বা আড্ডা দেয়া, মেহেদীবাগ, জি.ই.সি, লালখানবাজার, শপিং কমপ্লেক্স... ইত্যাদি। বাসায় ফিরতাম রাত ১২টা বা ১টা। জি.ই.সি তে অনেকের সাথে দেখা হত, অনেক পুরোনো বন্ধু.... হয়ত অনেক বছর দেখা নেই.... হঠাত জিইসি তে দেখা, বেশ ভালই লাগত তখন। আড্ডা দিতে দিতে টায়ার্ড হয়ে গেলে গ্রুপ করে ঘুরে আসতাম ওশেন সানমার বা সেন্ট্রাল প্লাজায়। যেয়ে স্ক্যান করতাম চোখ দিয়া !
চোখের ব্যায়াম হত।
চান রাইতের শপিং বলে একটা কথা প্রচলিত আছে চাটগায়, চাঁদ দেখার সাথে সাথে অনেকে শপিং এ বের হয়। ২৯ রমযান ত হুলস্থুল অবস্থা। কোন মার্কেটেই দাঁড়ানোর জায়গা নাই।
তিল ঠাঁয় আর নাহি রে... (বাঁচাওওও)

আর মাত্র একদিন..... ইনশাআল্লাহ, এরপর দিন থেকেই শুরু হবে আগের মত দিন, মাত্র ২দিনের জন্য.....
সবাইকে ঈদ মুবারাক।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28736676 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28736676 2007-10-10 16:29:54
গনতন্ত্র, মাথার চুল ও একটি ফ্ল্যাট।

১. সেই পিচ্চিকাল থেকেই শুনে আসছি যে মিশরের প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারাক। এখনও সেই একই ব্যাক্তি। ত কিছুটা বড় হওয়ার পর জানলাম যে ঐ দেশে নাকি গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত!। সেই গনতান্ত্রিক দেশের ১টি প্রচলিত কৌতুক নিম্নরুপ

প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারাক খুবই টিপটপ চলেন, প্রতিদিন সেভ, প্রতি সপ্তাহে চুল কাটেন। এসব কাজ বিশেষ করে চুল কাটার জন্য একজন স্বনামধন্য নাপিত ফিক্সড থাকে। প্রতি সপ্তাহে সে চুল কাটতে যায়। চুল কাটার সময় সে প্রেসিডেন্টকে প্রায়ই প্রশ্ন করে,
-"স্যার গনতন্ত্র কবে দিবেন?"
প্রশ্ন শুনে মুবারাক মিয়া চমকে ওঠে.... বলে, "হ্যাঁ, এই ত, দিয়ে দিব!"
প্রতি সপ্তাহে ঐ ব্যাটা একই প্রশ্ন করে আর মুবারাক মিয়া চমকে উঠে।
একদিন ক্ষেপে যায়... চিল্লায় ওঠে ... "ঐ ব্যাটা তোর এত বড় সাহস!! আমার নূন খাইয়া আমার বিরুদ্ধে কথা... আইজ তোর একদিন কি আমার একদিন!" নাপিত মিয়া দেখল 'ফি কুল্লি খালাছ'- সব শেষ..... তারাতারি বলল, "স্যার সমস্যা হইতাছে আপনার চুল খুবই কোকড়া, কাটা যায় না, তয় খেয়াল করলাম গনতন্ত্রের কথা জিগাইলে আপনার চুল খারাই যায়; তখন কাটতে সুবিধা হয়। এজন্য এই কথা জিগাই।"
নাপিতের কথা শুনে প্রেসিডেন্টের চুল আস্তে আস্তে নেতিয়ে পরে।

