আমার প্রিয় পোস্ট
- Search Engine Optimization – এ হাতেখড়ি (পর্ব ১) - হাসান
- শাবানা আজমির দুঃখ - আলফাজ আনাম - আহসান মোহাম্মদ ক
- উড়ে যায় পাখি,ফেলে যায় পালক তার, একটা সাদা এবং একটা কালো - সুলতানা শিরীন সাজি
- অনলাইনে টাকা কামানো সর্ম্পকিত ব্লগ - হাসান
- সামহোয়্যারের ব্লগার ও পোস্ট - কত প্রকার ও কি কি (সবিস্তারে বর্ননা - অবশ্যই দেখুন)
- নাফিস ইফতেখার
- সৌখিন আলোকচিত্রীদের জন্য সুখবর। - অরণ্য আনাম
- বাবা আলাউদ্দীন - ইমন জুবায়ের
- ভেবে দেখুনতো ইন্টানেটে নিজের ছবি দেয়াটা উচিৎ কি-না। - লুলুপাগলা
- ভালবাসাবাসি করেন
.... তয় In Ishtyle!!!!
(অনুবাদ পোস্ট) - এম্নিতেই
- পোস্টের সাথে সম্পর্কহীন আলোচনার জন্য। - বিবর্তনবাদী
- ইসরাইলের গর্বিত এক বাংলাদেশী বন্ধুকে দেখুন,চিনুন,জানুন। - চিলে কোঠার সেপাই
- আস্তিক-নাস্তিক-সংশয়ী এবং তাদের ঈশ্বর - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- পেনড্রাইভ থেকে পিসিতে ভাইরাস ঢোকবার পথটাই বন্ধ করে দিন - মোঃ রফিকুল আলম (পাভেল)
- The Jewel of Medina(Freedom of speach এবং artistic license নামে মিথ্যার বেসাতি) - আশিক হাসান
- শিউলী তোকে চিঠি - সুলতানা শিরীন সাজি
- বাংলাদেশে এক্টিভিস্ট হওয়া কি আদৌ সম্ভব (চার পর্ব একসঙ্গে) - ফাহমিদুল হক
- চির উন্নত শির(আজ আমাদের জাতীয় কবির ১০৯তম জন্মবার্ষিকী,বাংলা ১১ই জৈষ্ঠ হিসেবে আগামী কাল-ও){ছবি ব্লগ} . - অ্যামাটার
- আজ ১৯ আগষ্ট কমরেড সৈয়দ আমিরুজ্জামানের ৪৬ তম জন্মদিবস - কবি হেলাল রশিদ
- লুকোচুরি গল্প


- শিরোনামহীন
- মুঠোফোন-সফটওয়ার'জ - চিলে কোঠার সেপাই
- ১৮৯ জন ব্লগার এবং তাদের জন্মতারিখ - শাহবাজ
- আমার প্রিয় পোস্টগুলো - বিবর্তনবাদী
~পত্র রচনা~
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:২৬
পত্র বা চিঠি শব্দটা আজকের দিনে ব্যবহৃত হলেও, চিঠি আজ আর কেউ লেখে না। এ যেন রাজার মুকুটের মত। কোন আধুনিক শাসক আজ আর মুকুট পড়েন না, তবুও রাজা মুকুটের কথা আজও আমরা ভুলি নাই। আর কোথাও না হোক কারো কারো কবিতায় রাজ মুকুটের কথা ঠিকই চলে আসে। আচ্ছা, চিঠি বলতে আমরা যা বুঝি তা কি আজ ত্যিই কেউ লেখে না? আমিতো লিখি এখনও, কখনও অজানা কাউকে অথবা বিশেষ কাউকে।
প্রথম চিঠি কবে লিখেছি মনে নেই। তবে সেগুলো বরিশালের খালাদের কাছে লেখা হত। মা যখন চিঠি লিখত তখন আমরা দুই ভাইবোন স্কুলের দাগকাটা বাংলা খাতার পৃষ্টায় চিঠি লিখতাম। একই কথা থাকত দু’জনেরই চিঠিতে। আমরা লিখতাম, খালা, আমার ছালাম নিয়ো। তোমরা কেমন আছ? আমরা ভাল আছি? নানা নানিকে আমার ছালাম দিয়ো। আমাদের স্কুলে লেখাপড়া ভাল হচ্ছে, অমুক মাসে