আমার প্রিয় পোস্ট

মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হয়েও যুদ্ধাপরাধী! (আওয়ামী বিরোধীতার ফল?)

০১ লা এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:০৯

শেয়ারঃ
0 1 0


মোশারেফ হোসেন শাজাহান গত জোট সরকারের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে গোটা ভোলা মহকুমার (বর্তমানে জেলা) তিনিই ছিলেন প্রধান সংগঠক। মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন তিনি। তাদের নিয়ে মহকুমায় কর্মরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এ দেশীয় সদস্যদের সংঘবদ্ধ করে তিনিই ভোলায় মুক্তিবাহিনী গঠন করেন এবং নেতৃত্ব দেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে নিজে লড়াই করেছেন। শিল্পপতি বাবার সন্তান হিসেবে হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধার খরচ জুগিয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্রের ব্যবস্থাও তিনিই করেন। তিনি ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। পরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। বিগত জোট সরকারের তিনি ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। শুধু এই একটি কারণেই তিনি নাকি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক থেকে যুদ্ধাপরাধী হয়ে গেছেন। যুদ্ধাপরাধী হিসেবে মোশারেফ হোসেন শাজাহানকে এখন মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা, ধর্ষণ, মানুষের অর্থ-সম্পদ লুটপাট, আগুন দিয়ে মানুষের ঘরবাড়ি পোড়ানো ও সাধারণ মানুষকে জোর করে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেয়ার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিচার করা হবে। মুক্তিযুদ্ধের একজন অন্যতম সংগঠক হয়েও এখন যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় কোনো ধরনের আক্ষেপ নেই বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারেফ হোসেন শাজাহানের। তিনি বলেন, বিচিত্র এ দেশ। এখানে সবকিছুই সম্ভব। একজন মুক্তিযোদ্ধা আওয়ামী লীগের রাজনীতির বিরোধী হলে তিনি কোনো প্রশ্ন ছাড়াই রাজাকার কিংবা যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত হন। আবার একজন রাজাকার আওয়ামী লীগের রাজনীতি সমর্থন করলে তিনি মুহূর্তের মধ্যে শুধু মুক্তিযোদ্ধাই নন, আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যও হতে পারেন। তবে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক মোশারেফ হোসেন শাজাহানকে যুদ্ধাপরাধীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করায় বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন ভোলার সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন সংগঠনের নেতা ও সর্বস্তরের মানুষ সরকারের ঘোষিত যুদ্ধাপরাধীদের তালিকায় তার নাম দেখে রীতিমতো হতবাক। বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে তারা এর তীব্র প্রতিবাদ করেছেন। ভোলার বিভিন্ন পেশার ২২টি সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশ থেকে এর প্রতিবাদ করে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপিও দেয়া হয়।
ভোলা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক দোস্ত মাহমুদ বলেন, মোশারেফ হোসেন শাজাহান ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের ভোলা জেলার সংগঠক ছিলেন। জেলা মুক্তিযুদ্ধ সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি ছিলেন শামসুদ্দিন আহমদ মিয়া আর সেক্রেটারি ছিলেন মোশারেফ হোসেন শাজাহান। মূলত শাহজাহানই ওই সময় আমাদের মতো তরুণদের মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছেন। গ্রামে গ্রামে ঘুরে তিনি মুক্তিযোদ্ধা সংগ্রহ করতেন। প্রথম কয়েক মাস ধরে পাকিস্তান আর্মি ভোলায় আসতে পারেনি। পরে ভোলায় এসে প্রথমেই তার বাড়ি আক্রমণ করে। তিনি তখন তার অসুস্থ বাবা ও সন্তানসম্ভবা স্ত্রীকে নিয়ে বিভিন্ন গ্রামে পালিয়ে বেড়ান। তিনি যে গ্রামেই যেতেন সে গ্রামেই হামলা চালাত আর্মিরা। পুরো যুদ্ধের সময় তিনিই অর্থ, খাবার ও যুদ্ধের দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করেন। তার মতো একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা গোটা মুক্তিযুদ্ধেরই অবমাননা ছাড়া আর কিছু নয়। এটা বড়ই দুঃখজনক।
ভোলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্য সচিব ও সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম ভোলা শাখার সদস্য সচিব খায়রুল আলম বুলু বলেন, ১৯৬৯ সালে গণআন্দোলনের সময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা সরকারের মামলায় অভিযুক্ত হয়ে পড়লে তিনিই তাদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছিলেন। তার নেতৃত্বেই ’৬৯-এর গণআন্দোলন ভোলায় জোরদার হয়ে ওঠে। তিনি ’৬৫ ও ’৭০-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। রাজনৈতিক ভিন্নতা থাকায় তিনি এখন যুদ্ধাপরাধী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন। এটি সত্যিই বেদনাদায়ক।
মুক্তিযুদ্ধের সাবেক জেলা কমান্ডার সহিদুল হক চন্দন বলেন, যে মানুষটি অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন, সেই সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন; তাকে আজ যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ মাথায় নিয়ে ঘুরতে হচ্ছে। এর চেয়ে দুঃখজনক আর কিছুই হতে পারে না। সরকারের এ তালিকা প্রকাশে মুক্তিযোদ্ধারাই অপমানিত হয়েছেন। সরকারের এ উদ্যোগকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। ভোলা সদর থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার অহিদুর রহমান বলেন, যুদ্ধের সময় আমি মোশারেফ হোসেনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা নিয়ে তা আমাদের কমান্ডার সিদ্দিকুর রহমানের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। সেই টাকা দিয়ে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের খাবারসহ বিভিন্ন সামগ্রী কিনেছেন। মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন বলেন, মোশারেফ হোসেন শাজাহানের সংগ্রহ করা কাপড়ের জুতা ও বিশেষ পোশাক পরে আমরা ট্রেনিং নিতাম। তিনিই আমাদের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য অনুপ্রাণিত করেছেন। কিন্তু এখন দেখি তারই নাকি বিচার হবে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে। এর চেয়ে বড় অবাক করা বিষয় আর কিছুই হতে পারে না। ভোলার বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম, হাবিলদার (অব.) বশির আহমদ ও রবিউল বলেন, সরকারের এ উদ্যোগ মূলত দেশে একটি বিভেদ ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি করবে। বিএনপি নেতা ও সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোশারেফ হোসেন শাজাহানের মতো মুক্তিযুদ্ধের সংগঠককে শুধু আওয়ামী লীগের রাজনীতির পরিবর্তে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার অপরাধেই যুদ্ধাপরাধী হতে হয়েছে। একইভাবে জামায়াতে ইসলামীসহ আওয়ামী লীগ বিরোধী রাজনীতিকদের একইভাবে সরকার যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এনে বিচার করতে যাচ্ছে।