২. আমাদের এক স্যার মিশরের আল-আজহার ইউনি থেকে ডিগ্রি নিয়ে আসছেন। ত আজহারে প্রথম যেয়ে হলে সিট না পেয়ে তারই এক বন্ধুর সাথে শেয়ার করেন। একদিন সন্ধ্যার সময় তারা দুজনই বাহির হন। ত তার বন্ধু তাকে একপাশে রেখে ফোন বুথে যান ফোন করতে। এই সময় এক মিশরীয় এসে স্যারকে জিগাইল, "স্যার ফ্ল্যাট লাগবে? কমদামে ভাল ফ্ল্যাট?" স্যার ভাবল যেহেতু হলে সিট নাই তাই আপাতত ফ্ল্যাটে থাকলে খারাপ না! বললেন, "হ্যাঁ লাগবে, কমদামে ভালো ফ্ল্যাট।" মিশরী খুশি বলে, "স্যার দরদাম করে ফেলেন, দেখে ভালো লাগলে নিবেন, না হলে নিবেন না!" স্যারও আশ্বস্ত। দরদাম শুরু করে। এমন সময় হটাত তার কলার ধরে কে যে হ্যাঁচকা টান মারল। স্যার হতভম্ব। দেখে ঐ ব্যাটা নাই, পিছে তাকাই দেখে তার বন্ধু তারে টান দিয়া সরাই ফেলছে। বন্ধু জিগাই, "আয়হায়, কি করলি এসব? কিছু জানস না?"
বলে, "না!" -- "আরে ফ্ল্যাট মানে কি জানস? 'চামরা'!"
স্যার ত পুরা োক োদ! "মানে?"
আরে মানে হইতাছে গিয়া Pros... এর ব্যবসা। কোড নেইম 'ফ্ল্যাট'... তুই ত পুরা গেছিলি!(বাঁচাওওও)
স্যার কিছুক্ষন হতভম্ব হয়ে থাকে!






]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28735076 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28735076 2007-10-02 15:44:20
আমাদের কালের নগর শিশুরা! ত সেই পিচ্চির মার্কেটিং কঠিন.... "এই যে রমজানে ক্লান্ত হওয়া ভাইসব.... এইটা এমন ব্রাশ.... চায়নায় তৈরী.... ৩টা কাজ করতে পারবেন, দাঁত মাজা, জিহ্বা পরিষ্কার, এবং ব্রাশের রাবার দিয়ে কলমের লেখা মুছতে পারবেন।.... এটা দিয়ে এভাবে মাজা যায়... এভাবে বাঁকানো যায় (সব প্র্যাকটিকালি দেখাচ্ছে).... শুধু আপনাদের জন্য স্পেশাল রেট ১০ টাকা, ১০ টাকা.... কেউ নিবেন...???"
আশে পাশে তাকিয়ে দেখলাম যাত্রিদের মোটামুটি সবাই অফিস ফেরত..... সবাই মজা পাচ্ছে.... অনেকে চিন্তায় পরে গেছে কিনবে কি কিনবে না, রিতীমত বায়াস্ড! অবশেষে সকলের "শিক্ষিত ও সচেতন(!)" মন মানসিকতা বাঁধা হয়ে দাড়াল ঐ পিচ্চির কাছ থেকে ব্রাশ কিনতে। অনেকে তাকে নিয়ে আলোচনা শুরু করল। মার্কেটিং ভাল.... এই বয়সে সব গড় গড় করে মুখস্ত বলে গেল, সে বাড়তি ডেইলি ২০০ টাকা ইনকাম করে ..... ইত্যাদি ইত্যাদি।

আমাদের শিশুদের কথা ভাবছিলাম..... ৭/৮ বছর বয়সে তারা পথে নামে শুধু পেটের তাগিদে, অপুন্টিতে ভুগে, শিক্ষার বালাই নেই, এদের সংখ্যা অসংখ্য। জন্মে লাখে লাখে.... মরে হাজারে হাজারে.... টিকে থাকে তেলাপোকা হয়ে..... আর আমরা বগলবাজি করি.... আমাদের সরকার দুর্নীতিবাজদের আটকায়...দাতারা পিঠ চপকায়.... আমরা দাঁত কেলায় হাসি আর বলি এই শিশুরাই আমাদের ভবিষ্যত!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28734415 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28734415 2007-09-29 15:52:03
চোখের বদলে চোখ.... দুনিয়কে অন্ধ করে দিবে! কমেন্ট করার সময় কয়েকজন ব্লগারের সাথে ভালো একটা রিলেশন তৈরী হয়। যেটা আজও ওটুট আছে। পোস্ট দেয়ার পর থেকেই সে সম্পর্ক আরও অনেকের সাথে আরও বাড়তে থাকে।
কমেন্টগুলাতে খোঁচাখুচি ভরপুর থাকত, একে খুঁচাতাম, ওকে বাঁশ দিতাম..... মনে হয় সবাই এনজয় করত। মনে হয় বেশি বাঁশাইছি উদাসীকে... তাছাড়া প্রচেত্য, মানুষ, জোনাকি, জ্বীনের বাদশা, নাদান, ..... এরকম আরও অনেকের সাথে খূঁচাখুচি হয়ছে...মজা পেয়েছি.... তারাও মনে হয় পেয়েছে।

