আমার প্রিয় পোস্ট
- Search Engine Optimization – এ হাতেখড়ি (পর্ব ১) - হাসান
- শাবানা আজমির দুঃখ - আলফাজ আনাম - আহসান মোহাম্মদ ক
- উড়ে যায় পাখি,ফেলে যায় পালক তার, একটা সাদা এবং একটা কালো - সুলতানা শিরীন সাজি
- অনলাইনে টাকা কামানো সর্ম্পকিত ব্লগ - হাসান
- সামহোয়্যারের ব্লগার ও পোস্ট - কত প্রকার ও কি কি (সবিস্তারে বর্ননা - অবশ্যই দেখুন)
- নাফিস ইফতেখার
- সৌখিন আলোকচিত্রীদের জন্য সুখবর। - অরণ্য আনাম
- বাবা আলাউদ্দীন - ইমন জুবায়ের
- ভেবে দেখুনতো ইন্টানেটে নিজের ছবি দেয়াটা উচিৎ কি-না। - লুলুপাগলা
- ভালবাসাবাসি করেন
.... তয় In Ishtyle!!!!
(অনুবাদ পোস্ট) - এম্নিতেই
- পোস্টের সাথে সম্পর্কহীন আলোচনার জন্য। - বিবর্তনবাদী
- ইসরাইলের গর্বিত এক বাংলাদেশী বন্ধুকে দেখুন,চিনুন,জানুন। - চিলে কোঠার সেপাই
- আস্তিক-নাস্তিক-সংশয়ী এবং তাদের ঈশ্বর - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- পেনড্রাইভ থেকে পিসিতে ভাইরাস ঢোকবার পথটাই বন্ধ করে দিন - মোঃ রফিকুল আলম (পাভেল)
- The Jewel of Medina(Freedom of speach এবং artistic license নামে মিথ্যার বেসাতি) - আশিক হাসান
- শিউলী তোকে চিঠি - সুলতানা শিরীন সাজি
- বাংলাদেশে এক্টিভিস্ট হওয়া কি আদৌ সম্ভব (চার পর্ব একসঙ্গে) - ফাহমিদুল হক
- চির উন্নত শির(আজ আমাদের জাতীয় কবির ১০৯তম জন্মবার্ষিকী,বাংলা ১১ই জৈষ্ঠ হিসেবে আগামী কাল-ও){ছবি ব্লগ} . - অ্যামাটার
- আজ ১৯ আগষ্ট কমরেড সৈয়দ আমিরুজ্জামানের ৪৬ তম জন্মদিবস - কবি হেলাল রশিদ
- লুকোচুরি গল্প


- শিরোনামহীন
- মুঠোফোন-সফটওয়ার'জ - চিলে কোঠার সেপাই
- ১৮৯ জন ব্লগার এবং তাদের জন্মতারিখ - শাহবাজ
- আমার প্রিয় পোস্টগুলো - বিবর্তনবাদী
বিবর্তনবাদের সরল ব্যাখ্যা
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৩৮
বিবর্তনবাদ কি? সাধারণ লোকের উত্তর হবে এরকম, “বিবর্তনবাদ হচ্ছে এমন এক তত্ত্ব, যাহতে ডারউইন বলেছেন, মানুষ বানর থেকে সৃষ্টি হয়েছে বা বানরের বংশধর”। বেশির ভাগ মানুষের কাছেই ব্যাপারটা অচিন্তনীয়, কারন নিজেদের উকুন খাওয়া বানরের বংশধর হিসেবে চিন্তা করা, খুবই হাস্যকর অথবা অবাস্তব। সে দৃষ্টিতে দেখলে, আমরা বলতে পারি বীগল জাহাজে যাত্রা শুরু করার আগে যদি ডারউইনকে বলা হত, মানুষ বানরের বংশধর তবে ডারউইনের কাছেই ব্যাপারটা অবাস্তব বলে ধরা দিত। কোন দর্শনের ভিত্তিতে ডারউইন বিবর্তনবাদ প্রস্তাব করলেন? অন্য ভাবে বলতে গেলে বলতে হয়, “বিবর্তনবাদের মূল কথা কি?”