Click This Link

 

সর্বশেষ এডিট : ০১ লা এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:১৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০১ লা এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:১৯
শারিফ বলেছেন: ভাই আমার এই সোনার বাংলাদেশ এর ভবিষ্যত কি বলতে পারেন
২. ০১ লা এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:২২
শ্রীমান বলেছেন: কারে কাইতে আছেন মিয়া বাই....আসল রাজাকার বিচরাইয়া বাইর করেন...সব ঠান্ডা অইয়া যাইব...রাজাকার কুত্তার বাচ্চারা যদ্দিন বাংলার বুকে আছে তৎদিন এরাম অইবই...

ধিক তব মা'তোর ঐ কু-সন্তানদের,
বাংলার জমিন তারা ছেড়ে যাক
নিপাত যাক সব কু-লাঙ্গার, ব্যভিচারির দল
বুকভরে শান্তির সু-বাতাস নিব, করবো নাকো দৃকপাত।।

০১ লা এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:১২

লেখক বলেছেন: আসল যুদ্ধাপরাধীর বিচার হোক... সেটা যেন কোন রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহৃত না হয়।

৩. ০১ লা এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:২৪
অচেনাসময় বলেছেন: মোশারেফ হোসেন শাজাহানের ব্যাপারটা দেখা যেতে পারে

কিন্তু জামাতীদের বয়াপারে কোন সন্দহই থাকা উচিত হবে না

জামাতে সবাই রাজাকার,আলবদর আর তাদের সাপোর্টকারীরাও সবাই ভন্ড।
০১ লা এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:১২

লেখক বলেছেন: আসল যুদ্ধাপরাধীর বিচার হোক... সেটা যেন কোন রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহৃত না হয়।

৪. ০১ লা এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:২৮
সেতূ বলেছেন:
একি শুনাইলেন ...
যারা আওয়ামি লীগ পতকা তলে থাকে না তারা সকলে যুদ্ধাপরাধী!
:( :( :( :( :( X( X( X( X( X( X(
৫. ০১ লা এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৪৩
উষা বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সব সময়ই চাই। বুকে হাত দিয়ে বলেন, আসল যুদ্ধাপরাধীদের খুঁজে বের করে তাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে শাস্তি দিবে আমাদের দেশের সরকার এটা ভাবতে অবাক লাগে। আমাদের দেশের রাজনৈতিক নেতাদের যে চরিত্র, যারা একটি “রিলিফের টিন” গরীবের হক মেরে নিজের পকেটে ভরে তাদের দিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে এটা আষাঢ়ের গল্পের মতো মনে হচ্ছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে সময় নষ্ট না করে সরকারের উচিৎ বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি এবং অন্যান্য জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে রাত-দিন পরিশ্রম করা। একটা দিন সময় নষ্ট না করে, দেশের অসহায় মানুষগুলোর ভাগ্যের উন্নয়নের জন্য কাজ করা।
০১ লা এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:১৩