আজ কিছু পোস্ট করবো এজন্য ব্লগে এসেছিলাম.... হাতে সময়ও ছিল... কিন্তু এ কি দেখলাম! ব্লগ না ফ্রন্ট? ফ্রন্টে তাও কিছু নীতি থাকে... কিন্তু এখানে সব নীতির বিসর্জন দিয়ে চলছে 'হ্যারসমেন্ট'!!! নাবালক থেকে সাবালক, নারী-পুরুষ... কেউ বাদ যাচ্ছে না। একজন হ্যারাস করছে..... আবার পক্ষে দল বানাচ্ছে, ব্লগের বিশাল অংশ বিরোধিতা করছে, আবার এই বিরোধিতার মাঝ থেকে আরেক গ্রুপ তৈরী হয়ে হ্যারাসকারীদের পুনঃ হ্যারাস করছে! মানে চোখের বদলা চোখ। সবাই সবার মতের পক্ষে টাইট হয়ে বসে আছে। ক্ষমা চাওয়ার মানসিকতা কারও মাঝে নেই। অথচ সবাই যদি একটু একটু করে ছাড় দিত তাহলে হয়ত ব্লগিংটা আরও আনন্দময় হয়ে উঠত।

নতুন ব্লগার, ছোট্ট ত্রিলোরা আপু আমাদের সবার মুখে বিশাল একটা চড় মেরে গেছে ..... আমরা অতি জ্ঞানী ব্লগাররা যারা লেখার তুবরি ছুটায় প্রতিদিন, বুঝতেও পারি নি......
সে সবাইকে ক্ষমা করে ক্ষমা শিখিয়ে গিয়েছে..... মাথা ভর্তি জ্ঞানের বোঝা নিয়ে আমরা কেউ সেটা শিখতে পারি নি.... এখনও!!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28734186 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28734186 2007-09-28 15:23:34
ইরানি ভাইজান আমারে হাত বাইন্ধা ফেলছে....<img src='http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_26.gif' />

অথচ আজকা আমাগো ইরানি ভাইয়ের ব্লগে কিছু সুন্দর ফটুক দেইখা কিছু লেখতে যাইয়া দেখি....(আম্মাআআ)
আমার হাত বান্ধা। আমি কিছু লিখতে পারতাছি না !

ইরানি ভাইরে জিজ্ঞাসা: আমনারে আমি কি করছিলাম???
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28733511 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28733511 2007-09-25 17:25:42
আমরা সভ্য হয়ে উঠছি কি?
সবচেয়ে বড় আজব হচ্ছে মানুষের মন। প্র্যাকটিকেলি এটা নাই কিন্তু কনসেপচুয়ালি এর উপস্থিতি রয়েছে বলে আমরা মনে করি। অত্যন্ত সেনসিটিভ এই জিনিসটারে কেউ আগলায় রাখে আর সেই আগলিয়ে রাখা জিনিসটাকে অনেকে আক্রমন করে, খোচায়..... এ নিয়ে শুরু হয় দ্বন্দ সংঘাত, রেশারেশি... প্রতি আক্রমন.... জ্বালাও-পোড়াও... ইত্যাদি।

২. আমরা সভ্য হওয়ার চর্চা করছি। কি রকম সভ্য হওয়ার? আমরা কারও মনকে আঘাত করবো না.. অনুভুতিকে আক্রমন করব না। নিজের চিন্তা-চেতনা অন্যের উপর চাপিয়ে দিব না....
.... ...... ইত্যাদি ইত্যাদি..... .....। কিন্তু চর্চা কতদূর করছি? বলছি আমরা আরও বেশী সভ্য হচ্ছি, আরও বেশী মানবতাবাদী হচ্চি কিন্তু একবারও আত্মসমালোচনা করে দেখার প্রয়াস পায়নি... আদৌ আমাদের এই বলা আর করা এক কিনা? এই কথা আমরা বেশী করে বলি যখন কেউ আমার উপর আক্রমন চালায়.... অনুভুতিকে আঘাত করে...আর আমি যখন সেই একই কাজ করি তখন বেমালুম ভুলে যাই..... ইচ্ছা করেই ভুলে যাই.... ভুলে গিয়ে অন্যকে আঘাত করি, যেটা সবসময় আমরা তাকে করতে মানা করি... এরপর সে যখন আমার কথা আমারে শুনায় তখন তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি, সান্তনা প্রদান করি। ....... এরপর আত্মতৃপ্তির সাথে অনুভুতির প্রকাশ ঘটায় এই বলে যে আমরা সভ্য হয়ে গিয়েছি... ইচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে 'সভ্যতার' দাবীদার আজ আমরা!!

৩. যখন সবক দিই তখন মনে থাকে না যে আমিও একই ভুল করতে পারি.... উগ্রবাদের বিরোধীতা করি সবসময় কিন্তু নিজেই উগ্রবাদী আচরণ করি। পরে কেউ চোখে আঙুল দিয়ে দেখালে ক্ষমা ভিক্ষা করি... আবারও করি.... আবারও ক্ষমা চাই... বিচিত্র এক খেলার নেশায় পরে যাই... শুধু আমার সাথে কেউ খেলতে আসলেই বিপদ! তখন সে অসভ্য, বর্বর, মানবতা বিরোধী, প্রগতির অন্তরায়, সুচিন্তা হরণকারী... ইত্যাদি... হা হা হা সত্যি সেলুকাস, বড্ড বিচিত্র এই আমরা!

৪. অনেকেই আমাকে ধৈর্য ধরতে উপদেশ দেয়, আমার মন ভেঙে টুকরা টুকরা করে ফেলে, হৃদয়ের সূক্ষ অনুভুতিকে খুঁচিয়ে রক্তাক্ত করে আর আমি যদি রেগে যায়, ক্ষোভ প্রকাশ করি তাহলে বিপদ! আমাকে ধৈর্য্য ধরে মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকতে হবে। ধৈর্য্য ধরতে হবে। কারন মুখ খুললেই আমি সভ্য সমাজে বসবাসের অনুপযুক্ত হয়ে যাব। তারা ফতোয়া জারি করবে, আমি চরমপন্থি.... বিপথগামী।

৫. প্রমাণ ছাড়া যখন ইরাক আর আফগানে লাখো মানুষ হত্যা করা হয় তখনও আমি নিশ্চুপ... বিরোধিতা করলে যে আক্রান্ত হব। ফিলিস্তিনে তাদের জায়গা দখল করে তাদের শিশুদের হত্যা করা হয়... আমরা ধৈর্য্য ধরে বসে থাকি। বসনিয়ায় ৬-৬০ বছরের নারী ধর্ষিত হয়...আমরা না জানার ভান করি। ফিলিপাইন, থাইল্যান্ডে গনহত্যা চলে ... আমরা চোখ বন্ধ রাখি। সর্বোপরি যখন আমার সবচেয়ে প্রিয় মানুসটাকে, যাকে প্রানের চেয়েও বেশী ভালোবাসি, শ্রদ্ধা করি, যাকে সবসময় হৃদয়ে স্থান দিয়ে রাখি, তাঁকে বিদ্রুপ করা হয়... সূক্ষভাবে/স্থূলভাবে... ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়... তখনও আমাকে চুপ থাকতে হবে.... সভ্য হবার জন্য.... সভ্যতা শেখার জন্য,
অন্তরেও ঘৃণা রাখা যাবে না.... কারণ ঘৃণা রাখলেও 'আধুনিক পাপ' হবে। মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকতে হবে। কারন আমরা মুখে কুলুপ এঁটে রাখলে নাকি গনতন্ত্র বিকশিত হবে।

"দেশ কাল আর শান্তির কথা ভেবে রয়েচি আমরা নিরব,
যখন নিরবতা ওরা দুর্বলতা ভাবে তখন রক্ত করে টগবগ।"

আমাদের রক্ত টগবগ করতে করতে একসময় ঠান্ডা হয়ে যাবে, তারপরও শান্তির কথা ভেবে হয়ত নিশ্চুপ থাকতে হবে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28731954 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28731954 2007-09-18 11:35:01
নমেনক্ল্যাচার অব স্কুল টিচারস!!! <img src='http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif' />


নিক কারণ

১. বোতল 'বোতল' খেতেন
২. বয়াম বয়ামের মত দেখতে
৩. কালা-পানি
৪. দাদু
৫. নানা
৬. বাংলা বাংলা খেতেন
৭. PHO সঠিক উচ্চারণ লেখা সম্ভব না
তবে মোটামোটি হচ্ছে 'প‌্যোঁওও'
৮. BBC নামের সংক্ষিপ্ত রুপ
৯. কাশু/জোহরা (স্যার)

এবার ম্যাডামদের নিক

১. ব্ল্যাক নিনজা সবসময় কালো হিজাব পড়তেন
২. লেবু নামের বিকৃত রুপ
৩. সেক্সি শাহ ???