ডারউইনের বিবর্তনবাদের মূল কথা হল, “Natural selection on the basis of survival of the fittest” ন্যাচারাল সিলেকশন বলতে আমরা বুঝি “প্রাকৃতিক নির্বাচন”। অর্থ্যাৎ, পরিবেশে কোন কোন জীব প্রজাতি থাকবে, তা নির্বাচিত হয় প্রকৃতি দ্বারা। সবথেকে যোগ্যটির বেচে থাকবার ক্ষমতার ভিত্তিতে প্রকৃতি এ নির্বাচন করে। ঠিক আমরা যেমন সৎ, যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন করতে চাই, প্রকৃতিও তেমনি ভাবেই নির্বাচন করে। পার্থক্য শুধু এতটুকুই, রাষ্ট্রের নির্বাচনে সকলের টিকে থাকার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়, অন্যদিকে প্রকৃতিতে দূর্বলের টিকে থাকবার কোন অধিকার নেই।
এবার একটা সহজ উদাহরণের মাধ্যমে ব্যাপারটা তুলে ধরি। ধরুন, আমাদের এই ঢাকা শহরে মশা মারতে ড্রেনে ড্রেনে কীটনাশক দেওয়া হয়। কোন একটা রোগের ঔষুধে যেমন ঐ রোগের সব রোগী সুস্থ হয় না, তেমনে একই রোগে আক্রান্ত সব রুগীই কিন্তু মরে না, কেউ না কেউ, ঠিকই বেঁচে যায়। বেচে যায় তারাই যাদের রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থা, ঐ রোগের বিরুদ্ধে সব থেকে শক্তিশালী। অতএব, ঐ রোগের বিরুদ্ধে টিকে থাকবার জন্য তারাই সব থেকে যোগ্য। তেমনি মশার ক্ষেত্রেও সব মশাই কিন্তু মরে না। কিছু ঠিকই বেচে যায় ,কারন তারাই শুধু ঐ কীটনাশকের বিরুদ্ধে লড়বার জন্য সবথেকে যোগ্য। টিকে যাওয়া মশাগুলোর আর খাদ্যের জন্য অন্য মশাদের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে হয় না। ওরা অফুরন্ত খাদ্য পেয়ে সংখ্যায় অধিক হয়ে পরে। একসময় আমরা দেখি, ঐ কীটনশকে আর মশা মরে না। তখন, নতুন কীটনাশক দিতে হয়। পূর্বের মতই, কিছু মশা বেচে যায় যারা দুইটি কীটনাশকের বিরুদ্ধেই টিকে যেতে পারে। এভাবে, বিভিন্ন প্রাকৃতিক প্রতিকুলতার বিরুদ্ধে যারা সবথেকে যোগ্য ওরাইটিকে থাকে। নতুন নতুন বৈশিষ্ট্য গুলোর জীন মশার দেহ কোষে জড় হয় এবং এক সময় দেখা যায় মশার একটি নতুন প্রজাতীর উদ্ভব হয়েছে। নতুন প্রজাতীর এমন কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে, যা তাদের প্রতিকুল পরিবেশের সাথে টিকে থাকতে সাহায্য করে। যেমন, আমাদের সেই নতুন মশা প্রজাতী কয়েকটি নতুন কীটনাশকের বিরুদ্ধে টিকে থাকতে সক্ষম হবে। মূলত, ডারউইন এটাই প্রস্তাব করেছিলেন আর এটাই বিবর্তনের মূল কথা।
এবার মানুষ ও প্রাইমেট (সরলকথায় বানরজাতীয় প্রানী) ব্যাপারে ছোট্ট একটা কথা বলি (যদিও আরো অনেক ব্যাপার আছে)। মানুষের একেবারে নিজস্ব যে কয়েকটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে, তার মধ্যে একটা গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল ”হাত মুষ্টি বদ্ধ করা”। বানরকে খাওয়ার সময় ভাল করে লক্ষ করলে দেখবেন, ওরা মুষ্টিবদ্ধ করতে পারে না। আর হাত মুষ্ঠি বদ্ধ করা মানুষকে প্রতিকুল পরিবেশের সাথে টিকে থাকতে, বিশেষ যোগ্যতা দিয়েছে। বানরজাতীয় প্রানীদের যেগুলো প্রতিকুল পরিবেশের সাথে সব থেকে বেশি খাপ খাওয়াতে (অভিযোজন) সক্ষম হয়েছে, তারাই বিবর্তনের ধারায় পরিনত হয়েছে আজকের মানুষে।
নতুন প্রজাতীর উদ্ভবে ডারউইনের বিবর্তনবাদ কতটুকু সরল করে উপস্থাপন করতে সক্ষম হলাম জানি না। সরলতার স্বার্থে আমি গভীরে যাই নি এবং জটিল উদাহরণ টেনে আনি নাই। বিবর্তনবাদ ঠিক না বেঠিক তা নিয়ে বিতর্কে যাবার ইচ্ছা আমার নেই। আমি শুধু ডারউইনের তত্ত্বের মূলকথাটাই আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব সরল করে তুলে ধরতে চেষ্টা করলাম।
তবুও প্রশ্ন জাগতে পারে, মশার কোষে নতুন বৈশিষ্ট্যের জীনের উদ্ভব কি করে ঘটে? ঐ জীনটা কি বাইরে থেকে আসে নাকি নিজে থেকেই উদ্ভব ঘটে? একমাত্র আনবিক জীববিজ্ঞানের (Molecular biology) ছাত্র ছাড়া অন্যদের কাছে সহজভাবে এ ব্যাপার তুলে ধরা, আমার জন্য বড়ই কঠিন। তাই সে চেষ্টা আর করলাম না।
~বিবর্তনবাদী~
ডিসেম্বর ২৬, ২০০৭
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): আমার লেখালেখি, আমার লেখালেখি ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার কথা, তথ্য সংকলন বিভাগে ।
লেখক বলেছেন: হাছাই কইসেন!!!!!
নরাধম বলেছেন:
আচ্ছা যে প্রকৃতির কথা বললেন ওটা কি জিনিস? ওটা কি গড?
লেখক বলেছেন: আমার তো তাই মনে হয়!!
দাড়াও আসতেছি বলেছেন:
ভালো লিখেছেন। দশ এ দশ।
ডোরাকাটা বলেছেন:
আমার মনে হয় মশার ব্যাপারটা বিবর্তনের সাথে এক করাটা ঠিক হ'ল না। কিছু মশার immunity and adaptability ভালো হতে পারে। মনে করেন একি ফ্যামিলিতে একসাথে কয়েক জনের ভাইরাল ফিভার হ'তে পারে, আবার কারো কারো হয় না। এটা শুধুমাত্র বডি ফিটনেসের ব্যাপার।জিনেটিক ইভলুশনের সাথে লক্ষ-কোটি বছরের adaptability জড়িত।
লেখক বলেছেন: প্রিয় ডোরাকাটা,
আপনি ঠিকই বলেছেন। তবে, মশার ব্যাপারটা একটা উদাহরণ। সরলতার স্বার্থে, survival এর একটা ছোট্ট step তুলে ধরলাম, যথাসম্ভব জটিল না করে ডারইনের বিবর্তনবাদের মূল কথা তুলে ধরাই আমার উদ্দেশ্য ছিল। আর মাত্র একটা/দুইটা pesticide এর বিপরীতে adapted হলেই তো আর নতুন species হয় না। কিন্তু, এরকম লক্ষ্য কোটি বছরে নানান বৈশিষ্ট্য একত্রিত হয়েই নতুন প্রজাতী হয়।
লেখক বলেছেন: আপনার যদি এই মনে হয়, তবে তা ভুল। আমি মোটেও নাস্তিকবাদী নই। ধন্যবাদ।
আব্বু ৬৯ বলেছেন:
মন দিয়ে কুরআন আদ্যোপান্ত পড়ুন৷ বানরের সাথে মানুষের কোন সম্পর্ক নেই৷ আল্লাহ আদম (আঃ) থেকে মানুষ জন্মিয়েছেন৷ উল্টোপাল্টা লিখে ব্লগের কচি শিশু কিশোরদের বিভ্রান্ত করবেন না৷ নিজে যা বুঝেন না তা অন্যকে বোঝানোর দরকার কি৷ আবারো বলছি কুরআন পড়ুন সব সমস্যার সমাধান পাবেন৷
লেখক বলেছেন: নিজে যা বুঝেন না তা অন্যকে বোঝানোর দরকার কি৷?? এরপর আর আপনার সাথে বোঝাবুঝির কিছু নাই। তবে, এটুকু বলে রাখি, যতটুকু কোরান পড়েছি মন দিয়ে বুঝেই পড়েছি, এবং মনে হয়নি কোরনের সাথে বিবর্তনবাদের কোন দ্বন্দ আছে। যদি সময় করতে পারি তবে হয়ত পরে এ নিয়ে পোস্ট দিব।
ধন্যবাদ।
ডোরাকাটা বলেছেন:
ব্লগে তো মুন্না ছাড়া আমরা সবাই মনে হয় প্রাপ্তবয়স্ক। এই বয়সে সবারই নিজের নিজের চিন্তাধারা থাকে। কে ধার্মিক হবে আর কে নাস্তিক হবে, এটাত যার যার ব্যাক্তিগত সিদ্ধান্ত।
আব্বু ৬৯ বলেছেন:
এই হচ্ছে আপনাদের সমস্যা, সব কথায় গোজামিল দিয়ে পার পেতে চান৷ জেনে রাখুন ইসলাম বিবর্তনবাদ সমর্থন করে না৷ সুতরাং আপনি যদি বিবর্তনবাদ মেনে নিয়ে থাকেন তার মানে দাড়াচ্ছে আপনি কুরআন, এবং আল্লাহকে অস্বীকার করছেন৷ আর কুরআন না থাকলে দুনিয়ার অস্তিত্ব থাকে না৷ সাহস থাকলে প্রকাশ্য ফোরামে বলুন যে কুরআন ভুল, অথবা স্বীকার করুন আপনি নাস্তিক৷ দুই নৌকায় পা দিয়ে বিভ্রান্ত করার সুযোগ নেই৷
ডোরাকাটা বলেছেন:
আমি এক নৌকাতেই পা দিয়ে আছি। আমি নাস্তিক এবং আমি বিবর্তন বাদ সমর্থন করি। আপনি কুরান বিশ্বাস করেন সেইটা আপনার ব্যাক্তিগত ব্যাপার। এটাই একটা প্রকাশ্য ফোরাম, কোন হিডেন ফোরাম না। আপনার কথাবার্তা কিছুটা হুমকীর পর্যায়ে পড়ে।
ক্যাচাল বলেছেন:
আব্বু, উল্টা পাল্টা ৬৯ কথা বাড়তা বাদ দাও। আমি কইলাম কোরান খলিফা উসমানের সিস্টেম করা বই। কি হইছে? তুমি আমারে কি ছিড়বা?
লেখক বলেছেন: ক্যাচালের সাথে একমত নই।
মদনবাবু বলেছেন:
আসল নিক এ আসেন@ আব্বু ৬৯। ছুপাছুপি ভালো না ।
লেখক বলেছেন: আপনার একটা মন্তব্য মুছে ফেলতে হল। তার জন্য দুঃখিত।
আব্বু ৬৯ বলেছেন:
আমি আসল নিকেই আছি৷ আপনারা মেহরাব কিংবা ফারহানকে জিজ্ঞাসা করুন ওরা বুঝিয়ে দেবে বিবর্তনবাদ কেন ভুল, এটা একটা বিরাট ষড়যন্ত্রের অংশ
ডোরাকাটা বলেছেন:
আপনি আবার অন্যে রেফারেন্স দিচ্ছেন কেন, আপনি নিজেই বুঝিয়ে দিন।
ক্যাচাল বলেছেন:
মেহরাব কিংবা ফারহান কেডা?