পরীক্ষা হবে। আমাদের বাসায় কবে আসবে? । এরকম চিঠি জীবনে যে কত লিখেছি তার হিসেব নেই। এই চিঠি নিয়ে একটা স্বরনীয় ঘটনা মনে আছে। একবার খালাকে চিঠি লিখছিলাম, লিখলাম, খালা, আমার ছালা (ছালাম লিখতে যাচ্ছিলাম আর কি!) । ঠিক এই মূহুর্তেই দরজাতে কে যেন নক করলাম। দরজা খুলে দেখি সেই খালা এসেছে বরিশাল থেকে। ব্যস্ ঐ চিঠি লেখা সেখানেই শেষ। পরে খেয়াল করলাম আমার সেই খাতাটিতে “খালা আমার ছালা” এটুকুই লেখা আছে। বড্ড হাসি পেয়েছিল সেই সময়। অনেকদিন ঐ খাতা রেখে দিয়েছিলাম, চোখে পড়লেই হাসি পেত। আজকের মোবাইলের যুগে এ স্মৃতি সম্ভব নয়। কারন খালা নিশ্চয়ই আগে মোবাইলে জানিয়ে তারপর ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিতেন। খালা ছাড়াও একই ধরনের চিঠি লিখেছি দাদা-দাদি ও সুইডেনে চাচার কাছে। তবে সব থেকে মজা পেয়েছি স্কুলের পরীক্ষায় দরখাস্ত লিখে। ফুল ফ্রি স্টুডেন্টশীপের জন্য প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখেছি বাসার কঠিন অবস্থার কথা কত মজা নিয়ে। লিখতাম বাসায় ১১ ভাইবোন, অসুস্থ দাদি, বাবা ছোট্ট সরকারি কর্মচারি আরও কত কি!!!
আস্তে আস্তে বড় হয়ে গেলাম। আত্মীয়-স্বজনরা একে একে সবাই এখন ঢাকায় থাকেন। চিঠি লেখার একটা পর্যায় সেখানেই শেষ। ২০০২ এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে শুরু হল নতুন করে চিঠি লেখা। প্রেমের হাত ধরে এল প্রেমপত্র লেখা। সেই সাথে প্রেমপত্র পাওয়া। আমরা দু’জন মোবাইল নেই থার্ড ইয়ারে উঠে। এর আগে বাসায় চলে যাবার পর আর যোগাযোগ সম্ভব হত না। তবু কথার যে শেষ হত না। তাই লিখতাম পৃষ্টার পর পৃষ্টা আবার উত্তর পেতাম পৃষ্টার পর পৃষ্টা। যদিও জীবনে একটাই প্রেম করেছি, তবুও বলতে পারি প্রেমপত্র আমি খারাপ লিখি না। এটা হয়তো বাবার কাছ থেকে উত্তরাধীকার সূত্রে পাওয়া। আমার বাবা ষাটের দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজে কয়টা প্রেম করেছে তা জানি না, তবে অনেক প্রেমিকের জন্যই সে প্রেম পত্র লিখে বন্ধুত্বের দায়িত্ব পালন করেছে। উত্তরাধীকার সূত্রে পাওয়া তার যৌবনকালের বইগুলোর পৃষ্টার ফাকে এমনই কয়েকটা প্রেমপত্রের খসড়া খুঁজে পেয়েছিলাম। আমার প্রেমপত্র কর্ণফুলি পেপার মিলের হলুদাভ কাগজে লিখা হলেও, বাবার গুলো রঙবেরঙের প্যাডের পাতায় লেখা। এরপর ২০০৫ এর প্রথম দিকে মোবাইল নিলাম দুজনেই। এরপর আর কি? কথা মনে এলেই ফোন। যদি কথা না বলতে চাইতাম, তখন এসএমএস। প্রেমপত্র পর্যায় সেখানেই শেষ। যদিও তার আবদারে মাঝে মাঝে কিছু লিখেছি কিন্তু, বেশিদিন তা ধরে রাখা সম্ভব হয় নি উভয় দিক থেকেই।