আরও অনেক আছে... এই মুহুর্তে মনে আসছে না। তবে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলের ঐ সময়টা এবং এই শিক্ষকদের এখন অনেক মিস করি।




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28731757 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28731757 2007-09-17 12:18:20
আমার লাশ পরে থাকবে কবরে.. নগ্ন হয়ে! বললাম এগুলো এলাকারই কিছু চোরের কাজকারবার, বাহিরের লোকের এত সাহস নেই পাড়ায় ঢুকে চুরি করবে। ওদিকে বাড়ির সিটি কর্পোরেশন টেক্স নিয়ে আছে ঝামেলা, বাড়তি ট্যাক্স বসিয়ে রেখেছে কর্মচারীরা, অফিসে যেয়ে তাদের সাথে কথা বলে ঠিক করতে হবে।

পরদিন সকালে বের হলাম, উদ্দেশ্য সাগরিকা রাজস্ব সার্কেল। পথে দেখা হল পাড়াত এক নানার সাথে। বিভিন্ন কথা শেষে বলল, "তোঁরার ভাড়া ঘরত চুওরি হইয়েদে ইভা শুনিলাম। ইভা ত ফানলার মাইট্টাইল্লা পাড়ার কালা মাসুইদ্দার কাম। কমিশনার বাড়িত চুরি খরিয়েনে দরা খাইয়ে। এন ফিটা দিইয়ে... শিক্ষা ন হওর।" (বঙ্গানুবাদ: তোমাদের ভাড়া ঘরে চুরি হয়েছে শুনলাম। এটা ত মনে হয় মাইট্টাইল্লা পারার কালা মাসুদের কাজ। কমিশনার বাড়িতে চুরি করে ধরা খেয়েছিল, এমন পিটা খাইছে... তারপরও শিক্ষা হয় নায়!)

মাইট্টাইল্লা পারার নাম শুনেই বুঝে গেলাম ধরার আর উপায় নেই। ঐ পারার প্রায় ছেলেই ডাইলখোর (ফেন্সি খায়) ও ব্যবসায়ি। এমন কোন কাজ নেই যে তারা করে না।
রিক্সা নিয়ে চললাম ট্যাক্স অফিসে। দেখা করলাম নির্দিষ্ট লোকের সাথে। বিভিন্নভাবে বুঝানোর চেষ্টা করল আমাকে যে তাদের হিসাব ঠিক। পরে চলে আসার সময় আস্তে করে বলল তাকে যদি কিছু দিই তাহলে সব ঠিক হয়ে যাবে। আসল ঘটনা এখানেই! খাওয়ার ধান্ধা!
....
....

রিক্সা করে ফেরার সময় চিন্তা করছি, যখন ঘুমিয়ে থাকি তখন অগোচরে কিছু লোক আমাদের অনেক কিছু চুরি করে নিয়ে যায়... টের পাইনা। জেগে থাকা অবস্থায় চোখের সামনে দিয়ে কেউ কেউ নিয়ে যায়... কিছু বলতে পারি না। যখন মারা যাবো, দেখা যাবে তখন কবর খুঁড়ে কেউ কেউ আমাদের কাফনের কাপড় নিয়ে যাবে... আমার লাশ পরে থাকবে কবরে.. নগ্ন হয়ে!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28731327 http://www.somewhereinblog.net/blog/onnorokomblog/28731327 2007-09-15 13:13:48
শব্দের পোস্ট মর্টেম <img src='http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif' />


আমাদের অতি প্রিয় ব্লগার সাইমুম ভাই শব্দ নিয়ে অনেক খেলা দেখাইতেছেন। এটা ভাল প্র্যাকটিস... এতে আমাদের জ্ঞানবৃদ্ধি ঘটতাছে। তয় আমিও কিছু বিশেষ শব্দ গবেষনা কইরা অনেক অর্থ পাইলাম। নিম্নে ফল প্রকাশ করা হইল।


'মাল' শব্দ দিয়া বাংলায় অনেক অর্থ হয়। অনেকে এটাকে বিভিন্ন বাক