ডোরাকাটা বলেছেন:
কি জানি, উনার উপদেস্টা মনে হয়।
মানুষ বলেছেন:
ফসিল সম্পর্কে আপনার কি মতামত @ আব্বু৬৯মশার উদাহরণ আনাটা মনে হয়না ঠিক হইল। ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ওষুধে খালি ভেজাল। মশা মরে না।
লেখক বলেছেন: ধরে নেন, কোন এক সিটি করপোরেশন যার মশার ঔষুধে ভেজাল নাই।
মদনবাবু বলেছেন:
আব্বু৬৯ ক্যামনে ফসিল চিনবো । আব্বু৬৯ ত গো আ র পেটের কৃমি থিকা বিবর্তিত লাভে এক নয়া প্রজাতির প্রতিবন্ধি প্রানী ।
নরাধম বলেছেন:
বিবর্তনবাদটা একটা থিয়রী, কোন প্রতিষ্ঠিত সায়েন্টিফিক সত্য না। এখনও প্রচুর মিসিং লিংকস আছে এই থিয়রীতে। তাই এটাকে সত্য বলাটাও ঠিক না, মিথ্যা বলাটাও ঠিক না। ডারউইন নিজেই নিশ্চিত ছিলেননা।
লেখক বলেছেন: প্রিয় নরাধম, আগে এটা বলুন, ডারউইন নিশ্চিত বা অনিশ্চিত যাই হোক না কেন, সে মূলত কি বলতে চেয়েছেন তা কি আপনি বুঝতে পেরেছেন?
মান ইয়া না মান, সেটুকু বুঝাতে পারলেই, আমার লেখা স্বার্থক। কাউকে কিছু মানতে বাধ্য করানো বা বিশ্বাস করাবার ইচ্ছা আমার আদৌ নাই।
আহরিমান বলেছেন:
@নরাধম, আপনার জানা মতে যদি আর কোন ব্যাখ্যা থেকে থাকে যা এ পর্যন্ত পাওয়া ফসিল এভিডেন্সকে ব্যাখ্যা করে, অবশ্যি আমাদেরকে জানান।
নরাধম বলেছেন:
বিবর্তনবাদী, অনেক ধন্যবাদ। আমি সায়েন্সের ছাত্র না, তাই নিজের লজিক দিয়ে বুঝা সম্ভব না। আহরিমান, অনেক ধন্যবাদ, আমি এ বিষয়ে তেমন জানিনা যেহেতু আমি সায়েন্সের ছাত্র না। তবে আমার জানামতে যত সায়েন্টিষ্ট বিবর্তনবাদের পক্ষে আছেন তার বিপক্ষে আছেন আরও বেশি সংখ্যক সায়েন্টিষ্ট। আমি ইউটিউবে দেখে ডঃ জাকির নায়েকের একটা ভিডিও পেয়েছি।
http://www.youtube.com/watch?v=gwv0Px3MRvk
তবে এটা তো স্বীকার করেন যে "পৃথিবী স্ফ্যারিকাল" সেটা যেমন সত্য বিয়ন্ড এনি ডাউট, বিবর্তনবাদ সেরকম প্রতিষ্টিত সত্য না।
আমাকে এর বেশী বলতে বললে আমি পারবনা। আমি সারা জীবন কমার্চ পড়েছি। আবারো অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পৃথিবী কি আদৌ গোলাকার?? ওটাতো আসলে কমলা লেবুর মত, তাই না? পৃথিবীতে মানুষ মরণশীল এটা ছাড়া আর কোন absolute কথা আছে কি? হয়ত, মানুষ মরণশীল এটাও absolute বাক্য নয়।
নরাধম বলেছেন:
মিসিং লিংকস নিয়ে ঊইকিপিডিয়া থেকেঃThe fossil record is an important source for scientists when tracing the evolutionary history of organisms. However, because of limitations inherent in the record, there are not fine scales of intermediate forms between related groups of species. This lack of continuous fossils in the record is a major limitation in tracing the descent of biological groups. Furthermore, there are also much larger gaps between major evolutionary lineages. These gaps are often referred to as "missing links".