সময়ের সাথে দিন পালটে গেল, পালটে গেল আমার প্রিয়র মনের স্রোতধারা। আমাকে এক পাশে সরিয়ে, নিজের ভুবন বুনতে লাগলেন তিনি। আমি অস্থির হয়ে ছুটে গেলাম তার দরজায়, অনুরোধ শুধু একটাই আমায় পাশে সরিয়ে রেখ না। আমি যে বড় একা হয়ে যাব। তিনি আমায় একাকীত্ব ঘুচানোর নানা উপায় শুধালেন। কিছুই মনে সইল না আমার। আমি একসাথে দুই একাউন্ট দিয়ে ইয়াহু মেসেঞ্জার ও উইন্ডোজ ম্যাসেঞ্জার খুলে, নিজের সাথে নিজেই চ্যাট করতাম। কিন্তু এ যে নির্জীব দেওয়ালের সাথে কথা বলবারই সমতুল্য। চ্যাটরুমে ঢুকে, বন্ধু খোজাখুজি আমি করি না কখনই। তবুও, সে সময় একবার চ্যাট রুমে ঢুকেছিলাম। পরিচয় হল একটি মেয়ের সাথে। অপরের বিরহ বেদনা বসে বসে শুনে যাওয়া বড়ই বিরক্তিকর। প্রিয়, পরিচিত কেউই শুনতে আগ্রহী থাকে না, তারপর তো অজানা একজন। তবে, কেন জানি না ও আমার কথা শুনত। চ্যাট রুম ছেড়ে আমরা ধরলাম মোবাইল। শুনলাম তারও কিছু না বলা কথা। ওর পক্ষে আমার সাথে সব সময় যোগাযোগ রাখা সম্ভব ছিল না। আমি যখন কথা বলতে চাইতাম, তখন প্রায়ই তাকে পেতাম না। অনুমতি নিলাম চিঠি লিখবার। ইচ্ছে হলেই ওকে চিঠি লিখতাম। মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে অভ্র দিয়ে বাংলায় চিঠি লিখতাম। সে চিঠি আবার পিডিএফ করে, এটাচ করে ওকে মেইল করে দিতাম।
কত চিঠিই না লিখেছি ওকে। হয়তো, ট্রেনের জন্য স্টেশনে অপেক্ষা করছি, এমন সময় স্টেশনের কিছু একটা মনে গাঁথল। স্টেশনে বসেই শুরু করেছি লেখা। ওকে চিঠি লিখবার জন্য সব সময় একটা ডায়েরি সাথে থাকত। দিনে রাতে, ঘরে বাইরে, রাস্তায়-গাড়িতে কত জায়গায় বসেই না ওকে চিঠি লিখেছি। ও আমাকে কখনো কোন চিঠি লেখেনি। ফোনে আমাকে চিঠির উত্তর দিত, যদিও আমি চাইতাম সে আমাকে চিঠি লিখুক। ওর সাথে একটা অদ্ভুত সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল আমার, চিঠি লিখবার সম্পর্ক। এর বেশি বিন্দুমাত্রও না। ও সেনাবাহিনীর এক মেজরকে ভালবাসে, এই মার্চের ওদের বিয়ে। যেদিন আমাকে জানাল ওর বিয়ের তারিখ ঠিক হয়েছে, সেদিনের পর আর কথা হয়নি। হয়তো , আর কখনও হবে না। তবে সুন্দর একটা বিদায় নিয়েছিলাম আমরা। শেষ যেদিন কথা হয় সেদিন ওকে একটা বিদায়ের গান শুনিয়েছিলাম (মোবাইল স্পিকারে সামনে রেখে, নিজে গেয়ে নয়)।
ভালবেসে সখি নিপিতে যতনে
আমার নামটি লিখ তোমার মনের মন্দিরে।।
আমার পরানে যে গান বাজিছে
তাহার তালটি শিখো তোমার চরণ মঞ্জিরে।।
যদিও সে চিঠির উত্তর দেয় না, তবুও জীবনে চলার পথে অবসর পেলে, আমার ভাল খবরগুলো তাকে দেব চিঠির মাধ্যমে। আশা করি, ভালবেসে সেও আমার নামটি তার মনের গভীরে লিখে রাখবে।
