একটি হত্যা মামলার বাদির কাছ থেকে ১ হাজার টাকা ঘুস নিয়ে ফেরত দিতে বাধ্য হয়েছে সাতক্ষীরা সদর থানার এসআই নাজমুল হোসেন। ঘুষের টাকা ফেরত দেয়ার বিষয়টি ওপেন সিক্রেট হলেও ওই এসআইয়ের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। ফলে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
গ্রামবাসিরা জানায়, গত শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তলুইগাছা গ্রামে বিরোধপূর্ন জমির ধান কাটাকে কেন্দ্র করে লাঠিয়ালদের হামলায় ওই গ্রামের আয়ুব আলীর মেয়ে সাজিদা খাতুন নিহত হয়। এ ঘটনায় নিহতের মা ফিরোজা খাতুন বাদি হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলার তদন্তভার পান সদর থানার এসআই নাজমুল হোসেন। পরদিন রোববার যান বিকেল ৪টার দিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাতক্ষীরা সদর থানার এসআই নাজমুল ঘটনাস্থল তলুইগাছা গ্রামে। এ সময় মামলার বাদির কাছে তদন্ত ও আসামি গ্রেফতার করার জন্য এসআই নাজমুল ৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। বাদি ফিরোজা খাতুন ধার দেনা করে ১ হাজার টাকা জোগাড় করে তুলে দেন এসআই নাজমুলের হাতে। কম টাকা হাতে পাওয়ায় তিনি রাগে ঘুসের ১ হাজার টাকা বাদির গায়ে ছুড়ে মারেন। বাদির কাছ থেকে আরও ১ হাজার টাকা আশ্বাস পেয়ে ১ হাজার টাকা নিয়ে এসআই নাজমুল ফিরে আসেন। রোববার সন্ধ্যায় বিষয়টি বাদি সদর থানার ওসি আব্দুল কাদের বেগকে জানান। ওসি আব্দুল কাদের এসআই নাজমুলকে তার অফিস কক্ষে ডেকে তাকে কড়া বাদির ১ হাজার টাকা ফেরত দিতে বাধ্য করেন। মামলার বাদি ফিরোজা সাংবাদিকদের ১ হাজার টাকা ফেরতের কথা নিশ্চিত করেছেন। অভিযুক্ত এসআই নাজমুল ঘুস নেয়ার কথা স্বীকার করে বলেন খরচ বাবদ ৫ হাজার নয় ১ হাজার টাকা নিয়েছিলাম। ওসি সাহেবের নির্দেশে তিনি বাদিকে ১ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল কাদের বেগ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