লেখক বলেছেন: আসলে ব্যাপারটা দৃষ্টিভঙ্গির। বিজ্ঞানে এমন অনেক বিষয় আছে , যাতে অনেক অনেক Missing link থাকা সত্ত্বেও তা নিয়ে এমন কামড়া কামড়ি হয় না, যেটা বিবর্তনবাদ নিয়ে হয়। আমাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ গুলোতে যে সব রুপকের মাধ্যমে সৃষ্টি তত্ত্ব ব্যাখ্যা করা আছে, আমরা একটু চিন্তা ভাবনা না করেই সরাসরি সেগুলো গ্রহণ করে নেই। আমাদের মস্তিষ্কে সেগুলো এতই দৃঢ় ভাবে প্রতিষ্ঠিত যে, চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখালেও কেউ তা বিশ্বাস করতে চায় না। যেমন, যদি বলা থাকে সৃষ্টিকর্তা সব দিকে সব কিছুই দেখতে পায়। তবে কেউ যদি সৃষ্টিকর্তাকে অনেক গুলো চোখ বিশিষ্ট কোন কিছু রুপে কল্পনা করে তবে, এটাকে তার অজ্ঞানতাই বলতে হবে।
ব্যাপারটা আসলে এভাবে বলা যায়। অনেক কিম্ভুতকামার লোকের বউকে দেখা যায়, সে ব্যক্তির জন্য পাগল। মহিলার কাছে তার স্বামীর সামনে টম ক্রুজও হয়ত ফেইল। বিবর্তনবাদের ব্যাপারটাও হয়ত সেই রকম। আমি বিশেষজ্ঞ নই। তবে, যতটুকু জানি ও বুঝি তার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের মহাবিজ্ঞানীরা কেন বিবর্তনবাদ সমর্থন করে না তা বুঝতে সক্ষম হচ্ছি না।
নরাধম বলেছেন:
উইকিপিডিয়ায় দেখলাম ৪৫% এমেরিকান সায়েন্টিষ্টস Evolution without God guiding the process এ বিশ্বাস করেনা। এটা নিশ্চয় একটা সিগনিফিকেন্ট ফিগার।
নিবেদীতা বলেছেন:
বিবর্তনবাদী, অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ, তবে একটু বেশি।
লেখক বলেছেন: বিহংগকে ধন্যবাদ।
খোলাচিঠি বলেছেন:
keeping in mind the theory of natural selection -monkeys are able to survive with today's climate and environment. then what made human evolution stopped occuring further? why aren't they(primates)evoving into human anymore? Its not like the next generation of primates have had been stopped a while ago. Primates are still visible today such as, gorrillas, squiralles, chimps etc.) Then how come evolution doesn't occur now?
I understand Darwin's natural selection theory. I took the entire course ( Anthropology ) on that. Since it has been a while , I dont exactly remember the actual era of ending of evolution. Was it after mesozoic or not? would you kindly say some words on that?
also my another question to you~
I was taught that since Dianosors got extincted therefore, modern birds were evolved out of the ancestor called dianosor. I would love to have some conversation about this with you if you are intrested.
lend me some of your knowledge =)
লেখক বলেছেন: প্রিয় খোলাচিঠি,
আমারতো মনে হয় না পৃথিবীতে বিবর্তন বন্ধ হয়ে গেছে। বিবর্তন একটি চলমান প্রক্রিয়া। একটি multicellular organism এর বিবর্তনে লক্ষ কোটি বছর লাগে। যেখানে মানব সভ্যতার বয়স ৬/৭ বৎসর। বিবর্তন যে চলছে, তার সবথেকে বড় উদাহরণ Microorganisms. এই জাতীয় এককোষী জীবের কমিউনিটিতে natural selection এর প্রভাব খুব সহসাই ধরা পড়ে। আপনি অবশ্যই Mutation এর ব্যাপারটা জানেন। ফলে, এটা মনে করার কোন কারন নাই যে বিবর্তন ঘটছে না। সম্প্রতি একটা নতুন gene আবিস্কার হয়েছে, যেটা মানুষের বিবর্তন নিয়ন্ত্রন করে।
যে কোন আলোচনার জন্য স্বাগতম।
নরাধম বলেছেন:
বিবর্তনবাদী, আমি বলেছি পৃথিবী গোলাকার? আমি বরং বলেছি "স্ফেরিকাল"। এটা আসলে অস্ট্রিচের ডিমের মত।
নরাধম বলেছেন:
পৃথিবীতে মানুষ মরণশীল এটা ছাড়া আর কোন absolute কথা আছে কি? হয়ত, মানুষ মরণশীল এটাও absolute বাক্য নয়। এ বিষয়ে আপনার সাথে একমত। এ বিষয়ে একটা উক্তি পড়েছিলাম কোথায় যেন "even the very term "absolute" is not absolute"
লেখক বলেছেন: উক্তিটির জন্য ধন্যবাদ।
দুষ্টছেলে বলেছেন:
@বিবর্তনবাদী! বানর থেকে মানুষের উৎপত্তি না হলেও আমার মনে হয় তুই ঠিকই বানরের খাটি বংশধর।
লেখক বলেছেন: বন্ধু তুমি কি করে জানলে, আমার বংশের কথা। তুমি নিশ্চয়ই আমার family friend.
দিগন্ত বলেছেন:
"তবে আমার জানামতে যত সায়েন্টিষ্ট বিবর্তনবাদের পক্ষে আছেন তার বিপক্ষে আছেন আরও বেশি সংখ্যক সায়েন্টিষ্ট। " - এরকম তথ্য আপনাকে কে দিল? রেফারেন্স দিন। যাহোক লেখা ভাল হয়েছে।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
বিবর্তনবাদ প্রমান বা কোন পক্ষ বিপক্ষে স্থান নেবার জন্য এ পোস্ট ছিল না। এ পোস্ট ছিল শুধু মাত্র ডারউইন কি বলতে চেয়েছিলেন, তা (আমার পক্ষে যথাসম্ভব) সহজ করে তুলে ধরার জন্য। যদি ডারউইনের কথাটা বুঝাতে পারি তাতেই স্বার্থকতা। কাউকে বিবর্তনবাদী হবার জন্য যুক্তি প্রদর্শনে আমার কোন আগ্রহ নেই। কারন আমি বিশ্বাস করি মানুষকে আমরা তথ্য দিতে পারি, তাদের কিছু বুঝাতে পারি না। মানুষ নিজে নিজে বুঝে।
মুনিয়া বলেছেন:
কঠিন। অনেক কিছু জানলাম।
বইপাগল বলেছেন:
পড়লাম - আমার কাছে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিন্তাবিদ হারুন ইয়াইয়া-র বিবর্তনবাদ নিয়ে একটা লেখা আছে, সময় পেলে পোস্ট করে দেবো।
লেখক বলেছেন: বইপাগলের পোস্টের অপেক্ষায় বিবর্তনবাদী।
মদনবাবু বলেছেন:
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৪৩লেখক বলেছেন: প্রিয় খোলাচিঠি,
আমারতো মনে হয় না পৃথিবীতে বিবর্তন বন্ধ হয়ে গেছে। বিবর্তন একটি চলমান প্রক্রিয়া। একটি multicellular organism এর বিবর্তনে লক্ষ কোটি বছর লাগে। যেখানে মানব সভ্যতার বয়স ৬/৭ বৎসর।
যেখানে মানব সভ্যতার বয়স ৬/৭ বৎসর।
সংশোধন করুন । ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: মদনবাবু, ধন্যবাদ। "হাজার" শব্দটি ভুলে মিস হয়ে গিয়েছিল।
সংশোধন: মানব সভ্যতার বয়স ৬/৭ হাজার বছর।
মদনবাবু বলেছেন:
আপনাকেও ধন্যবাদ। সিরিয়াস পোস্টএ এমন অনিচ্ছাকৃত ভুল দেখলে অনেকের আবার পেট মোচর দিয়া উঠে ।তাই য়্যালার্ট থাকা ভালো ।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। আবারো ধন্যবাদ।
অহেতুক অকারণ বলেছেন:
বিবর্তনবাদীকে ধন্যবাদ।আরোও বেশি ধন্যবাদ আজাইরা ক্যাচালে না যাওয়ার জন্য।
আপনার যুক্তিগুলো পারফেক্ট।।
নরাধম বলেছেন:
দিগন্ত, আমি উইকিপিডিয়ার রেফারেন্স দিয়েছি ৪৫% এমেরিকান বিজ্ঞানীর কথা। আপনার পোস্টের একটু আগেই আছে। এ সংখ্যাটা ১০০ বছর আগে থেকে অনেক বেশী। ১০০ বছর আগে বিজ্ঞানীদের অলমোস্ট ১০০% ই বিবর্তনবাদে বিশ্বাস করত।
পুতুল বলেছেন:
উলু বনে মুক্তা ছড়ানো হল। অনেকের কমেন্ট দেখে তাই মনে হল। ড্রসফিলা মেলানোগাষ্টার এর নেচারাল সিলেকসন নিয়ে কিছুদিন কাজ করেছিলাম। সে জন্যই বলছি, এত সহজ এবং সাবলিল ভাবে বিবর্তনবাদ উপস্হাপন অসম্ভব। যারা তর্ক করছেন, তারা শুধু তর্কের জন্য তর্ক তরছেন এবং এ জাতীয় (বিবর্তন অক্ষম) কাঠ মোল্লায় আমাদের দেশটি ভরা। আল ক্যামি একটি আরবী শব্দ, এটা হয়তো এই কাঠমোল্লারা মনে করবে যে, এই পোষ্টের লেখকের মত লোকেরা শরয্ন্ত্র করে, আরবী ভাষায় ঢুকিয়েছে।
লেখক বলেছেন: পুতুল আপনাকে ধন্যবাদ। ড্রসফিলা মেলানোগাষ্টার নিয়ে কোথায় কাজ করেছিলেন?
মদনবাবু বলেছেন:
পুতুল বলেছেন:
আল ক্যামি একটি আরবী শব্দ, এটা হয়তো এই কাঠমোল্লারা মনে করবে যে, এই পোষ্টের লেখকের মত লোকেরা শরয্ন্ত্র করে, আরবী ভাষায় ঢুকিয়েছে।
কঠিন হইছে । তয় আরও যাতা দেওন লাগবো ।
পুতুল বলেছেন:
মদনবাবু মনে হয় না যাতা দিয়ে কোন লাভ হবে। এরা কিচ্ছু বোঝে না। অন্ধ।
লেখক বলেছেন: সবুজ ক্রসে গুতাডা না দিলে খুশি লাগত।
কানা বাবা বলেছেন:
সবুজে টুশকি মানে এই না যে আমি ডারউইন বাবাজীর বুজরুকি বিশওয়াশ(!) করি...
সবুজে টুশকি মারছি সুজা বাংলায় হ্যার তত্ত্বখান বয়ান করনের লাইগ্যা...
তারপরও ব্যাজার অইলে নেক্সটে খুশি কইরা দিমুনে...
লেখক বলেছেন: এইবার বুঝচ্ছি!!!!!!!!! ধন্যবাদ।
ত্রিভুজ বলেছেন:
আপনি নিচের লিংকে গিয়ে এপ্রসংঙ্গে আমার একটা লেখা পড়ে দেখতে পারেন। ভাল লাগবে হয়তো...
Click This Link
পুসকি বলেছেন:
ভাইয়া আপনি molicular biology র student নাকি????জোসস একটা subject
আমি অবশ্য আপনার কথা বুঝতে পেরেছি........
খুব সুন্দর লিখেছেন
+++
লেখক বলেছেন: পুসকিমনি, তুমি প্রায় ঠিক ধরেছ। তোমাদের জন্যই আমার এ লেখা। ধন্যবাদ।
দিনমজুর বলেছেন:
বিবর্তনবাদী,
আপনাকে একটু বিরক্ত করছি। আপনাকে নিচের লিংকে একটু যাওয়ার অনুরোধ করছি। সেখানে "স্বাধীনতা তুমি"র সাথে পারলে একটু কথা বলতে পারেন, তিনি বলেছেন- বিবর্তনবাদ বিজ্ঞান নয়। আমি জানি এ ব্যাপারে আমার চেয়ে আপনি ভালো আলোচনা করতে পারবেন!!
Click This Link
দিনমজুর বলেছেন:
(এবং অবশ্যই মনে রাখবেন- আমার অনুরোধ স্বাধীনতা তুমিকে বুঝানো নয়, তার সাথে বিবর্তনবাদ নিয়ে আলোচনা করা!!!)
বিবর্তনবাদী,
আপনার পোষ্ট পড়তে এসে সত্যিই অবাক হলাম যে, যে ব্যক্তি আমাকে বিজ্ঞানের একজন অজ্ঞ ছাত্র এবং আমার শিক্ষকের শিক্ষকতার অজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সে আবার আপনাকে আমার বিরুদ্ধে বিবর্তনের জন্য তার্কিক হিসাবে হায়ার করতে আসে। যাহোক আপনার উত্তর পুতুলের পোষ্টে দিয়েছি দয়া করে পড়ে নিবেন।
এখন আসি আপনার এই পোষ্টের মন্তব্যে। ভাই মশাকে মারার জন্য যে অসুধ ব্যবহার করা হয় তাতে যদি মশা না মরে তাহলে মশার জিনের কোন পরিবর্তন হয়না। মশার অসুধ বাববার দেবার পরেও যে সব মশা বেঁচে যায় তার কারণ হলো, মশার শরীরে ঐ অসুধটা রেজিস্টেনস গ্রো করে ফলে এক সময় এসে ঐ অসুধে মশা আর মরতে চায় না। একটা সাধারন উদাহরন দিলেই বুঝতে পারবেন, ডাক্তার যখন রুগীকে বিভিন্ন সময়ে এন্টিবাওটিক দেন, তখন রুগীর শরীরে ঐ এন্টিবাওটিক অসুধটি ধীরে ধেরে রেজিষ্টেনস গ্রো করতে থাকে। ফলে কিছুদিন পর পরই এন্টিবাওটিকে ষ্টেজ চেঞ্জ করতে হয়, এক সময় যখন মাইলার এন্টিবাওটিক থেকে হাইয়ার এন্টিবাওটিক কাজ করেনা তখন সিন্থেটিক এন্টিবাওটিক ইউজ করে। এতে ঐ রুগীর জিন চেঞ্জ হয়ে মানুষ থেকে সে আবার বানর হয়ে যায় না।
ভাই আমার অনুরোধ, কোন কিছুকে সহজ করতে গিয়ে আবার হাস্যকর করে ফেলে না অথবা এই ব্লগে সকলকে আবার কওমী মাদ্রাসার ছাত্রও মনে করিয়েন না। আমি আপনাকে কোরআনের সাহায্য নিয়ে বলিনি, বিজ্ঞানের মধ্যে থেকেই বলার চেষ্টা করেছি। আর ডারউইনের বিবর্তনের মতবাদ সম্পর্কে যদি ভাল জানতে চান তাহলে ডারউইনের "দি ডিসেন্ট অব ম্যান" সরাসরি পড়ুন, অন্য কারও মতামত পরে কেন বিভ্রান্ত হতে যাবেন। ধন্যবাদ আপনাকে আপনার এই পোষ্টের জন্য এবং আরও ধন্যবাদ দিনমুরকে সাহায্য করার জন্য।
লেখক বলেছেন: প্রিয় স্বাধীনতা তুমি - এইতো বুঝতে পারছেন দেখিছি। তা রেজিষ্টেন্স্ কি করে ডেভেলপ হয় এটা কি বোঝেন??
লেখক বলেছেন: যদি বুঝতেন, তবে এই মন্তব্য করতেন না!!!!! ![]()
লেখক বলেছেন: প্রিয় স্বাধীনতা তুমি - এইতো বুঝতে পারছেন দেখিছি। তা রেজিষ্টেন্স্ কি করে ডেভেলপ হয় এটা কি বোঝেন??
ধরুন আমি বুঝি না, তবে যুক্তি খন্ডান? উত্তর না দিয়ে এড়িয়ে গেলেন কেন?
লেখক বলেছেন: এড়িয়ে গেলাম কোথায় ভাই। আপনি যদি ভুল বুঝে থাকেন তবে একভাবে বুঝাতে হবে। যদি ব্যাপারটা না জেনে থাকেন তবে অন্যভাবে বুঝানোর চেষ্টা করতে হবে, তাই না??
আপনাকে একটা কথা বলি, এই ব্লগে যুক্তিতর্কের খেলায় জিতবার জন্যে সময় নষ্ট করছি না। বিধায় উত্তর এড়িয়ে গিয়ে, ছলচাতুরির আগ্রহ আমার নেই। আপনার লেখায় বোঝা যায়, আপনি যথেষ্ট শিক্ষিতি, আপনার কাছ থেকে আমার অনেক শেখার থাকতে পারে। যদি আমি ভুল হই, তবে অবশ্যই স্বীকার করতে দ্বিধা করব না যে, আমার ভুল ছিল।
আমার এতটুকু কনফিডেন্স আছে যে আর কিছু না হোক জীববিজ্ঞান নিয়ে এই ব্লগে যতটুকু লিখেছি, একেবারেই প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সত্য লিখেছি। তবে হ্যা, আমার লিখবার ক্ষমতার সীমাবদ্ধতার জন্য হয়ত শুধু পোস্ট পড়ে অনেকেই না বুঝতে পারেন। এবং এর জন্যইতো মন্তব্যের ব্যবস্থা, তাই না??
আপনাকে রেজিস্টেন্স গ্রো করার ব্যাপারটা আর বিবর্তনের গুরুত্ব আজ বা কালের মাঝে বুঝাতে চেষ্টা করব। ভাল থাকবেন।
যুক্তিতর্ক দ্বারা মানুষের হার বা জিত হয় আমি তা বিশ্বাস করি না। আমি মনে করি যুক্তিতর্কের মাধ্যমে কোন একটি বিষয়ের না জানা সঠিক সমাধান খঁজে পাওয়া যায়। তবে এ ব্লগে আমি অনেককেই দেখেছি যে, নিজেকে জযী ভাবার জন্যে কোন বিষয় বস্তুকে যুক্তি দ্বারা খন্ডন করার চেয়ে রীতিমত ঝগড়াঝাটি শুরু করে দেয়। এটা একেবারই ঠিক নয়।
ঝগড়াটে আর তার্কিকের মধ্যে পার্থক্য হলো, যে ঝগড়া করে সে তার আবেগ, দৈহিক শক্তি এবং ক্ষোভকে ব্যবহার করে নিজের অজ্ঞতাকে প্রকাশ করে, এরা হারকে সহ্য করতে পারেনা, কিন্তু অন্যের মিথ্যে প্রসংশায় বিগলিত হয়ে যায়, এতে এরা অজ্ঞতার চির অন্ধকারে সারা জীবর পড়ে থাকে। আর যে তর্ক করে সে তার মেধা, ধৈর্য এবং সাহস দিয়ে নিজের জ্ঞানকে প্রকাশ করে, তর্কে যদি জেতে তাহলে তারা আনন্দিত হয় সকলের জন্যে, কিন্তু যদি হেরে যায় তাও আনন্দিত হয় একটি সঠিক নুতন জ্ঞানকে অর্জনের আনন্দে। ঝগরাটেরা হেরে গেলে লাজ্জিত হয়ে নিজেকে গোপন করে, আর তার্কিকরা হেরে গেলে নিজেকে সংশোধিত করে গর্ববোধ করে।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্যে +++
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
@ স্বাধীনতা তুমি- What do we mean by development of resistance against some environmental stress factor (such as antibiotic, chemicals or physical agents, disinfectants, pesticides etc)? It implies that the organism can synthesize some proteins or enzymes which destroy or neutralize the effect of such factors. Now a day, most of the educated people know that amino acid sequence in protein is coded by the nucleotide sequence in DNA. Therefore, having resistance against certain factor means the organism has different genetic structure with comparison to non-resistance strain . With time such genetic changes accumulate give rise to new species . Development of new species or multi-cellular organisms may take thousands to millions of years. Genetic similarities between genes of different species are a solid prove of evolution. There is only 1-2% genetic difference between Human and champagnes.
ধন্যবাদ।
ভাই বিবর্তনবাদী, সামহয়ারইন এর পেজ ঠিক মত সম্পূর্ণ রূপে ওপেন হচ্ছে না গত পরশু থেকে, ইংরেজি লেখা গুলো পড়তে পারছিনা, সা,ইন করতে গেলে নিকনেম লিখাটাও আসছে না। এটাকি নেটের কারনে আমার এখানে হচ্ছে না অন্যত্রেও? এ বিষয়ে একটি পোষ্ট দিয়েছিলাম গতকাল আমাকে সাহায্য করার জন্যে। কিন্তু কেউ এর কারণ বলতে পারেনি, কেন এমন হচ্ছে। আপনার কাছে যদি এর কোন সলিউশন থাকে তাহলে জানাতে পারেন।
ফলে আপনার উপরের মন্তব্যটি পড়তে পারি নাই। মনে হয় বাংলা ফ্রন্টে লেখা না মন্তব্যটি। দয়া করে যদি বাংলায় লিখতেন তাহলে ভাল হতো। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: হ্যা, আমিও দেখেছি, সামহোয়্যারইনে এই জাতীয় কিছু সমস্যা হয়। আমি বাংলায় লিখে দেব। ধন্যবাদ।
