বিগত তিন মাস এক সপ্তাহের মাঝে নতুন একজন মানুষের সাথে যোগাযোগ হয়। সে থাকে দূর দেশে। যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে সে কে, উত্তর দিতে হবে “ঠিক জানি না”। যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে সে আমার কি হয়, “উত্তর দিব, কেউ না”। যাইহোক, তার সাথে অনেক কথাই হয়েছে। এবার কক্সবাজার -সেণ্টমার্টিন্সে যাবার আগে তার কাছ থেকেও অনুমতি নিয়েছিলাম একটা চিঠি লিখবার। কক্সবাজারে পাওয়া একান্ত কিছু সময়ে তার কাছেও একটা চিঠি লিখেছিলাম। চিঠিটা বাংলা অক্ষরে টাইপ করে মেইলে এটাচ করে পাঠিয়েছিলাম তাকে। বিনিময়ে আমিও পেয়েছিলাম আর একটা চিঠি । তার সেই চিঠির কিছু মন ছোঁয়া অংশ তুলে দিলাম,
“ ... ... ... খুব ইচ্ছে ছিল কারো কাছ থেকে একটি চিঠি পাবার। কেও শুধু মাত্র আমার জন্যে তার কিছু সময় বের করে কিছু লিখবে ! ভাবতেই অন্যরকম লাগে। আর যদি তা হয় প্রাকতিক সৌন্দর্যের অন্যতম সৌন্দর্য সমুদ্রের সামনে দাঁড়িয়ে তাহলে সেই চিঠির আনন্দ হবে হাতের মুঠোয় বেশ কয়েকটি নীল পদ্ম পেয়ে যাওয়ার সমান। ... ...
... ... চিঠিটি কাগজে প্রকাশ করে সমুদ্রে বসে পড়লাম। বাংলাদেশের জলে ভিজে আসা আপনার চিঠির লবনাক্ত স্বাদ আমার সমুদ্রে মুহুর্তে মিশে গেল... ... ... ’’।
সেই দূরদেশবাসিনীর কাছে লেখা চিঠিটাই আমার এ পর্যন্ত কাউকে লেখা শেষ চিঠি। তার কাছ থেকে পাওয়া উত্তর হয়তো আমার ঐ চিঠিটি লিখবার ইচ্ছাকে স্বার্থক করল। অবশেষে শুধু এটুকু বলতে পারি পাঠক বা পাঠিকা কেউ থাকুক বা না থাকুক, আমার চিঠি লিখবার আগ্রহ কখনও কমবে না।
প্রকাশ করা হয়েছে: স্মৃতি কথা বিভাগে ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
কথা হইল, যা দেওয়া সম্ভব না তা কেন দিলেন? খালি একটা + দিলেই তো হইত। বর্তমান রেটিং-এ +৫ কেমনে নিব!!
লেখক বলেছেন: একটু বিজ্ঞান খাটাইলে, অতি বেগে চলতে চলতেও আবেগ অনুভব করা সম্ভব। তাই নয় কি?
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো।দারুন হয়েছে।"অবশেষে শুধু এটুকু বলতে পারি পাঠক বা পাঠিকা কেউ থাকুক বা না থাকুক, আমার চিঠি লিখবার আগ্রহ কখনও কমবে না। "
কথাটা আমার ও।
কবিতা লিখি,গল্প লিখি..।কিন্তু চিঠির মত দারুন একটা ব্যপার..মন খুলে বসে শুধু নিরন্তর লিখে যাওয়া..।চিঠিতেই সম্ভব।
শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, সাজি আপা।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সোনার বাংলা বলেছেন:
কি বলবো ভাই সে রকম হয়েছে.......
তবে ভাই মাঝে মাঝে আপনাদের চিঠি চালাচালির কিছু অংশ
আমাদের জন্য দিয়েন আর কি ..........
লেখক বলেছেন: না না সেটা দেওয়া যাবে না। তবে এরকম দুই একটা লাইন শেয়ার করতে পারি . . . .
লেখক বলেছেন: মনে করিয়ে দিলেন স্কুলের পেনফ্রেন্ড ব্যাপারটার কথা। আমার যদিও তখন কোন পেনফ্রেন্ড ছিল না, তবুও ভালই লাগত ঐ লেসন গুলো।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: একটু দেখলাম, কমেন্ট মডারেট কেমনে করে, এই আর কি!!!
+
সুন্দর লিখেছেন।
ভালোবাসাবোধ তীব্রতরো হলে যে কারো প্রতি, যদি লেখকের প্রকাশের ক্ষমতা থাকে, তাহলে চিঠির মাধ্যমে গভীর অনূভবের কথা ব্যক্ত করা যায় সহজে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। মাঝে মাঝে মনে হয় মনের গভীর অনূভবগুলো চিঠি ছাড়া প্রকাশ করাই কঠিন। মনের ভাব মুহুর্তের মধ্যে মুখে নিয়ে আসা বড় কঠিন।
খোলাচিঠি বলেছেন:
চিঠি পড়বার পাঠক কোনকালেই কম হবে না। আপনি লিখে যান।
লেখক বলেছেন: সত্যি বলছেন???
মুনিয়া বলেছেন:
এখন দেখছি আমারও চিঠি পাবার আগ্রহ জন্মাচ্ছে। আপনার লেখা পড়ে মনে হচ্ছে আমি একটা হতভাগা- যে কিনা পরীক্ষার খাতা ছাড়া কখনো চিঠি লেখেনি কাউকে।
লেখক বলেছেন: অন্যের দুঃখ করিলে চিন্তন, আপন দুঃখ থাকে কতক্ষণ . . . . . . . তাই না? আপনিতো পরীক্ষার খাতায় চিঠি লিখেছেন, কিন্তু এদেশে প্রায় অর্ধেক লোকের ভাগ্যে সে সৌভাগ্যও নেই।
নিবেদীতা বলেছেন:
এক সময় চিঠি লিখতে, চিঠি পেতে খুব ভাল লাগত, এখন আর লেখা হয়না। কিন্তু আগের সেই চিঠি গুলো এখোনো পড়তে খুব ভাল লাগে।সুন্দর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
কানা বাবা বলেছেন:
এই পর্যন্ত প্রেম করেছেন মাত্র একটা!
তবেই সেরেছে!
জোরসে কদম বাড়ান, বিবর্তনবাদী; ভালো হয় না হেঁটে যদি দৌড়ুতে পারেন... নইলে জীবনের বরাদ্দকৃত প্রেম-কোটা এই জীবনে আর পূর্ণ করতে পারবেন না; বাণিজ্যঘাটতিতে পড়ে যাবেন...

হাহ হাহ হাহ...
লেখক বলেছেন: গুরু আমি বড়ই নাদান। আমাকে প্রেমের মন্ত্র শিখাও, তবেই আমি না হেটে দৌড়াতে পারব।
জয় কানা বাবার জয়।
হমপগ্র বলেছেন:
সুন্দর একটি লেখা পড়লাম+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন:
দরুন হয়েছে।আসলে চিটি লেখা এক সুন্দর শব্দ চয়নে নিজের মনের কথা বলা। চিটি কম লেখা হয় তবে লিখতে ভালোবাসি বলে ব্লগে চিটি নামে আসলাম।লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ চিটি।
তারেও টেনেটুনে ব্লগে ঢুকানো যায়না
লেখা ভাল লেগেছে।স্মৃতির বুকে কাঁপন তোলার মত।
লেখক বলেছেন: আরে ভাই টেনেটুনে বা অনুরোধ করে কি আর ব্লগে লেখানো যায়!!! হয়ত সেও লেখে এই ব্লগেই আমরা জানি না।



















আমি নিজে নিজে লিখি কিন্তু কাউকে দেই না।
চিঠি লিখতে ভালো লাগে।
চিঠি লিখার পর মনে হয় আমার যে কথা গুলো বলতে ইচ্ছে করছিলো তা যেনো বলা হয়ে গিয়েছে।মনে মনে একটা শস্তি পাই।
+৫