লেখক বলেছেন: আসল যুদ্ধাপরাধীর বিচার হোক... সেটা যেন কোন রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহৃত না হয়।

৭. ০১ লা এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৫৯
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: ব্যাপার না লীগ বিরোধী সবাই রাজাকার
৮. ০১ লা এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:১৪
ইরফান আহেমদ বলেছেন: ইসলাম আর মুসলমানদের বিরোধীতা করলেই মুক্তিযোদ্ধা হওয়া যায়। আর তার পক্ষে থাকলে রাজাকার। এটা খুব সহজ সমীকরন।
১০. ০১ লা এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:০০
মু. নূরনবী বলেছেন: হ...ঠিকই তো।
আওয়ামীলীগ ছাড়া সবাই রাজাকার......সহজ সমীকরণ।

হাসিনার বেয়াই কিন্তু রাজাকার না।... :P =p~ =p~
১১. ০১ লা এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৩৩
জলকমল বলেছেন: দুঃখ নিয়েন না এদেশে এখন রাজাকারের সংখ্যাই বেশী.....
১২. ০১ লা এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৪১
নন্দনপুরী বলেছেন: ইসলাম আর মুসলমানদের বাচাতে ভন্ড জামাত শিবিরের মুখোস খুলে দেওয়া উচিৎ...

মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার হবেই হবে ইনসাল্লাহ...



মোশারেফ হোসেন শাজাহান গত জোট সরকারের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে গোটা ভোলা মহকুমার (বর্তমানে জেলা) তিনিই ছিলেন প্রধান সংগঠক। রাজাকারের তালিকা করে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন তিনি। তাদের নিয়ে মহকুমায় কর্মরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এ দেশীয় কিছু সদস্যদের সংঘবদ্ধ করে তিনিই ভোলায় রাজাকার বাহিনী গঠন করেন এবং নেতৃত্ব দেন।
০৩ রা এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:৩৪

লেখক বলেছেন: দাদা তথ্যসুত্র দেন...

লীগ বিরোধী হইলেই কি রাজাকার ?


রাজাকার বেয়াই এর ব্যপারে আপনার কি মতামত ?

১৩. ০১ লা এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:০০
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: "বিচিত্র এ দেশ। এখানে সবকিছুই সম্ভব। একজন মুক্তিযোদ্ধা আওয়ামী লীগের রাজনীতির বিরোধী হলে তিনি কোনো প্রশ্ন ছাড়াই রাজাকার কিংবা যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত হন। আবার একজন রাজাকার আওয়ামী লীগের রাজনীতি সমর্থন করলে তিনি মুহূর্তের মধ্যে শুধু মুক্তিযোদ্ধাই নন, আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যও হতে পারেন।"
এটাই আসল কথা।
১৪. ০১ লা এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:২৭
সুধাসদন বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীর বিচার আওয়ামী লীগ করবে না। তারা করবে প্রতিহিংসার বাস্তবায়ন।
১৫. ০১ লা এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪৪
জাতি জানতে চায় বলেছেন: মোশারেফ শাহজাহানকে কয়েক বছর আগেও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে এলাকায় সংবর্ধনা দেয়া হয়েছিলো, তখন সেখানকার কেউই এমনকি আলীগও এ ব্যাপারে সেসময় কোন প্রতিক্রিয়া দেখায় নাই! আলীগের উচিত তাদের তথ্য ও তথ্যের উৎস প্রকাশ করা উচিত, না হলে ফ্যাসিস্ট আলীগের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে পাবলিকের যে সন্দেহ, সেটা বিশ্বাসে পরিনত হবে! এই লিঙ্কে কিছু হাম্বালীগারের মন্তব্য দেখতে পারেন!
১৬. ০৩ রা এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:১১
অবাঞ্চিত বলেছেন: একি শুনাইলেন ...
যারা আওয়ামি লীগ পতকা তলে থাকে না তারা সকলে যুদ্ধাপরাধী!

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫৩৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
অন্তরে অসাড় বাঁশি
বাহিরে সরল
পিবয়ে অধর সুধা
উগরে গরল
যে ঝাড়ের তরল বাঁশি
তারে যদি পাও
ডালে মূলে উপড়িয়া...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই